বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
The Dhaka News Bangla

সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথে অংশ নেবে না বিএনপি: জানালেন সালাহউদ্দিন আহমদ

সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা এ পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন না বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার–১ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে শপথ কার্যক্রম শুরুর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি দলের এ অবস্থানের কথা তুলে ধরেন।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তাদের কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হননি এবং বর্তমান সংবিধানে এ ধরনের পরিষদের বিধানও অন্তর্ভুক্ত নেই। তার ভাষ্য অনুযায়ী, গণভোটের মাধ্যমে এ পরিষদ গঠনের সিদ্ধান্ত হলে সেটি আগে সংবিধানে যুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি পরিষদের সদস্যদের কে এবং কীভাবে শপথ পড়াবেন, সে বিষয়েও সাংবিধানিক বিধান প্রয়োজন।তিনি আরও জানান, এ সংক্রান্ত ফরম সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে অন্তর্ভুক্ত হওয়া এবং তা সংসদে সাংবিধানিকভাবে গৃহীত হওয়ার পরই শপথের বিধান কার্যকর করা সম্ভব। বিএনপি এ পর্যন্ত সংবিধান মেনেই চলেছে এবং ভবিষ্যতেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।দলীয় সিদ্ধান্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশনা অনুযায়ী জানানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন এই বিএনপি নেতা।পরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন উপস্থিত সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।
১৬ ঘন্টা আগে

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ আজ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের আজ (মঙ্গলবার) সকাল ১০টায় শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।গতকাল (সোমবার) সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয় সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ গ্রহণ কক্ষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন। এ বিষয়ে সোমবার বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিবকে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত একটি চিঠি পাঠানো হয়। সেখানে বলা হয়, ১৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ গ্রহণ কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ পাঠ পরিচালনা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।ইসি সচিব আখতার আরও জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ২০৯টি এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয়লাভ করেছে। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয়ী হয়েছেন।
১৬ ঘন্টা আগে

চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে ৩৬ প্রার্থীর ২৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি সংসদীয় আসনে ৩৬ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন একজন নারী প্রার্থীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ২৫ প্রার্থী। নির্বাচনের বিধি অনুযায়ি, কোনো সংসদীয় আসনে প্রার্থী বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগ বা কমপক্ষে ১২ শতাংশ ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায়, ৩৫ প্রার্থীর মধ্যে ২৫ জন নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে পারেননি। যার ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এমনও প্রার্থী আছেন যারা ১ হাজার ভোটও পাননি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৪ প্রার্থীর পাশাপাশি ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল সৈয়দ মোহাম্মদ মাহাদুর শাহ্ও জামানত হারিয়েছেন। একসময় সরকারে থাকা প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টি ৪টি আসনে অংশ নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৪৬ ভোট। আর গণফোরাম তিনটি আসনে পেয়েছেন ৮৭৬ ভোট।নির্বাচন কমিশনের হালনাগাদ তথ্যে জেলায় ভোটার ২৩ লাখ ৩১হাজার ১৯৫। এবারের নির্বাচনে ভোট দিয়ছেন ৫৩.০৫ভাগ।এদিকে জামায়াতের সাথে জোটে যাওয়া নিয়ে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বে জড়ানো ইসলামী আন্দোলন ৪টি আসনে ভোট পেয়েছে ৩৮ হাজার ৬শ ৩০ ভোট। ২০০৪ সালে আ. লীগের সাথে জোট হওয়া বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্ট মোমবাতি প্রতিক তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পেয়েছে ৭ হাজার ১৫৪ ভোট। শুধু তাই নয়, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ বাহদুর শাহ চেয়ার প্রতিকে চাঁদপুর-৫ আসন থেকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ১৭৮ ভোট। তিনিও হারিয়েছেন জামানত। অন্যদের মধ্যে জামানত হারিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতিকের ৩ প্রার্থী মো. জাকির হোসেন, মো. এনায়েত হোসেন ও মো. গোলাফ হোসেন। এছাড়া স্বতন্ত্র ঘুড়ি প্রতিকের জাকির হোসেন, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতিকের মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতিকের জাকির হোসেন প্রধানিয়া, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের আপেল প্রতিকের মো. মাহমুদুল হাসান নয়ন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির আনারস প্রতিকের নাসিমা নাজনিন সরকার, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির হাতি প্রতিকের মো. ফয়জুন্নুর ও নাগরিক ঐক্যের কেটলি প্রতিকের মো. এনামুল হক।চাঁদপুর-১ (কচুয়া): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ১৩লাখ ৩হাজার ৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতের প্রার্থী আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমেদ পেয়েছেন ৭০হাজার ৩৬৮ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে গণফোরামের মোহাম্মদ আজাদ হোসেন ৩২৯, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন ৪ হাজার ৩৭১, গণঅধিকার পরিষদের মো. এনায়েত হোসেন ২১৭ ও জাতীয় পার্টির হাবিব খান ৬৫২ ভোট পেয়েছন।চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিন ১লাখ ৭২হাজার ৫০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি এলডিপির ছাতা প্রতিকের প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৪৭৩ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশ লেবার পার্টির নাসিমা নাজনিন সরকার ২৮৩, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি মো. ফয়জুন্নর ৫০৯, গণঅধিকার পরিষদের মো. গোলাপ হোসেন ৩১৫, নাগরিক ঐক্য মো. এনামুল হক ১৪৩, ইসলামী আন্দোলনের মানসুর ১২হাজার ৩০৭, জাতীয় পার্টির এমরান হোসেন মিয়া ১হাজার ৩২৮ ভোট।চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ ১লাখ ৬৫ হাজার ৪০৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শাহজাহান মিয়া দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে পেয়েছেন ১লাখ ৮৬৫ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এ. এইচ.এম. আহসান উল্লাহ ২হাজার ২৭৪, ইসলামী আন্দোলনের মো. জয়নাল আবদিন শেখ ১৪ হাজার ১৮১, গণঅধিকার পরিষদের মো. জাকির হোসেন ১৩২, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ৬৭৬, গণফোরামের সেলিম আকবর ৩০৭ ভোট।চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) : এই আসনে স্বতন্ত্র চিংড়ি প্রতিকের প্রার্থী এম এ হান্নান ৭৪হাজার ১৭৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী বিএনপির ধানের শীষ প্রতিকের মো. হারুনুর রশিদ ৬৯ হাজার ১৫৫ ভোট এবং জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী পেয়েছেন ৬৬হাজার ৬৯২ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র জাকির হোসেন ১৮৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের মকবুল হোসাইন ৫হাজার ২৬১, জাতীয় পার্টির মাহমুদুর হাসান ২৭৭ ভোট, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. আবদুল মালেক ৫০৯, গণফোরামের মো. মুনীর চৌধুরী ২৪০ ভোট পেয়েছেন।চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী মো. মমিনুল হক ১ লাখ ৮৫হাজার ৪০৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি এলডিপির ছাতা প্রতিকের প্রার্থী মো. নেয়ামুল বশির পেয়েছেন ৭৫হাজার ৬৬০ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে জাতীয় পার্টির মির্জা গিয়াস উদ্দিন ১হাজার ৫১৬, ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আলী পাটওয়াারি ৬হাজার ৬৮১, স্বতন্ত্র মো. জাকির হোসেন প্রধানিয়া ২৬৮, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. মাহমুদুল হাসান নয়ন ২৫৬, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের সৈয়দ বাহাদুর শাহ্ মুজাদ্দেদী ১৩হাজার ১৭৮ ভোট পেয়েছেন।চাঁদপুর-৩ আসনের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থী এ এইচ এম আহসান উল্লাহ বলেন, জামানত হারানো প্রার্থীদের নিজ দলের তৃণমূল সাংগঠনিকভাবে দুর্বল। তাই নির্বাচনে ভালো করা কঠিন। তার মতে সাংগঠনিক কার্যক্রম সক্রিয় করা প্রয়োজন।সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চাঁদপুরের সভাপতি অধ্যক্ষ মোশারেফ হোসেন বলেন, আসলে নিজেকে পরিচিতির জন্য এমন নির্বাচনে অনেকে প্রার্থী হয়। আবার নির্বাচন কমিশনের শর্ত পূরণের জন্যও প্রার্থী দিয়ে নিয়ম রক্ষা করেন। এছাড়াও ছোট দলগুলোর জয় পরাজয় বা জামানত বাজেয়াপ্ত তাদের বড় বিষয় নয়, দলকে টিকিয়ে রাখতে নির্বাচনে অংশ গ্রহন নিশ্চিত করতে হয়।
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
হাতিয়ায় মধ্যরাতে ছাত্রদল নেতার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

হাতিয়ায় মধ্যরাতে ছাত্রদল নেতার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় মধ্যরাতে এক ছাত্রদল নেতার বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের নলেরচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।অভিযোগ উঠেছে, দুর্বৃত্তরা উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদপ্রার্থী ও ছাত্রদলের নোয়াখালী জেলা শাখার সাবেক সহ-নাট্য বিষয়ক সম্পাদক ইয়াসিন আলী সুজনের বাড়িতে আগুন দেয়।ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, সুজনের বাবা মো. বেলাল মিয়া ওই বাড়িতে বসবাস করতেন এবং কৃষি কাজ করতেন। তবে ঘটনার সময় তারা বয়ারচরে অন্য একটি বাড়িতে অবস্থান করায় প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়। আগুনে বসতঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র ও কাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।ইয়াসিন আলী সুজন বলেন, হাতিয়ার প্রকল্প বাজার এলাকায় শাপলা কলিতে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ে। আমি প্রকাশ্যে বলেছি, অভিযোগটি মিথ্যা। পরে বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত হয়। এর জেরে সন্ত্রাসীরা আমার বাড়ির গেটে তালা দিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়।তিনি দাবি করেন, একটি নবগঠিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কারও বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক মামলা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলাউদ্দিন বলেন, নির্বাচনের পর থেকে এলাকায় একের পর এক সহিংস ঘটনা ঘটছে। আমাদের শান্ত হাতিয়াকে অশান্ত করে তোলা হচ্ছে। আগুন সন্ত্রাস কোনো দলের জন্যই কাম্য নয়। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।এদিকে হাতিয়া উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক শামসুল ব্রিজের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগী পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৯ ঘন্টা আগে
জাতীয়

জাতীয়

সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথে অংশ নেবে না বিএনপি: জানালেন সালাহউদ্দিন আহমদ

সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথে অংশ নেবে না বিএনপি: জানালেন সালাহউদ্দিন আহমদ

সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা এ পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন না বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার–১ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে শপথ কার্যক্রম শুরুর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি দলের এ অবস্থানের কথা তুলে ধরেন।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তাদের কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হননি এবং বর্তমান সংবিধানে এ ধরনের পরিষদের বিধানও অন্তর্ভুক্ত নেই। তার ভাষ্য অনুযায়ী, গণভোটের মাধ্যমে এ পরিষদ গঠনের সিদ্ধান্ত হলে সেটি আগে সংবিধানে যুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি পরিষদের সদস্যদের কে এবং কীভাবে শপথ পড়াবেন, সে বিষয়েও সাংবিধানিক বিধান প্রয়োজন।তিনি আরও জানান, এ সংক্রান্ত ফরম সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে অন্তর্ভুক্ত হওয়া এবং তা সংসদে সাংবিধানিকভাবে গৃহীত হওয়ার পরই শপথের বিধান কার্যকর করা সম্ভব। বিএনপি এ পর্যন্ত সংবিধান মেনেই চলেছে এবং ভবিষ্যতেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।দলীয় সিদ্ধান্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশনা অনুযায়ী জানানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন এই বিএনপি নেতা।পরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন উপস্থিত সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।
১৬ ঘন্টা আগে
আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক

জার্মানিতে আলোচনার টেবিলে যুক্তরাষ্ট্র-চীন

জার্মানিতে আলোচনার টেবিলে যুক্তরাষ্ট্র-চীন

আলোচনার টেবিলে বসেছে বিশ্বরাজনীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত দুই দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও চীন।শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। তারা জার্মানির মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশ নিতে গিয়ে এই বৈঠকটি করেন। খবরটি জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।আলোচনায় ওয়াশিংটন-বেইজিং সম্পর্কের স্থিতিশীল উন্নয়ন নিশ্চিতে সংলাপ ও সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেয় দু'পক্ষই।ওয়াং ই জানান, ইতিমধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য কৌশলগত দিকনির্দেশনা দিয়েছেন দুই দেশের প্রেসিডেন্ট। ২০২৬ সালে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের লক্ষ্যে কাজ করবে উভয় পক্ষ।
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস

বিএনপির বিজয়ে কুবি শাখা ছাত্রদলের গণ মিষ্টি বিতরণ

বিএনপির বিজয়ে কুবি শাখা ছাত্রদলের গণ মিষ্টি বিতরণ

‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিজয়ী হওয়ায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে ‘গণ মিষ্টি বিতরণ’ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।‎‎সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়। পরে শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা প্রত্যেকটা বিভাগে এবং প্রশাসনিক ভবনের প্রত্যেকটা দপ্তরে গিয়ে মিষ্টি বিতরণ করেন। ‎‎শাখা ছাত্রদলের যুগ্ন-আহবায়ক মো: আবুল বাশার বলেন, 'গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জনগণের ব্যাপক সমর্থনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিজয় অর্জন করেছে। দীর্ঘ সাড়ে সতেরো বছরের সংগ্রামের পর জনগণের ভোটাধিকারের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে।  বিএনপি একটি শক্তিশালী ও গণতান্ত্রিক দল হিসেবে নির্বাচনের মাধ্যমে তার প্রমাণ দিয়েছে।'‎‎তিনি আরো বলেন, 'কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল বিগত সময়ের পেশীশক্তি ভিত্তিক ছাত্র রাজনীতির পুনরাবৃত্তি করবে না। আমরা শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে তাদের মৌলিক অধিকার আদায় ও বাস্তবায়নে লক্ষ্যে কাজ করবো। পূর্ববর্তী সময়ে শিক্ষার্থীরা নানা সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এবং গত আঠারো মাসে প্রশাসন সেসব ঘাটতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। এসব সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল কাজ করে যাবে।'‎‎শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, 'দীর্ঘ ১৮ বছর লড়াই সংগ্রাম করে,  বিএনপি'র সরকার গঠন উপলক্ষে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আনন্দে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে গণ মিষ্টি বিতরণ কর্মসূচি আয়োজন করেছি। আমরা প্রত্যাশা করি আগামী দিনে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে সুস্থ ধারার ক্যাম্পাস ও রাজনীতি পরিচালনায় শিক্ষার্থীবান্ধব সংগঠন গুলোও  আমাদের সহায়ক হবে। সকলের সার্বজনীন প্রচেষ্টার মাধ্যমে শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস সকলকে উপহার দিতে পারবো।'‎‎শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, 'আজকের মিষ্টি বিতরন কর্মসূচিতে সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীবৃন্দকে স্বাগতম। সুখ-দুঃখ সবাই মিলে উপভোগ করলে জয়ের আনন্দ বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। আমরা চাই আমাদের নিরঙ্কুশ জয়, ছাত্রদলের জয়, বিএনপির জয়, তারেক রহমানের জয়, সকলকে সঙ্গে নিয়ে আনন্দ উদযাপন করতে। ক্ষণিকের এই বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আমরা সবাই মিলে আনন্দ ভাগাভাগি করতে চাই।'
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

নির্বাচন

নির্বাচন

চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে ৩৬ প্রার্থীর ২৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত

চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে ৩৬ প্রার্থীর ২৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি সংসদীয় আসনে ৩৬ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন একজন নারী প্রার্থীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ২৫ প্রার্থী। নির্বাচনের বিধি অনুযায়ি, কোনো সংসদীয় আসনে প্রার্থী বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগ বা কমপক্ষে ১২ শতাংশ ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায়, ৩৫ প্রার্থীর মধ্যে ২৫ জন নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে পারেননি। যার ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এমনও প্রার্থী আছেন যারা ১ হাজার ভোটও পাননি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৪ প্রার্থীর পাশাপাশি ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল সৈয়দ মোহাম্মদ মাহাদুর শাহ্ও জামানত হারিয়েছেন। একসময় সরকারে থাকা প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টি ৪টি আসনে অংশ নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৪৬ ভোট। আর গণফোরাম তিনটি আসনে পেয়েছেন ৮৭৬ ভোট।নির্বাচন কমিশনের হালনাগাদ তথ্যে জেলায় ভোটার ২৩ লাখ ৩১হাজার ১৯৫। এবারের নির্বাচনে ভোট দিয়ছেন ৫৩.০৫ভাগ।এদিকে জামায়াতের সাথে জোটে যাওয়া নিয়ে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বে জড়ানো ইসলামী আন্দোলন ৪টি আসনে ভোট পেয়েছে ৩৮ হাজার ৬শ ৩০ ভোট। ২০০৪ সালে আ. লীগের সাথে জোট হওয়া বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্ট মোমবাতি প্রতিক তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পেয়েছে ৭ হাজার ১৫৪ ভোট। শুধু তাই নয়, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ বাহদুর শাহ চেয়ার প্রতিকে চাঁদপুর-৫ আসন থেকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ১৭৮ ভোট। তিনিও হারিয়েছেন জামানত। অন্যদের মধ্যে জামানত হারিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতিকের ৩ প্রার্থী মো. জাকির হোসেন, মো. এনায়েত হোসেন ও মো. গোলাফ হোসেন। এছাড়া স্বতন্ত্র ঘুড়ি প্রতিকের জাকির হোসেন, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতিকের মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতিকের জাকির হোসেন প্রধানিয়া, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের আপেল প্রতিকের মো. মাহমুদুল হাসান নয়ন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির আনারস প্রতিকের নাসিমা নাজনিন সরকার, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির হাতি প্রতিকের মো. ফয়জুন্নুর ও নাগরিক ঐক্যের কেটলি প্রতিকের মো. এনামুল হক।চাঁদপুর-১ (কচুয়া): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ১৩লাখ ৩হাজার ৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতের প্রার্থী আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমেদ পেয়েছেন ৭০হাজার ৩৬৮ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে গণফোরামের মোহাম্মদ আজাদ হোসেন ৩২৯, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন ৪ হাজার ৩৭১, গণঅধিকার পরিষদের মো. এনায়েত হোসেন ২১৭ ও জাতীয় পার্টির হাবিব খান ৬৫২ ভোট পেয়েছন।চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিন ১লাখ ৭২হাজার ৫০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি এলডিপির ছাতা প্রতিকের প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৪৭৩ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশ লেবার পার্টির নাসিমা নাজনিন সরকার ২৮৩, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি মো. ফয়জুন্নর ৫০৯, গণঅধিকার পরিষদের মো. গোলাপ হোসেন ৩১৫, নাগরিক ঐক্য মো. এনামুল হক ১৪৩, ইসলামী আন্দোলনের মানসুর ১২হাজার ৩০৭, জাতীয় পার্টির এমরান হোসেন মিয়া ১হাজার ৩২৮ ভোট।চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ ১লাখ ৬৫ হাজার ৪০৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শাহজাহান মিয়া দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে পেয়েছেন ১লাখ ৮৬৫ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এ. এইচ.এম. আহসান উল্লাহ ২হাজার ২৭৪, ইসলামী আন্দোলনের মো. জয়নাল আবদিন শেখ ১৪ হাজার ১৮১, গণঅধিকার পরিষদের মো. জাকির হোসেন ১৩২, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ৬৭৬, গণফোরামের সেলিম আকবর ৩০৭ ভোট।চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) : এই আসনে স্বতন্ত্র চিংড়ি প্রতিকের প্রার্থী এম এ হান্নান ৭৪হাজার ১৭৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী বিএনপির ধানের শীষ প্রতিকের মো. হারুনুর রশিদ ৬৯ হাজার ১৫৫ ভোট এবং জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী পেয়েছেন ৬৬হাজার ৬৯২ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র জাকির হোসেন ১৮৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের মকবুল হোসাইন ৫হাজার ২৬১, জাতীয় পার্টির মাহমুদুর হাসান ২৭৭ ভোট, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. আবদুল মালেক ৫০৯, গণফোরামের মো. মুনীর চৌধুরী ২৪০ ভোট পেয়েছেন।চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী মো. মমিনুল হক ১ লাখ ৮৫হাজার ৪০৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি এলডিপির ছাতা প্রতিকের প্রার্থী মো. নেয়ামুল বশির পেয়েছেন ৭৫হাজার ৬৬০ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে জাতীয় পার্টির মির্জা গিয়াস উদ্দিন ১হাজার ৫১৬, ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আলী পাটওয়াারি ৬হাজার ৬৮১, স্বতন্ত্র মো. জাকির হোসেন প্রধানিয়া ২৬৮, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. মাহমুদুল হাসান নয়ন ২৫৬, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের সৈয়দ বাহাদুর শাহ্ মুজাদ্দেদী ১৩হাজার ১৭৮ ভোট পেয়েছেন।চাঁদপুর-৩ আসনের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থী এ এইচ এম আহসান উল্লাহ বলেন, জামানত হারানো প্রার্থীদের নিজ দলের তৃণমূল সাংগঠনিকভাবে দুর্বল। তাই নির্বাচনে ভালো করা কঠিন। তার মতে সাংগঠনিক কার্যক্রম সক্রিয় করা প্রয়োজন।সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চাঁদপুরের সভাপতি অধ্যক্ষ মোশারেফ হোসেন বলেন, আসলে নিজেকে পরিচিতির জন্য এমন নির্বাচনে অনেকে প্রার্থী হয়। আবার নির্বাচন কমিশনের শর্ত পূরণের জন্যও প্রার্থী দিয়ে নিয়ম রক্ষা করেন। এছাড়াও ছোট দলগুলোর জয় পরাজয় বা জামানত বাজেয়াপ্ত তাদের বড় বিষয় নয়, দলকে টিকিয়ে রাখতে নির্বাচনে অংশ গ্রহন নিশ্চিত করতে হয়।
০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকা-৯ আসনে হাবিবের প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের সমর্থন

