মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
The Dhaka News Bangla

ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকটে গ্রামের সাধারণ মানুষ

দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়লেও সাম্প্রতিক সময়ে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে দিন-রাত মিলিয়ে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় দুর্ভোগ বেড়েছে কয়েকগুণ। সবচেয়ে বেশি কষ্ট পোহাতে হচ্ছে খেটে খাওয়া মানুষকে, যারা সারাদিনের কঠোর পরিশ্রমের পর রাতের কয়েক ঘণ্টা শান্তিতে ঘুমানোর সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন।বিদ্যুৎ সংকটের তীব্রতা কতটা বেড়েছে, তারই প্রমাণ মিলেছে সাম্প্রতিক লোডশেডিংয়ের রেকর্ডে। গতকাল রাত ১টায় সারা দেশে লোডশেডিং ছিল ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ের নতুন রেকর্ড। এর আগে রোববার বিকেল ৩টায় সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল ৩ হাজার ৬৭১ মেগাওয়াট।সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় দিন-রাত মিলিয়ে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন থাকতে হয়েছে গ্রাহকদের। তবে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রামাঞ্চলের মানুষ। দিনের বেলায় বিদ্যুৎ না থাকলেও কোনোভাবে সময় পার করা সম্ভব হলেও রাতের দীর্ঘ লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগ চরমে উঠছে।সারাদিন মাঠে, কারখানায়, নির্মাণকাজে কিংবা রিকশা চালিয়ে পরিশ্রম করা শ্রমজীবী মানুষ রাতে একটু স্বস্তি ও বিশ্রামের প্রত্যাশা করেন। কিন্তু প্রচণ্ড গরমের মধ্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় সেই স্বাভাবিক বিশ্রামও ব্যাহত হচ্ছে। পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়ায় পরদিন কাজে ক্লান্তি, অবসাদ ও কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের দুর্ভোগও বাড়ছে।বিদ্যুৎ সংকটের পেছনে জ্বালানি সরবরাহের ঘাটতিও বড় ভূমিকা রাখছে। গত ২১ জুলাই মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বিকল হওয়ার পর দেশে লোডশেডিং পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। টার্মিনালটি আংশিকভাবে চালু হলেও গ্যাস সরবরাহ এখনো আগের অবস্থায় পুরোপুরি ফিরে আসেনি।জ্বালানি সংকটের কারণে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ৫ হাজার মেগাওয়াট থেকে কমে সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াটের ঘরে নেমে এসেছে। পাশাপাশি ভারতের ঝাড়খন্ডে অবস্থিত আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকেও সরবরাহ প্রায় ৪০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত কমেছে। ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো থেকেও উৎপাদন কমেছে বলে সংশ্লিষ্ট তথ্য থেকে জানা গেছে।পাওয়ার গ্রিডের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ চাহিদার তুলনায় প্রায় ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত কম ছিল। ফলে বাধ্যতামূলকভাবে বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং করতে হয়েছে।দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বড় বড় বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে—এ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। বিশেষ করে জ্বালানি সরবরাহ, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জাতীয় গ্রিড ব্যবস্থাপনার মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা দ্রুত সংকটের সমাধান। কারণ বিদ্যুৎ শুধু শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য নয়; একজন শ্রমজীবী মানুষের সারাদিনের পরিশ্রমের পর কয়েক ঘণ্টা স্বস্তির ঘুম নিশ্চিত করাও এর সঙ্গে জড়িত।গ্রামাঞ্চলে রাতের দীর্ঘ লোডশেডিং কমিয়ে দ্রুত স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। উন্নয়নের সুফল শহর ও গ্রামের মানুষের কাছে সমানভাবে পৌঁছানোই হতে পারে এই সংকট মোকাবিলার সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।
১৪ ঘন্টা আগে

