বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
The Dhaka News Bangla

ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের পদ ছাড়ার ঘোষণা জাবেরের

ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাকালীন নির্বাহী পরিচালক ও বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল জাবের। বুধবার (৮ জুলাই) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই ঘোষণা দেন।পোস্টে তিনি জানান, শহীদ ওসমান হাদীর শাহাদাতের পর তার ওয়ারিশ সংক্রান্ত ইস্যুতে সংগঠনের বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নানা জটিলতা দেখা দিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ওসমান হাদীর সম্মানার্থে এবং তার ওয়ারিশদের দাবির ভিত্তিতে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের সার্বিক দায়িত্ব হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেন তিনি।স্ট্যাটাসে আব্দুল্লাহ আল জাবের উল্লেখ করেন, শহীদ ওসমান হাদী শাহাদাতের আগে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের ট্রাস্ট গঠনের উদ্যোগ নিলেও তা সম্পন্ন করে যেতে পারেননি। প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই এটি জনতার আমানত হিসেবে পরিচিত এবং সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত ছয় মাস ধরে শাহাদাত পরবর্তী উত্থাপিত ওয়ারিশ সংক্রান্ত ইস্যু সমাধানের চেষ্টা চলছিল। এই সময়ে বেশ কিছু নতুন কার্যক্রমের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছিল, যা বর্তমানে চলমান রয়েছে। তবে সময়ের সঙ্গে বিষয়গুলো আরও জটিল আকার ধারণ করে বলে জানান তিনি।তিনি লেখেন, "আল্লাহ তায়ালা শহীদ ওসমান হাদীকে যে সম্মান দিয়েছেন, সেই সম্মানের স্বার্থে, তার ওয়ারিশদের দাবির প্রেক্ষিতে ও সমস্ত দলিল দস্তাবেজ সাপেক্ষে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার দাবিকারীদের নিকট হস্তান্তর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যে ভালোবাসা ও সম্মান আপনারা আমায় দিয়েছেন, তার জন্য আমি আজীবন কৃতজ্ঞ।"আব্দুল্লাহ আল জাবের আরও উল্লেখ করেন, দায়িত্বপালনকালে মানুষের আস্থা রক্ষার চেষ্টা তিনি আপ্রাণ করেছেন। তিনি জানান, শহীদ ওসমান হাদীর শাহাদাতের পর ঢাকা-৮ ও কালচারাল সেন্টার সংশ্লিষ্ট সব একাউন্ট ফ্রিজ থাকায় সংশ্লিষ্ট হিসাব ব্যতীত তার দায়িত্বকালীন সময়ের বাকি সব হিসাব দ্রুততম সময়ে প্রকাশ করা হবে।স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি লেখেন, শহীদ ওসমান হাদী যে ইনসাফের লড়াই ও সাংস্কৃতিক বিপ্লবের স্বপ্ন জাগিয়ে গেছেন, তা বহন করার দায়িত্ব পালনের জন্য দোয়া কামনা করেন তিনি। ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার-কেন্দ্রিক নিজের যাত্রা এখানেই সমাপ্ত হচ্ছে বলে জানিয়ে দেন আব্দুল্লাহ আল জাবের।
১ ঘন্টা আগে

কুবিতে র‍্যাংকিং ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তরের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিং উন্নয়ন ও একাডেমিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে এক বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান, এশিয়ায় ইরাসমাস প্লাস ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্টস (ইএনএফপিএস) নেটওয়ার্কের কেন্দ্রীয় সহায়তা কার্যক্রমের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক ড. আশিকুর রহমান, আইকিউএসি (ইন্টারনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল)-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দুর রহমান, গবেষণা ও সম্প্রসারণ সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন, বিভিন্ন অনুষদের নবনিযুক্ত ডিন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মশিউর রহমান।আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে ড. আশিকুর রহমান বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাংকিং কোনো প্রতিষ্ঠানের চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়; বরং এটি একটি প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক কার্যক্রমের প্রতিফলন। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসম্মত কর্মপরিবেশ, শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা, গবেষণাবান্ধব পরিবেশ এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা উন্নয়নের ধারাবাহিক উদ্যোগ থাকলে সেই প্রতিষ্ঠান স্বাভাবিকভাবেই এগিয়ে যায়। বিচ্ছিন্ন কোনো সাফল্যের চেয়ে প্রতিষ্ঠানের সব অংশীজনের সম্মিলিত অগ্রগতি আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিংয়ে বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখে।"তিনি আরও বলেন, 'কিউএস, টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই), সাংহাই র‍্যাংকিং এবং সিমাগো-সহ আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিং ব্যবস্থার বিভিন্ন মূল্যায়ন সূচক বিবেচনা করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিকল্পিতভাবে কাজ শুরু করতে হবে।'আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মশিউর রহমান বলেন, "ড. আশিকুর রহমান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাংকিং ও উচ্চশিক্ষা উন্নয়ন বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। তাঁর অভিজ্ঞতা থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বাস্তবসম্মত করণীয় নির্ধারণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায় উপাচার্য গবেষণা পরিবেশ উন্নয়ন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণায় সম্পৃক্ততা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, যৌথ গবেষণা প্রকাশনা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। এসব আলোচনার ভিত্তিতে এক বছর মেয়াদি একটি রোডম্যাপ প্রণয়নের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে মতৈক্য হয়েছে।"তিনি আরও বলেন, "আমরা একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে ধাপে ধাপে এগোতে চাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্তবতা, সীমাবদ্ধতা ও সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পিতভাবে কাজ শুরু করাই এখন সবচেয়ে জরুরি। ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিংয়ে আরও ভালো অবস্থানে পৌঁছাবে বলে আমরা আশাবাদী।"
০৭ জুলাই ২০২৬

