শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
The Dhaka News Bangla

ব্যাংকিং খাতের উন্নয়ন ও স্থানীয় অর্থনীতিতে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান

নোয়াখালী-৫ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ব্যাংকার্স ফোরাম কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাটের নেতৃবৃন্দ।বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে সাক্ষাতে ফোরামের পক্ষ থেকে এমপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।সাক্ষাৎকালে স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন, ব্যাংকিং সেবার সম্প্রসারণ, গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের আর্থিক সহায়তা জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ব্যাংকার্স ফোরামের নেতৃবৃন্দ বলেন, সমন্বিত পরিকল্পনা ও কার্যকর সহযোগিতার মাধ্যমে ব্যাংকিং খাত নোয়াখালী-৫ আসনের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। ফোরামের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, এমপির দিকনির্দেশনায় নোয়াখালী-৫ আসনে টেকসই উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে এবং আধুনিক, সেবামুখী ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম ব্যাংকার্স ফোরামের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সরকারি-বেসরকারি সমন্বয় জোরদার হলে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও বেগবান হবে। তিনি স্থানীয় শিল্প ও উদ্যোক্তা তৈরিতে ব্যাংকগুলোর সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকার্স ফোরাম কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাটের সভাপতি ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসি বসুরহাট শাখার এভিপি ও ম্যানেজার মো.আবুল কাসেম, সাধারণ সম্পাদক ও অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি বসুরহাট শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার ও ম্যানেজার মোহাম্মদ হাফিজ উদ্দিন ভূঞা, সহ-সভাপতি ও ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি বসুরহাট শাখার এভিপি ও শাখা প্রধান মোহাম্মদ এমদাদুল হক, সহ-সভাপতি ও আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি বসুরহাট শাখার এভিপি ও ম্যানেজার মো. আবু তাহের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসি বসুরহাট শাখার এভিপি ও ম্যানেজার মো,আনোয়ার হোসেন, ওয়ান ব্যাংক পিএলসি বসুরহাট শাখার এভিপি ও ম্যানেজার সুমন সাহা, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি বসুরহাট শাখার এসপিও ও ম্যানেজার মোহাম্মদ ফিরোজ উদ্দিন।
৭ ঘন্টা আগে

সুবর্ণচরে চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে জখম, অভিযুক্ত যুবদল নেতা

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় মোশাররফ হোসেন নামে এক বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। গত মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নোমান বাজার এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই আব্দুল জব্বার বাদী হয়ে চরজব্বার থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ৮নং মোহাম্মদপুর  ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম ওরফে দিদার মাঝিসহ (৪০) ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার দুপুরে চাঁদাবাজির বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে নোমান বাজার এলাকায় হামলার শিকার হন মোশাররফ। তিনি বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্ত দিদার মাঝি, তার ছেলে ইরাক, হৃদয়, সাঈদী, সাইফুল ও মহিউদ্দিনসহ একদল লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র যেমন— কিরিচ, রামদা, লোহার রড ও হকিস্টিক নিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা মোশাররফের মাথায় লক্ষ্য করে একের পর এক কিরিচের কোপ দিলে তার মাথার তিনটি স্থানে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়। এছাড়া লোহার রডের আঘাতে তার ডান হাতের কবজির হাড় ভেঙে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক জখম হয়।আহত মোশাররফ জানান, তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে হামলাকারীরা তার পকেটে থাকা নগদ ১০ হাজার টাকা এবং প্রায় ১৮ হাজার টাকা মূল্যের দুটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে তাকে রাস্তার পাশের পানিতে ফেলে দেয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সুবর্ণচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। বর্তমানে তিনি ওই হাসপাতালের ১ নম্বর ওয়ার্ডে মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকদের মতে, তার মাথায় তিনটি স্থানে যথাক্রমে ৮টি, ৫টি ও ৭টি সেলাই দিতে হয়েছে।মামলার বাদী ও ভুক্তভোগীর ভাই আব্দুল জব্বার জানান, আসামিরা এলাকায় অত্যন্ত প্রভাবশালী এবং তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। তিনি এই নৃশংস হামলার সুষ্ঠু বিচার ও আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম হামলার বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, মোশাররফকে স্থানীয় কৃষকরা মারধর করেছে এবং তিনি এই ঘটনার সাথে জড়িত নন।যদিও এই বিষয়ে যুবদলের নেতৃবৃন্দের পদক্ষেপ কামনা করছেন বিভিন্ন ব্যক্তিরা। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ সহ আরো অগণিত অভিযোগ রয়েছে। সে দলের প্রভাব খাটিয়ে একটি গ্রুপ তৈরী করেছে যার মাধ্যমে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এমনটাই অভিযোগ স্থানীয়দের। চরজব্বার থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
৭ ঘন্টা আগে

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিশ্চয়ই একদিন বিশ্ব জগতে আলো ছড়াবে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য একদিন বিশ্বে আলো ছড়াবে, এমন আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে গুণীজনদের হাতে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘একুশে পদক ২০২৬’ প্রদানের পর তিনি এই আশা প্রকাশ করেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একুশে পদক প্রবর্তন করেছিলেন। এটি শুধু একটি পদকই নয়...বরং এই পদকের মধ্য দিয়ে ৫২ ভাষা আন্দোলন থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ঘটনাবলীকে স্মরণে আনার পাশাপাশি যেসব বিজ্ঞজন শিক্ষা সাহিত্য শিল্পকলা গবেষণা ও চর্চায় নিজেদের এবং রাষ্ট্র ও সমাজকে সমৃদ্ধ করেছেন, তাদের সঙ্গে আপামর জনসাধারণের পরিচয় ঘটে।’ জ্ঞান বিজ্ঞান কিংবা শিল্প সাহিত্য চর্চার ধারা আরও শানিত ও বিকশিত হওয়ার প্রত্যাশা করে তিনি বলেন, ‘শিক্ষা গবেষণা এবং শিল্প সাহিত্যের চর্চাকে আরও বেগবান করতে রাষ্ট্র এবং সরকার তার দায়িত্ব অবশ্যই পালন করবে। শিক্ষা গবেষণা এবং শিল্প সাহিত্য চর্চাকে রাজনীতিকীকরণ করা কখনোই সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়। জ্ঞান বিজ্ঞানে সব শাখায় যাতে দেশ এগিয়ে যেতে পারে... নৈতিক মানসম্পন্ন তেমন একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষে বর্তমান সরকার কাজ করছে।’ জাতীয় ইতিহাসে ফেব্রুয়ারি মাসের গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের আত্মপরিচয়ের স্মারক। বলা যায়, আমাদের সংস্কৃতিচেতনার প্রাণপ্রবাহ একুশে ফেব্রুয়ারি। একদিকে মাতৃ ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম, অপরদিকে এটি ছিল জালেমের বিরুদ্ধে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। ফেব্রুয়ারি মানেই আত্মপরিচয় উপলব্ধির মাস। আমাদের শেকড় সন্ধানী মাস।’ জ্ঞানী গুণীদের কর্ম এবং কর্মময় জীবনের সঙ্গে আপামর জনগণের পরিচয় করিয়ে দেয়া রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন সরকার প্রধান। ভাষা শহীদদের স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘আল্লাহ তাদের মৃত্যুকে শহীদি মৃত্যু হিসেবে কবুল করুন।’
১১ ঘন্টা আগে
সংরক্ষিত নারী আসনে, ফৌজিয়া সাফদার সোহেলীকে চান নোয়াখালীর তৃনমুল বিএনপি

সংরক্ষিত নারী আসনে, ফৌজিয়া সাফদার সোহেলীকে চান নোয়াখালীর তৃনমুল বিএনপি

ত্র‎য়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। এর পরই আলোচনার কেন্দ্রে সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন। ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন রমজান মাসেই হবে বলে আভাস দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)।‎শত শত রোগীকে তিনি ঢাকায় এনে নিজ বাসায় আশ্রয় দিয়েছেন। চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া, অপারেশনের জন্য তহবিল সংগ্রহ, ওষুধের ব্যবস্থা সবকিছুই করেছেন নীরবে, প্রচারবিমুখ থেকে।তাই মনোনয়ন পেতে দলীয় হাইপ্রোফাইলে দৌঁড়ঝাপ শুরু করেছেন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেত্রীরা।‎নোয়াখালী থেকে সংরক্ষিত নারী আসনেও মনোনয়ন পেতে চেষ্টা করছেন একাধিক নারী মহিলা দলের নেত্রী।নোয়াখালী থেকে কে হবেন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য? শেষ পর্যন্ত কে বিএনপির মনোনয়ন পেতে যাচ্ছেন এ নিয়ে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির নেতাকর্মী সমর্থক ও সাধারন মানুষের মধ্যে চলছে নানা জল্পনা কল্পনা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় হাতিয়া থেকে মনোনয়নের লড়াইয়ে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি নেত্রী ফৌজিয়া সাফদার সোহেলী।‎বিএনপি পরিবারের সন্তান ফৌজিয়া সাফদার সোহেলীর জন্ম নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলায়। তিনি হাতিয়া উপজেলার প্রখ্যাত জমিদার ও দানবীর আলহাজ্ব আজহার উদ্দিন মিয়ার বংশধর এবং আলাউদ্দিন খিলজির জ্যেষ্ঠ কন্যা। জড়িত আছেন নানা সামাজিক উন্নয়ন ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডে।‎তিনি মনোনয়ন পেতে তৃনমুল থেকে কেন্দ্রে জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সামাজিক কর্মকান্ড, ও রাজনৈতিক কর্মসুচির মাধ্যমে নোয়াখালী জেলায় আলোচনায় এসেছেন এই নারী নেত্রী। স্থানীয় বিএনপি ও নোয়াখালী জেলা বাসীর প্রত্যাশা, সাধারন মানুষের সুঃখে দুঃখে থাকা  সামাজিক,রাজনৈতিক ও মানবিক গুণাবলির অধিকারী ফৌজিয়া সাফদার সোহেলীকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চায় নোয়াখালী অঞ্চলের মানুষ ।‎প্রতিকূল দ্বীপাঞ্চলে জন্ম নেওয়া ফৌজিয়া সাফদার সোহেলীর শৈশব কেটেছে নদীভাঙন, বঞ্চনা ও সংগ্রামের বাস্তবতার ভেতর দিয়ে। পারিবারিক ঐতিহ্য তাকে মানব সেবার শিক্ষা দিয়েছে, আর সময় তাকে শিখিয়েছে সাহস ও দায়িত্ববোধ। শিক্ষা জীবনে তিনি স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। প্রতিকূলতার মাঝেও অদম্য অগ্রযাত্রা হাতিয়ার আফাজিয়া স্কুল থেকে এসএসসি সম্পন্ন করে তিনি উচ্চশিক্ষার পথে এগিয়ে যান। হাতিয়া দ্বীপ কলেজ থেকে স্নাতক (বি.এ) ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে আইডিয়াল ল’ কলেজে আইন বিষয়ে অধ্যয়ন শুরু করেন। ব্যক্তিগত ও সামাজিক দায়িত্বের ভারে আইন শিক্ষা সম্পন্ন করা হয়নি  দ্বীপাঞ্চল হাতিয়া সংগঠনের সমন্বয়ক হিসেবে তিনি সহযোদ্ধাদের নিয়ে তহবিল গঠন করেন। তার উদ্যোগে অসহায় অনেক পরিবারের জন্য ঘর নির্মাণ করা হয় যা শুধু আশ্রয় নয়,ছিল নতুন জীবনের প্রতিশ্রুতি।এছাড়াও নিয়মিত শিক্ষা বৃত্তি প্রদান চিকিৎসা সহায়তা তহবিল মসজিদ ও মাদ্রাসায় অনুদান সামাজিক ও দুর্যোগকালীন সহায়তা করেছেন।‎শৈশব থেকেই তিনি দেখেছেন দারিদ্র্য, অসহায়ত্ব আর চিকিৎসাহীনতার কষ্ট। তাই খুব অল্প বয়সেই নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন মানবিক কর্মকাণ্ডে। অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ ও বই-খাতা প্রদান দরিদ্র পরিবারের খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থা। সব সময়ই চেষ্টা করেন অসচ্ছল শিক্ষার্থী, দরিদ্র পরিবার ও অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়াতে।‎শত শত রোগীকে তিনি ঢাকায় এনে নিজ বাসায় আশ্রয় দিয়েছেন। চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া, অপারেশনের জন্য তহবিল সংগ্রহ, ওষুধের ব্যবস্থা সবকিছুই করেছেন নীরবে, প্রচারবিমুখ থেকে।‎স্বৈরাচারী সময়েও অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি রাজপথ সক্রিয় ছিলেন । অন্যায়, দমন-পীড়ন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার অবস্থান ছিল স্পষ্ট ও দৃঢ়। সত্যের পক্ষে কথা বলার অপরাধে তিনি হয়েছেন মামলা, হামলা ও সামাজিক নিপীড়নের শিকার। বারবার ভয় দেখানো হয়েছে, তবুও তিনি থেমে যাননি। ২০১৩ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ঢাকার শান্তিনগরে তার বাসভবন দক্ষিণাঞ্চলের স্বেচ্ছাসেবক দলের অস্থায়ী কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। মামলা, ভয়ভীতি ও নিপীড়নের মুখেও পিছু হটেননি। পুলিশি তল্লাশি, নজরদারি ও চাপ সবকিছুর মাঝেও তিনি আশ্রয় দিয়েছেন নেতা-কর্মীদের।‎প্রতিকূল দ্বীপাঞ্চল থেকে উঠে এসে মানুষের অধিকার, ন্যায় ও মানবিকতার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন। মানবতা, সাহসিকতা ও ত্যাগের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে তিনি স্থানীয় মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন।‎ সমাজের অবহেলিত ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের উন্নয়নে কাজ করতে চান তিনি। ফৌজিয়া সাফদার সোহেলী শিক্ষা,সংস্কৃতিক ও নারী উন্নয়নে ভূমিকা রেখে আসছেন। এজন্য তাকে নোয়াখালী থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হিসেবে দেখতে চান এ অঞ্চলের মানুষ।‎ফৌজিয়া সাফদার সোহেলী বলেনঃ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলকে বিজয়ী করতে নিরলসভাবে কাজ করেছি। ভুমিকা রেখেছি তৃনমুল পর্যায়ে দলের বার্তা পৌছে দিতে। আমার দলের প্রতি আস্থা রেখে মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশা করছি। সক্রিয় রাজনীতির মাধ্যমে মানুষের কল্যান,সমাজ সেবা ও উন্নয়ন কর্মকান্ডে ভুমিকা রাখার অংশ হিসেবেই আমি দলীয় মনোনয়ন চাই। সমাজসেবা ও জনকল্যাণমূলক কাজে নিয়জিত থাকতে চাই। জাতীয়তাবাদী আদর্শ নিয়ে কাজ করে চলেছি। আমি চাই সবসময় মানুষের পাশে থেকে জনগণের সেবা করতে।বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে  সুদূরপ্রসারী চিন্তা, বিচক্ষণতা, জনসেবা ও নেতৃত্ব প্রদানের যোগ্যতা থাকতে হবে। আমি বিশ্বাস করি আমাদের বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিচক্ষণতার সঙ্গে দলের সাম্যবস্থা রক্ষা করে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তিনি আরো বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের সব আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে ছিলাম।  তাই সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হিসেবে কাজ করার সুযোগ চাই। আমার বিশ্বাস নবনির্বাচিত প্রধান মন্ত্রী বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে সংরক্ষিত আসনের এমপি হিসেবে মনোনয়ন দেবেন। স্থানীয় তৃনমুল বিএনপির দাবী করছেন ফৌজিয়া সাফদার সোহেলীকে সংরক্ষিত মহিলা এমপি করা হউক।
৬ ঘন্টা আগে
জাতীয়

জাতীয়

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিশ্চয়ই একদিন বিশ্ব জগতে আলো ছড়াবে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিশ্চয়ই একদিন বিশ্ব জগতে আলো ছড়াবে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য একদিন বিশ্বে আলো ছড়াবে, এমন আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে গুণীজনদের হাতে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘একুশে পদক ২০২৬’ প্রদানের পর তিনি এই আশা প্রকাশ করেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একুশে পদক প্রবর্তন করেছিলেন। এটি শুধু একটি পদকই নয়...বরং এই পদকের মধ্য দিয়ে ৫২ ভাষা আন্দোলন থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ঘটনাবলীকে স্মরণে আনার পাশাপাশি যেসব বিজ্ঞজন শিক্ষা সাহিত্য শিল্পকলা গবেষণা ও চর্চায় নিজেদের এবং রাষ্ট্র ও সমাজকে সমৃদ্ধ করেছেন, তাদের সঙ্গে আপামর জনসাধারণের পরিচয় ঘটে।’ জ্ঞান বিজ্ঞান কিংবা শিল্প সাহিত্য চর্চার ধারা আরও শানিত ও বিকশিত হওয়ার প্রত্যাশা করে তিনি বলেন, ‘শিক্ষা গবেষণা এবং শিল্প সাহিত্যের চর্চাকে আরও বেগবান করতে রাষ্ট্র এবং সরকার তার দায়িত্ব অবশ্যই পালন করবে। শিক্ষা গবেষণা এবং শিল্প সাহিত্য চর্চাকে রাজনীতিকীকরণ করা কখনোই সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়। জ্ঞান বিজ্ঞানে সব শাখায় যাতে দেশ এগিয়ে যেতে পারে... নৈতিক মানসম্পন্ন তেমন একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষে বর্তমান সরকার কাজ করছে।’ জাতীয় ইতিহাসে ফেব্রুয়ারি মাসের গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের আত্মপরিচয়ের স্মারক। বলা যায়, আমাদের সংস্কৃতিচেতনার প্রাণপ্রবাহ একুশে ফেব্রুয়ারি। একদিকে মাতৃ ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম, অপরদিকে এটি ছিল জালেমের বিরুদ্ধে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। ফেব্রুয়ারি মানেই আত্মপরিচয় উপলব্ধির মাস। আমাদের শেকড় সন্ধানী মাস।’ জ্ঞানী গুণীদের কর্ম এবং কর্মময় জীবনের সঙ্গে আপামর জনগণের পরিচয় করিয়ে দেয়া রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন সরকার প্রধান। ভাষা শহীদদের স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘আল্লাহ তাদের মৃত্যুকে শহীদি মৃত্যু হিসেবে কবুল করুন।’
১১ ঘন্টা আগে
আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক

রমজানের আগে আল-আকসা মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার করল ইসরায়েল

রমজানের আগে আল-আকসা মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার করল ইসরায়েল

অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদের ইমাম শেখ মোহাম্মদ আল-আব্বাসিকে গ্রেপ্তার করেছে ইসরায়েলি পুলিশ।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মসজিদ চত্বর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী আল-আকসা মসজিদ চত্বর থেকে শেখ আল-আব্বাসিকে আটক করেছে। তবে গ্রেপ্তারের কোনো কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।পবিত্র আল-আকসা মসজিদকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলের বিভিন্ন পদক্ষেপের মধ্যে মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে। মসজিদের দায়িত্বে থাকা ইমাম, খতিব এবং মুসল্লিদের প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ইসরায়েল। তবে সেখানে ইসরায়েলি পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে বসতি স্থাপনকারীদের অনুপ্রবেশ বেড়ে গেছে।আল-আকসা মসজিদের ইমাম আল-আব্বাসিকে গ্রেপ্তারের ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে হামাস বলেছে, গ্রেপ্তারকৃত ইমামের মসজিদে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছিল ইসরায়েল। তাকে গ্রেপ্তারের এই ঘটনা আল-আকসায় প্রকাশ্য হস্তক্ষেপ এবং ইমামদের ওপর অগ্রহণযোগ্য হামলার শামিল।হামাস আরও অভিযোগ করে, ‘ফ্যাসিবাদী দখলদার সরকার’ আল-আকসা মসজিদের পবিত্রতা লঙ্ঘন, মুসল্লিদের প্রবেশে বাধা, রমজান মাসের প্রস্তুতি ব্যাহত করা এবং বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠীগুলোর অভিযান জোরদার করছে। তাদের দাবি, এসব পদক্ষেপ মসজিদটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া, ‘ইহুদিকরণ’ এবং সেখানে ইবাদতের স্বাধীনতা সীমিত করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ। পাশাপাশি সময় ও স্থানভিত্তিক বিভাজন আরোপের চেষ্টাও চলছে বলে অভিযোগ করা হয়।জেরুজালেমে বসবাসরত ফিলিস্তিনি জনগণ, পশ্চিম তীরজুড়ে এবং ১৯৪৮ সালের ভূখণ্ডের ভেতরে থাকা ফিলিস্তিনিদের আল-আকসায় অবস্থান অব্যাহত রাখার জন্য হামাস আহ্বান জানিয়েছে।এছাড়া, হামাস আরব লীগ, ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) এবং অন্যান্য আরব ও মুসলিম দেশগুলোর প্রতি জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করেছে।আল-আকসা মসজিদকে ‘ইহুদিকরণ’-এর ঝুঁকি থেকে রক্ষায় সব কূটনৈতিক ও কার্যকর চ্যানেল ব্যবহার করে দখলদার পক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করার আহ্বানও জানায় হামাস।অধিকৃত জেরুজালেমের পুরনো শহর ও আল-আকসা মসজিদসংলগ্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা বেড়েছে। ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও ফিলিস্তিনি কর্মীদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার ও নিষেধাজ্ঞা জারি এবং কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের মধ্যেই এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস

কুবিতে হলে ডুকে শিক্ষার্থীকে মারধর করে পালিয়েছে ছাত্রদল নেতা

কুবিতে হলে ডুকে শিক্ষার্থীকে মারধর করে পালিয়েছে ছাত্রদল নেতা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলে ছাত্রত্ব শেষ হওয়া ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুর রহমান কর্তৃক হলের দুই আবাসিক শিক্ষার্থী মারধরের শিকার হয়েছেন। অভিযুক্ত আতিকুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগেত ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের ছাদে এ ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগীরা হলেন শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের আবাসিক শিক্ষার্থী অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সৌরভ কাব্য এবং অর্থনীতি বিভাগের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তৌফায়েল মাহমুদ নিবির। প্রতিবেদন লেখার আগে পর্যন্ত সৌরভ কাব্য হাসপাতালে ভর্তি আছেন।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হলের ছাদে ওই দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে আতিকুর রহমানের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে আতিকুর রহমান নিবিড়কে চড় মারেন। এর প্রতিবাদ করতে গেলে আতিকুর তাকে ধাক্কা দেন ফলে পরে গিয়ে তার হাতের কনুইয়ে আঘাত লাগে। পরবর্তীতে সৌরভ কাব্য বিষয়টির প্রতিবাদ করতে গেলে আতিকুর তার নাকে সজোরে ঘুষি মারেন। যার ফলে সৌরভের নাক দিয়ে রক্তপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে হলের শিক্ষার্থীরা বের হয়ে ঝামেলা দেখে আতিকুরকে ধাওয়া দেন। সর্বশেষ জানা গেছে আতিকুর ধাওয়ার পর পালিয়ে একটি মেসে আশ্রয় নিয়েছেন। জানা গেছে, আতিকুর রহমান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তবে ছাত্রত্ব শেষ হওয়ার পরও তিনি বলপ্রয়োগ করে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের ৫০০২ কক্ষে একটি সিট দখল করে গত চার দিন ধরে হলে অবস্থান করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে অনুসারীদের নিয়মবহির্ভূতভাবে হলে ওঠানোর অভিযোগও করেছেন শিক্ষার্থীরা।শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের ৫০০২ নাম্বার রুমের আবাসিক শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ' ওনি আমার রুমে আমার গেস্ট হিসেবে ছিল। এইরকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটাবো তা আমার জানা ছিল না। 'মারধরের শিকার হলের আবাসিক শিক্ষার্থী তৌফায়েল মাহমুদ নিবির বলেন, আমরা কয়েকজন হলের নিচে বসে গল্প করছিলাম। এমন সময় আতিক সেখানে এসে হলে উঠার কথা বলেন। তখন আমি তাকে জানাই যে, নিয়ম মেনে প্রভোস্টের মাধ্যমে আসতে হবে। আমার কথা শুনে আতিক হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে আমার কলার ধরে চড় মারেন। পরবর্তীতে আমাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেন। সৌরভ সেটার প্রতিবাদ করতে গেলে  তাকে নাকে-মুখে ঘুষি দিতে থাকেন। এ সময় আঘাতে সৌরভের নাক ফেটে যায়। পরে হলের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে এলে আতিক ও সাইফুল সেখান থেকে পালিয়ে যায়।'কুবি শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, 'এটা একটা অপ্রত্যাশিত ঘটনা যা খুবই দুঃখজনক। এটা সিনিয়র জুনিয়র দ্বন্ধের কারণে হয়েছে কিনা সেটা দেখতে হবে। এতে যেই অপরাধী হবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'হলে ছাত্রদলের কর্মীদের সিটে ওঠা নিয়ে তিনি বলেন, ' হলগুলো মূলত শিক্ষার্থীদের জন্য। জুনিয়ররা যেখানে থাকার কথা সেখানে থাকবে, সিনিয়ররা যেখানে থাকার কথা সেখানেই থাকবে। হলের নির্দিষ্ট যে নিয়ম আছে, সেই নিয়ম অনুযায়ীই সবকিছু চলবে। ছাত্রদলের অনেক শিক্ষার্থী হলের বাইরে থাকেন। আবার অনেক দরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থী হলে থাকার চেষ্টা করেন। গত ১৮ মাসে শুধুই ছাত্রদল করার কারণে হলে অবস্থান করছে এমন কোনো নজির কেউ দেখাতে পারবে না এবং এ ধরনের কোনো ঘটনাও ঘটেনি। তবে আতিকুরের হলে থাকার বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেন না বলেও জানান। এ বিষয়ে ছাত্রদল সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।দত্ত হলের প্রভোস্ট জনি আলম বলেন, 'আজকের বিষয়টি আমি জানতে পেরেছি এবং আমি ইতিমধ্যে হাউস টিউটরদের সাথে কথা বলেছি তারাসহ আমি ঘটনাস্থলে যাচ্ছি এবং এবিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'সিট দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ' আমি দায়িত্ব নেওয়ার পরে এখনো কাউকে সিট দেওয়া হয়নি। এখন পর্যন্ত অনেকেই হলে সিট পাওয়ার বিষয় নিয়ে আমার সাথে যোগাযোগ করেছে। যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে আমরা তাদেরকেই হলে সিট দিবো যাদের ছাত্রত্ব আছে যাদের ছাত্রত্ব নেই তাদের হলে সিট পাওয়ার সুযোগ নেই।'
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

নির্বাচন

নির্বাচন

চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে ৩৬ প্রার্থীর ২৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত

চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে ৩৬ প্রার্থীর ২৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি সংসদীয় আসনে ৩৬ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন একজন নারী প্রার্থীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ২৫ প্রার্থী। নির্বাচনের বিধি অনুযায়ি, কোনো সংসদীয় আসনে প্রার্থী বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগ বা কমপক্ষে ১২ শতাংশ ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায়, ৩৫ প্রার্থীর মধ্যে ২৫ জন নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে পারেননি। যার ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এমনও প্রার্থী আছেন যারা ১ হাজার ভোটও পাননি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৪ প্রার্থীর পাশাপাশি ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল সৈয়দ মোহাম্মদ মাহাদুর শাহ্ও জামানত হারিয়েছেন। একসময় সরকারে থাকা প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টি ৪টি আসনে অংশ নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৪৬ ভোট। আর গণফোরাম তিনটি আসনে পেয়েছেন ৮৭৬ ভোট।নির্বাচন কমিশনের হালনাগাদ তথ্যে জেলায় ভোটার ২৩ লাখ ৩১হাজার ১৯৫। এবারের নির্বাচনে ভোট দিয়ছেন ৫৩.০৫ভাগ।এদিকে জামায়াতের সাথে জোটে যাওয়া নিয়ে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বে জড়ানো ইসলামী আন্দোলন ৪টি আসনে ভোট পেয়েছে ৩৮ হাজার ৬শ ৩০ ভোট। ২০০৪ সালে আ. লীগের সাথে জোট হওয়া বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্ট মোমবাতি প্রতিক তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পেয়েছে ৭ হাজার ১৫৪ ভোট। শুধু তাই নয়, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ বাহদুর শাহ চেয়ার প্রতিকে চাঁদপুর-৫ আসন থেকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ১৭৮ ভোট। তিনিও হারিয়েছেন জামানত। অন্যদের মধ্যে জামানত হারিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতিকের ৩ প্রার্থী মো. জাকির হোসেন, মো. এনায়েত হোসেন ও মো. গোলাফ হোসেন। এছাড়া স্বতন্ত্র ঘুড়ি প্রতিকের জাকির হোসেন, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতিকের মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতিকের জাকির হোসেন প্রধানিয়া, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের আপেল প্রতিকের মো. মাহমুদুল হাসান নয়ন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির আনারস প্রতিকের নাসিমা নাজনিন সরকার, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির হাতি প্রতিকের মো. ফয়জুন্নুর ও নাগরিক ঐক্যের কেটলি প্রতিকের মো. এনামুল হক।চাঁদপুর-১ (কচুয়া): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ১৩লাখ ৩হাজার ৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতের প্রার্থী আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমেদ পেয়েছেন ৭০হাজার ৩৬৮ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে গণফোরামের মোহাম্মদ আজাদ হোসেন ৩২৯, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন ৪ হাজার ৩৭১, গণঅধিকার পরিষদের মো. এনায়েত হোসেন ২১৭ ও জাতীয় পার্টির হাবিব খান ৬৫২ ভোট পেয়েছন।চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিন ১লাখ ৭২হাজার ৫০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি এলডিপির ছাতা প্রতিকের প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৪৭৩ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশ লেবার পার্টির নাসিমা নাজনিন সরকার ২৮৩, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি মো. ফয়জুন্নর ৫০৯, গণঅধিকার পরিষদের মো. গোলাপ হোসেন ৩১৫, নাগরিক ঐক্য মো. এনামুল হক ১৪৩, ইসলামী আন্দোলনের মানসুর ১২হাজার ৩০৭, জাতীয় পার্টির এমরান হোসেন মিয়া ১হাজার ৩২৮ ভোট।চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ ১লাখ ৬৫ হাজার ৪০৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শাহজাহান মিয়া দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে পেয়েছেন ১লাখ ৮৬৫ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এ. এইচ.এম. আহসান উল্লাহ ২হাজার ২৭৪, ইসলামী আন্দোলনের মো. জয়নাল আবদিন শেখ ১৪ হাজার ১৮১, গণঅধিকার পরিষদের মো. জাকির হোসেন ১৩২, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ৬৭৬, গণফোরামের সেলিম আকবর ৩০৭ ভোট।চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) : এই আসনে স্বতন্ত্র চিংড়ি প্রতিকের প্রার্থী এম এ হান্নান ৭৪হাজার ১৭৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী বিএনপির ধানের শীষ প্রতিকের মো. হারুনুর রশিদ ৬৯ হাজার ১৫৫ ভোট এবং জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী পেয়েছেন ৬৬হাজার ৬৯২ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র জাকির হোসেন ১৮৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের মকবুল হোসাইন ৫হাজার ২৬১, জাতীয় পার্টির মাহমুদুর হাসান ২৭৭ ভোট, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. আবদুল মালেক ৫০৯, গণফোরামের মো. মুনীর চৌধুরী ২৪০ ভোট পেয়েছেন।চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী মো. মমিনুল হক ১ লাখ ৮৫হাজার ৪০৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি এলডিপির ছাতা প্রতিকের প্রার্থী মো. নেয়ামুল বশির পেয়েছেন ৭৫হাজার ৬৬০ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে জাতীয় পার্টির মির্জা গিয়াস উদ্দিন ১হাজার ৫১৬, ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আলী পাটওয়াারি ৬হাজার ৬৮১, স্বতন্ত্র মো. জাকির হোসেন প্রধানিয়া ২৬৮, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. মাহমুদুল হাসান নয়ন ২৫৬, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের সৈয়দ বাহাদুর শাহ্ মুজাদ্দেদী ১৩হাজার ১৭৮ ভোট পেয়েছেন।চাঁদপুর-৩ আসনের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থী এ এইচ এম আহসান উল্লাহ বলেন, জামানত হারানো প্রার্থীদের নিজ দলের তৃণমূল সাংগঠনিকভাবে দুর্বল। তাই নির্বাচনে ভালো করা কঠিন। তার মতে সাংগঠনিক কার্যক্রম সক্রিয় করা প্রয়োজন।সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চাঁদপুরের সভাপতি অধ্যক্ষ মোশারেফ হোসেন বলেন, আসলে নিজেকে পরিচিতির জন্য এমন নির্বাচনে অনেকে প্রার্থী হয়। আবার নির্বাচন কমিশনের শর্ত পূরণের জন্যও প্রার্থী দিয়ে নিয়ম রক্ষা করেন। এছাড়াও ছোট দলগুলোর জয় পরাজয় বা জামানত বাজেয়াপ্ত তাদের বড় বিষয় নয়, দলকে টিকিয়ে রাখতে নির্বাচনে অংশ গ্রহন নিশ্চিত করতে হয়।
০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকা-৯ আসনে হাবিবের প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের সমর্থন

ঢাকা-৯ আসনে হাবিবের প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের সমর্থন

০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ক্রিকেট

ক্রিকেট

ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ: বিক্রি হয়ে গেছে সব টিকিট

ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ: বিক্রি হয়ে গেছে সব টিকিট

অনিশ্চয়তা, রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা পেরিয়ে অবশেষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কলম্বোর ঐতিহাসিক আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ম্যাচ নিয়ে ইতোমধ্যেই সমর্থকদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে উঠেছে। ম্যাচের সব টিকিট খুব দ্রুত বিক্রি হয়ে গেছে; একই সঙ্গে কলম্বোমুখী ফ্লাইট ও হোটেল ভাড়ায় নজিরবিহীন উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে।বিশ্ব ক্রিকেটে ভারত–পাকিস্তান দ্বৈরথ মানেই বাড়তি উত্তেজনা। রাজনৈতিক ইতিহাস, সীমান্ত উত্তেজনা ও দীর্ঘদিন দ্বিপাক্ষিক সিরিজ না হওয়ায় আইসিসি ইভেন্টেই মুখোমুখি হয় দু’দল। ফলে এমন ম্যাচকে ঘিরে দর্শক আগ্রহ যে অন্য উচ্চতায় থাকবে, তা অনুমান করাই যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৩৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে আগেভাগেই। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ম্যাচ নিশ্চিত হওয়ার পরপরই কলম্বোর হোটেল কক্ষের ভাড়া তিন থেকে চার গুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়। সাধারণ সময়ে যেসব কক্ষের ভাড়া রাতপ্রতি ১০০ থেকে ১৫০ ডলার, সেগুলোর জন্য এখন গুনতে হচ্ছে সর্বোচ্চ ৬৬০ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮১ হাজার টাকা)। জনপ্রিয় হোটেল বুকিং ওয়েবসাইটগুলোতে এমন মূল্যবৃদ্ধির চিত্র স্পষ্ট।কলম্বোর তিনটি ট্রাভেল এজেন্সি জানিয়েছে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার পর শেষ মুহূর্তে বুকিংয়ের চাপ হঠাৎ বেড়ে যায়। বিশেষ করে ভারতের চেন্নাই ও দিল্লির মতো বড় শহর থেকে ফ্লাইট বুকিং কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। চেন্নাই থেকে কলম্বো যেতে সময় লাগে দেড় ঘণ্টার মতো, কিন্তু অল্প দূরত্বের এই রুটেও ভাড়া বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২৩ থেকে ৭৫৬ ডলার পর্যন্ত। অন্যদিকে দিল্লি-কলম্বো রুটে ভাড়া প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়ে ৬৬৬ ডলারে পৌঁছেছে।শ্রীলঙ্কা ইনবাউন্ড ট্যুর অপারেটরসের সভাপতি নালিন জয়াসুন্দেরা জানিয়েছেন, অধিকাংশ হোটেল প্রায় পূর্ণ। অনেক সমর্থকই ‘অল-ইনক্লুসিভ’ প্যাকেজে আসছেন, যার মূল্য ১৫০০ থেকে ২০০০ ডলার পর্যন্ত। এসব প্যাকেজে ম্যাচ টিকিট, আবাসন ও যাতায়াত অন্তর্ভুক্ত থাকছে। তিনি বলেন, চাহিদা এত বেশি যে শেষ মুহূর্তে দাম আরও বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে পর্যটন খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে; বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের তৃতীয় বৃহৎ উৎস এটি। সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সংকট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধাক্কা সামাল দিতে দেশটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজনকে সুযোগ হিসেবে দেখছে। শ্রীলঙ্কা ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বুদ্ধিকা হেওয়াসাম জানান, বিশ্বকাপের প্রথম ১০ দিনে প্রায় এক লাখ বিদেশি দর্শনার্থীর ২০ শতাংশই ভারত–পাকিস্তান ম্যাচকে কেন্দ্র করে দেশটিতে এসেছে। তার ভাষায়, শ্রীলঙ্কা নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে বড় ম্যাচ আয়োজনের সক্ষমতা দেখাতে চায়। এটি শুধু ভারত ও পাকিস্তান নয়, দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের জন্যই ইতিবাচক বার্তা।এদিকে, দু’দলের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চরমে। লাহোরের বাসিন্দা মিয়া সুলতান ম্যাচটি দেখতে কলম্বোয় যাচ্ছেন। তার প্রত্যাশা, এই ম্যাচ জিতলে পাকিস্তান পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে যাবে। তিনি বলেন, এটি জীবনের অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে। নিউজিল্যান্ডে থাকা তার এক বন্ধু ম্যাচ দেখতে কলম্বোয় উড়াল দিচ্ছেন; গ্যালারির সামনের সারির টিকিটের জন্য তাকে খরচ করতে হয়েছে ৮০০ ডলার।সব মিলিয়ে, একটি ম্যাচ ঘিরে কলম্বোতে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই অর্থনৈতিক প্রভাব, ভ্রমণ ব্যয় এবং দর্শক আগ্রহের দিক থেকে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ যেন চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আলাদা এক মাত্রা যোগ করেছে। এখন শুধু অপেক্ষা, চাপ, প্রত্যাশা আর আবেগের এই লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসে।
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সারাদেশ

সারাদেশ

সংরক্ষিত নারী আসনে, ফৌজিয়া সাফদার সোহেলীকে চান নোয়াখালীর তৃনমুল বিএনপি

সংরক্ষিত নারী আসনে, ফৌজিয়া সাফদার সোহেলীকে চান নোয়াখালীর তৃনমুল বিএনপি

ত্র‎য়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। এর পরই আলোচনার কেন্দ্রে সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন। ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন রমজান মাসেই হবে বলে আভাস দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)।‎শত শত রোগীকে তিনি ঢাকায় এনে নিজ বাসায় আশ্রয় দিয়েছেন। চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া, অপারেশনের জন্য তহবিল সংগ্রহ, ওষুধের ব্যবস্থা সবকিছুই করেছেন নীরবে, প্রচারবিমুখ থেকে।তাই মনোনয়ন পেতে দলীয় হাইপ্রোফাইলে দৌঁড়ঝাপ শুরু করেছেন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেত্রীরা।‎নোয়াখালী থেকে সংরক্ষিত নারী আসনেও মনোনয়ন পেতে চেষ্টা করছেন একাধিক নারী মহিলা দলের নেত্রী।নোয়াখালী থেকে কে হবেন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য? শেষ পর্যন্ত কে বিএনপির মনোনয়ন পেতে যাচ্ছেন এ নিয়ে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির নেতাকর্মী সমর্থক ও সাধারন মানুষের মধ্যে চলছে নানা জল্পনা কল্পনা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় হাতিয়া থেকে মনোনয়নের লড়াইয়ে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি নেত্রী ফৌজিয়া সাফদার সোহেলী।‎বিএনপি পরিবারের সন্তান ফৌজিয়া সাফদার সোহেলীর জন্ম নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলায়। তিনি হাতিয়া উপজেলার প্রখ্যাত জমিদার ও দানবীর আলহাজ্ব আজহার উদ্দিন মিয়ার বংশধর এবং আলাউদ্দিন খিলজির জ্যেষ্ঠ কন্যা। জড়িত আছেন নানা সামাজিক উন্নয়ন ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডে।‎তিনি মনোনয়ন পেতে তৃনমুল থেকে কেন্দ্রে জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সামাজিক কর্মকান্ড, ও রাজনৈতিক কর্মসুচির মাধ্যমে নোয়াখালী জেলায় আলোচনায় এসেছেন এই নারী নেত্রী। স্থানীয় বিএনপি ও নোয়াখালী জেলা বাসীর প্রত্যাশা, সাধারন মানুষের সুঃখে দুঃখে থাকা  সামাজিক,রাজনৈতিক ও মানবিক গুণাবলির অধিকারী ফৌজিয়া সাফদার সোহেলীকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চায় নোয়াখালী অঞ্চলের মানুষ ।‎প্রতিকূল দ্বীপাঞ্চলে জন্ম নেওয়া ফৌজিয়া সাফদার সোহেলীর শৈশব কেটেছে নদীভাঙন, বঞ্চনা ও সংগ্রামের বাস্তবতার ভেতর দিয়ে। পারিবারিক ঐতিহ্য তাকে মানব সেবার শিক্ষা দিয়েছে, আর সময় তাকে শিখিয়েছে সাহস ও দায়িত্ববোধ। শিক্ষা জীবনে তিনি স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। প্রতিকূলতার মাঝেও অদম্য অগ্রযাত্রা হাতিয়ার আফাজিয়া স্কুল থেকে এসএসসি সম্পন্ন করে তিনি উচ্চশিক্ষার পথে এগিয়ে যান। হাতিয়া দ্বীপ কলেজ থেকে স্নাতক (বি.এ) ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে আইডিয়াল ল’ কলেজে আইন বিষয়ে অধ্যয়ন শুরু করেন। ব্যক্তিগত ও সামাজিক দায়িত্বের ভারে আইন শিক্ষা সম্পন্ন করা হয়নি  দ্বীপাঞ্চল হাতিয়া সংগঠনের সমন্বয়ক হিসেবে তিনি সহযোদ্ধাদের নিয়ে তহবিল গঠন করেন। তার উদ্যোগে অসহায় অনেক পরিবারের জন্য ঘর নির্মাণ করা হয় যা শুধু আশ্রয় নয়,ছিল নতুন জীবনের প্রতিশ্রুতি।এছাড়াও নিয়মিত শিক্ষা বৃত্তি প্রদান চিকিৎসা সহায়তা তহবিল মসজিদ ও মাদ্রাসায় অনুদান সামাজিক ও দুর্যোগকালীন সহায়তা করেছেন।‎শৈশব থেকেই তিনি দেখেছেন দারিদ্র্য, অসহায়ত্ব আর চিকিৎসাহীনতার কষ্ট। তাই খুব অল্প বয়সেই নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন মানবিক কর্মকাণ্ডে। অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ ও বই-খাতা প্রদান দরিদ্র পরিবারের খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থা। সব সময়ই চেষ্টা করেন অসচ্ছল শিক্ষার্থী, দরিদ্র পরিবার ও অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়াতে।‎শত শত রোগীকে তিনি ঢাকায় এনে নিজ বাসায় আশ্রয় দিয়েছেন। চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া, অপারেশনের জন্য তহবিল সংগ্রহ, ওষুধের ব্যবস্থা সবকিছুই করেছেন নীরবে, প্রচারবিমুখ থেকে।‎স্বৈরাচারী সময়েও অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি রাজপথ সক্রিয় ছিলেন । অন্যায়, দমন-পীড়ন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার অবস্থান ছিল স্পষ্ট ও দৃঢ়। সত্যের পক্ষে কথা বলার অপরাধে তিনি হয়েছেন মামলা, হামলা ও সামাজিক নিপীড়নের শিকার। বারবার ভয় দেখানো হয়েছে, তবুও তিনি থেমে যাননি। ২০১৩ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ঢাকার শান্তিনগরে তার বাসভবন দক্ষিণাঞ্চলের স্বেচ্ছাসেবক দলের অস্থায়ী কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। মামলা, ভয়ভীতি ও নিপীড়নের মুখেও পিছু হটেননি। পুলিশি তল্লাশি, নজরদারি ও চাপ সবকিছুর মাঝেও তিনি আশ্রয় দিয়েছেন নেতা-কর্মীদের।‎প্রতিকূল দ্বীপাঞ্চল থেকে উঠে এসে মানুষের অধিকার, ন্যায় ও মানবিকতার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন। মানবতা, সাহসিকতা ও ত্যাগের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে তিনি স্থানীয় মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন।‎ সমাজের অবহেলিত ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের উন্নয়নে কাজ করতে চান তিনি। ফৌজিয়া সাফদার সোহেলী শিক্ষা,সংস্কৃতিক ও নারী উন্নয়নে ভূমিকা রেখে আসছেন। এজন্য তাকে নোয়াখালী থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হিসেবে দেখতে চান এ অঞ্চলের মানুষ।‎ফৌজিয়া সাফদার সোহেলী বলেনঃ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলকে বিজয়ী করতে নিরলসভাবে কাজ করেছি। ভুমিকা রেখেছি তৃনমুল পর্যায়ে দলের বার্তা পৌছে দিতে। আমার দলের প্রতি আস্থা রেখে মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশা করছি। সক্রিয় রাজনীতির মাধ্যমে মানুষের কল্যান,সমাজ সেবা ও উন্নয়ন কর্মকান্ডে ভুমিকা রাখার অংশ হিসেবেই আমি দলীয় মনোনয়ন চাই। সমাজসেবা ও জনকল্যাণমূলক কাজে নিয়জিত থাকতে চাই। জাতীয়তাবাদী আদর্শ নিয়ে কাজ করে চলেছি। আমি চাই সবসময় মানুষের পাশে থেকে জনগণের সেবা করতে।বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে  সুদূরপ্রসারী চিন্তা, বিচক্ষণতা, জনসেবা ও নেতৃত্ব প্রদানের যোগ্যতা থাকতে হবে। আমি বিশ্বাস করি আমাদের বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিচক্ষণতার সঙ্গে দলের সাম্যবস্থা রক্ষা করে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তিনি আরো বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের সব আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে ছিলাম।  তাই সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হিসেবে কাজ করার সুযোগ চাই। আমার বিশ্বাস নবনির্বাচিত প্রধান মন্ত্রী বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে সংরক্ষিত আসনের এমপি হিসেবে মনোনয়ন দেবেন। স্থানীয় তৃনমুল বিএনপির দাবী করছেন ফৌজিয়া সাফদার সোহেলীকে সংরক্ষিত মহিলা এমপি করা হউক।
০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মতামত

মতামত

জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: মাহফুজ আলম

জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: মাহফুজ আলম

জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক মাহফুজ আলম। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য উইক’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ মূলত একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।তার ভাষায়, দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় আওয়ামী লীগ টিকে থাকলে জামায়াতও টিকে থাকবে, আবার জামায়াত থাকলে আওয়ামী লীগের অস্তিত্বও বজায় থাকবে। এই পারস্পরিক নির্ভরতার মধ্যেই বাংলাদেশের রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরে আবর্তিত হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।প্রায় সাড়ে ১৪ মিনিটের এই সাক্ষাৎকারটি বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রচারিত হয়। এতে মাহফুজ আলম বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশ, সংস্কার প্রক্রিয়া, পুরনো ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের টানাপোড়েন এবং গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা, এমন নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বলেন।আসন্ন ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত আগেই জানিয়েছিলেন মাহফুজ আলম। তবে এই সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেন, রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর অন্যতম প্রধান কারণ ছিল জামায়াত ও আওয়ামী লীগের মধ্যকার এই পারস্পরিক অস্তিত্বের সমীকরণ। তার মতে, এই কাঠামোর ভেতরে থেকে কোনো প্রকৃত পরিবর্তন সম্ভব নয়।সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের পর তিনি তরুণ শক্তিগুলোকে একত্র করে বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে একটি শক্তিশালী ‘তৃতীয় বিকল্প’ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু যখন এনসিপি পুরনো রাজনৈতিক বন্দোবস্তের অংশ হিসেবে জামায়াতের সঙ্গে জোটে যায়, তখন সেই সম্ভাবনা কার্যত শেষ হয়ে যায়।জামায়াত প্রসঙ্গে মাহফুজ আলম আরও বলেন, যাদের সঙ্গে জোট করা হয়েছে তারা সবাই পুরনো রাজনৈতিক কাঠামোরই অংশ। তার দাবি, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে জামায়াতের কোনো স্পষ্ট ও স্বচ্ছ রূপরেখা নেই। ফলে তাদের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতা করতে গেলে এমন বহু প্রশ্ন সামনে আসে, যার সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া কঠিন।তিনি মনে করেন, আদর্শিক অবস্থান ও রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিগত প্রশ্নে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে জামায়াতের কোনো বাস্তব মিল নেই। এক পর্যায়ে তিনি হতাশা প্রকাশ করে বলেন, গত দেড় বছরের রাজনৈতিক যাত্রা ছিল এক ধরনের বিশ্বাসভঙ্গের অভিজ্ঞতা, যেখানে পুরনো রাজনৈতিক ব্যবস্থা নতুন মোড়কে আবার ফিরে আসছে এবং জুলাই আন্দোলনের মূল আকাঙ্ক্ষাকে আড়াল করে দিচ্ছে।ভবিষ্যৎ সরকার ব্যবস্থা নিয়েও সতর্কবার্তা দেন মাহফুজ আলম। তার মতে, ক্ষমতায় বিএনপি কিংবা জামায়াত, যেই আসুক না কেন, সমাজের ভেতরে জমে থাকা ক্ষত নিরাময় করতে না পারলে কোনো সরকারই টেকসই হবে না। তিনি বলেন, শুধু কাগজে-কলমে সংস্কার যথেষ্ট নয়; সমাজে ভিন্ন মত ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সমঝোতা বা পুনর্নির্ধারণ না হলে সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা চলতেই থাকবে।গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন তিনি। মাহফুজ আলমের মতে, সাধারণ মানুষের মধ্যে গণমাধ্যমের প্রতি আস্থা কমে গেছে। এই বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হলে গণমাধ্যমকে নিজেদের অতীত ভূমিকা নিয়ে আত্মসমালোচনার জায়গায় যেতে হবে এবং জনগণের সঙ্গে নতুন করে বোঝাপড়া গড়ে তুলতে হবে।বর্তমানে সক্রিয় রাজনীতির বাইরে থাকা মাহফুজ আলম সময় কাটাচ্ছেন বই পড়ে এবং হতাশ তরুণদের সঙ্গে কথা বলে। তিনি বোঝার চেষ্টা করছেন, কেন জুলাই অভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব হয়নি এবং ভবিষ্যতে কীভাবে সামনে এগোনো যায়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছাড়েন। এরপর ৮ আগস্ট গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। একই মাসের ২৮ তারিখ মাহফুজ আলম প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং ১০ নভেম্বর সরকারের উপদেষ্টা হন। তিনি গত বছরের ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন।
ডেস্ক নিউজ