শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
The Dhaka News Bangla

বর্ষার সুসংবাদ: গাছে গাছে হাসছে আষাঢ়ের কদম ফুল

আকাশজুড়ে তামাটে মেঘের ঘনঘটা, থেকে থেকেই গুরুগুরু ডাক আর মেঘ-বালিকার দল জানান দিচ্ছে বর্ষার চিরন্তন আগমনী বার্তা। জ্যৈষ্ঠের তীব্র দাবদাহে পুড়ে যাওয়া তপ্ত ধরণী যখন চাতকের মতো ব্যাকুল হয়ে একটুখানি শীতলতার জন্য অপেক্ষা করছিল, তখনই যেন আকাশ ভেঙে আশীর্বাদ হয়ে নেমে এসেছে আষাঢ়ের রিমঝিম বৃষ্টি। প্রকৃতির এই পরম সিক্ততার দিনে এক অনন্য ও মনোমুগ্ধকর সুসংবাদ নিয়ে হাজির হয়েছে বর্ষার চিরন্তন রাজপুত্র, কদম ফুল।গ্রামীণ মেঠোপথ থেকে শুরু করে শহরের যান্ত্রিক ইট-পাথরের ধূসর দেয়াল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা গাছগুলোতে এখন কদমের মেলা। সবুজ পাতার নিবিড় আড়াল থেকে উঁকি দিচ্ছে শত শত কদম। হলুদ-সাদার মিশ্রণে তৈরি এই গোলগাল ফুলগুলো যেন প্রকৃতির বুকে এক একটি চিরসবুজ হাসিমুখ, যা দেখার পর যে কোনো ক্লান্ত পথিকের মনে এক নিমেষে এক চিলতে শান্তির স্নিগ্ধ পরশ বুলিয়ে যায়।কদম ফুল মানেই তো বর্ষার প্রথম প্রেম, আষাঢ়ের প্রথম স্মারক। বছরের অন্য দিনগুলোতে কদম গাছগুলো খুব একটা চোখে না পড়লেও, আষাঢ়ের প্রথম বৃষ্টি পড়ার সাথে সাথেই তারা যেন নতুন যৌবন ফিরে পায়। মেঘলা দিনে যখন চারপাশটা কিছুটা মেঘাচ্ছন্ন ও বিষণ্ন দেখায়, ঠিক তখনই কদম গাছগুলো যেন এক জাদুকরি আলোয় সেজে ওঠে। সবুজ পাতার খাঁজে খাঁজে যখন ডালপালা আলো করে কদম ফুল ফোটে, তখন মনে হয় যেন প্রকৃতির এক বিশাল ক্যানভাসে কেউ পরম মমতায় হলুদ আর সাদা রঙের আলপনা এঁকে দিয়েছে।এই ফুলটির গঠনশৈলীও ভারী অদ্ভুত আর চমৎকার। মাঝখানে নিটোল গোল মাংসল অংশ, আর তার চারপাশ ঘিরে পরম আস্থার সাথে দাঁড়িয়ে থাকে অসংখ্য সাদা ও হলুদাভ নরম রেণু। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, যেন গাছে গাছে ছোট ছোট সোনার বল দোল খাচ্ছে। আর বৃষ্টির ফোঁটা যখন এই কদম রেণুর ওপর আছড়ে পড়ে, তখন ফুলটি থেকে যে এক ধরনের মৃদু, মিষ্টি ও মাটির সোঁদা গন্ধযুক্ত সুবাস বাতাসে ভেসে বেড়ায়, তা যে কোনো প্রকৃতিপ্রেমী মানুষের মনকে এক লহমায় আকুল ও উদাসী করে তোলে।বাঙালি সংস্কৃতি, আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্য আর সাহিত্যের সাথে কদম ফুলের সম্পর্ক বহু পুরনো এবং গভীর। বর্ষার সামগ্রিক সৌন্দর্য ও রূপ কদম ফুল ছাড়া যেন একেবারেই অপূর্ণ এবং বিবর্ণ রয়ে যায়। কবি-সাহিত্যিকরা যুগে যুগে কদম ফুলকে নিয়ে কতশত কালজয়ী কবিতা, গল্প আর গান রচনা করেছেন। বিরহী মন কিংবা প্রেমের চিরায়ত নীরব প্রকাশ সবখানেই কদম ফুলের উপস্থিতি প্রাচীনকাল থেকেই লক্ষ্য করা যায়। গ্রামীণ জনপদে কাটানো শৈশবের কত শত মধুর স্মৃতি জড়িয়ে থাকে এই ফুলটিকে ঘিরে। আষাঢ়ের অবিশ্রান্ত বৃষ্টির মাঝে দলবেঁধে কদম গাছ থেকে ফুল পাড়ার অবাধ্য আনন্দ কিংবা সেই সংগৃহীত ফুল দিয়ে পড়ার টেবিল বা শোবার ঘর সাজানোর ব্যাকুলতা গ্রামীণ জীবনের এক চিরায়ত মনকাড়া দৃশ্য। বর্তমানের আধুনিক নাগরিক জীবনে গাছের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমলেও, কদমের প্রতি মানুষের চিরাচরিত আদিম ভালোবাসা কিন্তু বিন্দুমাত্র কমেনি।বর্ষার এই দিনগুলোতে ঢাকার ফুটপাতে, মোড়ে মোড়ে বা জ্যামে আটকে থাকা গাড়ির জানালার পাশে ছোট ছোট শিশুদের হাতে এক গুচ্ছ কদম ফুলের তোড়া বিক্রি করতে দেখা যায়, যা প্রমাণ করে যান্ত্রিকতার নির্মম ভিড়েও কদম ফুল তার চিরন্তন আবেদন হারায়নি।প্রকৃতির এই অনুপম সৃষ্টি কদম শুধু চোখের আরাম বা মনের শান্তিই দেয় না, এটি চারপাশের পুরো পরিবেশকেও এক অদ্ভুত সতেজতা ও প্রাণময়তায় ভরিয়ে তোলে। গ্রীষ্মের তীব্র রুক্ষতায় যখন প্রকৃতি প্রায় বিবর্ণ ও ধূলিধূসরিত হয়ে পড়েছিল, তখন কদমের এই চোখ জুড়ানো প্রস্ফুটন যেন এক নতুন আশার বাণী শোনায়। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, সমস্ত জীর্ণতা ও মলিনতা পেরিয়ে প্রকৃতি আবারও সুন্দর, সবুজ ও সতেজ হয়ে উঠতে পারে। সকালবেলার কাঁচা রোদে ভেজা কদম কিংবা বিকেলের হালকা আলোয় দুলতে থাকা কদম ফুলের রূপ মানুষের সারাদিনের ক্লান্তি ও কর্মব্যস্ততার অবসাদ দূর করার জন্য যথেষ্ট। তাই তো খবরের কাগজের শেষ পাতায় আজ যান্ত্রিকতার কোলাহল ছাপিয়ে প্রকৃতির এই অনন্য সুসংবাদ। চারপাশের নানা জটিলতা, হতাশা আর নাগরিক ব্যস্ততার মাঝে গাছে গাছে হাসতে থাকা এই কদম ফুল আমাদের একটু থামতে বলে, একটু প্রকৃতির কাছাকাছি এসে বুক ভরে শ্বাস নিতে বলে।এই বর্ষায় কদমের সেই স্নিগ্ধ সুবাস ছড়িয়ে পড়ুক প্রতিটি মানুষের মনে, বৃষ্টির জলে ধুয়ে যাক সব বৈরিতা,প্রকৃতির এই পরম উপহারে মেতে উঠুক বাংলার প্রতিটি প্রাণ।
৫ ঘন্টা আগে

