বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
The Dhaka News Bangla

সরকারি নয়, নিজের গাড়িতে চলাফেরা করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সরকারি গাড়িতে নয়, নিজের গাড়িতেই চলাফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।আতিকুর রহমান রুমন বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তার নিজস্ব গাড়ি, চালক এবং কেনা জ্বালানি ব্যবহার করবেন। তিনি সরকারি গাড়ি ব্যবহার করছেন না। আজকের কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী সাভার ও শেরেবাংলানগর গিয়েছিলেন তার টয়োটা গাড়িতে, সেখান থেকে সচিবালয়ে এসেছেন সেই গাড়িতেই।’তিনি আরও বলেন, ‘যানজটের কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী তার গাড়িবহরের সংখ্যা কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এতদিন গাড়িবহরে ১৩-১৪টি গাড়ি থাকত, কিন্তু আজ সেটা কমিয়ে চারটি করা হয়েছে। শপথ নেওয়ার পর বুধবার প্রথম দিনের কর্মসূচিতে পতাকাবিহীন গাড়ি ব্যবহার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান বা বিদেশি অতিথিদের সফরের সময় তার গাড়িতে পতাকা ব্যবহার করা হবে।’তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এখন থেকে মন্ত্রিসভার বৈঠক সচিবালয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক হলে সব মন্ত্রীকে সচিবালয় থেকে আসতে একটা জট সৃষ্টি হয়, ভিআইপি চলাচলে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির মুখে পড়ে। সেসব কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী বেশির ভাগ সময় সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’তিনি জানান, রাজধানীতে প্রধানমন্ত্রী যাত্রাপথে সড়কের দুই ধারে পোশাকধারী পুলিশের অবস্থানের যে নিয়ম, তা-ও বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
৭ ঘন্টা আগে

রমজানের আগে আল-আকসা মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার করল ইসরায়েল

অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদের ইমাম শেখ মোহাম্মদ আল-আব্বাসিকে গ্রেপ্তার করেছে ইসরায়েলি পুলিশ।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মসজিদ চত্বর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী আল-আকসা মসজিদ চত্বর থেকে শেখ আল-আব্বাসিকে আটক করেছে। তবে গ্রেপ্তারের কোনো কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।পবিত্র আল-আকসা মসজিদকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলের বিভিন্ন পদক্ষেপের মধ্যে মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে। মসজিদের দায়িত্বে থাকা ইমাম, খতিব এবং মুসল্লিদের প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ইসরায়েল। তবে সেখানে ইসরায়েলি পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে বসতি স্থাপনকারীদের অনুপ্রবেশ বেড়ে গেছে।আল-আকসা মসজিদের ইমাম আল-আব্বাসিকে গ্রেপ্তারের ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে হামাস বলেছে, গ্রেপ্তারকৃত ইমামের মসজিদে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছিল ইসরায়েল। তাকে গ্রেপ্তারের এই ঘটনা আল-আকসায় প্রকাশ্য হস্তক্ষেপ এবং ইমামদের ওপর অগ্রহণযোগ্য হামলার শামিল।হামাস আরও অভিযোগ করে, ‘ফ্যাসিবাদী দখলদার সরকার’ আল-আকসা মসজিদের পবিত্রতা লঙ্ঘন, মুসল্লিদের প্রবেশে বাধা, রমজান মাসের প্রস্তুতি ব্যাহত করা এবং বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠীগুলোর অভিযান জোরদার করছে। তাদের দাবি, এসব পদক্ষেপ মসজিদটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া, ‘ইহুদিকরণ’ এবং সেখানে ইবাদতের স্বাধীনতা সীমিত করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ। পাশাপাশি সময় ও স্থানভিত্তিক বিভাজন আরোপের চেষ্টাও চলছে বলে অভিযোগ করা হয়।জেরুজালেমে বসবাসরত ফিলিস্তিনি জনগণ, পশ্চিম তীরজুড়ে এবং ১৯৪৮ সালের ভূখণ্ডের ভেতরে থাকা ফিলিস্তিনিদের আল-আকসায় অবস্থান অব্যাহত রাখার জন্য হামাস আহ্বান জানিয়েছে।এছাড়া, হামাস আরব লীগ, ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) এবং অন্যান্য আরব ও মুসলিম দেশগুলোর প্রতি জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করেছে।আল-আকসা মসজিদকে ‘ইহুদিকরণ’-এর ঝুঁকি থেকে রক্ষায় সব কূটনৈতিক ও কার্যকর চ্যানেল ব্যবহার করে দখলদার পক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করার আহ্বানও জানায় হামাস।অধিকৃত জেরুজালেমের পুরনো শহর ও আল-আকসা মসজিদসংলগ্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা বেড়েছে। ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও ফিলিস্তিনি কর্মীদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার ও নিষেধাজ্ঞা জারি এবং কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের মধ্যেই এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
৭ ঘন্টা আগে

