বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
The Dhaka News Bangla

কুমিল্লার দুই আসনের দায়ীত্ব পেলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস‍্য চাঁদপুরের রাশেদা বেগম হীরা

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস‍্য রাশেদা বেগম হীরা কুমিল্লা-৪ দেবীদ্বার আসনের  সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দক্ষিনাঞ্চলের মূখ‍্য সংগঠক মো. আবুল হাসনাত (হাসনাত আব্দুল্লাহ)’র আসন এবং কুমিল্লা-১১ চৌদ্দগ্রাম আসনের সংসদ সদস‍্য এ জামায়েত ইসলামীর নায়েবে আমির ডাঃ সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এর আসনে দায়ীত্ব পেয়েছেন। বুধবার (১০ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দল কুমিল্লা উত্তর জেলার সভাপতি সুফিয়া বেগম। তিনি আরো জানান, সংরক্ষিত নারী আসনে কুমিল্লা জেলার ১১টি আসনে ৩০ জন সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন পেতে ফরম টানলেও ইন্টারভিউ বোর্ডে ২৯ জন অংশ নিলেও আমি (সুফিয়া বেগম) সহ কেহই মনোনয়ন পাননি।এর আগে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক রাশেদা বেগম হীরা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ  নির্বাচনে তৃতীয়বারের মতো চাঁদপুরের সংরক্ষিত নারী  আসনের সংসদ সদস্য পদে মনোনীত হয়েছেন।গত ২০ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ৩৬ জন প্রার্থীর চূড়ান্ত তালিকা ঘোষণা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ঘোষিত তালিকায় আবারও ঠাঁই পেয়েছেন দুইবারের সাবেক মহিলা সাংসদ বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক রাশেদা বেগম হীরা।এমপি রাশেদা বেগম হীরার পৈতৃক বাড়ি চাঁদপুর জেলায় সদর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের আলগী গ্রামে। তার স্বামী মরহুম মো. রফিকুল ইসলাম মজুমদার চট্টগ্রাম বিভাগীয় খাদ্য কর্মকর্তা ছিলেন। তার পিতার নাম অলিউল্লাহ।রাশেদা বেগম হীরা বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক। এছাড়া দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, কেন্দ্রীয় মহিলা দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দল চাঁদপুর জেলা শাখার সভানেত্রী ছিলেন। তিনি দির্ঘ কারা নির্যাতিত নেত্রী ছিলেন।তিনি ১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ও ১৯৯০ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন ১৯৭৯ সাল থেকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সামসুন্নাহার হলের ভি.পি. ও জি.এস. পদে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ছাত্রনেত্রী হিসেবে তিনি ১৯৮১ সালে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সাথে রাষ্ট্রীয় সফরে নেপাল ভ্রমণ করেন এবং টেলেন্ট স্টুডেন্ট হিসেবে তিনি হিজবুল বাহার সফর ও বঙ্গভবনে আমন্ত্রিত হন। ১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় যেমন অল্ফাম, সেভ-দি-চিলড্রেন, ভিএসওতে জেন্ডার বিশেষজ্ঞ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন, পাশাপাশি রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন।১৯৯০ সালে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনসহ এ যাবৎ দলের সকল রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তিনি একজন লড়াকু সৈনিক। তিনি (২০০১ সালের) ৮ম ও (২০০৮ সালের) ৯ম জাতীয় সংসদে তিনি দলের মনোনয়নে সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন।
৪ ঘন্টা আগে