চান্দিনায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ

কুমিল্লার চান্দিনায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় খরিপ-২ মৌসুমে উফশী রোপা আমন ধান ও শাকসবজির আবাদ এবং উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।‎‎সোমবার (৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় চান্দিনা উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-৭(চান্দিনা) আসনের সংসদ সদস্য আতিকুল আলম শাওন।এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আশরাফুল হক,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুহাম্মদ মোরশেদ আলম।‎‎কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ১৮শ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে উন্নতমানের উফশী রোপা আমন ধানের বীজ ও সার,১২শ জনের মাঝে বিভিন্ন শাকসবজির বীজ ও প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সার,১১০ জনের মাঝে পেয়াজ ও হাইব্রিড কাঁচা মরিচ বীজ ও সার এবং সরকারের নিবার্চনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন জাতের ১২শ ৫০টি চারা গাছ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।‎‎অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- সাবেক পৌর কাউন্সিলর শাহজাহান সরকার, অতিরিক্ত কৃষি অফিসার আমেনা বেগম, উপসহকারী কৃষি অফিসার মো. মাজেদুল ইসলাম,উপসহকারী কৃষি অফিসার সারোয়ার আলম সোহেল,পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ইকরামুল্লাহ আসাদুজ্জামান শান্তসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষক-কৃষাণী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
০৬ জুলাই ২০২৬
কুমিল্লার চান্দিনায় লরির ধাক্কায় অটোরিকশার চালকসহ নিহত ২, আহত ১

কুমিল্লার চান্দিনায় লরির ধাক্কায় অটোরিকশার চালকসহ নিহত ২, আহত ১

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনায় একটি দ্রুতগামী লরির ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক ও এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও এক যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে চান্দিনা উপজেলার নূরীতলা এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার তীব্রতায় অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেওয়ার পর লরিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের একটি পুকুরে পড়ে যায়।নিহতরা হলেন কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার পাঁচকিত্তা গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে এবং অটোরিকশাচালক হানিফ মিয়া এবং দেবীদ্বার উপজেলার দাঁড়িয়াপুর গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে লাবিব হোসেন। এই ঘটনায় আহত সজীব হোসেন নিহত লাবিবের মামাতো ভাই এবং তিনি একই গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে।স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, দুপুরে বৃষ্টির মধ্যে মাধাইয়া থেকে যাত্রী নিয়ে অটোরিকশাটি নূরীতলা এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে চট্টগ্রামগামী একটি লরি এটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে দুটি বাহনই ছিটকে রাস্তার পাশের পুকুরে পড়ে নিমজ্জিত হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত এগিয়ে এসে আহত তিনজনকে উদ্ধার করে প্রথমে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত কুমিল্লার বিভিন্ন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হানিফ মিয়া ও লাবিব হোসেনের মৃত্যু হয়। বিকেল গড়াতেই নিহতদের পরিবারের সদস্যরা তাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।হাইওয়ে পুলিশ ইলিয়টগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন সিকদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়েই স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। পুলিশ নিহতদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছে এবং এই ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
১ ঘন্টা আগে
সারাদেশ

