শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
The Dhaka News Bangla

পাকিস্তানে পাল্টা ড্রোন হামলা চালালো আফগানিস্তান

আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমান্তে চলমান উত্তেজনা নতুন এক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) আফগান তালেবান কর্তৃপক্ষ পাকিস্তানের ভেতরে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। পাকিস্তান সরকারের দাবি, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনগুলো ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে এবং এতে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে নওশেরা ও অ্যাবোটাবাদসহ পাকিস্তানের কয়েকটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। আফগানিস্তান দাবি করেছে, এটি পাকিস্তানের আগের রাতভর বিমান হামলার ‘সফল প্রতিশোধ’।পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, পাকিস্তানি তালেবান (টিটিপি) জঙ্গিরা ড্রোন হামলার চেষ্টা করেছিল, তবে দেশের অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম সব ড্রোন ভূপাতিত করেছে। তিনি জানান, হামলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ সীমান্তে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এক বিবৃতিতে এটি ‘খোলাখুলি যুদ্ধ’ বলে উল্লেখ করেছেন। বৃহস্পতিবার পাকিস্তান ‘অপারেশন গজব লিল হক’ শুরু করেছে, যেখানে ইসলামাবাদের দাবি, ১৩৩ আফগান তালেবান যোদ্ধা নিহত এবং ২০০-এর বেশি আহত হয়েছেন।দুই দেশের মধ্যে সংঘাত নিয়ে বিশ্ব সম্প্রদায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। রাশিয়া, চীন, ইরান এবং তুরস্ক উভয় পক্ষকে শান্তি ও যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে।বিশ্লেষকরা বলছেন, ডুরান্ড লাইন সীমান্ত বিরোধ এবং পাকিস্তানে নিষিদ্ধ টিটিপি কার্যক্রমের কারণে দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। পাকিস্তান অভিযোগ করছে যে আফগান মাটি ব্যবহার করে জঙ্গিরা হামলা চালাচ্ছে, কিন্তু কাবুল এ অভিযোগ অস্বীকার করছে।বর্তমান পরিস্থিতিতে দক্ষিণ এশিয়ার সীমান্ত এলাকায় অস্থিরতা আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সীমান্ত পয়েন্টগুলো বন্ধ রয়েছে এবং সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত।
৮ ঘন্টা আগে

পাকিস্তানকে মোকাবিলায় ‘সুইসাইড স্কোয়াড’ গঠন করছে আফগানিস্তান

পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে আফগানিস্তানের সেনাবাহিনী। সেসবের মধ্যে একটি হলো ‘সুইসাইড স্কোয়াড’।আফগানিস্তানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম বখতার নিউজ এজেন্সি আজ শুক্রবার একটি সেনা ব্যাটালিয়নের ছবি প্রকাশ করেছে। আফগান সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে তারা জানিয়েছে, “এটি আফগান সেনাবাহিনীর সুইসাইড স্কোয়াড। এই স্কোয়াডের সদস্যরা এক্সপ্লোসিভ ভেস্ট এবং গাড়ি বোমায় সজ্জিত এবং শত্রুর লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার জন্য প্রস্তুত।”গতকাল বৃহস্পতিবার রাত থেকে দক্ষিণ এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ায় পাক-আফগান সীমান্তবর্তী ডুরান্ড লাইন এলাকায় পাক সেনাচৌকিগুলো লক্ষ্য করে আফগানিস্তানের সেনাবাহিনী অতর্কিত হামলা চালায়, যার ফলে অন্তত ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়। এ সময় আরও কয়েকজন সেনাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। রাত ১২ টার দিকে আফগান বাহিনী আফগানিস্তানে ফিরে যায়।অতর্কিত এই হামলার পর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে পাকিস্তান এবং রাত ৩ টা ৪৫ মিনিটে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন গজব-লিল হক’ শুরু করে। পাকিস্তানের এ অভিযানে এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ১৩৩ জন আফগান সেনা এবং আহত হয়েছেন আরও দুই শতাধিক।
১১ ঘন্টা আগে

সাতক্ষীরায় ভূমিকম্প, আতঙ্কে ঘর ও মসজিদ ছেড়ে রাস্তায় মানুষ

সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়।ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৪। গুগলের অ্যান্ড্রয়েড আর্থকুয়েক অ্যালার্ট সিস্টেমের প্রাথমিক তথ্যে এর মাত্রা ৪ দশমিক ৯ উল্লেখ করা হয়েছে।সাতক্ষীরা জেলা আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী রিপন জানান, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল খুলনা জেলা শহর থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং সাতক্ষীরা থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৫ কিলোমিটার।গুগলের প্রাথমিক তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।রাজধানী ঢাকা এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা, পাশাপাশি ভারতের বারাসাতের কিছু এলাকায়ও কম্পন অনুভূত হয়েছে। তবে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
১১ ঘন্টা আগে
চাঁদপুরে চাঁদার দাবিতে বিয়ে বাড়িতে হামলা, বরসহ আহত ৩

