বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
The Dhaka News Bangla

ত্রিমুখী আন্দোলনে উত্তাল দিল্লি, চাপে মোদি সরকার

ভারতের রাজধানী দিল্লি এখন তিনটি বড় আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু। মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থী আন্দোলন, ভারত-যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির বিরুদ্ধে কৃষকদের বিক্ষোভ এবং জম্মু-কাশ্মীরের পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের মর্যাদা ও ৩৭০ অনুচ্ছেদ পুনর্বহালের দাবিতে কাশ্মীরি নেতাদের আন্দোলন এই তিন ইস্যুকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দিল্লির রাজনৈতিক পরিস্থিতি।স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর মতে, একযোগে তিন দিকের চাপ সামলাতে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকার।শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহতমেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে যুব ও শিক্ষার্থীদের সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।সোমবার (২০ জুলাই) সংসদ ভবন অভিমুখে পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অন্তত ১৮০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ১১৮ জনের বেশি পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মী এবং অন্তত ৬০ জন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী রয়েছেন। সহিংসতার অভিযোগে প্রায় ৭০ জনকে আটক করেছে পুলিশ।বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্ট-এর তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরেও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যে দিল্লির যন্তর মন্তরে শত শত আন্দোলনকারী অবস্থান নেন। আগের দিনের লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ এবং অস্থায়ী তাঁবু ভেঙে দেওয়ার পরও তারা রাতভর নতুন করে আশ্রয়স্থল তৈরি করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।আন্দোলনকারীদের দাবি, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় কার্যকর সংস্কারের ঘোষণা না আসা পর্যন্ত তারা অবস্থান কর্মসূচি থেকে সরে যাবেন না।এদিকে, বিরোধী রাজনৈতিক দল ও মানবাধিকারকর্মীরা আন্দোলন দমনে পুলিশের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন। ভারতের হাইকোর্টও আন্দোলন মোকাবিলায় প্রশাসনকে আরও সংযত ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।দিল্লি অভিমুখে কৃষকদের পদযাত্রাঅন্যদিকে, ভারত-যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির প্রতিবাদে 'দেশ বাঁচাও মোর্চা'র ব্যানারে আয়োজিত 'কিসান মহাপঞ্চায়েত' কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসা হাজারের বেশি কৃষককে পাঞ্জাব-হরিয়ানার শম্ভু সীমান্তে আটকে দেয় পুলিশ।হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, মঙ্গলবার দিল্লির কিষাণ ঘাটে এই সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়। তবে কৃষকদের রাজধানীতে প্রবেশ ঠেকাতে শম্ভু সীমান্তে ঘাগ্গর নদীর সেতুর মুখে ব্যারিকেড বসিয়ে দেয় প্রশাসন।কৃষক নেতা সারওয়ান সিং পান্ধের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণভাবে দিল্লিতে পৌঁছাতে না দেওয়ার উদ্দেশ্যেই সরকার এই অবরোধ সৃষ্টি করেছে।কৃষকদের আশঙ্কা, ভারত-যুক্তরাষ্ট্র মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর হলে বিদেশি কৃষিপণ্য ও দুগ্ধজাত পণ্য কম দামে ভারতীয় বাজারে প্রবেশ করবে। এতে দেশীয় কৃষক, খামারি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন।তাদের দাবি, প্রস্তাবিত চুক্তির খসড়া প্রকাশ করতে হবে এবং কৃষকদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া কোনো আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করা যাবে না।কাশ্মীরের পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের মর্যাদা ফেরানোর দাবিএদিকে, জম্মু ও কাশ্মীরের পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের মর্যাদা পুনর্বহাল এবং সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিও জোরালো হয়েছে।শ্রীনগরের সংসদ সদস্য আগা সৈয়দ রুহুল্লাহ মেহেদি দিল্লির যন্তর মন্তরে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে বলেন, জম্মু ও কাশ্মীরের পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং ৩৭০ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল দুটি বিষয় একে অপরের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।তিনি বলেন, ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট ভারত সরকার যে সাংবিধানিক পরিবর্তন করেছিল, তা কাশ্মীরের জনগণের সাংবিধানিক অধিকার ও রাজনৈতিক পরিচয় ক্ষুণ্ন করেছে। তাই ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে ৩৭০ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল এবং কাশ্মীরের পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া জরুরি।বাড়ছে সরকারের ওপর চাপএকদিকে শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলন, অন্যদিকে কৃষকদের বিক্ষোভ এবং একই সময়ে কাশ্মীর ইস্যুতে রাজনৈতিক কর্মসূচি সব মিলিয়ে রাজধানী দিল্লিতে অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, এই তিনটি আন্দোলন যদি দীর্ঘায়িত হয়, তবে তা মোদি সরকারের জন্য রাজনৈতিক ও প্রশাসনিকভাবে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
৭ ঘন্টা আগে

