বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
The Dhaka News Bangla

পরিবেশ সুরক্ষায় জাগ্রত আছিম গ্রন্থাগারের বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ২০২৬ উপলক্ষে জাগ্রত আছিম গ্রন্থাগারের উদ্যোগে আলোচনা সভা, বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে গ্রন্থাগার প্রাঙ্গণে এই আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা করেন এবং সদস্যদের হাতে গাছের চারা তুলে দেন শাহাবুদ্দীন ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান এবং শিক্ষক আকরাম হোসেন।গ্রন্থাগার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ আরাফাত রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন গ্রন্থাগারের পরিচালক জিল্লুর রহমান রিয়াদ, পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি ইমরুল কায়েছ তুষার ও মোঃ সাকিব হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ তন্ময়, সাংগঠনিক সম্পাদক হাদীউল ইসলাম মিয়াদ এবং তানভীর হোসেন সাদিম। এছাড়াও গ্রন্থাগারের সদস্য রাকিবুল হাসান তানভীর, মোঃ তানভীর হোসেন, মোঃ গোলাম কিবরিয়া ও মোঃ রাজিম মিয়া উপস্থিত ছিলেন।কর্মসূচির অংশ হিসেবে জাগ্রত আছিম গ্রন্থাগারের পাঠক, সদস্য, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং সাধারণ পথচারীদের মাঝে জলপাই, জাম ও কাঁঠাল গাছের চারা বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি গ্রন্থাগার প্রাঙ্গণে দুটি কাঁঠাল গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।গ্রন্থাগার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ আরাফাত রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক আশিকুল ইসলাম ইশাত জানান, গত ৫ বছর ধরে জাগ্রত আছিম গ্রন্থাগারের উদ্যোগে পুরো বর্ষাকাল জুড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ পরিবেশ দিবস উপলক্ষে এ বছরের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হলো।গ্রন্থাগারের পরিচালক জিল্লুর রহমান রিয়াদ জানান, এবারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠন 'উৎসর্গ ফাউন্ডেশন' ৩০টি গাছের চারা উপহার দিয়েছে। তিনি এই মহতী উদ্যোগে সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করেন।
৬ ঘন্টা আগে

চৌদ্দগ্রামে মাদকসেবীদের হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, গ্রেফতারের দাবি

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের যাত্রাপুর গ্রামে মাদকসেবীদের দফায় দফায় হামলায় ৮ জন আহত হওয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী।বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে যাত্রাপুর গ্রামে আয়োজিত মানববন্ধনে গ্রামবাসী, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাবেক ছাত্রনেতা শাখাওয়াত হোসেন শামীম, বিএনপি নেতা মীর আলমগীর হোসেন, এমদাদুল হক সোহেল, শরিফুল ইসলাম, জামিম শাহ, সাদ্দাম হোসেন ও কামরুজ্জামান সোহাগসহ অনেকে।বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ১ জুন যাত্রাপুর গ্রামের শাহজাহান মিয়ার বাড়িতে মাদকসেবনের সময় স্থানীয়রা চারজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে আদালতে প্রেরণ করলে তারা জামিনে মুক্ত হয়ে আসে।অভিযোগ অনুযায়ী, জামিনে বের হওয়ার পর অভিযুক্তরা প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে মঙ্গলবার প্রথমে উপজেলা কমপ্লেক্সের সামনে দুই যুবকের ওপর হামলা চালায়। পরে যাত্রাপুর গ্রামে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আবারও হামলা করে কয়েকজনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে। এসব ঘটনায় মোট ৮ জন আহত হন।এ ঘটনায় আহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে ৯ জনকে আসামি করে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে মামলা হওয়ার পরও অভিযুক্তদের গ্রেফতার না হওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে বলে মানববন্ধনে জানানো হয়।মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং এলাকাবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান। এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফ হোছাইন বলেন, হামলার ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে।
৮ ঘন্টা আগে

পিতা ও মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করতে কঠোর আইন রয়েছে দেশে