১২ কেজি এলপিজির গ্যাসের দাম কমলো ৩৫৭ টাকা

ভোক্তা পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম ৩৫৭ টাকা কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।নতুন মূল্য অনুযায়ী, ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক হাজার ৮৮৫ টাকা থেকে কমিয়ে এক হাজার ৫২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এ মূল্য বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই, ২০২৬) সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হয়।রাজধানীর রমনায় বিইআরসি কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ নতুন মূল্য ঘোষণা করেন।এ সময় কমিশনের সদস্য মো. মিজানুর রহমান, মো. আব্দুর রাজ্জাক এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহিদ সারওয়ার উপস্থিত ছিলেন।সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসি চেয়ারম্যান জানান, সৌদি আরামকোর জুলাই মাসের সিপি অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বাজারে দামের পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এলপিজির নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া অটোগ্যাসের দামও কমানো হয়েছে। প্রতি লিটার অটোগ্যাসের মূল্য ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা থেকে ১৬ টাকা ৫৩ পয়সা কমিয়ে ৭০ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সরকারি এলপিজির দাম ৭৭৬ টাকা ৯৩ পয়সা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।বিইআরসি জানায়, দেশে বর্তমানে ৫.৫, ১২.৫, ১৫, ১৬, ১৮, ২০, ২২, ২৫, ৩০, ৩৩, ৩৫ ও ৪৫ কেজি ধারণক্ষমতার এলপিজি সিলিন্ডার বাজারজাত করা হয়। নতুন মূল্য অনুযায়ী এসব সিলিন্ডারের দাম যথাক্রমে ৭০০ টাকা, ১,৫৯১ টাকা, ১,৯১০ টাকা, ২,০৩৭ টাকা, ২,২৯১ টাকা, ২,৫৪৬ টাকা, ২,৮০১ টাকা, ৩,১৮৩ টাকা, ৩,৮১৯ টাকা, ৪,২০১ টাকা, ৪,৪৫৬ টাকা এবং ৫,৭২৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এর আগে গত ২ জুন কার্যকর হওয়া মূল্য অনুযায়ী এসব সিলিন্ডারের দাম ছিল যথাক্রমে ৮৬৪ টাকা, ১,৯৬৩ টাকা, ২,৩৫৬ টাকা, ২,৫১৩ টাকা, ২,৮২৭ টাকা, ৩,১৪১ টাকা, ৩,৪৫৫ টাকা, ৩,৯২৭ টাকা, ৪,৭১২ টাকা, ৫,১৮৩ টাকা, ৫,৪৯৭ টাকা এবং ৭,০৬৮ টাকা।এদিকে আন্তর্জাতিক বাজার বিবেচনায় প্রতি টন প্রোপেনের মূল্য ৫৮০ মার্কিন ডলার এবং প্রতি টন বিউটেনের মূল্য ৬০০ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
১৪ ঘন্টা আগে

বিশ্বকাপ খেলা দেখা নিয়ে বিরোধে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন

সিলেটের জকিগঞ্জে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে বিতর্কের জেরে চাচাতো ভাইয়ের ছু,রি.কা,ঘা.তে এক যুবক খু/ন হয়েছেন। ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আ/ট/ক করেছে।বুধবার (১ জুলাই) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার খলাছড়া ইউনিয়নের লামারগ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নি.হ.ত আলম আহমদ (২৮) লামারগ্রামের ওয়ারিছ আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন রিকশাচালক ছিলেন। আটক পারভেজ আহমদ (৩২) মোস্তকিন আলীর ছেলে এবং নিহতের আপন চাচাতো ভাই।জকিগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখার সময় উল্লাস করাকে কেন্দ্র করে পারভেজ আহমদ ও আলম আহমদের মধ্যে বা,গ,বি,ত,ণ্ডা হয়। একপর্যায়ে বিরোধের জেরে পারভেজ ছুরি দিয়ে আলমকে ছু,রি,কা,ঘা,ত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।পরে স্থানীয়রা গু,রু,ত,র আহত অবস্থায় আলমকে উদ্ধার করে জকিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃ/ত ঘোষণা করেন।ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে পারভেজকে খলাছড়া ইউনিয়নের মাদারখাল গ্রামের তার নানাবাড়ি থেকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে হ/ত্যা/কা/ণ্ডে ব্যবহৃত ছু,রি উদ্ধার করা হয়।
০২ জুলাই ২০২৬
খামেনির মরদেহের পাশে ছোট কফিনটি কার?

খামেনির মরদেহের পাশে ছোট কফিনটি কার?

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা সমবেত হয়েছেন। সেখানে খামেনির কফিনের পাশাপাশি আরও চারটি কফিন রাখা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে ছোট কফিনটি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়।ইরানি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ছোট কফিনটিতে রয়েছে খামেনির ১৪ মাস বয়সী নাতনি জাহরা মোহাম্মাদী গোলপায়গানির মরদেহ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে খামেনির বাসভবনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় খামেনির পাশাপাশি পরিবারের এই শিশুসদস্যও নিহত হয়।একই হামলায় খামেনির পরিবারের আরও তিন সদস্য প্রাণ হারান। তাঁরা হলেন খামেনির বড় মেয়ে সৈয়দা বুশরা হোসেইনি খামেনি, তাঁর স্বামী (খামেনির জামাতা) মেসবাহ উল হুদা বাঘেরি এবং খামেনির পুত্রবধূ জাহরা হাদ্দাদ আদেল, যিনি বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির স্ত্রী।বর্তমানে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় রাখা পাঁচটি কফিনে বিদেশি প্রতিনিধি ও শোকসন্তপ্ত মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী মরদেহগুলো দাফনের জন্য নিয়ে যাওয়া হবে।খামেনির পরিবারের একাধিক সদস্যের একসঙ্গে নিহত হওয়া এবং রাষ্ট্রীয় জানাজায় ১৪ মাস বয়সী নাতনির কফিনের উপস্থিতি পুরো পরিবেশকে আরও শোকাবহ করে তুলেছে।সূত্র: সিএনএন
৩ ঘন্টা আগে
জাতীয়

জাতীয়

১২ কেজি এলপিজির গ্যাসের দাম কমলো ৩৫৭ টাকা

১২ কেজি এলপিজির গ্যাসের দাম কমলো ৩৫৭ টাকা

ভোক্তা পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম ৩৫৭ টাকা কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।নতুন মূল্য অনুযায়ী, ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক হাজার ৮৮৫ টাকা থেকে কমিয়ে এক হাজার ৫২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এ মূল্য বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই, ২০২৬) সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হয়।রাজধানীর রমনায় বিইআরসি কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ নতুন মূল্য ঘোষণা করেন।এ সময় কমিশনের সদস্য মো. মিজানুর রহমান, মো. আব্দুর রাজ্জাক এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহিদ সারওয়ার উপস্থিত ছিলেন।সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসি চেয়ারম্যান জানান, সৌদি আরামকোর জুলাই মাসের সিপি অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বাজারে দামের পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এলপিজির নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া অটোগ্যাসের দামও কমানো হয়েছে। প্রতি লিটার অটোগ্যাসের মূল্য ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা থেকে ১৬ টাকা ৫৩ পয়সা কমিয়ে ৭০ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সরকারি এলপিজির দাম ৭৭৬ টাকা ৯৩ পয়সা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।বিইআরসি জানায়, দেশে বর্তমানে ৫.৫, ১২.৫, ১৫, ১৬, ১৮, ২০, ২২, ২৫, ৩০, ৩৩, ৩৫ ও ৪৫ কেজি ধারণক্ষমতার এলপিজি সিলিন্ডার বাজারজাত করা হয়। নতুন মূল্য অনুযায়ী এসব সিলিন্ডারের দাম যথাক্রমে ৭০০ টাকা, ১,৫৯১ টাকা, ১,৯১০ টাকা, ২,০৩৭ টাকা, ২,২৯১ টাকা, ২,৫৪৬ টাকা, ২,৮০১ টাকা, ৩,১৮৩ টাকা, ৩,৮১৯ টাকা, ৪,২০১ টাকা, ৪,৪৫৬ টাকা এবং ৫,৭২৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এর আগে গত ২ জুন কার্যকর হওয়া মূল্য অনুযায়ী এসব সিলিন্ডারের দাম ছিল যথাক্রমে ৮৬৪ টাকা, ১,৯৬৩ টাকা, ২,৩৫৬ টাকা, ২,৫১৩ টাকা, ২,৮২৭ টাকা, ৩,১৪১ টাকা, ৩,৪৫৫ টাকা, ৩,৯২৭ টাকা, ৪,৭১২ টাকা, ৫,১৮৩ টাকা, ৫,৪৯৭ টাকা এবং ৭,০৬৮ টাকা।এদিকে আন্তর্জাতিক বাজার বিবেচনায় প্রতি টন প্রোপেনের মূল্য ৫৮০ মার্কিন ডলার এবং প্রতি টন বিউটেনের মূল্য ৬০০ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
১৪ ঘন্টা আগে
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের দাপট, জর্ডানকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিল আর্জেন্টিনা

বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের দাপট, জর্ডানকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিল আর্জেন্টিনা

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ ‘জে’-এর ম্যাচে জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে টানা আরেকটি দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচজুড়ে বলের দখল, আক্রমণ এবং সুযোগ তৈরিতে স্পষ্ট আধিপত্য দেখিয়ে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে আর্জেন্টিনা। এর ফল আসে ১৯তম মিনিটে, যখন জিওভানি লো সেলসোর গোলে এগিয়ে যায় দলটি। এরপর ৩১তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লাউতারো মার্তিনেজ। প্রথমার্ধ শেষ হয় ২-০ ব্যবধানে।দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে জর্ডান। ৫৫তম মিনিটে মুসা আল-তামারি গোল করে ব্যবধান কমিয়ে ম্যাচে উত্তেজনা ফেরান। তবে সেই আশা বেশিক্ষণ টিকতে দেয়নি আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৮০তম মিনিটে লিওনেল মেসি নিজের স্বভাবসুলভ দক্ষতায় গোল করে দলের ৩-১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন।পরিসংখ্যানেও ছিল আর্জেন্টিনার একচ্ছত্র আধিপত্য। পুরো ম্যাচে তারা ১৩টি শট নিয়ে ৫টি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়। বিপরীতে জর্ডান ৫টি শট নিলেও মাত্র একটি ছিল লক্ষ্যে। বল দখলেও ছিল বড় ব্যবধান। আর্জেন্টিনা ৭০ শতাংশ সময় বলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে, যেখানে জর্ডানের দখলে ছিল ৩০ শতাংশ।পাসিংয়েও দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়েছে আর্জেন্টিনা। তারা ৭৮০টি পাস সম্পন্ন করে ৯৩ শতাংশ সফলতার হার ধরে রাখে। এছাড়া কর্নার আদায়েও ৬-২ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।এই জয়ের ফলে গ্রুপ ‘জে’-এর শীর্ষস্থান আরও মজবুত করল আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে টুর্নামেন্টে টিকে থাকার লড়াইয়ে জর্ডানের সামনে অপেক্ষা করছে কঠিন সমীকরণ।
২৮ জুন ২০২৬
আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক

খামেনির মরদেহের পাশে ছোট কফিনটি কার?

খামেনির মরদেহের পাশে ছোট কফিনটি কার?

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা সমবেত হয়েছেন। সেখানে খামেনির কফিনের পাশাপাশি আরও চারটি কফিন রাখা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে ছোট কফিনটি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়।ইরানি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ছোট কফিনটিতে রয়েছে খামেনির ১৪ মাস বয়সী নাতনি জাহরা মোহাম্মাদী গোলপায়গানির মরদেহ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে খামেনির বাসভবনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় খামেনির পাশাপাশি পরিবারের এই শিশুসদস্যও নিহত হয়।একই হামলায় খামেনির পরিবারের আরও তিন সদস্য প্রাণ হারান। তাঁরা হলেন খামেনির বড় মেয়ে সৈয়দা বুশরা হোসেইনি খামেনি, তাঁর স্বামী (খামেনির জামাতা) মেসবাহ উল হুদা বাঘেরি এবং খামেনির পুত্রবধূ জাহরা হাদ্দাদ আদেল, যিনি বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির স্ত্রী।বর্তমানে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় রাখা পাঁচটি কফিনে বিদেশি প্রতিনিধি ও শোকসন্তপ্ত মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী মরদেহগুলো দাফনের জন্য নিয়ে যাওয়া হবে।খামেনির পরিবারের একাধিক সদস্যের একসঙ্গে নিহত হওয়া এবং রাষ্ট্রীয় জানাজায় ১৪ মাস বয়সী নাতনির কফিনের উপস্থিতি পুরো পরিবেশকে আরও শোকাবহ করে তুলেছে।সূত্র: সিএনএন
৩ ঘন্টা আগে
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

