সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
The Dhaka News Bangla

মেসির বাবা জর্জ মেসি আর নেই

আর্জেন্টিনার রোজারিওর একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির বাবা ও দীর্ঘদিনের এজেন্ট জর্জ মেসি। স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ১০টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর।আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম ইনফোবে-এর তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর রোজারিওর একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান জর্জ মেসি।লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারে জর্জ মেসির ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মেসির ফুটবল ক্যারিয়ারের শুরুর সময় থেকেই তিনি ছেলের পাশে ছিলেন। পরবর্তীতে মেসি বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হয়ে ওঠার দীর্ঘ যাত্রাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি।জর্জ মেসি দীর্ঘদিন লিওনেল মেসির এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ছেলের পক্ষে বিভিন্ন ক্লাব ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি ও পেশাগত বিষয়ে আলোচনা পরিচালনার পাশাপাশি মেসির ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন।শৈশব থেকে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ে লিওনেল মেসির উঠে আসার পেছনে জর্জ মেসির অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। তাঁর মৃত্যুতে মেসি পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
০৮ আগস্ট ২০২৬

আজ এই দিনে শপথ নিয়েছিল ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে শুরু হয় নতুন অধ্যায়। ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। ওইদিন বঙ্গভবনের দরবার হলে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন ড. ইউনূস। পরে শপথ নেন অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যান্য উপদেষ্টাও।এর আগে ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ব্যাপক আন্দোলনের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন। এরপর রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেন এবং দেশে একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক দল, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে আলোচনার পর অর্থনীতিবিদ ও নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।৮ আগস্ট রাতে বঙ্গভবনের দরবার হলে আনুষ্ঠানিক শপথ অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ পড়ান। এরপর অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যান্য উপদেষ্টা শপথ নেন। এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করে নতুন সরকার।দায়িত্ব নেওয়ার পর ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের সামনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে ছিল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা, প্রশাসনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, অর্থনীতি সচল রাখা, দুর্নীতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাতে প্রয়োজনীয় সংস্কার করা।একই সঙ্গে জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ঘিরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড, সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগও শুরু হয়।অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনের আগে রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করার কথা জানায়। এর অংশ হিসেবে নির্বাচনব্যবস্থা, বিচারব্যবস্থা, পুলিশ, জনপ্রশাসন ও সংবিধানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সংস্কারের জন্য পরবর্তী সময়ে একাধিক কমিশন গঠন করা হয়।সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনে পরিবর্তন আনার উদ্যোগও শুরু হয়। একই সঙ্গে রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্য একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের পথ তৈরির বিষয়টি আলোচনায় আসে।এভাবেই ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী পর্যায়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনায় শুরু হয় অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যায়। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর গঠিত এই সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের উদ্যোগ নেয়।
০৮ আগস্ট ২০২৬

রাষ্ট্রপতি পদে কোন প্রস্তাব পাননি ড. মুহাম্মদ ইউনূস

সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। রাষ্ট্রপতি পদটি শূন্য হওয়ার পর তাকে ঘিরে নানা আলোচনা তৈরি হলেও সরকারের পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।বিএনপি সরকারের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি পদে দায়িত্ব পালনের জন্য অধ্যাপক ইউনূসকে কোনো প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।সূত্রের বরাতে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর রয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে থাকা ব্যক্তিদের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।এদিকে অধ্যাপক ইউনূসের ঘনিষ্ঠজনদের দাবি, রাজনৈতিক সরকারের অধীনে কোনো পদ গ্রহণে তিনি আগ্রহী নন। ফলে রাষ্ট্রপতি পদে তার নাম নিয়ে আলোচনা থাকলেও এ ধরনের দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে তার অনাগ্রহ রয়েছে বলে জানা গেছে।গত মাসে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর দেশের রাষ্ট্রপতি পদটি শূন্য হয়। অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি পদত্যাগ করেন। শেখ হাসিনা সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়া সাহাবুদ্দিন রাজনৈতিক চাপের পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবির মুখে পদত্যাগ করেন।বর্তমানে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সংসদ নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না করা পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্বে থাকবেন।বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতির নির্বাহী ক্ষমতা সীমিত হলেও রাজনৈতিক সংকট, নেতৃত্বের শূন্যতা কিংবা সাংবিধানিক পরিবর্তনের সময়ে রাষ্ট্রপতির পদটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।অন্যদিকে অধ্যাপক ইউনূসকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নতুন করে আলোচনা চলছে। জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিবের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় ঘনিয়ে আসায় পরবর্তী মহাসচিব পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তার নাম নিয়েও আলোচনা রয়েছে।ইউনূসের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা হয়েছে। তবে এই মুহূর্তে জাতিসংঘের কোনো দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়েও অধ্যাপক ইউনূস আগ্রহী নন বলে সূত্রটি জানিয়েছে।
০৭ আগস্ট ২০২৬
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল অলি

