বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
The Dhaka News Bangla

শিক্ষার্থীদের কাছে সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের নিয়ে মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই, ২০২৬) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বক্তব্যদানকালে তিনি বিষয়ে বলেন। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমার ব্যক্তিগত মন্তব্য, সেটি নিয়ে অনেকে আপত্তি করেছেন। সে ব্যাপারে বলতে চাই, আমি কাউকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কিছু বলিনি। যদি কেউ আহত হয়ে থাকে, সিম্পলি আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের এ বক্তব্যের পর অধিবেশনে উপস্থিত সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে তাকে স্বাগত জানান।শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে তিনি বলেন, আজ সংসদ ভবনের দিকে ছাত্ররা পরীক্ষা পেছানোর দাবিতে এসেছে। এ ব্যাপারে আমরা অনেক পর্যালোচনা করে দেখেছি। গতকাল ফিজিকস, হিসাববিজ্ঞান এবং যুক্তিবিদ্যা পরীক্ষার সময় বৃষ্টি ছিল। এ কারণেই অনেকেই ভিজেছে এবং পরীক্ষা সঠিকভাবে দিতে পারেনি বলে কমপ্লেইন এসেছে।মন্ত্রী বলেন, আমরা যদিও সব সময় পর্যবেক্ষণের মধ্যেই ছিলাম। তারপরও এই পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের দাবি এসেছে। ইতোমধ্যে বন্যার কারণে আমরা চিটাগাং বোর্ডের প্রতিটি জেলার পরীক্ষা বন্ধ করে দিয়েছি এবং পুনরায় পরীক্ষা নিতেই হবে।এহছানুল হক মিলন বলেন, আমরা দেখেছি যে চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা আরেকটি প্রশ্নপত্র সেটে যখন আমরা নেবো, ফিজিকস সেকেন্ড পেপার, যুক্তিবিদ্যা ও হিসাববিজ্ঞান সে সময়ে আমরা পুনরায় নেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারব।
১৪ জুলাই ২০২৬

আগামীতে জানুয়ারিতে এসএসসি এবং জুনে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে

বর্তমান সরকার শিক্ষাবর্ষকে সময়োপযোগী ও আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে অধিকতর সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে পাবলিক পরীক্ষার সময়সূচি পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ নিয়েছে। এ পরিকল্পনার আওতায় আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা জানুয়ারি মাসে এবং এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা জুন মাসে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা (মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ) মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।আজ সংসদে কক্সবাজার-৩ আসনের সরকারি দলের সদস্য লুৎফুর রহমানের এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।মন্ত্রী বলেন, এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ধাপে ধাপে শিক্ষাবর্ষের শুরু ও পাবলিক পরীক্ষার সময়সূচির মধ্যে সামঞ্জস্য আনা এবং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সময়ের অপচয় কমানো সম্ভব হবে।তিনি আরও বলেন, সরকার পর্যায়ক্রমে পাবলিক পরীক্ষা আরও আগাম সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কাজ করছে।/বিএসএস
১৪ জুলাই ২০২৬

আগামী ৫ বছরে দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানো হবে: প্রধানমন্ত্রী

আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছ রোপণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি উল্লেখ করেছেন, দেশে গাছের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় কম। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশ রক্ষা এবং দেশকে আরও সবুজ করে তোলার জন্য এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।বরিশালের গৌরনদীতে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করে সোমবার (১৩ জুলাই) এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।তিনি বলেন, দেশে যে পরিমাণ গাছ থাকা দরকার, তা নেই। তাই আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ করা হবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন এসেছে। এখন আগের তুলনায় বেশি বৃষ্টি হচ্ছে। তাই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই।তিনি উল্লেখ করেন, গাছ লাগানোই যথেষ্ট নয়, বরং সেগুলোর সঠিক পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে। দেশের সৌন্দর্য ও বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি প্রতিটি গাছের যত্ন নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও বলেন, আমাদের নিজেদের দেশকে নিজেদেরই উন্নত করতে হবে, বাইরের কেউ এসে আমাদের জন্য তা করবে না।এ সময় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির জন্য নতুন স্লোগান ঘোষণা করেন- বৃক্ষ রোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।গৌরনদীতে আয়োজিত কর্মসূচির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ২ হাজার ৫০০টি বৃক্ষরোপণে অংশ নিলেন।এর আগে একদিনের সফরে সোমবার সকালে সড়কপথে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সফরের অংশ হিসেবে গৌরনদীর বাটাজোর ইউনিয়নের নতুন খনন করা সরিকল খালের পাশে, বরিশাল জেলা সদরের ত্রিশ গোডাউন বধ্যভূমি এলাকায় এবং ত্রিশ গোডাউন সংলগ্ন সাগরদী এলাকায় পৃথক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি।এছাড়া বিকেলে বরিশাল শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তারেক রহমানের প্রথম বরিশাল সফর।
১৩ জুলাই ২০২৬
মতলবে এতিমদের ৪৬ টন চালের অর্ধেকের বেশি গায়েব!

