বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
The Dhaka News Bangla

ইরান যুদ্ধের মাঝেই চীন সফর শুরু করেছেন ট্রাম্প

অবশেষে চীন সফর শুরু করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১২ মে) চীনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। বুধবার (১৩ মে) থেকে শুক্রবার (১৫ মে) পর্যন্ত দেশটিতে অবস্থান করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সফরটি আরও আগে হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে জড়িত হওয়ায় ট্রাম্পের বেইজিং সফর পিছিয়ে যায়। ধারণা করা হয়, যুদ্ধ থামার পর তিনি চীন যাবেন। তবে যুদ্ধ এখনও  থামেনি, এর আগেই তিনি তার এ রাষ্ট্রীয় সফর শুরু করেছেন।পর্যবেক্ষক সংস্থা এশিয়া গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের চীন বিষয়ক শীর্ষ উপদেষ্টা কার্ট ক্যাম্পবেল বলেন, "এটি উল্লেখযোগ্য যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এমন (যুদ্ধ চলা) অবস্থায় চীনে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়েছেন। আমি সঙ্গে এও বলব চীন এমন অবস্থায় যে তাকে স্বাগত জানাচ্ছে এটিও অত্যন্ত অস্বাভাবিক।"চীন এবং ইরান দুটি মিত্র দেশ একই সঙ্গে বাণিজ্যিক অংশীদার। চীনের এই মিত্রর ওপর  টানা ৪০ দিনের উপর  বোমাবর্ষণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র । এছাড়া ইরানি বন্দরগুলোতে এখন নৌ-অবরোধ আরোপ করে রেখেছে। তা সত্ত্বেও ট্রাম্পের রাষ্ট্রীয় সফরটি এগিয়ে গেছে।কার্ট ক্যাম্পবেল বলেন, এত কিছু সত্ত্বেও ট্রাম্পের চীন যাওয়ার বিষয়টি ইঙ্গিত করছে তার এবং চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে হতে যাওয়া বৈঠকে মধ্যে দুই দেশেরই স্বার্থ জড়িত রয়েছে। আমার মনে হয় তাদের মধ্যে যে ভঙ্গুর সম্পর্ক রয়েছে সেটিও টিকিয়ে রাখার অংশ ট্রাম্পের এ সফর।সূত্র: এনপিআর
৬ ঘন্টা আগে

আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় মালয়েশিয়া যাওয়ার সুযোগ পেল চাঁদপুরের ৬ শিক্ষার্থী

ড্রিমস অফ বাংলাদেশ কর্তৃক আয়োজিত, ' 8th World Invention Competition and Exhibition-2026, Bangladesh National Round ' গত শনিবার ( ৯ই মে ২০২৬)  নর্দান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ পার্মানেন্ট ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়। দেশের সেরা স্কুল বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের উদ্ভাবকদের  নিয়ে জাতীয়ভাবে এই বৈজ্ঞানিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতা পাঁচটি বিভাগে ১৮০ টি দল এবং ১৬০০ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এ প্রতিযোগিতায় চাঁদপুর থেকে তিনটি দল অংশগ্রহণ করে। তারা দুইটি প্রজেক্টে দুইটি বিভাগে অংশগ্রহণ করে। তারা প্রজেক্ট সেগমেন্টে  ' Applied Physics and Engineering ' বিভাগে সিলভার মেডেল অর্জন করে এবং ' Innovative  Social Science ' বিভাগে ব্রোঞ্জ মেডেল  অর্জন করে। দলের উদ্ভাবকরা হলো,  হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো : মাহদী রহমান এবং আল-আমিন একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজের ১০ম শ্রেণীর বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী খন্দকার নাজমুস সাকিব ও অরিত্র রায়। এবং অতিরিক্ত হিসেবে ছিল, হাসান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মো: মুনতাছির, এস.এম সেহরান সাদমান,ইয়ামিন ইসলাম মাহিন ও শাহরুল ইসলাম শাওন এবং আলামিন একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আলভি আল কামাল। তাদের থেকে জানা যায়, তাদের আবিষ্কৃত এ যন্ত্রটি হচ্ছে একটি সোলার সিস্টেম স্মার্ট হুইল চেয়ার। যেটি জিপিএস নেভিগেশন মাধ্যমে চলে,এবং সেভ ড্রাইভিং সিস্টেম। এটি ভয়েস কন্ট্রোল,  রিমোট কন্ট্রোল  এবং জয় স্টিক এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তাদের এই ডেমো মডেলটি  তৈরি করতে ৫,৬০০ টাকা খরচ হয়েছে। এটা যদি বাস্তবে তৈরি করতে হয় তাহলে তারা ৮০,০০০হাজার টাকার মধ্যে এটি তৈরি করতে পারবে। এরকম হুইলচেয়ার তৈরি করার কারণ হচ্ছে পৃথিবীতে অনেক অক্ষম প্রতিবন্ধী ব্যক্তি আছে যারা নিজেরা স্বাধীনভাবে চলাফেলা করতে পারে না এবং তাদের অন্যের সহযোগিতা নিয়ে হুইলচেয়ারে চলতে হয়। তাদের কথা চিন্তা করে এই আবিষ্কারটি করেছে যাতে তারা সহযোগিতা ছাড়াই নিরাপদে চলতে পারে। তাছাড়া বর্তমানে যে পরিমাণে বিদ্যুতের সংকট  তারা সেই সংকটের কথা চিন্তা করে এটাকে সোলার সিস্টেমে তৈরি করেছে যার ফলে এটিকে চালানোর জন্য কোন বিদ্যুৎ প্রয়োজন হবে না। এর আগে মো: মাহাদী রহমান, খন্দকার নাজমুস সাকিব এবং অরিত্র রায় এই প্রজেক্ট নিয়ে এই প্রতিযোগিতার গত আসরে এই প্রতিযোগিতার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মালয়েশিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। কিন্তু স্পনসর না পাওয়ার কারণে তারা অংশগ্রহণ করতে পারেনি। এছাড়া ' International Science and Invention Fair - 2025 ' এর আন্তর্জাতিক পর্যায় ইন্দোনেশিয়া তে অনুষ্ঠিত হয়। তারা অনলাইনে এই প্রতিযোগিতা অংশগ্রহণ করে এবং ২৪ টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে সিলভার মেডেল অর্জন করে। এই বছর যদি তারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশগ্রহণ করার জন্য স্পন্সর পায়, তাহলে তারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবে এবং  চাঁদপুরের নাম আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে পারবে। তাই তারা চাঁদপুরের সকল মহলের কাছে দোয়া চেয়েছেন
১৭ ঘন্টা আগে

মেঘনায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরায় ৪৫ জেলে আটক

সরকার ঘোষিত ৫৮ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নোয়াখালীর হাতিয়ায় অভিযান চালিয়ে ৪৫ জেলে ও ৪টি ফিশিং বোট আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। এ সময় বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক মাছও জব্দ করা হয়।সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে হাতিয়া উপজেলার নলচিরা ও চেয়ারম্যান ঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে কোস্ট গার্ড স্টেশন হাতিয়া।কোস্ট গার্ড সূত্র জানায়, সন্দেহজনক চারটি ফিশিং বোটে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ হাজার ৮০০ কেজি ইলিশ ও ২ হাজার ৫০০ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মাছের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩৭ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। পরে হাতিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মশিয়ুর রহমানের ভ্রাম্যমাণ আদালত আটক জেলেদের প্রত্যেককে ২০০ টাকা করে মোট ৯ হাজার টাকা জরিমানা করেন। পরে জরিমানার অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম বলেন, জব্দকৃত মাছ স্থানীয় এতিমখানা, মাদ্রাসা ও দরিদ্র মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।
১৮ ঘন্টা আগে
এআই দিয়ে সাইবার হামলা মোকাবিলায় নতুন উদ্যোগে ওপেনএআই ⁠

এআই দিয়ে সাইবার হামলা মোকাবিলায় নতুন উদ্যোগে ওপেনএআই ⁠

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা খাতেও বাড়ছে এআই-এর ব্যবহার। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই সম্প্রতি সাইবার নিরাপত্তা গবেষণা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে উন্নত এআই প্রযুক্তির ব্যবহারে জোর দিচ্ছে।প্রতিষ্ঠানটির উন্নত ভাষাভিত্তিক মডেলগুলো নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের বিভিন্ন সফটওয়্যার ত্রুটি বা ‘ভালনারেবিলিটি’ শনাক্ত করতে, ঝুঁকি বিশ্লেষণ করতে এবং দ্রুত সমাধান তৈরিতে সহায়তা করছে। এর ফলে ডিজিটাল অবকাঠামো ও ব্যবহারকারীর তথ্য সুরক্ষা আরও কার্যকর করা সম্ভব হচ্ছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভবিষ্যতের সাইবার নিরাপত্তা কেবল নির্দিষ্ট সময় পরপর পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং তাৎক্ষণিক শনাক্তকরণ ও প্রতিরোধ ব্যবস্থাই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এআই প্রযুক্তি সেই পরিবর্তনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।তবে প্রযুক্তিবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, একই এআই প্রযুক্তি হ্যাকাররাও অপব্যবহার করতে পারে। তাই নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের নীতিমালা অনুসরণ করছে। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এআই-নির্ভর সাইবার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নয়নে প্রতিযোগিতায় নেমেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যতে এআই হবে সাইবার নিরাপত্তা খাতের অন্যতম প্রধান অস্ত্র।
৩ ঘন্টা আগে
জাতীয়

জাতীয়

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সহযোগিতায় দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সহযোগিতায় দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে দলের নেতাকর্মীদের সহযোগিতা চেয়েছেন ।(ঢাকা, ৯ মে, ২০২৬) তিনি তাদের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘দলের সমর্থন ও সমন্বয় ছাড়া সরকার সফল হতে পারবে না। তাই নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে করা সকল প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জন্য আমাদের 'নতুন সংগ্রামে' নামতে হবে।’প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের একটি যুদ্ধ শেষ হয়েছে। এখন আরেকটি যুদ্ধ শুরু হয়েছে। সেটা হলো-আমরা মানুষকে যে কথা দিয়েছিলাম তার বাস্তবায়ন করা।'আজ সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (কেআইবি)-এর মিলনায়তনে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শ্লোগানকে ধারণ করে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা বলেন।তিনি আরো বলেন, 'গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আপনারা মাঠে ছিলেন। আমি বলেছিলাম নির্বাচন কিন্তু কঠিন হবে। আপনারা প্রত্যেকেই পরতে পরতে সেটা অনুভব করেছেন। মানুষ আমাদের দলের পক্ষে, আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের পক্ষে সমর্থন দিয়েছে।'নির্বাচনের আগে দেয়া ইশতেহার এখন জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, 'নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত আমাদের দেয়া ইশতেহার ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ম্যানিফেস্টো। নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পরে বিশেষ করে আমরা সরকার গঠন করার পরে এই ইশতেহারটি আমাদের সরকারের তথা বাংলাদেশের জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে।’তিনি বলেন 'কারণ ভোট দেয়া দেশের ৫২ শতাংশ মানুষ মূলত আমাদের এই ম্যানিফেস্টোর পক্ষেই রায় দিয়েছেন। কাজেই এই ম্যানিফেস্টোতে যা যা বলেছিলাম আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে তা বাস্তবায়নের জন্য চেষ্টা করতে হবে।'প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'নির্বাচনের আগে আমরা মানুষকে বলেছিলাম যে আমরা সুশাসন দিব। আমরা এমন একটি দেশ তৈরি করতে চাই যেখানে শিক্ষার্থীরা একটি সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ পাবে।  নারী পুরুষ শিশু সকলে নিরাপদে রাস্তায় চলতে পারবে।'তিনি বলেন, আমরা যখন স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে, ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিলাম তখন বলেছিলাম যে, আমাদের উপরে যে রকম অত্যাচার নির্যাতন হচ্ছে, গুম খুনের শিকার হতে হচ্ছে তাতে আমরা রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা চাই দেশে এমন একটি রাজনৈতিক পরিস্থিতি হোক যেখানে আমরা বিতর্ক করবো, স্বাধীনভাবে নিজেদের মত প্রকাশ করবো।তারেক রহমান বলেন, 'আমরা বলি বর্তমান সরকার বিএনপি সরকার। অর্থাৎ সরকার ঠিকই আছে। কিন্তু বিএনপি সরকার। সেজন্য বিএনপি যদি সহযোগিতা না করে অনেক ক্ষেত্রেই সরকার সফল হতে পারবে না।'এর আগে সকাল পৌনে ১১টায় ফার্মগেইটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট(কেআইবি) মিলনায়তনে এই মতবিনিময় সভা শুরু হয়।দিনব্যাপী রুদ্ধদ্বার এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে সভায়  স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান ও এজেডএম জাহিদ হোসেনও  উপস্থিত রয়েছেন।উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি  এয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পরে দলের মাঠ পর্যায়ের নেতাদের সাথে চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এটি প্রথম মতবিনিময় সভা।
০৯ মে ২০২৬
আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক

ইরান যুদ্ধের মাঝেই চীন সফর শুরু করেছেন ট্রাম্প

ইরান যুদ্ধের মাঝেই চীন সফর শুরু করেছেন ট্রাম্প

অবশেষে চীন সফর শুরু করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১২ মে) চীনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। বুধবার (১৩ মে) থেকে শুক্রবার (১৫ মে) পর্যন্ত দেশটিতে অবস্থান করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সফরটি আরও আগে হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে জড়িত হওয়ায় ট্রাম্পের বেইজিং সফর পিছিয়ে যায়। ধারণা করা হয়, যুদ্ধ থামার পর তিনি চীন যাবেন। তবে যুদ্ধ এখনও  থামেনি, এর আগেই তিনি তার এ রাষ্ট্রীয় সফর শুরু করেছেন।পর্যবেক্ষক সংস্থা এশিয়া গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের চীন বিষয়ক শীর্ষ উপদেষ্টা কার্ট ক্যাম্পবেল বলেন, "এটি উল্লেখযোগ্য যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এমন (যুদ্ধ চলা) অবস্থায় চীনে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়েছেন। আমি সঙ্গে এও বলব চীন এমন অবস্থায় যে তাকে স্বাগত জানাচ্ছে এটিও অত্যন্ত অস্বাভাবিক।"চীন এবং ইরান দুটি মিত্র দেশ একই সঙ্গে বাণিজ্যিক অংশীদার। চীনের এই মিত্রর ওপর  টানা ৪০ দিনের উপর  বোমাবর্ষণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র । এছাড়া ইরানি বন্দরগুলোতে এখন নৌ-অবরোধ আরোপ করে রেখেছে। তা সত্ত্বেও ট্রাম্পের রাষ্ট্রীয় সফরটি এগিয়ে গেছে।কার্ট ক্যাম্পবেল বলেন, এত কিছু সত্ত্বেও ট্রাম্পের চীন যাওয়ার বিষয়টি ইঙ্গিত করছে তার এবং চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে হতে যাওয়া বৈঠকে মধ্যে দুই দেশেরই স্বার্থ জড়িত রয়েছে। আমার মনে হয় তাদের মধ্যে যে ভঙ্গুর সম্পর্ক রয়েছে সেটিও টিকিয়ে রাখার অংশ ট্রাম্পের এ সফর।সূত্র: এনপিআর
৬ ঘন্টা আগে
ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস

কুবি উপাচার্যকে গ্রেফতারসহ ৯ দফা দাবিতে কুবি ছাত্রদলের সংবাদ সম্মেলন

কুবি উপাচার্যকে গ্রেফতারসহ ৯ দফা দাবিতে কুবি ছাত্রদলের সংবাদ সম্মেলন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখা ছাত্রদল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে। এ সময় তারা ৯ দফা দাবি উপস্থাপন করে।বুধবার (৬ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন কুবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান শুভ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার ও সাইদুল ইসলাম শাওনসহ অন্যান্য নেতা-কর্মীরা।সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল নেতারা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতি চলছে, যা শিক্ষার পরিবেশকে ব্যাহত করছে। তারা এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানান।তাদের উপস্থাপিত ৯ দফা দাবিগুলো হলো-১)ফৌজদারি মামলার আসামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের গ্রেফতারের দাবি। ২) ২০০৯ পরবর্তী সময় থেক ১২ ফ্রেব্রুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের তদন্ত রিপোর্ট আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে প্রকাশ করতে হবে।৩) ৪৮ ঘন্টার মধ্যে উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ।৪) শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের চিঠির জবাবও শিক্ষার্থীদের সম্মুখে প্রকাশ করতে হবে।৫) গত ১৮ মাসে শিক্ষক, কর্মকর্তা নিয়োগের সকলের তথ্য প্রকাশ করতে হবে।৬) উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষসহ দুর্নীতির সাথে জড়িত প্রসাশনের সকলকে পদত্যাগ করতে হবে।৭) শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় বার বার ব্যর্থ প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরের অপসারণ করতে হবে।৮)আবাসিক হল ও ক্যাফেটেরিয়ায় শিক্ষার্থীদের খাবার মান উন্নতি নিশ্চিতকরন করতে হবে।৯)তুচ্ছ ঘটনায় অপরাধে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারের মতো কোন অমানবিক সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে না।সংবাদ সম্মেলনে সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, “বর্তমান উপাচার্যের বিরুদ্ধে তথ্য পাচারের একটি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। এমন অবস্থায় তিনি কীভাবে উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, সেটি আমাদের প্রশ্ন। আমরা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অভিযোগগুলোর তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ এবং উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবি করছি।”ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, "বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে দুর্ভাগা। বর্তমান ভিসি একজন বিতর্কিত ব্যক্তি এবং তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ভিসি গোপনে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত এবং তার বিরুদ্ধে আসা অভিযোগগুলো উপেক্ষা করা হচ্ছে। 'তিনি আরও বলেন, 'এসব বিষয়ে জাতির কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি এবং দোষীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। অবিলম্বে ভিসিকে অপসারণ করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।"
০৬ মে ২০২৬
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

নির্বাচন

নির্বাচন

শান্তিপূর্ণ ভোটে হাইমচর প্রেসক্লাবের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত

শান্তিপূর্ণ ভোটে হাইমচর প্রেসক্লাবের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত

চাঁদপুরের হাইমচর প্রেসক্লাব–এর বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ ২০২৬) অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক—এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৪৭ জন। এর মধ্যে ৩৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।সভাপতি পদে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এতে মোঃ মহসিন মিয়া (প্রতীক: কলম) ১৯ ভোট পেয়ে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জি এম ফজলুর রহমান (প্রতীক: চশমা) পেয়েছেন ১২ ভোট এবং মাসুদ আলম রিয়াদ (প্রতীক: মোবাইল) পেয়েছেন ৩ ভোট।অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে দুইজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এতে জাহিদুল ইসলাম (প্রতীক: ক্যামেরা) ২০ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হাসান আল মামুন (প্রতীক: ল্যাপটপ) পেয়েছেন ১৪ ভোট।সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে প্রেসক্লাবের সদস্যরা অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন নেতৃত্ব প্রেসক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
২২ এপ্রিল ২০২৬
নির্বাচনী মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি

নির্বাচনী মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি

২২ এপ্রিল ২০২৬
ক্রিকেট

ক্রিকেট

ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ: বিক্রি হয়ে গেছে সব টিকিট

ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ: বিক্রি হয়ে গেছে সব টিকিট

অনিশ্চয়তা, রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা পেরিয়ে অবশেষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কলম্বোর ঐতিহাসিক আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ম্যাচ নিয়ে ইতোমধ্যেই সমর্থকদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে উঠেছে। ম্যাচের সব টিকিট খুব দ্রুত বিক্রি হয়ে গেছে; একই সঙ্গে কলম্বোমুখী ফ্লাইট ও হোটেল ভাড়ায় নজিরবিহীন উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে।বিশ্ব ক্রিকেটে ভারত–পাকিস্তান দ্বৈরথ মানেই বাড়তি উত্তেজনা। রাজনৈতিক ইতিহাস, সীমান্ত উত্তেজনা ও দীর্ঘদিন দ্বিপাক্ষিক সিরিজ না হওয়ায় আইসিসি ইভেন্টেই মুখোমুখি হয় দু’দল। ফলে এমন ম্যাচকে ঘিরে দর্শক আগ্রহ যে অন্য উচ্চতায় থাকবে, তা অনুমান করাই যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৩৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে আগেভাগেই। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ম্যাচ নিশ্চিত হওয়ার পরপরই কলম্বোর হোটেল কক্ষের ভাড়া তিন থেকে চার গুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়। সাধারণ সময়ে যেসব কক্ষের ভাড়া রাতপ্রতি ১০০ থেকে ১৫০ ডলার, সেগুলোর জন্য এখন গুনতে হচ্ছে সর্বোচ্চ ৬৬০ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮১ হাজার টাকা)। জনপ্রিয় হোটেল বুকিং ওয়েবসাইটগুলোতে এমন মূল্যবৃদ্ধির চিত্র স্পষ্ট।কলম্বোর তিনটি ট্রাভেল এজেন্সি জানিয়েছে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার পর শেষ মুহূর্তে বুকিংয়ের চাপ হঠাৎ বেড়ে যায়। বিশেষ করে ভারতের চেন্নাই ও দিল্লির মতো বড় শহর থেকে ফ্লাইট বুকিং কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। চেন্নাই থেকে কলম্বো যেতে সময় লাগে দেড় ঘণ্টার মতো, কিন্তু অল্প দূরত্বের এই রুটেও ভাড়া বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২৩ থেকে ৭৫৬ ডলার পর্যন্ত। অন্যদিকে দিল্লি-কলম্বো রুটে ভাড়া প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়ে ৬৬৬ ডলারে পৌঁছেছে।শ্রীলঙ্কা ইনবাউন্ড ট্যুর অপারেটরসের সভাপতি নালিন জয়াসুন্দেরা জানিয়েছেন, অধিকাংশ হোটেল প্রায় পূর্ণ। অনেক সমর্থকই ‘অল-ইনক্লুসিভ’ প্যাকেজে আসছেন, যার মূল্য ১৫০০ থেকে ২০০০ ডলার পর্যন্ত। এসব প্যাকেজে ম্যাচ টিকিট, আবাসন ও যাতায়াত অন্তর্ভুক্ত থাকছে। তিনি বলেন, চাহিদা এত বেশি যে শেষ মুহূর্তে দাম আরও বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে পর্যটন খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে; বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের তৃতীয় বৃহৎ উৎস এটি। সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সংকট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধাক্কা সামাল দিতে দেশটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজনকে সুযোগ হিসেবে দেখছে। শ্রীলঙ্কা ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বুদ্ধিকা হেওয়াসাম জানান, বিশ্বকাপের প্রথম ১০ দিনে প্রায় এক লাখ বিদেশি দর্শনার্থীর ২০ শতাংশই ভারত–পাকিস্তান ম্যাচকে কেন্দ্র করে দেশটিতে এসেছে। তার ভাষায়, শ্রীলঙ্কা নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে বড় ম্যাচ আয়োজনের সক্ষমতা দেখাতে চায়। এটি শুধু ভারত ও পাকিস্তান নয়, দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের জন্যই ইতিবাচক বার্তা।এদিকে, দু’দলের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চরমে। লাহোরের বাসিন্দা মিয়া সুলতান ম্যাচটি দেখতে কলম্বোয় যাচ্ছেন। তার প্রত্যাশা, এই ম্যাচ জিতলে পাকিস্তান পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে যাবে। তিনি বলেন, এটি জীবনের অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে। নিউজিল্যান্ডে থাকা তার এক বন্ধু ম্যাচ দেখতে কলম্বোয় উড়াল দিচ্ছেন; গ্যালারির সামনের সারির টিকিটের জন্য তাকে খরচ করতে হয়েছে ৮০০ ডলার।সব মিলিয়ে, একটি ম্যাচ ঘিরে কলম্বোতে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই অর্থনৈতিক প্রভাব, ভ্রমণ ব্যয় এবং দর্শক আগ্রহের দিক থেকে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ যেন চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আলাদা এক মাত্রা যোগ করেছে। এখন শুধু অপেক্ষা, চাপ, প্রত্যাশা আর আবেগের এই লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসে।
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সারাদেশ

সারাদেশ

মেঘনায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরায় ৪৫ জেলে আটক

মেঘনায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরায় ৪৫ জেলে আটক

সরকার ঘোষিত ৫৮ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নোয়াখালীর হাতিয়ায় অভিযান চালিয়ে ৪৫ জেলে ও ৪টি ফিশিং বোট আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। এ সময় বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক মাছও জব্দ করা হয়।সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে হাতিয়া উপজেলার নলচিরা ও চেয়ারম্যান ঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে কোস্ট গার্ড স্টেশন হাতিয়া।কোস্ট গার্ড সূত্র জানায়, সন্দেহজনক চারটি ফিশিং বোটে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ হাজার ৮০০ কেজি ইলিশ ও ২ হাজার ৫০০ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মাছের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩৭ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। পরে হাতিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মশিয়ুর রহমানের ভ্রাম্যমাণ আদালত আটক জেলেদের প্রত্যেককে ২০০ টাকা করে মোট ৯ হাজার টাকা জরিমানা করেন। পরে জরিমানার অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম বলেন, জব্দকৃত মাছ স্থানীয় এতিমখানা, মাদ্রাসা ও দরিদ্র মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।
২২ এপ্রিল ২০২৬
মতামত

মতামত

প্রযুক্তির যুগে বই: পাঠক বাড়ছে নাকি পাইরেসি?

প্রযুক্তির যুগে বই: পাঠক বাড়ছে নাকি পাইরেসি?

২৩ এপ্রিল, বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবস। ইউনেস্কোর উদ্যোগে এ দিনটি পালিত হয় বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা, পাঠকদের উৎসাহ দেওয়া এবং লেখকদের কপিরাইট রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ দেশের তরুণ প্রজন্ম একদিকে যেমন প্রযুক্তির স্রোতে বইয়ের বদলে মোবাইল-ট্যাবে মুখ গুঁজে বসে আছে, অন্যদিকে বই প্রেমীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে পাইরেসি নামক বিষবৃক্ষ।এক সময় ছিল, যখন বইমেলা থেকে পছন্দের লেখকের বই না কিনে ফেরা যেন অসম্পূর্ণ ছিল। লাইব্রেরির নির্জন কোনায় বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা গল্প-উপন্যাসে ডুবে থাকার সংস্কৃতি ছিল। এখন সেই জায়গায় এসেছে ইউটিউব, ফেসবুক আর টিকটকের ক্ষণস্থায়ী বিনোদন। অবশ্য, প্রযুক্তির এই দাপটের মাঝেও পাঠক আছে, পাঠ্যাভ্যাস আছে—তবে সেটা এখন ভিন্ন এক চেহারায়।বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই মনে করে বই পড়া সময়সাপেক্ষ এবং ধৈর্যের পরীক্ষা। বিশেষ করে প্রিন্ট বইয়ের চেয়ে এখন ই-বুক কিংবা অডিওবুকের প্রতি ঝোঁক বেশি। শিক্ষার প্রয়োজনে বই পড়া হয় ঠিকই, তবে গল্প-উপন্যাস কিংবা আত্মউন্নয়নমূলক বই পড়ার প্রবণতা তুলনামূলক কম। এর একটি বড় কারণ হচ্ছে ধৈর্যহীনতা, আরেকটি হলো সহজলভ্য বিনোদনের বিকল্প মাধ্যম।তবে সবটা নেতিবাচক নয়। বেশ কিছু তরুণ লেখক, ব্লগার এবং বুকটিউবার নতুন করে বইকে জনপ্রিয় করে তোলার চেষ্টা করছেন। ফেসবুকে বই নিয়ে বিভিন্ন গ্রুপগুলোতে প্রতিদিন শত শত বই নিয়ে আলোচনা হয়। অনেক তরুণ পাঠক নিজেদের মধ্যে বই আদান-প্রদান করে, রিভিউ লেখে, এমনকি নিজস্ব উদ্যোগে বুকক্লাবও গড়ে তুলেছে।তবে প্রশ্ন হলো—এই পাঠাভ্যাস কতোটা টেকসই? শুধু মেলা বা বিশেষ দিবসে বই কেনা আর রিভিউ দেওয়া যথেষ্ট নয়। পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে হলে দরকার পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বইয়ের প্রতি ভালোবাসা তৈরি করা, পাঠচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানো।পাঠাভ্যাসের এই উন্নতির পথে বর্তমানে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে পাইরেসি। আজকাল ডিজিটাল প্রকাশনার প্রসারে দেশে বেশ কিছু পোর্টালে বৈধভাবে ই-বুক কেনার চমৎকার সুযোগ তৈরি হয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, আমরা অনেক সময় 'পাঠাভ্যাস চর্চা' বা 'বইপ্রেম'-এর দোহাই দিয়ে নামে-বেনামে গজিয়ে ওঠা বিভিন্ন অবৈধ পোর্টাল, ওয়েবসাইট বা গ্রুপ থেকে ই-বুক ও পিডিএফ সংগ্রহ করে পড়ি। সূক্ষ্ম দৃষ্টিতে বিচার করলে, এটি সম্পূর্ণ অনুচিত এবং অনৈতিক একটি কাজ। কেউ কেউ স্ক্যান করে বই আপলোড করে দিচ্ছে, কেউ বা বিক্রি করছে পাইরেটেড কপি। এতে যেমন লেখক, প্রকাশক আর মুদ্রকের মারাত্মক আর্থিক ক্ষতি হয়, তেমনি পাঠকের ভেতরেও তৈরি হয় বইয়ের প্রকৃত মূল্যবোধহীনতা। নিজের জ্ঞানবৃদ্ধির জন্য আরেকজনের মেধা ও শ্রম চুরি করা কোনোভাবেই প্রকৃত পাঠাভ্যাস হতে পারে না।এই পাইরেসির জন্য শুধু প্রযুক্তিকে দায়ী করলে চলবে না। আমাদের আইন ব্যবস্থার দুর্বলতা, কপিরাইট সচেতনতার অভাব এবং সস্তায় সবকিছু পাওয়ার মানসিকতা—সবকিছু মিলে একে ভয়ংকর রূপ দিয়েছে। একজন লেখক বছরের পর বছর সময় দিয়ে একটি বই লিখছেন, অথচ সেই বই অনলাইনে ফ্রি পাওয়া যাচ্ছে—এটা কেবল অবিচার নয়, বরং সৃষ্টিশীলতাকে নিরুৎসাহিত করার সামিল।এর সমাধানে পাঠককে সবার আগে নিজের নৈতিকতার জায়গাটি পরিষ্কার করতে হবে। বিনামূল্যে বা অবৈধ উপায়ে বই পড়ার মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে বৈধ ই-বুক মার্কেটপ্লেসগুলোকে উৎসাহিত করতে হবে। তরুণ প্রজন্মের মাঝে সুস্থ পাঠ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে হলে পরিবারে শিশুকে বই উপহার দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠাগারমুখী করা এবং বই নিয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা জরুরি।পাশাপাশি কপিরাইট আইনের কঠোর বাস্তবায়ন এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পাইরেসির বিরুদ্ধে মনিটরিং জোরদার করা দরকার। লেখক-প্রকাশক এবং প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর মধ্যে সমন্বয় তৈরি করে বৈধ ই-বুক মার্কেটপ্লেসগুলোকে আরও সহজলভ্য ও জনপ্রিয় করে তুলতে হবে। এতে পাঠক যেমন সহজে বই পাবে, তেমনি লেখকও তাঁর পরিশ্রমের সঠিক মূল্য পাবে।বই কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়—এটি জ্ঞানের উৎস, মননশীলতার দর্পণ, এবং একটি জাতির ভবিষ্যতের রূপরেখা। আজ বই দিবসে আমরা যদি সত্যিকার অর্থে তরুণ প্রজন্মকে বইয়ের পথে ফিরিয়ে আনতে চাই, তাহলে দরকার সম্মিলিত উদ্যোগ। পাঠ্যাভ্যাস ফিরিয়ে আনা যেমন প্রয়োজন, তেমনি পাইরেসির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়াও অপরিহার্য। বইয়ের পৃষ্ঠা উল্টাতেই যদি ভবিষ্যৎ বদলায়, তবে সে পৃষ্ঠার পেছনে যেন থাকে শ্রম ও সততার সম্মান। তবেই এই বই দিবস হবে অর্থবহ।লেখক: গণমাধ্যমকর্মী
তানজিদ শুভ্র