চাঁদপুরে চাঁদার দাবিতে বিয়ে বাড়িতে হামলা, বরসহ আহত ৩

চাঁদপুরের মতলব উত্তরের বাগানবাড়ি ইউনিয়নে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে চাঁদার টাকা কম দেওয়ার কারণে কিশোর গ্যাং হামলা চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রায়েরকান্দি গ্রামের নমপাড়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিয়ে বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। এতে বরের বাবা, ভাই এবং জেঠাসহ অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।আহতরা হলেন- ত্রিনাথ বিশ্বাস (৩২), বাবুলাল বিশ্বাস (৬০) ও বৃজন রানী (৪৫)। ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা করবেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রায়েরকান্দি গ্রামের জীবন চন্দ্র দাসের বাড়িতে বাবু লাল বিশ্বাসের ছেলে সেম্বু নাথের বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। এ সময় পাশের এলাকার কয়েকজন কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য অনুষ্ঠানে গিয়ে প্রথমে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে তারা ৩০ হাজার টাকায় নেমে আসে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আয়োজকপক্ষ তিন হাজার টাকা দিলেও তারা তাতে সন্তুষ্ট হয়নি। একপর্যায়ে তারা হামলা চালিয়ে বরের বাবা বাবু লাল বিশ্বাস ও ভাই ত্রিনাদ বিশ্বাসকে মারধর করে টেবিল-চেয়ার ভাঙচুর ও আশেপাশে বাড়িরঘরে হামালা করে।ত্রিনাথ বিশ্বাস অভিযোগ করে বলেন, আমরা প্রবাসে থাকি এবং ভাইয়ের বিয়েতে দেশে এসেছি। বৃহস্পতিবার রাতে বাড়িতে অনুষ্ঠান চলছিল, তখন আমরা ক্যারাম খেলছিলাম। হঠাৎ করে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা এসে হামলা চালায়। আমার গলার স্বর্ণের চেইন এবং ছোট ভাইয়ের গলার চেইন ছিনিয়ে নেয়। হামলায় আমার মাথা ফেটে যায়।স্থানীয় বাসিন্দা রঘুনাথ বিশ্বাস ও জীবনকৃষ্ণ সরকার বলেন, বিয়েবাড়িতে এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত। প্রশাসনের কাছে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।বাগানবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. সেলিম মোল্লা বলেন, ঘটনার সময় আমরা তারাবির নামাজে ছিলাম। পরে খবর পেয়ে পুলিশকে জানাই। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আমিও পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) প্রদীপ মণ্ডল জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করা হয়। এই নিয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে। তিনি আরও বলেন, অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। 
৮ ঘন্টা আগে
জাতীয়

জাতীয়

পুলিশ হত্যার বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

পুলিশ হত্যার বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব এমপি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, পুলিশ হত্যার বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা হবে।শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও শহরের হাজীপাড়া হাফেজিয়া মাদরাসার নতুন ভবনের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।মির্জা ফখরুল বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে পুলিশ হত্যার তদন্তের বিষয় নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যেটা বলেছেন সেটাই হবে এবং দ্রুত তদন্ত করা হবে। এছাড়াও যদি প্রয়োজন মনে হয়, তদন্ত করতে হবে। কারণ যেহেতু বিষয়গুলো আদালতে আছে।তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ সময় ধরে আমরা শুনে আসছি যে ফ্যাসিস্ট সরকার রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল ও অকার্যকর করে ফেলেছে। নতুন সরকারের সামনে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো সেসব প্রতিষ্ঠানকে পুনর্গঠন করা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং সুশাসনের কাঠামো পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, আমি ঠাকুরগাঁও-১ আসনের মানুষের কাছে সবচেয়ে বেশি ঋণী। তারা তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে আমাকে সমর্থন করেছেন। তাদের এই আস্থা ও ভালোবাসার প্রতিদান দিতে আমি দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে চাই।
১১ ঘন্টা আগে
আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক

পাকিস্তানে পাল্টা ড্রোন হামলা চালালো আফগানিস্তান

পাকিস্তানে পাল্টা ড্রোন হামলা চালালো আফগানিস্তান

আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমান্তে চলমান উত্তেজনা নতুন এক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) আফগান তালেবান কর্তৃপক্ষ পাকিস্তানের ভেতরে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। পাকিস্তান সরকারের দাবি, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনগুলো ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে এবং এতে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে নওশেরা ও অ্যাবোটাবাদসহ পাকিস্তানের কয়েকটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। আফগানিস্তান দাবি করেছে, এটি পাকিস্তানের আগের রাতভর বিমান হামলার ‘সফল প্রতিশোধ’।পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, পাকিস্তানি তালেবান (টিটিপি) জঙ্গিরা ড্রোন হামলার চেষ্টা করেছিল, তবে দেশের অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম সব ড্রোন ভূপাতিত করেছে। তিনি জানান, হামলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ সীমান্তে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এক বিবৃতিতে এটি ‘খোলাখুলি যুদ্ধ’ বলে উল্লেখ করেছেন। বৃহস্পতিবার পাকিস্তান ‘অপারেশন গজব লিল হক’ শুরু করেছে, যেখানে ইসলামাবাদের দাবি, ১৩৩ আফগান তালেবান যোদ্ধা নিহত এবং ২০০-এর বেশি আহত হয়েছেন।দুই দেশের মধ্যে সংঘাত নিয়ে বিশ্ব সম্প্রদায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। রাশিয়া, চীন, ইরান এবং তুরস্ক উভয় পক্ষকে শান্তি ও যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে।বিশ্লেষকরা বলছেন, ডুরান্ড লাইন সীমান্ত বিরোধ এবং পাকিস্তানে নিষিদ্ধ টিটিপি কার্যক্রমের কারণে দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। পাকিস্তান অভিযোগ করছে যে আফগান মাটি ব্যবহার করে জঙ্গিরা হামলা চালাচ্ছে, কিন্তু কাবুল এ অভিযোগ অস্বীকার করছে।বর্তমান পরিস্থিতিতে দক্ষিণ এশিয়ার সীমান্ত এলাকায় অস্থিরতা আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সীমান্ত পয়েন্টগুলো বন্ধ রয়েছে এবং সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত।
৮ ঘন্টা আগে
ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস

কুবিতে হলে ডুকে শিক্ষার্থীকে মারধর করে পালিয়েছে ছাত্রদল নেতা

কুবিতে হলে ডুকে শিক্ষার্থীকে মারধর করে পালিয়েছে ছাত্রদল নেতা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলে ছাত্রত্ব শেষ হওয়া ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুর রহমান কর্তৃক হলের দুই আবাসিক শিক্ষার্থী মারধরের শিকার হয়েছেন। অভিযুক্ত আতিকুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগেত ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের ছাদে এ ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগীরা হলেন শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের আবাসিক শিক্ষার্থী অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সৌরভ কাব্য এবং অর্থনীতি বিভাগের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তৌফায়েল মাহমুদ নিবির। প্রতিবেদন লেখার আগে পর্যন্ত সৌরভ কাব্য হাসপাতালে ভর্তি আছেন।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হলের ছাদে ওই দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে আতিকুর রহমানের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে আতিকুর রহমান নিবিড়কে চড় মারেন। এর প্রতিবাদ করতে গেলে আতিকুর তাকে ধাক্কা দেন ফলে পরে গিয়ে তার হাতের কনুইয়ে আঘাত লাগে। পরবর্তীতে সৌরভ কাব্য বিষয়টির প্রতিবাদ করতে গেলে আতিকুর তার নাকে সজোরে ঘুষি মারেন। যার ফলে সৌরভের নাক দিয়ে রক্তপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে হলের শিক্ষার্থীরা বের হয়ে ঝামেলা দেখে আতিকুরকে ধাওয়া দেন। সর্বশেষ জানা গেছে আতিকুর ধাওয়ার পর পালিয়ে একটি মেসে আশ্রয় নিয়েছেন। জানা গেছে, আতিকুর রহমান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তবে ছাত্রত্ব শেষ হওয়ার পরও তিনি বলপ্রয়োগ করে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের ৫০০২ কক্ষে একটি সিট দখল করে গত চার দিন ধরে হলে অবস্থান করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে অনুসারীদের নিয়মবহির্ভূতভাবে হলে ওঠানোর অভিযোগও করেছেন শিক্ষার্থীরা।শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের ৫০০২ নাম্বার রুমের আবাসিক শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ' ওনি আমার রুমে আমার গেস্ট হিসেবে ছিল। এইরকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটাবো তা আমার জানা ছিল না। 'মারধরের শিকার হলের আবাসিক শিক্ষার্থী তৌফায়েল মাহমুদ নিবির বলেন, আমরা কয়েকজন হলের নিচে বসে গল্প করছিলাম। এমন সময় আতিক সেখানে এসে হলে উঠার কথা বলেন। তখন আমি তাকে জানাই যে, নিয়ম মেনে প্রভোস্টের মাধ্যমে আসতে হবে। আমার কথা শুনে আতিক হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে আমার কলার ধরে চড় মারেন। পরবর্তীতে আমাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেন। সৌরভ সেটার প্রতিবাদ করতে গেলে  তাকে নাকে-মুখে ঘুষি দিতে থাকেন। এ সময় আঘাতে সৌরভের নাক ফেটে যায়। পরে হলের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে এলে আতিক ও সাইফুল সেখান থেকে পালিয়ে যায়।'কুবি শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, 'এটা একটা অপ্রত্যাশিত ঘটনা যা খুবই দুঃখজনক। এটা সিনিয়র জুনিয়র দ্বন্ধের কারণে হয়েছে কিনা সেটা দেখতে হবে। এতে যেই অপরাধী হবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'হলে ছাত্রদলের কর্মীদের সিটে ওঠা নিয়ে তিনি বলেন, ' হলগুলো মূলত শিক্ষার্থীদের জন্য। জুনিয়ররা যেখানে থাকার কথা সেখানে থাকবে, সিনিয়ররা যেখানে থাকার কথা সেখানেই থাকবে। হলের নির্দিষ্ট যে নিয়ম আছে, সেই নিয়ম অনুযায়ীই সবকিছু চলবে। ছাত্রদলের অনেক শিক্ষার্থী হলের বাইরে থাকেন। আবার অনেক দরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থী হলে থাকার চেষ্টা করেন। গত ১৮ মাসে শুধুই ছাত্রদল করার কারণে হলে অবস্থান করছে এমন কোনো নজির কেউ দেখাতে পারবে না এবং এ ধরনের কোনো ঘটনাও ঘটেনি। তবে আতিকুরের হলে থাকার বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেন না বলেও জানান। এ বিষয়ে ছাত্রদল সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।দত্ত হলের প্রভোস্ট জনি আলম বলেন, 'আজকের বিষয়টি আমি জানতে পেরেছি এবং আমি ইতিমধ্যে হাউস টিউটরদের সাথে কথা বলেছি তারাসহ আমি ঘটনাস্থলে যাচ্ছি এবং এবিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'সিট দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ' আমি দায়িত্ব নেওয়ার পরে এখনো কাউকে সিট দেওয়া হয়নি। এখন পর্যন্ত অনেকেই হলে সিট পাওয়ার বিষয় নিয়ে আমার সাথে যোগাযোগ করেছে। যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে আমরা তাদেরকেই হলে সিট দিবো যাদের ছাত্রত্ব আছে যাদের ছাত্রত্ব নেই তাদের হলে সিট পাওয়ার সুযোগ নেই।'
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

নির্বাচন

নির্বাচন

চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে ৩৬ প্রার্থীর ২৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত

চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে ৩৬ প্রার্থীর ২৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি সংসদীয় আসনে ৩৬ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন একজন নারী প্রার্থীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ২৫ প্রার্থী। নির্বাচনের বিধি অনুযায়ি, কোনো সংসদীয় আসনে প্রার্থী বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগ বা কমপক্ষে ১২ শতাংশ ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায়, ৩৫ প্রার্থীর মধ্যে ২৫ জন নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে পারেননি। যার ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এমনও প্রার্থী আছেন যারা ১ হাজার ভোটও পাননি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৪ প্রার্থীর পাশাপাশি ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল সৈয়দ মোহাম্মদ মাহাদুর শাহ্ও জামানত হারিয়েছেন। একসময় সরকারে থাকা প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টি ৪টি আসনে অংশ নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৪৬ ভোট। আর গণফোরাম তিনটি আসনে পেয়েছেন ৮৭৬ ভোট।নির্বাচন কমিশনের হালনাগাদ তথ্যে জেলায় ভোটার ২৩ লাখ ৩১হাজার ১৯৫। এবারের নির্বাচনে ভোট দিয়ছেন ৫৩.০৫ভাগ।এদিকে জামায়াতের সাথে জোটে যাওয়া নিয়ে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বে জড়ানো ইসলামী আন্দোলন ৪টি আসনে ভোট পেয়েছে ৩৮ হাজার ৬শ ৩০ ভোট। ২০০৪ সালে আ. লীগের সাথে জোট হওয়া বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্ট মোমবাতি প্রতিক তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পেয়েছে ৭ হাজার ১৫৪ ভোট। শুধু তাই নয়, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ বাহদুর শাহ চেয়ার প্রতিকে চাঁদপুর-৫ আসন থেকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ১৭৮ ভোট। তিনিও হারিয়েছেন জামানত। অন্যদের মধ্যে জামানত হারিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতিকের ৩ প্রার্থী মো. জাকির হোসেন, মো. এনায়েত হোসেন ও মো. গোলাফ হোসেন। এছাড়া স্বতন্ত্র ঘুড়ি প্রতিকের জাকির হোসেন, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতিকের মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতিকের জাকির হোসেন প্রধানিয়া, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের আপেল প্রতিকের মো. মাহমুদুল হাসান নয়ন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির আনারস প্রতিকের নাসিমা নাজনিন সরকার, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির হাতি প্রতিকের মো. ফয়জুন্নুর ও নাগরিক ঐক্যের কেটলি প্রতিকের মো. এনামুল হক।চাঁদপুর-১ (কচুয়া): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ১৩লাখ ৩হাজার ৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতের প্রার্থী আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমেদ পেয়েছেন ৭০হাজার ৩৬৮ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে গণফোরামের মোহাম্মদ আজাদ হোসেন ৩২৯, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন ৪ হাজার ৩৭১, গণঅধিকার পরিষদের মো. এনায়েত হোসেন ২১৭ ও জাতীয় পার্টির হাবিব খান ৬৫২ ভোট পেয়েছন।চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিন ১লাখ ৭২হাজার ৫০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি এলডিপির ছাতা প্রতিকের প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৪৭৩ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশ লেবার পার্টির নাসিমা নাজনিন সরকার ২৮৩, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি মো. ফয়জুন্নর ৫০৯, গণঅধিকার পরিষদের মো. গোলাপ হোসেন ৩১৫, নাগরিক ঐক্য মো. এনামুল হক ১৪৩, ইসলামী আন্দোলনের মানসুর ১২হাজার ৩০৭, জাতীয় পার্টির এমরান হোসেন মিয়া ১হাজার ৩২৮ ভোট।চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ ১লাখ ৬৫ হাজার ৪০৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শাহজাহান মিয়া দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে পেয়েছেন ১লাখ ৮৬৫ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এ. এইচ.এম. আহসান উল্লাহ ২হাজার ২৭৪, ইসলামী আন্দোলনের মো. জয়নাল আবদিন শেখ ১৪ হাজার ১৮১, গণঅধিকার পরিষদের মো. জাকির হোসেন ১৩২, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ৬৭৬, গণফোরামের সেলিম আকবর ৩০৭ ভোট।চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) : এই আসনে স্বতন্ত্র চিংড়ি প্রতিকের প্রার্থী এম এ হান্নান ৭৪হাজার ১৭৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী বিএনপির ধানের শীষ প্রতিকের মো. হারুনুর রশিদ ৬৯ হাজার ১৫৫ ভোট এবং জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী পেয়েছেন ৬৬হাজার ৬৯২ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র জাকির হোসেন ১৮৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের মকবুল হোসাইন ৫হাজার ২৬১, জাতীয় পার্টির মাহমুদুর হাসান ২৭৭ ভোট, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. আবদুল মালেক ৫০৯, গণফোরামের মো. মুনীর চৌধুরী ২৪০ ভোট পেয়েছেন।চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী মো. মমিনুল হক ১ লাখ ৮৫হাজার ৪০৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি এলডিপির ছাতা প্রতিকের প্রার্থী মো. নেয়ামুল বশির পেয়েছেন ৭৫হাজার ৬৬০ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে জাতীয় পার্টির মির্জা গিয়াস উদ্দিন ১হাজার ৫১৬, ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আলী পাটওয়াারি ৬হাজার ৬৮১, স্বতন্ত্র মো. জাকির হোসেন প্রধানিয়া ২৬৮, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. মাহমুদুল হাসান নয়ন ২৫৬, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের সৈয়দ বাহাদুর শাহ্ মুজাদ্দেদী ১৩হাজার ১৭৮ ভোট পেয়েছেন।চাঁদপুর-৩ আসনের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থী এ এইচ এম আহসান উল্লাহ বলেন, জামানত হারানো প্রার্থীদের নিজ দলের তৃণমূল সাংগঠনিকভাবে দুর্বল। তাই নির্বাচনে ভালো করা কঠিন। তার মতে সাংগঠনিক কার্যক্রম সক্রিয় করা প্রয়োজন।সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চাঁদপুরের সভাপতি অধ্যক্ষ মোশারেফ হোসেন বলেন, আসলে নিজেকে পরিচিতির জন্য এমন নির্বাচনে অনেকে প্রার্থী হয়। আবার নির্বাচন কমিশনের শর্ত পূরণের জন্যও প্রার্থী দিয়ে নিয়ম রক্ষা করেন। এছাড়াও ছোট দলগুলোর জয় পরাজয় বা জামানত বাজেয়াপ্ত তাদের বড় বিষয় নয়, দলকে টিকিয়ে রাখতে নির্বাচনে অংশ গ্রহন নিশ্চিত করতে হয়।
০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকা-৯ আসনে হাবিবের প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের সমর্থন