দেশের আকাশে রমজানের চাঁদ, রোজা শুরু বৃহস্পতিবার

দেশের আকাশে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। তাই বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে রোজা শুরু হবে। আজ রাত থেকেই ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা তারাবির নামাজের মাধ্যমে রোজা রাখার প্রস্তুতি নিতে শুরু করবেন।
৮ ঘন্টা আগে
রমজানকে স্বাগত জানিয়ে যে বার্তা দিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

রমজানকে স্বাগত জানিয়ে যে বার্তা দিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

বাংলাদেশের আকাশে ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। তাই আজ (বুধবার) দিবাগত শেষরাত থেকে বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা রমজান মাসের রোজা শুরু করবেন।এদিকে রমজান মাসকে স্বাগত জানিয়ে বার্তা দিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ।নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি বলেন, ‘নতুন চাঁদের রোশনিতে শুরু হলো মুমিন-জীবনের বহু আকাঙ্ক্ষিত মাস, পবিত্র মাহে রমজান। আহলান, সাহলান শাহরু রমজান।’শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ‘আসুন, এই মাসের প্রতিটি মুহূর্তকে ইবাদতের জন্য ব্যয় করি। তাকওয়া ও কোরআনের আলোয় হৃদয়কে আলোকিত করি।’পোস্টের শেষে তিনি বলেন, ‘মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে রমজানের গুরুত্ব বুঝে অধিক পরিমাণে আমল করার তওফীক দান করুন।’
৭ ঘন্টা আগে
জাতীয়

জাতীয়

সরকারি নয়, নিজের গাড়িতে চলাফেরা করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সরকারি নয়, নিজের গাড়িতে চলাফেরা করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সরকারি গাড়িতে নয়, নিজের গাড়িতেই চলাফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।আতিকুর রহমান রুমন বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তার নিজস্ব গাড়ি, চালক এবং কেনা জ্বালানি ব্যবহার করবেন। তিনি সরকারি গাড়ি ব্যবহার করছেন না। আজকের কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী সাভার ও শেরেবাংলানগর গিয়েছিলেন তার টয়োটা গাড়িতে, সেখান থেকে সচিবালয়ে এসেছেন সেই গাড়িতেই।’তিনি আরও বলেন, ‘যানজটের কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী তার গাড়িবহরের সংখ্যা কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এতদিন গাড়িবহরে ১৩-১৪টি গাড়ি থাকত, কিন্তু আজ সেটা কমিয়ে চারটি করা হয়েছে। শপথ নেওয়ার পর বুধবার প্রথম দিনের কর্মসূচিতে পতাকাবিহীন গাড়ি ব্যবহার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান বা বিদেশি অতিথিদের সফরের সময় তার গাড়িতে পতাকা ব্যবহার করা হবে।’তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এখন থেকে মন্ত্রিসভার বৈঠক সচিবালয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক হলে সব মন্ত্রীকে সচিবালয় থেকে আসতে একটা জট সৃষ্টি হয়, ভিআইপি চলাচলে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির মুখে পড়ে। সেসব কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী বেশির ভাগ সময় সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’তিনি জানান, রাজধানীতে প্রধানমন্ত্রী যাত্রাপথে সড়কের দুই ধারে পোশাকধারী পুলিশের অবস্থানের যে নিয়ম, তা-ও বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
৭ ঘন্টা আগে
আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক

রমজানের আগে আল-আকসা মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার করল ইসরায়েল

রমজানের আগে আল-আকসা মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার করল ইসরায়েল

অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদের ইমাম শেখ মোহাম্মদ আল-আব্বাসিকে গ্রেপ্তার করেছে ইসরায়েলি পুলিশ।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মসজিদ চত্বর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী আল-আকসা মসজিদ চত্বর থেকে শেখ আল-আব্বাসিকে আটক করেছে। তবে গ্রেপ্তারের কোনো কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।পবিত্র আল-আকসা মসজিদকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলের বিভিন্ন পদক্ষেপের মধ্যে মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে। মসজিদের দায়িত্বে থাকা ইমাম, খতিব এবং মুসল্লিদের প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ইসরায়েল। তবে সেখানে ইসরায়েলি পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে বসতি স্থাপনকারীদের অনুপ্রবেশ বেড়ে গেছে।আল-আকসা মসজিদের ইমাম আল-আব্বাসিকে গ্রেপ্তারের ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে হামাস বলেছে, গ্রেপ্তারকৃত ইমামের মসজিদে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছিল ইসরায়েল। তাকে গ্রেপ্তারের এই ঘটনা আল-আকসায় প্রকাশ্য হস্তক্ষেপ এবং ইমামদের ওপর অগ্রহণযোগ্য হামলার শামিল।হামাস আরও অভিযোগ করে, ‘ফ্যাসিবাদী দখলদার সরকার’ আল-আকসা মসজিদের পবিত্রতা লঙ্ঘন, মুসল্লিদের প্রবেশে বাধা, রমজান মাসের প্রস্তুতি ব্যাহত করা এবং বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠীগুলোর অভিযান জোরদার করছে। তাদের দাবি, এসব পদক্ষেপ মসজিদটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া, ‘ইহুদিকরণ’ এবং সেখানে ইবাদতের স্বাধীনতা সীমিত করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ। পাশাপাশি সময় ও স্থানভিত্তিক বিভাজন আরোপের চেষ্টাও চলছে বলে অভিযোগ করা হয়।জেরুজালেমে বসবাসরত ফিলিস্তিনি জনগণ, পশ্চিম তীরজুড়ে এবং ১৯৪৮ সালের ভূখণ্ডের ভেতরে থাকা ফিলিস্তিনিদের আল-আকসায় অবস্থান অব্যাহত রাখার জন্য হামাস আহ্বান জানিয়েছে।এছাড়া, হামাস আরব লীগ, ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) এবং অন্যান্য আরব ও মুসলিম দেশগুলোর প্রতি জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করেছে।আল-আকসা মসজিদকে ‘ইহুদিকরণ’-এর ঝুঁকি থেকে রক্ষায় সব কূটনৈতিক ও কার্যকর চ্যানেল ব্যবহার করে দখলদার পক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করার আহ্বানও জানায় হামাস।অধিকৃত জেরুজালেমের পুরনো শহর ও আল-আকসা মসজিদসংলগ্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা বেড়েছে। ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও ফিলিস্তিনি কর্মীদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার ও নিষেধাজ্ঞা জারি এবং কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের মধ্যেই এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
৭ ঘন্টা আগে
ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস

কুবির আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে সেরাদের সেরা যারা

কুবির আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে সেরাদের সেরা যারা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৬–এ আইন বিভাগকে ৯ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে গণিত বিভাগ। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে দুপুর দুইটায় ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।টুর্নামেন্টে ‘ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট’ হয়েছেন আইন বিভাগের আবু নূরে মুস্তাক এবং ‘ম্যান অব দ্য ফাইনাল’ হয়েছেন গণিত বিভাগের ফাহিম চৌধুরী। এছাড়া সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েছেন গণিত বিভাগের রিয়াদ উদ্দীন শাকিব এবং সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি একই বিভাগের অভিজিৎ বনিক।ফাইনাল ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের পাশাপাশি টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি ও ব্যক্তিগত সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। এ সময় টুর্নামেন্টজুড়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করা খেলোয়াড়রা নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন।ম্যান অব দ্য ফাইনাল ফাহিম বলেন, 'আমি এই নিয়ে চারটি টুর্নামেন্ট খেলেছি। এটি ছিল আমার শেষ টুর্নামেন্ট। আলহামদুলিল্লাহ, শেষ টুর্নামেন্টে এসে আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছি এবং আমি ম্যান অব দ্য ফাইনাল নির্বাচিত হয়েছি। এর আগে একবার সেমিফাইনাল খেলেছিলাম এবং আইন বিভাগের কাছেই হেরেছিলাম। চ্যাম্পিয়ন হওয়া এবং এই অর্জন, সব মিলিয়ে আমি ও আমার দল খুবই খুশি।'ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট আবু নূরে মুস্তাক বলেন, 'আলহামদুলিল্লাহ, পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে ‘ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট’ হওয়া আমার জন্য গর্বের। এই অর্জন শুধু আমার একার নয়, পুরো দলের সম্মিলিত পরিশ্রম ও সমর্থনের ফল। আমি এই অর্জন আমার দলকে উৎসর্গ করছি।'সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক রিয়াদ উদ্দীন শাকিব বলেন, 'প্রথমেই আলহামদুলিল্লাহ। এবারের টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ রান করতে পেরেছি, যা আমার জন্য বড় অর্জন। আমাকে অনুপ্রেরণা ও সাহস জোগানোর জন্য আমার দলকে ধন্যবাদ। সবচেয়ে বড় আনন্দ, আমার বিভাগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এই জয় সবার।'সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি অভিজিৎ বনিক বলেন, 'ছয় বছরের চেষ্টার পর শেষবারে এসে বিভাগকে চ্যাম্পিয়ন করার আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। পাশাপাশি সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির স্বীকৃতি পাওয়ায় আমি খুবই আনন্দিত। শেষটা সত্যিই অসাধারণ হয়েছে। ভবিষ্যতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আরও জাঁকজমকপূর্ণ টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে বলে আশা করি।
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