সাবেক রূপালী ব্যাংক ব্যবস্থাপকের ২৫ বছরের কারাদণ্ড

‎দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় লক্ষ্মীপুরের রামগতি বাজার শাখার সাবেক রূপালী ব্যাংক ব্যবস্থাপক মো. আবদুল মজিদকে ২৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ‎ ‎একইসঙ্গে তাকে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ১৮ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অর্জিত এক কোটি ২৪ লাখ ১৫ হাজার ৫৪৩ টাকার সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের আদেশ দেওয়া হয়েছে। ‎ ‎দন্ডপ্রাপ্ত আব্দুল মজিদ (৪৮) লক্ষীপুর সদর থানার কাফিলাতলি এলাকার মৃত আমিনুল হকের ছেলে এবং রামগতি বাজার শাখার রুপালী ব্যাংক লিমেটেডের সাবেক ব্যবস্থাপক ছিলেন।  ‎ ‎মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে নোয়াখালীর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শওকত আলী এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়। ‎ ‎দুদক জানায়,আবদুল মজিদ ২০০৭ সালের ১৪ নভেম্বর থেকে ২০১৩ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের লক্ষ্মীপুরের রামগতি বাজার শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ‎ ‎এ সময় তিনি ব্যাংকের এসটিডি হিসাব নম্বর-৪-এ থাকা ৪ লাখ ৬৫ হাজার ৭৯৮ টাকা, এসটিডি হিসাব নম্বর-৬-এ থাকা ৪৯ লাখ ৬১ হাজার ১১৭ টাকা এবং সরকারি কর্মচারীদের পেনশন বাবদ উত্তোলন করা ১৬ লাখ ৩০ হাজার ২৩১ টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন। ‎ ‎এছাড়া ব্যাংকিং নীতিমালা লঙ্ঘন করে তিনি মোট ৭০ লাখ ৫৭ হাজার ১৪৫ টাকা আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তী তদন্তে দুদক তার বিরুদ্ধে সর্বমোট ১ কোটি ২৪ লাখ ১৫ হাজার ৫৪৩ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পায়। ‎ ‎নোয়াখালী দুদক পিপি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জহির উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলাটি তদন্ত শেষে তৎকালীন দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো.হোসাইন শরীফ ও সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আজগর হোসেন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ‎ ‎আদালত দণ্ডবিধির ৪৬৭ ধারায় ১০ বছর, ৪০৯ ধারায় ১০ বছর এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। পৃথক তিন ধারায় দেওয়া সাজা মিলিয়ে তাকে মোট ২৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ‎ ‎
৮ ঘন্টা আগে

পদ্মা এক্সপ্রেসে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ, টিটিইর শাস্তির দাবিতে রাজশাহীর সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ

পদ্মা এক্সপ্রেসে রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ, টিটিইর শাস্তির দাবিতে রাজশাহীর সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধবিনা রসিদে অর্থ আদায়ের প্রতিবাদ করায় হামলার অভিযোগ; অভিযুক্ত টিটিইকে হাজির, প্রকাশ্যে ক্ষমা ও আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা শিক্ষার্থীদেরপদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। অভিযোগ উঠেছে, ট্রেনের টিকিট পরীক্ষক (টিটিই) টিকিটবিহীন কয়েকজন যাত্রীর কাছ থেকে সরকারি রসিদ ছাড়া অর্থ আদায় করছিলেন। এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে বৈধ টিকিটধারী ওই শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধর করা হয়।প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটার পর ট্রেনের ভেতরেই যাত্রীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষার্থী দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় টিটিই ও তার সহযোগীরা তাকে লক্ষ্য করে হেনস্তা করেন এবং একপর্যায়ে শারীরিকভাবে আঘাত করেন। এতে তিনি আহত হন বলে দাবি করা হয়েছে।ঘটনার পরপরই বিষয়টি নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।শিক্ষার্থীদের দাবি, অভিযুক্ত টিটিইকে অবিলম্বে শিক্ষার্থীদের সামনে হাজির করতে হবে, ঘটনার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে এবং তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিভাগীয় ও ফৌজদারি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এসব দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা।আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, “রেল জনগণের সম্পদ। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলায় যদি একজন বৈধ টিকিটধারী যাত্রীকে মারধরের শিকার হতে হয়, তাহলে এটি শুধু একজন শিক্ষার্থীর ওপর হামলা নয়, বরং সাধারণ যাত্রীদের অধিকার ও নিরাপত্তার ওপরও আঘাত। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।এদিকে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং রেলওয়ের সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হচ্ছে।তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংযুক্ত করা হবে।ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক ও যাত্রী অধিকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
১১ ঘন্টা আগে
দিল্লিতে বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী আটক

