শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬
The Dhaka News Bangla

শনিবার টানা ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

আগামীকাল শনিবার (৭ মার্চ) কুড়িগ্রামের কিছু এলাকায় জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য সকাল থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উলিপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার এটিএম তারিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।শনিবার কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার পৌরসভা ও বেশ কিছু ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। উলিপুর-১ উপকেন্দ্রের সোর্স লাইনের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এই সাময়িক বিদ্যুৎ বন্ধ রাখা হবে।উলিপুর-১ উপকেন্দ্রের আওতাধীন উলিপুর পৌরসভা, ধামশ্রেনী, ধরনীবাড়ী, হাতিয়া, তবকপুর, গুনাইগাছ, থেতরাই, পান্ডুল (আংশিক) ও দলদলিয়া (আংশিক) ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।তবে, যদি নির্ধারিত সময়ের আগে কাজ শেষ হয়, তাহলে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করা হতে পারে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ এবং জানায় যে, ভবিষ্যতে গ্রাহকদের পল্লী বিদ্যুতের সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
১৩ ঘন্টা আগে

যুদ্ধে ১০০ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩.৭ বিলিয়ন ডলার

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রথম ১০০ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের আনুমানিক ৩.৭ বিলিয়ন (৩৭০ কোটি) ডলার খরচ হয়েছে। এর মানে প্রতিদিন গড়ে ৮৯১.৪ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হচ্ছে।ওয়াশিংটন ডিসির সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই যুদ্ধ অব্যাহত রাখতে প্রতিরক্ষা দপ্তরের জন্য বর্তমান বাজেটের চেয়ে অনেক বেশি অর্থের প্রয়োজন হবে। খবরটি আল জাজিরা থেকে এসেছে।সিএসআইএস ব্যাখ্যা করেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্র যখন কম দামি গোলাবারুদ ব্যবহার শুরু করবে, তখন এই ব্যয়ের পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে।’তারা আরও জানায়, একটি বিমান অভিযান বা এয়ার ক্যাম্পেইনের শুরুর দিকটা বেশি ব্যয়বহুল হয়, কারণ তখন অত্যন্ত অত্যাধুনিক এবং উচ্চমূল্যের অস্ত্রশস্ত্রের প্রয়োজন পড়ে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘তা সত্ত্বেও, এই অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যয়ের পরিমাণ হবে বিশাল... এর অর্থ হলো প্রতিরক্ষা দপ্তরকে কোনো এক সময়ে অতিরিক্ত তহবিলের জোগান দিতে হবে। কারণ অভ্যন্তরীণ বাজেট কাটছাঁট করে এই যুদ্ধের খরচ মেটানো রাজনৈতিক এবং কৌশলগতভাবে বেশ কঠিন হয়ে পড়বে।’
১৪ ঘন্টা আগে

প্রতিটি পর্বে পর্বে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গণনা, রেজাল্ট শিট তৈরি করা ও ফলাফল ঘোষণা প্রতিটি পর্বে পর্বে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতের ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।শুক্রবার (৬ মার্চ) বায়তুল মোকাররম মসজিদ প্রাঙ্গণে সাবেক তথ্য উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসানের বক্তব্যের প্রতিবাদে তিনি এই মন্তব্য করেন।এসময় মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, "যদি আমাদের ব্যাখ্যা ভুল হয়, তাহলে আপনাদের সঠিক ব্যাখ্যা দিতে হবে। পার্লামেন্টে জামায়াতে ইসলামী ছাড়া বিরোধী দলগুলো সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিতে হবে।তিনি আরও বলেন, রিজওয়ানা চৌধুরী যদি অপরাধ না করে থাকেন, তাহলে তিনি তার এই বক্তব্যের ভুল স্বীকার করতে পারেন। যতক্ষণ না তিনি তা বলেন, ততক্ষণ দেশের মানুষের বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ আছে যে আপনি জামায়াতে ইসলামীকে বিরোধী দল থেকে সরকারে আসার পথে বাধা দিয়েছেন।জামায়াতে ইসলামী সরকারের গঠনের সম্ভাবনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণ মনে করেছিল যে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জয়ী হবে। তারা ১৬৮-১৭০ এর ওপরে আসন পাবে। কিন্তু আপনার পরিকল্পনার কারণে সেটা ১০০ এর নিচে থেমে গেছে।ভোট গ্রহণের পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, রাত ১০টার পর কেন সম্প্রচার বন্ধ করা হলো? ভোট গণনায় কিছু অসঙ্গতি দেখা গেছে। ১০০, ২০০ বান্ডেল করা হয়েছে। দাঁড়িপাল্লার বান্ডেলের উপরে ধানের শীষ দিয়ে গণনা করা হয়েছে। রেজাল্ট শিটে পরিবর্তন আনা হয়েছে। কাটাছেঁড়া করা হয়েছে। অনেক প্রিসাইডিং অফিসার গণনা করার আগেই স্বাক্ষর নিয়ে রেখেছেন।নির্বাচনে ভোট গণনা, রেজাল্ট শিট তৈরি এবং ফলাফল ঘোষণা—প্রতিটি পর্যায়ে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে। অতীতের নির্বাচনের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তুলনায় এবারের পদ্ধতি ছিল আলাদা।যারা এই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সঙ্গে যুক্ত দয়া করে তাদের নামগুলো বলার আহ্বান জানিয়েছেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।
১৪ ঘন্টা আগে
মেসি-রোনালদো-পেলের প্রশংসায় ট্রাম্প, ভুলেই গেলেন ম্যারাডোনাকে