সারাদেশ

সারাদেশ

বর্ষার সুসংবাদ: গাছে গাছে হাসছে আষাঢ়ের কদম ফুল

বর্ষার সুসংবাদ: গাছে গাছে হাসছে আষাঢ়ের কদম ফুল

আকাশজুড়ে তামাটে মেঘের ঘনঘটা, থেকে থেকেই গুরুগুরু ডাক আর মেঘ-বালিকার দল জানান দিচ্ছে বর্ষার চিরন্তন আগমনী বার্তা। জ্যৈষ্ঠের তীব্র দাবদাহে পুড়ে যাওয়া তপ্ত ধরণী যখন চাতকের মতো ব্যাকুল হয়ে একটুখানি শীতলতার জন্য অপেক্ষা করছিল, তখনই যেন আকাশ ভেঙে আশীর্বাদ হয়ে নেমে এসেছে আষাঢ়ের রিমঝিম বৃষ্টি। প্রকৃতির এই পরম সিক্ততার দিনে এক অনন্য ও মনোমুগ্ধকর সুসংবাদ নিয়ে হাজির হয়েছে বর্ষার চিরন্তন রাজপুত্র, কদম ফুল।গ্রামীণ মেঠোপথ থেকে শুরু করে শহরের যান্ত্রিক ইট-পাথরের ধূসর দেয়াল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা গাছগুলোতে এখন কদমের মেলা। সবুজ পাতার নিবিড় আড়াল থেকে উঁকি দিচ্ছে শত শত কদম। হলুদ-সাদার মিশ্রণে তৈরি এই গোলগাল ফুলগুলো যেন প্রকৃতির বুকে এক একটি চিরসবুজ হাসিমুখ, যা দেখার পর যে কোনো ক্লান্ত পথিকের মনে এক নিমেষে এক চিলতে শান্তির স্নিগ্ধ পরশ বুলিয়ে যায়।কদম ফুল মানেই তো বর্ষার প্রথম প্রেম, আষাঢ়ের প্রথম স্মারক। বছরের অন্য দিনগুলোতে কদম গাছগুলো খুব একটা চোখে না পড়লেও, আষাঢ়ের প্রথম বৃষ্টি পড়ার সাথে সাথেই তারা যেন নতুন যৌবন ফিরে পায়। মেঘলা দিনে যখন চারপাশটা কিছুটা মেঘাচ্ছন্ন ও বিষণ্ন দেখায়, ঠিক তখনই কদম গাছগুলো যেন এক জাদুকরি আলোয় সেজে ওঠে। সবুজ পাতার খাঁজে খাঁজে যখন ডালপালা আলো করে কদম ফুল ফোটে, তখন মনে হয় যেন প্রকৃতির এক বিশাল ক্যানভাসে কেউ পরম মমতায় হলুদ আর সাদা রঙের আলপনা এঁকে দিয়েছে।এই ফুলটির গঠনশৈলীও ভারী অদ্ভুত আর চমৎকার। মাঝখানে নিটোল গোল মাংসল অংশ, আর তার চারপাশ ঘিরে পরম আস্থার সাথে দাঁড়িয়ে থাকে অসংখ্য সাদা ও হলুদাভ নরম রেণু। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, যেন গাছে গাছে ছোট ছোট সোনার বল দোল খাচ্ছে। আর বৃষ্টির ফোঁটা যখন এই কদম রেণুর ওপর আছড়ে পড়ে, তখন ফুলটি থেকে যে এক ধরনের মৃদু, মিষ্টি ও মাটির সোঁদা গন্ধযুক্ত সুবাস বাতাসে ভেসে বেড়ায়, তা যে কোনো প্রকৃতিপ্রেমী মানুষের মনকে এক লহমায় আকুল ও উদাসী করে তোলে।বাঙালি সংস্কৃতি, আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্য আর সাহিত্যের সাথে কদম ফুলের সম্পর্ক বহু পুরনো এবং গভীর। বর্ষার সামগ্রিক সৌন্দর্য ও রূপ কদম ফুল ছাড়া যেন একেবারেই অপূর্ণ এবং বিবর্ণ রয়ে যায়। কবি-সাহিত্যিকরা যুগে যুগে কদম ফুলকে নিয়ে কতশত কালজয়ী কবিতা, গল্প আর গান রচনা করেছেন। বিরহী মন কিংবা প্রেমের চিরায়ত নীরব প্রকাশ সবখানেই কদম ফুলের উপস্থিতি প্রাচীনকাল থেকেই লক্ষ্য করা যায়। গ্রামীণ জনপদে কাটানো শৈশবের কত শত মধুর স্মৃতি জড়িয়ে থাকে এই ফুলটিকে ঘিরে। আষাঢ়ের অবিশ্রান্ত বৃষ্টির মাঝে দলবেঁধে কদম গাছ থেকে ফুল পাড়ার অবাধ্য আনন্দ কিংবা সেই সংগৃহীত ফুল দিয়ে পড়ার টেবিল বা শোবার ঘর সাজানোর ব্যাকুলতা গ্রামীণ জীবনের এক চিরায়ত মনকাড়া দৃশ্য। বর্তমানের আধুনিক নাগরিক জীবনে গাছের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমলেও, কদমের প্রতি মানুষের চিরাচরিত আদিম ভালোবাসা কিন্তু বিন্দুমাত্র কমেনি।বর্ষার এই দিনগুলোতে ঢাকার ফুটপাতে, মোড়ে মোড়ে বা জ্যামে আটকে থাকা গাড়ির জানালার পাশে ছোট ছোট শিশুদের হাতে এক গুচ্ছ কদম ফুলের তোড়া বিক্রি করতে দেখা যায়, যা প্রমাণ করে যান্ত্রিকতার নির্মম ভিড়েও কদম ফুল তার চিরন্তন আবেদন হারায়নি।প্রকৃতির এই অনুপম সৃষ্টি কদম শুধু চোখের আরাম বা মনের শান্তিই দেয় না, এটি চারপাশের পুরো পরিবেশকেও এক অদ্ভুত সতেজতা ও প্রাণময়তায় ভরিয়ে তোলে। গ্রীষ্মের তীব্র রুক্ষতায় যখন প্রকৃতি প্রায় বিবর্ণ ও ধূলিধূসরিত হয়ে পড়েছিল, তখন কদমের এই চোখ জুড়ানো প্রস্ফুটন যেন এক নতুন আশার বাণী শোনায়। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, সমস্ত জীর্ণতা ও মলিনতা পেরিয়ে প্রকৃতি আবারও সুন্দর, সবুজ ও সতেজ হয়ে উঠতে পারে। সকালবেলার কাঁচা রোদে ভেজা কদম কিংবা বিকেলের হালকা আলোয় দুলতে থাকা কদম ফুলের রূপ মানুষের সারাদিনের ক্লান্তি ও কর্মব্যস্ততার অবসাদ দূর করার জন্য যথেষ্ট। তাই তো খবরের কাগজের শেষ পাতায় আজ যান্ত্রিকতার কোলাহল ছাপিয়ে প্রকৃতির এই অনন্য সুসংবাদ। চারপাশের নানা জটিলতা, হতাশা আর নাগরিক ব্যস্ততার মাঝে গাছে গাছে হাসতে থাকা এই কদম ফুল আমাদের একটু থামতে বলে, একটু প্রকৃতির কাছাকাছি এসে বুক ভরে শ্বাস নিতে বলে।এই বর্ষায় কদমের সেই স্নিগ্ধ সুবাস ছড়িয়ে পড়ুক প্রতিটি মানুষের মনে, বৃষ্টির জলে ধুয়ে যাক সব বৈরিতা,প্রকৃতির এই পরম উপহারে মেতে উঠুক বাংলার প্রতিটি প্রাণ।
২৫ জুন ২০২৬
দেবীদ্বারে ৪ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক পেল বিনামূল‍্যে বীজ-সার-কৃষি যন্ত্রপাতি