দিল্লিতে বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী আটক

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে কংগ্রেস নেতা ও লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।মঙ্গলবার (২১ জুলাই) নয়াদিল্লির লোক কল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। পরে পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে তারা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যান। একপর্যায়ে পুলিশ তাদের আটক করে প্রিজন ভ্যানে তুলে নিয়ে যায়। এ সময় কংগ্রেসের আরও কয়েকজন নেতাকর্মীকেও আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এর আগে, সোমবার ভারতের সংসদ অভিমুখে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) পথযাত্রায় পুলিশের অভিযানের প্রতিবাদে কংগ্রেসসহ বিভিন্ন বিরোধী দলের নেতারা রাজপথে নামেন। তারা শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের দমন-পীড়নের অভিযোগ তুলে কেন্দ্রীয় সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী বলেন, "গতকাল তরুণ শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ যে নৃশংসতা ও বলপ্রয়োগ করেছে, সে বিষয়ে সরকারের কাছে জবাব চাইতে আমরা প্রধানমন্ত্রী মোদির বাসভবন পর্যন্ত গণমিছিল করেছি।"তিনি আরও অভিযোগ করেন, সরকার এ ঘটনার দায় নিতে চায় না এবং সংসদে বিষয়টি নিয়ে কোনো গঠনমূলক আলোচনাতেও আগ্রহ দেখাচ্ছে না। রাহুলের ভাষায়, "ভারতের কোটি কোটি যুবকের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করার দায়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত।"শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারকে দায়ী করে বিক্ষোভকারীরা মোদিবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের মতো কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত এলাকায় রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও অখিলেশ যাদবের এই বিক্ষোভ এবং পরবর্তী আটকের ঘটনা ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।
৪ ঘন্টা আগে
সারাদেশ

