শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
The Dhaka News Bangla

শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, কেন্দ্রে সিসিটিভি নজরদারি

শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, কেন্দ্রে সিসিটিভি নজরদারি
ফাইল ছবি

নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এবার দেশের ২ হাজার ৬৯৭টি পরীক্ষাকেন্দ্রের সবগুলোই সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।

পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যরা বডি-ওর্ন (শরীরে পরিধানযোগ্য) ক্যামেরা ব্যবহার করবেন। এছাড়া ঢাকায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং সেল থেকে দেশের যেকোনো পরীক্ষাকেন্দ্র সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা যাবে।

এর আগে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীনে এইচএসসি পরীক্ষা প্রতিটি বোর্ডের পৃথক প্রশ্নপত্রে অনুষ্ঠিত হতো। এবার প্রথমবারের মতো অভিন্ন প্রশ্নপত্রে এবং পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

আজ সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে নিজ নিজ আসনে বসতে হবে। লিখিত পরীক্ষা চলবে ৮ আগস্ট পর্যন্ত এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৫ আগস্টের মধ্যে শেষ হবে।

১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ শিক্ষার্থী এবার পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুশৃঙ্খল ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অংশ নিচ্ছে ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অংশ নিচ্ছে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন।

পরীক্ষা উপলক্ষে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) রাজধানীর পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোর ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ও পরীক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তি ছাড়া অন্য সবার প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে।

উত্তরপত্র মূল্যায়নে কঠোরতা

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ বছর উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে। পরীক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, প্রতিটি পরীক্ষকের কাছে কমসংখ্যক উত্তরপত্র দেওয়া হবে এবং মূল্যায়নের মান নিশ্চিত করতে বোর্ডগুলো দৈবচয়ন ভিত্তিতে নমুনা উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন করবে।

তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে।

কোনো পরীক্ষক অসাবধানতাবশত বা খেয়ালখুশিমতো উত্তরপত্র মূল্যায়ন করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

প্রশ্নপত্র ফাঁস প্রতিরোধে সরকার আইন আরও কঠোর করেছে। পাশাপাশি তিন সেট প্রশ্নপত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব বা ভুয়া প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান মন্ত্রী।

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় সমন্বয়ের উদ্যোগ

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সমন্বয়ের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এটি নীতিগত বিষয়। ভর্তি কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগেই সমন্বয়ের রূপরেখা দৃশ্যমান হবে।

বোর্ডভিত্তিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে পরীক্ষার্থী সবচেয়ে বেশি। এ বোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৩ লাখ ৩০০ জন ৯৩ জন শিক্ষার্থী। অন্যদিকে সবচেয়ে কম পরীক্ষার্থী বরিশাল বোর্ডে, যেখানে অংশ নিচ্ছে ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন।

এ ছাড়া রাজশাহী বোর্ডে পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ জন, যশোর বোর্ডে ১ লাখ ১৭ হাজার ২১০ জন, দিনাজপুর বোর্ডে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৭৯ জন, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন, কুমিল্লা বোর্ডে ৯৪ হাজার ৮০২ জন, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৭৩ হাজার ৩৭ জন এবং সিলেট বোর্ডে ৭১ হাজার ৬১১ জন।

গত বছরের তুলনায় সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে পরীক্ষার্থী বেড়েছে ১৪ হাজার ৩১৬ জন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে বেড়েছে ৬ হাজার ৮০৩ জন। তবে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী কমেছে ১ হাজার ৬৪৭ জন।

২০২৮ সাল থেকে নতুন শিক্ষাক্রম

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে ২০২৮ সাল থেকে নতুন শিক্ষাক্রম চালু করা হবে। সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে ২০২৭ সালে এটি বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে নতুন পাঠ্যক্রম প্রণয়নের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

প্রথম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত সব শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রম একসঙ্গে চালু হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেখানে প্রয়োজন, সেখানে পরিবর্তন আনা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, নতুন শিক্ষাক্রমে পাঠ্যবইভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি সংস্কৃতি ও ক্রীড়ার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে। শুরুতে তাত্ত্বিকভাবে এবং পরে ব্যবহারিক শিক্ষার মাধ্যমে এটি বাস্তবায়ন করা হবে।