দেবীদ্বারে ৪ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক পেল বিনামূল‍্যে বীজ-সার-কৃষি যন্ত্রপাতি

২৫ জুন ২০২৬
ক্রিকেট

ক্রিকেট

র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি রিতু, জুয়াইরিয়া ও মারুফাদের

র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি রিতু, জুয়াইরিয়া ও মারুফাদের

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) প্রকাশিত নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বশেষ সাপ্তাহিক র‍্যাংকিংয়ে ব্যাটিং ও বোলিং উভয় বিভাগেই উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের কয়েকজন ক্রিকেটারের।মঙ্গলবার প্রকাশিত এই হালনাগাদ র‍্যাংকিংয়ে ব্যাটারদের তালিকায় সবচেয়ে আলোচনায় রয়েছেন ওপেনার জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। তিনি সাত ধাপ এগিয়ে ৯৬তম স্থানে উঠে এসেছেন। এর আগের সপ্তাহেও ৩৬ ধাপ উন্নতি হয়েছিল তার।এ ছাড়া শারমিন আক্তার ছয় ধাপ এগিয়ে ৪৪তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন। আরেক ওপেনার সোবহানা মোস্তারি চার ধাপ এগিয়ে এখন রয়েছেন ৪০তম স্থানে।বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে এখনও সবার ওপরে অবস্থান করছেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। এক ধাপ এগিয়ে তিনি যৌথভাবে ১৯তম স্থানে রয়েছেন। ব্যাটারদের তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন অস্ট্রেলিয়ার জর্জিয়া ভল।বোলারদের র‍্যাংকিংয়েও উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের দুই পেসারের। রিতু মনি ১১ ধাপ এগিয়ে ৪০৮ রেটিং নিয়ে উঠে এসেছেন ৭৫তম স্থানে। অন্যদিকে মারুফা আক্তার ছয় ধাপ এগিয়ে ৫৩৬ রেটিং নিয়ে অবস্থান করছেন ৩৮তম স্থানে।বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছেন লেগ স্পিনার রাবেয়া খান। এক ধাপ এগিয়ে তিনি এখন যৌথভাবে ১৭তম স্থানে আছেন। আর টি-টোয়েন্টি বোলারদের তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ভারতের শ্রী চারানি।এদিকে, নারী টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডারদের র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। তালিকার এক নম্বরে আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হেইলি ম্যাথিউস।
০১ জুলাই ২০২৬
ইসলামীক

ইসলামীক

সফল হজ ব্যবস্থাপনার পর বাংলাদেশকে হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর করলো সৌদি আরব

সফল হজ ব্যবস্থাপনার পর বাংলাদেশকে হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর করলো সৌদি আরব

চলতি বছরের হজ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের সহকারী মন্ত্রী ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ বাংলাদেশের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব কাজী শাহ মফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ এর নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর করেন।এ সময় সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনা, সমন্বয় এবং হাজীদের সেবার মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে। হজ ২০২৭ রোডম্যাপে ভবিষ্যৎ হজ ব্যবস্থাপনার জন্য সৌদি আরবের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, কৌশলগত লক্ষ্য, পরিচালনাগত নির্দেশনা এবং সেবার মানোন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।সফরকালে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব কাজী শাহ মফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপমন্ত্রী ড. আব্দুল ফাত্তাহ বিন সুলায়মান মাশাতের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন। এছাড়াও তিনি সহকারী মন্ত্রী ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ-এর সঙ্গে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার হজ বিষয়ক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।বৈঠকগুলোতে উভয় পক্ষ চলতি হজ মৌসুমের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশি হাজীদের জন্য আরও উন্নত ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে মতবিনিময় করেন। আলোচনায় আবাসন ব্যবস্থা, পরিবহন, ডিজিটাল সেবা, জনসমাগম ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যসেবা, লাগেজ ব্যবস্থাপনা এবং হাজীদের সামগ্রিক অভিজ্ঞতা উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।ড. আব্দুল ফাত্তাহ বিন সুলায়মান মাশাত এবং ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ উভয়েই বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেন এবং চলতি হজ মৌসুমে বাংলাদেশ হজ মিশন ও সংশ্লিষ্ট সকলের কার্যকর সমন্বয় এবং আন্তরিক প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে এবং হাজীদের সেবার মান আরও উন্নত হবে।বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ সৌদি সরকারের প্রতি, বিশেষ করে দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম, হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ভবিষ্যতেও বাংলাদেশি হাজীদের কল্যাণে সৌদি আরবের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুরো হজ কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং হজ মৌসুম জুড়ে ধারাবাহিকভাবে দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন, যাতে বাংলাদেশি হাজীদের নিরাপত্তা, কল্যাণ ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা যায়।হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর এবং সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকগুলো বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং ভবিষ্যতের হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও দক্ষ, আধুনিক ও হাজীবান্ধব করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
২৫ জুন ২০২৬
মতামত

মতামত

ট্রাম্পকে বাইডেনের খোঁচা, বললেন 'উনি তো ব্যর্থ মানুষ!'