সারাদেশ

জাতীয়

জাতীয়

শিক্ষার্থীদের কাছে সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের কাছে সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের নিয়ে মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই, ২০২৬) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বক্তব্যদানকালে তিনি বিষয়ে বলেন। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমার ব্যক্তিগত মন্তব্য, সেটি নিয়ে অনেকে আপত্তি করেছেন। সে ব্যাপারে বলতে চাই, আমি কাউকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কিছু বলিনি। যদি কেউ আহত হয়ে থাকে, সিম্পলি আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের এ বক্তব্যের পর অধিবেশনে উপস্থিত সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে তাকে স্বাগত জানান।শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে তিনি বলেন, আজ সংসদ ভবনের দিকে ছাত্ররা পরীক্ষা পেছানোর দাবিতে এসেছে। এ ব্যাপারে আমরা অনেক পর্যালোচনা করে দেখেছি। গতকাল ফিজিকস, হিসাববিজ্ঞান এবং যুক্তিবিদ্যা পরীক্ষার সময় বৃষ্টি ছিল। এ কারণেই অনেকেই ভিজেছে এবং পরীক্ষা সঠিকভাবে দিতে পারেনি বলে কমপ্লেইন এসেছে।মন্ত্রী বলেন, আমরা যদিও সব সময় পর্যবেক্ষণের মধ্যেই ছিলাম। তারপরও এই পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের দাবি এসেছে। ইতোমধ্যে বন্যার কারণে আমরা চিটাগাং বোর্ডের প্রতিটি জেলার পরীক্ষা বন্ধ করে দিয়েছি এবং পুনরায় পরীক্ষা নিতেই হবে।এহছানুল হক মিলন বলেন, আমরা দেখেছি যে চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা আরেকটি প্রশ্নপত্র সেটে যখন আমরা নেবো, ফিজিকস সেকেন্ড পেপার, যুক্তিবিদ্যা ও হিসাববিজ্ঞান সে সময়ে আমরা পুনরায় নেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারব।
১৪ জুলাই ২০২৬
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপের মুকুট উঠল স্পেনের মাথায়। টানটান উত্তেজনার ফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেল লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।সোমবার (বাংলাদেশ সময়) ভোরে নিউইয়র্ক–নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে শুরু থেকেই ছন্দে ছিল স্পেন। বলের দখল, আক্রমণ এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ সবকিছুতেই এগিয়ে ছিল তারা। অন্যদিকে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা নিজেদের পরিচিত ফুটবল খেলতে পারেনি। স্পেনের শক্ত রক্ষণভাগ ভাঙতে পুরো ম্যাচেই বেশ ভুগতে হয়েছে তাদের।নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো দলই গোল করতে না পারায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ১০৬তম মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে ফেরান তোরেস স্পেনকে কাঙ্ক্ষিত গোল এনে দেন। বক্সের ভেতরে পাওয়া সুযোগটি দারুণ দক্ষতায় কাজে লাগিয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।গোল হজমের পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালায় আর্জেন্টিনা। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আক্রমণ অব্যাহত রাখলেও স্পেনের রক্ষণভাগ ছিল অনড়। ফলে সমতায় ফিরতে পারেনি আলবিসেলেস্তেরা।শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই উৎসবে মেতে ওঠে স্পেন শিবির। ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে ভাসে স্প্যানিশরা। একই সঙ্গে লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে আরও একটি বড় শিরোপা যোগ হলো তাদের অর্জনের তালিকায়।অন্যদিকে শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামা আর্জেন্টিনাকে এবার রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো। পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করলেও ফাইনালের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নিজেদের সেরাটা দেখাতে না পারার মূল্য দিতে হয়েছে মেসিদের।
২০ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক

দিল্লিতে বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী আটক

দিল্লিতে বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী আটক

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে কংগ্রেস নেতা ও লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।মঙ্গলবার (২১ জুলাই) নয়াদিল্লির লোক কল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। পরে পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে তারা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যান। একপর্যায়ে পুলিশ তাদের আটক করে প্রিজন ভ্যানে তুলে নিয়ে যায়। এ সময় কংগ্রেসের আরও কয়েকজন নেতাকর্মীকেও আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এর আগে, সোমবার ভারতের সংসদ অভিমুখে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) পথযাত্রায় পুলিশের অভিযানের প্রতিবাদে কংগ্রেসসহ বিভিন্ন বিরোধী দলের নেতারা রাজপথে নামেন। তারা শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের দমন-পীড়নের অভিযোগ তুলে কেন্দ্রীয় সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী বলেন, "গতকাল তরুণ শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ যে নৃশংসতা ও বলপ্রয়োগ করেছে, সে বিষয়ে সরকারের কাছে জবাব চাইতে আমরা প্রধানমন্ত্রী মোদির বাসভবন পর্যন্ত গণমিছিল করেছি।"তিনি আরও অভিযোগ করেন, সরকার এ ঘটনার দায় নিতে চায় না এবং সংসদে বিষয়টি নিয়ে কোনো গঠনমূলক আলোচনাতেও আগ্রহ দেখাচ্ছে না। রাহুলের ভাষায়, "ভারতের কোটি কোটি যুবকের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করার দায়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত।"শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারকে দায়ী করে বিক্ষোভকারীরা মোদিবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের মতো কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত এলাকায় রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও অখিলেশ যাদবের এই বিক্ষোভ এবং পরবর্তী আটকের ঘটনা ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।
৪ ঘন্টা আগে
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

সারাদেশ

সারাদেশ

 পদ্মা এক্সপ্রেসে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ, টিটিইর শাস্তির দাবিতে রাজশাহীর সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ

পদ্মা এক্সপ্রেসে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ, টিটিইর শাস্তির দাবিতে রাজশাহীর সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ

পদ্মা এক্সপ্রেসে রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ, টিটিইর শাস্তির দাবিতে রাজশাহীর সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধবিনা রসিদে অর্থ আদায়ের প্রতিবাদ করায় হামলার অভিযোগ; অভিযুক্ত টিটিইকে হাজির, প্রকাশ্যে ক্ষমা ও আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা শিক্ষার্থীদেরপদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। অভিযোগ উঠেছে, ট্রেনের টিকিট পরীক্ষক (টিটিই) টিকিটবিহীন কয়েকজন যাত্রীর কাছ থেকে সরকারি রসিদ ছাড়া অর্থ আদায় করছিলেন। এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে বৈধ টিকিটধারী ওই শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধর করা হয়।প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটার পর ট্রেনের ভেতরেই যাত্রীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষার্থী দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় টিটিই ও তার সহযোগীরা তাকে লক্ষ্য করে হেনস্তা করেন এবং একপর্যায়ে শারীরিকভাবে আঘাত করেন। এতে তিনি আহত হন বলে দাবি করা হয়েছে।ঘটনার পরপরই বিষয়টি নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।শিক্ষার্থীদের দাবি, অভিযুক্ত টিটিইকে অবিলম্বে শিক্ষার্থীদের সামনে হাজির করতে হবে, ঘটনার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে এবং তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিভাগীয় ও ফৌজদারি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এসব দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা।আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, “রেল জনগণের সম্পদ। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলায় যদি একজন বৈধ টিকিটধারী যাত্রীকে মারধরের শিকার হতে হয়, তাহলে এটি শুধু একজন শিক্ষার্থীর ওপর হামলা নয়, বরং সাধারণ যাত্রীদের অধিকার ও নিরাপত্তার ওপরও আঘাত। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।এদিকে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং রেলওয়ের সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হচ্ছে।তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংযুক্ত করা হবে।ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক ও যাত্রী অধিকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
০৫ জুলাই ২০২৬
চাঁদপুরে স্বর্ণের দোকান কারিগরের লাশ উদ্ধার, মৃত্যু নিয়ে রহস্য

চাঁদপুরে স্বর্ণের দোকান কারিগরের লাশ উদ্ধার, মৃত্যু নিয়ে রহস্য

০৫ জুলাই ২০২৬
ক্রিকেট

ক্রিকেট

র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি রিতু, জুয়াইরিয়া ও মারুফাদের

র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি রিতু, জুয়াইরিয়া ও মারুফাদের

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) প্রকাশিত নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বশেষ সাপ্তাহিক র‍্যাংকিংয়ে ব্যাটিং ও বোলিং উভয় বিভাগেই উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের কয়েকজন ক্রিকেটারের।মঙ্গলবার প্রকাশিত এই হালনাগাদ র‍্যাংকিংয়ে ব্যাটারদের তালিকায় সবচেয়ে আলোচনায় রয়েছেন ওপেনার জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। তিনি সাত ধাপ এগিয়ে ৯৬তম স্থানে উঠে এসেছেন। এর আগের সপ্তাহেও ৩৬ ধাপ উন্নতি হয়েছিল তার।এ ছাড়া শারমিন আক্তার ছয় ধাপ এগিয়ে ৪৪তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন। আরেক ওপেনার সোবহানা মোস্তারি চার ধাপ এগিয়ে এখন রয়েছেন ৪০তম স্থানে।বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে এখনও সবার ওপরে অবস্থান করছেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। এক ধাপ এগিয়ে তিনি যৌথভাবে ১৯তম স্থানে রয়েছেন। ব্যাটারদের তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন অস্ট্রেলিয়ার জর্জিয়া ভল।বোলারদের র‍্যাংকিংয়েও উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের দুই পেসারের। রিতু মনি ১১ ধাপ এগিয়ে ৪০৮ রেটিং নিয়ে উঠে এসেছেন ৭৫তম স্থানে। অন্যদিকে মারুফা আক্তার ছয় ধাপ এগিয়ে ৫৩৬ রেটিং নিয়ে অবস্থান করছেন ৩৮তম স্থানে।বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছেন লেগ স্পিনার রাবেয়া খান। এক ধাপ এগিয়ে তিনি এখন যৌথভাবে ১৭তম স্থানে আছেন। আর টি-টোয়েন্টি বোলারদের তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ভারতের শ্রী চারানি।এদিকে, নারী টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডারদের র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। তালিকার এক নম্বরে আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হেইলি ম্যাথিউস।
০১ জুলাই ২০২৬
ইসলামীক