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল অলি

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমের নাম ঘোষণা করেছে। তিনি ১১ দলীয় ঐক্যের শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট।রোববার রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে কর্নেল অলির নাম চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন।সংবাদ সম্মেলনে জোটের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে কর্নেল অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে সব দলের পক্ষ থেকে সম্মতি দেওয়া হয়েছে।জামায়াত আমির শফিকুর রহমান বলেন, “আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোত্তম ব্যক্তিকে আমরা প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন দিয়েছি। তার জন্য সবাই দোয়া করবেন।” কর্নেল অলির রাজনৈতিক জীবনপ্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত কর্নেল অলি আহমদ বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিলেন। জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সরকারে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। খালেদা জিয়ার প্রথম সরকারেও মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন কর্নেল অলি।২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি চট্টগ্রাম-১৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে একই নির্বাচনে তৎকালীন চট্টগ্রাম-১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীর কাছে পরাজিত হন তিনি। ওই নির্বাচনে সারাদেশে বিএনপি-জামায়াত জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করলেও চট্টগ্রাম-১৪ আসনটি উভয় দলের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছিল। ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও কর্নেল অলি খালেদা জিয়ার সরকারের মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।২০০৬ সালে বিএনপি থেকে বেরিয়ে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) গঠন করেন কর্নেল অলি। সে সময় তাঁর সঙ্গে বিএনপির ৩২ জন সংসদ সদস্যও দলটি ছেড়ে এলডিপিতে যোগ দেন। এটিকে বিএনপির ইতিহাসে অন্যতম বড় ভাঙন হিসেবে দেখা হয়।২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এলডিপি এককভাবে অংশ নিয়ে নির্বাচনে জয়ী হন কর্নেল অলি। পরে ২০১২ সালে খালেদা জিয়ার আহ্বানে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেয় এলডিপি।আসন নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেয় কর্নেল অলির নেতৃত্বাধীন এলডিপি। এবার সেই ১১ দলীয় ঐক্যই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাদের প্রার্থী হিসেবে কর্নেল অলি আহমদের নাম ঘোষণা করেছে।
১৭ ঘন্টা আগে
জাতীয়

