শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
The Dhaka News Bangla

তেল নিতে লাগবে ডিসির সিল ও স্বাক্ষরযুক্ত ‘ফুয়েল কার্ড’

সাতক্ষীরায় মোটরসাইকেলে জ্বালানি তেল নেওয়ার জন্য এখন থেকে জেলা প্রশাসকের সিল ও স্বাক্ষরযুক্ত ‘ফুয়েল কার্ড’ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নতুন এই নির্দেশনা কার্যকর হওয়ার আগেই জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দেখা গেছে।বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে জেলা তথ্য অফিসার মো. জাহারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।জেলা প্রশাসনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এখন থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো মোটরসাইকেলে তেল সরবরাহ করা হবে না। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের বাইরে কোনো ফিলিং স্টেশন বা ডিলার পয়েন্টে তেল দেওয়া যাবে না।নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, তেল নেওয়ার সময় চালককে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং ট্যাক্স টোকেন সঙ্গে রাখতে হবে। পাশাপাশি হেলমেট পরিধান করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।ফুয়েল কার্ড জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অফিস এবং জেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে বলে জানানো হয়েছে।এছাড়া প্লাস্টিক বোতল বা ড্রামসহ কোনো কন্টেইনারে জ্বালানি তেল বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অনুমোদিত ফিলিং স্টেশন ছাড়া খোলা বাজারে জ্বালানি তেলের ক্রয়-বিক্রয়ও বন্ধ থাকবে। নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে জেলা প্রশাসন।এদিকে নতুন এ নিয়ম চালুর খবরে বুধবার রাত থেকেই সাতক্ষীরার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। অনেকেই এই ফুয়েল কার্ডকে ভোগান্তি হিসেবে দেখছেন। নতুন করে আবারও বিপাকে পড়তে হবে বলে জানান তারা।
২ ঘন্টা আগে

কোনো দেশের ষড়যন্ত্রের জন্য বাংলাদেশের সৃষ্টি হয়নি: জ্বালানিমন্ত্রী

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, ‘বাংলাদেশের সৃষ্টি কোনো দেশের ষড়যন্ত্রের ফলস্বরূপ নয়। এটি হয়েছে আমাদের অধিকার, পতাকা এবং মাটির জন্য। যারা এই ধরনের সমালোচনা করে, তারা বাংলাদেশকে বিশ্বাস করেন না। তাদের মনে রাখতে হবে— এ দেশে একটি স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছে। লাখো মানুষ এখানে রক্ত দিয়েছে।’ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১২টার দিকে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, ‘মেজর জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন এবং যুদ্ধের সূচনা করেছেন। তখন বাংলাদেশের মানুষ জানতো না তারা কোথায় যাবে, কার কাছে যাবে, বা কার নেতৃত্ব মানবে। এই ঘোষণার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে আশা ও শক্তি জেগে উঠেছিল। আর এটাই ছিল আমাদের সাহসের উৎস। তবে যাকে জাতির পিতা মনে করা হয়, তিনি যুদ্ধে অংশ নেননি।’তিনি আরও বলেন, ‘এই স্বাধীনতা দিবস আমাদের পরিচয়ের প্রতীক। এই স্বাধীনতা ছিল বাঙালি ও বাংলাদেশের মানুষের একটি স্বপ্ন। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, যখন দেখি স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়ে কিছু অপশক্তি— যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারাই এখন স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়ে নানা ধরনের সমালোচনা করছে।’পরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে তিনি সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার পদ্মপুকুরের সংস্কার কাজের এবং শহরের বাজার স্টেশনে সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য কদম ফুয়ারার উদ্বোধন করেন।এসময় সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বীর মুক্তিযোদ্ধারাসহ জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
২ ঘন্টা আগে