মেঘনার ঘূর্ণিস্রোতে কোটি টাকার সিমেন্ট বোঝাই ট্রলার ডুবি

চাঁদপুর নদী বন্দরের প্রবেশমুখে মেঘনা নদীর তীব্র ঘূর্ণিস্রোতের কবলে পড়ে ৪৪০ বস্তা শাহ সিমেন্টবোঝাই একটি ট্রলার ডুবে গেছে। সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে বড় স্টেশন মোলহেডসংলগ্ন তিন নদীর মোহনায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ট্রলারটিতে থাকা চারজনকে স্থানীয় নৌকা ও ট্রলারের মাঝিরা দ্রুত উদ্ধার করায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। তবে ট্রলার ও সিমেন্টসহ প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন মালিক।ডুবে যাওয়া ট্রলারটির নাম ‘এইচ এম পরিবহন’। এর মালিক হানিফ বেপারি। ট্রলারের সুকানি ছিলেন আইয়ুব আলী।ট্রলার মালিক হানিফ বেপারি জানান, আজ সকালে নারায়ণগঞ্জ থেকে ৪৪০ বস্তা শাহ সিমেন্ট নিয়ে চাঁদপুরের উদ্দেশে রওনা দেয় ‘এইচ এম পরিবহন’। দুপুর ১২টার দিকে চাঁদপুর নদী বন্দরে প্রবেশের সময় শহরতলীর বাঘরা বাজার ঘাটে পৌঁছানোর আগেই বড় স্টেশন মোলহেডসংলগ্ন মেঘনা নদীর তীব্র ঘূর্ণিস্রোতের মুখে পড়ে ট্রলারটি। স্রোতের টানে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুহূর্তের মধ্যে ট্রলারটি ডুবে যায়।দুর্ঘটনার সময় ট্রলারে থাকা চারজনের মধ্যে ছিলেন সুকানি আইয়ুব আলীসহ অন্যরা। ট্রলারটি ডুবে যেতে দেখে আশপাশের নৌকা ও ট্রলারের মাঝিরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে তাদের সাহসিকতায় চার আরোহীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।প্রাণহানি না ঘটলেও দুর্ঘটনায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন ট্রলার মালিক হানিফ বেপারি। তিনি বলেন, আমার একমাত্র সম্বল ছিল ট্রলারটি। সেটিও নদীতে তলিয়ে গেছে। সিমেন্টসহ সব মিলিয়ে প্রায় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।ঘটনার খবর পেয়ে চাঁদপুর নৌ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দুর্ঘটনার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছে।চাঁদপুর জেলা সিমেন্টবাহী ট্রলার ও বাল্কহেড মালিক সমিতির সভাপতি আকবর হোসেন মাতব্বর ও সাধারণ সম্পাদক মাজারুল ইসলাম দাদন বলেন, কোম্পানির সিমেন্টের ক্ষতি হয়েছে, কিন্তু ট্রলার মালিকের কী হবে? তাঁর একমাত্র সম্বল ট্রলারটি মেঘনায় তলিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।চাঁদপুর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজমগীর হোসেন বলেন, খবর পেয়ে নৌ পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ট্রলারটিতে ৪৪০ বস্তা সিমেন্ট ছিল। সিমেন্টসহ ট্রলারটি নদীতে তলিয়ে গেছে। ট্রলারে থাকা চারজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁরা বিকেল পর্যন্ত চাঁদপুরে অবস্থান করেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ করেননি।
২০ ঘন্টা আগে

এসএসসিতে সিলেট শিক্ষা বোর্ডে বেড়েছে জিপিএ-৫, কমেছে পাসের হার

সিলেট শিক্ষা বোর্ডে চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার কমলেও বেড়েছে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা।এবার সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ৮৯ হাজার ৪২১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫১ হাজার ৯৫৭ জন। পাসের হার ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৬৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ১০ দশমিক ২৪ শতাংশ।তবে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে এবার চিত্র ভিন্ন। মোট ৩ হাজার ৮৩৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ২২২ জন বেশি। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৩ হাজার ৬১৪ জন।সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় সিলেট শিক্ষা বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াসমিন।সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার ৯৭৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। গত বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ১২ হাজার ৭৯৮ জন।এবার পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ৩৫ হাজার ৫৩০ জন এবং ছাত্রী ৫৩ হাজার ৮৯১ জন। জিপিএ-৫ ও পাসের হার উভয় ক্ষেত্রেই ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে। জেলাভিত্তিক ফলাফলসিলেট শিক্ষা বোর্ডের চার জেলার মধ্যে পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে সুনামগঞ্জ। আর জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে মৌলভীবাজার।সিলেট জেলায় সবচেয়ে বেশি ৩৫ হাজার ৩৩১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ছাত্র ১৪ হাজার ৩২১ জন এবং ছাত্রী ২১ হাজার ১০ জন। জেলার ৩৬৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য ৯৪টি পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল।মৌলভীবাজারে পরীক্ষার্থী ছিল ১৯ হাজার ৯১৩ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৭ হাজার ৬৩১ জন এবং ছাত্রী ১২ হাজার ২৮২ জন। জেলার ১৯৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়।সুনামগঞ্জে এবার পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ হাজার ৩৮৩ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ৭ হাজার ৫১৫ জন এবং ছাত্রী ১০ হাজার ৮৬৮ জন। জেলার ২৩৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল ৪৫টি।অন্যদিকে, হবিগঞ্জে পরীক্ষার্থী ছিল ১৫ হাজার ৭৯৪ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৬ হাজার ৬৩ জন এবং ছাত্রী ৯ হাজার ৭৩১ জন। জেলার ১৭৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৪৯টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়।সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ২০২৪ সালে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৭৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ। পরের বছর তা কমে দাঁড়ায় ৬৮ দশমিক ৫৭ শতাংশে। এবার আরও কমে পাসের হার হয়েছে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। বিপরীতে, জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে।
১০ আগস্ট ২০২৬
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে ট্রাক-বাস সংঘর্ষে নিহত ৩