নির্বাচন

নির্বাচন

চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে ৩৬ প্রার্থীর ২৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত

চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে ৩৬ প্রার্থীর ২৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি সংসদীয় আসনে ৩৬ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন একজন নারী প্রার্থীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ২৫ প্রার্থী। নির্বাচনের বিধি অনুযায়ি, কোনো সংসদীয় আসনে প্রার্থী বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগ বা কমপক্ষে ১২ শতাংশ ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায়, ৩৫ প্রার্থীর মধ্যে ২৫ জন নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে পারেননি। যার ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এমনও প্রার্থী আছেন যারা ১ হাজার ভোটও পাননি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৪ প্রার্থীর পাশাপাশি ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল সৈয়দ মোহাম্মদ মাহাদুর শাহ্ও জামানত হারিয়েছেন। একসময় সরকারে থাকা প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টি ৪টি আসনে অংশ নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৪৬ ভোট। আর গণফোরাম তিনটি আসনে পেয়েছেন ৮৭৬ ভোট।নির্বাচন কমিশনের হালনাগাদ তথ্যে জেলায় ভোটার ২৩ লাখ ৩১হাজার ১৯৫। এবারের নির্বাচনে ভোট দিয়ছেন ৫৩.০৫ভাগ।এদিকে জামায়াতের সাথে জোটে যাওয়া নিয়ে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বে জড়ানো ইসলামী আন্দোলন ৪টি আসনে ভোট পেয়েছে ৩৮ হাজার ৬শ ৩০ ভোট। ২০০৪ সালে আ. লীগের সাথে জোট হওয়া বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্ট মোমবাতি প্রতিক তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পেয়েছে ৭ হাজার ১৫৪ ভোট। শুধু তাই নয়, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ বাহদুর শাহ চেয়ার প্রতিকে চাঁদপুর-৫ আসন থেকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ১৭৮ ভোট। তিনিও হারিয়েছেন জামানত। অন্যদের মধ্যে জামানত হারিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতিকের ৩ প্রার্থী মো. জাকির হোসেন, মো. এনায়েত হোসেন ও মো. গোলাফ হোসেন। এছাড়া স্বতন্ত্র ঘুড়ি প্রতিকের জাকির হোসেন, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতিকের মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতিকের জাকির হোসেন প্রধানিয়া, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের আপেল প্রতিকের মো. মাহমুদুল হাসান নয়ন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির আনারস প্রতিকের নাসিমা নাজনিন সরকার, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির হাতি প্রতিকের মো. ফয়জুন্নুর ও নাগরিক ঐক্যের কেটলি প্রতিকের মো. এনামুল হক।চাঁদপুর-১ (কচুয়া): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ১৩লাখ ৩হাজার ৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতের প্রার্থী আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমেদ পেয়েছেন ৭০হাজার ৩৬৮ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে গণফোরামের মোহাম্মদ আজাদ হোসেন ৩২৯, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন ৪ হাজার ৩৭১, গণঅধিকার পরিষদের মো. এনায়েত হোসেন ২১৭ ও জাতীয় পার্টির হাবিব খান ৬৫২ ভোট পেয়েছন।চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিন ১লাখ ৭২হাজার ৫০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি এলডিপির ছাতা প্রতিকের প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৪৭৩ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশ লেবার পার্টির নাসিমা নাজনিন সরকার ২৮৩, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি মো. ফয়জুন্নর ৫০৯, গণঅধিকার পরিষদের মো. গোলাপ হোসেন ৩১৫, নাগরিক ঐক্য মো. এনামুল হক ১৪৩, ইসলামী আন্দোলনের মানসুর ১২হাজার ৩০৭, জাতীয় পার্টির এমরান হোসেন মিয়া ১হাজার ৩২৮ ভোট।চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ ১লাখ ৬৫ হাজার ৪০৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শাহজাহান মিয়া দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে পেয়েছেন ১লাখ ৮৬৫ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এ. এইচ.এম. আহসান উল্লাহ ২হাজার ২৭৪, ইসলামী আন্দোলনের মো. জয়নাল আবদিন শেখ ১৪ হাজার ১৮১, গণঅধিকার পরিষদের মো. জাকির হোসেন ১৩২, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ৬৭৬, গণফোরামের সেলিম আকবর ৩০৭ ভোট।চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) : এই আসনে স্বতন্ত্র চিংড়ি প্রতিকের প্রার্থী এম এ হান্নান ৭৪হাজার ১৭৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী বিএনপির ধানের শীষ প্রতিকের মো. হারুনুর রশিদ ৬৯ হাজার ১৫৫ ভোট এবং জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী পেয়েছেন ৬৬হাজার ৬৯২ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র জাকির হোসেন ১৮৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের মকবুল হোসাইন ৫হাজার ২৬১, জাতীয় পার্টির মাহমুদুর হাসান ২৭৭ ভোট, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. আবদুল মালেক ৫০৯, গণফোরামের মো. মুনীর চৌধুরী ২৪০ ভোট পেয়েছেন।চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী মো. মমিনুল হক ১ লাখ ৮৫হাজার ৪০৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি এলডিপির ছাতা প্রতিকের প্রার্থী মো. নেয়ামুল বশির পেয়েছেন ৭৫হাজার ৬৬০ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে জাতীয় পার্টির মির্জা গিয়াস উদ্দিন ১হাজার ৫১৬, ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আলী পাটওয়াারি ৬হাজার ৬৮১, স্বতন্ত্র মো. জাকির হোসেন প্রধানিয়া ২৬৮, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. মাহমুদুল হাসান নয়ন ২৫৬, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের সৈয়দ বাহাদুর শাহ্ মুজাদ্দেদী ১৩হাজার ১৭৮ ভোট পেয়েছেন।চাঁদপুর-৩ আসনের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থী এ এইচ এম আহসান উল্লাহ বলেন, জামানত হারানো প্রার্থীদের নিজ দলের তৃণমূল সাংগঠনিকভাবে দুর্বল। তাই নির্বাচনে ভালো করা কঠিন। তার মতে সাংগঠনিক কার্যক্রম সক্রিয় করা প্রয়োজন।সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চাঁদপুরের সভাপতি অধ্যক্ষ মোশারেফ হোসেন বলেন, আসলে নিজেকে পরিচিতির জন্য এমন নির্বাচনে অনেকে প্রার্থী হয়। আবার নির্বাচন কমিশনের শর্ত পূরণের জন্যও প্রার্থী দিয়ে নিয়ম রক্ষা করেন। এছাড়াও ছোট দলগুলোর জয় পরাজয় বা জামানত বাজেয়াপ্ত তাদের বড় বিষয় নয়, দলকে টিকিয়ে রাখতে নির্বাচনে অংশ গ্রহন নিশ্চিত করতে হয়।
০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকা-৯ আসনে হাবিবের প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের সমর্থন