ঢাকা-৯ আসনে হাবিবের প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের সমর্থন

০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ক্রিকেট

ক্রিকেট

ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ: বিক্রি হয়ে গেছে সব টিকিট

ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ: বিক্রি হয়ে গেছে সব টিকিট

অনিশ্চয়তা, রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা পেরিয়ে অবশেষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কলম্বোর ঐতিহাসিক আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ম্যাচ নিয়ে ইতোমধ্যেই সমর্থকদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে উঠেছে। ম্যাচের সব টিকিট খুব দ্রুত বিক্রি হয়ে গেছে; একই সঙ্গে কলম্বোমুখী ফ্লাইট ও হোটেল ভাড়ায় নজিরবিহীন উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে।বিশ্ব ক্রিকেটে ভারত–পাকিস্তান দ্বৈরথ মানেই বাড়তি উত্তেজনা। রাজনৈতিক ইতিহাস, সীমান্ত উত্তেজনা ও দীর্ঘদিন দ্বিপাক্ষিক সিরিজ না হওয়ায় আইসিসি ইভেন্টেই মুখোমুখি হয় দু’দল। ফলে এমন ম্যাচকে ঘিরে দর্শক আগ্রহ যে অন্য উচ্চতায় থাকবে, তা অনুমান করাই যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৩৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে আগেভাগেই। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ম্যাচ নিশ্চিত হওয়ার পরপরই কলম্বোর হোটেল কক্ষের ভাড়া তিন থেকে চার গুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়। সাধারণ সময়ে যেসব কক্ষের ভাড়া রাতপ্রতি ১০০ থেকে ১৫০ ডলার, সেগুলোর জন্য এখন গুনতে হচ্ছে সর্বোচ্চ ৬৬০ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮১ হাজার টাকা)। জনপ্রিয় হোটেল বুকিং ওয়েবসাইটগুলোতে এমন মূল্যবৃদ্ধির চিত্র স্পষ্ট।কলম্বোর তিনটি ট্রাভেল এজেন্সি জানিয়েছে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার পর শেষ মুহূর্তে বুকিংয়ের চাপ হঠাৎ বেড়ে যায়। বিশেষ করে ভারতের চেন্নাই ও দিল্লির মতো বড় শহর থেকে ফ্লাইট বুকিং কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। চেন্নাই থেকে কলম্বো যেতে সময় লাগে দেড় ঘণ্টার মতো, কিন্তু অল্প দূরত্বের এই রুটেও ভাড়া বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২৩ থেকে ৭৫৬ ডলার পর্যন্ত। অন্যদিকে দিল্লি-কলম্বো রুটে ভাড়া প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়ে ৬৬৬ ডলারে পৌঁছেছে।শ্রীলঙ্কা ইনবাউন্ড ট্যুর অপারেটরসের সভাপতি নালিন জয়াসুন্দেরা জানিয়েছেন, অধিকাংশ হোটেল প্রায় পূর্ণ। অনেক সমর্থকই ‘অল-ইনক্লুসিভ’ প্যাকেজে আসছেন, যার মূল্য ১৫০০ থেকে ২০০০ ডলার পর্যন্ত। এসব প্যাকেজে ম্যাচ টিকিট, আবাসন ও যাতায়াত অন্তর্ভুক্ত থাকছে। তিনি বলেন, চাহিদা এত বেশি যে শেষ মুহূর্তে দাম আরও বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে পর্যটন খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে; বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের তৃতীয় বৃহৎ উৎস এটি। সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সংকট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধাক্কা সামাল দিতে দেশটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজনকে সুযোগ হিসেবে দেখছে। শ্রীলঙ্কা ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বুদ্ধিকা হেওয়াসাম জানান, বিশ্বকাপের প্রথম ১০ দিনে প্রায় এক লাখ বিদেশি দর্শনার্থীর ২০ শতাংশই ভারত–পাকিস্তান ম্যাচকে কেন্দ্র করে দেশটিতে এসেছে। তার ভাষায়, শ্রীলঙ্কা নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে বড় ম্যাচ আয়োজনের সক্ষমতা দেখাতে চায়। এটি শুধু ভারত ও পাকিস্তান নয়, দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের জন্যই ইতিবাচক বার্তা।এদিকে, দু’দলের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চরমে। লাহোরের বাসিন্দা মিয়া সুলতান ম্যাচটি দেখতে কলম্বোয় যাচ্ছেন। তার প্রত্যাশা, এই ম্যাচ জিতলে পাকিস্তান পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে যাবে। তিনি বলেন, এটি জীবনের অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে। নিউজিল্যান্ডে থাকা তার এক বন্ধু ম্যাচ দেখতে কলম্বোয় উড়াল দিচ্ছেন; গ্যালারির সামনের সারির টিকিটের জন্য তাকে খরচ করতে হয়েছে ৮০০ ডলার।সব মিলিয়ে, একটি ম্যাচ ঘিরে কলম্বোতে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই অর্থনৈতিক প্রভাব, ভ্রমণ ব্যয় এবং দর্শক আগ্রহের দিক থেকে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ যেন চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আলাদা এক মাত্রা যোগ করেছে। এখন শুধু অপেক্ষা, চাপ, প্রত্যাশা আর আবেগের এই লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসে।
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সারাদেশ