মেসি-রোনালদো-পেলের প্রশংসায় ট্রাম্প, ভুলেই গেলেন ম্যারাডোনাকে

ফুটবলের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ম্যারাডোনার নাম উল্লেখ করেননি। বরং তিনি সময়ের অন্যতম সেরা দুই তারকা লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পাশাপাশি ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলেরও প্রশংসা করেছেন।সম্প্রতি মেসি ও তার ক্লাবের সদস্যরা হোয়াইট হাউস সফরে গেলে ট্রাম্প আর্জেন্টাইন সুপারস্টারকে অভিনন্দন জানান। সেখানে মেসির সাফল্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “লিও, তুমি এসেছ এবং জিতেছো- এটা খুব কঠিন কাজ। অনেকেই জয়ের প্রত্যাশা করে, কিন্তু বাস্তবে খুব কম মানুষই তা করতে পারে।”মেসির সঙ্গে আলাপচারিতায় ট্রাম্প আরও বলেন, তার ছেলে ফুটবলের বড় ভক্ত এবং বিশেষ করে মেসি ও রোনালদোকে খুব পছন্দ করে। রোনালদোকে তিনি “অসাধারণ খেলোয়াড়” বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, দুজনই নিজেদের খেলায় দুর্দান্ত চ্যাম্পিয়ন।রোনালদোর প্রশংসা করার জন্য ট্রাম্প এর আগেও মন্তব্য করেছেন। গত ফেব্রুয়ারিতে তিনি পর্তুগিজ তারকাকে সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়দের মধ্যে একজন বলে উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে এক সাক্ষাৎকারে ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলে সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করেন তিনি। ট্রাম্প জানান, তরুণ বয়সে নিউইয়র্কে পেলের খেলা দেখতে গিয়েছিলেন, যখন পেলে নিউইয়র্ক কসমোসের হয়ে খেলতেন। সেই সময় স্টেডিয়ামে দর্শকদের সামনে পেলের খেলা তাকে গভীরভাবে মুগ্ধ করেছিল।তবে এত আলোচনা সত্ত্বেও ট্রাম্পের মুখে ম্যারাডোনার নাম কোথাও আসেনি। ফুটবল ইতিহাসে মেসি, রোনালদো ও পেলের পাশাপাশি ম্যারাডোনা সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়দের বিতর্কে নিয়মিতভাবে আলোচিত হন।
১৩ ঘন্টা আগে
জাতীয়

জাতীয়

এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

আগামী ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন উপলক্ষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের জন্য বিএনপি দুই দিনব্যাপী একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছে।শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই নিবিড় প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মূলত প্রথমবারের মতো নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং নতুন দায়িত্ব পাওয়া মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের সংসদীয় কার্যপ্রণালী সম্পর্কে দক্ষ করে তুলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয়লাভ করেছে। এর মধ্যে ১৪৬ জনই প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে এসেছেন। সংসদীয় বিধি-বিধান ও রাষ্ট্র পরিচালনার কৌশল সম্পর্কে এই বিপুল সংখ্যক নতুন জনপ্রতিনিধির কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই। তাদের সংসদের আচরণবিধি, বিল প্রণয়ন, বাজেট বিশ্লেষণ এবং সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কার্যাবলি সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেওয়াই এই কর্মশালার মূল লক্ষ্য।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দলের শীর্ষ নেতা তারেক রহমান উপস্থিত থেকে নবনির্বাচিত এমপিদের দিক-নির্দেশনামূলক স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন।বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, এই কর্মশালায় অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান, সাবেক আমলা ও প্রথিতযশা অ্যাকাডেমিশিয়ানরা প্রশিক্ষক হিসেবে অংশ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কীভাবে পয়েন্ট অব অর্ডার উত্থাপন করতে হয়, বিল পর্যালোচনায় কার্যকর ভূমিকা রাখা এবং নিজ এলাকার সমস্যাগুলো যথাযথভাবে সংসদে উপস্থাপন করা যায়।রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর আলোচনা এবং সংসদ অধিবেশনে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। দলের সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই পুরো প্রক্রিয়াটি নিজে তদারকি করছেন।উদ্বোধনী পর্বে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানিয়েছেন, সরকারের এবং সরকারি দলের দক্ষতা বৃদ্ধি করাই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। কর্মশালায় জাইমা রহমানকেও দেখা গেছে।
১৪ ঘন্টা আগে
আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক

যুদ্ধে ১০০ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩.৭ বিলিয়ন ডলার

যুদ্ধে ১০০ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩.৭ বিলিয়ন ডলার

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রথম ১০০ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের আনুমানিক ৩.৭ বিলিয়ন (৩৭০ কোটি) ডলার খরচ হয়েছে। এর মানে প্রতিদিন গড়ে ৮৯১.৪ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হচ্ছে।ওয়াশিংটন ডিসির সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই যুদ্ধ অব্যাহত রাখতে প্রতিরক্ষা দপ্তরের জন্য বর্তমান বাজেটের চেয়ে অনেক বেশি অর্থের প্রয়োজন হবে। খবরটি আল জাজিরা থেকে এসেছে।সিএসআইএস ব্যাখ্যা করেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্র যখন কম দামি গোলাবারুদ ব্যবহার শুরু করবে, তখন এই ব্যয়ের পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে।’তারা আরও জানায়, একটি বিমান অভিযান বা এয়ার ক্যাম্পেইনের শুরুর দিকটা বেশি ব্যয়বহুল হয়, কারণ তখন অত্যন্ত অত্যাধুনিক এবং উচ্চমূল্যের অস্ত্রশস্ত্রের প্রয়োজন পড়ে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘তা সত্ত্বেও, এই অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যয়ের পরিমাণ হবে বিশাল... এর অর্থ হলো প্রতিরক্ষা দপ্তরকে কোনো এক সময়ে অতিরিক্ত তহবিলের জোগান দিতে হবে। কারণ অভ্যন্তরীণ বাজেট কাটছাঁট করে এই যুদ্ধের খরচ মেটানো রাজনৈতিক এবং কৌশলগতভাবে বেশ কঠিন হয়ে পড়বে।’
১৪ ঘন্টা আগে
ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস

শুরু হলো উজান আয়োজিত জাতীয় প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা

শুরু হলো উজান আয়োজিত জাতীয় প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা

পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে তরুণদের ভাবনা ও উদ্ভাবনী ধারণাকে সামনে আনতে জাতীয় পর্যায়ের প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে উজান (UJAAN)। “আগামীর সবুজ পৃথিবীর জন্য তারুণ্যের কণ্ঠস্বর” স্লোগানকে সামনে রেখে শুরু হয়েছে National Essay Competition on Climate and Environment 2026।আয়োজকেরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এই প্রতিযোগিতা উন্মুক্ত। জলবায়ু সংকট মোকাবিলা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার বিষয়ে তরুণ প্রজন্মের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে জলবায়ু ও পরিবেশ সংক্রান্ত যেকোনো নির্দিষ্ট সমস্যা, সম্ভাব্য সমাধান বা জলবায়ু কর্মপরিকল্পনা নিয়ে প্রবন্ধ লেখা যাবে। অংশগ্রহণকারীদের ১০০০ থেকে ১৫০০ শব্দের মধ্যে প্রবন্ধ লিখতে হবে। বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় সেরা ৩২ জন তরুণ লেখককে (১৬ জন বাংলা ও ১৬ জন ইংরেজি) পুরস্কৃত করা হবে।প্রতিটি ভাষা বিভাগের সেরা তিন বিজয়ী পাবেন বিশেষ সম্মাননা ক্রেস্ট ও এক্সক্লুসিভ গিফট হ্যাম্পার। এছাড়া নির্বাচিত ৩২ জন বিজয়ীর প্রবন্ধ নিয়ে একটি বিশেষ সংকলন প্রকাশ করা হবে। বিজয়ীদের জন্য থাকবে বই, সনদপত্রসহ বিভিন্ন উপহার, যা সরাসরি তাঁদের ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে।আগ্রহী শিক্ষার্থীদের আগামী ১০ মার্চ ২০২৬ তারিখের মধ্যে তাদের প্রবন্ধ DOCX ফরম্যাটে ujaan.org@gmail.com ঠিকানায় ইমেইল করতে হবে। ইমেইলের সঙ্গে শিক্ষার্থীর পূর্ণ নাম, যোগাযোগ নম্বর, বিস্তারিত ঠিকানা, প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয় এবং একটি ফরমাল ছবি সংযুক্ত করতে হবে। প্রতিযোগিতার ফলাফল আগামী ২০ মার্চ ২০২৬ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।এই আয়োজনের লিড পার্টনার হিসেবে রয়েছে নেক্সটজেন অ্যাব্রোড। ন্যাশনাল আউটরিচ পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম। স্ট্র্যাটেজিক নলেজ পার্টনার হিসেবে রয়েছে বিজ্ঞানপ্রিয়, স্ট্র্যাটেজিক এডটেক পার্টনার প্রিয় শিক্ষালয় এবং স্ট্র্যাটেজিক এনগেজমেন্ট পার্টনার হিসেবে ইনফোগ্রাম, বিয়ন্ড স্টোরিজ ও বুনন বি যুক্ত রয়েছে।এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠন—ঢাকা ইউনিভার্সিটি ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এডুকেশন ক্লাব, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তেপান্তর সাহিত্য সভা, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাব, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাব, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় রাইটার্স সোসাইটি এবং আনন্দময় বিজ্ঞান জগৎ—এই আয়োজনের স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার হিসেবে যুক্ত রয়েছে।সামাজিক ও পরিবেশগত পরিবর্তনের এই উদ্যোগে ইমপ্যাক্ট পার্টনার হিসেবে কাজ করছে নবোদম ফাউন্ডেশন, দূরবীন ফাউন্ডেশন এবং সহজপাঠ ফাউন্ডেশন।উজানের পক্ষ থেকে দেশের তরুণদের এই জাতীয় প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়ে নিজেদের সৃজনশীল চিন্তা ও লেখনীর মাধ্যমে জলবায়ু সংগ্রামে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
০৫ মার্চ ২০২৬
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

নির্বাচন

নির্বাচন

চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে ৩৬ প্রার্থীর ২৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত

চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে ৩৬ প্রার্থীর ২৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি সংসদীয় আসনে ৩৬ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন একজন নারী প্রার্থীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ২৫ প্রার্থী। নির্বাচনের বিধি অনুযায়ি, কোনো সংসদীয় আসনে প্রার্থী বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগ বা কমপক্ষে ১২ শতাংশ ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায়, ৩৫ প্রার্থীর মধ্যে ২৫ জন নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে পারেননি। যার ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এমনও প্রার্থী আছেন যারা ১ হাজার ভোটও পাননি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৪ প্রার্থীর পাশাপাশি ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল সৈয়দ মোহাম্মদ মাহাদুর শাহ্ও জামানত হারিয়েছেন। একসময় সরকারে থাকা প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টি ৪টি আসনে অংশ নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৪৬ ভোট। আর গণফোরাম তিনটি আসনে পেয়েছেন ৮৭৬ ভোট।নির্বাচন কমিশনের হালনাগাদ তথ্যে জেলায় ভোটার ২৩ লাখ ৩১হাজার ১৯৫। এবারের নির্বাচনে ভোট দিয়ছেন ৫৩.০৫ভাগ।এদিকে জামায়াতের সাথে জোটে যাওয়া নিয়ে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বে জড়ানো ইসলামী আন্দোলন ৪টি আসনে ভোট পেয়েছে ৩৮ হাজার ৬শ ৩০ ভোট। ২০০৪ সালে আ. লীগের সাথে জোট হওয়া বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্ট মোমবাতি প্রতিক তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পেয়েছে ৭ হাজার ১৫৪ ভোট। শুধু তাই নয়, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ বাহদুর শাহ চেয়ার প্রতিকে চাঁদপুর-৫ আসন থেকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ১৭৮ ভোট। তিনিও হারিয়েছেন জামানত। অন্যদের মধ্যে জামানত হারিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতিকের ৩ প্রার্থী মো. জাকির হোসেন, মো. এনায়েত হোসেন ও মো. গোলাফ হোসেন। এছাড়া স্বতন্ত্র ঘুড়ি প্রতিকের জাকির হোসেন, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতিকের মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতিকের জাকির হোসেন প্রধানিয়া, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের আপেল প্রতিকের মো. মাহমুদুল হাসান নয়ন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির আনারস প্রতিকের নাসিমা নাজনিন সরকার, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির হাতি প্রতিকের মো. ফয়জুন্নুর ও নাগরিক ঐক্যের কেটলি প্রতিকের মো. এনামুল হক।চাঁদপুর-১ (কচুয়া): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ১৩লাখ ৩হাজার ৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতের প্রার্থী আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমেদ পেয়েছেন ৭০হাজার ৩৬৮ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে গণফোরামের মোহাম্মদ আজাদ হোসেন ৩২৯, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন ৪ হাজার ৩৭১, গণঅধিকার পরিষদের মো. এনায়েত হোসেন ২১৭ ও জাতীয় পার্টির হাবিব খান ৬৫২ ভোট পেয়েছন।চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিন ১লাখ ৭২হাজার ৫০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি এলডিপির ছাতা প্রতিকের প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৪৭৩ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশ লেবার পার্টির নাসিমা নাজনিন সরকার ২৮৩, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি মো. ফয়জুন্নর ৫০৯, গণঅধিকার পরিষদের মো. গোলাপ হোসেন ৩১৫, নাগরিক ঐক্য মো. এনামুল হক ১৪৩, ইসলামী আন্দোলনের মানসুর ১২হাজার ৩০৭, জাতীয় পার্টির এমরান হোসেন মিয়া ১হাজার ৩২৮ ভোট।চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ ১লাখ ৬৫ হাজার ৪০৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শাহজাহান মিয়া দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে পেয়েছেন ১লাখ ৮৬৫ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এ. এইচ.এম. আহসান উল্লাহ ২হাজার ২৭৪, ইসলামী আন্দোলনের মো. জয়নাল আবদিন শেখ ১৪ হাজার ১৮১, গণঅধিকার পরিষদের মো. জাকির হোসেন ১৩২, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ৬৭৬, গণফোরামের সেলিম আকবর ৩০৭ ভোট।চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) : এই আসনে স্বতন্ত্র চিংড়ি প্রতিকের প্রার্থী এম এ হান্নান ৭৪হাজার ১৭৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী বিএনপির ধানের শীষ প্রতিকের মো. হারুনুর রশিদ ৬৯ হাজার ১৫৫ ভোট এবং জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী পেয়েছেন ৬৬হাজার ৬৯২ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র জাকির হোসেন ১৮৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের মকবুল হোসাইন ৫হাজার ২৬১, জাতীয় পার্টির মাহমুদুর হাসান ২৭৭ ভোট, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. আবদুল মালেক ৫০৯, গণফোরামের মো. মুনীর চৌধুরী ২৪০ ভোট পেয়েছেন।চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী মো. মমিনুল হক ১ লাখ ৮৫হাজার ৪০৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি এলডিপির ছাতা প্রতিকের প্রার্থী মো. নেয়ামুল বশির পেয়েছেন ৭৫হাজার ৬৬০ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে জাতীয় পার্টির মির্জা গিয়াস উদ্দিন ১হাজার ৫১৬, ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আলী পাটওয়াারি ৬হাজার ৬৮১, স্বতন্ত্র মো. জাকির হোসেন প্রধানিয়া ২৬৮, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. মাহমুদুল হাসান নয়ন ২৫৬, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের সৈয়দ বাহাদুর শাহ্ মুজাদ্দেদী ১৩হাজার ১৭৮ ভোট পেয়েছেন।চাঁদপুর-৩ আসনের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থী এ এইচ এম আহসান উল্লাহ বলেন, জামানত হারানো প্রার্থীদের নিজ দলের তৃণমূল সাংগঠনিকভাবে দুর্বল। তাই নির্বাচনে ভালো করা কঠিন। তার মতে সাংগঠনিক কার্যক্রম সক্রিয় করা প্রয়োজন।সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চাঁদপুরের সভাপতি অধ্যক্ষ মোশারেফ হোসেন বলেন, আসলে নিজেকে পরিচিতির জন্য এমন নির্বাচনে অনেকে প্রার্থী হয়। আবার নির্বাচন কমিশনের শর্ত পূরণের জন্যও প্রার্থী দিয়ে নিয়ম রক্ষা করেন। এছাড়াও ছোট দলগুলোর জয় পরাজয় বা জামানত বাজেয়াপ্ত তাদের বড় বিষয় নয়, দলকে টিকিয়ে রাখতে নির্বাচনে অংশ গ্রহন নিশ্চিত করতে হয়।
০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকা-৯ আসনে হাবিবের প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের সমর্থন