ঢাকা-৯ আসনে হাবিবের প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের সমর্থন

০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ক্রিকেট

ক্রিকেট

ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ: বিক্রি হয়ে গেছে সব টিকিট

ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ: বিক্রি হয়ে গেছে সব টিকিট

অনিশ্চয়তা, রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা পেরিয়ে অবশেষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কলম্বোর ঐতিহাসিক আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ম্যাচ নিয়ে ইতোমধ্যেই সমর্থকদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে উঠেছে। ম্যাচের সব টিকিট খুব দ্রুত বিক্রি হয়ে গেছে; একই সঙ্গে কলম্বোমুখী ফ্লাইট ও হোটেল ভাড়ায় নজিরবিহীন উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে।বিশ্ব ক্রিকেটে ভারত–পাকিস্তান দ্বৈরথ মানেই বাড়তি উত্তেজনা। রাজনৈতিক ইতিহাস, সীমান্ত উত্তেজনা ও দীর্ঘদিন দ্বিপাক্ষিক সিরিজ না হওয়ায় আইসিসি ইভেন্টেই মুখোমুখি হয় দু’দল। ফলে এমন ম্যাচকে ঘিরে দর্শক আগ্রহ যে অন্য উচ্চতায় থাকবে, তা অনুমান করাই যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৩৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে আগেভাগেই। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ম্যাচ নিশ্চিত হওয়ার পরপরই কলম্বোর হোটেল কক্ষের ভাড়া তিন থেকে চার গুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়। সাধারণ সময়ে যেসব কক্ষের ভাড়া রাতপ্রতি ১০০ থেকে ১৫০ ডলার, সেগুলোর জন্য এখন গুনতে হচ্ছে সর্বোচ্চ ৬৬০ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮১ হাজার টাকা)। জনপ্রিয় হোটেল বুকিং ওয়েবসাইটগুলোতে এমন মূল্যবৃদ্ধির চিত্র স্পষ্ট।কলম্বোর তিনটি ট্রাভেল এজেন্সি জানিয়েছে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার পর শেষ মুহূর্তে বুকিংয়ের চাপ হঠাৎ বেড়ে যায়। বিশেষ করে ভারতের চেন্নাই ও দিল্লির মতো বড় শহর থেকে ফ্লাইট বুকিং কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। চেন্নাই থেকে কলম্বো যেতে সময় লাগে দেড় ঘণ্টার মতো, কিন্তু অল্প দূরত্বের এই রুটেও ভাড়া বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২৩ থেকে ৭৫৬ ডলার পর্যন্ত। অন্যদিকে দিল্লি-কলম্বো রুটে ভাড়া প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়ে ৬৬৬ ডলারে পৌঁছেছে।শ্রীলঙ্কা ইনবাউন্ড ট্যুর অপারেটরসের সভাপতি নালিন জয়াসুন্দেরা জানিয়েছেন, অধিকাংশ হোটেল প্রায় পূর্ণ। অনেক সমর্থকই ‘অল-ইনক্লুসিভ’ প্যাকেজে আসছেন, যার মূল্য ১৫০০ থেকে ২০০০ ডলার পর্যন্ত। এসব প্যাকেজে ম্যাচ টিকিট, আবাসন ও যাতায়াত অন্তর্ভুক্ত থাকছে। তিনি বলেন, চাহিদা এত বেশি যে শেষ মুহূর্তে দাম আরও বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে পর্যটন খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে; বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের তৃতীয় বৃহৎ উৎস এটি। সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সংকট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধাক্কা সামাল দিতে দেশটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজনকে সুযোগ হিসেবে দেখছে। শ্রীলঙ্কা ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বুদ্ধিকা হেওয়াসাম জানান, বিশ্বকাপের প্রথম ১০ দিনে প্রায় এক লাখ বিদেশি দর্শনার্থীর ২০ শতাংশই ভারত–পাকিস্তান ম্যাচকে কেন্দ্র করে দেশটিতে এসেছে। তার ভাষায়, শ্রীলঙ্কা নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে বড় ম্যাচ আয়োজনের সক্ষমতা দেখাতে চায়। এটি শুধু ভারত ও পাকিস্তান নয়, দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের জন্যই ইতিবাচক বার্তা।এদিকে, দু’দলের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চরমে। লাহোরের বাসিন্দা মিয়া সুলতান ম্যাচটি দেখতে কলম্বোয় যাচ্ছেন। তার প্রত্যাশা, এই ম্যাচ জিতলে পাকিস্তান পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে যাবে। তিনি বলেন, এটি জীবনের অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে। নিউজিল্যান্ডে থাকা তার এক বন্ধু ম্যাচ দেখতে কলম্বোয় উড়াল দিচ্ছেন; গ্যালারির সামনের সারির টিকিটের জন্য তাকে খরচ করতে হয়েছে ৮০০ ডলার।সব মিলিয়ে, একটি ম্যাচ ঘিরে কলম্বোতে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই অর্থনৈতিক প্রভাব, ভ্রমণ ব্যয় এবং দর্শক আগ্রহের দিক থেকে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ যেন চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আলাদা এক মাত্রা যোগ করেছে। এখন শুধু অপেক্ষা, চাপ, প্রত্যাশা আর আবেগের এই লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসে।
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সারাদেশ

সারাদেশ

হাতিয়ায় অবৈধ ভাবে খাল দখলদারদের রাজত্ব: প্রভাবশালীদের দখলরাজ্যে জিম্মি জনজীবন!

হাতিয়ায় অবৈধ ভাবে খাল দখলদারদের রাজত্ব: প্রভাবশালীদের দখলরাজ্যে জিম্মি জনজীবন!