ট্রাম্পকে বাইডেনের খোঁচা, বললেন 'উনি তো ব্যর্থ মানুষ!'

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শনিবার রাতে ম্যারিল্যান্ডে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির এক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তার উত্তরসূরি ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা করেছেন। ভাষণে তিনি ট্রাম্পকে ‘অহংকারী’, ‘দুর্নীতিবাজ’ এবং ‘ব্যর্থ মানুষ’ বলে আখ্যা দেন।বাইডেন বলেন, ‘এটি শুধু তার বিলাসিতার প্রকল্প নয়। নিজের বলরুম নির্মাণের জন্য তিনি হোয়াইট হাউসের ইস্ট উইং ভেঙেছেন। কেনেডি সেন্টারে নিজের নাম বসিয়েছেন। নিজের সম্মানে তোরণ নির্মাণ করেছেন। এমনকি রিফ্লেক্টিং পুল সংস্কারের জন্যও নিজের লোক নিয়োগ দিয়েছেন। তিনি একজন ব্যর্থ মানুষ (লুজার)!’তিনি আরও বলেন, ‘রিফ্লেক্টিং পুলটি এই প্রশাসনের আত্মমুগ্ধতা ও অযোগ্যতার চেয়েও ভয়াবহ একটি বিষয়ের প্রতীক—সেটি হলো দুর্নীতি। এটি নির্লজ্জ ও প্রকাশ্য দুর্নীতি। আমেরিকার ইতিহাসে কোনো প্রশাসনের বিরুদ্ধে এত স্পষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ আগে ওঠেনি।’হোয়াইট হাউস ছাড়ার পর ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে বাইডেনের এটিই ছিল অন্যতম কঠোর প্রকাশ্য সমালোচনা। ঘটনাচক্রে, ঠিক দুই বছর আগে একই দিনে সিএনএনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী বিতর্কে ট্রাম্পের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। সেই বিতর্কই তার দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচনের আশা কার্যত শেষ করে দেয় এবং রাজনৈতিক ভবিষ্যতের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত সমর্থকদের উদ্দেশে বাইডেন বলেন, ‘আমাকে সবচেয়ে বেশি ক্ষুব্ধ করে যে বিষয়টি, তা হলো ট্রাম্প ৬ জানুয়ারির দাঙ্গায় জড়িতদের করদাতাদের অর্থ দিয়ে ক্ষতিপূরণ দিতে চান। তারা কোনো ক্ষতিপূরণের যোগ্য নন। বরং তাদের দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকা উচিত ছিল।’হোয়াইট হাউস ছাড়ার পরও ট্রাম্পের সমালোচনায় পিছু হটেননি বাইডেন। গত এক মাসে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বিরুদ্ধে ডেমোক্র্যাটদের ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে তিনি ম্যারিল্যান্ড, সাউথ ডাকোটা ও নিজ অঙ্গরাজ্য ডেলাওয়্যারের বিভিন্ন দলীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন।তবে বাইডেনের নিজের রাজনৈতিক অবস্থানও এখন সহজ নয়। ২০২৪ সালের নির্বাচনে তার ভূমিকা নিয়ে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ভেতরেই অসন্তোষ রয়েছে। এসএসআরএস পরিচালিত সিএনএনের সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ৩০ শতাংশ মার্কিন নাগরিক বর্তমানে বাইডেন সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা পোষণ করেন, যা তার প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সময়ের যেকোনো পর্যায়ের তুলনায় কম।এদিকে, বাইডেন পরিবারের রাজনৈতিক উপস্থিতি নতুন করে বাড়তে থাকায় দলটির একাংশের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। সাবেক ফার্স্ট লেডি ড. জিল বাইডেন সম্প্রতি তার স্মৃতিকথা প্রকাশ করেছেন। বইটির প্রচারণায় তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনের নানা ঘটনা নিয়ে প্রকাশ্যে মতামত দিচ্ছেন। অনেক ডেমোক্র্যাটের মতে, এতে দলের পুরোনো বিতর্ক আবারও সামনে চলে আসছে।বাইডেনের সাবেক মুখপাত্র এবং দীর্ঘদিনের সমর্থক অ্যান্ড্রু বেটস নিউইয়র্ক পোস্টকে বলেন, ‘আমাদের জেতার দায়িত্ব ছিল, কিন্তু আমরা পারিনি। বিষয়টি আমাকে সব সময় ভাবায়। তবে দলের জন্য বেদনাদায়ক সেই আলোচনা আবার প্রকাশ্যে তোলার প্রয়োজন ছিল কি না, তা বুঝতে পারছি না।’এই মন্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান জিল বাইডেন। ওয়াশিংটন ডিসিতে বইয়ের প্রচারণা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমাকে ফোন দিন এবং সরাসরি আমার সামনে কথাটি বলুন।’পরে একটি সূত্র জানায়, সমালোচনার পরদিনই জিল বাইডেন ও অ্যান্ড্রু বেটস বিষয়টি নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছেন।অন্যদিকে, বাইডেনপুত্র হান্টার বাইডেনও সাম্প্রতিক সময়ে বেশ সক্রিয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) তার অনুসারীর সংখ্যা আট লাখের বেশি। সেখানে তিনি নিয়মিত মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে নিজের অতীতের সংগ্রাম এবং সমসাময়িক রাজনীতি নিয়ে মতামত প্রকাশ করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন দীর্ঘ পডকাস্টেও অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে রক্ষণশীল ভাষ্যকার ক্যান্ডাস ওয়েন্সের সঙ্গে তার দুই ঘণ্টার আলোচনাটি বিশেষভাবে আলোচিত হয়।ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসামের পডকাস্টে হান্টার বলেন, প্রথমে ক্ষমা না করার অবস্থান নিলেও শেষ পর্যন্ত তার বাবা তাকে ক্ষমা করেছিলেন।এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তিনি নিজের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের চেয়ে আমাকে বেছে নিয়েছেন। ইতিহাস যখন তাকে মূল্যায়ন করবে, তখন এই সিদ্ধান্তটি অবশ্যই আলোচনায় থাকবে।’আগামী মাসগুলোতে বাইডেনের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার তুলে ধরার উদ্যোগ আরও জোরালো হতে পারে। তিনি ইতোমধ্যে নিজের স্মৃতিকথা লেখার কাজ অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছেন। যদিও বইটি কবে প্রকাশিত হবে, তা এখনো জানানো হয়নি।এছাড়া ডেলাওয়্যারে তার প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরি নির্মাণের পরিকল্পনাও এগোচ্ছে। তবে স্থান এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বিষয়টি শিগগিরই নির্ধারণ হতে পারে। এ প্রকল্পের জন্য তার টিম তহবিল সংগ্রহও চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এটি সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার শিকাগোভিত্তিক ৮৫০ মিলিয়ন ডলারের প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টারের তুলনায় আকারে ছোট হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।বর্তমানে ৮৩ বছর বয়সী বাইডেন প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসা নিচ্ছেন। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, ক্যান্সার তার হাড়েও ছড়িয়ে পড়েছে। হোয়াইট হাউস ছাড়ার কয়েক মাস পর রোগটি শনাক্ত হয়। এরপর থেকে তিনি রেডিয়েশন ও হরমোন থেরাপি নিচ্ছেন।সম্প্রতি এনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জিল বাইডেন বলেন, ‘আমার মনে হয়, জোকে সারাজীবন এই ক্যান্সারের সঙ্গেই বসবাস করতে হবে।’দলের একাংশের সমালোচনা সত্ত্বেও সুযোগ পেলেই ডেমোক্র্যাটদের সহায়তা করার চেষ্টা করছেন বাইডেন। প্রাইমারি নির্বাচনের আগে তিনি জর্জিয়ার গভর্নর পদপ্রার্থী কেইশা ল্যান্স বটমস এবং ম্যাসাচুসেটসের কংগ্রেস প্রার্থী ড্যান কোহের প্রতি সমর্থন জানান।শনিবারের অনুষ্ঠানে বাইডেন ম্যারিল্যান্ডের গভর্নর ওয়েস মুর এবং সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেনের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। এই দুই নেতাকে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সম্ভাব্য ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে ওয়েস মুর স্মরণ করেন, ২০২৪ সালে বাল্টিমোরের ফ্রান্সিস স্কট কি সেতু ধসে পড়ার পর বাইডেন দ্রুত ফেডারেল সহায়তা পাঠিয়েছিলেন। মুর বলেন, ‘তিনি শুধু পুনর্গঠনের জন্য নয়, আমাদের শোক কাটিয়ে উঠতেও পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি জানতেন লাখ লাখ মানুষ এই অবকাঠামোর ওপর নির্ভরশীল।’বাল্টিমোরের ডেমোক্র্যাট সদস্য অ্যাড্রিয়েন গ্রিনও অনুষ্ঠানে বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তার মতে, এই বয়সেও বাইডেন যথেষ্ট ভালো আছেন। তবে তিনি দুই দলেই নতুন নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।তিনি বলেন, ‘সাবেক নেতারা অবশ্যই মূল্যবান পরামর্শ দিতে পারেন। কিন্তু ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান, উভয় দলেই এখন নতুন প্রজন্মের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার সময় এসেছে।’ডেলাওয়্যারের ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি সারাহ ম্যাকব্রাইড জানান, তার সঙ্গে বাইডেনের নিয়মিত যোগাযোগ হয়। গত সপ্তাহেও তারা একসঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ করেন এবং বিশ্ব রাজনীতিতে ট্রাম্পের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন।সিএনএনকে তিনি বলেন, ‘ভোটাররা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাই এখন আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। জো বাইডেন, বারাক ওবামাসহ দলের সাবেক নেতাদের অভিজ্ঞতাও আমাদের কাজে লাগানো উচিত। বাইডেনের নেতৃত্বের জন্য আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ।’ভাষণের শেষদিকে বাইডেন বলেন, তিনি এখনো ডেমোক্র্যাটিক পার্টির জন্য লড়াই করে যাচ্ছেন। সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা যারা আমাদের দেশকে ভালোবাসেন, তাদের প্রতি আমার বার্তা খুবই সহজ, উঠে দাঁড়ান। এখনই সময়। লড়াই চালিয়ে যান।’ তার এই আহ্বানে উপস্থিত সবাই করতালির মাধ্যমে সমর্থন জানান।
ডেস্ক নিউজ