ঢাকা-৯ আসনে হাবিবের প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের সমর্থন

০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ক্রিকেট

ক্রিকেট

ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ: বিক্রি হয়ে গেছে সব টিকিট

ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ: বিক্রি হয়ে গেছে সব টিকিট

অনিশ্চয়তা, রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা পেরিয়ে অবশেষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কলম্বোর ঐতিহাসিক আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ম্যাচ নিয়ে ইতোমধ্যেই সমর্থকদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে উঠেছে। ম্যাচের সব টিকিট খুব দ্রুত বিক্রি হয়ে গেছে; একই সঙ্গে কলম্বোমুখী ফ্লাইট ও হোটেল ভাড়ায় নজিরবিহীন উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে।বিশ্ব ক্রিকেটে ভারত–পাকিস্তান দ্বৈরথ মানেই বাড়তি উত্তেজনা। রাজনৈতিক ইতিহাস, সীমান্ত উত্তেজনা ও দীর্ঘদিন দ্বিপাক্ষিক সিরিজ না হওয়ায় আইসিসি ইভেন্টেই মুখোমুখি হয় দু’দল। ফলে এমন ম্যাচকে ঘিরে দর্শক আগ্রহ যে অন্য উচ্চতায় থাকবে, তা অনুমান করাই যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৩৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে আগেভাগেই। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ম্যাচ নিশ্চিত হওয়ার পরপরই কলম্বোর হোটেল কক্ষের ভাড়া তিন থেকে চার গুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়। সাধারণ সময়ে যেসব কক্ষের ভাড়া রাতপ্রতি ১০০ থেকে ১৫০ ডলার, সেগুলোর জন্য এখন গুনতে হচ্ছে সর্বোচ্চ ৬৬০ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮১ হাজার টাকা)। জনপ্রিয় হোটেল বুকিং ওয়েবসাইটগুলোতে এমন মূল্যবৃদ্ধির চিত্র স্পষ্ট।কলম্বোর তিনটি ট্রাভেল এজেন্সি জানিয়েছে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার পর শেষ মুহূর্তে বুকিংয়ের চাপ হঠাৎ বেড়ে যায়। বিশেষ করে ভারতের চেন্নাই ও দিল্লির মতো বড় শহর থেকে ফ্লাইট বুকিং কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। চেন্নাই থেকে কলম্বো যেতে সময় লাগে দেড় ঘণ্টার মতো, কিন্তু অল্প দূরত্বের এই রুটেও ভাড়া বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২৩ থেকে ৭৫৬ ডলার পর্যন্ত। অন্যদিকে দিল্লি-কলম্বো রুটে ভাড়া প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়ে ৬৬৬ ডলারে পৌঁছেছে।শ্রীলঙ্কা ইনবাউন্ড ট্যুর অপারেটরসের সভাপতি নালিন জয়াসুন্দেরা জানিয়েছেন, অধিকাংশ হোটেল প্রায় পূর্ণ। অনেক সমর্থকই ‘অল-ইনক্লুসিভ’ প্যাকেজে আসছেন, যার মূল্য ১৫০০ থেকে ২০০০ ডলার পর্যন্ত। এসব প্যাকেজে ম্যাচ টিকিট, আবাসন ও যাতায়াত অন্তর্ভুক্ত থাকছে। তিনি বলেন, চাহিদা এত বেশি যে শেষ মুহূর্তে দাম আরও বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে পর্যটন খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে; বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের তৃতীয় বৃহৎ উৎস এটি। সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সংকট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধাক্কা সামাল দিতে দেশটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজনকে সুযোগ হিসেবে দেখছে। শ্রীলঙ্কা ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বুদ্ধিকা হেওয়াসাম জানান, বিশ্বকাপের প্রথম ১০ দিনে প্রায় এক লাখ বিদেশি দর্শনার্থীর ২০ শতাংশই ভারত–পাকিস্তান ম্যাচকে কেন্দ্র করে দেশটিতে এসেছে। তার ভাষায়, শ্রীলঙ্কা নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে বড় ম্যাচ আয়োজনের সক্ষমতা দেখাতে চায়। এটি শুধু ভারত ও পাকিস্তান নয়, দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের জন্যই ইতিবাচক বার্তা।এদিকে, দু’দলের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চরমে। লাহোরের বাসিন্দা মিয়া সুলতান ম্যাচটি দেখতে কলম্বোয় যাচ্ছেন। তার প্রত্যাশা, এই ম্যাচ জিতলে পাকিস্তান পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে যাবে। তিনি বলেন, এটি জীবনের অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে। নিউজিল্যান্ডে থাকা তার এক বন্ধু ম্যাচ দেখতে কলম্বোয় উড়াল দিচ্ছেন; গ্যালারির সামনের সারির টিকিটের জন্য তাকে খরচ করতে হয়েছে ৮০০ ডলার।সব মিলিয়ে, একটি ম্যাচ ঘিরে কলম্বোতে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই অর্থনৈতিক প্রভাব, ভ্রমণ ব্যয় এবং দর্শক আগ্রহের দিক থেকে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ যেন চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আলাদা এক মাত্রা যোগ করেছে। এখন শুধু অপেক্ষা, চাপ, প্রত্যাশা আর আবেগের এই লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসে।
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সারাদেশ