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় খাল দখল করে দোকান নির্মাণ করায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষের। ফলে সামান্য বৃষ্টিতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে হাতিয়া পৌরসভার বাসিন্দাদের। মূলত খাল-নালা দখল দূষণে নামছে না পানি। এছাড়া অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থাকেও দায়ী করছেন বাসিন্দারা। সরেজমিনে দেখা যায়, হাতিয়া পৌরসভা ওছখালী শহরের প্রাণ কেন্দ্রের ডিসি রোড সংলগ্ন মার্টিন খাল। মারকাজ থেকে এমপির পোল লক্ষীদিয়া খাল সরকারি খাল দখল করে, মার্কেট ও বহুতল ভবন নির্মাণ করেছে প্রভাবশালীরা। অন্তত শতাধিক দোকান ও কয়েকটি বহুতল ভবন নির্মাণ করে দখলে আছেন প্রভাবশালী কয়েকটি মহল।মেইন রোড সংলগ্ন মার্টিন খাল ও লক্ষীদিয়া খাল দিয়ে উপজেলার পানি নিষ্কাশন হয়। এই খাল গুলো প্রভাবশালী কয়েকটি মহল দখল করে দোকান, পাট, শপিং মল, মার্কেট ইত্যাদি নির্মাণ করে, কিন্তু এসব খাল অবৈধ দখল ও খাল খননে অনিয়মের কারণে বৃষ্টির পানি নামছে না। ওছখালী  শহরের বাসিন্দারা পায়নি আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা। এ কারণে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে, ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক কার্যক্রম। সীমাহীন ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগী, স্বজন, চিকিৎসকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য পরিকল্পিত ও আধুনিক খাল বা নালা তৈরির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ওছখালী শহরের প্রাণ কেন্দ্রে এমন অনিয়ম হলেও ব্যবস্থা নেয়নি পৌর কর্তৃপক্ষ।উল্লেখযোগ্য দোকানগুলোর মালিকের নাম প্রফেসর শাহাদাত, জাকের কল দোকানদার, আকরাম কল দোকানদার, হাতিয়া সুপার মার্কেট, শাহজাহান সুপার মার্কেট, মনির উদ্দিন কাউন্সিলর, সৈয়দ আহমদ মুদি দোকানদার, আবুল খায়ের চা দোকানদার, ভূষণ লন্ডি বিটু মিয়া ,লিলন মিয়া, রামো ফার্মেসি, আলাউদ্দিন দোকানদার। এবং মামুন মিয়া সহ আরো অসংখ্য দোকান সহ মালিক রয়েছেন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার একজন স্থায়ী বাসিন্দা বলেন, মেইন রোড সংলগ্ন মার্টিন খাল ও লক্ষীদিয়া খাল দিয়ে পানি দ্রুত নেমে যাওয়ার কথা। কিন্তু খালগুলো ঠিকমতো খনন হয়নি এবং হচ্ছে ও না ফলে বর্ষা মৌসুমে পানি নামবে না। এছাড়া খাল গুলো দখল করে দোকান, শপিংমল, মার্কেট, দেওয়াতে পানি গুলো নামবে না।তিনি আরো বলেন,  ব্রিজের নিচে মাটি ভরাট হয়ে আছে। আমরা বিষয়গুলো দেখলেও কাকে জানাবো, সবাই একেকজন প্রভাবশালী, বড় বড় আমলাদের সাথে উঠাবসা। আমাদের কথা হলো ঠিকমতো পানি না নামলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবেই এটাই স্বাভাবিক। ওনারা দাপটে দেখিয়ে সরকারি জায়গা দখল করে সেখানে দোকান পাট শপিং মল তৈরি করেন, অথচ প্রশাসন কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার ওছখালী শহরের কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, এই মার্কেট, দোকান সব কিছুই পরিকল্পিত ভাবেই তারা করেছে। খাল গুলোর অবস্থা খুবই বাজে অবস্থা, এবং পরিকল্পিত ব্যবস্থা না হলে পৌরসভায় জলাবদ্ধতায় সৃষ্টি হবে এবং আগামীতেও হবে। আমরা স্থায়ী ভাবে মিমাংসা চাই।এই বিষয়ে হাতিয়া থানা ওসি সাইফুল আলম বলেন, ইউএনও সাহেব পদক্ষেপ নিলে তাহলে আমরা পুলিশ ফোর্স দিয়ে সহযোগিতা করবো।এই বিষয়ে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলাউদ্দিন বলেন, সরকারি খাল, জলপথ বা খাস জমি অবৈধভাবে দখল করে কেউ স্থাপনা নির্মাণ করলে সেটি কোনোভাবেই বৈধতা পাবে না। ইতোমধ্যে আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করছি। দখলদারদের চিহ্নিত করে প্রথমে নোটিশ ও সতর্কতা দেওয়া হবে। নির্দেশনা অমান্য করলে আইন অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিযানসহ কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মতামত