সামাজিক বাস্তবতায় পিতা-মাতার অধিকার ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দেশে রয়েছে ‘পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন-২০১৩’।এই আইনে ‘ভরণ-পোষণ’ বলতে পিতা-মাতার খাওয়া-দাওয়া, বস্ত্র, চিকিৎসা, বাসস্থান এবং তাদের সময় বা সঙ্গ দেওয়াকে বোঝানো হয়েছে।আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী, প্রত্যেক সন্তানকে তার পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করতে হবে। একাধিক সন্তান থাকলে তারা নিজেরা আলোচনা করে এই দায়িত্ব ভাগ করে নেবেন। এই ধারার অধীনে প্রত্যেক সন্তানকে সাধ্যমতো পিতা-মাতার সঙ্গে একই স্থানে বসবাস নিশ্চিত করতে হবে।কোনো সন্তানই তার পিতা বা মাতাকে বা উভয়কে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো বৃদ্ধাশ্রম কিংবা অন্য কোথাও একত্রে বা আলাদাভাবে বসবাস করতে বাধ্য করতে পারবে না।এছাড়া সন্তানকে নিয়মিত পিতা-মাতার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিতে হবে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরিচর্যা করতে হবে। পিতা বা মাতা বা উভয়ই সন্তানদের থেকে আলাদাভাবে বসবাস করলে, প্রত্যেক সন্তানকে নিয়মিত তাদের সাথে দেখা করতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে প্রত্যেক সন্তান তার দৈনিক, মাসিক বা বার্ষিক আয় থেকে যুক্তিসঙ্গত পরিমাণ অর্থ নিয়মিত পিতা-মাতাকে প্রদান করবে।আইনের ৪ ধারায় দাদা-দাদী ও নানা-নানীর ভরণ-পোষণের বিষয়ে বলা হয়েছে, পিতার অবর্তমানে দাদা-দাদীকে এবং মাতার অবর্তমানে নানা-নানীকে ভরণ-পোষণ দিতে সন্তান বাধ্য থাকবে। এটি পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ হিসেবেই গণ্য হবে।পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ না করার শাস্তি সম্পর্কে ৫ ধারায় বলা হয়, কোনো সন্তান এই আইনের ৩ ও ৪ নং বিধান লঙ্ঘন করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা তা অনাদায়ে অনূর্ধ্ব তিন মাস কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।এছাড়া কোনো সন্তানের স্ত্রী বা স্বামী, পুত্র-কন্যা বা অন্য কোনো নিকটাত্মীয় যদি পিতা-মাতা, দাদা-দাদী বা নানা-নানীর ভরণ-পোষণ দেওয়ায় বাধা সৃষ্টি বা অসহযোগিতা করেন, তবে তিনিও অপরাধে সহায়তাকারী হিসেবে গণ্য হবেন। এই অপরাধের জন্যও সমপরিমাণ অর্থাৎ অনূর্ধ্ব এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা অনাদায়ে অনূর্ধ্ব তিন মাস কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী, ভুক্তভোগী পিতা বা মাতার লিখিত অভিযোগ ছাড়া আদালত এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ আমলে নেবে না।তবে মামলা-মোকদ্দমার বাইরে আপস-নিষ্পত্তির সুযোগ রাখা হয়েছে এই আইনের ৮ ধারায়। এর অধীনে আদালত প্রাপ্ত অভিযোগটি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা মেম্বার, সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার মেয়র বা কাউন্সিলর কিংবা অন্য যেকোনো উপযুক্ত ব্যক্তির কাছে পাঠাতে পারবেন। তারা উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে বিরোধটি মীমাংসা করবেন এবং এটি আপস-নিষ্পত্তি আদালত কর্তৃক অনুমোদিত বলে গণ্য হবে।
১১ ঘন্টা আগে
আবেগ, নিরাপত্তা ও আমাদের পতাকা

আবেগ, নিরাপত্তা ও আমাদের পতাকা

বিশ্বকাপ ফুটবল এলে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে যে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়, তা সত্যি অনন্য। পাড়ায় পাড়ায় প্রিয় দলের জার্সি গায়ে জড়ানো, চায়ের দোকানে তুমুল আড্ডা, কিংবা বাড়ির ছাদ বা দেয়াল পছন্দের দলের পতাকার রঙে রাঙিয়ে তোলা—এসবই আমাদের ক্রীড়াপ্রেমের খাঁটি বহিঃপ্রকাশ। চার বছর পর পর আসা এই টুর্নামেন্ট আমাদের দৈনন্দিন একঘেয়েমি থেকে এক দারুণ মুক্তি দেয়। তবে এই আবেগের জোয়ারে ভেসে গিয়ে আমরা মাঝে মাঝে এমন কিছু কাজ করে ফেলি, যা শুধু বিপদই ডেকে আনে না, বরং আমাদের জাতীয় আত্মসম্মানকেও প্রবলভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করে।প্রতি বিশ্বকাপেই আমরা সংবাদমাধ্যমে কিছু হৃদয়বিদারক খবর দেখতে পাই। উঁচু ভবনের কার্নিশে, ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটিতে বা গাছের মগডালে বিশাল আকারের পতাকা টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বা পা পিছলে পড়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। একটু স্থির হয়ে ভেবে দেখা দরকার, যে উৎসব শুধুই আনন্দের জন্য, তা কেন একটি পরিবারের সারা জীবনের কান্নার কারণ হবে? প্রিয় দলকে সমর্থন করা অবশ্যই দারুণ ব্যাপার, কিন্তু নিজের বা অন্যের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিপজ্জনকভাবে পতাকা ওড়ানো কোনোভাবেই বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারে না। আবেগের বশবর্তী হয়ে জীবনের ন্যূনতম নিরাপত্তা ভুলে যাওয়া মোটেও সমর্থনযোগ্য নয়।এর পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি দৃষ্টিকটু লাগে যখন দেখা যায় ভিনদেশি বিশাল পতাকার ভিড়ে আমাদের নিজেদের লাল-সবুজ পতাকাটি একেবারেই হারিয়ে গেছে। অনেকেই প্রিয় দলের কয়েকশ ফুট লম্বা পতাকা বানান, পুরো রাস্তা ঢেকে দেন, অথচ নিজ দেশের পতাকার কোনো অস্তিত্বই সেখানে থাকে না। আবার কেউ কেউ দেশের পতাকা ওড়ালেও তা অন্য দেশের পতাকার চেয়ে আকারে অনেক ছোট থাকে অথবা নিচে অবস্থান করে। এটি শুধু অনুচিতই নয়, বরং এটি আমাদের স্বাধীন সত্তার জন্য চরম অবমাননাকর।বাংলাদেশ জাতীয় পতাকা বিধিমালা অনুযায়ী, অন্য কোনো দেশের পতাকার সঙ্গে বাংলাদেশের পতাকা ওড়াতে হলে বাংলাদেশের পতাকাটি অবশ্যই সবার ওপরে এবং অধিকতর সম্মানের স্থানে থাকতে হবে। অন্য কোনো দেশের পতাকা আমাদের জাতীয় পতাকার চেয়ে বড় হতে পারবে না। আমরা যখন অন্য দেশের বিশাল পতাকা ওড়াই আর নিজ দেশের পতাকাকে অবহেলা করি, তখন প্রকারান্তরে আমরা নিজেদের অস্তিত্বকেই ছোট করি। লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া এই পতাকার সম্মান রক্ষা করা আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব।খেলাধুলা মানুষের মনে আনন্দ দেয় এবং ভ্রাতৃত্ববোধ শেখায়, তাই এই আনন্দ উদ্‌যাপনের উপায়গুলোও হতে হবে পরিশীলিত। অযথা বিশাল আকারের পতাকা বানানোর অসুস্থ প্রতিযোগিতা থেকে বেরিয়ে এসে আমরা সেই অর্থ কোনো সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করতে পারি। পতাকা ওড়ানোর ক্ষেত্রে সর্বদা সম্পূর্ণ নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত স্থান বেছে নেওয়া এবং ভিনদেশি পতাকার পাশাপাশি অবশ্যই সঠিক মাপের বাংলাদেশের পতাকা সবার ওপরে রাখা নিশ্চিত করতে হবে। ফুটবল নিয়ে আমাদের এই নিখাদ ভালোবাসায় কোনো খাদ নেই। আমরা যেকোনো দলকে সমর্থন করতেই পারি, কিন্তু সেই সমর্থন যেন আমাদের অন্ধ না করে দেয়। নিজের জীবনের সুরক্ষা এবং নিজের দেশের পতাকার সম্মান—এই দুটি অপরিহার্য বিষয় নিশ্চিত করেই যেন আমরা মেতে উঠি বিশ্বকাপের আসল আনন্দে।
৬ ঘন্টা আগে
সারাদেশ