ইসলামীক

সফল হজ ব্যবস্থাপনার পর বাংলাদেশকে হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর করলো সৌদি আরব

সফল হজ ব্যবস্থাপনার পর বাংলাদেশকে হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর করলো সৌদি আরব

চলতি বছরের হজ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের সহকারী মন্ত্রী ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ বাংলাদেশের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব কাজী শাহ মফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ এর নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর করেন।এ সময় সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনা, সমন্বয় এবং হাজীদের সেবার মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে। হজ ২০২৭ রোডম্যাপে ভবিষ্যৎ হজ ব্যবস্থাপনার জন্য সৌদি আরবের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, কৌশলগত লক্ষ্য, পরিচালনাগত নির্দেশনা এবং সেবার মানোন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।সফরকালে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব কাজী শাহ মফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপমন্ত্রী ড. আব্দুল ফাত্তাহ বিন সুলায়মান মাশাতের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন। এছাড়াও তিনি সহকারী মন্ত্রী ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ-এর সঙ্গে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার হজ বিষয়ক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।বৈঠকগুলোতে উভয় পক্ষ চলতি হজ মৌসুমের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশি হাজীদের জন্য আরও উন্নত ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে মতবিনিময় করেন। আলোচনায় আবাসন ব্যবস্থা, পরিবহন, ডিজিটাল সেবা, জনসমাগম ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যসেবা, লাগেজ ব্যবস্থাপনা এবং হাজীদের সামগ্রিক অভিজ্ঞতা উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।ড. আব্দুল ফাত্তাহ বিন সুলায়মান মাশাত এবং ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ উভয়েই বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেন এবং চলতি হজ মৌসুমে বাংলাদেশ হজ মিশন ও সংশ্লিষ্ট সকলের কার্যকর সমন্বয় এবং আন্তরিক প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে এবং হাজীদের সেবার মান আরও উন্নত হবে।বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ সৌদি সরকারের প্রতি, বিশেষ করে দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম, হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ভবিষ্যতেও বাংলাদেশি হাজীদের কল্যাণে সৌদি আরবের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুরো হজ কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং হজ মৌসুম জুড়ে ধারাবাহিকভাবে দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন, যাতে বাংলাদেশি হাজীদের নিরাপত্তা, কল্যাণ ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা যায়।হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর এবং সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকগুলো বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং ভবিষ্যতের হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও দক্ষ, আধুনিক ও হাজীবান্ধব করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
০৫ জুলাই ২০২৬
মতামত

মতামত

ট্রাম্পকে বাইডেনের খোঁচা, বললেন 'উনি তো ব্যর্থ মানুষ!'

ট্রাম্পকে বাইডেনের খোঁচা, বললেন 'উনি তো ব্যর্থ মানুষ!'

