রোববার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
The Dhaka News Bangla

জানা গেলো কবে হচ্ছে সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিপরিষদের শপথ

নতুন মন্ত্রিসভার শপথ নিয়ে সম্ভাব্য তারিখ জানা গেছে। আগামী সোমবার হচ্ছে সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিপরিষদের শপথ।শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ জানান, ‘১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শপথ পড়াবেন এবং শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রায় ১০০০ অতিথিকে নিমন্ত্রণের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।’মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ ১৭ তারিখে হবে না ১৮ তারিখে? এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এটা আমি নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। বলেছি, যদি আমাদের নির্দেশনা দেওয়া হয় বা জানানো হয় যে নির্দিষ্ট তারিখে শপথ হবে, আমরা সেই অনুযায়ী কাজ করবো। সেটা যদি কালকে হয়, কালকে কাজ করতে হবে। যদি দুইদিন পরে হয়, তাহলে দুইদিন পরের জন্য আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। জানার পরেই সঠিক তারিখ বলতে পারবো, তার আগে কিছু বলা সম্ভব নয়।’মন্ত্রিসভার সদস্য কতজন হবেন- জানতে চাইলে আব্দুর রশিদ বলেন, ‘সেটা নির্ভর করে যিনি সংসদ নেতা, যিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন, এটা তার ইচ্ছা। উনি কতজনকে মন্ত্রী হিসেবে এখন দেখতে চান বা পরে দেখতে চান।’মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘সংসদ সদস্যদের গেজেট নোটিফাইড হয়েছে। জাতীয় সংসদের ২৯৭টি আসনে যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদের নাম প্রকাশিত হয়েছে। আইন অনুযায়ী তিনদিন সময়ের মধ্যে তাদের শপথ গ্রহণও হয় সংসদ সদস্য হিসেবে। সেটি এই তিনদিন সময় আগামীকাল থেকে শুরু করে ১৫, ১৬ আর ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমরা ধরতে পারি, কারণ কর্মদিবস আগামীকাল থেকে।’তিনি বলেন, ‘এই ১৭ তারিখের মধ্যে সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ হবে। এই শপথ গ্রহণের পরে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল তাদের নিজস্ব সংসদ সদস্যদের নেতা নির্বাচন করবেন এবং এই যিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের নেতা হিসেবে নির্বাচিত হবেন, তিনি মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে তখন এই ঘটনাটি জানিয়ে দিবেন যে, তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন। মহামান্য রাষ্ট্রপতি তখন তাকে নিয়ম অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের জন্য অফার করবেন বা নিয়োগ দান করবেন।’এদিকে সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী ২৯৭ জন সংসদ সদস্যের শপথ আগামী ১৬-১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে।এর আগে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসিরউদ্দিনের নেতৃত্বে কমিশন অনুমোদন দেয়ার পর সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সই করা গেজেট প্রকাশ করা হয়। ত্রয়োদশ নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।সেই গণভোটের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ও গেজেট প্রকাশ করেছে ইসি। ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ‎মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। ভোট প্রদানের হার ৬০.২৬ শতাংশ। এর মধ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ আর না ‘না’ ভোট পড়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭। ভোট বাতিল হয়েছে ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৬৩৭টি।গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট গ্রহণ করা হয়। শুক্রবার, নির্বাচন কমিশন ২৯৭ আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেছে। উচ্চ আদালতের নির্দেশনার কারণে চট্টগ্রাম-২ ও ৪ আসনের ফলাফল এখনও প্রকাশ করা হয়নি। নির্বাচনে ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয়লাভ করেছে। ফলাফল স্থগিত থাকা দুটি আসনে বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। বিএনপির সহযোগী দলগুলো ৩টি আসনে জয়ী হয়েছে। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসন পেয়েছে। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্যান্য সহযোগী দলগুলো ৯টি আসনে জয়ী হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৭টি আসনে বিজয়ী হয়েছেন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি আসনে জয়ী হয়েছে।
৬ ঘন্টা আগে

নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে যাচ্ছেন যেসব আলোচিত মুখ

ভোটের লড়াই শেষ, এখন দেশের উন্নয়নের সময়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিশাল বিজয়ের পর বঙ্গভবন ও গুলশানজুড়ে এখন উৎসবের আমেজ। নতুন সরকারের সম্ভাব্য মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে গুঞ্জন উঠেছে।রাজনীতির অন্দরমহল থেকে প্রাপ্ত সম্ভাব্য ৪১ সদস্যের এই তালিকায় দেশের অভিজ্ঞ রাজনীতিকদের পাশাপাশি তরুণ ও প্রযুক্তি-নির্ভর নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিরাও স্থান পেতে পারেন।তালিকায় প্রথমেই রয়েছেন বিএনপির দীর্ঘ সময়ের নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের চিন্তাবিদ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান এবং কূটনৈতিক কার্যক্রমে দক্ষ আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আইনি ও সাংবিধানিক জটিলতা মোকাবিলায় মন্ত্রিপরিষদে অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান এবং ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের মতো অভিজ্ঞ আইনজীবীদের অন্তর্ভুক্তি প্রায় নিশ্চিত বলে মনে হচ্ছে। আইনি লড়াইয়ে আরও থাকছেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ।দীর্ঘ দেড় দশক রাজপথে লড়াই করা নেতাদের এবার বড় দায়িত্ব দিয়ে পুরস্কৃত করতে পারেন তারেক রহমান। এই তালিকায় রয়েছেন সাহসী নেতা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর মতো হেভিওয়েট নেতারা। এ ছাড়া দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর ফিরে আসা সালাহউদ্দিন আহমদ এবং দলের সংকটের সময় পাশে থাকা শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীর নাম রয়েছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তালিকায় আরও আছেন সাবেক মন্ত্রী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, বরকতুল্লাহ বুলু, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু। সবচেয়ে বড় চমক দেখা যেতে পারে জোটের শরিক এবং তরুণ নেতাদের অন্তর্ভুক্তিতে। গণ-অধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর, এনডিএম-এর ববি হাজ্জাজ, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকী ও ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থের মতো আলোচিত নামগুলো এই তালিকায় রয়েছে। এ ছাড়া তরুণদের মধ্যে ইশরাক হোসেন, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, রকিবুল ইসলাম বকুল, ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন, রশিদুজ্জামান মিল্লাত ও আবু আশফাকের মতো নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিরা নতুন বাংলাদেশের নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। শিক্ষা ও বিশেষজ্ঞ কোটায় আলোচনায় আছেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।বিএনপি দলীয় সূত্রে জানা গেছে, অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার গঠনের লক্ষ্যে মন্ত্রিসভায় দীপেন দেওয়ান, সাচিং প্রু চৌধুরী এবং অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরীর মতো নেতাদের রাখা হতে পারে, যা পাহাড় ও সমতলের সুষম উন্নয়নের ইঙ্গিত দিচ্ছে। নারীদের মধ্যে শামা ওবায়েদ, ফারজানা শারমিন পুতুল ও তাহসিনা রুশদীর লুনার নাম জোরালোভাবে উচ্চারিত হচ্ছে। পেশাজীবী কোটায় আলোচনায় আছেন চিকিৎসক নেতা এ জেড এম জাহিদ হোসেন। বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এবং অর্থনৈতিক সংস্কারে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়া, অভিজ্ঞ ব্যবসায়ী নেতা আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং তথ্য-প্রযুক্তিতে দক্ষ এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।এটি উল্লেখযোগ্য যে, এই ৪১ সদস্যের তালিকাটি রাজনৈতিক অন্দরমহলে এখন পর্যন্ত আলোচনা ও দলীয় সূত্রের গুঞ্জন হিসেবে রয়েছে। দলের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নাম ঘোষণা করা হয়নি। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদি তারেক রহমান এই তালিকার ভিত্তিতে মন্ত্রিসভা গঠন করেন, তাহলে এটি অভিজ্ঞতার প্রজ্ঞা এবং তারুণ্যের সাহসিকতার একটি অনন্য মিশ্রণ হবে। শেষ পর্যন্ত কারা বঙ্গভবনে শপথ নিচ্ছেন, তা জানার জন্য এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। পুরো জাতি অধীর আগ্রহে নতুন বাংলাদেশের এই নতুন নেতাদের দেখার জন্য অপেক্ষা করছে।
৬ ঘন্টা আগে