জাতীয়

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল অলি

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল অলি

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমের নাম ঘোষণা করেছে। তিনি ১১ দলীয় ঐক্যের শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট।রোববার রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে কর্নেল অলির নাম চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন।সংবাদ সম্মেলনে জোটের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে কর্নেল অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে সব দলের পক্ষ থেকে সম্মতি দেওয়া হয়েছে।জামায়াত আমির শফিকুর রহমান বলেন, “আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোত্তম ব্যক্তিকে আমরা প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন দিয়েছি। তার জন্য সবাই দোয়া করবেন।” কর্নেল অলির রাজনৈতিক জীবনপ্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত কর্নেল অলি আহমদ বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিলেন। জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সরকারে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। খালেদা জিয়ার প্রথম সরকারেও মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন কর্নেল অলি।২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি চট্টগ্রাম-১৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে একই নির্বাচনে তৎকালীন চট্টগ্রাম-১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীর কাছে পরাজিত হন তিনি। ওই নির্বাচনে সারাদেশে বিএনপি-জামায়াত জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করলেও চট্টগ্রাম-১৪ আসনটি উভয় দলের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছিল। ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও কর্নেল অলি খালেদা জিয়ার সরকারের মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।২০০৬ সালে বিএনপি থেকে বেরিয়ে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) গঠন করেন কর্নেল অলি। সে সময় তাঁর সঙ্গে বিএনপির ৩২ জন সংসদ সদস্যও দলটি ছেড়ে এলডিপিতে যোগ দেন। এটিকে বিএনপির ইতিহাসে অন্যতম বড় ভাঙন হিসেবে দেখা হয়।২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এলডিপি এককভাবে অংশ নিয়ে নির্বাচনে জয়ী হন কর্নেল অলি। পরে ২০১২ সালে খালেদা জিয়ার আহ্বানে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেয় এলডিপি।আসন নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেয় কর্নেল অলির নেতৃত্বাধীন এলডিপি। এবার সেই ১১ দলীয় ঐক্যই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাদের প্রার্থী হিসেবে কর্নেল অলি আহমদের নাম ঘোষণা করেছে।
১৭ ঘন্টা আগে
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপের মুকুট উঠল স্পেনের মাথায়। টানটান উত্তেজনার ফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেল লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।সোমবার (বাংলাদেশ সময়) ভোরে নিউইয়র্ক–নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে শুরু থেকেই ছন্দে ছিল স্পেন। বলের দখল, আক্রমণ এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ সবকিছুতেই এগিয়ে ছিল তারা। অন্যদিকে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা নিজেদের পরিচিত ফুটবল খেলতে পারেনি। স্পেনের শক্ত রক্ষণভাগ ভাঙতে পুরো ম্যাচেই বেশ ভুগতে হয়েছে তাদের।নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো দলই গোল করতে না পারায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ১০৬তম মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে ফেরান তোরেস স্পেনকে কাঙ্ক্ষিত গোল এনে দেন। বক্সের ভেতরে পাওয়া সুযোগটি দারুণ দক্ষতায় কাজে লাগিয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।গোল হজমের পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালায় আর্জেন্টিনা। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আক্রমণ অব্যাহত রাখলেও স্পেনের রক্ষণভাগ ছিল অনড়। ফলে সমতায় ফিরতে পারেনি আলবিসেলেস্তেরা।শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই উৎসবে মেতে ওঠে স্পেন শিবির। ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে ভাসে স্প্যানিশরা। একই সঙ্গে লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে আরও একটি বড় শিরোপা যোগ হলো তাদের অর্জনের তালিকায়।অন্যদিকে শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামা আর্জেন্টিনাকে এবার রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো। পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করলেও ফাইনালের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নিজেদের সেরাটা দেখাতে না পারার মূল্য দিতে হয়েছে মেসিদের।
২০ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক

হিমাচলে বাস উলটে নিহত ৮ জন

হিমাচলে বাস উলটে নিহত ৮ জন

ভারতের হিমাচল প্রদেশের চাম্বা জেলায় বাস সড়ক থেকে নিচের আরেকটি সড়কে পড়ে উলটে  অন্তত ৮ জন নিহত হয়েছে। এতে আরও ১০ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বাসের চালক ও কন্ডাক্টরও রয়েছেন। শনিবার (৮ আগস্ট,২০২৬) সকালে বৈরাগড়-তিসা সড়কের দেবীকোঠি এলাকার চালুঞ্জ মোড়ের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।শর্মা বাস সার্ভিসের বাসটি বৈরাগড় থেকে চাম্বার দিকে যাচ্ছিল। কর্মকর্তারা জানান, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বাসটি বৈরাগড় থেকে ছাড়ে। প্রায় তিন কিলোমিটার যাওয়ার পর দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে ১৮ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানাযায়। বাসটি প্রথমে সড়কে উলটে যায়, পরে নিচের আরেকটি সড়কে গিয়ে পড়ে। এতে কয়েকজন যাত্রী বাসটির ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েন।চাম্বা জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ আটজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। নিহতদের পরিচয় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।
০৮ আগস্ট ২০২৬
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

