শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
The Dhaka News Bangla

নারীসহ আপত্তিকর অবস্থায় আটক, যুবদল সভাপতিকে বহিষ্কার

নারীসহ আপত্তিকর অবস্থায় আটক, যুবদল সভাপতিকে বহিষ্কার
নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ আশ্রাফ উদ্দিন

নোয়াখালীর হাতিয়ায় এক নারীসহ আটকের ঘটনার জেরে নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. আশ্রাফ উদ্দিন (৪০)-কে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতির পদ, প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয় নোয়াখালী জেলা যুবদল।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক রাইসুল হায়দার বাবু স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনবিরোধী অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় নোয়াখালী জেলা যুবদলের সভাপতি মঞ্জুর আজিম সুমন ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খাঁন এ বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করেছেন। একই সঙ্গে বহিষ্কৃত নেতার কোনো কর্মকাণ্ডের দায়-দায়িত্ব দল নেবে না বলেও জানানো হয়। যুবদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে বুধবার (১ জুলাই) রাত ১০টার দিকে হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের ল্যাংড়া তেমুনী এলাকার একটি ঘর থেকে এক নারীসহ মো. আশ্রাফ উদ্দিনকে স্থানীয় লোকজন আটক করেন বলে অভিযোগ ওঠে। আশ্রাফ উদ্দিন হাতিয়ার ১১ নম্বর নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি এবং ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আদর্শ গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, নোয়াখালীর সদর উপজেলার এক নারীকে নিয়ে একটি ঘরে প্রবেশ করার পর বিষয়টি টের পেয়ে এলাকাবাসী সেখানে গিয়ে তাদের আটক করে। পরে তাদের বাইরে নিয়ে আসা হলে ঘটনাস্থলের ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। রাত ১১টার দিকে স্থানীয় বিএনপির ঊর্ধ্বতন নেতাদের হস্তক্ষেপে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. আশ্রাফ উদ্দিন। তিনি বলেন, আমি ওছখালী বাজারে একটি সালিস শেষে ফেরার পথে কয়েকজন যুবক আমাকে আটক করে অপহরণ করে এবং চাঁদা দাবি করে। পরে একটি নারীকে আমার পাশে এনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হয়। এটি আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। যারা আমাকে উদ্ধার করেছেন, তারা প্রকৃত ঘটনা জানেন। তবে এখনো এ ঘটনায় আমি কোনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করিনি।

হাতিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন ইলিয়াছ বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পরে জেলা যুবদল তাকে বহিষ্কার করেছে।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও পুলিশ পৌঁছানোর আগেই সংশ্লিষ্টরা সেখান থেকে চলে যান। ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া যায়নি এবং তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়দের কাছ থেকেও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিষয় : নোয়াখালী আটক সভাপতি হাতিয়া বহিষ্কার যুবদল

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬


নারীসহ আপত্তিকর অবস্থায় আটক, যুবদল সভাপতিকে বহিষ্কার

প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬

featured Image
নোয়াখালীর হাতিয়ায় এক নারীসহ আটকের ঘটনার জেরে নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. আশ্রাফ উদ্দিন (৪০)-কে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতির পদ, প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয় নোয়াখালী জেলা যুবদল।বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক রাইসুল হায়দার বাবু স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনবিরোধী অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় নোয়াখালী জেলা যুবদলের সভাপতি মঞ্জুর আজিম সুমন ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খাঁন এ বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করেছেন। একই সঙ্গে বহিষ্কৃত নেতার কোনো কর্মকাণ্ডের দায়-দায়িত্ব দল নেবে না বলেও জানানো হয়। যুবদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এর আগে বুধবার (১ জুলাই) রাত ১০টার দিকে হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের ল্যাংড়া তেমুনী এলাকার একটি ঘর থেকে এক নারীসহ মো. আশ্রাফ উদ্দিনকে স্থানীয় লোকজন আটক করেন বলে অভিযোগ ওঠে। আশ্রাফ উদ্দিন হাতিয়ার ১১ নম্বর নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি এবং ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আদর্শ গ্রামের বাসিন্দা।স্থানীয় সূত্রের দাবি, নোয়াখালীর সদর উপজেলার এক নারীকে নিয়ে একটি ঘরে প্রবেশ করার পর বিষয়টি টের পেয়ে এলাকাবাসী সেখানে গিয়ে তাদের আটক করে। পরে তাদের বাইরে নিয়ে আসা হলে ঘটনাস্থলের ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। রাত ১১টার দিকে স্থানীয় বিএনপির ঊর্ধ্বতন নেতাদের হস্তক্ষেপে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. আশ্রাফ উদ্দিন। তিনি বলেন, আমি ওছখালী বাজারে একটি সালিস শেষে ফেরার পথে কয়েকজন যুবক আমাকে আটক করে অপহরণ করে এবং চাঁদা দাবি করে। পরে একটি নারীকে আমার পাশে এনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হয়। এটি আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। যারা আমাকে উদ্ধার করেছেন, তারা প্রকৃত ঘটনা জানেন। তবে এখনো এ ঘটনায় আমি কোনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করিনি।হাতিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন ইলিয়াছ বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পরে জেলা যুবদল তাকে বহিষ্কার করেছে।হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও পুলিশ পৌঁছানোর আগেই সংশ্লিষ্টরা সেখান থেকে চলে যান। ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া যায়নি এবং তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়দের কাছ থেকেও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত