বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
The Dhaka News Bangla

ঝিনাইদহ-৪ আসনে এজেন্টদের স্বাক্ষরিত ২৩ রেজাল্ট শিট জব্দ

ঝিনাইদহ-৪ আসনের (কালীগঞ্জ ও সদরের আংশিক) সলিমুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে দাড়িপাল্লা ও ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্টের স্বাক্ষরিত ২৩টি রেজাল্ট শীট উদ্ধার করা হয়েছে।বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে কালীগঞ্জ পৌরসভার ৫নং কেন্দ্র সলিমুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।এ কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী জেসমিন আরা।এ ঘটনার পর কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সেলিম রেজা, সহকারী রিটার্নিং অফিসার রিজওয়ানা নাহিদ।এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সেলিম রেজা জানিয়েছেন, খবর পেয়ে কেন্দ্রে এসে ২৩টি রেজাল্ট শিট জব্দ করা হয়েছে। সেগুলো ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। নতুন রেজাল্ট শিট তৈরি করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং প্রিজাইডিং অফিসারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।তিনি আরও জানান, ২৩টি রেজাল্ট শিটের মধ্যে ২৩টিতে ধানের শীষ এবং ৭টিতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এজেন্টের স্বাক্ষর রয়েছে।
৪ ঘন্টা আগে

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা অফিসে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। দলের মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এই তথ্যটি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেবেন। তবে এই জরুরি সংবাদ সম্মেলনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
৪ ঘন্টা আগে

ইসিতে বিএনপি ও জামায়াত জোটের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

আর কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা। তারপরই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতোমধ্যে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।নির্বাচনের ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশনে এসে বিএনপি ও ১১ দলীয় জোটের নেতারা পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন।প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপি বলছে, তারা নিজেদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে একটি পক্ষ। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী বলছে, যত ষড়যন্ত্রই হোক, ১১ দলীয় জোট ভোটের মাঠ ছাড়বে না।জানা গেছে, নির্বাচনের ঠিক আগ মূহুর্তে নানা অভিযোগ নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করতে আসে ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ।বৈঠক শেষে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, নির্বাচনে কেউ বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করলে জনগনকে সঙ্গে নিয়ে মোকাবিলা করা হবে। সে সঙ্গে অবিলম্বে ঠাকুরগাঁও জামায়তের আমিরকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তরের দাবি জানান তিনি।তার কিছুক্ষণ পরই সিইসির সঙ্গে বৈঠক করতে আসেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল খানের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল।সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ঘটনায় নজরুল ইসলাম খান মন্তব্য করেছেন যে, ভোটের আগের দিন এমন একটি ঘটনা ঘটেছে যা অনেক প্রশ্নের জন্ম দেয়। তিনি বলেন, নির্বাচনী পরিবেশের উন্নতির জন্য ইসি আরও কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারতো।ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে টাকার ব্যাগসহ আটক হওয়া ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমিরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে তাকে আটককারী কর্তৃপক্ষ।উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট আয়োজনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছ কমিশন বলেও জানান আখতার আহমেদ।
৫ ঘন্টা আগে
ভোটের দিনে মেঘলা আকাশ, তবে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই

ভোটের দিনে মেঘলা আকাশ, তবে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটের দিনের আবহাওয়া নিয়ে স্বস্তির খবর দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। নির্বাচন দিনে দেশের আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে, তবে সামগ্রিকভাবে আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক। দিন ও রাতের তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনাও নেই।বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ ওমর ফারুক জানান, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি বর্ধিতাংশ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। একই সঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় রয়েছে, যার একটি অংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। এসব কারণে দেশের আবহাওয়ায় আপাতত বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। তবে বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা নেই। ভোরের দিকে দেশের নদী অববাহিকার কিছু এলাকায় হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। তাপমাত্রা সারাদেশেই প্রায় অপরিবর্তিত থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসেও একই চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, যদিও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। আর রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) থেকে দিন ও রাত—উভয় সময়েই তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ার ইঙ্গিত রয়েছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। ফলে নির্বাচনের সময় বড় ধরনের কোনো বৈরী আবহাওয়ার শঙ্কা আপাতত নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
২ ঘন্টা আগে
জাতীয়

জাতীয়

ভোটের দিনে মেঘলা আকাশ, তবে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই

ভোটের দিনে মেঘলা আকাশ, তবে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটের দিনের আবহাওয়া নিয়ে স্বস্তির খবর দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। নির্বাচন দিনে দেশের আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে, তবে সামগ্রিকভাবে আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক। দিন ও রাতের তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনাও নেই।বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ ওমর ফারুক জানান, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি বর্ধিতাংশ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। একই সঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় রয়েছে, যার একটি অংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। এসব কারণে দেশের আবহাওয়ায় আপাতত বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। তবে বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা নেই। ভোরের দিকে দেশের নদী অববাহিকার কিছু এলাকায় হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। তাপমাত্রা সারাদেশেই প্রায় অপরিবর্তিত থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসেও একই চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, যদিও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। আর রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) থেকে দিন ও রাত—উভয় সময়েই তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ার ইঙ্গিত রয়েছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। ফলে নির্বাচনের সময় বড় ধরনের কোনো বৈরী আবহাওয়ার শঙ্কা আপাতত নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
২ ঘন্টা আগে
আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক

ইতালির সিসিলিতে ভয়াবহ ভূমিধস, জরুরি অবস্থা জারি

ইতালির সিসিলিতে ভয়াবহ ভূমিধস, জরুরি অবস্থা জারি

ইতালির দক্ষিণাঞ্চলের দ্বীপ সিসিলিতে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। সিসিলির নিসেমি শহরের বিস্তীর্ণ এলাকায় এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ আঘাত হানে। কয়েক দিন আগে অঞ্চলটিতে সাইক্লোন হ্যারির প্রভাবে টানা ভারী বৃষ্টিপাত হয়। এতে পাহাড়ি ঢালের মাটি নরম হয়ে পড়ে এবং পরবর্তী সময়ে ভয়াবহ ভূমিধসের সৃষ্টি হয়।ড্রোন ক্যামেরায় ধারণ করা দৃশ্য বাইরে থেকে দেখলে নান্দনিক মনে হলেও বাস্তবে তা স্থানীয়দের জন্য চরম বিপর্যয় ডেকে এনেছে। প্রায় চার কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মাটি ধসে পড়েছে। বহু মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। দিশেহারা এসব মানুষ দিন কাটাচ্ছেন আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠার মধ্যে। এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, প্রায় ৩০ বছর আগেও এমন একটি ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছিল, যার স্মৃতি আজও তাদের মনে তাজা।স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। ভূমিধসের ঝুঁকি থাকায় বিপজ্জনক এলাকা থেকে প্রায় দেড় হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।ইতালির সিভিল প্রোটেকশন বিভাগের প্রধান ফাবিও চিসিলিয়ানো জানান, ভূমিধস এখনো থেমে যায়নি। তিনি বলেন, “আমি নিজে মোবাইল ফোনে ভূমিধসের দৃশ্য ধারণ করেছি। পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ এবং আমাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হচ্ছে।”চলমান ঝুঁকি ও সম্ভাব্য বিপর্যয়ের কথা বিবেচনায় নিয়ে সিসিলির পাশাপাশি সার্দিনিয়া ও কালাব্রিয়া অঞ্চলেও জরুরি অবস্থা জারি করেছে ইতালির মেলোনি সরকার।
২৮ জানুয়ারি ২০২৬
ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস

জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে গ্রন্থাগারের প্রাসঙ্গিকতা

জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে গ্রন্থাগারের প্রাসঙ্গিকতা

বইপড়া আন্দোলনের রেশ কেবল একটি দিবসে সীমাবদ্ধ নয়। গত ৫ ফেব্রুয়ারি পালিত হয়ে গেল জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস। ১৯৫৪ সালের এই দিনে কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল। সেই দিনটিকে স্মরণ করে ২০১৭ সাল থেকে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। তবে আনুষ্ঠানিকতার বাইরেও একটি জাতির মনন গঠনে গ্রন্থাগার বাতিঘরের মতো কাজ করে। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে তরুণ প্রজন্মের কাছে যৌক্তিক সমাজ সংস্কারে গ্রন্থাগারের গুরুত্ব কতটুকু? অনলাইনের এই যুগেও কি ছাপানো বইয়ের ঘ্রাণ পাঠককে টানে? জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস এবং বইপড়া নিয়ে শিক্ষার্থীদের এমনই কিছু অভিমত তুলে ধরেছেন চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী তৈয়বা খানম।গ্রন্থাগার সভ্যতার বাতিঘরগ্রন্থাগার কেবল বই সংরক্ষণের স্থান নয়, সভ্যতার জীবন প্রজীবনের বাতিঘর। গ্রন্থাগার একটি জাতির জ্ঞান, সংস্কৃতি ও মেধার ধারক ও বাহক হিসেবে তার জীবন্ত হৃদস্পন্দন। এটি অতীতের জ্ঞান সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যতের জ্ঞান অনুসন্ধানের অবাধ ক্ষেত্র, যা মননশীল জাতি গঠনে ‘জনগণের বিশ্ববিদ্যালয়’ হিসেবে কাজ করে। একটি জাতির মনন ও উন্নতির পরিমাপক হলো তার সমৃদ্ধ লাইব্রেরি। শুধু আমাদের কাছে যুগে যুগে গবেষণা, সৃজনশীলতা ও মানব চিন্তার প্রচুর আলো জড়িত না? গ্রন্থাগারই সেই আলোকে আগলে রেখেছে যত্নশীল হাতে। এখানে অতীত থেকে বর্তমানের সঙ্গে আলোচনা হয়, এবং ভবিষ্যতের দিকেও নেতিবাচক চিহ্ন দেয়। একটি জাতির জ্ঞানচর্চা, মনন, ও মূল্যবোধের মানচিত্র কতই ভালোভাবে আঁকা যায় তার গ্রন্থাগার দেখে। পাঠাভ্যাস মানুষকে মঙ্গলদায়ক করে তোলে, যুক্তি শক্তিশালী করে এবং মানবিক করে তোলে। গ্রন্থাগারই সেই সুযোগগুলো সবচেয়ে সহজে প্রদান করে। ডিজিটাল যুগেও গ্রন্থাগারের প্রয়োজন মিটেনি, বরং এর ভূমিকা আরও বিশাল হয়েছে। তথ্যের যে বিপদটি বর্তমানে দেখা দিয়েছে, প্রয়োজনীয় তথ্যের সঠিক জ্ঞান নির্বাচনের নির্ভরযোগ্য আশ্রয় হিসেবে আজও গ্রন্থাগারের কার্যকরী ভূমিকা আছে। তাই এটা বলা যায়, সভ্যতার পথ চলার সময় গ্রন্থাগার সর্বদা আলোর দিশারি।মুহাম্মদ শাফায়াত হুসাইন, শিক্ষার্থী, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ, কুষ্টিয়া।প্রতিটি গ্রন্থাগার জ্ঞানের ভান্ডারযেখানে আমরা সকল জ্ঞান একসাথে পাই সেটি হলো গ্রন্থাগার। যার ইংরেজি প্রতিশব্দ ‘লাইব্রেরি’ নামে সকলের কাছে পরিচিত। একটি গ্রন্থাগার একটি জাতির জ্ঞানের ভান্ডার। যেখানে পুঞ্জীভূত থাকে নানান বিষয়। যেমন: সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয়, শিশুতোষ, গল্প, নাটক, কবিতা, ছড়াসহ বিভিন্ন বিষয়াদি। একটি গ্রন্থগার থেকে কোনো ব্যক্তি যা শিখতে পারে সে পুঁথিগত বই পড়ে তা শিখতে পারে না। পাঠ্যবই আমাদের পেশাগত জীবনের উন্নতি ঘটালেও জীবনের আসল উন্নত ঘটাতে পারে না। যার জন্য প্রয়োজন পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি ভিন্ন বই পড়া। আর সেটা পাওয়া যায় একমাত্র গ্রন্থাগারে। এক স্থানে সকল জ্ঞানের সমাহার হলো গ্রন্থাগার। কিন্তু বর্তমানে দেশে গ্রন্থাগারের সংকট প্রচুর। প্রতি জেলায় খুঁজলে একটি কিংবা দুইটি গ্রন্থাগার পাওয়া যাবে। কোনো কোনো এলাকায় গ্রন্থগার নেই বললেই চলে। আর থাকলেও বইয়ের সংকট ও জরাজীর্ণ অবস্থা। “বিশ্ব গ্রন্থগার দিবসে” প্রশাসনের কাছে বিশেষ আবেদন যে, প্রতিটি জেলায় কয়েকটি করে গ্রন্থাগার স্থাপন। কেননা শিক্ষার্থী ও জনসাধারণের কাছে জ্ঞানের বিশালতা ছড়িয়ে দেওয়ার বিশেষ মাধ্যমই হলো গ্রন্থাগার।খাদিজা আক্তার সায়মা, শিক্ষার্থী, সরকারি তোলারাম কলেজ, নারায়ণগঞ্জ।জ্ঞান চর্চায় স্মার্ট গ্রন্থাগারের ভূমিকাগ্রন্থাগার একটি জাতির বিকাশ ও উন্নতির মানদণ্ড। শতাব্দী থেকে শতাব্দী ধরে মানুষের সব জ্ঞান জমা হয়ে রয়েছে বইয়ের অন্তরালে। অন্তহীন জ্ঞানের উৎস হলো বই, আর সেই বইয়ের আবাসস্থল হলো পাঠাগার। ৫ই ফেব্রুয়ারি জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় জ্ঞানচর্চার প্রাচীন অথচ চিরনবীন এক প্রতিষ্ঠান—গ্রন্থাগারের কথা। সময় বদলেছে, বদলেছে পাঠের ধরনও। আজ কাগজের বইয়ের পাশাপাশি ডিজিটাল কনটেন্টে সমৃদ্ধ হচ্ছে আমাদের গ্রন্থাগার। এই রূপান্তরই গড়ে তুলতে পারে ‘স্মার্ট গ্রন্থাগার’, যা স্মার্ট বাংলাদেশের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। স্মার্ট গ্রন্থাগার মানে শুধু আধুনিক অবকাঠামো নয়; এটি জ্ঞানপ্রাপ্তির সহজ ও দ্রুত মাধ্যম। অনলাইন ক্যাটালগ, ই-বুক, ডিজিটাল আর্কাইভ ও তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর সেবার মাধ্যমে শিক্ষার্থী, গবেষক ও সাধারণ পাঠকের কাছে সীমাহীন জ্ঞান পৌঁছে দিতে সহায়তা করে। যান্ত্রিক জীবনে মানসিক প্রশান্তির জন্য গ্রন্থাগার অপরিহার্য। স্মার্ট গ্রন্থাগার হতে পারে পাঠের সেই সহজলভ্যতা। এটি গড়তে পারে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের চিন্তা, উদ্ভাবন ও প্রগতির শক্তিশালী কেন্দ্র। পরিশেষে প্রমথ চৌধুরীর ভাষায়, ‘লাইব্রেরি হচ্ছে এক ধরনের মনের হাসপাতাল।’ যেখানে মানুষ স্বেচ্ছায় ও স্বচ্ছন্দচিত্তে স্বশিক্ষিত হওয়ার সুযোগ পায়।তানজিনা আক্তার চৈতি, শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম কলেজ, চট্টগ্রাম।
০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

নির্বাচন

নির্বাচন

ঢাকা-৯ আসনে হাবিবের প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের সমর্থন

ঢাকা-৯ আসনে হাবিবের প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের সমর্থন

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঢাকা-৯ নির্বাচনী এলাকায় রাজনৈতিক মেরুকরণে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। এই আসনে বিএনপি সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হাবিবুর রশীদ হাবিবের প্রতি পরোক্ষ সমর্থন জানিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় আব্দুল্লাহ আল জাবের এ সমর্থনের কথা জানান।যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া ওই বার্তায় তিনি লেখেন, “মহিউদ্দিন রনি, নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী কিংবা হাবিবুর রশিদ হাবিব ভাই—১২ তারিখের নির্বাচনে এদের কেউ আদৌ জিতবেন কিনা জানিনা। দল হিসেবে ৩ জনের পজিশনও ভিন্ন। একজন স্বতন্ত্র, একজন এনসিপির, একজন বিএনপির। একটা জায়গায় তারা খুব স্বতঃস্ফূর্ত ছিলেন, হতে পারে সেটা নির্বাচনের জন্য কিংবা সত্যিকার ইনসাফ কায়েমের জন্য। তারা খুব বোল্ডলি হাদি হত্যার বিচার চেয়েছেন এবং ক্ষমতায় গেলে হাদি হত্যার বিচার করবেন বলে জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।তিনি আরও লেখেন, “আমরা তাদের জন্য ভোট চাই না। আপনি অবশ্যই আপনার দৃষ্টিতে যাকে সবথেকে সৎ এবং যোগ্য মনে হবে তাকেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন। বার্তায় আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, তবে যে বা যারাই হাদি ভাইয়ের হত্যার বিচারের দাবিতে সোচ্চার থাকবেন, ইনসাফের লড়াইয়ে অকুতোভয় থাকবেন, আপনাদের প্রতি আমাদের সীমাহীন ভালোবাসা ও স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন থাকবে।তিনি আরও উল্লেখ করেন, “যুগ হতে যুগান্তরে আজাদীর সন্তানেরা এই জমিনের সার্বভৌমত্বের জন্য, ইনসাফ কায়েমের জন্য লড়াই করেই যাবে, ইনশাআল্লাহ।
০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মোহাম্মদপুর সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজে ভোট দেবেন মাওলানা মামুনুল হক

মোহাম্মদপুর সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজে ভোট দেবেন মাওলানা মামুনুল হক

০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ক্রিকেট

ক্রিকেট

বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দেওয়াসহ তিন দাবি মানলেই ভারত ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান

বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দেওয়াসহ তিন দাবি মানলেই ভারত ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) মধ্যকার অচলাবস্থা নিয়ে। বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনে পিসিবি আইসিসির কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি উত্থাপন করেছে।জানা যায়, ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে জটিলতার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ আইসিসির কাছে ম্যাচ ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ জানায়। পরবর্তীতে আইসিসি বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এই ঘটনার পর থেকেই পাকিস্তান বাংলাদেশকে সমর্থন জানিয়ে আসছিল।বাংলাদেশ বাদ পড়ার পর আইসিসির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত জানায় পিসিবি, যা বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থার সঙ্গে একটি অচলাবস্থার সৃষ্টি করে। তবে সাম্প্রতিক আলোচনায় সমাধানের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।এনডিটিভি সূত্রে জানা গেছে, লাহোরে আইসিসি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে পিসিবি তিনটি দাবি উপস্থাপন করেছে। দাবিগুলো হলো- ১) বাংলাদেশের জন্য বর্ধিত ক্ষতিপূরণ প্রদান, ২) টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ফি নিশ্চিত করা, ৩) ভবিষ্যতে কোনো আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের অধিকার দেওয়া।সূত্র আরও জানায়, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার বিষয়ে পিসিবির কিছু কর্মকর্তা ইতিবাচক মত দিলেও বোর্ড চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি আগের অবস্থানেই রয়েছেন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি কীভাবে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেট মহলের।টিডিএন/
০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সারাদেশ

সারাদেশ

ঝিনাইদহ-৪ আসনে এজেন্টদের স্বাক্ষরিত ২৩ রেজাল্ট শিট জব্দ

ঝিনাইদহ-৪ আসনে এজেন্টদের স্বাক্ষরিত ২৩ রেজাল্ট শিট জব্দ

ঝিনাইদহ-৪ আসনের (কালীগঞ্জ ও সদরের আংশিক) সলিমুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে দাড়িপাল্লা ও ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্টের স্বাক্ষরিত ২৩টি রেজাল্ট শীট উদ্ধার করা হয়েছে।বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে কালীগঞ্জ পৌরসভার ৫নং কেন্দ্র সলিমুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।এ কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী জেসমিন আরা।এ ঘটনার পর কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সেলিম রেজা, সহকারী রিটার্নিং অফিসার রিজওয়ানা নাহিদ।এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সেলিম রেজা জানিয়েছেন, খবর পেয়ে কেন্দ্রে এসে ২৩টি রেজাল্ট শিট জব্দ করা হয়েছে। সেগুলো ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। নতুন রেজাল্ট শিট তৈরি করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং প্রিজাইডিং অফিসারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।তিনি আরও জানান, ২৩টি রেজাল্ট শিটের মধ্যে ২৩টিতে ধানের শীষ এবং ৭টিতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এজেন্টের স্বাক্ষর রয়েছে।
০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মতামত

মতামত

জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: মাহফুজ আলম

জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: মাহফুজ আলম

জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক মাহফুজ আলম। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য উইক’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ মূলত একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।তার ভাষায়, দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় আওয়ামী লীগ টিকে থাকলে জামায়াতও টিকে থাকবে, আবার জামায়াত থাকলে আওয়ামী লীগের অস্তিত্বও বজায় থাকবে। এই পারস্পরিক নির্ভরতার মধ্যেই বাংলাদেশের রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরে আবর্তিত হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।প্রায় সাড়ে ১৪ মিনিটের এই সাক্ষাৎকারটি বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রচারিত হয়। এতে মাহফুজ আলম বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশ, সংস্কার প্রক্রিয়া, পুরনো ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের টানাপোড়েন এবং গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা, এমন নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বলেন।আসন্ন ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত আগেই জানিয়েছিলেন মাহফুজ আলম। তবে এই সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেন, রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর অন্যতম প্রধান কারণ ছিল জামায়াত ও আওয়ামী লীগের মধ্যকার এই পারস্পরিক অস্তিত্বের সমীকরণ। তার মতে, এই কাঠামোর ভেতরে থেকে কোনো প্রকৃত পরিবর্তন সম্ভব নয়।সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের পর তিনি তরুণ শক্তিগুলোকে একত্র করে বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে একটি শক্তিশালী ‘তৃতীয় বিকল্প’ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু যখন এনসিপি পুরনো রাজনৈতিক বন্দোবস্তের অংশ হিসেবে জামায়াতের সঙ্গে জোটে যায়, তখন সেই সম্ভাবনা কার্যত শেষ হয়ে যায়।জামায়াত প্রসঙ্গে মাহফুজ আলম আরও বলেন, যাদের সঙ্গে জোট করা হয়েছে তারা সবাই পুরনো রাজনৈতিক কাঠামোরই অংশ। তার দাবি, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে জামায়াতের কোনো স্পষ্ট ও স্বচ্ছ রূপরেখা নেই। ফলে তাদের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতা করতে গেলে এমন বহু প্রশ্ন সামনে আসে, যার সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া কঠিন।তিনি মনে করেন, আদর্শিক অবস্থান ও রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিগত প্রশ্নে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে জামায়াতের কোনো বাস্তব মিল নেই। এক পর্যায়ে তিনি হতাশা প্রকাশ করে বলেন, গত দেড় বছরের রাজনৈতিক যাত্রা ছিল এক ধরনের বিশ্বাসভঙ্গের অভিজ্ঞতা, যেখানে পুরনো রাজনৈতিক ব্যবস্থা নতুন মোড়কে আবার ফিরে আসছে এবং জুলাই আন্দোলনের মূল আকাঙ্ক্ষাকে আড়াল করে দিচ্ছে।ভবিষ্যৎ সরকার ব্যবস্থা নিয়েও সতর্কবার্তা দেন মাহফুজ আলম। তার মতে, ক্ষমতায় বিএনপি কিংবা জামায়াত, যেই আসুক না কেন, সমাজের ভেতরে জমে থাকা ক্ষত নিরাময় করতে না পারলে কোনো সরকারই টেকসই হবে না। তিনি বলেন, শুধু কাগজে-কলমে সংস্কার যথেষ্ট নয়; সমাজে ভিন্ন মত ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সমঝোতা বা পুনর্নির্ধারণ না হলে সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা চলতেই থাকবে।গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন তিনি। মাহফুজ আলমের মতে, সাধারণ মানুষের মধ্যে গণমাধ্যমের প্রতি আস্থা কমে গেছে। এই বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হলে গণমাধ্যমকে নিজেদের অতীত ভূমিকা নিয়ে আত্মসমালোচনার জায়গায় যেতে হবে এবং জনগণের সঙ্গে নতুন করে বোঝাপড়া গড়ে তুলতে হবে।বর্তমানে সক্রিয় রাজনীতির বাইরে থাকা মাহফুজ আলম সময় কাটাচ্ছেন বই পড়ে এবং হতাশ তরুণদের সঙ্গে কথা বলে। তিনি বোঝার চেষ্টা করছেন, কেন জুলাই অভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব হয়নি এবং ভবিষ্যতে কীভাবে সামনে এগোনো যায়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছাড়েন। এরপর ৮ আগস্ট গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। একই মাসের ২৮ তারিখ মাহফুজ আলম প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং ১০ নভেম্বর সরকারের উপদেষ্টা হন। তিনি গত বছরের ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন।
ডেস্ক নিউজ