সারাদেশ

সারাদেশ

গৃহবধূকে হত্যার পর অর্ধশত টুকরো, ৯ পলিব্যাগে ভরে ঘরের পেছনে ফেলার অভিযোগ

গৃহবধূকে হত্যার পর অর্ধশত টুকরো, ৯ পলিব্যাগে ভরে ঘরের পেছনে ফেলার অভিযোগ

কুমিল্লার দেবীদ্বারে এক গৃহবধূকে প্রায় অর্ধশত টুকরা করে ৯টি পলিবল‍্যাগে পুরিয়ে বস্তাবন্দী অবস্থায় ঘরের পেছনে লোকিয়ে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভাড়াটিয়া কর্তৃক বাড়ির মালিককে হত‍্যা করতে পারে সন্দেহে ভাড়াটিয়া লাইলী বেগমকে পুলিশ আটক করেছে।ঘটনাটি ঘটে শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে দেবীদ্বার পৌর এলাকার ছোটআলমপুর মোহনা আবাসিক এলাকার দেবীদ্বার দক্ষিন সরকারি প্রাথমিক বিদ‍্যালয়ের পাশে মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়ার মালিকানাধীন বাসায়।হত্যার পর ঘটনা আড়াল করতে লাশ টুকরো টুকরো করে ১১ টি পলিথিনে প্যাকেট করে বস্বাবন্দী অবস্থায় ঘরের পেছনে ফেলে রাখে ঘাতকরা।ওই হত‍্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে নিহতার নিজ বাসার ভাড়াটিয়া লাইলী বেগম (৩৫)কে বিক্ষুব্দ জনতা আটক করে গণধোলাই দিয়ে পার্শ্ববর্তী বালুরমাঠে একটি বৈদ‍্যুতিক পিলারের সাথে বেঁধে মারধর করে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসেবা দিয়ে থানায় নিয়ে যায়।নিহত গৃহবধূ ফরিদা বেগম (৫৫) দেবীদ্বার পৌর এলাকার ফতেহাবাদ ভূঁইয়া বাড়ির মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া(৬৫)’র স্ত্রী।স্থানীয়রা জানান, নিহত গৃহবধূ ফরিদা বেগম নিজ বাসায় একা থাকতেন। প্রায় ৩০ বছর পূর্বে তারা মোহনা আবাসিক এলাকায় বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করে আসছিলেন। স্বামী মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া চট্রগ্রামে শিপে চাকরি করেন এবং দুই মেয়ে রাবেয়া বসরী ও মরিয়ম আক্তারের বিয়ে হয়ে যাওয়ায় বাড়িতে একাই বসবাস করতেন ফরিদা আক্তার। বাড়ির অন্য একটি ঘর ভাড়া দেওয়া হয় লাইলী আক্তরের নিকট। শনিবার সকালে ছোট মেয়ে মরিয়ম আক্তার বাবার বাড়িতে এসে মাকে না পেয়ে খোজাখুজি শুরু করেন। খোজাখুজির এক পর্যায়ে শনিবার সন্ধ্যায় ফরিদা বেগমের লাশ বস্তাবন্দি অবস্থায় ঘরের পেছনে খুঁজে পান। তাদের একমাত্র ছেলে কয়েক বছর পূর্বে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান।গত ৮ দিন পূর্বে (১ আগস্ট) পৌর এলাকার চাপানগর গ্রামের ট্রাক্টর চালক আবুল কালামের স্ত্রী তার স্বামীর সাথে পারিবারিক কলহের জের ধরে ওই বাসার একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন।শনিবার সকাল থেকেই গৃহবধূ ফরিদা বেগমকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলনা। ফরিদাবেগম ডায়াবেটিসের কারনে প্রতিদিন মর্নিং ওয়ার্কে বেরুতেন। তাই তার স্বজনেরা আত্মীয় স্বজনের বাড়ি খুঁজে না পেয়ে মাইকিং করেন। থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করতে গেলে পুলিশ জিডি নেয়নি বলেও তার স্বজনেরা জানিয়েছেন। পরে বিকেলে ফরিদা বেগমের বোনের ছেলে মামুন বাসার পেছনে পলিথিনের কয়েকটি প্যাকেটে তার খন্ডিত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। ঘটনাটি জানা জানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।লাইলী বেগমকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ফরিদা বেগমকে হত্যার কথা স্বীকার করেন এবং তার সাথে সহযোগী কয়েকজনের নাম বলেন।উল্লেখ‍্য লাইলি বেগম ২০২১ সালে ৭ নভেম্বর ভাসুর আমির হোসেনের সাথে পরকীয়ায় আপত্তিকর অবস্থায় আমির হোসেনের ৭ বছরের মেয়ে শিশু ফাহিমা দেখে ফেললে, তার পিতা আমির হোসেন তার নিজ কণ‍্যাকে হত‍্যা করে। সাথে প্রেমিকা লাইলি বেগমসহ ৫ জন ছিলেন। তারা ফাহিমাকে হত‍্যা করে বস্তাবন্দি করে কাচিসাইর পুলের নিচে ফেলে আসে। ওই বছরের ১৪ নভেম্ব তার বস্তাবন্দি গলিত লাশ পায়। ওই মামলায় লাইলী বেগমসহ ৫ জন আসামী গ্রেফতার হলেও ৬ বছর পর জামিনে আসে। লাইলীর স্বামী আবুল কালাম বিয়ে করে ফেললে। লাইলি ওই ভাড়া বাসায় থাকতেন।এ ব্যাপারে দেবীদ্বার থানার ওসি মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, পলিথিনের মোড়ানো ফরিদা ইয়াসমিনের টুকরো করা লাশের ৯টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়েছে, তবে পা এবং মাথা এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আটককৃত লাইলীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে আরো চারজনের নাম উল্লেখ করেছেন। যাচাই বাছাই করে বাকী আসামীদের আটকের চেষ্টা চলছে।
২০ ঘন্টা আগে
৯৭-৯৯ ব্যাচের সাদ্দামসহ অন্যান্য বন্ধুদের স্মরণে চাঁদপুরে আলোচনা সভা, দোয়া ও খাবার বিতরণ