সারাদেশ

জাতীয়

জাতীয়

জাবেরের পর এবার পদ ছাড়লেন জুমা

জাবেরের পর এবার পদ ছাড়লেন জুমা

ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন সংগঠনটির বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ফাতিমা তাসনিম জুমা। এর আগে একই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন প্রতিষ্ঠাকালীন নির্বাহী পরিচালক ও বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল জাবের।বুধবার (৮ জুলাই) নিজ নিজ ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পৃথক পোস্টে তারা জানান, শহীদ ওসমান হাদীর ওয়ারিশদের দাবির প্রেক্ষিতে এবং বিদ্যমান দলিল-দস্তাবেজের ভিত্তিতে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার দাবিদারদের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।নিজের পোস্টে আব্দুল্লাহ আল জাবের উল্লেখ করেন, শহীদ ওসমান হাদী শাহাদাতের আগে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের জন্য একটি ট্রাস্ট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তবে তা সম্পন্ন করে যেতে পারেননি। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সংগঠনটি "জনতার আমানত" হিসেবে পরিচালিত হওয়ার পরিকল্পনা ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, গত ছয় মাস ধরে ওয়ারিশ সংক্রান্ত বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হলেও পরিস্থিতি ক্রমে জটিল হয়ে ওঠে।তিনি লেখেন, "আল্লাহ তায়ালা শহীদ ওসমান হাদীকে যে সম্মান দিয়েছেন, সেই সম্মানের স্বার্থে, তার ওয়ারিশদের দাবির প্রেক্ষিতে ও সমস্ত দলিল-দস্তাবেজ সাপেক্ষে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার দাবিকারীদের নিকট হস্তান্তর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।"জাবের আরও জানান, শহীদ ওসমান হাদীর শাহাদাতের পর ঢাকা-৮ ও সেন্টারসহ সংশ্লিষ্ট সব অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ থাকায় ওই হিসাব ব্যতীত তার দায়িত্বকালীন সময়ের বাকি সব হিসাব দ্রুততম সময়ে প্রকাশ করা হবে। একইসঙ্গে তিনি ইনসাফের লড়াই ও সাংস্কৃতিক বিপ্লবের স্বপ্ন এগিয়ে নেওয়ার জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।অন্যদিকে ফাতিমা তাসনিম জুমা তার পোস্টে জানান, জুলাই-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বাংলাদেশপন্থি সংস্কৃতির স্বার্থে তিনি ইনকিলাবে যুক্ত হয়েছিলেন। তবে সময়ের সঙ্গে সংগঠনটি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি রাজনৈতিক পরিসরেও সম্পৃক্ত হতে শুরু করলে এ নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন।জুমা জানান, শহীদ ওসমান হাদীর শাহাদাতের পর ওয়ারিশ সংক্রান্ত জটিলতা সামনে আসে এবং ট্রাস্ট গঠনের চেষ্টা সত্ত্বেও তা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সময়ে এই বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে নানা আলোচনা, অপপ্রচার ও মানহানিকর মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ায় তিনি ব্যক্তিগতভাবে মানসিক চাপে পড়েন বলে জানান।তিনিও তার পোস্টে লেখেন, "আল্লাহ তায়ালা শহীদ ওসমান হাদীকে যে সম্মান দিয়েছেন, সেই সম্মানের স্বার্থে, তার ওয়ারিশদের দাবির প্রেক্ষিতে ও সমস্ত দলিল-দস্তাবেজ সাপেক্ষে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার দাবিকারীদের নিকট হস্তান্তর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।"জুমা আরও জানান, শহীদ ওসমান হাদীর শাহাদাতের আগে পরিচালিত অ্যাকাউন্টগুলো ফ্রিজ থাকলেও, এরপর থেকে তার দায়িত্বকালীন সময়ের সেন্টার-সংশ্লিষ্ট সব হিসাব দ্রুত প্রকাশ করা হবে। তিনি বলেন, ইনকিলাবের প্রতি মানুষের বিশ্বাস ও ভালোবাসার মর্যাদা রক্ষার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে এবং তার সংগ্রাম অন্য মাধ্যমে চলমান থাকবে।
৩৭ মিনিট আগে
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

ভিএআর বিতর্কে অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন ফিফা সভাপতি

ভিএআর বিতর্কে অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন ফিফা সভাপতি

