রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
The Dhaka News Bangla

নাহিদ ইসলামের পদত্যাগ দাবি করে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা দিলেন রাশেদ খাঁন

শেখ হাসিনার সঙ্গে তারেক রহমানের তুলনা করে তাঁকে অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকার অভিযোগ তোলার পর নাহিদ ইসলামের সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। এ জন্য তাঁকে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়ে পদত্যাগের মাধ্যমে নৈতিকতার প্রমাণ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।শনিবার রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন এ দাবি জানান।পোস্টে রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেন, জামায়াতের প্রক্সি সংগঠনের সভাপতি নাহিদ ইসলাম বলেছেন, শেখ হাসিনার মতো তারেক রহমানও অবৈধভাবে ক্ষমতায় রয়েছেন।নাহিদ ইসলামের বক্তব্যের সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন প্রশ্ন তোলেন, বিএনপিকে অবৈধ মনে করলে সেই দলের নেতৃত্বাধীন সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ হিসেবে নাহিদ ইসলামের দায়িত্ব পালন কতটা যৌক্তিক।তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শেখ হাসিনার সঙ্গে তুলনা করে অবৈধ বলার আগে নাহিদ ইসলামের সংসদ থেকে পদত্যাগ করা উচিত ছিল।রাশেদ খাঁনের ভাষ্য, পদত্যাগ না করে বিএনপি সরকারকে অবৈধ আখ্যা দেওয়ায় নাহিদ ইসলামের অবস্থানের নৈতিক ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠবে।পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খাঁন আশা প্রকাশ করেন, নাহিদ ইসলাম আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করে নিজের নৈতিক অবস্থানের প্রমাণ দেবেন। পাশাপাশি রাজপথে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জনসমর্থন প্রমাণের আহ্বানও জানান তিনি।
১১ ঘন্টা আগে

সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদের প্রশাসক কেউ নির্বাচন করতে পারবে না: নাহিদ ইসলাম

আইন শৃঙ্খলার অবনতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দলীয়করণের প্রতিবাদে ৩০ অক্টোবরের গণবিক্ষোভ কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে যাত্রাবাড়ী এলাকায় লিফলেট বিতরণ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ। লিফলেট বিতরণ পূর্ব সংক্ষিপ্ত পথসভায় নাহিদ ইসলাম বলেন, '১৬ বছর পরে যেই সংসদ নির্বাচন হয়েছে, যেই নতুন জাতীয় সংসদ গঠিত হয়েছিল, এই সংসদের মূল্য আর দুই আনাও নাই। এই জাতীয় সংসদ ৫ বছর টিকবে কি না সন্দেহ আছে। কারণ এই জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের কথার কোনো মূল্যায়ন নাই। জনগণের কণ্ঠস্বরের কোনো মূল্যায়ন নাই।' নাহিদ ইসলাম বলেন, 'আমরা দেশে আইনশৃঙ্খলা অবনতি দেখতে চাই না এবং সেটার জন্য প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা অবস্থায় কোনোভাবেই আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।  দ্বিতীয়ত, জ্বালানি খাতে ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে নিয়ে জ্বালানি মন্ত্রীকেও পদত্যাগ করতে হবে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে। এই সংবিধান সংশোধন কমিটির নামে যে নাটক চলছে, যে প্রহসন চলছে, এই প্রহসন বন্ধ করতে হবে। এই কমিটিকে জনগণ আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত করেছে।'স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, 'ঢাকা দক্ষিণের যে প্রশাসক দেওয়া হয়েছে, অবৈধ প্রশাসক, সেই প্রশাসককে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করা হলো বিএনপির পক্ষ থেকে। এটা কোন ধরনের গণতন্ত্র? এ প্রশাসক কেন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে? এই যত প্রশাসক দেওয়া হয়েছে জেলা পরিষদ এবং সিটি কর্পোরেশনে, তারা কেউ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর যে বক্তব্য, এই বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে।'কর্মসূচিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে এনসিপির মেয়রপ্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য আলী আহসান জুনায়েদসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
১৬ ঘন্টা আগে

চান্দিনার অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট, দুইজনকে অর্থদণ্ড

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বাতাঘাসি ইউনিয়নে অবৈধ ড্রেজার দিয়ে মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময় পৃথক দুটি মামলায় দুইজনকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) পরিচালিত এ অভিযানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এবং বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী তাঁদের অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে মাটি উত্তোলন এবং কৃষিজমির উপরিভাগের উর্বর মাটি কেটে ফেলার ফলে জমির উর্বরতা হ্রাস ও ভূমির শ্রেণি পরিবর্তনের ঝুঁকি তৈরি হয়। এসব কর্মকাণ্ড পরিবেশ ও কৃষির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয়।পরিবেশ, কৃষিজমি ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও মোবাইল কোর্টের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।একই সঙ্গে আইন মেনে চলার পাশাপাশি পরিবেশ ও কৃষিজমি সংরক্ষণে সবাইকে সচেতন ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
২৪ অক্টোবর ২০২৬
৪ দিনের সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

৪ দিনের সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, জাপানি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরির লক্ষ্যে চার দিনের সরকারি সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে এ সফরে বাণিজ্য, অবকাঠামো, প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।রোববার দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে টোকিওর উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।সফরের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন তারেক রহমান। বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের বিদ্যমান সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।এ ছাড়া জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ফোরামে মূল বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি দেশটির ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।সফরসূচিতে জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকা, জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেট্রো), জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন (জেবিআইসি) এবং সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে। পাশাপাশি এলএনজি টার্মিনাল, বিদ্যুৎকেন্দ্র, ইউনিক্লোর সদরদপ্তর ও টয়োটার কারখানা পরিদর্শনের কর্মসূচি রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানো, কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করা এ সফরের অন্যতম লক্ষ্য। এ ছাড়া ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সই হওয়া বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) বাস্তবায়নের বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পেতে পারে। চুক্তিটি কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়ামের ভাষ্য অনুযায়ী, সফরকালে কৃষি, মৎস্য, দক্ষতা উন্নয়ন, বাণিজ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ ও স্থানীয় সরকারব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন খাতে সমঝোতা স্মারক সই অথবা সহযোগিতার বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে।অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার মতো বিষয়ও দুই পক্ষের আলোচনায় স্থান পেতে পারে।সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। একই সঙ্গে বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা তৈরির পথও উন্মুক্ত হতে পারে।
৩ ঘন্টা আগে
সারাদেশ

সারাদেশ

জাতীয়

জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন আজ

প্রধানমন্ত্রীর কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন আজ

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচিত একটি পরিবারের সদস্য ব্যারিস্টার জাইমা জারনাজ রহমানের ৩১তম জন্মদিন আজ রোববার (২৫ অক্টোবর)। ১৯৯৫ সালের এই দিনে ঢাকার হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তিনি প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র কন্যা।পারিবারিক পরিচয়ের পাশাপাশি আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত অভিজ্ঞতার কারণে আলোচনায় রয়েছেন জাইমা রহমান। আইন পেশায় কাজের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন তিনি।জাইমা রহমানের দাদা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত সেক্টর কমান্ডার। তাঁর দাদি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। অন্যদিকে, তাঁর নানা রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান ছিলেন। তিনি সরকারের মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন।শিক্ষাজীবনে জাইমা রহমান ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরবর্তী সময়ে যুক্তরাজ্যের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী আইনি প্রতিষ্ঠান ইনার টেম্পলের মাধ্যমে ব্যারিস্টারি পেশার যোগ্যতা অর্জন করেন। যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশে আইন পেশায় কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্টে বিএনপির প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে অংশ নেন জাইমা রহমান। ওই সফরে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। পরে গণতন্ত্র, নারী অধিকার এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আয়োজিত বিভিন্ন আলোচনাতেও অংশ নেন তিনি।এ ছাড়া, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির কার্যালয়ে আইন কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর দায়িত্ব পালনের খবর প্রকাশিত হয়। ওই কার্যালয়ে সভাপতির নির্বাহী দপ্তরের আইনি বিষয়গুলো নিয়ে তিনি কাজ করছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।আইন পেশার বাইরেও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন জাইমা রহমান। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে কাজ করা সংস্থা সুরভীর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।জন্মদিনে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন, শিক্ষাগত যোগ্যতা, আইন পেশায় অভিজ্ঞতা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সম্পৃক্ততা নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
৩ ঘন্টা আগে
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপের মুকুট উঠল স্পেনের মাথায়। টানটান উত্তেজনার ফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেল লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।সোমবার (বাংলাদেশ সময়) ভোরে নিউইয়র্ক–নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে শুরু থেকেই ছন্দে ছিল স্পেন। বলের দখল, আক্রমণ এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ সবকিছুতেই এগিয়ে ছিল তারা। অন্যদিকে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা নিজেদের পরিচিত ফুটবল খেলতে পারেনি। স্পেনের শক্ত রক্ষণভাগ ভাঙতে পুরো ম্যাচেই বেশ ভুগতে হয়েছে তাদের।নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো দলই গোল করতে না পারায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ১০৬তম মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে ফেরান তোরেস স্পেনকে কাঙ্ক্ষিত গোল এনে দেন। বক্সের ভেতরে পাওয়া সুযোগটি দারুণ দক্ষতায় কাজে লাগিয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।গোল হজমের পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালায় আর্জেন্টিনা। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আক্রমণ অব্যাহত রাখলেও স্পেনের রক্ষণভাগ ছিল অনড়। ফলে সমতায় ফিরতে পারেনি আলবিসেলেস্তেরা।শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই উৎসবে মেতে ওঠে স্পেন শিবির। ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে ভাসে স্প্যানিশরা। একই সঙ্গে লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে আরও একটি বড় শিরোপা যোগ হলো তাদের অর্জনের তালিকায়।অন্যদিকে শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামা আর্জেন্টিনাকে এবার রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো। পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করলেও ফাইনালের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নিজেদের সেরাটা দেখাতে না পারার মূল্য দিতে হয়েছে মেসিদের।
২০ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন আমাদের পথ দেখিয়েছে: নেহা বোরা

বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন আমাদের পথ দেখিয়েছে: নেহা বোরা

ভারতের তরুণদের চলমান আন্দোলনে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের সংগ্রাম অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) কেন্দ্রীয় সভাপতি নেহা বোরা। তাঁর মতে, বাংলাদেশে শুরু হওয়া জেন-জি আন্দোলন তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রেরণা দিয়েছে।সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে পাঠানো এক সংহতি বার্তায় এসব কথা বলেন নেহা বোরা। বার্তাটি সংগঠনটির ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়েছে।বার্তায় নেহা বোরা বলেন, ভারতে বিভিন্ন স্থানে তরুণদের মধ্যে যে জেন-জি আন্দোলন দেখা যাচ্ছে, তার সূচনা হয়েছিল বাংলাদেশে। আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা অন্যদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।বাংলাদেশ ও ভারতের আন্দোলনের লক্ষ্যগুলোর মধ্যে মিল রয়েছে উল্লেখ করে নেহা বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিকে কেন্দ্র করে আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। একইভাবে ভারতের শিক্ষার্থী ও তরুণেরাও ভোটাধিকারসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক দাবি নিয়ে রাজপথে আন্দোলন করছেন।ধর্মীয় মৌলবাদবিরোধী সংগ্রামের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশে এ ধরনের প্রবণতার বিরুদ্ধে যে লড়াই চলছে, ভারতের তরুণেরাও একই ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন। দুই দেশের শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা ও সংগ্রামের মধ্যে পারস্পরিক সংহতি গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পরিস্থিতির সঙ্গে বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গনের অভিজ্ঞতার তুলনা করে নেহা বোরা শিক্ষার গেরুয়াকরণ ও একাডেমিক স্বাধীনতার প্রশ্ন উত্থাপন করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশেও মুক্তচিন্তার পরিসর সংকুচিত হওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যে চাপ ও হুমকির মুখে পড়েছিল, সেই প্রসঙ্গও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে নেহা বোরা দক্ষিণ এশিয়ার তরুণদের মধ্যে সহযোগিতা ও ঐক্য আরও জোরদার করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, এ অঞ্চলের তরুণদের পারস্পরিক সহযোগিতা একটি উন্নত ও গণতান্ত্রিক দক্ষিণ এশিয়া গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।ভারতে তরুণদের আন্দোলনে নেহা বোরা অন্যতম আলোচিত ছাত্রনেত্রী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের সময় তাঁর উপস্থিতির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাঁকে ঘিরে আলোচনা আরও বাড়ে। নাট্যকর্মী ও ছাত্র আন্দোলনের সংগঠক হিসেবে তিনি নির্বাচনি সংস্কার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বাধীন পরিবেশ এবং ভিন্নমত প্রকাশের অধিকার নিয়ে সরব রয়েছেন।
১৪ অক্টোবর ২০২৬
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

সারাদেশ

সারাদেশ

কুমিল্লায় তানযীমুল উম্মাহ ইন্টিগ্রেটেড তাহফিজ মাদরাসার শাখা কার্যালয় উদ্বোধন

কুমিল্লায় তানযীমুল উম্মাহ ইন্টিগ্রেটেড তাহফিজ মাদরাসার শাখা কার্যালয় উদ্বোধন

ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসার এবং মানসম্মত শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কুমিল্লার ধর্মপুরে তানযীমুল উম্মাহ ইন্টিগ্রেটেড তাহফিজ মাদরাসার শাখা কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন, মতবিনিময় সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় ধর্মপুর শাখা কার্যালয়ের মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ও নোয়াখালী-কুমিল্লা অঞ্চলের চেয়ারম্যান শাহ মো. ওলিউর রহমান চিশতী।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহ মো. ওলিউর রহমান চিশতী বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, ফলাফলের মানের দিক থেকে আমরা প্রথম হয়েছি। আমাদের শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পায়, রাষ্ট্রীয় পুরস্কার অর্জন করে। কয়েক দিন আগেও আমাদের শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রীর পুরস্কার পেয়েছে। মানসম্মত শিক্ষার ক্ষেত্রে আমরা ভালো একটি অবস্থানে রয়েছি।”শিক্ষার্থীদের কল্যাণে প্রতিষ্ঠানের সামাজিক দায়বদ্ধতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়ার পাশাপাশি আর্থিক ও অন্যান্য সমস্যায় থাকা শিক্ষার্থীদের সহযোগিতার জন্যও প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের আবেদন ও তাদের আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে সহযোগিতার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সামর্থ্য ও পরিস্থিতি অনুযায়ী কাউকে ফিরিয়ে না দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে তাঁরা কাজ করছেন বলেও জানান তিনি।মেয়েশিশুদের শিক্ষা ও নিরাপত্তা প্রসঙ্গে শাহ মো. ওলিউর রহমান চিশতী বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম চালু থাকবে। প্লে, নার্সারি ও কেজি শ্রেণিতে ছেলে-মেয়েরা একসঙ্গে পড়াশোনা করবে। প্রথম শ্রেণি থেকে শ্রেণি কার্যক্রম পৃথক রাখার ব্যবস্থা থাকবে। মেয়েদের জন্য নারী শিক্ষক নিয়োগ এবং শিক্ষার উপযোগী নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন মোস্তাফিজুর রহমান। তানযীম সংগীত ও হামদ পরিবেশন করে তানযীম শিল্পীগোষ্ঠী। স্বাগত বক্তব্য দেন তানযীমুল উম্মাহর চাঁদপুর ব্রাঞ্চ ইনচার্জ হাফেজ ইমরান হোসাইন। এ সময় কুমিল্লা শাখা প্রধান শায়খ ইউসুফ আল আজহারী মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন।অনুষ্ঠানে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসার, মানসম্মত পাঠদান, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ এবং প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় হয়। এতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, আলেম-ওলামা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন রূপসী বাংলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ইফতেখারুল আলম ভূঁইয়া, সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট কাউছার আলম ভূঁইয়া, একবালিয়া মাদরাসার প্রভাষক হাবিবুর রহমান আল ফরিদী, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ শফিউল আলম রায়হান এবং আল-আবরার মাদরাসার অধ্যক্ষ ইব্রাহিম মুসাফির।এ ছাড়া তামিরুল উম্মাহ আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ রাশেদুল ইসলাম, লিগ্যাল অ্যাকশন বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলা সভাপতি আরিফুল ইসলাম টুকু, সাংবাদিক ও দৈনিক সময়ের আলোর প্রতিনিধি অ্যাডভোকেট মো. রুবেল, পুলিশ লাইন জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. শরফুদ্দীন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাসুদ আলম ফয়সাল এবং ইসলামী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার রাশেদুল হক রাসেলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানের শেষপর্বে দোয়া পরিচালনা করেন একবালিয়া মাদরাসার প্রভাষক হাবিবুর রহমান আল ফরিদী।ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, মানবিক মূল্যবোধ ও মেধা বিকাশে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা নিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সার ডিলারশিপ নেওয়ার অভিযোগ যুবদল সভাপতির বিরুদ্ধে

দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সার ডিলারশিপ নেওয়ার অভিযোগ যুবদল সভাপতির বিরুদ্ধে

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ক্রিকেট

ক্রিকেট

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে টেস্টে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে টেস্টে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

মেহেদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণিতে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে ৫৭ রানের সহজ লক্ষ্য মাত্র ১৪.২ ওভারে পেরিয়ে যায় টাইগাররা। এর মধ্য দিয়ে ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলতে নেমে প্রথমবারের মতো টেস্ট জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ।ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে এটি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের তৃতীয় টেস্ট। এর আগে ২০০৩ সালে প্রথমবার অস্ট্রেলিয়া সফরে দুই ম্যাচেই হেরেছিল বাংলাদেশ।অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় জয়। এর আগে ২০১৭ সালে মিরপুর টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ২০ রানে হারিয়েছিল টাইগাররা।প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে অলআউট করে বাংলাদেশ ৪২৬ রান সংগ্রহ করে। ফলে প্রথম ইনিংসেই ২২৮ রানের লিড পায় টাইগাররা। দ্বিতীয় ইনিংসে তৃতীয় দিন শেষে ৪ উইকেটে ১৬১ রান করেছিল অস্ট্রেলিয়া। তখনও ৬ উইকেট হাতে রেখে ৬৭ রানে পিছিয়ে ছিল স্বাগতিকরা। ক্যামেরন গ্রিন ৪৩ ও অ্যালেক্স ক্যারি ১৯ রানে অপরাজিত ছিলেন।চতুর্থ দিনের সপ্তম ওভারে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন মিরাজ। উইকেটের পেছনে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ৩০ রানে ফেরেন ক্যারি। এরপর বো ওয়েবস্টারকে মাত্র ৫ রানে বোল্ড করে নিজের দ্বিতীয় উইকেট নেন মিরাজ।এরপর অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকেও সাজঘরে ফেরান এই অফস্পিনার। শর্ট লেগে সাদমান ইসলামের ক্যাচে মাত্র ৮ রানে আউট হন কামিন্স। ২০৭ রানে সপ্তম উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া।অষ্টম উইকেটে ক্যামেরন গ্রিন ও মিচেল স্টার্ক ৪৩ রানের জুটি গড়ে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ আড়াইশর কাছাকাছি নিয়ে যান। ১৮ রান করা স্টার্ককে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন বাংলাদেশের পেসার তাসকিন আহমেদ।স্টার্ক ফেরার পর ন্যাথান লায়নকে নিয়ে জুটি গড়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় এবং দেশের মাটিতে প্রথম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন গ্রিন। তবে তিন অঙ্কে পৌঁছানোর পর আর ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। হাসান মাহমুদের বলে বোল্ড হয়ে ১০৪ রানে ফেরেন গ্রিন। ২০১ বলের ইনিংসে চারটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান তিনি।গ্রিনের বিদায়ের পর ২৭৮ রানেই নবম উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। এরপর ন্যাথান লায়নকে ১৫ রানে এলবিডব্লিউ করে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস শেষ করেন মিরাজ। রিভিউ নিয়েও সিদ্ধান্ত বদলাতে পারেননি লায়ন। ২৮৪ রানে অলআউট হয়ে বাংলাদেশকে জয়ের জন্য ৫৭ রানের লক্ষ্য দেয় অস্ট্রেলিয়া। জশ হ্যাজেলউড শূন্য রানে অপরাজিত থাকেন।বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৬ রানে ৫ উইকেট নেন মিরাজ। ৫৯ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি ইনিংসে তার ১৫তম পাঁচ উইকেটের কীর্তি। হাসান মাহমুদ নেন ৩ উইকেট এবং তাইজুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ নেন একটি করে উইকেট।৫৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই তানজিদ হাসানকে হারায় বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ১০১ রান করা এই ওপেনার এবার জশ হ্যাজেলউডের বলে কোনো রান না করেই আউট হন।এরপর আর কোনো বিপদ হতে দেননি সাদমান ইসলাম ও মোমিনুল হক। দ্বিতীয় উইকেটে ৫৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে মাত্র ১৪.২ ওভারে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তারা। ওয়েবস্টারের বলে চার মেরে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করেন মোমিনুল।সাদমান ৪টি চারে ২৫ এবং মোমিনুল ২টি বাউন্ডারিতে ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে হ্যাজেলউড নেন একমাত্র উইকেটটি।প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে ৫৫ রানে ৬ উইকেট এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৬ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন হাসান মাহমুদ।এই জয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। আগামী ২২ আগস্ট ম্যাকায়তে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে টাইগাররা। সংক্ষিপ্ত স্কোরঅস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস: ১৯৮বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৪২৬অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংস: ২৮৪/১০, ৯৫.১ ওভারগ্রিন ১০৪, স্মিথ ৪৪; মিরাজ ৫/৬৬বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস: ৫৭/১, ১৪.২ ওভারসাদমান ২৫*, মোমিনুল ৩০*; হ্যাজেলউড ১/৫ফল: বাংলাদেশ ৯ উইকেটে জয়ীসিরিজ: দুই ম্যাচের সিরিজে বাংলাদেশ ১-০ ব্যবধানে এগিয়েম্যাচসেরা: হাসান মাহমুদ (বাংলাদেশ)
১৬ আগস্ট ২০২৬
ইসলামীক

ইসলামীক

সফল হজ ব্যবস্থাপনার পর বাংলাদেশকে হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর করলো সৌদি আরব

সফল হজ ব্যবস্থাপনার পর বাংলাদেশকে হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর করলো সৌদি আরব

চলতি বছরের হজ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের সহকারী মন্ত্রী ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ বাংলাদেশের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব কাজী শাহ মফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ এর নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর করেন।এ সময় সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনা, সমন্বয় এবং হাজীদের সেবার মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে। হজ ২০২৭ রোডম্যাপে ভবিষ্যৎ হজ ব্যবস্থাপনার জন্য সৌদি আরবের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, কৌশলগত লক্ষ্য, পরিচালনাগত নির্দেশনা এবং সেবার মানোন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।সফরকালে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব কাজী শাহ মফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপমন্ত্রী ড. আব্দুল ফাত্তাহ বিন সুলায়মান মাশাতের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন। এছাড়াও তিনি সহকারী মন্ত্রী ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ-এর সঙ্গে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার হজ বিষয়ক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।বৈঠকগুলোতে উভয় পক্ষ চলতি হজ মৌসুমের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশি হাজীদের জন্য আরও উন্নত ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে মতবিনিময় করেন। আলোচনায় আবাসন ব্যবস্থা, পরিবহন, ডিজিটাল সেবা, জনসমাগম ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যসেবা, লাগেজ ব্যবস্থাপনা এবং হাজীদের সামগ্রিক অভিজ্ঞতা উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।ড. আব্দুল ফাত্তাহ বিন সুলায়মান মাশাত এবং ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ উভয়েই বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেন এবং চলতি হজ মৌসুমে বাংলাদেশ হজ মিশন ও সংশ্লিষ্ট সকলের কার্যকর সমন্বয় এবং আন্তরিক প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে এবং হাজীদের সেবার মান আরও উন্নত হবে।বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ সৌদি সরকারের প্রতি, বিশেষ করে দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম, হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ভবিষ্যতেও বাংলাদেশি হাজীদের কল্যাণে সৌদি আরবের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুরো হজ কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং হজ মৌসুম জুড়ে ধারাবাহিকভাবে দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন, যাতে বাংলাদেশি হাজীদের নিরাপত্তা, কল্যাণ ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা যায়।হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর এবং সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকগুলো বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং ভবিষ্যতের হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও দক্ষ, আধুনিক ও হাজীবান্ধব করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মতামত