সারাদেশ

জাতীয়

জাতীয়

পিতা ও মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করতে কঠোর আইন রয়েছে দেশে

পিতা ও মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করতে কঠোর আইন রয়েছে দেশে

সামাজিক বাস্তবতায় পিতা-মাতার অধিকার ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দেশে রয়েছে ‘পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন-২০১৩’।এই আইনে ‘ভরণ-পোষণ’ বলতে পিতা-মাতার খাওয়া-দাওয়া, বস্ত্র, চিকিৎসা, বাসস্থান এবং তাদের সময় বা সঙ্গ দেওয়াকে বোঝানো হয়েছে।আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী, প্রত্যেক সন্তানকে তার পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করতে হবে। একাধিক সন্তান থাকলে তারা নিজেরা আলোচনা করে এই দায়িত্ব ভাগ করে নেবেন। এই ধারার অধীনে প্রত্যেক সন্তানকে সাধ্যমতো পিতা-মাতার সঙ্গে একই স্থানে বসবাস নিশ্চিত করতে হবে।কোনো সন্তানই তার পিতা বা মাতাকে বা উভয়কে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো বৃদ্ধাশ্রম কিংবা অন্য কোথাও একত্রে বা আলাদাভাবে বসবাস করতে বাধ্য করতে পারবে না।এছাড়া সন্তানকে নিয়মিত পিতা-মাতার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিতে হবে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরিচর্যা করতে হবে। পিতা বা মাতা বা উভয়ই সন্তানদের থেকে আলাদাভাবে বসবাস করলে, প্রত্যেক সন্তানকে নিয়মিত তাদের সাথে দেখা করতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে প্রত্যেক সন্তান তার দৈনিক, মাসিক বা বার্ষিক আয় থেকে যুক্তিসঙ্গত পরিমাণ অর্থ নিয়মিত পিতা-মাতাকে প্রদান করবে।আইনের ৪ ধারায় দাদা-দাদী ও নানা-নানীর ভরণ-পোষণের বিষয়ে বলা হয়েছে, পিতার অবর্তমানে দাদা-দাদীকে এবং মাতার অবর্তমানে নানা-নানীকে ভরণ-পোষণ দিতে সন্তান বাধ্য থাকবে। এটি পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ হিসেবেই গণ্য হবে।পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ না করার শাস্তি সম্পর্কে ৫ ধারায় বলা হয়, কোনো সন্তান এই আইনের ৩ ও ৪ নং বিধান লঙ্ঘন করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা তা অনাদায়ে অনূর্ধ্ব তিন মাস কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।এছাড়া কোনো সন্তানের স্ত্রী বা স্বামী, পুত্র-কন্যা বা অন্য কোনো নিকটাত্মীয় যদি পিতা-মাতা, দাদা-দাদী বা নানা-নানীর ভরণ-পোষণ দেওয়ায় বাধা সৃষ্টি বা অসহযোগিতা করেন, তবে তিনিও অপরাধে সহায়তাকারী হিসেবে গণ্য হবেন। এই অপরাধের জন্যও সমপরিমাণ অর্থাৎ অনূর্ধ্ব এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা অনাদায়ে অনূর্ধ্ব তিন মাস কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী, ভুক্তভোগী পিতা বা মাতার লিখিত অভিযোগ ছাড়া আদালত এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ আমলে নেবে না।তবে মামলা-মোকদ্দমার বাইরে আপস-নিষ্পত্তির সুযোগ রাখা হয়েছে এই আইনের ৮ ধারায়। এর অধীনে আদালত প্রাপ্ত অভিযোগটি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা মেম্বার, সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার মেয়র বা কাউন্সিলর কিংবা অন্য যেকোনো উপযুক্ত ব্যক্তির কাছে পাঠাতে পারবেন। তারা উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে বিরোধটি মীমাংসা করবেন এবং এটি আপস-নিষ্পত্তি আদালত কর্তৃক অনুমোদিত বলে গণ্য হবে।
১১ ঘন্টা আগে
আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক

ইরানের ড্রোন হামলায় কুয়েতের বিমানবন্দর সাময়িক বন্ধ ঘোষণা

ইরানের ড্রোন হামলায় কুয়েতের বিমানবন্দর সাময়িক বন্ধ ঘোষণা

ইরানের একটি ড্রোন হামলায় কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি যাত্রী টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে কয়েকজন আহত হওয়ায় বিমান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৌদ আবদুল আজিজ আল-আতওয়ান এই হামলাকে ‘অপরাধমূলক ইরানি আগ্রাসন’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ড্রোন হামলায় ভবনটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।আল-আতওয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় আহতদের সংখ্যা উল্লেখ করেননি। তবে তিনি  জানান, আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।কুয়েতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানায়, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বিমান চলাচল স্থগিত করেছে ও আগত ফ্লাইটগুলোকে বিকল্প বিমানবন্দরে পাঠানো হয়েছে। কারণ টার্মিনাল ওয়ান ইরানি হামলার শিকার হয়ে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে।তেলসমৃদ্ধ উপসাগরীয় দেশ কুয়েত যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হিসেবে পরিচিত। দেশটি জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের সামরিক নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর পর থেকেই তারা ইরানি হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে।তেহরান অভিযোগ করে বলেছে, কুয়েত তাদের ভূখণ্ডকে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানে হামলা চালাতে সহায়তা করছে।তথ্যসূত্রে/ এএফপি
১৪ ঘন্টা আগে
ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস

ব্যাংককে ‘বেস্ট এডুকেটর অব দ্য ইয়ার’ সম্মাননায় জয় দাস

ব্যাংককে ‘বেস্ট এডুকেটর অব দ্য ইয়ার’ সম্মাননায় জয় দাস

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিতব্য ৩৬তম ‘ওয়ার্ল্ড স্কুল সামিট’-এ ‘বেস্ট এডুকেটর অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার পেতে যাচ্ছেন বাংলাদেশি তরুণ জয় দাস। আগামীকাল ৩০ মে এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সম্মাননাটি প্রদান করা হবে।জয় দাস ‘লার্ন উইথ জয়’ (Learn with JOY) উদ্যোগের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে ইংরেজি ভাষা শেখানো, আইইএলটিএস প্রস্তুতি এবং তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করছেন। বিশেষ করে মফস্বল ও গ্রামের শিক্ষার্থীদের কাছে সহজ উপায়ে মানসম্মত শিক্ষা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তার অসামান্য ভূমিকা রয়েছে।ওয়ার্ল্ড স্কুল সামিট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য অবদান, নেতৃত্ব এবং নতুন কিছু করার ইচ্ছার স্বীকৃতি হিসেবেই জয় দাসকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।বিশ্বের ৩৫টির বেশি দেশের শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক ও উদ্যোক্তারা এই আয়োজনে অংশ নেবেন। সেখানে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈশ্বিক শিক্ষার উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় করবেন জয়। এবারের সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ভারতের অলিম্পিক পদকজয়ী কুস্তিগির সাক্ষী মালিক।এই অর্জন নিয়ে জয় দাস বেশ উচ্ছ্বসিত। তিনি বলেন, এই সম্মাননা শুধু তার একার নয়, বরং এটি পুরো বাংলাদেশের শিক্ষা খাত এবং তার সকল শিক্ষার্থী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সম্মিলিত অর্জন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারাটা তার জন্য অনেক গর্বের বিষয়।আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একজন তরুণ বাংলাদেশির এই স্বীকৃতি নিঃসন্দেহে দেশের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থাকে অনুপ্রাণিত করবে এবং নতুন প্রজন্মকে ইতিবাচক উদ্যোগে আরও বেশি উৎসাহ জোগাবে।
২৯ মে ২০২৬
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

নির্বাচন

নির্বাচন

শান্তিপূর্ণ ভোটে হাইমচর প্রেসক্লাবের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত

শান্তিপূর্ণ ভোটে হাইমচর প্রেসক্লাবের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত

চাঁদপুরের হাইমচর প্রেসক্লাব–এর বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ ২০২৬) অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক—এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৪৭ জন। এর মধ্যে ৩৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।সভাপতি পদে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এতে মোঃ মহসিন মিয়া (প্রতীক: কলম) ১৯ ভোট পেয়ে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জি এম ফজলুর রহমান (প্রতীক: চশমা) পেয়েছেন ১২ ভোট এবং মাসুদ আলম রিয়াদ (প্রতীক: মোবাইল) পেয়েছেন ৩ ভোট।অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে দুইজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এতে জাহিদুল ইসলাম (প্রতীক: ক্যামেরা) ২০ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হাসান আল মামুন (প্রতীক: ল্যাপটপ) পেয়েছেন ১৪ ভোট।সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে প্রেসক্লাবের সদস্যরা অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন নেতৃত্ব প্রেসক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
১৮ মে ২০২৬
নির্বাচনী মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি

নির্বাচনী মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি

১৮ মে ২০২৬
ক্রিকেট

ক্রিকেট

ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ: বিক্রি হয়ে গেছে সব টিকিট

ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ: বিক্রি হয়ে গেছে সব টিকিট

অনিশ্চয়তা, রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা পেরিয়ে অবশেষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কলম্বোর ঐতিহাসিক আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ম্যাচ নিয়ে ইতোমধ্যেই সমর্থকদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে উঠেছে। ম্যাচের সব টিকিট খুব দ্রুত বিক্রি হয়ে গেছে; একই সঙ্গে কলম্বোমুখী ফ্লাইট ও হোটেল ভাড়ায় নজিরবিহীন উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে।বিশ্ব ক্রিকেটে ভারত–পাকিস্তান দ্বৈরথ মানেই বাড়তি উত্তেজনা। রাজনৈতিক ইতিহাস, সীমান্ত উত্তেজনা ও দীর্ঘদিন দ্বিপাক্ষিক সিরিজ না হওয়ায় আইসিসি ইভেন্টেই মুখোমুখি হয় দু’দল। ফলে এমন ম্যাচকে ঘিরে দর্শক আগ্রহ যে অন্য উচ্চতায় থাকবে, তা অনুমান করাই যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৩৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে আগেভাগেই। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ম্যাচ নিশ্চিত হওয়ার পরপরই কলম্বোর হোটেল কক্ষের ভাড়া তিন থেকে চার গুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়। সাধারণ সময়ে যেসব কক্ষের ভাড়া রাতপ্রতি ১০০ থেকে ১৫০ ডলার, সেগুলোর জন্য এখন গুনতে হচ্ছে সর্বোচ্চ ৬৬০ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮১ হাজার টাকা)। জনপ্রিয় হোটেল বুকিং ওয়েবসাইটগুলোতে এমন মূল্যবৃদ্ধির চিত্র স্পষ্ট।কলম্বোর তিনটি ট্রাভেল এজেন্সি জানিয়েছে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার পর শেষ মুহূর্তে বুকিংয়ের চাপ হঠাৎ বেড়ে যায়। বিশেষ করে ভারতের চেন্নাই ও দিল্লির মতো বড় শহর থেকে ফ্লাইট বুকিং কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। চেন্নাই থেকে কলম্বো যেতে সময় লাগে দেড় ঘণ্টার মতো, কিন্তু অল্প দূরত্বের এই রুটেও ভাড়া বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২৩ থেকে ৭৫৬ ডলার পর্যন্ত। অন্যদিকে দিল্লি-কলম্বো রুটে ভাড়া প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়ে ৬৬৬ ডলারে পৌঁছেছে।শ্রীলঙ্কা ইনবাউন্ড ট্যুর অপারেটরসের সভাপতি নালিন জয়াসুন্দেরা জানিয়েছেন, অধিকাংশ হোটেল প্রায় পূর্ণ। অনেক সমর্থকই ‘অল-ইনক্লুসিভ’ প্যাকেজে আসছেন, যার মূল্য ১৫০০ থেকে ২০০০ ডলার পর্যন্ত। এসব প্যাকেজে ম্যাচ টিকিট, আবাসন ও যাতায়াত অন্তর্ভুক্ত থাকছে। তিনি বলেন, চাহিদা এত বেশি যে শেষ মুহূর্তে দাম আরও বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে পর্যটন খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে; বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের তৃতীয় বৃহৎ উৎস এটি। সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সংকট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধাক্কা সামাল দিতে দেশটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজনকে সুযোগ হিসেবে দেখছে। শ্রীলঙ্কা ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বুদ্ধিকা হেওয়াসাম জানান, বিশ্বকাপের প্রথম ১০ দিনে প্রায় এক লাখ বিদেশি দর্শনার্থীর ২০ শতাংশই ভারত–পাকিস্তান ম্যাচকে কেন্দ্র করে দেশটিতে এসেছে। তার ভাষায়, শ্রীলঙ্কা নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে বড় ম্যাচ আয়োজনের সক্ষমতা দেখাতে চায়। এটি শুধু ভারত ও পাকিস্তান নয়, দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের জন্যই ইতিবাচক বার্তা।এদিকে, দু’দলের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চরমে। লাহোরের বাসিন্দা মিয়া সুলতান ম্যাচটি দেখতে কলম্বোয় যাচ্ছেন। তার প্রত্যাশা, এই ম্যাচ জিতলে পাকিস্তান পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে যাবে। তিনি বলেন, এটি জীবনের অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে। নিউজিল্যান্ডে থাকা তার এক বন্ধু ম্যাচ দেখতে কলম্বোয় উড়াল দিচ্ছেন; গ্যালারির সামনের সারির টিকিটের জন্য তাকে খরচ করতে হয়েছে ৮০০ ডলার।সব মিলিয়ে, একটি ম্যাচ ঘিরে কলম্বোতে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই অর্থনৈতিক প্রভাব, ভ্রমণ ব্যয় এবং দর্শক আগ্রহের দিক থেকে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ যেন চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আলাদা এক মাত্রা যোগ করেছে। এখন শুধু অপেক্ষা, চাপ, প্রত্যাশা আর আবেগের এই লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসে।
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সারাদেশ