যুদ্ধ থামাতে ইরান চুক্তির জন্য ‘কাকুতি-মিনতি করছে’: ট্রাম্প

ইরান চুক্তির জন্য ‘কাকুতি-মিনতি করছে’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, তেহরান শান্তি আলোচনায় অংশ নিচ্ছে না-এমন প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে এই মন্তব্য করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ৯টায় হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ‘রেকর্ড পরিষ্কার করার জন্য বলছি, চুক্তির জন্য তারা মিনতি করছে, আমি নই। গত কয়েকদিনে যা ঘটেছে, তা যারা দেখেছেন, তারা সবাই জানেন কেন (তারা এমন করছে)। আমি জানি না আমরা শেষ পর্যন্ত চুক্তিটি করতে পারব কি না। আমি জানি না আমরা আদৌ তা করতে ইচ্ছুক কি না।’প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন এবং বৃহস্পতিবার সতর্ক করে দিয়েছেন যে, তিনি অদূর ভবিষ্যতে কোনো চুক্তিতে যেতে পারেন না।তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ইরানি নেতারাই মূলত আলোচনা পুনরায় শুরু করার চেষ্টা করছেন।ইরানিদের ‘চতুর মধ্যস্থতাকারী’ হিসেবে অভিহিত করে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা বোকা নয়। তারা আসলে কিছু নির্দিষ্ট উপায়ে বেশ বুদ্ধিমান। তারা খুব বাজে যোদ্ধা, কিন্তু দুর্দান্ত মধ্যস্থতাকারী।’তবে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য এখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। ট্রাম্প বলেন, ‘তাদের চার সপ্তাহ আগেই এটি করা উচিত ছিল।’
২ ঘন্টা আগে
বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দায়িত্ব গ্রহণের পর বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে এটি প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সাক্ষাৎ। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে পৌঁছান, এবং তার সঙ্গে ছিলেন কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী অধ্যাপিকা রেবেকা সুলতানা। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে কুশল বিনিময় করেন। ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে স্বাধীনতা দিবসের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ উদ্বোধন করার পর কিছুক্ষণ খেলা দেখে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে আসেন।গত ১৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তারেক রহমানকে শপথবাক্য পাঠ করান। বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এটি প্রথম সাক্ষাৎ।
২ ঘন্টা আগে
জাতীয়

জাতীয়

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দায়িত্ব গ্রহণের পর বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে এটি প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সাক্ষাৎ। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে পৌঁছান, এবং তার সঙ্গে ছিলেন কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী অধ্যাপিকা রেবেকা সুলতানা। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে কুশল বিনিময় করেন। ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে স্বাধীনতা দিবসের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ উদ্বোধন করার পর কিছুক্ষণ খেলা দেখে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে আসেন।গত ১৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তারেক রহমানকে শপথবাক্য পাঠ করান। বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এটি প্রথম সাক্ষাৎ।
২ ঘন্টা আগে
আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক

যুদ্ধ থামাতে ইরান চুক্তির জন্য ‘কাকুতি-মিনতি করছে’: ট্রাম্প

যুদ্ধ থামাতে ইরান চুক্তির জন্য ‘কাকুতি-মিনতি করছে’: ট্রাম্প

ইরান চুক্তির জন্য ‘কাকুতি-মিনতি করছে’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, তেহরান শান্তি আলোচনায় অংশ নিচ্ছে না-এমন প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে এই মন্তব্য করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ৯টায় হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ‘রেকর্ড পরিষ্কার করার জন্য বলছি, চুক্তির জন্য তারা মিনতি করছে, আমি নই। গত কয়েকদিনে যা ঘটেছে, তা যারা দেখেছেন, তারা সবাই জানেন কেন (তারা এমন করছে)। আমি জানি না আমরা শেষ পর্যন্ত চুক্তিটি করতে পারব কি না। আমি জানি না আমরা আদৌ তা করতে ইচ্ছুক কি না।’প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন এবং বৃহস্পতিবার সতর্ক করে দিয়েছেন যে, তিনি অদূর ভবিষ্যতে কোনো চুক্তিতে যেতে পারেন না।তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ইরানি নেতারাই মূলত আলোচনা পুনরায় শুরু করার চেষ্টা করছেন।ইরানিদের ‘চতুর মধ্যস্থতাকারী’ হিসেবে অভিহিত করে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা বোকা নয়। তারা আসলে কিছু নির্দিষ্ট উপায়ে বেশ বুদ্ধিমান। তারা খুব বাজে যোদ্ধা, কিন্তু দুর্দান্ত মধ্যস্থতাকারী।’তবে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য এখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। ট্রাম্প বলেন, ‘তাদের চার সপ্তাহ আগেই এটি করা উচিত ছিল।’
২ ঘন্টা আগে
ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস

ফেনী ইউনিভার্সিটিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত

ফেনী ইউনিভার্সিটিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত

ফেনী ইউনিভার্সিটিতে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়।সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ফেনী ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল কাশেম। পতাকা উত্তোলন শেষে উপস্থিত সকলে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কোরআন ও গীতা পাঠের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মোহাঃ মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি তার বক্তব্যে স্বাধীনতার তাৎপর্য ও জাতীয় দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি সভায় আগত সকলকে শুভেচ্ছা জানান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফেনী ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল কাশেম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি স্বাধীনতার মহান আদর্শ, দেশের উন্নয়ন এবং মুক্তিযুদ্ধের দর্শন বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। দেশের অগ্রগতির জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি অনুষ্ঠানটি সফলভাবে আয়োজন করার জন্য ফেনী ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ক্লাবকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। আলোচনা সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন সহযোগী অধ্যাপক সোহরাব হোসেন; কলা, সামাজিক বিজ্ঞান ও আইন অনুষদের ডিন আহমেদ মাহবুব উল আলম; প্রক্টর সহকারী অধ্যাপক মোঃ আয়াতুল্লাহ এবং ছাত্র উপদেষ্টা সহকারী অধ্যাপক সুদীপ দাস। অনুষ্ঠানটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক ও ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব মডারেটর মোঃ রেজওয়ান হোসেন। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আইন বিভাগের শিক্ষার্থী সাজিদ উল হক ভূঁইয়া এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ফারজানা আক্তার নুপুর। পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত প্রাণবন্তভাবে সঞ্চালনা করেন আইন বিভাগের শিক্ষার্থী সানজিদা সাইমা ও মাহমুদুল হাসান।বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
৬ ঘন্টা আগে
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

নির্বাচন

নির্বাচন

শান্তিপূর্ণ ভোটে হাইমচর প্রেসক্লাবের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত

শান্তিপূর্ণ ভোটে হাইমচর প্রেসক্লাবের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত

চাঁদপুরের হাইমচর প্রেসক্লাব–এর বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ ২০২৬) অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক—এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৪৭ জন। এর মধ্যে ৩৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।সভাপতি পদে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এতে মোঃ মহসিন মিয়া (প্রতীক: কলম) ১৯ ভোট পেয়ে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জি এম ফজলুর রহমান (প্রতীক: চশমা) পেয়েছেন ১২ ভোট এবং মাসুদ আলম রিয়াদ (প্রতীক: মোবাইল) পেয়েছেন ৩ ভোট।অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে দুইজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এতে জাহিদুল ইসলাম (প্রতীক: ক্যামেরা) ২০ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হাসান আল মামুন (প্রতীক: ল্যাপটপ) পেয়েছেন ১৪ ভোট।সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে প্রেসক্লাবের সদস্যরা অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন নেতৃত্ব প্রেসক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নির্বাচনী মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি

নির্বাচনী মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ক্রিকেট

ক্রিকেট

ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ: বিক্রি হয়ে গেছে সব টিকিট

ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ: বিক্রি হয়ে গেছে সব টিকিট

অনিশ্চয়তা, রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা পেরিয়ে অবশেষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কলম্বোর ঐতিহাসিক আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ম্যাচ নিয়ে ইতোমধ্যেই সমর্থকদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে উঠেছে। ম্যাচের সব টিকিট খুব দ্রুত বিক্রি হয়ে গেছে; একই সঙ্গে কলম্বোমুখী ফ্লাইট ও হোটেল ভাড়ায় নজিরবিহীন উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে।বিশ্ব ক্রিকেটে ভারত–পাকিস্তান দ্বৈরথ মানেই বাড়তি উত্তেজনা। রাজনৈতিক ইতিহাস, সীমান্ত উত্তেজনা ও দীর্ঘদিন দ্বিপাক্ষিক সিরিজ না হওয়ায় আইসিসি ইভেন্টেই মুখোমুখি হয় দু’দল। ফলে এমন ম্যাচকে ঘিরে দর্শক আগ্রহ যে অন্য উচ্চতায় থাকবে, তা অনুমান করাই যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৩৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে আগেভাগেই। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ম্যাচ নিশ্চিত হওয়ার পরপরই কলম্বোর হোটেল কক্ষের ভাড়া তিন থেকে চার গুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়। সাধারণ সময়ে যেসব কক্ষের ভাড়া রাতপ্রতি ১০০ থেকে ১৫০ ডলার, সেগুলোর জন্য এখন গুনতে হচ্ছে সর্বোচ্চ ৬৬০ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮১ হাজার টাকা)। জনপ্রিয় হোটেল বুকিং ওয়েবসাইটগুলোতে এমন মূল্যবৃদ্ধির চিত্র স্পষ্ট।কলম্বোর তিনটি ট্রাভেল এজেন্সি জানিয়েছে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার পর শেষ মুহূর্তে বুকিংয়ের চাপ হঠাৎ বেড়ে যায়। বিশেষ করে ভারতের চেন্নাই ও দিল্লির মতো বড় শহর থেকে ফ্লাইট বুকিং কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। চেন্নাই থেকে কলম্বো যেতে সময় লাগে দেড় ঘণ্টার মতো, কিন্তু অল্প দূরত্বের এই রুটেও ভাড়া বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২৩ থেকে ৭৫৬ ডলার পর্যন্ত। অন্যদিকে দিল্লি-কলম্বো রুটে ভাড়া প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়ে ৬৬৬ ডলারে পৌঁছেছে।শ্রীলঙ্কা ইনবাউন্ড ট্যুর অপারেটরসের সভাপতি নালিন জয়াসুন্দেরা জানিয়েছেন, অধিকাংশ হোটেল প্রায় পূর্ণ। অনেক সমর্থকই ‘অল-ইনক্লুসিভ’ প্যাকেজে আসছেন, যার মূল্য ১৫০০ থেকে ২০০০ ডলার পর্যন্ত। এসব প্যাকেজে ম্যাচ টিকিট, আবাসন ও যাতায়াত অন্তর্ভুক্ত থাকছে। তিনি বলেন, চাহিদা এত বেশি যে শেষ মুহূর্তে দাম আরও বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে পর্যটন খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে; বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের তৃতীয় বৃহৎ উৎস এটি। সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সংকট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধাক্কা সামাল দিতে দেশটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজনকে সুযোগ হিসেবে দেখছে। শ্রীলঙ্কা ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বুদ্ধিকা হেওয়াসাম জানান, বিশ্বকাপের প্রথম ১০ দিনে প্রায় এক লাখ বিদেশি দর্শনার্থীর ২০ শতাংশই ভারত–পাকিস্তান ম্যাচকে কেন্দ্র করে দেশটিতে এসেছে। তার ভাষায়, শ্রীলঙ্কা নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে বড় ম্যাচ আয়োজনের সক্ষমতা দেখাতে চায়। এটি শুধু ভারত ও পাকিস্তান নয়, দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের জন্যই ইতিবাচক বার্তা।এদিকে, দু’দলের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চরমে। লাহোরের বাসিন্দা মিয়া সুলতান ম্যাচটি দেখতে কলম্বোয় যাচ্ছেন। তার প্রত্যাশা, এই ম্যাচ জিতলে পাকিস্তান পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে যাবে। তিনি বলেন, এটি জীবনের অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে। নিউজিল্যান্ডে থাকা তার এক বন্ধু ম্যাচ দেখতে কলম্বোয় উড়াল দিচ্ছেন; গ্যালারির সামনের সারির টিকিটের জন্য তাকে খরচ করতে হয়েছে ৮০০ ডলার।সব মিলিয়ে, একটি ম্যাচ ঘিরে কলম্বোতে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই অর্থনৈতিক প্রভাব, ভ্রমণ ব্যয় এবং দর্শক আগ্রহের দিক থেকে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ যেন চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আলাদা এক মাত্রা যোগ করেছে। এখন শুধু অপেক্ষা, চাপ, প্রত্যাশা আর আবেগের এই লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসে।
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সারাদেশ

সারাদেশ

তেল নিতে লাগবে ডিসির সিল ও স্বাক্ষরযুক্ত ‘ফুয়েল কার্ড’

তেল নিতে লাগবে ডিসির সিল ও স্বাক্ষরযুক্ত ‘ফুয়েল কার্ড’

সাতক্ষীরায় মোটরসাইকেলে জ্বালানি তেল নেওয়ার জন্য এখন থেকে জেলা প্রশাসকের সিল ও স্বাক্ষরযুক্ত ‘ফুয়েল কার্ড’ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নতুন এই নির্দেশনা কার্যকর হওয়ার আগেই জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দেখা গেছে।বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে জেলা তথ্য অফিসার মো. জাহারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।জেলা প্রশাসনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এখন থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো মোটরসাইকেলে তেল সরবরাহ করা হবে না। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের বাইরে কোনো ফিলিং স্টেশন বা ডিলার পয়েন্টে তেল দেওয়া যাবে না।নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, তেল নেওয়ার সময় চালককে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং ট্যাক্স টোকেন সঙ্গে রাখতে হবে। পাশাপাশি হেলমেট পরিধান করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।ফুয়েল কার্ড জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অফিস এবং জেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে বলে জানানো হয়েছে।এছাড়া প্লাস্টিক বোতল বা ড্রামসহ কোনো কন্টেইনারে জ্বালানি তেল বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অনুমোদিত ফিলিং স্টেশন ছাড়া খোলা বাজারে জ্বালানি তেলের ক্রয়-বিক্রয়ও বন্ধ থাকবে। নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে জেলা প্রশাসন।এদিকে নতুন এ নিয়ম চালুর খবরে বুধবার রাত থেকেই সাতক্ষীরার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। অনেকেই এই ফুয়েল কার্ডকে ভোগান্তি হিসেবে দেখছেন। নতুন করে আবারও বিপাকে পড়তে হবে বলে জানান তারা।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মতামত