২৮ ঘন্টা পর মেঘনায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

নোয়াখালীর হাতিয়ায় বাবার জন্য খাবার পৌঁছে দিতে গিয়ে মেঘনা নদীতে নিখোঁজ হওয়া ছয় বছর বয়সী শিশু তামিমের মরদেহ ২৮ ঘণ্টা পর উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।  বুধবার (১০ জুন) বিকেল পৌনে ৬টার দিকে উপজেলার তমরদ্দি ইউনিয়নের চর আতাউরের দক্ষিণে মেঘনা নদী থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে, মঙ্গলবার দুপুর প্রায় পৌনে ২টার দিকে উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম চরচেঙ্গা গ্রামের পাশের মেঘনা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত তামিম ওই গ্রামের জেলে শাহাদাত হোসেনের ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবারও মাছ ধরতে মেঘনা নদীতে যান শাহাদাত হোসেন। দুপুরে বাবার জন্য খাবার নিয়ে নদীর তীরে যায় তামিম। খাবার খাওয়ার পর শাহাদাত নদীর পাড়ে উঠে চা পান করছিলেন। এ সময় তামিম তার সমবয়সী এক চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে নদীর তীরে খেলাধুলা করছিল। একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত সে নদীতে পড়ে যায়। বিষয়টি দেখে সঙ্গে থাকা চাচাতো ভাই দৌড়ে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়। পরে স্বজনরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজি করেও শিশুটির কোনো সন্ধান পাননি।এরপর বুধবার সকাল থেকে ভোলা থেকে আসা ডুবুরি দল মেঘনা নদীর বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালায়। একপর্যায়ে বিকেল পৌনে ৬টার দিকে উপজেলার তমরদ্দি ইউনিয়নের চর আতাউরের দক্ষিণে মেঘনা নদী থেকে কোস্টগার্ড তামিমের মরদেহ উদ্ধার করে।হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল ইকবাল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হাতিয়ায় ফায়ার সার্ভিস ও কোস্ট গার্ডের নিজস্ব কোনো ডুবুরি দল না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে পানির নিচে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। তবে বুধবার বিকেলে কোস্টগার্ড শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
৫ ঘন্টা আগে

সালমান শাহর দেহাবশেষ কবর থেকে উত্তোলনে অনুমতি দিল আদালত

জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তার দেহবাশেষ কবর থেকে তৃতীয়বার উত্তোলনের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি দেহবাশেষ উত্তোলনের পর সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত এবং পুনরায় ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার অনুমতি দিয়েছেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা গত ২৪ মে এ আদেশ দেন। এর আগে গত ২০ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদ এ আবেদন করেন।প্রসঙ্গত, সালমান শাহ ঢাকার ইস্কাটনে তার ফ্ল্যাটে ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান। তার মৃত্যুর পর পিতা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী প্রথমে একটি অপমৃত্যু মামলা করেন। কিন্তু পরে ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে, এমন অভিযোগে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই অভিযোগটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তর করার আবেদন জানান তিনি। এরপর একাধিক তদন্তে হত্যার অভিযোগটি নাকচ করা হয়। বরং বলা হয়, তিনি আত্মহত্যা করেন। তবে সালমান শাহর পরিবার বারবার তাতে আপত্তি তুলেন।/টিডিএন
৫ ঘন্টা আগে
ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক

ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ধারা ৪৯(১)(ঘ)(আ) অনুযায়ী প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. আশ্রাফুল আলমকে ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্যাংকটির সার্বিক কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ, ব্যাংকের স্বার্থ সংরক্ষণ, আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং বৃহত্তর জনস্বার্থ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।পর্যবেক্ষক হিসেবে মো. আশ্রাফুল আলম ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভাসহ বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবেন। পাশাপাশি তিনি ব্যাংকের কার্যক্রম সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংককে প্রয়োজনীয় তথ্য ও পর্যবেক্ষণ প্রদান করবেন।বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, দেশের ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগের এ পদক্ষেপ ব্যাংকটির কার্যক্রমে আস্থা, স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা আরও সুদৃঢ় করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৩ ঘন্টা আগে
সারাদেশ

সারাদেশ

জাতীয়

জাতীয়

ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক

ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ধারা ৪৯(১)(ঘ)(আ) অনুযায়ী প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. আশ্রাফুল আলমকে ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্যাংকটির সার্বিক কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ, ব্যাংকের স্বার্থ সংরক্ষণ, আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং বৃহত্তর জনস্বার্থ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।পর্যবেক্ষক হিসেবে মো. আশ্রাফুল আলম ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভাসহ বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবেন। পাশাপাশি তিনি ব্যাংকের কার্যক্রম সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংককে প্রয়োজনীয় তথ্য ও পর্যবেক্ষণ প্রদান করবেন।বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, দেশের ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগের এ পদক্ষেপ ব্যাংকটির কার্যক্রমে আস্থা, স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা আরও সুদৃঢ় করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৩ ঘন্টা আগে
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের সময়সূচি