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে ট্রাক-বাস সংঘর্ষে নিহত ৩

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে বালুবাহী ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৮ জন। দুর্ঘটনায় বাসের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে কয়েকজন যাত্রী ভেতরে আটকা পড়েন। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের শাহরাস্তি উপজেলার বানিয়াচোঁ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষনিক হতাহতদের নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নোয়াখালী থেকে যশোরগামী আল-আরাফা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর বাস ও ট্রাকের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে বাসের বেশ কয়েকজন যাত্রী গাড়ির ভেতরে আটকা পড়েন।দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে পুলিশসহ সংশ্লিষ্টরা উদ্ধার কার্যক্রমে যোগ দেন। আহতদের উদ্ধার করে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আকলিমা আক্তার বলেন, ঘটনাস্থল থেকে আহত ১৮জনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। এর মধ্যে ৩জনের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কুমিল্লা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের চিকিৎসা চলছে।শাহরাস্তি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনাস্থল থেকে এখন পর্যন্ত তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। উদ্ধারকাজ এখনও চলছে। আহতদের মধ্যে কারও মৃত্যু হলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।এদিকে দুর্ঘটনার কারণে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কে যান চলাচলে কিছুটা বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে এবং উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
৪ ঘন্টা আগে
জাতীয়

জাতীয়

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল অলি

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল অলি

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমের নাম ঘোষণা করেছে। তিনি ১১ দলীয় ঐক্যের শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট।রোববার রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে কর্নেল অলির নাম চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন।সংবাদ সম্মেলনে জোটের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে কর্নেল অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে সব দলের পক্ষ থেকে সম্মতি দেওয়া হয়েছে।জামায়াত আমির শফিকুর রহমান বলেন, “আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোত্তম ব্যক্তিকে আমরা প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন দিয়েছি। তার জন্য সবাই দোয়া করবেন।” কর্নেল অলির রাজনৈতিক জীবনপ্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত কর্নেল অলি আহমদ বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিলেন। জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সরকারে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। খালেদা জিয়ার প্রথম সরকারেও মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন কর্নেল অলি।২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি চট্টগ্রাম-১৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে একই নির্বাচনে তৎকালীন চট্টগ্রাম-১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীর কাছে পরাজিত হন তিনি। ওই নির্বাচনে সারাদেশে বিএনপি-জামায়াত জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করলেও চট্টগ্রাম-১৪ আসনটি উভয় দলের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছিল। ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও কর্নেল অলি খালেদা জিয়ার সরকারের মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।২০০৬ সালে বিএনপি থেকে বেরিয়ে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) গঠন করেন কর্নেল অলি। সে সময় তাঁর সঙ্গে বিএনপির ৩২ জন সংসদ সদস্যও দলটি ছেড়ে এলডিপিতে যোগ দেন। এটিকে বিএনপির ইতিহাসে অন্যতম বড় ভাঙন হিসেবে দেখা হয়।২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এলডিপি এককভাবে অংশ নিয়ে নির্বাচনে জয়ী হন কর্নেল অলি। পরে ২০১২ সালে খালেদা জিয়ার আহ্বানে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেয় এলডিপি।আসন নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেয় কর্নেল অলির নেতৃত্বাধীন এলডিপি। এবার সেই ১১ দলীয় ঐক্যই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাদের প্রার্থী হিসেবে কর্নেল অলি আহমদের নাম ঘোষণা করেছে।
০৯ আগস্ট ২০২৬
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপের মুকুট উঠল স্পেনের মাথায়। টানটান উত্তেজনার ফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেল লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।সোমবার (বাংলাদেশ সময়) ভোরে নিউইয়র্ক–নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে শুরু থেকেই ছন্দে ছিল স্পেন। বলের দখল, আক্রমণ এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ সবকিছুতেই এগিয়ে ছিল তারা। অন্যদিকে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা নিজেদের পরিচিত ফুটবল খেলতে পারেনি। স্পেনের শক্ত রক্ষণভাগ ভাঙতে পুরো ম্যাচেই বেশ ভুগতে হয়েছে তাদের।নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো দলই গোল করতে না পারায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ১০৬তম মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে ফেরান তোরেস স্পেনকে কাঙ্ক্ষিত গোল এনে দেন। বক্সের ভেতরে পাওয়া সুযোগটি দারুণ দক্ষতায় কাজে লাগিয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।গোল হজমের পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালায় আর্জেন্টিনা। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আক্রমণ অব্যাহত রাখলেও স্পেনের রক্ষণভাগ ছিল অনড়। ফলে সমতায় ফিরতে পারেনি আলবিসেলেস্তেরা।শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই উৎসবে মেতে ওঠে স্পেন শিবির। ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে ভাসে স্প্যানিশরা। একই সঙ্গে লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে আরও একটি বড় শিরোপা যোগ হলো তাদের অর্জনের তালিকায়।অন্যদিকে শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামা আর্জেন্টিনাকে এবার রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো। পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করলেও ফাইনালের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নিজেদের সেরাটা দেখাতে না পারার মূল্য দিতে হয়েছে মেসিদের।
২০ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক

হিমাচলে বাস উলটে নিহত ৮ জন

হিমাচলে বাস উলটে নিহত ৮ জন

ভারতের হিমাচল প্রদেশের চাম্বা জেলায় বাস সড়ক থেকে নিচের আরেকটি সড়কে পড়ে উলটে  অন্তত ৮ জন নিহত হয়েছে। এতে আরও ১০ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বাসের চালক ও কন্ডাক্টরও রয়েছেন। শনিবার (৮ আগস্ট,২০২৬) সকালে বৈরাগড়-তিসা সড়কের দেবীকোঠি এলাকার চালুঞ্জ মোড়ের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।শর্মা বাস সার্ভিসের বাসটি বৈরাগড় থেকে চাম্বার দিকে যাচ্ছিল। কর্মকর্তারা জানান, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বাসটি বৈরাগড় থেকে ছাড়ে। প্রায় তিন কিলোমিটার যাওয়ার পর দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে ১৮ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানাযায়। বাসটি প্রথমে সড়কে উলটে যায়, পরে নিচের আরেকটি সড়কে গিয়ে পড়ে। এতে কয়েকজন যাত্রী বাসটির ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েন।চাম্বা জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ আটজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। নিহতদের পরিচয় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।
০৮ আগস্ট ২০২৬
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