৯৭-৯৯ ব্যাচের সাদ্দামসহ অন্যান্য বন্ধুদের স্মরণে চাঁদপুরে আলোচনা সভা, দোয়া ও খাবার বিতরণ

২০ ঘন্টা আগে
ক্রিকেট

ক্রিকেট

র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি রিতু, জুয়াইরিয়া ও মারুফাদের

র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি রিতু, জুয়াইরিয়া ও মারুফাদের

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) প্রকাশিত নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বশেষ সাপ্তাহিক র‍্যাংকিংয়ে ব্যাটিং ও বোলিং উভয় বিভাগেই উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের কয়েকজন ক্রিকেটারের।মঙ্গলবার প্রকাশিত এই হালনাগাদ র‍্যাংকিংয়ে ব্যাটারদের তালিকায় সবচেয়ে আলোচনায় রয়েছেন ওপেনার জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। তিনি সাত ধাপ এগিয়ে ৯৬তম স্থানে উঠে এসেছেন। এর আগের সপ্তাহেও ৩৬ ধাপ উন্নতি হয়েছিল তার।এ ছাড়া শারমিন আক্তার ছয় ধাপ এগিয়ে ৪৪তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন। আরেক ওপেনার সোবহানা মোস্তারি চার ধাপ এগিয়ে এখন রয়েছেন ৪০তম স্থানে।বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে এখনও সবার ওপরে অবস্থান করছেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। এক ধাপ এগিয়ে তিনি যৌথভাবে ১৯তম স্থানে রয়েছেন। ব্যাটারদের তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন অস্ট্রেলিয়ার জর্জিয়া ভল।বোলারদের র‍্যাংকিংয়েও উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের দুই পেসারের। রিতু মনি ১১ ধাপ এগিয়ে ৪০৮ রেটিং নিয়ে উঠে এসেছেন ৭৫তম স্থানে। অন্যদিকে মারুফা আক্তার ছয় ধাপ এগিয়ে ৫৩৬ রেটিং নিয়ে অবস্থান করছেন ৩৮তম স্থানে।বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছেন লেগ স্পিনার রাবেয়া খান। এক ধাপ এগিয়ে তিনি এখন যৌথভাবে ১৭তম স্থানে আছেন। আর টি-টোয়েন্টি বোলারদের তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ভারতের শ্রী চারানি।এদিকে, নারী টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডারদের র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। তালিকার এক নম্বরে আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হেইলি ম্যাথিউস।
০১ জুলাই ২০২৬
ইসলামীক

ইসলামীক

সফল হজ ব্যবস্থাপনার পর বাংলাদেশকে হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর করলো সৌদি আরব

সফল হজ ব্যবস্থাপনার পর বাংলাদেশকে হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর করলো সৌদি আরব