আর্জেন্টিনা ও মিশরের মধ্যকার বিশ্বকাপ ম্যাচে ভিএআর সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশ্বজুড়ে তৈরি হওয়া তীব্র বিতর্কের মধ্যে অবশেষে মুখ খুলেছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।এক বিবৃতিতে তিনি জানান, ঘটনাটি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনার পরও এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি, যা থেকে বলা যায় ভিএআর দল ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো একটি পক্ষকে সুবিধা দিতে চেয়েছিল।ইনফান্তিনো বলেন, রেফারিং ও প্রতিযোগিতা পরিচালনার সঙ্গে কয়েক দশকের সম্পৃক্ততা থেকেই তিনি জানেন, একটি সিদ্ধান্ত যখন এত ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়, তখন তা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করাই দায়িত্বের অংশ। তিনি জানান, ঘটনাটি তিনি একাধিকবার নয়, দশবারেরও বেশি পর্যবেক্ষণ করেছেন প্রতিটি ক্যামেরা অ্যাঙ্গেল আলাদাভাবে থামিয়ে দেখেছেন, ম্যাচ কর্মকর্তাদের ভিএআর যোগাযোগ ও বিভিন্ন রিপ্লেও খতিয়ে দেখেছেন।তার ভাষায়, "আমি এটি করিনি আর্জেন্টিনা জড়িত ছিল বলে, কিংবা মিশর ছিল বলে। করেছি কারণ ফুটবলে মতামতের আগে সত্য প্রতিষ্ঠা করা জরুরি।"ফিফা প্রধান বলেন, পর্যালোচনা শেষে তার মূল্যায়ন হলো ভিএআর দল ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো পক্ষকে সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে, এমন প্রমাণ নেই। তবে এর মানে এই নয় যে সমর্থকদের প্রশ্ন তোলার অধিকার নেই। তিনি বলেন, "মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই পারে, দ্বিমত পোষণ করতেই পারে। সেটাই ফুটবল। কিন্তু মতবিরোধ মানেই ষড়যন্ত্র, এই ধারণা ঠিক নয়।"মিশরের সমর্থকদের হতাশা এবং আর্জেন্টিনার সমর্থকদের সন্তুষ্টি দুই বিপরীত প্রতিক্রিয়ার প্রসঙ্গ টেনে ইনফান্তিনো বলেন, এটাই প্রমাণ করে এমন পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া কতটা কঠিন। তিনি জানান, ফিফার কাজ কোনো একটি দেশের সমর্থকদের সন্তুষ্ট করা নয়, বরং খেলার নিয়ম সবার ক্ষেত্রে সমান, ধারাবাহিক ও নিরপেক্ষভাবে প্রয়োগ নিশ্চিত করা।তিনি আরও জানান, রেফারিং বিভাগ কোথাও উন্নতির সুযোগ দেখলে অন্যান্য ম্যাচের মতো এই ম্যাচের বিতর্কিত মুহূর্তগুলোও পর্যালোচনা করা হবে। তার ভাষায়, "কোনো রেফারি পর্যালোচনার ঊর্ধ্বে নন, কোনো সিদ্ধান্ত বিশ্লেষণের বাইরে নয় এভাবেই ফুটবল ক্রমাগত উন্নত হয়।"বিবৃতির শেষে ফুটবলের প্রতি আস্থা অটুট রাখার আহ্বান জানিয়ে ইনফান্তিনো বলেন, আবেগ ও বিতর্ক থাকবেই, তবে ফুটবলের প্রতি বিশ্বাস তৈরি হয় স্বচ্ছতা, ধারাবাহিকতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে গুজব বা অনুমানের ওপর নয়।
২৯ মিনিট আগে
আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

দক্ষিণ আফ্রিকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নোয়াখালীর এক প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার পাঁচ বছর বয়সী মেয়েও আহত হয়েছে।মঙ্গলবার (৭ জুলাই) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দক্ষিণ আফ্রিকার পোর্ট এলিজাবেথ শহরে এ ঘটনা ঘটে।নিহত মো. ইয়াছিন (৪০) নোয়াখালীর সদর উপজেলার কাদির হানিফ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাঞ্চনপুর গ্রামের মো. সুজায়েত উল্যার ছেলে।নিহতের সেজো ভাই মো.নাসির জানান, ইয়াছিন প্রায় ১৬ বছর ধরে দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাস করছিলেন। সেখানে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও নিজস্ব বাড়ি রয়েছে। এক বছর আগে তিনি পরিবারকেও সেখানে নিয়ে যান। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাসায় ফেরার সময় বাড়ির গেটের সামনে সন্ত্রাসীরা তাকে গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় তার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে ফারহানাও আহত হয়।সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি অবগত হয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিহতের পরিবারের খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।
৪ ঘন্টা আগে
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