সারাদেশ

হাতিয়ায় মধ্যরাতে ছাত্রদল নেতার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

হাতিয়ায় মধ্যরাতে ছাত্রদল নেতার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় মধ্যরাতে এক ছাত্রদল নেতার বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের নলেরচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।অভিযোগ উঠেছে, দুর্বৃত্তরা উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদপ্রার্থী ও ছাত্রদলের নোয়াখালী জেলা শাখার সাবেক সহ-নাট্য বিষয়ক সম্পাদক ইয়াসিন আলী সুজনের বাড়িতে আগুন দেয়।ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, সুজনের বাবা মো. বেলাল মিয়া ওই বাড়িতে বসবাস করতেন এবং কৃষি কাজ করতেন। তবে ঘটনার সময় তারা বয়ারচরে অন্য একটি বাড়িতে অবস্থান করায় প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়। আগুনে বসতঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র ও কাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।ইয়াসিন আলী সুজন বলেন, হাতিয়ার প্রকল্প বাজার এলাকায় শাপলা কলিতে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ে। আমি প্রকাশ্যে বলেছি, অভিযোগটি মিথ্যা। পরে বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত হয়। এর জেরে সন্ত্রাসীরা আমার বাড়ির গেটে তালা দিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়।তিনি দাবি করেন, একটি নবগঠিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কারও বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক মামলা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলাউদ্দিন বলেন, নির্বাচনের পর থেকে এলাকায় একের পর এক সহিংস ঘটনা ঘটছে। আমাদের শান্ত হাতিয়াকে অশান্ত করে তোলা হচ্ছে। আগুন সন্ত্রাস কোনো দলের জন্যই কাম্য নয়। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।এদিকে হাতিয়া উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক শামসুল ব্রিজের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগী পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মতামত

