বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
The Dhaka News Bangla

নিজের মেয়েকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে সালিশে বাবাকে ৩৩ বেত্রাঘাত

নোয়াখালীর সেনবাগে নিজের ১৮ বছর বয়সী মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রাম্য সালিশে ৩৩ বেত্রাঘাত, গলায় জুতার মালা পরানো এবং নাকে খত দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাত সোয়া ৯টার দিকে উপজেলার ডুমুরুয়া ইউনিয়নের জিরুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিনমজুর আব্দুল লতিফ (৪২) গত প্রায় দুই বছর ধরে নিজের মেয়েকে বিভিন্নভাবে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। একপর্যায়ে মেয়ে বিষয়টি তার চাচা ও জ্যাঠাদের জানালে মঙ্গলবার রাতে সেনবাগ উপজেলা জামায়াত নেতা মাওলানা হানিফ ও ডুমুরুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মজিবুল হক টিটুর নেতৃত্বে ভিকটিমের ঘরে একটি গ্রাম্য সালিশ বসে। সালিশে অভিযুক্তকে ৩৩ বেত্রাঘাত, জুতার মালা পরানো ও নাকে খত দেওয়া হয়।ডমুরুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মজিবুল হক টিটু বলেন, মেয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে তার বাবাকে ডেকে আনা হয়। দুই পক্ষের কথা শুনে সালিশী বৈঠকে ৫-৬ সদস্যের একটি জুরি বোর্ড গঠন করা হয়। পরে তাদের সিন্ধান্ত অনুযায়ী অভিযুক্তকে ৩৩ বেত্রাঘাত, জুতার মালা পরানো ও নাকে খত দেওয়া হয়।এ বিষয়ে সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম সরকার বলেন, বিষয়টি শুনেছি। খোঁজখবর নিয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৯ ঘন্টা আগে

মতলব উত্তরে মেঘনা দখল করে ‘জলবিলাস’

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল লঞ্চঘাট এলাকায় মেঘনা নদী ও নদীতীরের অংশ দখল করে দুটি হোটেল নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে ‘জলবিলাস’ নামে একটি হোটেল প্রায় এক বছর ধরে পরিচালিত হলেও সরকারি কোনো সংস্থার অনুমোদন বা প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র না নিয়েই ব্যবসা চলছে বলে অভিযোগ। একই স্থানে ‘হাওয়া বদল’ নামে আরও একটি বড় পরিসরের হোটেলের নির্মাণকাজও চলছে। সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলো বলছে, তাদের কাছ থেকে কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি।সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার ষাটনল ইউনিয়নের লঞ্চঘাট এলাকায় গ্যাংওয়ের দক্ষিণ পাশে ‘জলবিলাস’ নামে একটি হোটেল চালু রয়েছে। অপরদিকে গ্যাংওয়ের উত্তর পাশে নির্মাণাধীন রয়েছে ‘হাওয়া বদল’ নামে আরেকটি হোটেল। আকার-আয়তনে নির্মাণাধীন হোটেলটি তুলনামূলকভাবে অনেক বড়।স্থানীয় অটোরিকশাচালক, মোটরসাইকেলচালক ও হকাররা জানান, প্রায় এক বছর আগে ‘জলবিলাস’ হোটেলটি চালু হয়। প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত এখানে বিভিন্ন এলাকা থেকে দর্শনার্থীরা আসেন। বিশেষ করে তরুণ-তরুণীদের আনাগোনা বেশি দেখা যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ‘জলবিলাস’ হোটেলটির একাধিক অংশীদার রয়েছেন। তাদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা দুলাল পাটওয়ারীও রয়েছেন। সরকারি অনুমতি ছাড়া কীভাবে নদীতীরে হোটেল নির্মাণ করা হয়েছে-এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে হোটেলে গিয়ে মালিকপক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি। কর্মচারীরা মালিকদের যোগাযোগ নম্বর দিতেও অপারগতা প্রকাশ করেন।এদিকে নির্মাণাধীন ‘হাওয়া বদল’ হোটেলটিও নদী ও নদীতীরের অংশ দখল করেই নির্মাণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তারা জানান, প্রকল্পটির নির্মাণকাজের দায়িত্বে রয়েছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য জসিম দেওয়ান।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জসিম দেওয়ান বলেন, আমি শুধু নির্মাণকাজের দায়িত্বে আছি। কাগজপত্র ও প্রশাসনিক বিষয়গুলো দেখছেন ইঞ্জিনিয়ার আল-আলিম ও অ্যাডভোকেট ইমরান।হোটেলটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে অংশীদারদের একজন অ্যাডভোকেট আল-আমিন বলেন, এটি আমরা কয়েকজন অংশীদার মিলে করছি। জমিটি আমাদের পূর্বপুরুষদের। আমরা নদীর কোনো অংশ দখল করিনি। প্রয়োজনীয় বৈধতার জন্য কাগজপত্র প্রস্তুতের কাজ চলছে।ষাটনল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফেরদৌস আলম সরকার বলেন, ‘জলবিলাস’ আমার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়েছে কি না, তা এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। তবে ‘হাওয়া বদল’ নামে যে হোটেলটি নির্মাণ হচ্ছে, তারা ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছে। এখনো লাইসেন্স দেওয়া হয়নি।বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চাঁদপুরের বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান বলেন, ষাটনল লঞ্চঘাট এলাকায় একটি হোটেল ইতোমধ্যে নির্মাণ হয়েছে এবং আরেকটি নির্মাণাধীন রয়েছে। নদীর জায়গা দখল করে এভাবে স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ নেই। বিআইডব্লিউটিএ এ দুটি হোটেলকে কোনো ধরনের অনুমতি দেয়নি, এমনকি এ বিষয়ে কোনো আবেদনও করা হয়নি। স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়া আমাদের অনুমতি দেওয়ার সুযোগ নেই। তবে স্থানীয় প্রশাসন আইনগত ব্যবস্থা নিলে বিআইডব্লিউটিএ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর তীর ও সরকারি জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে দৃশ্যমান থাকলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এতে নদী দখলের প্রবণতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
২৮ জুলাই ২০২৬