মতলবে এতিমদের ৪৬ টন চালের অর্ধেকের বেশি গায়েব!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় এতিমদের জন্য সরকারি বরাদ্দকৃত চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ৪৬ এতিমখানার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় মোট ৪৬ টন চাল। তবে অভিযোগ রয়েছে, এর মধ্যে ২৫ টনেরও বেশি চাল প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছায়নি। অনেক প্রতিষ্ঠান এক টনের পরিবর্তে মাত্র ৫০০ থেকে ৬০০ কেজি চাল পেয়েছে বলে দাবি করেছে। কোথাও কোথাও চালের পরিবর্তে নগদ অর্থ দেওয়া হয়েছে, যা সরকারি নীতিমালারও পরিপন্থী।সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এতিমখানা পরিদর্শনে এসব অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলরা জানিয়েছেন, সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী এক টন চাল পাওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তারা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কম চাল পেয়েছেন।কলাকান্দি ইউনিয়নের নেদায়ে ইসলাম আশিকে মানযুর (রা.) নুরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, এক টন চালের বাজারমূল্য ৫০ হাজার টাকারও বেশি হলেও তাদের হাতে চাল না দিয়ে মাত্র ১৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। একই ধরনের অভিযোগ করেছেন বিনন্দপুর মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানা, সাতবাড়িয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা এবং সুজাতপুর দরবেশ বাড়ি মাদ্রাসা ও এতিমখানা-এর কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, চালের পরিবর্তে ১৫ থেকে ১৮ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।এছাড়া জিন নুরাইন ইসলামিয়া মাদ্রাসা, পশ্চিম ইসলামাবাদ মাদ্রাসা, ষাটনল আরাবিয়াতুল উম্মাহ মহিলা মাদ্রাসা, ষাটনল হাফেজ আব্দুল লতিফ দাখিল মাদ্রাসা, দারুল উলুম কাসেমিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা, দশানী আল-আমিন আকরামিয়া মাদ্রাসা, সাড়ে পাঁচানী হোসাইনীয়া মাদ্রাসা, মোহনপুর আল হেরা মহিলা মাদ্রাসা, মুদাফর রহমানিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা, মাথাভাঙ্গা মিলারচর মাদ্রাসা ও পাঁচআনী আমিয়া আরাবিয়া কাসেমুল উলুম মাদ্রাসাসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের অভিযোগ, তারা এক টনের বদলে মাত্র ৫০০ থেকে ৬০০ কেজি চাল পেয়েছেন।অনুসন্ধানে আরও দেখা গেছে, উপজেলার কয়েকটি এলাকায় শুধুমাত্র ডিজিটাল সাইনবোর্ড টানিয়ে এতিমখানার অস্তিত্ব দেখানো হলেও সেখানে এতিম শিশুদের বসবাস বা শিক্ষা কার্যক্রমের কোনো বাস্তব চিহ্ন পাওয়া যায়নি। অথচ এসব প্রতিষ্ঠানও সরকারি এক টন চালের বরাদ্দপ্রাপ্ত তালিকায় রয়েছে। বিষয়টি বরাদ্দ প্রক্রিয়া ও উপকারভোগী যাচাই নিয়ে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।এতিমদের জন্য বরাদ্দ চাল আত্মসাতের অভিযোগে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, সমাজসেবী ও প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্যের সম্পৃক্ততার বিষয়টি তারা বিশ্বাস করেন না। তবে তাঁর ঘনিষ্ঠ কোনো প্রতিনিধি বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মাধ্যমে এমন অনিয়ম হয়ে থাকতে পারে বলে তাদের ধারণা।তাদের অভিযোগ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন (পিআইও) অফিস, প্রকৌশল অফিসসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মের নানা অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। তারা এসব বিষয়ে দ্রুত তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানান।সাড়ে পাঁচানী হোসাইনীয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার সভাপতি এবং উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নুরুল আমিন মাস্টার বলেন, সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী এক টন চাল পাওয়ার কথা থাকলেও আমরা মাত্র ৬০০ কেজি চাল পেয়েছি। এতিমদের প্রাপ্য চাল আত্মসাৎ অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। বিভিন্ন জায়গায় জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি।উপজেলা বিএনপির সভাপতি বশির আহমেদ খান বলেন, এতিমদের চাল আত্মসাতের অভিযোগ অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। বিষয়টি ইউএনওর সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করব।অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা ওসমান গনি বলেন, খাদ্য গুদাম থেকে কখনো আমি নিজে, আবার কখনো অফিসের স্টাফদের মাধ্যমে এতিমখানার প্রতিনিধিদের চাল বিতরণ করা হয়েছে। তবে চাল কম পাওয়ার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি।উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এমদাদুল হক বলেন, তালিকাভুক্ত প্রতিটি এতিমখানার নামে এক টন করে চালের ডিও ইস্যু করা হয়েছে। সব কাগজপত্র আমাদের কাছে রয়েছে। বরাদ্দ দেওয়ার পর বাইরে কেউ অনিয়ম করে থাকলে সে বিষয়ে আমাদের জানা নেই।অভিযোগ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, এতিমখানাগুলোকে চাল দেওয়ার কথা, টাকা দেওয়ার কোনো বিধান নেই। চাল কম দেওয়ারও সুযোগ নেই। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে স্থানীয়দের দাবি, এতিমদের খাদ্য সহায়তার মতো মানবিক কর্মসূচিতে অনিয়মের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে প্রকৃত এতিমখানাগুলো যেন তাদের প্রাপ্য সরকারি সহায়তা পুরোপুরি পায়, সেটিও নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
৬ ঘন্টা আগে
জাতীয়

জাতীয়

শিক্ষার্থীদের কাছে সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের কাছে সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের নিয়ে মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই, ২০২৬) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বক্তব্যদানকালে তিনি বিষয়ে বলেন। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমার ব্যক্তিগত মন্তব্য, সেটি নিয়ে অনেকে আপত্তি করেছেন। সে ব্যাপারে বলতে চাই, আমি কাউকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কিছু বলিনি। যদি কেউ আহত হয়ে থাকে, সিম্পলি আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের এ বক্তব্যের পর অধিবেশনে উপস্থিত সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে তাকে স্বাগত জানান।শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে তিনি বলেন, আজ সংসদ ভবনের দিকে ছাত্ররা পরীক্ষা পেছানোর দাবিতে এসেছে। এ ব্যাপারে আমরা অনেক পর্যালোচনা করে দেখেছি। গতকাল ফিজিকস, হিসাববিজ্ঞান এবং যুক্তিবিদ্যা পরীক্ষার সময় বৃষ্টি ছিল। এ কারণেই অনেকেই ভিজেছে এবং পরীক্ষা সঠিকভাবে দিতে পারেনি বলে কমপ্লেইন এসেছে।মন্ত্রী বলেন, আমরা যদিও সব সময় পর্যবেক্ষণের মধ্যেই ছিলাম। তারপরও এই পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের দাবি এসেছে। ইতোমধ্যে বন্যার কারণে আমরা চিটাগাং বোর্ডের প্রতিটি জেলার পরীক্ষা বন্ধ করে দিয়েছি এবং পুনরায় পরীক্ষা নিতেই হবে।এহছানুল হক মিলন বলেন, আমরা দেখেছি যে চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা আরেকটি প্রশ্নপত্র সেটে যখন আমরা নেবো, ফিজিকস সেকেন্ড পেপার, যুক্তিবিদ্যা ও হিসাববিজ্ঞান সে সময়ে আমরা পুনরায় নেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারব।
১৪ জুলাই ২০২৬
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

মিশরকে ‘ডাকাতি’ করে হারানো হয়েছে: মামদানী

মিশরকে ‘ডাকাতি’ করে হারানো হয়েছে: মামদানী

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মিশরের নাটকীয় ৩-২ গোলের পরাজয় নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। মিশরীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (ইএফএ) আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদের পর এবার এই আলোচনায় যুক্ত হয়েছেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানী। তিনি সরাসরি মন্তব্য করেছেন, ম্যাচটিতে মিশরকে ‘ডাকাতি’ করে হারানো হয়েছে।গত মঙ্গলবারের ওই ম্যাচে ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেটেক্সিয়ারের একাধিক সিদ্ধান্ত এবং ভিএআর প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে। ইএফএ ফিফার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার পরদিনই নিউইয়র্কের মেয়রের এই মন্তব্য এলো ।ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে মিশরের মোস্তফা জিকো একটি অনবদ্য গোল করলেও ভিএআর রিভিউতে দেখা যায়, গোলের ঠিক ২০ সেকেন্ড আগে একটি ফাউল হয়েছিল। এই কারণ দেখিয়ে রেফারি গোলটি বাতিল করে দেন। এরপর ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩-২ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।বুধবার নিউইয়র্কে যানজট নিরসন ও দ্রুত বাস সেবা সংক্রান্ত এক কর্মসূচির উদ্বোধনী বক্তব্যে হঠাৎই বিশ্বকাপের এই বিতর্কিত ম্যাচের প্রসঙ্গ তুলে আনেন মেয়র জোহরান মামদানী। তিনি বলেন, নতুন বাস সেবার কারণে যাত্রীদের যে সময় বাঁচবে, তা তারা পরিবারকে দিতে পারবেন। এরপর রসিকতা ও ক্ষোভ মিশ্রিত সুরে যোগ করেন, এর মানে হলো বন্ধুদের সঙ্গে বসে এই বিষয়ে একমত হওয়ার সময়ও পাওয়া যাবে যেমিশরের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে এবং তাদের ডাকাতি করে হারানো হয়েছে।ম্যাচ শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রেফারিং ও ভিএআর সিস্টেমের ত্রুটিপূর্ণ ব্যবহারের বিরুদ্ধে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেয় ইএফএ। সংস্থাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চের সততা ও নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এমন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তারা চুপ থাকতে পারে না।এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মিশরের এক তারকা ফুটবলার ক্রীড়া মাধ্যম ‘দ্য অ্যাথলেটিক’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ম্যাচটি ‘ফিক্সড’ বা পাতানো ছিল বলে গুরুতর অভিযোগ তোলেন। তার দাবি, পেনাল্টি ও বৈধ গোল বাতিল করানোর জন্য আর্জেন্টিনার পক্ষ থেকে রেফারির ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল।
০৯ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক

নির্দেশ অমান্যে জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হরমুজ প্রণালি ফের বন্ধ ঘোষণা ইরানের

নির্দেশ অমান্যে জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হরমুজ প্রণালি ফের বন্ধ ঘোষণা ইরানের

পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের নৌযান চলাচল স্থগিত ঘোষণা করেছে ইরান। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানায়, একটি জাহাজ নির্ধারিত নৌপথ থেকে সরে গিয়ে নির্দেশনা লঙ্ঘন করায় সেটিতে অভিযান চালানোর পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, জাহাজটি নিজের ট্র্যাকিং ব্যবস্থা বন্ধ রেখে নির্ধারিত রুট এড়িয়ে ভিন্ন পথ ধরার চেষ্টা করেছিল। বারবার সতর্কবার্তা দেওয়ার পরও তা উপেক্ষা করায় নৌ-ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে জাহাজটিকে থামানো হয় বলে আইআরজিসি দাবি করেছে। একই বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল বন্ধ থাকবে।অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, সাইপ্রাসের পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজ এমভি জিএফএস গ্যালাক্সিতে আইআরজিসি প্রকাশ্যে হামলা চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্র চলতি সপ্তাহে তৃতীয় দফায় ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে।সেন্টকমের বিবৃতি অনুযায়ী, হামলায় জাহাজটির ইঞ্জিন রুম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এটি আর সমুদ্রযাত্রা চালিয়ে যেতে সক্ষম নয়। এছাড়া জাহাজে থাকা একজন বেসামরিক নাবিকের এখনো কোনো খোঁজ মেলেনি
১২ জুলাই ২০২৬
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

সারাদেশ

সারাদেশ

বাবার মৃত্যুতে অনিশ্চয়তায় শ্রাবন্তীর বিসিএস ক্যাডার হওয়ার স্বপ্ন

বাবার মৃত্যুতে অনিশ্চয়তায় শ্রাবন্তীর বিসিএস ক্যাডার হওয়ার স্বপ্ন

বিসিএস ক্যাডার হয়ে দেশ ও মানুষের সেবা করার স্বপ্ন ছিল কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া ইউনিয়নের মুরাদপুর পোনসাইর গ্রামের মেধাবী শিক্ষার্থী শ্রাবন্তী আক্তারের। তার বাবা ষাটোর্ধ্ব ছালাম মিয়ারও ছিল একই স্বপ্ন। অভাব-অনটনের সংসারে রাত জেগে বাজার পাহারা দিয়ে উপার্জন করা অর্থে তিনি পাঁচ মেয়েকে মানুষ করার পাশাপাশি ছোট মেয়ে শ্রাবন্তীকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করে সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ছালাম মিয়ার মৃত্যুর পর সেই স্বপ্ন আজ চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। মৃত্যুকালে তিনি পাঁচ মেয়ে ও স্ত্রীকে রেখে গেছেন।স্থানীয়রা জানান , ৬০ বছর বয়সী ছালাম মিয়া স্থানীয় মুরাদপুর বাজারে বাজার পাহারাদার (নাইট গার্ড) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার সংসারে পাঁচটি মেয়ে সন্তান ছাড়া কোনো ছেলে নেই। সীমিত আয়ের মধ্যেই তিনি বড় তিন মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। ছোট দুই মেয়ের পড়ালেখার দায়িত্বও তিনি সাধ্যমতো পালন করে আসছিলেন।গত ২৫ জুন বৃহস্পতিবার বিকেলে গৌরীপুর থেকে বাড়ি ফেরার পথে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামগামী লেনে কুটুম্বপুর বাসস্ট্যান্ডে বাস থেকে নামার পরপরই একটি দ্রুতগামী লরি (ভেহিকল) গাড়ি তাঁকে চাপা দিয়ে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে তিনটার দিকে তিনি মারা যান।বর্তমানে শ্রাবন্তী কুটুম্বপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। বাবার মৃত্যুর পর অর্থাভাবে তার ছোট বোন সেঁজুতির পড়ালেখা ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। অন্যদিকে শত কষ্ট ও অভাব-অনটনের মধ্যেও আত্মীয়-স্বজন ও সমাজের সহৃদয়বান মানুষের সহযোগিতায় নিজের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করছে শ্রাবন্তী।শ্রাবন্তী আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলে, আমার স্বপ্ন বিসিএস ক্যাডার হওয়া। আমার বাবারও অনেক স্বপ্ন ছিল আমাকে পড়ালেখা শিখিয়ে সরকারি চাকরিতে দেখতে। বাবা সব সময় আমাকে পড়াশোনা করতে উৎসাহ দিতেন। বাবাকে হারানোর পর আমাদের সংসারে অনেক কষ্ট নেমে এসেছে। অনেক সময় না খেয়ে থাকতে হয়। তারপরও আমি আমার বাবার স্বপ্ন পূরণ করতে চাই। আমি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চাই।ছালাম মিয়ার স্ত্রী রুবি আক্তার বলেন, আমার কোনো ছেলে সন্তান নেই, শুধু পাঁচটি মেয়ে। আমার স্বামীই ছিল আমাদের সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তিনি বাজার পাহারা দিয়ে যে বেতন পেতেন, তা দিয়েই কোনো রকমে আমাদের সংসার চলত। স্বামী মারা যাওয়ার পর আমাদের সংসার চালানোর মতো কেউ নেই। মানুষের সাহায্য-সহযোগিতায় অনেক কষ্টে দিন কাটছে। সরকার যদি আমাদের কিছু অনুদান দেয় এবং আমার মেয়ের পড়ালেখার দায়িত্ব নেয়, তাহলে শ্রাবন্তী তার স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ছালাম মিয়া অত্যন্ত সৎ ও পরিশ্রমী মানুষ ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি মুরাদপুর বাজারে রাতের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেছেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে তার স্ত্রী ও সন্তানরা আজ চরম মানবিক সংকটের মধ্যে রয়েছে।মুরাদপুর বাজারের ব্যবসায়ী মো. আব্দুল বাতেন মেম্বার বলেন “ছালাম ভাইয়ের পরিবার বর্তমানে অসহায় অবস্থায় রয়েছে। শ্রাবন্তী একজন মেধাবী শিক্ষার্থী। আর্থিক সংকটের কারণে যদি তার পড়ালেখা বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে এটি শুধু একটি পরিবারের নয়, সমাজের জন্যও ক্ষতির কারণ হবে। আমরা সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাই।পুনসাইর গ্রামের মো. ইব্রাহিম মিয়া বলেন, ছালাম মিয়া সব সময় তার মেয়েদের শিক্ষিত করার কথা বলতেন। তিনি চাইতেন অন্তত একজন মেয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে সরকারি চাকরি করুক। তার মৃত্যুর পর সেই স্বপ্ন যেন থেমে না যায়, সে জন্য সবাইকে এগিয়ে আসা উচিত।এলাকাবাসীর দাবি, মেধাবী শিক্ষার্থী শ্রাবন্তীর পড়াশোনা চালিয়ে নিতে সরকারি বৃত্তি, আর্থিক অনুদান কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা সহায়তা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে অসহায় পরিবারটির স্থায়ীভাবে বেঁচে থাকার জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বিশেষ সহায়তারও দাবি জানিয়েছেন তারা।বাবার অসমাপ্ত স্বপ্নকে বুকে ধারণ করে এখনও পড়ার টেবিলে বসে শ্রাবন্তী। অভাব তাকে থামিয়ে দিতে চাইলেও তার চোখে এখনও জ্বলজ্বল করছে বিসিএস ক্যাডার হওয়ার স্বপ্ন। এখন শুধু প্রয়োজন সমাজ ও রাষ্ট্রের সহানুভূতির হাত, যাতে একটি মেধার স্বপ্ন অকালেই ঝরে না যায়।
৩০ জুন ২০২৬
নোয়াখালীর উন্নয়ন-সমৃদ্ধির রূপরেখা নির্ধারণে গোলটেবিল বৈঠক

নোয়াখালীর উন্নয়ন-সমৃদ্ধির রূপরেখা নির্ধারণে গোলটেবিল বৈঠক

৩০ জুন ২০২৬
ক্রিকেট

ক্রিকেট

র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি রিতু, জুয়াইরিয়া ও মারুফাদের

র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি রিতু, জুয়াইরিয়া ও মারুফাদের

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) প্রকাশিত নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বশেষ সাপ্তাহিক র‍্যাংকিংয়ে ব্যাটিং ও বোলিং উভয় বিভাগেই উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের কয়েকজন ক্রিকেটারের।মঙ্গলবার প্রকাশিত এই হালনাগাদ র‍্যাংকিংয়ে ব্যাটারদের তালিকায় সবচেয়ে আলোচনায় রয়েছেন ওপেনার জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। তিনি সাত ধাপ এগিয়ে ৯৬তম স্থানে উঠে এসেছেন। এর আগের সপ্তাহেও ৩৬ ধাপ উন্নতি হয়েছিল তার।এ ছাড়া শারমিন আক্তার ছয় ধাপ এগিয়ে ৪৪তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন। আরেক ওপেনার সোবহানা মোস্তারি চার ধাপ এগিয়ে এখন রয়েছেন ৪০তম স্থানে।বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে এখনও সবার ওপরে অবস্থান করছেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। এক ধাপ এগিয়ে তিনি যৌথভাবে ১৯তম স্থানে রয়েছেন। ব্যাটারদের তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন অস্ট্রেলিয়ার জর্জিয়া ভল।বোলারদের র‍্যাংকিংয়েও উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের দুই পেসারের। রিতু মনি ১১ ধাপ এগিয়ে ৪০৮ রেটিং নিয়ে উঠে এসেছেন ৭৫তম স্থানে। অন্যদিকে মারুফা আক্তার ছয় ধাপ এগিয়ে ৫৩৬ রেটিং নিয়ে অবস্থান করছেন ৩৮তম স্থানে।বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছেন লেগ স্পিনার রাবেয়া খান। এক ধাপ এগিয়ে তিনি এখন যৌথভাবে ১৭তম স্থানে আছেন। আর টি-টোয়েন্টি বোলারদের তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ভারতের শ্রী চারানি।এদিকে, নারী টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডারদের র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। তালিকার এক নম্বরে আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হেইলি ম্যাথিউস।
০১ জুলাই ২০২৬
ইসলামীক

ইসলামীক

সফল হজ ব্যবস্থাপনার পর বাংলাদেশকে হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর করলো সৌদি আরব

সফল হজ ব্যবস্থাপনার পর বাংলাদেশকে হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর করলো সৌদি আরব

চলতি বছরের হজ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের সহকারী মন্ত্রী ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ বাংলাদেশের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব কাজী শাহ মফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ এর নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর করেন।এ সময় সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনা, সমন্বয় এবং হাজীদের সেবার মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে। হজ ২০২৭ রোডম্যাপে ভবিষ্যৎ হজ ব্যবস্থাপনার জন্য সৌদি আরবের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, কৌশলগত লক্ষ্য, পরিচালনাগত নির্দেশনা এবং সেবার মানোন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।সফরকালে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব কাজী শাহ মফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপমন্ত্রী ড. আব্দুল ফাত্তাহ বিন সুলায়মান মাশাতের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন। এছাড়াও তিনি সহকারী মন্ত্রী ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ-এর সঙ্গে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার হজ বিষয়ক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।বৈঠকগুলোতে উভয় পক্ষ চলতি হজ মৌসুমের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশি হাজীদের জন্য আরও উন্নত ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে মতবিনিময় করেন। আলোচনায় আবাসন ব্যবস্থা, পরিবহন, ডিজিটাল সেবা, জনসমাগম ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যসেবা, লাগেজ ব্যবস্থাপনা এবং হাজীদের সামগ্রিক অভিজ্ঞতা উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।ড. আব্দুল ফাত্তাহ বিন সুলায়মান মাশাত এবং ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ উভয়েই বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেন এবং চলতি হজ মৌসুমে বাংলাদেশ হজ মিশন ও সংশ্লিষ্ট সকলের কার্যকর সমন্বয় এবং আন্তরিক প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে এবং হাজীদের সেবার মান আরও উন্নত হবে।বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ সৌদি সরকারের প্রতি, বিশেষ করে দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম, হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ভবিষ্যতেও বাংলাদেশি হাজীদের কল্যাণে সৌদি আরবের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুরো হজ কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং হজ মৌসুম জুড়ে ধারাবাহিকভাবে দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন, যাতে বাংলাদেশি হাজীদের নিরাপত্তা, কল্যাণ ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা যায়।হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর এবং সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকগুলো বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং ভবিষ্যতের হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও দক্ষ, আধুনিক ও হাজীবান্ধব করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
৩০ জুন ২০২৬
মতামত

মতামত

ট্রাম্পকে বাইডেনের খোঁচা, বললেন 'উনি তো ব্যর্থ মানুষ!'

ট্রাম্পকে বাইডেনের খোঁচা, বললেন 'উনি তো ব্যর্থ মানুষ!'

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শনিবার রাতে ম্যারিল্যান্ডে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির এক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তার উত্তরসূরি ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা করেছেন। ভাষণে তিনি ট্রাম্পকে ‘অহংকারী’, ‘দুর্নীতিবাজ’ এবং ‘ব্যর্থ মানুষ’ বলে আখ্যা দেন।বাইডেন বলেন, ‘এটি শুধু তার বিলাসিতার প্রকল্প নয়। নিজের বলরুম নির্মাণের জন্য তিনি হোয়াইট হাউসের ইস্ট উইং ভেঙেছেন। কেনেডি সেন্টারে নিজের নাম বসিয়েছেন। নিজের সম্মানে তোরণ নির্মাণ করেছেন। এমনকি রিফ্লেক্টিং পুল সংস্কারের জন্যও নিজের লোক নিয়োগ দিয়েছেন। তিনি একজন ব্যর্থ মানুষ (লুজার)!’তিনি আরও বলেন, ‘রিফ্লেক্টিং পুলটি এই প্রশাসনের আত্মমুগ্ধতা ও অযোগ্যতার চেয়েও ভয়াবহ একটি বিষয়ের প্রতীক—সেটি হলো দুর্নীতি। এটি নির্লজ্জ ও প্রকাশ্য দুর্নীতি। আমেরিকার ইতিহাসে কোনো প্রশাসনের বিরুদ্ধে এত স্পষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ আগে ওঠেনি।’হোয়াইট হাউস ছাড়ার পর ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে বাইডেনের এটিই ছিল অন্যতম কঠোর প্রকাশ্য সমালোচনা। ঘটনাচক্রে, ঠিক দুই বছর আগে একই দিনে সিএনএনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী বিতর্কে ট্রাম্পের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। সেই বিতর্কই তার দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচনের আশা কার্যত শেষ করে দেয় এবং রাজনৈতিক ভবিষ্যতের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত সমর্থকদের উদ্দেশে বাইডেন বলেন, ‘আমাকে সবচেয়ে বেশি ক্ষুব্ধ করে যে বিষয়টি, তা হলো ট্রাম্প ৬ জানুয়ারির দাঙ্গায় জড়িতদের করদাতাদের অর্থ দিয়ে ক্ষতিপূরণ দিতে চান। তারা কোনো ক্ষতিপূরণের যোগ্য নন। বরং তাদের দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকা উচিত ছিল।’হোয়াইট হাউস ছাড়ার পরও ট্রাম্পের সমালোচনায় পিছু হটেননি বাইডেন। গত এক মাসে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বিরুদ্ধে ডেমোক্র্যাটদের ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে তিনি ম্যারিল্যান্ড, সাউথ ডাকোটা ও নিজ অঙ্গরাজ্য ডেলাওয়্যারের বিভিন্ন দলীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন।তবে বাইডেনের নিজের রাজনৈতিক অবস্থানও এখন সহজ নয়। ২০২৪ সালের নির্বাচনে তার ভূমিকা নিয়ে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ভেতরেই অসন্তোষ রয়েছে। এসএসআরএস পরিচালিত সিএনএনের সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ৩০ শতাংশ মার্কিন নাগরিক বর্তমানে বাইডেন সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা পোষণ করেন, যা তার প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সময়ের যেকোনো পর্যায়ের তুলনায় কম।এদিকে, বাইডেন পরিবারের রাজনৈতিক উপস্থিতি নতুন করে বাড়তে থাকায় দলটির একাংশের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। সাবেক ফার্স্ট লেডি ড. জিল বাইডেন সম্প্রতি তার স্মৃতিকথা প্রকাশ করেছেন। বইটির প্রচারণায় তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনের নানা ঘটনা নিয়ে প্রকাশ্যে মতামত দিচ্ছেন। অনেক ডেমোক্র্যাটের মতে, এতে দলের পুরোনো বিতর্ক আবারও সামনে চলে আসছে।বাইডেনের সাবেক মুখপাত্র এবং দীর্ঘদিনের সমর্থক অ্যান্ড্রু বেটস নিউইয়র্ক পোস্টকে বলেন, ‘আমাদের জেতার দায়িত্ব ছিল, কিন্তু আমরা পারিনি। বিষয়টি আমাকে সব সময় ভাবায়। তবে দলের জন্য বেদনাদায়ক সেই আলোচনা আবার প্রকাশ্যে তোলার প্রয়োজন ছিল কি না, তা বুঝতে পারছি না।’এই মন্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান জিল বাইডেন। ওয়াশিংটন ডিসিতে বইয়ের প্রচারণা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমাকে ফোন দিন এবং সরাসরি আমার সামনে কথাটি বলুন।’পরে একটি সূত্র জানায়, সমালোচনার পরদিনই জিল বাইডেন ও অ্যান্ড্রু বেটস বিষয়টি নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছেন।অন্যদিকে, বাইডেনপুত্র হান্টার বাইডেনও সাম্প্রতিক সময়ে বেশ সক্রিয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) তার অনুসারীর সংখ্যা আট লাখের বেশি। সেখানে তিনি নিয়মিত মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে নিজের অতীতের সংগ্রাম এবং সমসাময়িক রাজনীতি নিয়ে মতামত প্রকাশ করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন দীর্ঘ পডকাস্টেও অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে রক্ষণশীল ভাষ্যকার ক্যান্ডাস ওয়েন্সের সঙ্গে তার দুই ঘণ্টার আলোচনাটি বিশেষভাবে আলোচিত হয়।ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসামের পডকাস্টে হান্টার বলেন, প্রথমে ক্ষমা না করার অবস্থান নিলেও শেষ পর্যন্ত তার বাবা তাকে ক্ষমা করেছিলেন।এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তিনি নিজের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের চেয়ে আমাকে বেছে নিয়েছেন। ইতিহাস যখন তাকে মূল্যায়ন করবে, তখন এই সিদ্ধান্তটি অবশ্যই আলোচনায় থাকবে।’আগামী মাসগুলোতে বাইডেনের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার তুলে ধরার উদ্যোগ আরও জোরালো হতে পারে। তিনি ইতোমধ্যে নিজের স্মৃতিকথা লেখার কাজ অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছেন। যদিও বইটি কবে প্রকাশিত হবে, তা এখনো জানানো হয়নি।এছাড়া ডেলাওয়্যারে তার প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরি নির্মাণের পরিকল্পনাও এগোচ্ছে। তবে স্থান এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বিষয়টি শিগগিরই নির্ধারণ হতে পারে। এ প্রকল্পের জন্য তার টিম তহবিল সংগ্রহও চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এটি সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার শিকাগোভিত্তিক ৮৫০ মিলিয়ন ডলারের প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টারের তুলনায় আকারে ছোট হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।বর্তমানে ৮৩ বছর বয়সী বাইডেন প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসা নিচ্ছেন। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, ক্যান্সার তার হাড়েও ছড়িয়ে পড়েছে। হোয়াইট হাউস ছাড়ার কয়েক মাস পর রোগটি শনাক্ত হয়। এরপর থেকে তিনি রেডিয়েশন ও হরমোন থেরাপি নিচ্ছেন।সম্প্রতি এনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জিল বাইডেন বলেন, ‘আমার মনে হয়, জোকে সারাজীবন এই ক্যান্সারের সঙ্গেই বসবাস করতে হবে।’দলের একাংশের সমালোচনা সত্ত্বেও সুযোগ পেলেই ডেমোক্র্যাটদের সহায়তা করার চেষ্টা করছেন বাইডেন। প্রাইমারি নির্বাচনের আগে তিনি জর্জিয়ার গভর্নর পদপ্রার্থী কেইশা ল্যান্স বটমস এবং ম্যাসাচুসেটসের কংগ্রেস প্রার্থী ড্যান কোহের প্রতি সমর্থন জানান।শনিবারের অনুষ্ঠানে বাইডেন ম্যারিল্যান্ডের গভর্নর ওয়েস মুর এবং সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেনের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। এই দুই নেতাকে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সম্ভাব্য ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে ওয়েস মুর স্মরণ করেন, ২০২৪ সালে বাল্টিমোরের ফ্রান্সিস স্কট কি সেতু ধসে পড়ার পর বাইডেন দ্রুত ফেডারেল সহায়তা পাঠিয়েছিলেন। মুর বলেন, ‘তিনি শুধু পুনর্গঠনের জন্য নয়, আমাদের শোক কাটিয়ে উঠতেও পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি জানতেন লাখ লাখ মানুষ এই অবকাঠামোর ওপর নির্ভরশীল।’বাল্টিমোরের ডেমোক্র্যাট সদস্য অ্যাড্রিয়েন গ্রিনও অনুষ্ঠানে বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তার মতে, এই বয়সেও বাইডেন যথেষ্ট ভালো আছেন। তবে তিনি দুই দলেই নতুন নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।তিনি বলেন, ‘সাবেক নেতারা অবশ্যই মূল্যবান পরামর্শ দিতে পারেন। কিন্তু ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান, উভয় দলেই এখন নতুন প্রজন্মের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার সময় এসেছে।’ডেলাওয়্যারের ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি সারাহ ম্যাকব্রাইড জানান, তার সঙ্গে বাইডেনের নিয়মিত যোগাযোগ হয়। গত সপ্তাহেও তারা একসঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ করেন এবং বিশ্ব রাজনীতিতে ট্রাম্পের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন।সিএনএনকে তিনি বলেন, ‘ভোটাররা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাই এখন আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। জো বাইডেন, বারাক ওবামাসহ দলের সাবেক নেতাদের অভিজ্ঞতাও আমাদের কাজে লাগানো উচিত। বাইডেনের নেতৃত্বের জন্য আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ।’ভাষণের শেষদিকে বাইডেন বলেন, তিনি এখনো ডেমোক্র্যাটিক পার্টির জন্য লড়াই করে যাচ্ছেন। সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা যারা আমাদের দেশকে ভালোবাসেন, তাদের প্রতি আমার বার্তা খুবই সহজ, উঠে দাঁড়ান। এখনই সময়। লড়াই চালিয়ে যান।’ তার এই আহ্বানে উপস্থিত সবাই করতালির মাধ্যমে সমর্থন জানান।
ডেস্ক নিউজ