মতামত

জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: মাহফুজ আলম

জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: মাহফুজ আলম

জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক মাহফুজ আলম। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য উইক’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ মূলত একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।তার ভাষায়, দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় আওয়ামী লীগ টিকে থাকলে জামায়াতও টিকে থাকবে, আবার জামায়াত থাকলে আওয়ামী লীগের অস্তিত্বও বজায় থাকবে। এই পারস্পরিক নির্ভরতার মধ্যেই বাংলাদেশের রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরে আবর্তিত হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।প্রায় সাড়ে ১৪ মিনিটের এই সাক্ষাৎকারটি বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রচারিত হয়। এতে মাহফুজ আলম বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশ, সংস্কার প্রক্রিয়া, পুরনো ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের টানাপোড়েন এবং গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা, এমন নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বলেন।আসন্ন ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত আগেই জানিয়েছিলেন মাহফুজ আলম। তবে এই সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেন, রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর অন্যতম প্রধান কারণ ছিল জামায়াত ও আওয়ামী লীগের মধ্যকার এই পারস্পরিক অস্তিত্বের সমীকরণ। তার মতে, এই কাঠামোর ভেতরে থেকে কোনো প্রকৃত পরিবর্তন সম্ভব নয়।সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের পর তিনি তরুণ শক্তিগুলোকে একত্র করে বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে একটি শক্তিশালী ‘তৃতীয় বিকল্প’ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু যখন এনসিপি পুরনো রাজনৈতিক বন্দোবস্তের অংশ হিসেবে জামায়াতের সঙ্গে জোটে যায়, তখন সেই সম্ভাবনা কার্যত শেষ হয়ে যায়।জামায়াত প্রসঙ্গে মাহফুজ আলম আরও বলেন, যাদের সঙ্গে জোট করা হয়েছে তারা সবাই পুরনো রাজনৈতিক কাঠামোরই অংশ। তার দাবি, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে জামায়াতের কোনো স্পষ্ট ও স্বচ্ছ রূপরেখা নেই। ফলে তাদের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতা করতে গেলে এমন বহু প্রশ্ন সামনে আসে, যার সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া কঠিন।তিনি মনে করেন, আদর্শিক অবস্থান ও রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিগত প্রশ্নে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে জামায়াতের কোনো বাস্তব মিল নেই। এক পর্যায়ে তিনি হতাশা প্রকাশ করে বলেন, গত দেড় বছরের রাজনৈতিক যাত্রা ছিল এক ধরনের বিশ্বাসভঙ্গের অভিজ্ঞতা, যেখানে পুরনো রাজনৈতিক ব্যবস্থা নতুন মোড়কে আবার ফিরে আসছে এবং জুলাই আন্দোলনের মূল আকাঙ্ক্ষাকে আড়াল করে দিচ্ছে।ভবিষ্যৎ সরকার ব্যবস্থা নিয়েও সতর্কবার্তা দেন মাহফুজ আলম। তার মতে, ক্ষমতায় বিএনপি কিংবা জামায়াত, যেই আসুক না কেন, সমাজের ভেতরে জমে থাকা ক্ষত নিরাময় করতে না পারলে কোনো সরকারই টেকসই হবে না। তিনি বলেন, শুধু কাগজে-কলমে সংস্কার যথেষ্ট নয়; সমাজে ভিন্ন মত ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সমঝোতা বা পুনর্নির্ধারণ না হলে সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা চলতেই থাকবে।গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন তিনি। মাহফুজ আলমের মতে, সাধারণ মানুষের মধ্যে গণমাধ্যমের প্রতি আস্থা কমে গেছে। এই বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হলে গণমাধ্যমকে নিজেদের অতীত ভূমিকা নিয়ে আত্মসমালোচনার জায়গায় যেতে হবে এবং জনগণের সঙ্গে নতুন করে বোঝাপড়া গড়ে তুলতে হবে।বর্তমানে সক্রিয় রাজনীতির বাইরে থাকা মাহফুজ আলম সময় কাটাচ্ছেন বই পড়ে এবং হতাশ তরুণদের সঙ্গে কথা বলে। তিনি বোঝার চেষ্টা করছেন, কেন জুলাই অভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব হয়নি এবং ভবিষ্যতে কীভাবে সামনে এগোনো যায়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছাড়েন। এরপর ৮ আগস্ট গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। একই মাসের ২৮ তারিখ মাহফুজ আলম প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং ১০ নভেম্বর সরকারের উপদেষ্টা হন। তিনি গত বছরের ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন।
ডেস্ক নিউজ