মতামত

পানি আছে, তবু সংকট কেন

পানি আছে, তবু সংকট কেন

বাংলাদেশকে নদী, খাল-বিল, হাওর-বাঁওড় ও ভূগর্ভস্থ পানির দেশ বলা হয়। বর্ষায় কোথাও কোথাও পানি যেন অতিরিক্ত, আবার শুষ্ক মৌসুমে একই দেশের মানুষকে এক কলস নিরাপদ পানির জন্য অপেক্ষা করতে হয়। উপকূলের কোনো পরিবার লবণাক্ততার কারণে মিঠা পানির সন্ধানে দূরে যায়, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষক ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিয়ে উদ্বিগ্ন, আর ঢাকার অনেক এলাকায় গ্রীষ্মে পানির চাপ কমে যায়। তাহলে প্রশ্নটি স্বাভাবিক: পানি সমৃদ্ধ দেশে পানির সংকট কেন?সমস্যাটি আসলে পানির পরিমাণের চেয়ে পানির প্রাপ্যতা, গুণমান, ব্যবস্থাপনা ও বণ্টনের। বাংলাদেশে মৌসুমি বৃষ্টিপাত প্রচুর হলেও সেই পানির বড় অংশ বর্ষাকালে দ্রুত নদী দিয়ে সাগরে চলে যায়। শুষ্ক মৌসুমে সেই পানি ধরে রাখার সক্ষমতা সীমিত। বিশ্বব্যাংকের এক বিশ্লেষণেও বাংলাদেশের পানি ব্যবস্থাপনার বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বর্ষার পানি সংরক্ষণের সীমিত অবকাঠামো, ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত ব্যবহার এবং দূষণকে চিহ্নিত করা হয়েছে।এই ব্যবস্থার সবচেয়ে দৃশ্যমান উদাহরণ ঢাকা। শহরের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে দীর্ঘদিন ধরে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা তৈরি হয়েছে। এডিবির তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার পানি সরবরাহের বড় অংশ ভূগর্ভ থেকে আসে এবং অতিরিক্ত উত্তোলনের কারণে পানির স্তর বছরে কয়েক মিটার পর্যন্ত নেমেছে। একই সময়ে নদী ও জলাশয়গুলো দূষিত হওয়ায় বিকল্প হিসেবে সহজে ব্যবহারযোগ্য পৃষ্ঠের পানির উৎসও সংকুচিত হয়েছে।এখানেই বাংলাদেশের পানি সংকটের একটি বড় বৈপরীত্য দেখা যায়। আমরা পানি তুলছি, কিন্তু পানি ধরে রাখছি না। জলাভূমি ভরাট করছি, খাল দখল বা সংকুচিত করছি, নদীতে বর্জ্য ফেলছি; আবার বৃষ্টির পানি চলে যাওয়ার পর ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভর করছি। অর্থাৎ পানি ব্যবস্থাপনাকে একটি সমন্বিত প্রাকৃতিক চক্র হিসেবে না দেখে প্রয়োজন অনুযায়ী একটি সম্পদ উত্তোলনের বিষয় হিসেবে বিবেচনা করছি।কৃষিও এই চাপের বড় অংশ তৈরি করে। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে সেচের জন্য ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা অনেক এলাকায় বেড়েছে। বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক একটি বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বছরে প্রায় ৩২ ঘনকিলোমিটার ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন করা হয়, যার প্রায় ৯০ শতাংশ কৃষিতে সেচের কাজে ব্যবহৃত হয়। একই গবেষণায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর কমে যাওয়া, আর্সেনিক ও লবণাক্ততার সম্মিলিত ঝুঁকিও দেখানো হয়েছে।তবে শুধু ভূগর্ভস্থ পানি কমে যাওয়াই সমস্যা নয়। পানি থাকলেও সেটি নিরাপদ নাও হতে পারে। ২০২৫ সালের বাংলাদেশ মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভের তথ্য বলছে, দেশের ৯৮.৬ শতাংশ মানুষ অন্তত মৌলিক পানীয় পানির সুবিধা পেলেও নিরাপদ ব্যবস্থাপনার আওতায় রয়েছে প্রায় ৩৯ শতাংশ। আরও উদ্বেগের বিষয়, গৃহস্থালি পর্যায়ে সংগৃহীত পানির ৮৪.৯ শতাংশে ই-কোলাই দূষণ পাওয়া গেছে।উপকূলীয় অঞ্চলে সংকটটির চরিত্র আবার ভিন্ন। সেখানে সমুদ্রের লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ, ঘূর্ণিঝড় ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে মিঠা পানির উৎসের ওপর চাপ বাড়ছে। ফলে দেশের এক অংশে ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত উত্তোলন যেমন সমস্যা, অন্য অংশে মিঠা পানির উৎসে লবণাক্ততা তেমনি বড় বাধা। উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে আবার খরা ও ভূগর্ভস্থ পানির ওপর কৃষির নির্ভরতা ভিন্ন ধরনের চাপ তৈরি করছে। পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থা ইতিমধ্যে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ১৩ জেলায় অ্যাকুইফার ম্যাপিং ও পানি সংকটাপন্ন এলাকা নির্ধারণের প্রকল্প নিয়েছে, যা সমস্যাটির প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতিও নির্দেশ করে।অবশ্য উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন ও নগরায়ণের জন্য পানির ব্যবহার বাড়বে, সেটি স্বাভাবিক। তাই সমাধান পানি ব্যবহার বন্ধ করা নয়; বরং কোথায় কত পানি উত্তোলন করা যাবে, কোথায় পানি সংরক্ষণ করা দরকার এবং কোন উৎস কোন কাজে ব্যবহারযোগ্য, সেই ব্যবস্থাপনা বদলানো। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, জলাভূমি ও খাল পুনরুদ্ধার, নদীদূষণ নিয়ন্ত্রণ, কৃষিতে পানির দক্ষ ব্যবহার এবং শহরের পানি সরবরাহে ভূগর্ভস্থ উৎসের ওপর নির্ভরতা কমানোকে একই পরিকল্পনার অংশ করতে হবে। একই সঙ্গে পানি ব্যবহারের তথ্য, উত্তোলনের পরিমাণ ও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর সম্পর্কে নিয়মিত ও উন্মুক্ত তথ্য প্রয়োজন।বাংলাদেশের পানি সংকট তাই পানির অভাবের সরল গল্প নয়। এটি একদিকে অতিরিক্ত পানি, অন্যদিকে অনুপস্থিত মিঠা পানি; একদিকে দূষিত নদী, অন্যদিকে দ্রুত নেমে যাওয়া ভূগর্ভস্থ পানির স্তর; একদিকে বর্ষার জলাবদ্ধতা, অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমের তৃষ্ণার গল্প। পানি সমৃদ্ধ দেশ হওয়া আমাদের ভৌগোলিক সুবিধা। কিন্তু সেই সুবিধা স্থায়ী সম্পদে পরিণত হবে কি না, তা নির্ভর করছে আমরা পানিকে কতটা পরিকল্পিতভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবহার করতে পারছি তার ওপর। প্রশ্নটি তাই ‘বাংলাদেশে পানি আছে কি না’ নয়, বরং আমাদের প্রয়োজনের সময়, প্রয়োজনীয় জায়গায়, নিরাপদ পানি পৌঁছে দেওয়ার সক্ষমতা আছে কি না।
তানজিদ শুভ্র