ঢাকা-৯ আসনে হাবিবের প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের সমর্থন

০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ক্রিকেট

ক্রিকেট

ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ: বিক্রি হয়ে গেছে সব টিকিট

ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ: বিক্রি হয়ে গেছে সব টিকিট

অনিশ্চয়তা, রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা পেরিয়ে অবশেষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কলম্বোর ঐতিহাসিক আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ম্যাচ নিয়ে ইতোমধ্যেই সমর্থকদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে উঠেছে। ম্যাচের সব টিকিট খুব দ্রুত বিক্রি হয়ে গেছে; একই সঙ্গে কলম্বোমুখী ফ্লাইট ও হোটেল ভাড়ায় নজিরবিহীন উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে।বিশ্ব ক্রিকেটে ভারত–পাকিস্তান দ্বৈরথ মানেই বাড়তি উত্তেজনা। রাজনৈতিক ইতিহাস, সীমান্ত উত্তেজনা ও দীর্ঘদিন দ্বিপাক্ষিক সিরিজ না হওয়ায় আইসিসি ইভেন্টেই মুখোমুখি হয় দু’দল। ফলে এমন ম্যাচকে ঘিরে দর্শক আগ্রহ যে অন্য উচ্চতায় থাকবে, তা অনুমান করাই যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৩৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে আগেভাগেই। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ম্যাচ নিশ্চিত হওয়ার পরপরই কলম্বোর হোটেল কক্ষের ভাড়া তিন থেকে চার গুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়। সাধারণ সময়ে যেসব কক্ষের ভাড়া রাতপ্রতি ১০০ থেকে ১৫০ ডলার, সেগুলোর জন্য এখন গুনতে হচ্ছে সর্বোচ্চ ৬৬০ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮১ হাজার টাকা)। জনপ্রিয় হোটেল বুকিং ওয়েবসাইটগুলোতে এমন মূল্যবৃদ্ধির চিত্র স্পষ্ট।কলম্বোর তিনটি ট্রাভেল এজেন্সি জানিয়েছে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার পর শেষ মুহূর্তে বুকিংয়ের চাপ হঠাৎ বেড়ে যায়। বিশেষ করে ভারতের চেন্নাই ও দিল্লির মতো বড় শহর থেকে ফ্লাইট বুকিং কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। চেন্নাই থেকে কলম্বো যেতে সময় লাগে দেড় ঘণ্টার মতো, কিন্তু অল্প দূরত্বের এই রুটেও ভাড়া বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২৩ থেকে ৭৫৬ ডলার পর্যন্ত। অন্যদিকে দিল্লি-কলম্বো রুটে ভাড়া প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়ে ৬৬৬ ডলারে পৌঁছেছে।শ্রীলঙ্কা ইনবাউন্ড ট্যুর অপারেটরসের সভাপতি নালিন জয়াসুন্দেরা জানিয়েছেন, অধিকাংশ হোটেল প্রায় পূর্ণ। অনেক সমর্থকই ‘অল-ইনক্লুসিভ’ প্যাকেজে আসছেন, যার মূল্য ১৫০০ থেকে ২০০০ ডলার পর্যন্ত। এসব প্যাকেজে ম্যাচ টিকিট, আবাসন ও যাতায়াত অন্তর্ভুক্ত থাকছে। তিনি বলেন, চাহিদা এত বেশি যে শেষ মুহূর্তে দাম আরও বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে পর্যটন খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে; বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের তৃতীয় বৃহৎ উৎস এটি। সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সংকট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধাক্কা সামাল দিতে দেশটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজনকে সুযোগ হিসেবে দেখছে। শ্রীলঙ্কা ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বুদ্ধিকা হেওয়াসাম জানান, বিশ্বকাপের প্রথম ১০ দিনে প্রায় এক লাখ বিদেশি দর্শনার্থীর ২০ শতাংশই ভারত–পাকিস্তান ম্যাচকে কেন্দ্র করে দেশটিতে এসেছে। তার ভাষায়, শ্রীলঙ্কা নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে বড় ম্যাচ আয়োজনের সক্ষমতা দেখাতে চায়। এটি শুধু ভারত ও পাকিস্তান নয়, দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের জন্যই ইতিবাচক বার্তা।এদিকে, দু’দলের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চরমে। লাহোরের বাসিন্দা মিয়া সুলতান ম্যাচটি দেখতে কলম্বোয় যাচ্ছেন। তার প্রত্যাশা, এই ম্যাচ জিতলে পাকিস্তান পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে যাবে। তিনি বলেন, এটি জীবনের অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে। নিউজিল্যান্ডে থাকা তার এক বন্ধু ম্যাচ দেখতে কলম্বোয় উড়াল দিচ্ছেন; গ্যালারির সামনের সারির টিকিটের জন্য তাকে খরচ করতে হয়েছে ৮০০ ডলার।সব মিলিয়ে, একটি ম্যাচ ঘিরে কলম্বোতে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই অর্থনৈতিক প্রভাব, ভ্রমণ ব্যয় এবং দর্শক আগ্রহের দিক থেকে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ যেন চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আলাদা এক মাত্রা যোগ করেছে। এখন শুধু অপেক্ষা, চাপ, প্রত্যাশা আর আবেগের এই লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসে।
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সারাদেশ

সারাদেশ

শনিবার টানা ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

শনিবার টানা ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

আগামীকাল শনিবার (৭ মার্চ) কুড়িগ্রামের কিছু এলাকায় জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য সকাল থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উলিপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার এটিএম তারিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।শনিবার কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার পৌরসভা ও বেশ কিছু ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। উলিপুর-১ উপকেন্দ্রের সোর্স লাইনের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এই সাময়িক বিদ্যুৎ বন্ধ রাখা হবে।উলিপুর-১ উপকেন্দ্রের আওতাধীন উলিপুর পৌরসভা, ধামশ্রেনী, ধরনীবাড়ী, হাতিয়া, তবকপুর, গুনাইগাছ, থেতরাই, পান্ডুল (আংশিক) ও দলদলিয়া (আংশিক) ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।তবে, যদি নির্ধারিত সময়ের আগে কাজ শেষ হয়, তাহলে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করা হতে পারে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ এবং জানায় যে, ভবিষ্যতে গ্রাহকদের পল্লী বিদ্যুতের সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মতামত