মতামত

জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: মাহফুজ আলম

জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: মাহফুজ আলম

জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক মাহফুজ আলম। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য উইক’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ মূলত একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।তার ভাষায়, দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় আওয়ামী লীগ টিকে থাকলে জামায়াতও টিকে থাকবে, আবার জামায়াত থাকলে আওয়ামী লীগের অস্তিত্বও বজায় থাকবে। এই পারস্পরিক নির্ভরতার মধ্যেই বাংলাদেশের রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরে আবর্তিত হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।প্রায় সাড়ে ১৪ মিনিটের এই সাক্ষাৎকারটি বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রচারিত হয়। এতে মাহফুজ আলম বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশ, সংস্কার প্রক্রিয়া, পুরনো ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের টানাপোড়েন এবং গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা, এমন নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বলেন।আসন্ন ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত আগেই জানিয়েছিলেন মাহফুজ আলম। তবে এই সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেন, রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর অন্যতম প্রধান কারণ ছিল জামায়াত ও আওয়ামী লীগের মধ্যকার এই পারস্পরিক অস্তিত্বের সমীকরণ। তার মতে, এই কাঠামোর ভেতরে থেকে কোনো প্রকৃত পরিবর্তন সম্ভব নয়।সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের পর তিনি তরুণ শক্তিগুলোকে একত্র করে বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে একটি শক্তিশালী ‘তৃতীয় বিকল্প’ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু যখন এনসিপি পুরনো রাজনৈতিক বন্দোবস্তের অংশ হিসেবে জামায়াতের সঙ্গে জোটে যায়, তখন সেই সম্ভাবনা কার্যত শেষ হয়ে যায়।জামায়াত প্রসঙ্গে মাহফুজ আলম আরও বলেন, যাদের সঙ্গে জোট করা হয়েছে তারা সবাই পুরনো রাজনৈতিক কাঠামোরই অংশ। তার দাবি, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে জামায়াতের কোনো স্পষ্ট ও স্বচ্ছ রূপরেখা নেই। ফলে তাদের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতা করতে গেলে এমন বহু প্রশ্ন সামনে আসে, যার সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া কঠিন।তিনি মনে করেন, আদর্শিক অবস্থান ও রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিগত প্রশ্নে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে জামায়াতের কোনো বাস্তব মিল নেই। এক পর্যায়ে তিনি হতাশা প্রকাশ করে বলেন, গত দেড় বছরের রাজনৈতিক যাত্রা ছিল এক ধরনের বিশ্বাসভঙ্গের অভিজ্ঞতা, যেখানে পুরনো রাজনৈতিক ব্যবস্থা নতুন মোড়কে আবার ফিরে আসছে এবং জুলাই আন্দোলনের মূল আকাঙ্ক্ষাকে আড়াল করে দিচ্ছে।ভবিষ্যৎ সরকার ব্যবস্থা নিয়েও সতর্কবার্তা দেন মাহফুজ আলম। তার মতে, ক্ষমতায় বিএনপি কিংবা জামায়াত, যেই আসুক না কেন, সমাজের ভেতরে জমে থাকা ক্ষত নিরাময় করতে না পারলে কোনো সরকারই টেকসই হবে না। তিনি বলেন, শুধু কাগজে-কলমে সংস্কার যথেষ্ট নয়; সমাজে ভিন্ন মত ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সমঝোতা বা পুনর্নির্ধারণ না হলে সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা চলতেই থাকবে।গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন তিনি। মাহফুজ আলমের মতে, সাধারণ মানুষের মধ্যে গণমাধ্যমের প্রতি আস্থা কমে গেছে। এই বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হলে গণমাধ্যমকে নিজেদের অতীত ভূমিকা নিয়ে আত্মসমালোচনার জায়গায় যেতে হবে এবং জনগণের সঙ্গে নতুন করে বোঝাপড়া গড়ে তুলতে হবে।বর্তমানে সক্রিয় রাজনীতির বাইরে থাকা মাহফুজ আলম সময় কাটাচ্ছেন বই পড়ে এবং হতাশ তরুণদের সঙ্গে কথা বলে। তিনি বোঝার চেষ্টা করছেন, কেন জুলাই অভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব হয়নি এবং ভবিষ্যতে কীভাবে সামনে এগোনো যায়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছাড়েন। এরপর ৮ আগস্ট গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। একই মাসের ২৮ তারিখ মাহফুজ আলম প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং ১০ নভেম্বর সরকারের উপদেষ্টা হন। তিনি গত বছরের ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন।
ডেস্ক নিউজ