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের সময়সূচি

আগামীকাল অর্থাৎ (১১ জুন, ২০২৬) থেকে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবল। তিন দেশের ১৬টি শহরে অনুষ্ঠিত হবে এবারের বিশ্বকাপ ফুটবল আসর।বৃহস্পতিবার মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম স্বাগতিক মেক্সিকোর ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে ২০২৬ বিশ্বকাপ আসর। এক মাসেরও অধিক সময়ব্যপী অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৯ জুলাই নিউ ইয়র্কের নিউজার্সি স্টেডিয়ামে।২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপভিত্তিক সূচী:গ্রুপ-এ: মেক্সিকো, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র১১ জুন- মেক্সিকো বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা, মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়াম (রাত ১টা)১২ জুন- দক্ষিণ কোরিয়া বনাম চেক প্রজাতন্ত্র, গুয়াদালাজারা (সকাল ৮টা)১৮ জুন- চেক প্রজাতন্ত্র বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা, আটালান্টা (রাত ১০টা)১৯ জুন- মেক্সিকো বনাম দক্ষিণ কোরিয়া, গুয়াদালাজারা (সকাল ৭টা)২৪ জুন- চেক প্রজাতন্ত্র বনাম মেক্সিকো- মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়াম (সকাল ৭টা)২৫ জুন- দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম দক্ষিণ কোরিয়া, মন্টেরে (সকাল ৭টা)গ্রুপ-বি : কানাডা, কাতার, সুইজারল্যান্ড ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা১২ জুন- কানাডা বনাম বসনিয়া-হার্জেগোভিনা, টরোন্টো (রাত ১টা)১৪ জুন- কাতার বনাম সুইজারল্যান্ড, সান ফ্রান্সিসকো (ভোর ৪টা)১৮ জুন- বসনিয়া-হার্জেগোভিনা বনাম সুইজারল্যান্ড, লস এ্যাঞ্জেলস (রাত ১টা)১৯ জুন- কানাডা বনাম কাতার- ভ্যাঙ্কুভার (ভোর ৪টা)২৪ জুন- কানাডা বনাম সুইজারল্যান্ড- ভ্যাঙ্কুভার (রাত ১টা)২৪ জুন- বসনিয়া-হার্জেগোভিনা বনাম কাতার, সিয়াটল (রাত ১টা)গ্রুপ-সি : ব্রাজিল, মরক্কো, হাইতি, স্কটল্যান্ড১৪ জুন- ব্রাজিল বনাম মরক্কো, নিউইয়র্ক নিউজার্সি স্টেডিয়াম (ভোর ৪টা)১৪ জুন- হাইতি বনাম স্কটল্যান্ড, বোস্টন (সকাল ৭টা)২০ জুন- ব্রাজিল বনাম হাইতি, বোস্টন (ভোর ৪টা)২০ জুন- স্কটল্যান্ড বনাম মরক্কো, ফিলাডেলফিয়া (সকাল ৭টা)২৫ জুন- স্কটল্যান্ড বনাম ব্রাজিল, মায়ামি (ভোর ৪টা)২৫ জুন- মরক্কো বনাম হাইতি, আটালান্টা (ভোর ৪টা)গ্রুপ-ডি : যুক্তরাষ্ট্র, প্যারাগুয়ে, অস্ট্রেলিয়া, তুরস্ক১৩ জুন- যুক্তরাষ্ট্র বনাম