সারাদেশ

সারাদেশ

ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকটে গ্রামের সাধারণ মানুষ

ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকটে গ্রামের সাধারণ মানুষ

দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়লেও সাম্প্রতিক সময়ে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে দিন-রাত মিলিয়ে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় দুর্ভোগ বেড়েছে কয়েকগুণ। সবচেয়ে বেশি কষ্ট পোহাতে হচ্ছে খেটে খাওয়া মানুষকে, যারা সারাদিনের কঠোর পরিশ্রমের পর রাতের কয়েক ঘণ্টা শান্তিতে ঘুমানোর সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন।বিদ্যুৎ সংকটের তীব্রতা কতটা বেড়েছে, তারই প্রমাণ মিলেছে সাম্প্রতিক লোডশেডিংয়ের রেকর্ডে। গতকাল রাত ১টায় সারা দেশে লোডশেডিং ছিল ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ের নতুন রেকর্ড। এর আগে রোববার বিকেল ৩টায় সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল ৩ হাজার ৬৭১ মেগাওয়াট।সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় দিন-রাত মিলিয়ে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন থাকতে হয়েছে গ্রাহকদের। তবে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রামাঞ্চলের মানুষ। দিনের বেলায় বিদ্যুৎ না থাকলেও কোনোভাবে সময় পার করা সম্ভব হলেও রাতের দীর্ঘ লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগ চরমে উঠছে।সারাদিন মাঠে, কারখানায়, নির্মাণকাজে কিংবা রিকশা চালিয়ে পরিশ্রম করা শ্রমজীবী মানুষ রাতে একটু স্বস্তি ও বিশ্রামের প্রত্যাশা করেন। কিন্তু প্রচণ্ড গরমের মধ্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় সেই স্বাভাবিক বিশ্রামও ব্যাহত হচ্ছে। পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়ায় পরদিন কাজে ক্লান্তি, অবসাদ ও কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের দুর্ভোগও বাড়ছে।বিদ্যুৎ সংকটের পেছনে জ্বালানি সরবরাহের ঘাটতিও বড় ভূমিকা রাখছে। গত ২১ জুলাই মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বিকল হওয়ার পর দেশে লোডশেডিং পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। টার্মিনালটি আংশিকভাবে চালু হলেও গ্যাস সরবরাহ এখনো আগের অবস্থায় পুরোপুরি ফিরে আসেনি।জ্বালানি সংকটের কারণে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ৫ হাজার মেগাওয়াট থেকে কমে সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াটের ঘরে নেমে এসেছে। পাশাপাশি ভারতের ঝাড়খন্ডে অবস্থিত আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকেও সরবরাহ প্রায় ৪০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত কমেছে। ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো থেকেও উৎপাদন কমেছে বলে সংশ্লিষ্ট তথ্য থেকে জানা গেছে।পাওয়ার গ্রিডের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ চাহিদার তুলনায় প্রায় ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত কম ছিল। ফলে বাধ্যতামূলকভাবে বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং করতে হয়েছে।দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বড় বড় বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে—এ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। বিশেষ করে জ্বালানি সরবরাহ, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জাতীয় গ্রিড ব্যবস্থাপনার মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা দ্রুত সংকটের সমাধান। কারণ বিদ্যুৎ শুধু শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য নয়; একজন শ্রমজীবী মানুষের সারাদিনের পরিশ্রমের পর কয়েক ঘণ্টা স্বস্তির ঘুম নিশ্চিত করাও এর সঙ্গে জড়িত।গ্রামাঞ্চলে রাতের দীর্ঘ লোডশেডিং কমিয়ে দ্রুত স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। উন্নয়নের সুফল শহর ও গ্রামের মানুষের কাছে সমানভাবে পৌঁছানোই হতে পারে এই সংকট মোকাবিলার সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।
০৯ জুলাই ২০২৬
মেঘনার ঘূর্ণিস্রোতে কোটি টাকার সিমেন্ট বোঝাই ট্রলার ডুবি

মেঘনার ঘূর্ণিস্রোতে কোটি টাকার সিমেন্ট বোঝাই ট্রলার ডুবি

০৯ জুলাই ২০২৬
ক্রিকেট

ক্রিকেট

র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি রিতু, জুয়াইরিয়া ও মারুফাদের

র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি রিতু, জুয়াইরিয়া ও মারুফাদের

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) প্রকাশিত নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বশেষ সাপ্তাহিক র‍্যাংকিংয়ে ব্যাটিং ও বোলিং উভয় বিভাগেই উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের কয়েকজন ক্রিকেটারের।মঙ্গলবার প্রকাশিত এই হালনাগাদ র‍্যাংকিংয়ে ব্যাটারদের তালিকায় সবচেয়ে আলোচনায় রয়েছেন ওপেনার জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। তিনি সাত ধাপ এগিয়ে ৯৬তম স্থানে উঠে এসেছেন। এর আগের সপ্তাহেও ৩৬ ধাপ উন্নতি হয়েছিল তার।এ ছাড়া শারমিন আক্তার ছয় ধাপ এগিয়ে ৪৪তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন। আরেক ওপেনার সোবহানা মোস্তারি চার ধাপ এগিয়ে এখন রয়েছেন ৪০তম স্থানে।বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে এখনও সবার ওপরে অবস্থান করছেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। এক ধাপ এগিয়ে তিনি যৌথভাবে ১৯তম স্থানে রয়েছেন। ব্যাটারদের তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন অস্ট্রেলিয়ার জর্জিয়া ভল।বোলারদের র‍্যাংকিংয়েও উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের দুই পেসারের। রিতু মনি ১১ ধাপ এগিয়ে ৪০৮ রেটিং নিয়ে উঠে এসেছেন ৭৫তম স্থানে। অন্যদিকে মারুফা আক্তার ছয় ধাপ এগিয়ে ৫৩৬ রেটিং নিয়ে অবস্থান করছেন ৩৮তম স্থানে।বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছেন লেগ স্পিনার রাবেয়া খান। এক ধাপ এগিয়ে তিনি এখন যৌথভাবে ১৭তম স্থানে আছেন। আর টি-টোয়েন্টি বোলারদের তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ভারতের শ্রী চারানি।এদিকে, নারী টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডারদের র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। তালিকার এক নম্বরে আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হেইলি ম্যাথিউস।
০১ জুলাই ২০২৬
ইসলামীক