গণতন্ত্র উত্তরণে মাইলফলক এবারের নির্বাচন: আইআরআই

অনেক বছরের কর্তৃত্ববাদী শাসনের পর, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনটি আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে, কোনো বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই। এটি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির ইঙ্গিত, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ওয়াশিংটনভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) এই নির্বাচন সম্পর্কে তাদের প্রাথমিক মূল্যায়নে এই পর্যবেক্ষণ প্রকাশ করেছে।আইআরআই তাদের ওয়েবসাইটে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে একটি প্রাথমিক মূল্যায়ন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, যদিও কারিগরি দিক থেকে নির্বাচন পরিচালনা সুষ্ঠু ছিল, বৃহত্তর রাজনৈতিক পরিবেশ এখনও অস্থিতিশীল। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে পর্যবেক্ষক দলটি রাজনৈতিক প্রার্থীদের বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আইনগত পন্থা অবলম্বনের আহ্বান জানায়। প্রতিনিধি দল নির্বাচন-পরবর্তী প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখবে এবং ভবিষ্যতের নির্বাচন উন্নত করতে বিশদ বিশ্লেষণ ও সুপারিশসহ একটি পূর্ণাঙ্গ চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।বাংলাদেশে আইআরআইয়ের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ দলের নেতৃত্ব দেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কংগ্রেস সদস্য ও রিপাবলিকান পার্টির সদস্য ডেভিড ড্রেয়ার। তিনি বলেন, নিরাপত্তা বাহিনী ও নির্বাচন কমিশন প্রশংসনীয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেছে। বহু বছরের কর্তৃত্ববাদী শাসনের পর ভোটের দিনটি মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ ও বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এটি বাংলাদেশের জন্য বড় অগ্রগতি।ডেভিড ড্রেয়ার বলেছেন, নির্বাচন শেষ হয়েছে, এখন আমাদের সামনে রাষ্ট্র পরিচালনার কঠিন কাজ। বাংলাদেশের মানুষের উদ্দীপনাকে কার্যকর পদক্ষেপে রূপান্তরিত করতে হবে। নতুন সরকারকে দ্রুত জুলাই সনদের সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সকল বাংলাদেশির জন্য সঠিকভাবে কাজ করছে।
৬ ঘন্টা আগে
৩০ আসনে কারচুপির অভিযোগ, ভোট পুনর্গণনার দাবি জামায়াতের

৩০ আসনে কারচুপির অভিযোগ, ভোট পুনর্গণনার দাবি জামায়াতের

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্তত ৩০টি আসনে ব্যাপক কারচুপি, জালিয়াতি ও অনিয়ম ঘটেছে। এসব আসনে পুনর্গণনা ও ফল স্থগিতের দাবি জানিয়ে দলটি নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছে এবং প্রয়োজন হলে সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানিয়েছে।শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় নেতা ও আইনজীবী প্যানেলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।জুবায়ের বলেন, দেশের মানুষ একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন প্রত্যাশা করেছিল। নির্বাচন শেষ হলেও অনেক জায়গায় এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া, ভোট গণনায় গরমিল, ফল ঘোষণায় অস্বাভাবিক বিলম্ব এবং পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। কিছু আসনে ভোর পাঁচটার দিকে ফল ঘোষণা করা হয়েছে, আবার কোথাও দ্রুত ফল প্রকাশ করা হয়েছে, যা সন্দেহের সৃষ্টি করেছে।তিনি জানান, যেসব আসনে পাঁচ হাজার থেকে দশ হাজার ভোটের ব্যবধানে ফল হয়েছে, সেসব জায়গায় অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে দলটি। স্থানীয় রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগ নিষ্পত্তির আগেই গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা-৬ আসনের প্রার্থী ডা. আব্দুল মান্নান কয়েকটি কেন্দ্রের ফলের কপি দেখিয়ে জালিয়াতির অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, কিছু কেন্দ্রে প্রিন্টেড ফলের বদলে হাতে লেখা কাগজ দেওয়া হয়েছে, কোথাও পোলিং এজেন্টের স্বাক্ষর নেই, আবার কোথাও অচেনা ব্যক্তির নাম এজেন্ট হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি একটি কেন্দ্রে পেন্সিল দিয়ে ফল লেখা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। নির্বাচনের রাতেই ফল স্থগিতের আবেদন করা হলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।জুবায়ের আরও বলেন, নির্বাচন-পরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। হামলা, মারধর, বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ রয়েছে। কিছু স্থানে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন। এসব ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশে সহিংসতামুক্ত রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার আশা ছিল। কিন্তু নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি সেই আশা অনুযায়ী নয়। তিনি অভিযোগ করেন, সর্বাধিক আসন পাওয়া দলের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।জামায়াতের এই নেতা বলেন, পুনর্গণনা হলে প্রকৃত ফলাফল বেরিয়ে আসবে এবং যাদের পরাজিত হিসেবে দেখানো হয়েছে, তাদের মধ্যে অনেকেই বিজয়ী হবেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন। নির্বাচন কমিশনকে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর ফল স্থগিত রেখে পুনর্গণনার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানান তিনি।
৬ ঘন্টা আগে
জাতীয়