শাহজালাল থার্ড টার্মিনালে ‘আরেক বালিশ-কাণ্ডের’ অভিযোগ!

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পে ব্যয় ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) বিশেষ নিরীক্ষা প্রতিবেদনে প্রকল্পে অনুমোদনবিহীন ব্যয়, অতিরিক্ত বিল পরিশোধ এবং ভেরিয়েশনের নামে বিপুল অঙ্কের অর্থ ব্যয়ের অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা প্রয়োজন।প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রকল্পে সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন গাছের মূল্য বাজারদরের তুলনায় অনেক বেশি দেখানো হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, কয়েকশ টাকার চারা গাছের মূল্য প্রকল্প নথিতে কয়েক হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। এ খাতে প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ের পাশাপাশি গাছের পরিচর্যার জন্য আরও প্রায় ৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেখানো হয়েছে।বিমানবন্দরসংলগ্ন কয়েকটি নার্সারির মালিকরা দাবি করেছেন, একই ধরনের গাছ সাধারণত ২০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যেই পাওয়া যায়। ফলে প্রকল্পে মূল্য নির্ধারণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।নিরীক্ষা প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রকল্পে অতিরিক্ত কাজের নামে প্রায় ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই ব্যয় করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী সীমিত পরিমাণ ভেরিয়েশন অনুমোদনের সুযোগ থাকলেও বাস্তবে তার চেয়ে অনেক বেশি ব্যয় হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।এছাড়া পুকুর নির্মাণ, মাটি পরিবহন, ডিজেল পাম্প, ইউপিএস সরবরাহ, জ্বালানি ব্যয় এবং বিভিন্ন অতিরিক্ত বিল নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে নিরীক্ষা কর্তৃপক্ষ। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, কিছু ক্ষেত্রে চুক্তির বাইরে ব্যয় দেখিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে।থার্ড টার্মিনালের আংশিক উদ্বোধনের আয়োজনেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয়ের তথ্য প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মূল চুক্তিতে এ ধরনের ব্যয়ের উল্লেখ না থাকলেও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য আলাদা অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে।এ বিষয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, নিরীক্ষায় চিহ্নিত অনিয়মগুলো পরবর্তী সময়ে অনুমোদনের মাধ্যমে বৈধতা দেওয়া হলে তা জবাবদিহি ও সুশাসনের জন্য নেতিবাচক দৃষ্টান্ত হবে।এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলমের মতে, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায় নির্ধারণ, অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। অন্যথায় সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের পুনরাবৃত্তি ঠেকানো কঠিন হবে।বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পে ওঠা সব অভিযোগ তদন্ত করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, কোনো দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত ছাড়া নিষ্পত্তি করা হবে না।অন্যদিকে, বেবিচকের সাবেক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) মোহাম্মদ মফিদুর রহমান বলেছেন, প্রকল্পের ব্যয়, ভেরিয়েশন ও নকশা-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বিদেশি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এবং অর্থায়নকারী সংস্থার সুপারিশের ভিত্তিতে হয়েছে। তাই প্রতিটি অভিযোগ প্রকল্পের নথি ও চুক্তির আলোকে যাচাই করা প্রয়োজন বলে তিনি মত দেন।উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে অনুমোদিত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৯ সালে। জাপানের জাইকার অর্থায়নে বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের মোট ব্যয় প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকার বেশি।
২৫ জুলাই ২০২৬
পুলিশের কাছে অভিযোগ দিয়ে হবিগঞ্জ ছাড়লেন এনসিপি নেতারা

পুলিশের কাছে অভিযোগ দিয়ে হবিগঞ্জ ছাড়লেন এনসিপি নেতারা

জুলাই পদযাত্রায় হামলার ঘটনায় হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতিসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ জনকে আসামি করে জেলা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে হবিগঞ্জের কামাইছড়া পুলিশ ক্যাম্পে জেলা পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে অভিযোগটি দায়ের করা হয়।এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের প্রেস সেক্রেটারি নুর হোসেন বিষয়টি বিবিসি বাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, এনসিপির পক্ষ থেকে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতিকে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়েছে।হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারেক মাহমুদ অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেন, "এনসিপির পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগটি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অভিযোগ জমা দিয়ে এনসিপির নেতারা মৌলভীবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।"পথে পথে এনসিপি নেতাদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে পুলিশ সুপার বলেন, "পরিস্থিতিতে উত্তেজনা ছিল এবং ১৪৪ ধারা জারি ছিল। তাই তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ কয়েকটি স্থানে বাধা দিয়েছে।"এর আগে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জে যাওয়ার পথে অন্তত তিনটি স্থানে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন এনসিপি নেতারা। ওই বাধাগুলো অতিক্রম করে হবিগঞ্জের দিকে অগ্রসর হওয়ার পর আরও এক দফা বাধার সম্মুখীন হন তারা।হবিগঞ্জের মিরপুর এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ তাদের গাড়িবহর আটকে দেয়। পরে নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে এনসিপির শীর্ষ নেতারা সেখানেই অবস্থান নেন।পরবর্তীতে রাতে পুলিশ ক্যাম্পে গিয়ে অভিযোগ জমা দেন নাহিদ ইসলাম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, সারজিস আলম, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা।
৩ ঘন্টা আগে
সারাদেশ

সারাদেশ

জাতীয়

জাতীয়

শুধু পদত্যাগ নয় চুপ্পুকে গ্রেফতার করতে হবে: নাহিদ ইসলাম

শুধু পদত্যাগ নয় চুপ্পুকে গ্রেফতার করতে হবে: নাহিদ ইসলাম

জামালপুর, ২৩ জুলাই ২০২৪: গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করাসহ পাঁচ দফা দাবিতে জামালপুর সদর উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির জুলাই পদযাত্রা ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মোঃ নাহিদ ইসলাম বলেন, 'গণঅভ্যুত্থানে আমরা পরিবর্তন চেয়েছিলাম। দেশে কোনো পরিবর্তন হয়নি। মাদক কারবারি বন্ধ হয়নি। চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি। দলীয়করণ বন্ধ হয়নি। জমি দখল বন্ধ হয়নি।' নাহিদ ইসলাম বলেন, 'আপনার জমি দখল হলে কোথায় যাবেন? মিডিয়া, পুলিশ, আদালত, সব দলীয়করণ হয়ে গেলে কোথাও ন্যায়বিচার পাবেন না। এই সরকার পরিবর্তনের সরকার নয়। পরিবর্তন চাইলে, সংস্কার বাস্তবায়ন চাইলে এনসিপিকে ক্ষমতায় আনতে হবে। আমাদের মাত্র আটজন পার্লামেন্টে। এই আটজন জনগণের পক্ষে একশো জনের ভূমিকা পালন করছে। এনসিপি প্রধান বিরোধী দল হলে, জনগণের পক্ষে আরো বেশি ভূমিকা রাখতে পারতো। আগামীতে আমাদের সমর্থন দিলে এনসিপি চাঁদাবাজি, মাদক নির্মূল করবে।' রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, 'এতদিন পর রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ করতে মন চাচ্ছে। পাঁচ মাসে আওয়ামীলীগের রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন করতে পারেনি বিএনপি। যে সরকার আওয়ামীলীগের রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন করতে পারেনি, তারা কিভাবে রাষ্ট্র পরিবর্তন করতে হবে। শুধু পদত্যাগ করলে হবে না, তাকে গ্রেফতার করতে হবে। যোগ্য, নিরপেক্ষ ও অভিভাবকসুলভ একজনকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। বিএনপি যোগ্য, জনপ্রিয় কাউকে রাষ্ট্রপতি বানাতে চায় না।'নাহিদ ইসলাম বলেন, 'জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্ররা সামনে ছিল। পেছন থেকে সহযোগিতা করেছে সর্বস্তরের জনতার। কিছুদিন আগে জামালপুরে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। আমরা এর নিন্দা জানাই। আমরা পুলিশ প্রশাসনের কাছে জানতে চাই, এ ঘটনায় কয় জন গ্রেফতার হয়েছে‌। ফ্যাসিস্টদের তান্ডব লীলা চালায়, তাহলে এর দায় পুলিশ প্রশাসন এবং সরকারকে নিতে হবে।'পথসভায় এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক সারজিস আলম, যুগ্ম সদস্যসচিব লুৎফর রহমান, জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসানসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।
২৩ জুলাই ২০২৬
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপের মুকুট উঠল স্পেনের মাথায়। টানটান উত্তেজনার ফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেল লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।সোমবার (বাংলাদেশ সময়) ভোরে নিউইয়র্ক–নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে শুরু থেকেই ছন্দে ছিল স্পেন। বলের দখল, আক্রমণ এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ সবকিছুতেই এগিয়ে ছিল তারা। অন্যদিকে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা নিজেদের পরিচিত ফুটবল খেলতে পারেনি। স্পেনের শক্ত রক্ষণভাগ ভাঙতে পুরো ম্যাচেই বেশ ভুগতে হয়েছে তাদের।নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো দলই গোল করতে না পারায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ১০৬তম মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে ফেরান তোরেস স্পেনকে কাঙ্ক্ষিত গোল এনে দেন। বক্সের ভেতরে পাওয়া সুযোগটি দারুণ দক্ষতায় কাজে লাগিয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।গোল হজমের পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালায় আর্জেন্টিনা। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আক্রমণ অব্যাহত রাখলেও স্পেনের রক্ষণভাগ ছিল অনড়। ফলে সমতায় ফিরতে পারেনি আলবিসেলেস্তেরা।শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই উৎসবে মেতে ওঠে স্পেন শিবির। ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে ভাসে স্প্যানিশরা। একই সঙ্গে লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে আরও একটি বড় শিরোপা যোগ হলো তাদের অর্জনের তালিকায়।অন্যদিকে শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামা আর্জেন্টিনাকে এবার রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো। পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করলেও ফাইনালের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নিজেদের সেরাটা দেখাতে না পারার মূল্য দিতে হয়েছে মেসিদের।
২০ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক

দিল্লিতে বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী আটক

দিল্লিতে বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী আটক

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে কংগ্রেস নেতা ও লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।মঙ্গলবার (২১ জুলাই) নয়াদিল্লির লোক কল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। পরে পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে তারা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যান। একপর্যায়ে পুলিশ তাদের আটক করে প্রিজন ভ্যানে তুলে নিয়ে যায়। এ সময় কংগ্রেসের আরও কয়েকজন নেতাকর্মীকেও আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এর আগে, সোমবার ভারতের সংসদ অভিমুখে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) পথযাত্রায় পুলিশের অভিযানের প্রতিবাদে কংগ্রেসসহ বিভিন্ন বিরোধী দলের নেতারা রাজপথে নামেন। তারা শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের দমন-পীড়নের অভিযোগ তুলে কেন্দ্রীয় সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী বলেন, "গতকাল তরুণ শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ যে নৃশংসতা ও বলপ্রয়োগ করেছে, সে বিষয়ে সরকারের কাছে জবাব চাইতে আমরা প্রধানমন্ত্রী মোদির বাসভবন পর্যন্ত গণমিছিল করেছি।"তিনি আরও অভিযোগ করেন, সরকার এ ঘটনার দায় নিতে চায় না এবং সংসদে বিষয়টি নিয়ে কোনো গঠনমূলক আলোচনাতেও আগ্রহ দেখাচ্ছে না। রাহুলের ভাষায়, "ভারতের কোটি কোটি যুবকের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করার দায়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত।"শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারকে দায়ী করে বিক্ষোভকারীরা মোদিবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের মতো কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত এলাকায় রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও অখিলেশ যাদবের এই বিক্ষোভ এবং পরবর্তী আটকের ঘটনা ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।
২১ জুলাই ২০২৬
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

সারাদেশ

সারাদেশ

দশকপূর্তির আনন্দ বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হলো আত্রাই বার্তা’র ১০ বছর পূর্তি

দশকপূর্তির আনন্দ বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হলো আত্রাই বার্তা’র ১০ বছর পূর্তি

সত্য, বস্তুনিষ্ঠতা ও জনস্বার্থকে সামনে রেখে পথচলার ১০ বছর পূর্ণ করেছে দিনাজপুরের জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদপোর্টাল ‘আত্রাই বার্তা’। ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উৎসবমুখর ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে আলোচনা সভা, কেক কাটা, মধ্যাহ্নভোজ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।দিনাজপুরের রামসাগর রেস্ট হাউসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আত্রাই বার্তা’র সম্পাদক মো. মোজাফফর হোসেন। প্রধান অতিথি ছিলেন দিনাজপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন (রেজি. নং-রাজ: ২৯৩৬)-এর সভাপতি মো. মোফাচ্ছিলুল মাজেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আতিউর রহমান আতিক, আলহাজ মো. ফারুক চৌধুরী ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. সৈয়দ আলী।প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. মোফাচ্ছিলুল মাজেদ বলেন, সাংবাদিকতার মূল শক্তি হলো সত্য, বস্তুনিষ্ঠতা ও জনস্বার্থ। অনলাইন গণমাধ্যমকে তথ্য পরিবেশনে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি ‘আত্রাই বার্তা’র উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও দীর্ঘ পথচলা কামনা করেন।বিশেষ অতিথি আতিউর রহমান আতিক বলেন, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সময়ে অনলাইন গণমাধ্যম দ্রুত মানুষের কাছে সংবাদ পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তবে দ্রুততার পাশাপাশি সংবাদের সত্যতা, নিরপেক্ষতা ও পেশাগত নৈতিকতা নিশ্চিত করা জরুরি। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাই গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় করতে পারে।আত্রাই বার্তা’র বার্তা সম্পাদক মো. নেছারুল ইসলাম-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন অনুষ্ঠান পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক সিকেন্দার আলী কাবুল। পরে অতিথিদের উপস্থিতিতে ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কেটে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। আলোচনা সভা শেষে মধ্যাহ্নভোজ এবং দেশ, জাতি ও ‘আত্রাই বার্তা’র উত্তরোত্তর সাফল্য কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় বক্তব্য রাখেন ভোরের পাতা’র দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি খাজানুর হায়দার লিমন, যুগান্তরের ফুলবাড়ী প্রতিনিধি ইমাম রেজাসহ উপস্থিত সাংবাদিকরা।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিজনেস বাংলাদেশ’র দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি ওয়াহেদুর রহমান, দি ডেইলি মর্নিং গ্লোরি’র জেলা প্রতিনিধি আবু কাওসার, খবর একদিনের স্টাফ রিপোর্টার সুমন চন্দ্র রায়, এমকে টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার কোয়াসিম সিদ্দিকী জনি, বিজয় টেলিভিশনের ক্যামেরাপার্সন মেহেদী হাসান, বেলাল হোসেন, রাকিবুল ইসলাম রাকিবসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও সুধীজন।অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন পরিমল চন্দ্র দাস (পিসি দাস) ও একুশে সংবাদ-এর স্টাফ রিপোর্টার মো. মাসুদ রানা।
০৫ জুলাই ২০২৬
চাঁদপুরে ওয়ান মিনিট ও লাইসেন্সবিহীন গ্যাস সিলিন্ডার মজুত রাখায় অয়ন এন্টারপ্রাইজকে জরিমানা

চাঁদপুরে ওয়ান মিনিট ও লাইসেন্সবিহীন গ্যাস সিলিন্ডার মজুত রাখায় অয়ন এন্টারপ্রাইজকে জরিমানা

০৫ জুলাই ২০২৬
ক্রিকেট

ক্রিকেট

র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি রিতু, জুয়াইরিয়া ও মারুফাদের

র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি রিতু, জুয়াইরিয়া ও মারুফাদের

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) প্রকাশিত নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বশেষ সাপ্তাহিক র‍্যাংকিংয়ে ব্যাটিং ও বোলিং উভয় বিভাগেই উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের কয়েকজন ক্রিকেটারের।মঙ্গলবার প্রকাশিত এই হালনাগাদ র‍্যাংকিংয়ে ব্যাটারদের তালিকায় সবচেয়ে আলোচনায় রয়েছেন ওপেনার জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। তিনি সাত ধাপ এগিয়ে ৯৬তম স্থানে উঠে এসেছেন। এর আগের সপ্তাহেও ৩৬ ধাপ উন্নতি হয়েছিল তার।এ ছাড়া শারমিন আক্তার ছয় ধাপ এগিয়ে ৪৪তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন। আরেক ওপেনার সোবহানা মোস্তারি চার ধাপ এগিয়ে এখন রয়েছেন ৪০তম স্থানে।বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে এখনও সবার ওপরে অবস্থান করছেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। এক ধাপ এগিয়ে তিনি যৌথভাবে ১৯তম স্থানে রয়েছেন। ব্যাটারদের তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন অস্ট্রেলিয়ার জর্জিয়া ভল।বোলারদের র‍্যাংকিংয়েও উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের দুই পেসারের। রিতু মনি ১১ ধাপ এগিয়ে ৪০৮ রেটিং নিয়ে উঠে এসেছেন ৭৫তম স্থানে। অন্যদিকে মারুফা আক্তার ছয় ধাপ এগিয়ে ৫৩৬ রেটিং নিয়ে অবস্থান করছেন ৩৮তম স্থানে।বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছেন লেগ স্পিনার রাবেয়া খান। এক ধাপ এগিয়ে তিনি এখন যৌথভাবে ১৭তম স্থানে আছেন। আর টি-টোয়েন্টি বোলারদের তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ভারতের শ্রী চারানি।এদিকে, নারী টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডারদের র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। তালিকার এক নম্বরে আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হেইলি ম্যাথিউস।
০১ জুলাই ২০২৬
ইসলামীক

ইসলামীক

সফল হজ ব্যবস্থাপনার পর বাংলাদেশকে হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর করলো সৌদি আরব

সফল হজ ব্যবস্থাপনার পর বাংলাদেশকে হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর করলো সৌদি আরব

চলতি বছরের হজ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের সহকারী মন্ত্রী ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ বাংলাদেশের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব কাজী শাহ মফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ এর নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর করেন।এ সময় সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনা, সমন্বয় এবং হাজীদের সেবার মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে। হজ ২০২৭ রোডম্যাপে ভবিষ্যৎ হজ ব্যবস্থাপনার জন্য সৌদি আরবের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, কৌশলগত লক্ষ্য, পরিচালনাগত নির্দেশনা এবং সেবার মানোন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।সফরকালে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব কাজী শাহ মফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপমন্ত্রী ড. আব্দুল ফাত্তাহ বিন সুলায়মান মাশাতের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন। এছাড়াও তিনি সহকারী মন্ত্রী ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ-এর সঙ্গে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার হজ বিষয়ক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।বৈঠকগুলোতে উভয় পক্ষ চলতি হজ মৌসুমের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশি হাজীদের জন্য আরও উন্নত ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে মতবিনিময় করেন। আলোচনায় আবাসন ব্যবস্থা, পরিবহন, ডিজিটাল সেবা, জনসমাগম ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যসেবা, লাগেজ ব্যবস্থাপনা এবং হাজীদের সামগ্রিক অভিজ্ঞতা উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।ড. আব্দুল ফাত্তাহ বিন সুলায়মান মাশাত এবং ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ উভয়েই বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেন এবং চলতি হজ মৌসুমে বাংলাদেশ হজ মিশন ও সংশ্লিষ্ট সকলের কার্যকর সমন্বয় এবং আন্তরিক প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে এবং হাজীদের সেবার মান আরও উন্নত হবে।বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ সৌদি সরকারের প্রতি, বিশেষ করে দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম, হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ভবিষ্যতেও বাংলাদেশি হাজীদের কল্যাণে সৌদি আরবের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুরো হজ কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং হজ মৌসুম জুড়ে ধারাবাহিকভাবে দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন, যাতে বাংলাদেশি হাজীদের নিরাপত্তা, কল্যাণ ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা যায়।হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর এবং সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকগুলো বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং ভবিষ্যতের হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও দক্ষ, আধুনিক ও হাজীবান্ধব করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
০৫ জুলাই ২০২৬
মতামত

মতামত

ট্রাম্পকে বাইডেনের খোঁচা, বললেন 'উনি তো ব্যর্থ মানুষ!'

ট্রাম্পকে বাইডেনের খোঁচা, বললেন 'উনি তো ব্যর্থ মানুষ!'

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শনিবার রাতে ম্যারিল্যান্ডে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির এক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তার উত্তরসূরি ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা করেছেন। ভাষণে তিনি ট্রাম্পকে ‘অহংকারী’, ‘দুর্নীতিবাজ’ এবং ‘ব্যর্থ মানুষ’ বলে আখ্যা দেন।বাইডেন বলেন, ‘এটি শুধু তার বিলাসিতার প্রকল্প নয়। নিজের বলরুম নির্মাণের জন্য তিনি হোয়াইট হাউসের ইস্ট উইং ভেঙেছেন। কেনেডি সেন্টারে নিজের নাম বসিয়েছেন। নিজের সম্মানে তোরণ নির্মাণ করেছেন। এমনকি রিফ্লেক্টিং পুল সংস্কারের জন্যও নিজের লোক নিয়োগ দিয়েছেন। তিনি একজন ব্যর্থ মানুষ (লুজার)!’তিনি আরও বলেন, ‘রিফ্লেক্টিং পুলটি এই প্রশাসনের আত্মমুগ্ধতা ও অযোগ্যতার চেয়েও ভয়াবহ একটি বিষয়ের প্রতীক—সেটি হলো দুর্নীতি। এটি নির্লজ্জ ও প্রকাশ্য দুর্নীতি। আমেরিকার ইতিহাসে কোনো প্রশাসনের বিরুদ্ধে এত স্পষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ আগে ওঠেনি।’হোয়াইট হাউস ছাড়ার পর ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে বাইডেনের এটিই ছিল অন্যতম কঠোর প্রকাশ্য সমালোচনা। ঘটনাচক্রে, ঠিক দুই বছর আগে একই দিনে সিএনএনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী বিতর্কে ট্রাম্পের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। সেই বিতর্কই তার দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচনের আশা কার্যত শেষ করে দেয় এবং রাজনৈতিক ভবিষ্যতের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত সমর্থকদের উদ্দেশে বাইডেন বলেন, ‘আমাকে সবচেয়ে বেশি ক্ষুব্ধ করে যে বিষয়টি, তা হলো ট্রাম্প ৬ জানুয়ারির দাঙ্গায় জড়িতদের করদাতাদের অর্থ দিয়ে ক্ষতিপূরণ দিতে চান। তারা কোনো ক্ষতিপূরণের যোগ্য নন। বরং তাদের দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকা উচিত ছিল।’হোয়াইট হাউস ছাড়ার পরও ট্রাম্পের সমালোচনায় পিছু হটেননি বাইডেন। গত এক মাসে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বিরুদ্ধে ডেমোক্র্যাটদের ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে তিনি ম্যারিল্যান্ড, সাউথ ডাকোটা ও নিজ অঙ্গরাজ্য ডেলাওয়্যারের বিভিন্ন দলীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন।তবে বাইডেনের নিজের রাজনৈতিক অবস্থানও এখন সহজ নয়। ২০২৪ সালের নির্বাচনে তার ভূমিকা নিয়ে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ভেতরেই অসন্তোষ রয়েছে। এসএসআরএস পরিচালিত সিএনএনের সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ৩০ শতাংশ মার্কিন নাগরিক বর্তমানে বাইডেন সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা পোষণ করেন, যা তার প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সময়ের যেকোনো পর্যায়ের তুলনায় কম।এদিকে, বাইডেন পরিবারের রাজনৈতিক উপস্থিতি নতুন করে বাড়তে থাকায় দলটির একাংশের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। সাবেক ফার্স্ট লেডি ড. জিল বাইডেন সম্প্রতি তার স্মৃতিকথা প্রকাশ করেছেন। বইটির প্রচারণায় তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনের নানা ঘটনা নিয়ে প্রকাশ্যে মতামত দিচ্ছেন। অনেক ডেমোক্র্যাটের মতে, এতে দলের পুরোনো বিতর্ক আবারও সামনে চলে আসছে।বাইডেনের সাবেক মুখপাত্র এবং দীর্ঘদিনের সমর্থক অ্যান্ড্রু বেটস নিউইয়র্ক পোস্টকে বলেন, ‘আমাদের জেতার দায়িত্ব ছিল, কিন্তু আমরা পারিনি। বিষয়টি আমাকে সব সময় ভাবায়। তবে দলের জন্য বেদনাদায়ক সেই আলোচনা আবার প্রকাশ্যে তোলার প্রয়োজন ছিল কি না, তা বুঝতে পারছি না।’এই মন্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান জিল বাইডেন। ওয়াশিংটন ডিসিতে বইয়ের প্রচারণা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমাকে ফোন দিন এবং সরাসরি আমার সামনে কথাটি বলুন।’পরে একটি সূত্র জানায়, সমালোচনার পরদিনই জিল বাইডেন ও অ্যান্ড্রু বেটস বিষয়টি নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছেন।অন্যদিকে, বাইডেনপুত্র হান্টার বাইডেনও সাম্প্রতিক সময়ে বেশ সক্রিয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) তার অনুসারীর সংখ্যা আট লাখের বেশি। সেখানে তিনি নিয়মিত মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে নিজের অতীতের সংগ্রাম এবং সমসাময়িক রাজনীতি নিয়ে মতামত প্রকাশ করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন দীর্ঘ পডকাস্টেও অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে রক্ষণশীল ভাষ্যকার ক্যান্ডাস ওয়েন্সের সঙ্গে তার দুই ঘণ্টার আলোচনাটি বিশেষভাবে আলোচিত হয়।ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসামের পডকাস্টে হান্টার বলেন, প্রথমে ক্ষমা না করার অবস্থান নিলেও শেষ পর্যন্ত তার বাবা তাকে ক্ষমা করেছিলেন।এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তিনি নিজের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের চেয়ে আমাকে বেছে নিয়েছেন। ইতিহাস যখন তাকে মূল্যায়ন করবে, তখন এই সিদ্ধান্তটি অবশ্যই আলোচনায় থাকবে।’আগামী মাসগুলোতে বাইডেনের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার তুলে ধরার উদ্যোগ আরও জোরালো হতে পারে। তিনি ইতোমধ্যে নিজের স্মৃতিকথা লেখার কাজ অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছেন। যদিও বইটি কবে প্রকাশিত হবে, তা এখনো জানানো হয়নি।এছাড়া ডেলাওয়্যারে তার প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরি নির্মাণের পরিকল্পনাও এগোচ্ছে। তবে স্থান এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বিষয়টি শিগগিরই নির্ধারণ হতে পারে। এ প্রকল্পের জন্য তার টিম তহবিল সংগ্রহও চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এটি সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার শিকাগোভিত্তিক ৮৫০ মিলিয়ন ডলারের প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টারের তুলনায় আকারে ছোট হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।বর্তমানে ৮৩ বছর বয়সী বাইডেন প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসা নিচ্ছেন। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, ক্যান্সার তার হাড়েও ছড়িয়ে পড়েছে। হোয়াইট হাউস ছাড়ার কয়েক মাস পর রোগটি শনাক্ত হয়। এরপর থেকে তিনি রেডিয়েশন ও হরমোন থেরাপি নিচ্ছেন।সম্প্রতি এনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জিল বাইডেন বলেন, ‘আমার মনে হয়, জোকে সারাজীবন এই ক্যান্সারের সঙ্গেই বসবাস করতে হবে।’দলের একাংশের সমালোচনা সত্ত্বেও সুযোগ পেলেই ডেমোক্র্যাটদের সহায়তা করার চেষ্টা করছেন বাইডেন। প্রাইমারি নির্বাচনের আগে তিনি জর্জিয়ার গভর্নর পদপ্রার্থী কেইশা ল্যান্স বটমস এবং ম্যাসাচুসেটসের কংগ্রেস প্রার্থী ড্যান কোহের প্রতি সমর্থন জানান।শনিবারের অনুষ্ঠানে বাইডেন ম্যারিল্যান্ডের গভর্নর ওয়েস মুর এবং সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেনের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। এই দুই নেতাকে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সম্ভাব্য ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে ওয়েস মুর স্মরণ করেন, ২০২৪ সালে বাল্টিমোরের ফ্রান্সিস স্কট কি সেতু ধসে পড়ার পর বাইডেন দ্রুত ফেডারেল সহায়তা পাঠিয়েছিলেন। মুর বলেন, ‘তিনি শুধু পুনর্গঠনের জন্য নয়, আমাদের শোক কাটিয়ে উঠতেও পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি জানতেন লাখ লাখ মানুষ এই অবকাঠামোর ওপর নির্ভরশীল।’বাল্টিমোরের ডেমোক্র্যাট সদস্য অ্যাড্রিয়েন গ্রিনও অনুষ্ঠানে বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তার মতে, এই বয়সেও বাইডেন যথেষ্ট ভালো আছেন। তবে তিনি দুই দলেই নতুন নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।তিনি বলেন, ‘সাবেক নেতারা অবশ্যই মূল্যবান পরামর্শ দিতে পারেন। কিন্তু ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান, উভয় দলেই এখন নতুন প্রজন্মের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার সময় এসেছে।’ডেলাওয়্যারের ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি সারাহ ম্যাকব্রাইড জানান, তার সঙ্গে বাইডেনের নিয়মিত যোগাযোগ হয়। গত সপ্তাহেও তারা একসঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ করেন এবং বিশ্ব রাজনীতিতে ট্রাম্পের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন।সিএনএনকে তিনি বলেন, ‘ভোটাররা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাই এখন আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। জো বাইডেন, বারাক ওবামাসহ দলের সাবেক নেতাদের অভিজ্ঞতাও আমাদের কাজে লাগানো উচিত। বাইডেনের নেতৃত্বের জন্য আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ।’ভাষণের শেষদিকে বাইডেন বলেন, তিনি এখনো ডেমোক্র্যাটিক পার্টির জন্য লড়াই করে যাচ্ছেন। সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা যারা আমাদের দেশকে ভালোবাসেন, তাদের প্রতি আমার বার্তা খুবই সহজ, উঠে দাঁড়ান। এখনই সময়। লড়াই চালিয়ে যান।’ তার এই আহ্বানে উপস্থিত সবাই করতালির মাধ্যমে সমর্থন জানান।
ডেস্ক নিউজ