সারাদেশ

সারাদেশ

নোয়াখালীতে দোকান দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

নোয়াখালীতে দোকান দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট বাজারে ৪ বছর ধরে জোরপূর্বক দোকান দখল, ভাড়া না দেওয়া এবং উল্টো প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী হাজী আবুল খায়ের।তিনি বসুরহাট পৌরসভার ০৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর।বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে নোয়াখালী টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের কার্যালয়ে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি ওই অভিযোগ করেন।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আবুল খায়ের উল্লেখ করেন, বিগত ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর তিনি ওয়ারিশসূত্রে মালিক দুই ভাইয়ের ওয়ারিশ ও তিন বোনের কাছ থেকে কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাটে অবস্থিত 'ছেরাজ প্লাজা' এবং 'হাজী মার্কেটের ৪ শতাংশ ৮০ পয়েন্ট সম্পত্তি ক্রয় করেন। উক্ত মার্কেটে দুটিতে মোট ২০টি দোকান ঘর রয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় মার্কেটের দোকানের ভাড়াটিয়া খায়রুল বাশারসহ অন্যান্য ভাড়াটিয়ারা বিগত চার বছর ধরে কোনো প্রকার ভাড়া পরিশোধ না করে অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।আবুল খায়ের অভিযোগ করেন, একজন বৈধ মালিক হিসেবে তিনি যখনই তাদের কাছে ন্যায্য ভাড়া দাবি করেছেন, তখনই তারা একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙিয়ে এবং ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তাকে উল্টো প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। এই সংকটের সমাধানের জন্য বসুরহাট ব্যবসায়ী সমিতি কার্যালয়ে একাধিকবার শালিস-বৈঠক হলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। নিরুপায় হয়ে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন। দোকান ছেড়ে দেওয়ার জন্য আইনি নোটিশ পাঠানো হলেও তারা দোকান খালি করেনি। উল্টো তারা তাঁকে মারধরের চেষ্টা করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। যার প্রেক্ষিতে গত ৬ জুলাই ‍তিনি আদালতে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির একটি মামলা করেছেন।সংবাদ সম্মেলনে আবুল খায়ের আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ‘অনেক কষ্টার্জিত উপার্জনে কেনা সম্পত্তি আজ অবৈধ দখলদারদের হাতে। বছরের পর বছর ভাড়া না পেয়ে এবং প্রতিনিয়ত হুমকির শিকার হয়ে আমি আজ প্রায় কয়েক কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন। আমার পিঠ আজ দেওয়ালে ঠেকে গেছে, পরিবার নিয়ে পথে বসার উপক্রম হয়েছে।’ তাই তিনি এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।দোকান দখল করে রাখা ও ভাড়া পরিশোধ না করার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মার্কেটের ভাড়াটিয়া ও আদালতে দায়ের করা মামলার আসামি খায়রুল বাশার বলেন, অভিযোগকারী আবুল খায়ের যে ওয়ারিশদের কাছ থেকে মার্কেটের সম্পত্তি ক্রয় করার দাবি করছেন, তারা সেখানে মালিক নন। তিনি ভুয়া দলিল ও কাগজপত্র তৈরী করে নিজেই অবৈধভাবে মার্কেট দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছেন এবং একের পর এক মামলা দিয়ে তাঁদের হয়রানি করছেন। তারা মার্কেটের প্রকৃত মালিকের কাছে নিয়মিত ভাটার টাকা পরিশোধ করে আসছেন।
২৭ জুন ২০২৬
মেঘনার ঘূর্ণিস্রোতে চাঁদপুরে কার্গোডুবি, ৫ হাজার বস্তা ধান-চাল পানিতে

মেঘনার ঘূর্ণিস্রোতে চাঁদপুরে কার্গোডুবি, ৫ হাজার বস্তা ধান-চাল পানিতে

২৭ জুন ২০২৬
ক্রিকেট

ক্রিকেট

র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি রিতু, জুয়াইরিয়া ও মারুফাদের

র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি রিতু, জুয়াইরিয়া ও মারুফাদের

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) প্রকাশিত নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বশেষ সাপ্তাহিক র‍্যাংকিংয়ে ব্যাটিং ও বোলিং উভয় বিভাগেই উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের কয়েকজন ক্রিকেটারের।মঙ্গলবার প্রকাশিত এই হালনাগাদ র‍্যাংকিংয়ে ব্যাটারদের তালিকায় সবচেয়ে আলোচনায় রয়েছেন ওপেনার জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। তিনি সাত ধাপ এগিয়ে ৯৬তম স্থানে উঠে এসেছেন। এর আগের সপ্তাহেও ৩৬ ধাপ উন্নতি হয়েছিল তার।এ ছাড়া শারমিন আক্তার ছয় ধাপ এগিয়ে ৪৪তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন। আরেক ওপেনার সোবহানা মোস্তারি চার ধাপ এগিয়ে এখন রয়েছেন ৪০তম স্থানে।বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে এখনও সবার ওপরে অবস্থান করছেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। এক ধাপ এগিয়ে তিনি যৌথভাবে ১৯তম স্থানে রয়েছেন। ব্যাটারদের তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন অস্ট্রেলিয়ার জর্জিয়া ভল।বোলারদের র‍্যাংকিংয়েও উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের দুই পেসারের। রিতু মনি ১১ ধাপ এগিয়ে ৪০৮ রেটিং নিয়ে উঠে এসেছেন ৭৫তম স্থানে। অন্যদিকে মারুফা আক্তার ছয় ধাপ এগিয়ে ৫৩৬ রেটিং নিয়ে অবস্থান করছেন ৩৮তম স্থানে।বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছেন লেগ স্পিনার রাবেয়া খান। এক ধাপ এগিয়ে তিনি এখন যৌথভাবে ১৭তম স্থানে আছেন। আর টি-টোয়েন্টি বোলারদের তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ভারতের শ্রী চারানি।এদিকে, নারী টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডারদের র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। তালিকার এক নম্বরে আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হেইলি ম্যাথিউস।
০১ জুলাই ২০২৬
ইসলামীক