জাতীয়

গণতন্ত্র উত্তরণে মাইলফলক এবারের নির্বাচন: আইআরআই

গণতন্ত্র উত্তরণে মাইলফলক এবারের নির্বাচন: আইআরআই

অনেক বছরের কর্তৃত্ববাদী শাসনের পর, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনটি আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে, কোনো বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই। এটি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির ইঙ্গিত, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ওয়াশিংটনভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) এই নির্বাচন সম্পর্কে তাদের প্রাথমিক মূল্যায়নে এই পর্যবেক্ষণ প্রকাশ করেছে।আইআরআই তাদের ওয়েবসাইটে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে একটি প্রাথমিক মূল্যায়ন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, যদিও কারিগরি দিক থেকে নির্বাচন পরিচালনা সুষ্ঠু ছিল, বৃহত্তর রাজনৈতিক পরিবেশ এখনও অস্থিতিশীল। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে পর্যবেক্ষক দলটি রাজনৈতিক প্রার্থীদের বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আইনগত পন্থা অবলম্বনের আহ্বান জানায়। প্রতিনিধি দল নির্বাচন-পরবর্তী প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখবে এবং ভবিষ্যতের নির্বাচন উন্নত করতে বিশদ বিশ্লেষণ ও সুপারিশসহ একটি পূর্ণাঙ্গ চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।বাংলাদেশে আইআরআইয়ের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ দলের নেতৃত্ব দেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কংগ্রেস সদস্য ও রিপাবলিকান পার্টির সদস্য ডেভিড ড্রেয়ার। তিনি বলেন, নিরাপত্তা বাহিনী ও নির্বাচন কমিশন প্রশংসনীয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেছে। বহু বছরের কর্তৃত্ববাদী শাসনের পর ভোটের দিনটি মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ ও বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এটি বাংলাদেশের জন্য বড় অগ্রগতি।ডেভিড ড্রেয়ার বলেছেন, নির্বাচন শেষ হয়েছে, এখন আমাদের সামনে রাষ্ট্র পরিচালনার কঠিন কাজ। বাংলাদেশের মানুষের উদ্দীপনাকে কার্যকর পদক্ষেপে রূপান্তরিত করতে হবে। নতুন সরকারকে দ্রুত জুলাই সনদের সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সকল বাংলাদেশির জন্য সঠিকভাবে কাজ করছে।
৬ ঘন্টা আগে
আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক

জার্মানিতে আলোচনার টেবিলে যুক্তরাষ্ট্র-চীন

জার্মানিতে আলোচনার টেবিলে যুক্তরাষ্ট্র-চীন

আলোচনার টেবিলে বসেছে বিশ্বরাজনীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত দুই দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও চীন।শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। তারা জার্মানির মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশ নিতে গিয়ে এই বৈঠকটি করেন। খবরটি জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।আলোচনায় ওয়াশিংটন-বেইজিং সম্পর্কের স্থিতিশীল উন্নয়ন নিশ্চিতে সংলাপ ও সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেয় দু'পক্ষই।ওয়াং ই জানান, ইতিমধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য কৌশলগত দিকনির্দেশনা দিয়েছেন দুই দেশের প্রেসিডেন্ট। ২০২৬ সালে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের লক্ষ্যে কাজ করবে উভয় পক্ষ।
৭ ঘন্টা আগে
ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস

বেতার: ঐতিহ্যের আয়নায় সমাজ ও সময়ের বিবর্তন

বেতার: ঐতিহ্যের আয়নায় সমাজ ও সময়ের বিবর্তন

আজ ১৩ ফেব্রুয়ারি, বিশ্ব বেতার দিবস। প্রযুক্তির উৎকর্ষে আমাদের বিনোদনের মাধ্যম বদলেছে, বদলেছে যোগাযোগের ধরণ। কিন্তু একটা সময় ছিল যখন সংবাদ, বিনোদন কিংবা সমাজের মানুষের একত্র হওয়ার একমাত্র উপলক্ষ ছিল বেতার। এবারের বিশ্ব বেতার দিবসে পাঠকদের লেখায় উঠে এসেছে বেতারের ঐতিহাসিক গুরুত্ব, গ্রামবাংলার সামাজিক বন্ধন এবং সময়ের স্রোতে এই মাধ্যমের বিবর্তনের চিত্র।হারিয়ে যাওয়া বেতার ও সোনালী অতীতফারনাজ মুক্তা২০১২ সাল থেকে ইউনেস্কোর ঘোষণা অনুযায়ী ১৩ ফেব্রুয়ারি পালিত হয়ে আসছে বিশ্ব বেতার দিবস। বেতার কেবল একটি যন্ত্র নয়, এটি মানবসভ্যতার এমন এক আবিষ্কার যা তথ্য, শিক্ষা ও বিনোদনকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছে। যোগাযোগের সবচেয়ে শক্তিশালী ও সাশ্রয়ী মাধ্যম হিসেবে এর জুড়ি মেলা ভার। পৃথিবীর দুর্গমতম স্থানেও মুহূর্তের মধ্যে তথ্য পৌঁছে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে বেতার।একসময় গ্রামের মানুষের কাছে বিনোদন মানেই ছিল বেতার। নজরুল-রবীন্দ্রসংগীত, বাংলা ছায়াছবির গান, ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান কিংবা টানটান উত্তেজনার খেলার ধারাবিবরণী—সবকিছুর উৎস ছিল এই বাক্সটি। এছাড়া ঝড়-বৃষ্টির সংকেত বা রাজনৈতিক খবর জানার জন্যও মানুষ কান পাতত রেডিওতে। তবে আধুনিক যুগে ইন্টারনেট ও স্মার্টফোনের দাপটে সেই সনাতন রেডিও আজ বিলুপ্তপ্রায়। গ্রামের হাটবাজারেও এখন আর ব্যাটারিচালিত রেডিওর দেখা মেলে না। প্রযুক্তির ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া এই বেতার আগামী প্রজন্মের কাছে হয়তো শুধুই এক সোনালি স্মৃতি হয়ে থাকবে।শিক্ষার্থী: সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, নরসিংদী সরকারি মহিলা কলেজ।উঠোনভর্তি আড্ডা ও ঐক্যের বন্ধনরুহুল আমিনএকসময় রেডিও এবং টেলিভিশন ছিল মানুষের আবেগের চূড়ান্ত স্থান। যার বাড়িতে একটি রেডিও বা টিভি থাকত, তিনি যেন এলাকাজুড়ে সমাদৃত হতেন। সারাদিন মাঠের কাজ শেষে রাতে যখন সবাই টিভির সামনে বা রেডিও ঘিরে গোল হয়ে বসত, মনে হতো যেন এক উৎসব লেগেছে। প্রতি রাতে কোনো এক উঠানে বসত প্রাণের মেলা, যেখানে সবাই পূর্ণাঙ্গ তৃপ্তি পেত।সেই আনন্দঘন মুহূর্তে বিঘ্ন না ঘটে, তাই যেন ঝিঁঝি পোকাও তাদের ডাক থামিয়ে গহীন নিস্তব্ধতায় রূপ দিত। আসর শেষ হলেই সবার মুখে ফুটত তৃপ্তির হাসি। শুরু হতো আখ্যান—কে কী শিখল তা নিয়ে আলোচনা। কেউ বলত, "দুঃখে কাউকে ছাড়তে নেই", কেউবা নাটকের উদাহরণ টানত। আমাদের সেই সোনালী অতীত আর হয়তো ফিরবে না। প্রযুক্তির উৎকর্ষে আমরা যত এগোচ্ছি, ততই যেন সেই একাত্মবোধ আর মনুষ্যত্ব থেকে দূরে সরে যাচ্ছি।শিক্ষার্থী: অর্থনীতি বিভাগ (১ম বর্ষ), সরকারি আকবর আলী কলেজ।বেতার এক আবেগের নামইকরাম আকাশটেলিভিশন-পূর্ববর্তী বিনোদনের মাধ্যম ছিল বেতার। পরবর্তীতে সময়ের পরিক্রমায় বেতার হয়ে ওঠে তরুণদের ভরসার সঙ্গী। বেতারে যেন মনের প্রশান্তি নিয়ে এগিয়ে আসে। সকলের মনে গুনগুন করে ওঠে পছন্দের গান, আবহাওয়ার গতিবিধি, জ্যামের পরিস্থিতি এবং কানে গুঁজে রাখা হেডফোন এক নস্টালজিয়া।ভূত এফএম, আরজে কিবরিয়া, আরজে মিথিলাসহ অনেকের নাম কিংবা আর্টসেল, শিরোনামহীন, পুরোনো দিনের গান অথবা তৎসময়ে জনপ্রিয় সকল গানের ভান্ডারে যেন পরিপূর্ণ ছিল বেতার। বেতার শুধু গানের জন্য নয়, প্রিয় মানুষের কাছে মেসেজ পাঠানোরও সহজ মাধ্যম। যদিও এখন বেতারে কিছুটা ভাঁটা পড়েছে তবুও বৃদ্ধ থেকে বর্তমান প্রজন্মের অনেকেরই আবেগের নাম বেতার।শিক্ষার্থী: সরকারি কমার্স কলেজ, চট্টগ্রাম।বেতার কেবল খবর বা গানের বাক্স ছিল না, এটি ছিল মানুষে-মানুষে যোগাযোগের এক অদৃশ্য সেতু। প্রযুক্তির ভিড়ে হয়তো রেডিওর সেই জৌলুস কমেছে, কিন্তু ইতিহাস ও ঐতিহ্যের পাতায় বেতার চিরকাল অমলিন হয়েই থাকবে।
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