সারাদেশ

পরিবেশ সুরক্ষায় জাগ্রত আছিম গ্রন্থাগারের বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

পরিবেশ সুরক্ষায় জাগ্রত আছিম গ্রন্থাগারের বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ২০২৬ উপলক্ষে জাগ্রত আছিম গ্রন্থাগারের উদ্যোগে আলোচনা সভা, বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে গ্রন্থাগার প্রাঙ্গণে এই আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা করেন এবং সদস্যদের হাতে গাছের চারা তুলে দেন শাহাবুদ্দীন ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান এবং শিক্ষক আকরাম হোসেন।গ্রন্থাগার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ আরাফাত রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন গ্রন্থাগারের পরিচালক জিল্লুর রহমান রিয়াদ, পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি ইমরুল কায়েছ তুষার ও মোঃ সাকিব হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ তন্ময়, সাংগঠনিক সম্পাদক হাদীউল ইসলাম মিয়াদ এবং তানভীর হোসেন সাদিম। এছাড়াও গ্রন্থাগারের সদস্য রাকিবুল হাসান তানভীর, মোঃ তানভীর হোসেন, মোঃ গোলাম কিবরিয়া ও মোঃ রাজিম মিয়া উপস্থিত ছিলেন।কর্মসূচির অংশ হিসেবে জাগ্রত আছিম গ্রন্থাগারের পাঠক, সদস্য, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং সাধারণ পথচারীদের মাঝে জলপাই, জাম ও কাঁঠাল গাছের চারা বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি গ্রন্থাগার প্রাঙ্গণে দুটি কাঁঠাল গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।গ্রন্থাগার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ আরাফাত রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক আশিকুল ইসলাম ইশাত জানান, গত ৫ বছর ধরে জাগ্রত আছিম গ্রন্থাগারের উদ্যোগে পুরো বর্ষাকাল জুড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ পরিবেশ দিবস উপলক্ষে এ বছরের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হলো।গ্রন্থাগারের পরিচালক জিল্লুর রহমান রিয়াদ জানান, এবারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠন 'উৎসর্গ ফাউন্ডেশন' ৩০টি গাছের চারা উপহার দিয়েছে। তিনি এই মহতী উদ্যোগে সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করেন।
১৮ মে ২০২৬
মতামত