সারাদেশ

চাঁদপুরে চাঁদার দাবিতে বিয়ে বাড়িতে হামলা, বরসহ আহত ৩

চাঁদপুরে চাঁদার দাবিতে বিয়ে বাড়িতে হামলা, বরসহ আহত ৩

চাঁদপুরের মতলব উত্তরের বাগানবাড়ি ইউনিয়নে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে চাঁদার টাকা কম দেওয়ার কারণে কিশোর গ্যাং হামলা চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রায়েরকান্দি গ্রামের নমপাড়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিয়ে বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। এতে বরের বাবা, ভাই এবং জেঠাসহ অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।আহতরা হলেন- ত্রিনাথ বিশ্বাস (৩২), বাবুলাল বিশ্বাস (৬০) ও বৃজন রানী (৪৫)। ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা করবেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রায়েরকান্দি গ্রামের জীবন চন্দ্র দাসের বাড়িতে বাবু লাল বিশ্বাসের ছেলে সেম্বু নাথের বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। এ সময় পাশের এলাকার কয়েকজন কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য অনুষ্ঠানে গিয়ে প্রথমে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে তারা ৩০ হাজার টাকায় নেমে আসে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আয়োজকপক্ষ তিন হাজার টাকা দিলেও তারা তাতে সন্তুষ্ট হয়নি। একপর্যায়ে তারা হামলা চালিয়ে বরের বাবা বাবু লাল বিশ্বাস ও ভাই ত্রিনাদ বিশ্বাসকে মারধর করে টেবিল-চেয়ার ভাঙচুর ও আশেপাশে বাড়িরঘরে হামালা করে।ত্রিনাথ বিশ্বাস অভিযোগ করে বলেন, আমরা প্রবাসে থাকি এবং ভাইয়ের বিয়েতে দেশে এসেছি। বৃহস্পতিবার রাতে বাড়িতে অনুষ্ঠান চলছিল, তখন আমরা ক্যারাম খেলছিলাম। হঠাৎ করে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা এসে হামলা চালায়। আমার গলার স্বর্ণের চেইন এবং ছোট ভাইয়ের গলার চেইন ছিনিয়ে নেয়। হামলায় আমার মাথা ফেটে যায়।স্থানীয় বাসিন্দা রঘুনাথ বিশ্বাস ও জীবনকৃষ্ণ সরকার বলেন, বিয়েবাড়িতে এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত। প্রশাসনের কাছে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।বাগানবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. সেলিম মোল্লা বলেন, ঘটনার সময় আমরা তারাবির নামাজে ছিলাম। পরে খবর পেয়ে পুলিশকে জানাই। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আমিও পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) প্রদীপ মণ্ডল জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করা হয়। এই নিয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে। তিনি আরও বলেন, অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। 
০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মতামত