চলতি বছরের হজ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের সহকারী মন্ত্রী ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ বাংলাদেশের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব কাজী শাহ মফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ এর নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর করেন।এ সময় সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনা, সমন্বয় এবং হাজীদের সেবার মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে। হজ ২০২৭ রোডম্যাপে ভবিষ্যৎ হজ ব্যবস্থাপনার জন্য সৌদি আরবের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, কৌশলগত লক্ষ্য, পরিচালনাগত নির্দেশনা এবং সেবার মানোন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।সফরকালে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব কাজী শাহ মফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপমন্ত্রী ড. আব্দুল ফাত্তাহ বিন সুলায়মান মাশাতের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন। এছাড়াও তিনি সহকারী মন্ত্রী ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ-এর সঙ্গে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার হজ বিষয়ক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।বৈঠকগুলোতে উভয় পক্ষ চলতি হজ মৌসুমের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশি হাজীদের জন্য আরও উন্নত ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে মতবিনিময় করেন। আলোচনায় আবাসন ব্যবস্থা, পরিবহন, ডিজিটাল সেবা, জনসমাগম ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যসেবা, লাগেজ ব্যবস্থাপনা এবং হাজীদের সামগ্রিক অভিজ্ঞতা উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।ড. আব্দুল ফাত্তাহ বিন সুলায়মান মাশাত এবং ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ উভয়েই বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেন এবং চলতি হজ মৌসুমে বাংলাদেশ হজ মিশন ও সংশ্লিষ্ট সকলের কার্যকর সমন্বয় এবং আন্তরিক প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে এবং হাজীদের সেবার মান আরও উন্নত হবে।বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ সৌদি সরকারের প্রতি, বিশেষ করে দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম, হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ভবিষ্যতেও বাংলাদেশি হাজীদের কল্যাণে সৌদি আরবের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুরো হজ কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং হজ মৌসুম জুড়ে ধারাবাহিকভাবে দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন, যাতে বাংলাদেশি হাজীদের নিরাপত্তা, কল্যাণ ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা যায়।হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর এবং সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকগুলো বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং ভবিষ্যতের হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও দক্ষ, আধুনিক ও হাজীবান্ধব করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
২০ ঘন্টা আগে
মতামত

মতামত

ট্রাম্পকে বাইডেনের খোঁচা, বললেন 'উনি তো ব্যর্থ মানুষ!'

ট্রাম্পকে বাইডেনের খোঁচা, বললেন 'উনি তো ব্যর্থ মানুষ!'