ইসলামীক

সফল হজ ব্যবস্থাপনার পর বাংলাদেশকে হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর করলো সৌদি আরব

সফল হজ ব্যবস্থাপনার পর বাংলাদেশকে হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর করলো সৌদি আরব

চলতি বছরের হজ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের সহকারী মন্ত্রী ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ বাংলাদেশের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব কাজী শাহ মফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ এর নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর করেন।এ সময় সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনা, সমন্বয় এবং হাজীদের সেবার মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে। হজ ২০২৭ রোডম্যাপে ভবিষ্যৎ হজ ব্যবস্থাপনার জন্য সৌদি আরবের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, কৌশলগত লক্ষ্য, পরিচালনাগত নির্দেশনা এবং সেবার মানোন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।সফরকালে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব কাজী শাহ মফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপমন্ত্রী ড. আব্দুল ফাত্তাহ বিন সুলায়মান মাশাতের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন। এছাড়াও তিনি সহকারী মন্ত্রী ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ-এর সঙ্গে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার হজ বিষয়ক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।বৈঠকগুলোতে উভয় পক্ষ চলতি হজ মৌসুমের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশি হাজীদের জন্য আরও উন্নত ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে মতবিনিময় করেন। আলোচনায় আবাসন ব্যবস্থা, পরিবহন, ডিজিটাল সেবা, জনসমাগম ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যসেবা, লাগেজ ব্যবস্থাপনা এবং হাজীদের সামগ্রিক অভিজ্ঞতা উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।ড. আব্দুল ফাত্তাহ বিন সুলায়মান মাশাত এবং ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ উভয়েই বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেন এবং চলতি হজ মৌসুমে বাংলাদেশ হজ মিশন ও সংশ্লিষ্ট সকলের কার্যকর সমন্বয় এবং আন্তরিক প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে এবং হাজীদের সেবার মান আরও উন্নত হবে।বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ সৌদি সরকারের প্রতি, বিশেষ করে দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম, হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ভবিষ্যতেও বাংলাদেশি হাজীদের কল্যাণে সৌদি আরবের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুরো হজ কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং হজ মৌসুম জুড়ে ধারাবাহিকভাবে দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন, যাতে বাংলাদেশি হাজীদের নিরাপত্তা, কল্যাণ ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা যায়।হজ ২০২৭ রোডম্যাপ হস্তান্তর এবং সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকগুলো বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং ভবিষ্যতের হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও দক্ষ, আধুনিক ও হাজীবান্ধব করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
২৭ জুন ২০২৬
মতামত

মতামত

ট্রাম্পকে বাইডেনের খোঁচা, বললেন 'উনি তো ব্যর্থ মানুষ!'

ট্রাম্পকে বাইডেনের খোঁচা, বললেন 'উনি তো ব্যর্থ মানুষ!'