নির্বাচন

নির্বাচন

নির্বাচনী মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি

নির্বাচনী মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা জোরদার রাখতে বিভিন্ন বাহিনী সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে।নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, ভোটের মাঠে শৃঙ্খলা রক্ষায় এই বিপুল সংখ্যক সদস্য কাজ করবেন। পাশাপাশি নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে ২ হাজার ৯৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৬৫৭ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকবেন। ইসির তথ্য অনুযায়ী, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সেনাবাহিনীর ১ লাখ ৩ হাজার সদস্য মোতায়েন থাকবে। নৌবাহিনীর ৫ হাজার সদস্য দেশের ৫টি জেলার ১৭টি আসনে দায়িত্ব পালন করবেন। বিমান বাহিনীর ৩ হাজার ৫০০ সদস্য প্রস্তুত থাকবে সহায়তার জন্য। এছাড়া বিজিবির ১ হাজার ২১০ প্লাটুন, অর্থাৎ ৩৭ হাজার ৪৫৩ সদস্য মোতায়েন থাকবে।কোস্টগার্ড দেশের ১০টি জেলার ১৭টি আসনের ২০টি উপজেলার ৬৯টি ইউনিয়নের ৩৩২টি ভোটকেন্দ্রে মোট ৩ হাজার ৫৮৫ সদস্য নিয়োজিত করবে। পুলিশের ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ সদস্য এবং র‌্যাবের ৯ হাজার ৩৪৯ সদস্যও নির্বাচনী নিরাপত্তায় কাজ করবেন। পাশাপাশি আনসার বাহিনীর ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৮৬৮ সদস্য মোতায়েন থাকবে। বিএনসিসির ১২৮টি সেকশনের ১ হাজার ৯২২ সদস্যও দায়িত্ব পালন করবেন।অন্যদিকে, নির্বাচন পরিচালনায় প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা নিয়োজিত থাকবেন। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, রিটার্নিং অফিসার থাকবেন ৬৯ জন এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসার ৫৯৮ জন। সারাদেশে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪২ হাজার ৭৭৯টি। এর মধ্যে ২১ হাজার ২৭৩টি সাধারণ এবং ২১ হাজার ৫০৬টি গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিচালনায় প্রিজাইডিং অফিসার থাকবেন ৪২ হাজার ৭৭৯ জন। সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন এবং পোলিং অফিসার ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন দায়িত্ব পালন করবেন। সব মিলিয়ে ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন কর্মকর্তা নির্বাচনী দায়িত্বে থাকবেন।
০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
উৎসবমুখর পরিবেশে কাল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট

উৎসবমুখর পরিবেশে কাল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট

০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ক্রিকেট

ক্রিকেট

ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ: বিক্রি হয়ে গেছে সব টিকিট

ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ: বিক্রি হয়ে গেছে সব টিকিট

অনিশ্চয়তা, রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা পেরিয়ে অবশেষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কলম্বোর ঐতিহাসিক আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ম্যাচ নিয়ে ইতোমধ্যেই সমর্থকদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে উঠেছে। ম্যাচের সব টিকিট খুব দ্রুত বিক্রি হয়ে গেছে; একই সঙ্গে কলম্বোমুখী ফ্লাইট ও হোটেল ভাড়ায় নজিরবিহীন উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে।বিশ্ব ক্রিকেটে ভারত–পাকিস্তান দ্বৈরথ মানেই বাড়তি উত্তেজনা। রাজনৈতিক ইতিহাস, সীমান্ত উত্তেজনা ও দীর্ঘদিন দ্বিপাক্ষিক সিরিজ না হওয়ায় আইসিসি ইভেন্টেই মুখোমুখি হয় দু’দল। ফলে এমন ম্যাচকে ঘিরে দর্শক আগ্রহ যে অন্য উচ্চতায় থাকবে, তা অনুমান করাই যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৩৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে আগেভাগেই। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ম্যাচ নিশ্চিত হওয়ার পরপরই কলম্বোর হোটেল কক্ষের ভাড়া তিন থেকে চার গুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়। সাধারণ সময়ে যেসব কক্ষের ভাড়া রাতপ্রতি ১০০ থেকে ১৫০ ডলার, সেগুলোর জন্য এখন গুনতে হচ্ছে সর্বোচ্চ ৬৬০ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮১ হাজার টাকা)। জনপ্রিয় হোটেল বুকিং ওয়েবসাইটগুলোতে এমন মূল্যবৃদ্ধির চিত্র স্পষ্ট।কলম্বোর তিনটি ট্রাভেল এজেন্সি জানিয়েছে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার পর শেষ মুহূর্তে বুকিংয়ের চাপ হঠাৎ বেড়ে যায়। বিশেষ করে ভারতের চেন্নাই ও দিল্লির মতো বড় শহর থেকে ফ্লাইট বুকিং কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। চেন্নাই থেকে কলম্বো যেতে সময় লাগে দেড় ঘণ্টার মতো, কিন্তু অল্প দূরত্বের এই রুটেও ভাড়া বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২৩ থেকে ৭৫৬ ডলার পর্যন্ত। অন্যদিকে দিল্লি-কলম্বো রুটে ভাড়া প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়ে ৬৬৬ ডলারে পৌঁছেছে।শ্রীলঙ্কা ইনবাউন্ড ট্যুর অপারেটরসের সভাপতি নালিন জয়াসুন্দেরা জানিয়েছেন, অধিকাংশ হোটেল প্রায় পূর্ণ। অনেক সমর্থকই ‘অল-ইনক্লুসিভ’ প্যাকেজে আসছেন, যার মূল্য ১৫০০ থেকে ২০০০ ডলার পর্যন্ত। এসব প্যাকেজে ম্যাচ টিকিট, আবাসন ও যাতায়াত অন্তর্ভুক্ত থাকছে। তিনি বলেন, চাহিদা এত বেশি যে শেষ মুহূর্তে দাম আরও বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে পর্যটন খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে; বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের তৃতীয় বৃহৎ উৎস এটি। সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সংকট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধাক্কা সামাল দিতে দেশটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজনকে সুযোগ হিসেবে দেখছে। শ্রীলঙ্কা ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বুদ্ধিকা হেওয়াসাম জানান, বিশ্বকাপের প্রথম ১০ দিনে প্রায় এক লাখ বিদেশি দর্শনার্থীর ২০ শতাংশই ভারত–পাকিস্তান ম্যাচকে কেন্দ্র করে দেশটিতে এসেছে। তার ভাষায়, শ্রীলঙ্কা নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে বড় ম্যাচ আয়োজনের সক্ষমতা দেখাতে চায়। এটি শুধু ভারত ও পাকিস্তান নয়, দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের জন্যই ইতিবাচক বার্তা।এদিকে, দু’দলের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চরমে। লাহোরের বাসিন্দা মিয়া সুলতান ম্যাচটি দেখতে কলম্বোয় যাচ্ছেন। তার প্রত্যাশা, এই ম্যাচ জিতলে পাকিস্তান পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে যাবে। তিনি বলেন, এটি জীবনের অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে। নিউজিল্যান্ডে থাকা তার এক বন্ধু ম্যাচ দেখতে কলম্বোয় উড়াল দিচ্ছেন; গ্যালারির সামনের সারির টিকিটের জন্য তাকে খরচ করতে হয়েছে ৮০০ ডলার।সব মিলিয়ে, একটি ম্যাচ ঘিরে কলম্বোতে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই অর্থনৈতিক প্রভাব, ভ্রমণ ব্যয় এবং দর্শক আগ্রহের দিক থেকে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ যেন চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আলাদা এক মাত্রা যোগ করেছে। এখন শুধু অপেক্ষা, চাপ, প্রত্যাশা আর আবেগের এই লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসে।
৭ ঘন্টা আগে
সারাদেশ

সারাদেশ

বিয়ের দাওয়াত না দেওয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ, প্রবাসী নিহত

বিয়ের দাওয়াত না দেওয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ, প্রবাসী নিহত

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে বিয়ের দাওয়াত না দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক প্রবাসীর নিহত হয়েছে।শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে ধল পূর্ব আশ্রম গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম আঞ্জুর মিয়া (৪৫)। তিনি উপজেলার তাড়ল ইউনিয়নের ধল পূর্ব আশ্রম গ্রামের মৃত সাদুল্লাহর ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার একটি বিয়ের দাওয়াত নিয়ে ধল পূর্ব আশ্রম গ্রামের আনহার মিয়া ও আঞ্জুর মিয়ার লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর পরিণতি হিসেবে আজ শনিবার আনহার মিয়ার পাশের কনের বাড়িতে বিয়ের মালামাল আনতে গেলে আঞ্জুর মিয়া প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজনরা তাকে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মনি রানী তালুকদার জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে এবং মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।তাড়ল ইউপি চেয়ারম্যান আলী আহমদ বলেন, তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে এই ঘটনা ঘটেছে।দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী জানান, বিয়ের দাওয়াত দেওয়া- না দেওয়াকে কেন্দ্র করে ধল পূর্ব আশ্রম গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন মারা গেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি চলছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মতামত