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শনিবার রাতে ম্যারিল্যান্ডে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির এক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তার উত্তরসূরি ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা করেছেন। ভাষণে তিনি ট্রাম্পকে ‘অহংকারী’, ‘দুর্নীতিবাজ’ এবং ‘ব্যর্থ মানুষ’ বলে আখ্যা দেন।বাইডেন বলেন, ‘এটি শুধু তার বিলাসিতার প্রকল্প নয়। নিজের বলরুম নির্মাণের জন্য তিনি হোয়াইট হাউসের ইস্ট উইং ভেঙেছেন। কেনেডি সেন্টারে নিজের নাম বসিয়েছেন। নিজের সম্মানে তোরণ নির্মাণ করেছেন। এমনকি রিফ্লেক্টিং পুল সংস্কারের জন্যও নিজের লোক নিয়োগ দিয়েছেন। তিনি একজন ব্যর্থ মানুষ (লুজার)!’তিনি আরও বলেন, ‘রিফ্লেক্টিং পুলটি এই প্রশাসনের আত্মমুগ্ধতা ও অযোগ্যতার চেয়েও ভয়াবহ একটি বিষয়ের প্রতীক—সেটি হলো দুর্নীতি। এটি নির্লজ্জ ও প্রকাশ্য দুর্নীতি। আমেরিকার ইতিহাসে কোনো প্রশাসনের বিরুদ্ধে এত স্পষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ আগে ওঠেনি।’হোয়াইট হাউস ছাড়ার পর ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে বাইডেনের এটিই ছিল অন্যতম কঠোর প্রকাশ্য সমালোচনা। ঘটনাচক্রে, ঠিক দুই বছর আগে একই দিনে সিএনএনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী বিতর্কে ট্রাম্পের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। সেই বিতর্কই তার দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচনের আশা কার্যত শেষ করে দেয় এবং রাজনৈতিক ভবিষ্যতের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত সমর্থকদের উদ্দেশে বাইডেন বলেন, ‘আমাকে সবচেয়ে বেশি ক্ষুব্ধ করে যে বিষয়টি, তা হলো ট্রাম্প ৬ জানুয়ারির দাঙ্গায় জড়িতদের করদাতাদের অর্থ দিয়ে ক্ষতিপূরণ দিতে চান। তারা কোনো ক্ষতিপূরণের যোগ্য নন। বরং তাদের দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকা উচিত ছিল।’হোয়াইট হাউস ছাড়ার পরও ট্রাম্পের সমালোচনায় পিছু হটেননি বাইডেন। গত এক মাসে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বিরুদ্ধে ডেমোক্র্যাটদের ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে তিনি ম্যারিল্যান্ড, সাউথ ডাকোটা ও নিজ অঙ্গরাজ্য ডেলাওয়্যারের বিভিন্ন দলীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন।তবে বাইডেনের নিজের রাজনৈতিক অবস্থানও এখন সহজ নয়। ২০২৪ সালের নির্বাচনে তার ভূমিকা নিয়ে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ভেতরেই অসন্তোষ রয়েছে। এসএসআরএস পরিচালিত সিএনএনের সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ৩০ শতাংশ মার্কিন নাগরিক বর্তমানে বাইডেন সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা পোষণ করেন, যা তার প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সময়ের যেকোনো পর্যায়ের তুলনায় কম।এদিকে, বাইডেন পরিবারের রাজনৈতিক উপস্থিতি নতুন করে বাড়তে থাকায় দলটির একাংশের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। সাবেক ফার্স্ট লেডি ড. জিল বাইডেন সম্প্রতি তার স্মৃতিকথা প্রকাশ করেছেন। বইটির প্রচারণায় তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনের নানা ঘটনা নিয়ে প্রকাশ্যে মতামত দিচ্ছেন। অনেক ডেমোক্র্যাটের মতে, এতে দলের পুরোনো বিতর্ক আবারও সামনে চলে আসছে।বাইডেনের সাবেক মুখপাত্র এবং দীর্ঘদিনের সমর্থক অ্যান্ড্রু বেটস নিউইয়র্ক পোস্টকে বলেন, ‘আমাদের জেতার দায়িত্ব ছিল, কিন্তু আমরা পারিনি। বিষয়টি আমাকে সব সময় ভাবায়। তবে দলের জন্য বেদনাদায়ক সেই আলোচনা আবার প্রকাশ্যে তোলার প্রয়োজন ছিল কি না, তা বুঝতে পারছি না।’এই মন্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান জিল বাইডেন। ওয়াশিংটন ডিসিতে বইয়ের প্রচারণা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমাকে ফোন দিন এবং সরাসরি আমার সামনে কথাটি বলুন।’পরে একটি সূত্র জানায়, সমালোচনার পরদিনই জিল বাইডেন ও অ্যান্ড্রু বেটস বিষয়টি নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছেন।অন্যদিকে, বাইডেনপুত্র হান্টার বাইডেনও সাম্প্রতিক সময়ে বেশ সক্রিয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) তার অনুসারীর সংখ্যা আট লাখের বেশি। সেখানে তিনি নিয়মিত মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে নিজের অতীতের সংগ্রাম এবং সমসাময়িক রাজনীতি নিয়ে মতামত প্রকাশ করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন দীর্ঘ পডকাস্টেও অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে রক্ষণশীল ভাষ্যকার ক্যান্ডাস ওয়েন্সের সঙ্গে তার দুই ঘণ্টার আলোচনাটি বিশেষভাবে আলোচিত হয়।ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসামের পডকাস্টে হান্টার বলেন, প্রথমে ক্ষমা না করার অবস্থান নিলেও শেষ পর্যন্ত তার বাবা তাকে ক্ষমা করেছিলেন।এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তিনি নিজের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের চেয়ে আমাকে বেছে নিয়েছেন। ইতিহাস যখন তাকে মূল্যায়ন করবে, তখন এই সিদ্ধান্তটি অবশ্যই আলোচনায় থাকবে।’আগামী মাসগুলোতে বাইডেনের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার তুলে ধরার উদ্যোগ আরও জোরালো হতে পারে। তিনি ইতোমধ্যে নিজের স্মৃতিকথা লেখার কাজ অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছেন। যদিও বইটি কবে প্রকাশিত হবে, তা এখনো জানানো হয়নি।এছাড়া ডেলাওয়্যারে তার প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরি নির্মাণের পরিকল্পনাও এগোচ্ছে। তবে স্থান এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বিষয়টি শিগগিরই নির্ধারণ হতে পারে। এ প্রকল্পের জন্য তার টিম তহবিল সংগ্রহও চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এটি সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার শিকাগোভিত্তিক ৮৫০ মিলিয়ন ডলারের প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টারের তুলনায় আকারে ছোট হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।বর্তমানে ৮৩ বছর বয়সী বাইডেন প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসা নিচ্ছেন। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, ক্যান্সার তার হাড়েও ছড়িয়ে পড়েছে। হোয়াইট হাউস ছাড়ার কয়েক মাস পর রোগটি শনাক্ত হয়। এরপর থেকে তিনি রেডিয়েশন ও হরমোন থেরাপি নিচ্ছেন।সম্প্রতি এনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জিল বাইডেন বলেন, ‘আমার মনে হয়, জোকে সারাজীবন এই ক্যান্সারের সঙ্গেই বসবাস করতে হবে।’দলের একাংশের সমালোচনা সত্ত্বেও সুযোগ পেলেই ডেমোক্র্যাটদের সহায়তা করার চেষ্টা করছেন বাইডেন। প্রাইমারি নির্বাচনের আগে তিনি জর্জিয়ার গভর্নর পদপ্রার্থী কেইশা ল্যান্স বটমস এবং ম্যাসাচুসেটসের কংগ্রেস প্রার্থী ড্যান কোহের প্রতি সমর্থন জানান।শনিবারের অনুষ্ঠানে বাইডেন ম্যারিল্যান্ডের গভর্নর ওয়েস মুর এবং সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেনের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। এই দুই নেতাকে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সম্ভাব্য ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে ওয়েস মুর স্মরণ করেন, ২০২৪ সালে বাল্টিমোরের ফ্রান্সিস স্কট কি সেতু ধসে পড়ার পর বাইডেন দ্রুত ফেডারেল সহায়তা পাঠিয়েছিলেন। মুর বলেন, ‘তিনি শুধু পুনর্গঠনের জন্য নয়, আমাদের শোক কাটিয়ে উঠতেও পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি জানতেন লাখ লাখ মানুষ এই অবকাঠামোর ওপর নির্ভরশীল।’বাল্টিমোরের ডেমোক্র্যাট সদস্য অ্যাড্রিয়েন গ্রিনও অনুষ্ঠানে বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তার মতে, এই বয়সেও বাইডেন যথেষ্ট ভালো আছেন। তবে তিনি দুই দলেই নতুন নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।তিনি বলেন, ‘সাবেক নেতারা অবশ্যই মূল্যবান পরামর্শ দিতে পারেন। কিন্তু ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান, উভয় দলেই এখন নতুন প্রজন্মের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার সময় এসেছে।’ডেলাওয়্যারের ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি সারাহ ম্যাকব্রাইড জানান, তার সঙ্গে বাইডেনের নিয়মিত যোগাযোগ হয়। গত সপ্তাহেও তারা একসঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ করেন এবং বিশ্ব রাজনীতিতে ট্রাম্পের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন।সিএনএনকে তিনি বলেন, ‘ভোটাররা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাই এখন আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। জো বাইডেন, বারাক ওবামাসহ দলের সাবেক নেতাদের অভিজ্ঞতাও আমাদের কাজে লাগানো উচিত। বাইডেনের নেতৃত্বের জন্য আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ।’ভাষণের শেষদিকে বাইডেন বলেন, তিনি এখনো ডেমোক্র্যাটিক পার্টির জন্য লড়াই করে যাচ্ছেন। সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা যারা আমাদের দেশকে ভালোবাসেন, তাদের প্রতি আমার বার্তা খুবই সহজ, উঠে দাঁড়ান। এখনই সময়। লড়াই চালিয়ে যান।’ তার এই আহ্বানে উপস্থিত সবাই করতালির মাধ্যমে সমর্থন জানান।
ডেস্ক নিউজ