মতামত

জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: মাহফুজ আলম

জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: মাহফুজ আলম

জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক মাহফুজ আলম। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য উইক’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ মূলত একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।তার ভাষায়, দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় আওয়ামী লীগ টিকে থাকলে জামায়াতও টিকে থাকবে, আবার জামায়াত থাকলে আওয়ামী লীগের অস্তিত্বও বজায় থাকবে। এই পারস্পরিক নির্ভরতার মধ্যেই বাংলাদেশের রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরে আবর্তিত হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।প্রায় সাড়ে ১৪ মিনিটের এই সাক্ষাৎকারটি বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রচারিত হয়। এতে মাহফুজ আলম বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশ, সংস্কার প্রক্রিয়া, পুরনো ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের টানাপোড়েন এবং গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা, এমন নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বলেন।আসন্ন ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত আগেই জানিয়েছিলেন মাহফুজ আলম। তবে এই সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেন, রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর অন্যতম প্রধান কারণ ছিল জামায়াত ও আওয়ামী লীগের মধ্যকার এই পারস্পরিক অস্তিত্বের সমীকরণ। তার মতে, এই কাঠামোর ভেতরে থেকে কোনো প্রকৃত পরিবর্তন সম্ভব নয়।সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের পর তিনি তরুণ শক্তিগুলোকে একত্র করে বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে একটি শক্তিশালী ‘তৃতীয় বিকল্প’ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু যখন এনসিপি পুরনো রাজনৈতিক বন্দোবস্তের অংশ হিসেবে জামায়াতের সঙ্গে জোটে যায়, তখন সেই সম্ভাবনা কার্যত শেষ হয়ে যায়।জামায়াত প্রসঙ্গে মাহফুজ আলম আরও বলেন, যাদের সঙ্গে জোট করা হয়েছে তারা সবাই পুরনো রাজনৈতিক কাঠামোরই অংশ। তার দাবি, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে জামায়াতের কোনো স্পষ্ট ও স্বচ্ছ রূপরেখা নেই। ফলে তাদের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতা করতে গেলে এমন বহু প্রশ্ন সামনে আসে, যার সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া কঠিন।তিনি মনে করেন, আদর্শিক অবস্থান ও রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিগত প্রশ্নে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে জামায়াতের কোনো বাস্তব মিল নেই। এক পর্যায়ে তিনি হতাশা প্রকাশ করে বলেন, গত দেড় বছরের রাজনৈতিক যাত্রা ছিল এক ধরনের বিশ্বাসভঙ্গের অভিজ্ঞতা, যেখানে পুরনো রাজনৈতিক ব্যবস্থা নতুন মোড়কে আবার ফিরে আসছে এবং জুলাই আন্দোলনের মূল আকাঙ্ক্ষাকে আড়াল করে দিচ্ছে।ভবিষ্যৎ সরকার ব্যবস্থা নিয়েও সতর্কবার্তা দেন মাহফুজ আলম। তার মতে, ক্ষমতায় বিএনপি কিংবা জামায়াত, যেই আসুক না কেন, সমাজের ভেতরে জমে থাকা ক্ষত নিরাময় করতে না পারলে কোনো সরকারই টেকসই হবে না। তিনি বলেন, শুধু কাগজে-কলমে সংস্কার যথেষ্ট নয়; সমাজে ভিন্ন মত ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সমঝোতা বা পুনর্নির্ধারণ না হলে সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা চলতেই থাকবে।গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন তিনি। মাহফুজ আলমের মতে, সাধারণ মানুষের মধ্যে গণমাধ্যমের প্রতি আস্থা কমে গেছে। এই বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হলে গণমাধ্যমকে নিজেদের অতীত ভূমিকা নিয়ে আত্মসমালোচনার জায়গায় যেতে হবে এবং জনগণের সঙ্গে নতুন করে বোঝাপড়া গড়ে তুলতে হবে।বর্তমানে সক্রিয় রাজনীতির বাইরে থাকা মাহফুজ আলম সময় কাটাচ্ছেন বই পড়ে এবং হতাশ তরুণদের সঙ্গে কথা বলে। তিনি বোঝার চেষ্টা করছেন, কেন জুলাই অভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব হয়নি এবং ভবিষ্যতে কীভাবে সামনে এগোনো যায়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছাড়েন। এরপর ৮ আগস্ট গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। একই মাসের ২৮ তারিখ মাহফুজ আলম প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং ১০ নভেম্বর সরকারের উপদেষ্টা হন। তিনি গত বছরের ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন।
ডেস্ক নিউজ