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শনিবার রাতে ম্যারিল্যান্ডে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির এক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তার উত্তরসূরি ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা করেছেন। ভাষণে তিনি ট্রাম্পকে ‘অহংকারী’, ‘দুর্নীতিবাজ’ এবং ‘ব্যর্থ মানুষ’ বলে আখ্যা দেন।বাইডেন বলেন, ‘এটি শুধু তার বিলাসিতার প্রকল্প নয়। নিজের বলরুম নির্মাণের জন্য তিনি হোয়াইট হাউসের ইস্ট উইং ভেঙেছেন। কেনেডি সেন্টারে নিজের নাম বসিয়েছেন। নিজের সম্মানে তোরণ নির্মাণ করেছেন। এমনকি রিফ্লেক্টিং পুল সংস্কারের জন্যও নিজের লোক নিয়োগ দিয়েছেন। তিনি একজন ব্যর্থ মানুষ (লুজার)!’তিনি আরও বলেন, ‘রিফ্লেক্টিং পুলটি এই প্রশাসনের আত্মমুগ্ধতা ও অযোগ্যতার চেয়েও ভয়াবহ একটি বিষয়ের প্রতীক—সেটি হলো দুর্নীতি। এটি নির্লজ্জ ও প্রকাশ্য দুর্নীতি। আমেরিকার ইতিহাসে কোনো প্রশাসনের বিরুদ্ধে এত স্পষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ আগে ওঠেনি।’হোয়াইট হাউস ছাড়ার পর ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে বাইডেনের এটিই ছিল অন্যতম কঠোর প্রকাশ্য সমালোচনা। ঘটনাচক্রে, ঠিক দুই বছর আগে একই দিনে সিএনএনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী বিতর্কে ট্রাম্পের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। সেই বিতর্কই তার দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচনের আশা কার্যত শেষ করে দেয় এবং রাজনৈতিক ভবিষ্যতের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত সমর্থকদের উদ্দেশে বাইডেন বলেন, ‘আমাকে সবচেয়ে বেশি ক্ষুব্ধ করে যে বিষয়টি, তা হলো ট্রাম্প ৬ জানুয়ারির দাঙ্গায় জড়িতদের করদাতাদের অর্থ দিয়ে ক্ষতিপূরণ দিতে চান। তারা কোনো ক্ষতিপূরণের যোগ্য নন। বরং তাদের দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকা উচিত ছিল।’হোয়াইট হাউস ছাড়ার পরও ট্রাম্পের সমালোচনায় পিছু হটেননি বাইডেন। গত এক মাসে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বিরুদ্ধে ডেমোক্র্যাটদের ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে তিনি ম্যারিল্যান্ড, সাউথ ডাকোটা ও নিজ অঙ্গরাজ্য ডেলাওয়্যারের বিভিন্ন দলীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন।তবে বাইডেনের নিজের রাজনৈতিক অবস্থানও এখন সহজ নয়। ২০২৪ সালের নির্বাচনে তার ভূমিকা নিয়ে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ভেতরেই অসন্তোষ রয়েছে। এসএসআরএস পরিচালিত সিএনএনের সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ৩০ শতাংশ মার্কিন নাগরিক বর্তমানে বাইডেন সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা পোষণ করেন, যা তার প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সময়ের যেকোনো পর্যায়ের তুলনায় কম।এদিকে, বাইডেন পরিবারের রাজনৈতিক উপস্থিতি নতুন করে বাড়তে থাকায় দলটির একাংশের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। সাবেক ফার্স্ট লেডি ড. জিল বাইডেন সম্প্রতি তার স্মৃতিকথা প্রকাশ করেছেন। বইটির প্রচারণায় তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনের নানা ঘটনা নিয়ে প্রকাশ্যে মতামত দিচ্ছেন। অনেক ডেমোক্র্যাটের মতে, এতে দলের পুরোনো বিতর্ক আবারও সামনে চলে আসছে।বাইডেনের সাবেক মুখপাত্র এবং দীর্ঘদিনের সমর্থক অ্যান্ড্রু বেটস নিউইয়র্ক পোস্টকে বলেন, ‘আমাদের জেতার দায়িত্ব ছিল, কিন্তু আমরা পারিনি। বিষয়টি আমাকে সব সময় ভাবায়। তবে দলের জন্য বেদনাদায়ক সেই আলোচনা আবার প্রকাশ্যে তোলার প্রয়োজন ছিল কি না, তা বুঝতে পারছি না।’এই মন্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান জিল বাইডেন। ওয়াশিংটন ডিসিতে বইয়ের প্রচারণা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমাকে ফোন দিন এবং সরাসরি আমার সামনে কথাটি বলুন।’পরে একটি সূত্র জানায়, সমালোচনার পরদিনই জিল বাইডেন ও অ্যান্ড্রু বেটস বিষয়টি নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছেন।অন্যদিকে, বাইডেনপুত্র হান্টার বাইডেনও সাম্প্রতিক সময়ে বেশ সক্রিয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) তার অনুসারীর সংখ্যা আট লাখের বেশি। সেখানে তিনি নিয়মিত মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে নিজের অতীতের সংগ্রাম এবং সমসাময়িক রাজনীতি নিয়ে মতামত প্রকাশ করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন দীর্ঘ পডকাস্টেও অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে রক্ষণশীল ভাষ্যকার ক্যান্ডাস ওয়েন্সের সঙ্গে তার দুই ঘণ্টার আলোচনাটি বিশেষভাবে আলোচিত হয়।ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসামের পডকাস্টে হান্টার বলেন, প্রথমে ক্ষমা না করার অবস্থান নিলেও শেষ পর্যন্ত তার বাবা তাকে ক্ষমা করেছিলেন।এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তিনি নিজের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের চেয়ে আমাকে বেছে নিয়েছেন। ইতিহাস যখন তাকে মূল্যায়ন করবে, তখন এই সিদ্ধান্তটি অবশ্যই আলোচনায় থাকবে।’আগামী মাসগুলোতে বাইডেনের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার তুলে ধরার উদ্যোগ আরও জোরালো হতে পারে। তিনি ইতোমধ্যে নিজের স্মৃতিকথা লেখার কাজ অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছেন। যদিও বইটি কবে প্রকাশিত হবে, তা এখনো জানানো হয়নি।এছাড়া ডেলাওয়্যারে তার প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরি নির্মাণের পরিকল্পনাও এগোচ্ছে। তবে স্থান এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বিষয়টি শিগগিরই নির্ধারণ হতে পারে। এ প্রকল্পের জন্য তার টিম তহবিল সংগ্রহও চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এটি সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার শিকাগোভিত্তিক ৮৫০ মিলিয়ন ডলারের প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টারের তুলনায় আকারে ছোট হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।বর্তমানে ৮৩ বছর বয়সী বাইডেন প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসা নিচ্ছেন। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, ক্যান্সার তার হাড়েও ছড়িয়ে পড়েছে। হোয়াইট হাউস ছাড়ার কয়েক মাস পর রোগটি শনাক্ত হয়। এরপর থেকে তিনি রেডিয়েশন ও হরমোন থেরাপি নিচ্ছেন।সম্প্রতি এনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জিল বাইডেন বলেন, ‘আমার মনে হয়, জোকে সারাজীবন এই ক্যান্সারের সঙ্গেই বসবাস করতে হবে।’দলের একাংশের সমালোচনা সত্ত্বেও সুযোগ পেলেই ডেমোক্র্যাটদের সহায়তা করার চেষ্টা করছেন বাইডেন। প্রাইমারি নির্বাচনের আগে তিনি জর্জিয়ার গভর্নর পদপ্রার্থী কেইশা ল্যান্স বটমস এবং ম্যাসাচুসেটসের কংগ্রেস প্রার্থী ড্যান কোহের প্রতি সমর্থন জানান।শনিবারের অনুষ্ঠানে বাইডেন ম্যারিল্যান্ডের গভর্নর ওয়েস মুর এবং সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেনের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। এই দুই নেতাকে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সম্ভাব্য ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে ওয়েস মুর স্মরণ করেন, ২০২৪ সালে বাল্টিমোরের ফ্রান্সিস স্কট কি সেতু ধসে পড়ার পর বাইডেন দ্রুত ফেডারেল সহায়তা পাঠিয়েছিলেন। মুর বলেন, ‘তিনি শুধু পুনর্গঠনের জন্য নয়, আমাদের শোক কাটিয়ে উঠতেও পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি জানতেন লাখ লাখ মানুষ এই অবকাঠামোর ওপর নির্ভরশীল।’বাল্টিমোরের ডেমোক্র্যাট সদস্য অ্যাড্রিয়েন গ্রিনও অনুষ্ঠানে বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তার মতে, এই বয়সেও বাইডেন যথেষ্ট ভালো আছেন। তবে তিনি দুই দলেই নতুন নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।তিনি বলেন, ‘সাবেক নেতারা অবশ্যই মূল্যবান পরামর্শ দিতে পারেন। কিন্তু ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান, উভয় দলেই এখন নতুন প্রজন্মের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার সময় এসেছে।’ডেলাওয়্যারের ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি সারাহ ম্যাকব্রাইড জানান, তার সঙ্গে বাইডেনের নিয়মিত যোগাযোগ হয়। গত সপ্তাহেও তারা একসঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ করেন এবং বিশ্ব রাজনীতিতে ট্রাম্পের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন।সিএনএনকে তিনি বলেন, ‘ভোটাররা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাই এখন আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। জো বাইডেন, বারাক ওবামাসহ দলের সাবেক নেতাদের অভিজ্ঞতাও আমাদের কাজে লাগানো উচিত। বাইডেনের নেতৃত্বের জন্য আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ।’ভাষণের শেষদিকে বাইডেন বলেন, তিনি এখনো ডেমোক্র্যাটিক পার্টির জন্য লড়াই করে যাচ্ছেন। সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা যারা আমাদের দেশকে ভালোবাসেন, তাদের প্রতি আমার বার্তা খুবই সহজ, উঠে দাঁড়ান। এখনই সময়। লড়াই চালিয়ে যান।’ তার এই আহ্বানে উপস্থিত সবাই করতালির মাধ্যমে সমর্থন জানান।
ডেস্ক নিউজ