মতামত

সভ্যতার শেষ নোঙর: উদ্ভিদের বিপন্নতা ও মানুষের অস্তিত্বের ভবিষ্যৎ

সভ্যতার শেষ নোঙর: উদ্ভিদের বিপন্নতা ও মানুষের অস্তিত্বের ভবিষ্যৎ

মহাবিশ্বের বিশালতায় পৃথিবী নামক এই নীল গ্রহে মানুষের আগমন কোটি কোটি বছরের বিবর্তন ইতিহাসের এক সাম্প্রতিক ঘটনা মাত্র। অথচ মানুষ প্রায়শই নিজেকে এই নাট্যমঞ্চের একমাত্র কেন্দ্রীয় চরিত্র বা মহাপ্রধান ভাবিতে পছন্দ করে। রাষ্ট্রনীতি, অর্থনীতি, আকাশচুম্বী প্রযুক্তি আর সভ্যতার চাকচিক্য, সবকিছুর কেন্দ্রে মানুষ নিজেকেই স্থাপন করিয়াছে। কিন্তু প্রকৃতির আদিম এবং নৈর্ব্যক্তিক দৃষ্টিতে এই অহংকার কেবলই এক মরীচিকা। মানুষের বহু পূর্বে এই ধরণী ছিল অরণ্যের, শৈবালের, ঘাসের আর লতাগুল্মের। আজ মানুষ তাহার যাপিত জীবনে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, জীবনদায়ী ওষুধ, অক্সিজেন, এমনকি ভারী শিল্পোন্নয়নের যে বিপুল কাঁচামাল ভোগ করিতেছে, তাহার প্রতিটির উৎস প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই উদ্ভিদজগৎ। ফলে, সেই আদিম সবুজ যদি সংকুচিত হইতে থাকে, তবে মানুষের তৈরি এই জাঁকজমকপূর্ণ সভ্যতার ভিত্তি কাচের প্রাসাদের মতোই চূর্ণবিচূর্ণ হইতে বাধ্য।সম্প্রতি বিশ্ববিশ্রুত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘সায়েন্স’-এ প্রকাশিত একটি গবেষণা বিশ্ববাসীর আত্মতৃপ্তির দেয়ালে এক তীব্র চপেটাঘাত করিয়াছে। গবেষকগণ প্রায় ৬৭ হাজারেরও অধিক উদ্ভিদ প্রজাতির ভবিষ্যৎ গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করিয়া এক ভয়ানক চিত্র তুলিয়া ধরিয়াছেন। তাঁহাদের पूर्वानुमान অনুযায়ী, চলতি শতাব্দীর শেষ নাগাদ পৃথিবীর ৭ হইতে ১৬ শতাংশ উদ্ভিদ প্রজাতি তাহাদের বর্তমান চারণভূমি বা আবাসস্থলের ৯০ শতাংশেরও বেশি হারাইতে পারে। সহজ কথায়, বিপুলসংখ্যক উদ্ভিদ প্রজাতি চিরতরে বিলুপ্তির অতল গহ্বরে তলাইয়া যাইবার চরম ঝুঁকিতে রহিয়াছে। এই সতর্কবার্তা কেবল কিছু গাছের হারিয়ে যাওয়ার সংবাদ নহে, ইহা মূলত মানবজাতির আত্মহননের এক বৈজ্ঞানিক দলিল।আমরা প্রায়শই জলবায়ু পরিবর্তন বলিলে কেবল বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা গরম বাড়িয়া যাওয়াকেই বুঝি। কিন্তু প্রকৃতার্থে জলবায়ু পরিবর্তন এক জটিল, বহুমাত্রিক ও আপাত-অদৃশ্য বাস্তুতান্ত্রিক বিপর্যয়। ইহা কেবল থার্মোমিটারের পারদ চড়ায় না; বরং বৃষ্টিপাতের ধরন, মাটির রাসায়নিক ও ভৌত গুণাগুণ, বাতাসের আর্দ্রতা, বনের ছায়া এবং দাবদাহ বা অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকিকে আমূল ওলটপালট করিয়া দেয়। একটি উদ্ভিদের অস্তিত্ব কেবল মাটির গভীরে শিকড় চলাইয়া দাঁড়াইয়া থাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ নহে। তাহার বাঁচিয়া থাকা নির্ভর করে আলো, বাতাস, মাটি ও পানির এক অতি সূক্ষ্ম এবং সংবেদনশীল ভারসাম্যময় শর্তের ওপর। আধুনিক জলবায়ু বিপর্যয় সেই প্রাচীন শর্তগুলিকেই ভেঙে চুরমার করিয়া দিতেছে, যার ফলে উদ্ভিদের জন্য এই চেনা পৃথিবী ক্রমেই অচেনা ও সংকুচিত হইয়া পড়িতেছে।মানুষের মতো উদ্ভিদের পা নাই যে জলবায়ুর প্রতিকূলতা দেখিয়া সে দ্রুত স্থান পরিবর্তন করিবে। উদ্ভিদের বংশবিস্তার ও নতুন অঞ্চলে ছড়াইয়া পড়া অত্যন্ত ধীরগতির একটি প্রক্রিয়া। বাতাস, পানি, পাখি, কীটপতঙ্গ কিংবা অভিকর্ষ বলের ওপর নির্ভর করিয়া বীজ ও রেণুর মাধ্যমে তাহারা এক প্রজন্ম হইতে অন্য প্রজন্মে ধাবিত হয়। এই প্রাকৃতিক অভিবাসনে বহু শতাব্দী সময় কাটিয়া যায়। কিন্তু বর্তমান মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের গতি এতই তীব্র ও উন্মত্ত যে, বহু উদ্ভিদ প্রজাতি সেই পরিবর্তনের গতির সহিত প্রতিযোগিতায় টিকিয়া থাকিতে পারিতেছে না। নতুন কোনো নিরাপদ অঞ্চলে বীজ ছড়াইয়া দিবার পূর্বেই, বর্তমান আবাসস্থলের চরম আবহাওয়ায় তাহারা অকালে প্রাণ হারাইতেছে।