বিষয় : এইচএসসি পরীক্ষা

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬


শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, কেন্দ্রে সিসিটিভি নজরদারি

প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬

featured Image
নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এবার দেশের ২ হাজার ৬৯৭টি পরীক্ষাকেন্দ্রের সবগুলোই সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যরা বডি-ওর্ন (শরীরে পরিধানযোগ্য) ক্যামেরা ব্যবহার করবেন। এছাড়া ঢাকায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং সেল থেকে দেশের যেকোনো পরীক্ষাকেন্দ্র সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা যাবে।এর আগে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীনে এইচএসসি পরীক্ষা প্রতিটি বোর্ডের পৃথক প্রশ্নপত্রে অনুষ্ঠিত হতো। এবার প্রথমবারের মতো অভিন্ন প্রশ্নপত্রে এবং পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।আজ সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে নিজ নিজ আসনে বসতে হবে। লিখিত পরীক্ষা চলবে ৮ আগস্ট পর্যন্ত এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৫ আগস্টের মধ্যে শেষ হবে।১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ শিক্ষার্থী এবার পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।তিনি বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুশৃঙ্খল ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অংশ নিচ্ছে ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অংশ নিচ্ছে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন।মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন।পরীক্ষা উপলক্ষে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) রাজধানীর পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোর ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ও পরীক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তি ছাড়া অন্য সবার প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে।উত্তরপত্র মূল্যায়নে কঠোরতাসংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ বছর উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে। পরীক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, প্রতিটি পরীক্ষকের কাছে কমসংখ্যক উত্তরপত্র দেওয়া হবে এবং মূল্যায়নের মান নিশ্চিত করতে বোর্ডগুলো দৈবচয়ন ভিত্তিতে নমুনা উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন করবে।তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে।কোনো পরীক্ষক অসাবধানতাবশত বা খেয়ালখুশিমতো উত্তরপত্র মূল্যায়ন করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।প্রশ্নপত্র ফাঁস প্রতিরোধে সরকার আইন আরও কঠোর করেছে। পাশাপাশি তিন সেট প্রশ্নপত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব বা ভুয়া প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান মন্ত্রী।বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় সমন্বয়ের উদ্যোগশিক্ষামন্ত্রী বলেন, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সমন্বয়ের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এটি নীতিগত বিষয়। ভর্তি কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগেই সমন্বয়ের রূপরেখা দৃশ্যমান হবে।বোর্ডভিত্তিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যাসাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে পরীক্ষার্থী সবচেয়ে বেশি। এ বোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৩ লাখ ৩০০ জন ৯৩ জন শিক্ষার্থী। অন্যদিকে সবচেয়ে কম পরীক্ষার্থী বরিশাল বোর্ডে, যেখানে অংশ নিচ্ছে ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন।এ ছাড়া রাজশাহী বোর্ডে পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ জন, যশোর বোর্ডে ১ লাখ ১৭ হাজার ২১০ জন, দিনাজপুর বোর্ডে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৭৯ জন, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন, কুমিল্লা বোর্ডে ৯৪ হাজার ৮০২ জন, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৭৩ হাজার ৩৭ জন এবং সিলেট বোর্ডে ৭১ হাজার ৬১১ জন।গত বছরের তুলনায় সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে পরীক্ষার্থী বেড়েছে ১৪ হাজার ৩১৬ জন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে বেড়েছে ৬ হাজার ৮০৩ জন। তবে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী কমেছে ১ হাজার ৬৪৭ জন।২০২৮ সাল থেকে নতুন শিক্ষাক্রমসংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে ২০২৮ সাল থেকে নতুন শিক্ষাক্রম চালু করা হবে। সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে ২০২৭ সালে এটি বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে নতুন পাঠ্যক্রম প্রণয়নের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।প্রথম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত সব শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রম একসঙ্গে চালু হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেখানে প্রয়োজন, সেখানে পরিবর্তন আনা হবে।প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, নতুন শিক্ষাক্রমে পাঠ্যবইভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি সংস্কৃতি ও ক্রীড়ার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।তিনি আরও বলেন, ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে। শুরুতে তাত্ত্বিকভাবে এবং পরে ব্যবহারিক শিক্ষার মাধ্যমে এটি বাস্তবায়ন করা হবে।

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত