শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
The Dhaka News Bangla

ম্যানেজিং কমিটিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের প্রশ্নই ওঠে না: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনের ক্ষেত্রে নতুন নীতি অনুযায়ী শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।তিনি বলেছেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের কোনো রকম প্রশ্নই ওঠে না। বরং শিক্ষাগত যোগ্যতা ধাপে ধাপে ঠিক আছে কি না, এটা দেখার জন্য প্রথম যাচাই বাছাই করবে ইউএনও, তারপর করবে ডিসি, তারপর তিনটি নাম পাঠাবে স্ব–স্ব বোর্ডে।শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে চাঁদপুরে নিজ নির্বাচনী এলাকা কচুয়ায় এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কয়েক ধাপে যাচাই–বাছাই করে উপযুক্ত ব্যক্তি শিক্ষিত, সমাজসেবী, শিক্ষানুরাগী কি না, সেটা আমরা চিন্তা করছি। অনেক ক্ষেত্রে যারা শিক্ষানুরাগী তাদের বিশেষ অবদান রয়েছে। এই অবদান যাদের রয়েছে বা যারা ডিপ্লোমাধারী ইঞ্জিনিয়ার, তারা তো ডিগ্রি পাস না। এই ধরনের যারা শিক্ষানুরাগী শিক্ষিত, তাদের কীভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্ত করা যায়, সেই আলোচনা করেছি।মন্ত্রী আরও বলেন, আলোচনা শেষে আমরা বলেছি, এমপি, প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ে আমরা আলোচনা করব। তারপর আমরা সিদ্ধান্ত নেব- কীভাবে শিক্ষার মান উন্নয়নে ম্যানেজিং কমিটির গুরুত্ব আরও বাড়ে। কোথাও বলা হয় নাই শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করা হবে।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান এবং সঞ্চালনায় ছিলেন একাডেমিক সুপার ভাইজার সোহেল রানা। কেন্দ্রীয় বিএনপির মহিলা দলের সহ-সভানেত্রী নাজমুন নাহার বেবী, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোসাদ্দেক হোসেন, কচুয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আশ্রাফ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহীন আক্তার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
৩ ঘন্টা আগে

রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় অর্থ মন্ত্রণালয়ের ‘অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল’ একটি চিঠিতে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলের জন্য লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। চলমান ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রশাসন এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে।ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সম্প্রতি বলেছেন, শত্রুদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অবশ্যই বন্ধ রাখতে হবে। তিনি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক ভাষণে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানান এবং বলেন, চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরান তার অবস্থান থেকে সরে আসবে না। উল্লেখ্য, সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলায় নিহত হওয়ার পর তার ছেলে মোজতবা খামেনিকে নতুন নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
১৫ ঘন্টা আগে

মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুরে নেওয়ার প্রস্তুতি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি সেখানে মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান কালবেলাকে জানান, মির্জা আব্বাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে, তবে এখনও কিছু চূড়ান্ত হয়নি।মির্জা আব্বাসের মিডিয়া টিমের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বুধবার ইফতারের সময় হঠাৎ করে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। যদি তার অবস্থার উন্নতি না হয়, তবে গভীর রাতে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হবে। বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজেও দলের স্থায়ী কমিটির এই সদস্যের অসুস্থতার খবর প্রকাশ করা হয়েছে।এদিকে মির্জা আব্বাসকে দেখতে বৃহস্পতিবার রাতে হাসপাতালে যান জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি হাসপাতালে অবস্থানরত মির্জা আব্বাসের স্ত্রীর কাছে তার শারীরিক অবস্থা ও চলমান চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি মহান রবের নিকট মির্জা আব্বাসের আশু আরোগ্য কামনা করেন। জামায়াত আমিরের সঙ্গে ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের মেডিকেল থানার সভাপতি ডা. এসএম খালিদুজ্জামান।এছাড়া মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে যান বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সমাজ কল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তারা মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থা ও চলমান চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।বুধবার (১১ মার্চ) ইফতারের সময় হঠাৎ করে পানি পান করতে গিয়ে জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। তার অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় গভীর রাতে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মির্জা আব্বাসের স্ত্রী এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস তার স্বামীর সুস্থতার জন্য দেশবাসীর দোয়া কামনা করেছেন।
২২ ঘন্টা আগে
শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে অতিথিকে শুভেচ্ছা জানানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে অতিথিকে শুভেচ্ছা জানানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে মন্ত্রী বা অতিথিকে শুভেচ্ছা জানানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বলে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষক বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের রোদে বা সড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করতে পারবে না।শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন। অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে শিক্ষার্থীদের রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে মন্ত্রীকে সংবর্ধনা জানানোর দৃশ্য দেখে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাকে একজন সাধারণ মানুষের মতো চলাফেরা করতে হবে। আমার জন্য কোনো ছাত্রছাত্রীকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখা যাবে না। কোনো শিক্ষক কখনো আমার জন্য শিক্ষার্থীদের দাঁড় করাবেন না।তিনি আরো বলেন, আমি যেখানে যাব, সেখানে কোনো শিক্ষক বা শিক্ষার্থীকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। শিক্ষার্থীদের কষ্ট দিয়ে কোনো ধরনের সংবর্ধনা বা শুভেচ্ছা আয়োজন করার প্রয়োজন নেই।শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে নির্দেশনা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের দ্রুত ছুটি দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমরা আর কখনো রোদের মধ্যে রাস্তায় দাঁড়াবে না। তোমাদের রাস্তায় এসে শুভেচ্ছা জানানোর দরকার নেই। আমি নিজেই স্কুলে স্কুলে গিয়ে তোমাদের সঙ্গে দেখা করবো।পরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী এবং তাদের পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান রাসেল, উপজেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল আবেদিন স্বপন, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বোরহান উদ্দিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
৩ ঘন্টা আগে
জাতীয়

জাতীয়

সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। সংসদ সভাপতি খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানান, স্পিকার পদে নির্বাচনের জন্য তিনি একমাত্র মনোনয়ন পেয়েছেন। এই প্রস্তাব সংসদে উত্থাপন করা হলে 'হ্যাঁ' ভোটে পাস হয়।অন্যদিকে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে ভূমি প্রতিমন্ত্রী কায়সার কামাল নির্বাচিত হয়েছেন। সংসদ সভাপতি জানিয়েছেন, ডেপুটি স্পিকার পদে একটিমাত্র মনোনয়ন পাওয়া গেছে।যখন এই প্রস্তাব সংসদে উত্থাপন করা হয়, তখন 'হ্যাঁ' ভোটে জয়ী হয়।এর আগে, অধিবেশনে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে সভাপতি ঘোষণা করেন।সভাপতির নাম ঘোষণার পর বিএনপির পক্ষ থেকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বিরোধীদলের উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের পূর্ণ সমর্থন জ্ঞাপন করেন।
১২ মার্চ ২০২৬
আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক

রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র

রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় অর্থ মন্ত্রণালয়ের ‘অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল’ একটি চিঠিতে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলের জন্য লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। চলমান ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রশাসন এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে।ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সম্প্রতি বলেছেন, শত্রুদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অবশ্যই বন্ধ রাখতে হবে। তিনি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক ভাষণে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানান এবং বলেন, চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরান তার অবস্থান থেকে সরে আসবে না। উল্লেখ্য, সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলায় নিহত হওয়ার পর তার ছেলে মোজতবা খামেনিকে নতুন নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
১৫ ঘন্টা আগে
ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস

৯ মার্চ থেকে ঢাবির সব ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

৯ মার্চ থেকে ঢাবির সব ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (৯ মার্চ) থেকে ঈদুল ফিতরের ছুটি পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সব ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকবে। রোববার (৮ মার্চ) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (৮ মার্চ) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের সভাপতিত্বে সিন্ডিকেট ম্যানেজমেন্ট টিমের (এসএমটি) একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপন এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) পাঠানো পত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা শেষে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে আগামীকাল (সোমবার) থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। তবে অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও ৯ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসগুলো যথারীতি খোলা থাকবে।বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৯ মার্চের পর প্রশাসনিক কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হবে এবং অফিসসমূহ খোলা থাকবে কি না, সে বিষয়ে আগামীকাল বিস্তারিত জানানো হবে।
০৯ মার্চ ২০২৬
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

নির্বাচন

নির্বাচন

শান্তিপূর্ণ ভোটে হাইমচর প্রেসক্লাবের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত

শান্তিপূর্ণ ভোটে হাইমচর প্রেসক্লাবের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত

চাঁদপুরের হাইমচর প্রেসক্লাব–এর বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ ২০২৬) অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক—এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৪৭ জন। এর মধ্যে ৩৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।সভাপতি পদে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এতে মোঃ মহসিন মিয়া (প্রতীক: কলম) ১৯ ভোট পেয়ে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জি এম ফজলুর রহমান (প্রতীক: চশমা) পেয়েছেন ১২ ভোট এবং মাসুদ আলম রিয়াদ (প্রতীক: মোবাইল) পেয়েছেন ৩ ভোট।অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে দুইজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এতে জাহিদুল ইসলাম (প্রতীক: ক্যামেরা) ২০ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হাসান আল মামুন (প্রতীক: ল্যাপটপ) পেয়েছেন ১৪ ভোট।সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে প্রেসক্লাবের সদস্যরা অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন নেতৃত্ব প্রেসক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
৭ ঘন্টা আগে
নির্বাচনী মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি

নির্বাচনী মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি

৭ ঘন্টা আগে
ক্রিকেট

ক্রিকেট

ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ: বিক্রি হয়ে গেছে সব টিকিট

ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ: বিক্রি হয়ে গেছে সব টিকিট

অনিশ্চয়তা, রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা পেরিয়ে অবশেষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কলম্বোর ঐতিহাসিক আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ম্যাচ নিয়ে ইতোমধ্যেই সমর্থকদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে উঠেছে। ম্যাচের সব টিকিট খুব দ্রুত বিক্রি হয়ে গেছে; একই সঙ্গে কলম্বোমুখী ফ্লাইট ও হোটেল ভাড়ায় নজিরবিহীন উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে।বিশ্ব ক্রিকেটে ভারত–পাকিস্তান দ্বৈরথ মানেই বাড়তি উত্তেজনা। রাজনৈতিক ইতিহাস, সীমান্ত উত্তেজনা ও দীর্ঘদিন দ্বিপাক্ষিক সিরিজ না হওয়ায় আইসিসি ইভেন্টেই মুখোমুখি হয় দু’দল। ফলে এমন ম্যাচকে ঘিরে দর্শক আগ্রহ যে অন্য উচ্চতায় থাকবে, তা অনুমান করাই যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৩৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে আগেভাগেই। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ম্যাচ নিশ্চিত হওয়ার পরপরই কলম্বোর হোটেল কক্ষের ভাড়া তিন থেকে চার গুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়। সাধারণ সময়ে যেসব কক্ষের ভাড়া রাতপ্রতি ১০০ থেকে ১৫০ ডলার, সেগুলোর জন্য এখন গুনতে হচ্ছে সর্বোচ্চ ৬৬০ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮১ হাজার টাকা)। জনপ্রিয় হোটেল বুকিং ওয়েবসাইটগুলোতে এমন মূল্যবৃদ্ধির চিত্র স্পষ্ট।কলম্বোর তিনটি ট্রাভেল এজেন্সি জানিয়েছে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার পর শেষ মুহূর্তে বুকিংয়ের চাপ হঠাৎ বেড়ে যায়। বিশেষ করে ভারতের চেন্নাই ও দিল্লির মতো বড় শহর থেকে ফ্লাইট বুকিং কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। চেন্নাই থেকে কলম্বো যেতে সময় লাগে দেড় ঘণ্টার মতো, কিন্তু অল্প দূরত্বের এই রুটেও ভাড়া বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২৩ থেকে ৭৫৬ ডলার পর্যন্ত। অন্যদিকে দিল্লি-কলম্বো রুটে ভাড়া প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়ে ৬৬৬ ডলারে পৌঁছেছে।শ্রীলঙ্কা ইনবাউন্ড ট্যুর অপারেটরসের সভাপতি নালিন জয়াসুন্দেরা জানিয়েছেন, অধিকাংশ হোটেল প্রায় পূর্ণ। অনেক সমর্থকই ‘অল-ইনক্লুসিভ’ প্যাকেজে আসছেন, যার মূল্য ১৫০০ থেকে ২০০০ ডলার পর্যন্ত। এসব প্যাকেজে ম্যাচ টিকিট, আবাসন ও যাতায়াত অন্তর্ভুক্ত থাকছে। তিনি বলেন, চাহিদা এত বেশি যে শেষ মুহূর্তে দাম আরও বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে পর্যটন খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে; বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের তৃতীয় বৃহৎ উৎস এটি। সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সংকট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধাক্কা সামাল দিতে দেশটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজনকে সুযোগ হিসেবে দেখছে। শ্রীলঙ্কা ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বুদ্ধিকা হেওয়াসাম জানান, বিশ্বকাপের প্রথম ১০ দিনে প্রায় এক লাখ বিদেশি দর্শনার্থীর ২০ শতাংশই ভারত–পাকিস্তান ম্যাচকে কেন্দ্র করে দেশটিতে এসেছে। তার ভাষায়, শ্রীলঙ্কা নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে বড় ম্যাচ আয়োজনের সক্ষমতা দেখাতে চায়। এটি শুধু ভারত ও পাকিস্তান নয়, দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের জন্যই ইতিবাচক বার্তা।এদিকে, দু’দলের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চরমে। লাহোরের বাসিন্দা মিয়া সুলতান ম্যাচটি দেখতে কলম্বোয় যাচ্ছেন। তার প্রত্যাশা, এই ম্যাচ জিতলে পাকিস্তান পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে যাবে। তিনি বলেন, এটি জীবনের অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে। নিউজিল্যান্ডে থাকা তার এক বন্ধু ম্যাচ দেখতে কলম্বোয় উড়াল দিচ্ছেন; গ্যালারির সামনের সারির টিকিটের জন্য তাকে খরচ করতে হয়েছে ৮০০ ডলার।সব মিলিয়ে, একটি ম্যাচ ঘিরে কলম্বোতে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই অর্থনৈতিক প্রভাব, ভ্রমণ ব্যয় এবং দর্শক আগ্রহের দিক থেকে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ যেন চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আলাদা এক মাত্রা যোগ করেছে। এখন শুধু অপেক্ষা, চাপ, প্রত্যাশা আর আবেগের এই লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসে।
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সারাদেশ

সারাদেশ

ম্যানেজিং কমিটিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের প্রশ্নই ওঠে না: শিক্ষামন্ত্রী

ম্যানেজিং কমিটিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের প্রশ্নই ওঠে না: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনের ক্ষেত্রে নতুন নীতি অনুযায়ী শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।তিনি বলেছেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের কোনো রকম প্রশ্নই ওঠে না। বরং শিক্ষাগত যোগ্যতা ধাপে ধাপে ঠিক আছে কি না, এটা দেখার জন্য প্রথম যাচাই বাছাই করবে ইউএনও, তারপর করবে ডিসি, তারপর তিনটি নাম পাঠাবে স্ব–স্ব বোর্ডে।শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে চাঁদপুরে নিজ নির্বাচনী এলাকা কচুয়ায় এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কয়েক ধাপে যাচাই–বাছাই করে উপযুক্ত ব্যক্তি শিক্ষিত, সমাজসেবী, শিক্ষানুরাগী কি না, সেটা আমরা চিন্তা করছি। অনেক ক্ষেত্রে যারা শিক্ষানুরাগী তাদের বিশেষ অবদান রয়েছে। এই অবদান যাদের রয়েছে বা যারা ডিপ্লোমাধারী ইঞ্জিনিয়ার, তারা তো ডিগ্রি পাস না। এই ধরনের যারা শিক্ষানুরাগী শিক্ষিত, তাদের কীভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্ত করা যায়, সেই আলোচনা করেছি।মন্ত্রী আরও বলেন, আলোচনা শেষে আমরা বলেছি, এমপি, প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ে আমরা আলোচনা করব। তারপর আমরা সিদ্ধান্ত নেব- কীভাবে শিক্ষার মান উন্নয়নে ম্যানেজিং কমিটির গুরুত্ব আরও বাড়ে। কোথাও বলা হয় নাই শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করা হবে।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান এবং সঞ্চালনায় ছিলেন একাডেমিক সুপার ভাইজার সোহেল রানা। কেন্দ্রীয় বিএনপির মহিলা দলের সহ-সভানেত্রী নাজমুন নাহার বেবী, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোসাদ্দেক হোসেন, কচুয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আশ্রাফ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহীন আক্তার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
৭ ঘন্টা আগে
মতামত

মতামত

জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: মাহফুজ আলম

জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: মাহফুজ আলম

জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক মাহফুজ আলম। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য উইক’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ মূলত একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।তার ভাষায়, দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় আওয়ামী লীগ টিকে থাকলে জামায়াতও টিকে থাকবে, আবার জামায়াত থাকলে আওয়ামী লীগের অস্তিত্বও বজায় থাকবে। এই পারস্পরিক নির্ভরতার মধ্যেই বাংলাদেশের রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরে আবর্তিত হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।প্রায় সাড়ে ১৪ মিনিটের এই সাক্ষাৎকারটি বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রচারিত হয়। এতে মাহফুজ আলম বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশ, সংস্কার প্রক্রিয়া, পুরনো ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের টানাপোড়েন এবং গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা, এমন নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বলেন।আসন্ন ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত আগেই জানিয়েছিলেন মাহফুজ আলম। তবে এই সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেন, রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর অন্যতম প্রধান কারণ ছিল জামায়াত ও আওয়ামী লীগের মধ্যকার এই পারস্পরিক অস্তিত্বের সমীকরণ। তার মতে, এই কাঠামোর ভেতরে থেকে কোনো প্রকৃত পরিবর্তন সম্ভব নয়।সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের পর তিনি তরুণ শক্তিগুলোকে একত্র করে বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে একটি শক্তিশালী ‘তৃতীয় বিকল্প’ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু যখন এনসিপি পুরনো রাজনৈতিক বন্দোবস্তের অংশ হিসেবে জামায়াতের সঙ্গে জোটে যায়, তখন সেই সম্ভাবনা কার্যত শেষ হয়ে যায়।জামায়াত প্রসঙ্গে মাহফুজ আলম আরও বলেন, যাদের সঙ্গে জোট করা হয়েছে তারা সবাই পুরনো রাজনৈতিক কাঠামোরই অংশ। তার দাবি, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে জামায়াতের কোনো স্পষ্ট ও স্বচ্ছ রূপরেখা নেই। ফলে তাদের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতা করতে গেলে এমন বহু প্রশ্ন সামনে আসে, যার সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া কঠিন।তিনি মনে করেন, আদর্শিক অবস্থান ও রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিগত প্রশ্নে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে জামায়াতের কোনো বাস্তব মিল নেই। এক পর্যায়ে তিনি হতাশা প্রকাশ করে বলেন, গত দেড় বছরের রাজনৈতিক যাত্রা ছিল এক ধরনের বিশ্বাসভঙ্গের অভিজ্ঞতা, যেখানে পুরনো রাজনৈতিক ব্যবস্থা নতুন মোড়কে আবার ফিরে আসছে এবং জুলাই আন্দোলনের মূল আকাঙ্ক্ষাকে আড়াল করে দিচ্ছে।ভবিষ্যৎ সরকার ব্যবস্থা নিয়েও সতর্কবার্তা দেন মাহফুজ আলম। তার মতে, ক্ষমতায় বিএনপি কিংবা জামায়াত, যেই আসুক না কেন, সমাজের ভেতরে জমে থাকা ক্ষত নিরাময় করতে না পারলে কোনো সরকারই টেকসই হবে না। তিনি বলেন, শুধু কাগজে-কলমে সংস্কার যথেষ্ট নয়; সমাজে ভিন্ন মত ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সমঝোতা বা পুনর্নির্ধারণ না হলে সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা চলতেই থাকবে।গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন তিনি। মাহফুজ আলমের মতে, সাধারণ মানুষের মধ্যে গণমাধ্যমের প্রতি আস্থা কমে গেছে। এই বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হলে গণমাধ্যমকে নিজেদের অতীত ভূমিকা নিয়ে আত্মসমালোচনার জায়গায় যেতে হবে এবং জনগণের সঙ্গে নতুন করে বোঝাপড়া গড়ে তুলতে হবে।বর্তমানে সক্রিয় রাজনীতির বাইরে থাকা মাহফুজ আলম সময় কাটাচ্ছেন বই পড়ে এবং হতাশ তরুণদের সঙ্গে কথা বলে। তিনি বোঝার চেষ্টা করছেন, কেন জুলাই অভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব হয়নি এবং ভবিষ্যতে কীভাবে সামনে এগোনো যায়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছাড়েন। এরপর ৮ আগস্ট গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। একই মাসের ২৮ তারিখ মাহফুজ আলম প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং ১০ নভেম্বর সরকারের উপদেষ্টা হন। তিনি গত বছরের ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন।
ডেস্ক নিউজ