মতামত

জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: মাহফুজ আলম

জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: মাহফুজ আলম

জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক মাহফুজ আলম। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য উইক’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ মূলত একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।তার ভাষায়, দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় আওয়ামী লীগ টিকে থাকলে জামায়াতও টিকে থাকবে, আবার জামায়াত থাকলে আওয়ামী লীগের অস্তিত্বও বজায় থাকবে। এই পারস্পরিক নির্ভরতার মধ্যেই বাংলাদেশের রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরে আবর্তিত হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।প্রায় সাড়ে ১৪ মিনিটের এই সাক্ষাৎকারটি বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রচারিত হয়। এতে মাহফুজ আলম বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশ, সংস্কার প্রক্রিয়া, পুরনো ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের টানাপোড়েন এবং গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা, এমন নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বলেন।আসন্ন ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত আগেই জানিয়েছিলেন মাহফুজ আলম। তবে এই সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেন, রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর অন্যতম প্রধান কারণ ছিল জামায়াত ও আওয়ামী লীগের মধ্যকার এই পারস্পরিক অস্তিত্বের সমীকরণ। তার মতে, এই কাঠামোর ভেতরে থেকে কোনো প্রকৃত পরিবর্তন সম্ভব নয়।সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের পর তিনি তরুণ শক্তিগুলোকে একত্র করে বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে একটি শক্তিশালী ‘তৃতীয় বিকল্প’ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু যখন এনসিপি পুরনো রাজনৈতিক বন্দোবস্তের অংশ হিসেবে জামায়াতের সঙ্গে জোটে যায়, তখন সেই সম্ভাবনা কার্যত শেষ হয়ে যায়।জামায়াত প্রসঙ্গে মাহফুজ আলম আরও বলেন, যাদের সঙ্গে জোট করা হয়েছে তারা সবাই পুরনো রাজনৈতিক কাঠামোরই অংশ। তার দাবি, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে জামায়াতের কোনো স্পষ্ট ও স্বচ্ছ রূপরেখা নেই। ফলে তাদের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতা করতে গেলে এমন বহু প্রশ্ন সামনে আসে, যার সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া কঠিন।তিনি মনে করেন, আদর্শিক অবস্থান ও রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিগত প্রশ্নে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে জামায়াতের কোনো বাস্তব মিল নেই। এক পর্যায়ে তিনি হতাশা প্রকাশ করে বলেন, গত দেড় বছরের রাজনৈতিক যাত্রা ছিল এক ধরনের বিশ্বাসভঙ্গের অভিজ্ঞতা, যেখানে পুরনো রাজনৈতিক ব্যবস্থা নতুন মোড়কে আবার ফিরে আসছে এবং জুলাই আন্দোলনের মূল আকাঙ্ক্ষাকে আড়াল করে দিচ্ছে।ভবিষ্যৎ সরকার ব্যবস্থা নিয়েও সতর্কবার্তা দেন মাহফুজ আলম। তার মতে, ক্ষমতায় বিএনপি কিংবা জামায়াত, যেই আসুক না কেন, সমাজের ভেতরে জমে থাকা ক্ষত নিরাময় করতে না পারলে কোনো সরকারই টেকসই হবে না। তিনি বলেন, শুধু কাগজে-কলমে সংস্কার যথেষ্ট নয়; সমাজে ভিন্ন মত ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সমঝোতা বা পুনর্নির্ধারণ না হলে সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা চলতেই থাকবে।গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন তিনি। মাহফুজ আলমের মতে, সাধারণ মানুষের মধ্যে গণমাধ্যমের প্রতি আস্থা কমে গেছে। এই বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হলে গণমাধ্যমকে নিজেদের অতীত ভূমিকা নিয়ে আত্মসমালোচনার জায়গায় যেতে হবে এবং জনগণের সঙ্গে নতুন করে বোঝাপড়া গড়ে তুলতে হবে।বর্তমানে সক্রিয় রাজনীতির বাইরে থাকা মাহফুজ আলম সময় কাটাচ্ছেন বই পড়ে এবং হতাশ তরুণদের সঙ্গে কথা বলে। তিনি বোঝার চেষ্টা করছেন, কেন জুলাই অভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব হয়নি এবং ভবিষ্যতে কীভাবে সামনে এগোনো যায়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছাড়েন। এরপর ৮ আগস্ট গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। একই মাসের ২৮ তারিখ মাহফুজ আলম প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং ১০ নভেম্বর সরকারের উপদেষ্টা হন। তিনি গত বছরের ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন।
ডেস্ক নিউজ