ইসলামীক

সফল হজ ব্যবস্থাপনার পর বাংলাদেশকে হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর করলো সৌদি আরব

সফল হজ ব্যবস্থাপনার পর বাংলাদেশকে হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর করলো সৌদি আরব

চলতি বছরের হজ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের সহকারী মন্ত্রী ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ বাংলাদেশের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব কাজী শাহ মফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ এর নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর করেন।এ সময় সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনা, সমন্বয় এবং হাজীদের সেবার মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে। হজ ২০২৭ রোডম্যাপে ভবিষ্যৎ হজ ব্যবস্থাপনার জন্য সৌদি আরবের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, কৌশলগত লক্ষ্য, পরিচালনাগত নির্দেশনা এবং সেবার মানোন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।সফরকালে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব কাজী শাহ মফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপমন্ত্রী ড. আব্দুল ফাত্তাহ বিন সুলায়মান মাশাতের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন। এছাড়াও তিনি সহকারী মন্ত্রী ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ-এর সঙ্গে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার হজ বিষয়ক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।বৈঠকগুলোতে উভয় পক্ষ চলতি হজ মৌসুমের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশি হাজীদের জন্য আরও উন্নত ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে মতবিনিময় করেন। আলোচনায় আবাসন ব্যবস্থা, পরিবহন, ডিজিটাল সেবা, জনসমাগম ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যসেবা, লাগেজ ব্যবস্থাপনা এবং হাজীদের সামগ্রিক অভিজ্ঞতা উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।ড. আব্দুল ফাত্তাহ বিন সুলায়মান মাশাত এবং ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ উভয়েই বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেন এবং চলতি হজ মৌসুমে বাংলাদেশ হজ মিশন ও সংশ্লিষ্ট সকলের কার্যকর সমন্বয় এবং আন্তরিক প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে এবং হাজীদের সেবার মান আরও উন্নত হবে।বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ সৌদি সরকারের প্রতি, বিশেষ করে দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম, হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ভবিষ্যতেও বাংলাদেশি হাজীদের কল্যাণে সৌদি আরবের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুরো হজ কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং হজ মৌসুম জুড়ে ধারাবাহিকভাবে দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন, যাতে বাংলাদেশি হাজীদের নিরাপত্তা, কল্যাণ ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা যায়।হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর এবং সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকগুলো বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং ভবিষ্যতের হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও দক্ষ, আধুনিক ও হাজীবান্ধব করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
০৯ জুলাই ২০২৬
মতামত

মতামত

ট্রাম্পকে বাইডেনের খোঁচা, বললেন 'উনি তো ব্যর্থ মানুষ!'

ট্রাম্পকে বাইডেনের খোঁচা, বললেন 'উনি তো ব্যর্থ মানুষ!'

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শনিবার রাতে ম্যারিল্যান্ডে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির এক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তার উত্তরসূরি ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা করেছেন। ভাষণে তিনি ট্রাম্পকে ‘অহংকারী’, ‘দুর্নীতিবাজ’ এবং ‘ব্যর্থ মানুষ’ বলে আখ্যা দেন।বাইডেন বলেন, ‘এটি শুধু তার বিলাসিতার প্রকল্প নয়। নিজের বলরুম নির্মাণের জন্য তিনি হোয়াইট হাউসের ইস্ট উইং ভেঙেছেন। কেনেডি সেন্টারে নিজের নাম বসিয়েছেন। নিজের সম্মানে তোরণ নির্মাণ করেছেন। এমনকি রিফ্লেক্টিং পুল সংস্কারের জন্যও নিজের লোক নিয়োগ দিয়েছেন। তিনি একজন ব্যর্থ মানুষ (লুজার)!’তিনি আরও বলেন, ‘রিফ্লেক্টিং পুলটি এই প্রশাসনের আত্মমুগ্ধতা ও অযোগ্যতার চেয়েও ভয়াবহ একটি বিষয়ের প্রতীক—সেটি হলো দুর্নীতি। এটি নির্লজ্জ ও প্রকাশ্য দুর্নীতি। আমেরিকার ইতিহাসে কোনো প্রশাসনের বিরুদ্ধে এত স্পষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ আগে ওঠেনি।’হোয়াইট হাউস ছাড়ার পর ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে বাইডেনের এটিই ছিল অন্যতম কঠোর প্রকাশ্য সমালোচনা। ঘটনাচক্রে, ঠিক দুই বছর আগে একই দিনে সিএনএনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী বিতর্কে ট্রাম্পের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। সেই বিতর্কই তার দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচনের আশা কার্যত শেষ করে দেয় এবং রাজনৈতিক ভবিষ্যতের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত সমর্থকদের উদ্দেশে বাইডেন বলেন, ‘আমাকে সবচেয়ে বেশি ক্ষুব্ধ করে যে বিষয়টি, তা হলো ট্রাম্প ৬ জানুয়ারির দাঙ্গায় জড়িতদের করদাতাদের অর্থ দিয়ে ক্ষতিপূরণ দিতে চান। তারা কোনো ক্ষতিপূরণের যোগ্য নন। বরং তাদের দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকা উচিত ছিল।’হোয়াইট হাউস ছাড়ার পরও ট্রাম্পের সমালোচনায় পিছু হটেননি বাইডেন। গত এক মাসে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বিরুদ্ধে ডেমোক্র্যাটদের ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে তিনি ম্যারিল্যান্ড, সাউথ ডাকোটা ও নিজ অঙ্গরাজ্য ডেলাওয়্যারের বিভিন্ন দলীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন।তবে বাইডেনের নিজের রাজনৈতিক অবস্থানও এখন সহজ নয়। ২০২৪ সালের নির্বাচনে তার ভূমিকা নিয়ে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ভেতরেই অসন্তোষ রয়েছে। এসএসআরএস পরিচালিত সিএনএনের সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ৩০ শতাংশ মার্কিন নাগরিক বর্তমানে বাইডেন সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা পোষণ করেন, যা তার প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সময়ের যেকোনো পর্যায়ের তুলনায় কম।এদিকে, বাইডেন পরিবারের রাজনৈতিক উপস্থিতি নতুন করে বাড়তে থাকায় দলটির একাংশের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। সাবেক ফার্স্ট লেডি ড. জিল বাইডেন সম্প্রতি তার স্মৃতিকথা প্রকাশ করেছেন। বইটির প্রচারণায় তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনের নানা ঘটনা নিয়ে প্রকাশ্যে মতামত দিচ্ছেন। অনেক ডেমোক্র্যাটের মতে, এতে দলের পুরোনো বিতর্ক আবারও সামনে চলে আসছে।বাইডেনের সাবেক মুখপাত্র এবং দীর্ঘদিনের সমর্থক অ্যান্ড্রু বেটস নিউইয়র্ক পোস্টকে বলেন, ‘আমাদের জেতার দায়িত্ব ছিল, কিন্তু আমরা পারিনি। বিষয়টি আমাকে সব সময় ভাবায়। তবে দলের জন্য বেদনাদায়ক সেই আলোচনা আবার প্রকাশ্যে তোলার প্রয়োজন ছিল কি না, তা বুঝতে পারছি না।’এই মন্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান জিল বাইডেন। ওয়াশিংটন ডিসিতে বইয়ের প্রচারণা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমাকে ফোন দিন এবং সরাসরি আমার সামনে কথাটি বলুন।’পরে একটি সূত্র জানায়, সমালোচনার পরদিনই জিল বাইডেন ও অ্যান্ড্রু বেটস বিষয়টি নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছেন।অন্যদিকে, বাইডেনপুত্র হান্টার বাইডেনও সাম্প্রতিক সময়ে বেশ সক্রিয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) তার অনুসারীর সংখ্যা আট লাখের বেশি। সেখানে তিনি নিয়মিত মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে নিজের অতীতের সংগ্রাম এবং সমসাময়িক রাজনীতি নিয়ে মতামত প্রকাশ করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন দীর্ঘ পডকাস্টেও অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে রক্ষণশীল ভাষ্যকার ক্যান্ডাস ওয়েন্সের সঙ্গে তার দুই ঘণ্টার আলোচনাটি বিশেষভাবে আলোচিত হয়।ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসামের পডকাস্টে হান্টার বলেন, প্রথমে ক্ষমা না করার অবস্থান নিলেও শেষ পর্যন্ত তার বাবা তাকে ক্ষমা করেছিলেন।এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তিনি নিজের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের চেয়ে আমাকে বেছে নিয়েছেন। ইতিহাস যখন তাকে মূল্যায়ন করবে, তখন এই সিদ্ধান্তটি অবশ্যই আলোচনায় থাকবে।’আগামী মাসগুলোতে বাইডেনের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার তুলে ধরার উদ্যোগ আরও জোরালো হতে পারে। তিনি ইতোমধ্যে নিজের স্মৃতিকথা লেখার কাজ অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছেন। যদিও বইটি কবে প্রকাশিত হবে, তা এখনো জানানো হয়নি।এছাড়া ডেলাওয়্যারে তার প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরি নির্মাণের পরিকল্পনাও এগোচ্ছে। তবে স্থান এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বিষয়টি শিগগিরই নির্ধারণ হতে পারে। এ প্রকল্পের জন্য তার টিম তহবিল সংগ্রহও চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এটি সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার শিকাগোভিত্তিক ৮৫০ মিলিয়ন ডলারের প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টারের তুলনায় আকারে ছোট হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।বর্তমানে ৮৩ বছর বয়সী বাইডেন প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসা নিচ্ছেন। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, ক্যান্সার তার হাড়েও ছড়িয়ে পড়েছে। হোয়াইট হাউস ছাড়ার কয়েক মাস পর রোগটি শনাক্ত হয়। এরপর থেকে তিনি রেডিয়েশন ও হরমোন থেরাপি নিচ্ছেন।সম্প্রতি এনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জিল বাইডেন বলেন, ‘আমার মনে হয়, জোকে সারাজীবন এই ক্যান্সারের সঙ্গেই বসবাস করতে হবে।’দলের একাংশের সমালোচনা সত্ত্বেও সুযোগ পেলেই ডেমোক্র্যাটদের সহায়তা করার চেষ্টা করছেন বাইডেন। প্রাইমারি নির্বাচনের আগে তিনি জর্জিয়ার গভর্নর পদপ্রার্থী কেইশা ল্যান্স বটমস এবং ম্যাসাচুসেটসের কংগ্রেস প্রার্থী ড্যান কোহের প্রতি সমর্থন জানান।শনিবারের অনুষ্ঠানে বাইডেন ম্যারিল্যান্ডের গভর্নর ওয়েস মুর এবং সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেনের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। এই দুই নেতাকে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সম্ভাব্য ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে ওয়েস মুর স্মরণ করেন, ২০২৪ সালে বাল্টিমোরের ফ্রান্সিস স্কট কি সেতু ধসে পড়ার পর বাইডেন দ্রুত ফেডারেল সহায়তা পাঠিয়েছিলেন। মুর বলেন, ‘তিনি শুধু পুনর্গঠনের জন্য নয়, আমাদের শোক কাটিয়ে উঠতেও পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি জানতেন লাখ লাখ মানুষ এই অবকাঠামোর ওপর নির্ভরশীল।’বাল্টিমোরের ডেমোক্র্যাট সদস্য অ্যাড্রিয়েন গ্রিনও অনুষ্ঠানে বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তার মতে, এই বয়সেও বাইডেন যথেষ্ট ভালো আছেন। তবে তিনি দুই দলেই নতুন নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।তিনি বলেন, ‘সাবেক নেতারা অবশ্যই মূল্যবান পরামর্শ দিতে পারেন। কিন্তু ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান, উভয় দলেই এখন নতুন প্রজন্মের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার সময় এসেছে।’ডেলাওয়্যারের ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি সারাহ ম্যাকব্রাইড জানান, তার সঙ্গে বাইডেনের নিয়মিত যোগাযোগ হয়। গত সপ্তাহেও তারা একসঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ করেন এবং বিশ্ব রাজনীতিতে ট্রাম্পের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন।সিএনএনকে তিনি বলেন, ‘ভোটাররা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাই এখন আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। জো বাইডেন, বারাক ওবামাসহ দলের সাবেক নেতাদের অভিজ্ঞতাও আমাদের কাজে লাগানো উচিত। বাইডেনের নেতৃত্বের জন্য আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ।’ভাষণের শেষদিকে বাইডেন বলেন, তিনি এখনো ডেমোক্র্যাটিক পার্টির জন্য লড়াই করে যাচ্ছেন। সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা যারা আমাদের দেশকে ভালোবাসেন, তাদের প্রতি আমার বার্তা খুবই সহজ, উঠে দাঁড়ান। এখনই সময়। লড়াই চালিয়ে যান।’ তার এই আহ্বানে উপস্থিত সবাই করতালির মাধ্যমে সমর্থন জানান।
ডেস্ক নিউজ