উদ্ভিদজগতের এই মহাবিপর্যয় কেবল প্রকৃতির বাহ্যিক সৌন্দর্যহানি ঘটাইবে না; ইহা সমগ্র গ্রহের ফুসফুসকে অচল করিয়া দিবে। উদ্ভিদ কেবল প্রকৃতির অলংকার নহে, বরং স্থলভাগের সমস্ত বাস্তুতন্ত্রের প্রাণভোমরা। পৃথিবীর বিশাল বনভূমি ও উদ্ভিদরাজি প্রতিমুহূর্তে বায়ুমণ্ডল হইতে কোটি কোটি টন কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করিয়া পরিবেশকে শীতল রাখিতেছে। তাহারা মাটির ক্ষয় রোধ করে, বন্যপ্রাণীর আশ্রয় জোগায় এবং মেঘের আনাগোনা নিয়ন্ত্রণ করিয়া বৃষ্টিপাত ঘটায়। যখন এই উদ্ভিদের সংখ্যা ও বৈচিত্র্য আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পাইবে, তখন প্রকৃতির স্বাভাবিক কার্বনচক্র সম্পূর্ণ বিকল হইয়া পড়িবে। উদ্ভিদ কার্বন শোষণ করিতে না পারিলে বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ জ্যামিতিক হারে বাড়িবে, যাহা বৈশ্বিক উষ্ণতাকে আরও ত্বরান্বিত করিবে। অর্থাৎ, আমরা এক ভয়ানক এবং মরণঘাতী প্রতিক্রিয়ামূলক চক্রের মুখোমুখি দাঁড়াব, যেখানে জলবায়ু পরিবর্তন উদ্ভিদের বিনাশ ঘটাইবে, আবার উদ্ভিদের বিনাশ জলবায়ু পরিবর্তনকে আরও কয়েক গুণ তীব্র করিয়া তুলিবে। এই চক্রের শেষ প্রান্তে অপেক্ষা করিতেছে এক মহাশূন্যতা।‘সায়েন্স’ সাময়িকীর এই বৈশ্বিক গবেষণাটি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এক জ্বলন্ত অগ্নিসংকেত। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের অগ্রবর্তী রণক্ষেত্র। নদীভাঙন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততার আগ্রাসন, উত্তরাঞ্চলের খরা এবং আকস্মিক বন্যা ও তীব্র তাপপ্রবাহ আমাদের নিত্যসঙ্গী। এই ভঙ্গুর পরিস্থিতিতে যদি দেশের উদ্ভিদ ও বনজ সম্পদের ওপর বাড়তি জলবায়ুগত চাপ তৈরি হয়, তবে আমাদের কৃষি উৎপাদন, জীববৈচিত্র্য এবং সামগ্রিক খাদ্যনিরাপত্তা এক অভূতপূর্ব সংকটের মুখে পতিত হইবে। বিশেষ করিয়া, পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের মতো সংবেদনশীল ও অনন্য বাস্তুতন্ত্রের ভবিষ্যৎ লইয়া গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়াছে। সমুদ্রের নোনা পানির উচ্চতা বৃদ্ধি এবং উজান হইতে মিষ্টি পানির প্রবাহ কমিয়া যাওয়ার কারণে সুন্দরবনের সুন্দরীসহ বহু প্রধান বৃক্ষ ইতিমধ্যে আগামরা রোগে আক্রান্ত হইতেছে। যদি এই বনের উদ্ভিদ-বৈচিত্র্য ভাঙিয়া পড়ে, তবে উপকূলীয় অঞ্চলের কোটি কোটি মানুষের প্রাকৃতিক বর্মটি চিরতরে খুলিয়া যাইবে।যদিও আলোচ্য গবেষণায় বলা হইয়াছে যে, পৃথিবীর কোনো কোনো অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে স্থানীয় উদ্ভিদ-বৈচিত্র্য বাড়িতে পারে এবং কিছু নতুন প্রজাতি নতুন পরিবেশে বিস্তার লাভ করিতে পারে। কিন্তু এই আংশিক বা সাময়িক লাভ সামগ্রিক মহাপতনের ক্ষতিপূরণ করিতে পারিবে না। কারণ, নতুন উদ্ভিদসমাজের আকস্মিক উত্থান মানেই প্রকৃতির চিরন্তন ও প্রাচীন ভারসাম্যের চাকাটি উপড়িয়া যাওয়া। ইতিহাসে যে সমস্ত প্রজাতি কখনো পাশাপাশি বসবাস করে নাই, পরিবর্তিত জলবায়ুর তাড়নায় তাহারা যখন একত্রে বাস করিতে শুরু করিবে, তখন তাহাদের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব ও দীর্ঘমেয়াদি বাস্তুতান্ত্রিক প্রভাব কী হইবে—তা আধুনিক বিজ্ঞানেরও সম্পূর্ণ অজানা।সভ্যতার ঊষালগ্ন হইতেই মানুষ প্রযুক্তি আর পেশী শক্তির জোরে বারবার প্রকৃতিকে জয় করিবার দম্ভোক্তি করিয়াছে। পাহাড় কাটিয়া, নদী শাসন করিয়া আর অরণ্য উজাড় করিয়া মানুষ ভাবিয়াছে সে বুঝি বিজয়ী। কিন্তু নির্মম সত্য হইল, মানুষ প্রকৃতির প্রভু নহে, বরং প্রকৃতির এক অতি ক্ষুদ্র ও নির্ভরশীল অংশমাত্র। গাছপালা, অরণ্য আর জীববৈচিত্র্যকে ধ্বংসের মুখে ঠেলিয়া দিয়া মানুষ কোনোদিনই নিজের জন্য একটি নিরাপদ ও আধুনিক ভবিষ্যৎ গড়িয়া তুলিতে পারিবে না। গাছের পৃথিবী সংকুচিত হওয়া মানে প্রকারান্তরে মানুষের নিজেরই নিরাপত্তার পরিধি সংকুচিত হইয়া আসা। অতএব, উদ্ভিদ-বৈচিত্র্য রক্ষা করা কেবল পরিবেশবাদী বা বৃক্ষপ্রেমিকদের কোনো রোমান্টিক আবেগের বিষয় নহে; ইহা এই গ্রহে মানবসভ্যতার টিকে থাকা না-থাকার তথা আমাদের নিজেদেরই অস্তিত্ব রক্ষার এক চরম ও পরম লড়াই। সময় ফুরিয়ে যাওয়ার পূর্বেই যদি আমরা এই সবুজ সুরক্ষাবলয়কে রক্ষা করিতে না পারি, তবে প্রকৃতির ইতিহাস হইতে মানুষ নামক অহংকারী চরিত্রটির বিদায় হইবে কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।
ওসমান গনি