মতামত

জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: মাহফুজ আলম

জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: মাহফুজ আলম

জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক মাহফুজ আলম। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য উইক’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ মূলত একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।তার ভাষায়, দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় আওয়ামী লীগ টিকে থাকলে জামায়াতও টিকে থাকবে, আবার জামায়াত থাকলে আওয়ামী লীগের অস্তিত্বও বজায় থাকবে। এই পারস্পরিক নির্ভরতার মধ্যেই বাংলাদেশের রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরে আবর্তিত হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।প্রায় সাড়ে ১৪ মিনিটের এই সাক্ষাৎকারটি বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রচারিত হয়। এতে মাহফুজ আলম বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশ, সংস্কার প্রক্রিয়া, পুরনো ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের টানাপোড়েন এবং গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা, এমন নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বলেন।আসন্ন ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত আগেই জানিয়েছিলেন মাহফুজ আলম। তবে এই সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেন, রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর অন্যতম প্রধান কারণ ছিল জামায়াত ও আওয়ামী লীগের মধ্যকার এই পারস্পরিক অস্তিত্বের সমীকরণ। তার মতে, এই কাঠামোর ভেতরে থেকে কোনো প্রকৃত পরিবর্তন সম্ভব নয়।সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের পর তিনি তরুণ শক্তিগুলোকে একত্র করে বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে একটি শক্তিশালী ‘তৃতীয় বিকল্প’ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু যখন এনসিপি পুরনো রাজনৈতিক বন্দোবস্তের অংশ হিসেবে জামায়াতের সঙ্গে জোটে যায়, তখন সেই সম্ভাবনা কার্যত শেষ হয়ে যায়।জামায়াত প্রসঙ্গে মাহফুজ আলম আরও বলেন, যাদের সঙ্গে জোট করা হয়েছে তারা সবাই পুরনো রাজনৈতিক কাঠামোরই অংশ। তার দাবি, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে জামায়াতের কোনো স্পষ্ট ও স্বচ্ছ রূপরেখা নেই। ফলে তাদের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতা করতে গেলে এমন বহু প্রশ্ন সামনে আসে, যার সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া কঠিন।তিনি মনে করেন, আদর্শিক অবস্থান ও রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিগত প্রশ্নে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে জামায়াতের কোনো বাস্তব মিল নেই। এক পর্যায়ে তিনি হতাশা প্রকাশ করে বলেন, গত দেড় বছরের রাজনৈতিক যাত্রা ছিল এক ধরনের বিশ্বাসভঙ্গের অভিজ্ঞতা, যেখানে পুরনো রাজনৈতিক ব্যবস্থা নতুন মোড়কে আবার ফিরে আসছে এবং জুলাই আন্দোলনের মূল আকাঙ্ক্ষাকে আড়াল করে দিচ্ছে।ভবিষ্যৎ সরকার ব্যবস্থা নিয়েও সতর্কবার্তা দেন মাহফুজ আলম। তার মতে, ক্ষমতায় বিএনপি কিংবা জামায়াত, যেই আসুক না কেন, সমাজের ভেতরে জমে থাকা ক্ষত নিরাময় করতে না পারলে কোনো সরকারই টেকসই হবে না। তিনি বলেন, শুধু কাগজে-কলমে সংস্কার যথেষ্ট নয়; সমাজে ভিন্ন মত ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সমঝোতা বা পুনর্নির্ধারণ না হলে সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা চলতেই থাকবে।গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন তিনি। মাহফুজ আলমের মতে, সাধারণ মানুষের মধ্যে গণমাধ্যমের প্রতি আস্থা কমে গেছে। এই বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হলে গণমাধ্যমকে নিজেদের অতীত ভূমিকা নিয়ে আত্মসমালোচনার জায়গায় যেতে হবে এবং জনগণের সঙ্গে নতুন করে বোঝাপড়া গড়ে তুলতে হবে।বর্তমানে সক্রিয় রাজনীতির বাইরে থাকা মাহফুজ আলম সময় কাটাচ্ছেন বই পড়ে এবং হতাশ তরুণদের সঙ্গে কথা বলে। তিনি বোঝার চেষ্টা করছেন, কেন জুলাই অভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব হয়নি এবং ভবিষ্যতে কীভাবে সামনে এগোনো যায়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছাড়েন। এরপর ৮ আগস্ট গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। একই মাসের ২৮ তারিখ মাহফুজ আলম প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং ১০ নভেম্বর সরকারের উপদেষ্টা হন। তিনি গত বছরের ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন।
ডেস্ক নিউজ