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শনিবার রাতে ম্যারিল্যান্ডে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির এক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তার উত্তরসূরি ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা করেছেন। ভাষণে তিনি ট্রাম্পকে ‘অহংকারী’, ‘দুর্নীতিবাজ’ এবং ‘ব্যর্থ মানুষ’ বলে আখ্যা দেন।বাইডেন বলেন, ‘এটি শুধু তার বিলাসিতার প্রকল্প নয়। নিজের বলরুম নির্মাণের জন্য তিনি হোয়াইট হাউসের ইস্ট উইং ভেঙেছেন। কেনেডি সেন্টারে নিজের নাম বসিয়েছেন। নিজের সম্মানে তোরণ নির্মাণ করেছেন। এমনকি রিফ্লেক্টিং পুল সংস্কারের জন্যও নিজের লোক নিয়োগ দিয়েছেন। তিনি একজন ব্যর্থ মানুষ (লুজার)!’তিনি আরও বলেন, ‘রিফ্লেক্টিং পুলটি এই প্রশাসনের আত্মমুগ্ধতা ও অযোগ্যতার চেয়েও ভয়াবহ একটি বিষয়ের প্রতীক—সেটি হলো দুর্নীতি। এটি নির্লজ্জ ও প্রকাশ্য দুর্নীতি। আমেরিকার ইতিহাসে কোনো প্রশাসনের বিরুদ্ধে এত স্পষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ আগে ওঠেনি।’হোয়াইট হাউস ছাড়ার পর ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে বাইডেনের এটিই ছিল অন্যতম কঠোর প্রকাশ্য সমালোচনা। ঘটনাচক্রে, ঠিক দুই বছর আগে একই দিনে সিএনএনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী বিতর্কে ট্রাম্পের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। সেই বিতর্কই তার দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচনের আশা কার্যত শেষ করে দেয় এবং রাজনৈতিক ভবিষ্যতের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত সমর্থকদের উদ্দেশে বাইডেন বলেন, ‘আমাকে সবচেয়ে বেশি ক্ষুব্ধ করে যে বিষয়টি, তা হলো ট্রাম্প ৬ জানুয়ারির দাঙ্গায় জড়িতদের করদাতাদের অর্থ দিয়ে ক্ষতিপূরণ দিতে চান। তারা কোনো ক্ষতিপূরণের যোগ্য নন। বরং তাদের দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকা উচিত ছিল।’হোয়াইট হাউস ছাড়ার পরও ট্রাম্পের সমালোচনায় পিছু হটেননি বাইডেন। গত এক মাসে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বিরুদ্ধে ডেমোক্র্যাটদের ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে তিনি ম্যারিল্যান্ড, সাউথ ডাকোটা ও নিজ অঙ্গরাজ্য ডেলাওয়্যারের বিভিন্ন দলীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন।তবে বাইডেনের নিজের রাজনৈতিক অবস্থানও এখন সহজ নয়। ২০২৪ সালের নির্বাচনে তার ভূমিকা নিয়ে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ভেতরেই অসন্তোষ রয়েছে। এসএসআরএস পরিচালিত সিএনএনের সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ৩০ শতাংশ মার্কিন নাগরিক বর্তমানে বাইডেন সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা পোষণ করেন, যা তার প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সময়ের যেকোনো পর্যায়ের তুলনায় কম।এদিকে, বাইডেন পরিবারের রাজনৈতিক উপস্থিতি নতুন করে বাড়তে থাকায় দলটির একাংশের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। সাবেক ফার্স্ট লেডি ড. জিল বাইডেন সম্প্রতি তার স্মৃতিকথা প্রকাশ করেছেন। বইটির প্রচারণায় তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনের নানা ঘটনা নিয়ে প্রকাশ্যে মতামত দিচ্ছেন। অনেক ডেমোক্র্যাটের মতে, এতে দলের পুরোনো বিতর্ক আবারও সামনে চলে আসছে।বাইডেনের সাবেক মুখপাত্র এবং দীর্ঘদিনের সমর্থক অ্যান্ড্রু বেটস নিউইয়র্ক পোস্টকে বলেন, ‘আমাদের জেতার দায়িত্ব ছিল, কিন্তু আমরা পারিনি। বিষয়টি আমাকে সব সময় ভাবায়। তবে দলের জন্য বেদনাদায়ক সেই আলোচনা আবার প্রকাশ্যে তোলার প্রয়োজন ছিল কি না, তা বুঝতে পারছি না।’এই মন্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান জিল বাইডেন। ওয়াশিংটন ডিসিতে বইয়ের প্রচারণা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমাকে ফোন দিন এবং সরাসরি আমার সামনে কথাটি বলুন।’পরে একটি সূত্র জানায়, সমালোচনার পরদিনই জিল বাইডেন ও অ্যান্ড্রু বেটস বিষয়টি নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছেন।অন্যদিকে, বাইডেনপুত্র হান্টার বাইডেনও সাম্প্রতিক সময়ে বেশ সক্রিয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) তার অনুসারীর সংখ্যা আট লাখের বেশি। সেখানে তিনি নিয়মিত মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে নিজের অতীতের সংগ্রাম এবং সমসাময়িক রাজনীতি নিয়ে মতামত প্রকাশ করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন দীর্ঘ পডকাস্টেও অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে রক্ষণশীল ভাষ্যকার ক্যান্ডাস ওয়েন্সের সঙ্গে তার দুই ঘণ্টার আলোচনাটি বিশেষভাবে আলোচিত হয়।ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসামের পডকাস্টে হান্টার বলেন, প্রথমে ক্ষমা না করার অবস্থান নিলেও শেষ পর্যন্ত তার বাবা তাকে ক্ষমা করেছিলেন।এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তিনি নিজের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের চেয়ে আমাকে বেছে নিয়েছেন। ইতিহাস যখন তাকে মূল্যায়ন করবে, তখন এই সিদ্ধান্তটি অবশ্যই আলোচনায় থাকবে।’আগামী মাসগুলোতে বাইডেনের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার তুলে ধরার উদ্যোগ আরও জোরালো হতে পারে। তিনি ইতোমধ্যে নিজের স্মৃতিকথা লেখার কাজ অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছেন। যদিও বইটি কবে প্রকাশিত হবে, তা এখনো জানানো হয়নি।এছাড়া ডেলাওয়্যারে তার প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরি নির্মাণের পরিকল্পনাও এগোচ্ছে। তবে স্থান এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বিষয়টি শিগগিরই নির্ধারণ হতে পারে। এ প্রকল্পের জন্য তার টিম তহবিল সংগ্রহও চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এটি সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার শিকাগোভিত্তিক ৮৫০ মিলিয়ন ডলারের প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টারের তুলনায় আকারে ছোট হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।বর্তমানে ৮৩ বছর বয়সী বাইডেন প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসা নিচ্ছেন। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, ক্যান্সার তার হাড়েও ছড়িয়ে পড়েছে। হোয়াইট হাউস ছাড়ার কয়েক মাস পর রোগটি শনাক্ত হয়। এরপর থেকে তিনি রেডিয়েশন ও হরমোন থেরাপি নিচ্ছেন।সম্প্রতি এনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জিল বাইডেন বলেন, ‘আমার মনে হয়, জোকে সারাজীবন এই ক্যান্সারের সঙ্গেই বসবাস করতে হবে।’দলের একাংশের সমালোচনা সত্ত্বেও সুযোগ পেলেই ডেমোক্র্যাটদের সহায়তা করার চেষ্টা করছেন বাইডেন। প্রাইমারি নির্বাচনের আগে তিনি জর্জিয়ার গভর্নর পদপ্রার্থী কেইশা ল্যান্স বটমস এবং ম্যাসাচুসেটসের কংগ্রেস প্রার্থী ড্যান কোহের প্রতি সমর্থন জানান।শনিবারের অনুষ্ঠানে বাইডেন ম্যারিল্যান্ডের গভর্নর ওয়েস মুর এবং সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেনের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। এই দুই নেতাকে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সম্ভাব্য ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে ওয়েস মুর স্মরণ করেন, ২০২৪ সালে বাল্টিমোরের ফ্রান্সিস স্কট কি সেতু ধসে পড়ার পর বাইডেন দ্রুত ফেডারেল সহায়তা পাঠিয়েছিলেন। মুর বলেন, ‘তিনি শুধু পুনর্গঠনের জন্য নয়, আমাদের শোক কাটিয়ে উঠতেও পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি জানতেন লাখ লাখ মানুষ এই অবকাঠামোর ওপর নির্ভরশীল।’বাল্টিমোরের ডেমোক্র্যাট সদস্য অ্যাড্রিয়েন গ্রিনও অনুষ্ঠানে বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তার মতে, এই বয়সেও বাইডেন যথেষ্ট ভালো আছেন। তবে তিনি দুই দলেই নতুন নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।তিনি বলেন, ‘সাবেক নেতারা অবশ্যই মূল্যবান পরামর্শ দিতে পারেন। কিন্তু ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান, উভয় দলেই এখন নতুন প্রজন্মের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার সময় এসেছে।’ডেলাওয়্যারের ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি সারাহ ম্যাকব্রাইড জানান, তার সঙ্গে বাইডেনের নিয়মিত যোগাযোগ হয়। গত সপ্তাহেও তারা একসঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ করেন এবং বিশ্ব রাজনীতিতে ট্রাম্পের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন।সিএনএনকে তিনি বলেন, ‘ভোটাররা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাই এখন আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। জো বাইডেন, বারাক ওবামাসহ দলের সাবেক নেতাদের অভিজ্ঞতাও আমাদের কাজে লাগানো উচিত। বাইডেনের নেতৃত্বের জন্য আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ।’ভাষণের শেষদিকে বাইডেন বলেন, তিনি এখনো ডেমোক্র্যাটিক পার্টির জন্য লড়াই করে যাচ্ছেন। সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা যারা আমাদের দেশকে ভালোবাসেন, তাদের প্রতি আমার বার্তা খুবই সহজ, উঠে দাঁড়ান। এখনই সময়। লড়াই চালিয়ে যান।’ তার এই আহ্বানে উপস্থিত সবাই করতালির মাধ্যমে সমর্থন জানান।
ডেস্ক নিউজ