মতামত

জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: মাহফুজ আলম

জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: মাহফুজ আলম

জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক মাহফুজ আলম। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য উইক’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ মূলত একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।তার ভাষায়, দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় আওয়ামী লীগ টিকে থাকলে জামায়াতও টিকে থাকবে, আবার জামায়াত থাকলে আওয়ামী লীগের অস্তিত্বও বজায় থাকবে। এই পারস্পরিক নির্ভরতার মধ্যেই বাংলাদেশের রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরে আবর্তিত হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।প্রায় সাড়ে ১৪ মিনিটের এই সাক্ষাৎকারটি বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রচারিত হয়। এতে মাহফুজ আলম বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশ, সংস্কার প্রক্রিয়া, পুরনো ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের টানাপোড়েন এবং গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা, এমন নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বলেন।আসন্ন ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত আগেই জানিয়েছিলেন মাহফুজ আলম। তবে এই সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেন, রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর অন্যতম প্রধান কারণ ছিল জামায়াত ও আওয়ামী লীগের মধ্যকার এই পারস্পরিক অস্তিত্বের সমীকরণ। তার মতে, এই কাঠামোর ভেতরে থেকে কোনো প্রকৃত পরিবর্তন সম্ভব নয়।সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের পর তিনি তরুণ শক্তিগুলোকে একত্র করে বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে একটি শক্তিশালী ‘তৃতীয় বিকল্প’ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু যখন এনসিপি পুরনো রাজনৈতিক বন্দোবস্তের অংশ হিসেবে জামায়াতের সঙ্গে জোটে যায়, তখন সেই সম্ভাবনা কার্যত শেষ হয়ে যায়।জামায়াত প্রসঙ্গে মাহফুজ আলম আরও বলেন, যাদের সঙ্গে জোট করা হয়েছে তারা সবাই পুরনো রাজনৈতিক কাঠামোরই অংশ। তার দাবি, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে জামায়াতের কোনো স্পষ্ট ও স্বচ্ছ রূপরেখা নেই। ফলে তাদের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতা করতে গেলে এমন বহু প্রশ্ন সামনে আসে, যার সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া কঠিন।তিনি মনে করেন, আদর্শিক অবস্থান ও রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিগত প্রশ্নে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে জামায়াতের কোনো বাস্তব মিল নেই। এক পর্যায়ে তিনি হতাশা প্রকাশ করে বলেন, গত দেড় বছরের রাজনৈতিক যাত্রা ছিল এক ধরনের বিশ্বাসভঙ্গের অভিজ্ঞতা, যেখানে পুরনো রাজনৈতিক ব্যবস্থা নতুন মোড়কে আবার ফিরে আসছে এবং জুলাই আন্দোলনের মূল আকাঙ্ক্ষাকে আড়াল করে দিচ্ছে।ভবিষ্যৎ সরকার ব্যবস্থা নিয়েও সতর্কবার্তা দেন মাহফুজ আলম। তার মতে, ক্ষমতায় বিএনপি কিংবা জামায়াত, যেই আসুক না কেন, সমাজের ভেতরে জমে থাকা ক্ষত নিরাময় করতে না পারলে কোনো সরকারই টেকসই হবে না। তিনি বলেন, শুধু কাগজে-কলমে সংস্কার যথেষ্ট নয়; সমাজে ভিন্ন মত ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সমঝোতা বা পুনর্নির্ধারণ না হলে সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা চলতেই থাকবে।গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন তিনি। মাহফুজ আলমের মতে, সাধারণ মানুষের মধ্যে গণমাধ্যমের প্রতি আস্থা কমে গেছে। এই বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হলে গণমাধ্যমকে নিজেদের অতীত ভূমিকা নিয়ে আত্মসমালোচনার জায়গায় যেতে হবে এবং জনগণের সঙ্গে নতুন করে বোঝাপড়া গড়ে তুলতে হবে।বর্তমানে সক্রিয় রাজনীতির বাইরে থাকা মাহফুজ আলম সময় কাটাচ্ছেন বই পড়ে এবং হতাশ তরুণদের সঙ্গে কথা বলে। তিনি বোঝার চেষ্টা করছেন, কেন জুলাই অভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব হয়নি এবং ভবিষ্যতে কীভাবে সামনে এগোনো যায়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছাড়েন। এরপর ৮ আগস্ট গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। একই মাসের ২৮ তারিখ মাহফুজ আলম প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং ১০ নভেম্বর সরকারের উপদেষ্টা হন। তিনি গত বছরের ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন।
ডেস্ক নিউজ