প্যারাগুয়ে, লস এ্যাঞ্জেলস (সকাল ৭টা)১৩ জুন- অস্ট্রেলিয়া বনাম তুরষ্ক, ভ্যাঙ্কুভার (সকাল ১০টা)১৯ জুন- তুরষ্ক বনাম প্যারাগুয়ে, সান ফ্রান্সিসকো (সকাল ১০টা)১৯ জুন- যুক্তরাষ্ট্র বনাম অস্ট্রেলিয়া, সিয়াটল (রাত ১টা)২৬ জুন- তুরষ্ক বনাম যুক্তরাষ্ট্র, লস এ্যাঞ্জেলস (সকাল ৮টা)২৬ জুন- প্যারাগুয়ে বনাম অস্ট্রেলিয়া, সান ফ্রান্সিসকো (সকাল ৮টা)গ্রুপ-ই : জার্মানি, কুরাসাও, আইভরি কোস্ট, ইকুয়েডর১৪ জুন- জার্মানি বনাম কুরাসাও, হিউস্টোন (রাত ১১টা)১৫ জুন- আইভরি কোস্ট বনাম ইকুয়েডর, ফিলাডেলফিয়া (ভোর ৫টা)২০ জুন- জার্মানি বনাম আইভরি কোস্ট, টরোন্টো (রাত ২টা)২১ জুন- ইকুয়েডর বনাম কুরাসাও, কানসাস সিটি (ভোর ৬টা)২৫ জুন- ইকুয়েডর বনাম জার্মানি, নিউইয়র্ক নিউজার্সি (রাত ২টা)২৫ জুন- কুরাসাও বনাম আইভরি কোস্ট, ফিলাডেলফিয়া (দিবাগত রাত ২টা)গ্রুপ-এফ: নেদারল্যান্ডস, জাপান, তিউনিসিয়া ও সুইডেন১৪ জুন- নেদারল্যান্ডস বনাম জাপান, ডালাস (রাত ২টা)১৫ জুন- সুইডেন বনাম তিউনিসিয়া, মন্টেরে (সকাল ৮টা)২০ জুন- নেদারল্যান্ডস বনাম সুইডেন, হিউস্টোন (রাত ১১টা)২০ জুন- তিউনিসিয়া বনাম জাপান, মন্টেরে (রাত ১০টা)২৬ জুন- তিউনিসিয়া বনাম নেদারল্যান্ডস, ডালাস (ভোর ৫টা)২৬ জুন- জাপান বনাম সুইডেন, কানসাস সিটি (ভোর ৫টা)গ্রুপ-জি: বেলজিয়াম, মিশর, ইরান, নিউজিল্যান্ড১৫ জুন- বেলজিয়াম বনাম মিশর, সিয়াটল (রাত ১টা)১৬ জুন- ইরান বনাম নিউজিল্যান্ড, লস অ্যাঞ্জেলস (সকাল ৭টা)২১ জুন- বেলজিয়াম বনাম ইরান, লস অ্যাঞ্জেলস (রাত ১টা)২২ জুন- নিউজিল্যান্ড বনাম মিশর, ভ্যাঙ্কুভার (সকাল ৭টা)২৭ জুন- নিউজিল্যান্ড বনাম বেলজিয়াম, ভ্যাঙ্কুভার (সকাল ৯টা)২৭ জুন- মিশর বনাম ইরান, সিয়াটল (সকাল ৯টা)গ্রুপ-এইচ: স্পেন, কেপ ভার্দে, সৌদি আরব, উরুগুয়ে১৫ জুন- স্পেন বনাম কেপ ভার্দে, আটালান্টা (রাত ১০টা)১৬ জুন- সৌদি আরব বনাম উরুগুয়ে, মায়ামি (ভোর ৪টা)২১ জুন- স্পেন বনাম সৌদি আরব, আটালান্টা (রাত ১০টা)২২ জুন- উরুগুয়ে বনাম কেপ ভার্দে, মায়ামি (ভোর ৪টা)২৭ জুন- উরুগুয়ে বনাম স্পেন, হিউস্টোন (ভোর ৬টা)২৭ জুন- কেপ ভার্দে বনাম সৌদি আরব, গুয়াদালাজারা (ভোর ৬টা)গ্রুপ-আই: ফ্রান্স, সেনেগাল, ইরাক, নরওয়ে১৬ জুন- ফ্রান্স বনাম সেনেগাল- নিউইয়র্ক নিউজার্সি (রাত ১টা)১৭ জুন- ইরাক বনাম নরওয়ে, বোস্টন (ভোর ৪টা)২২ জুন- ফ্রান্স বনাম ইরাক, ফিলাডেলফিয়া (রাত ৩টা)২৩ জুন- নরওয়ে বনাম সেনেগাল, নিউইয়র্ক নিউজার্সি (ভোর ৬টা)২৬ জুন- নরওয়ে বনাম ফ্রান্স, বোস্টন (রাত ১টা)২৬ জুন- সেনেগাল বনাম ইরাক, টরোন্টো (রাত ১টা)গ্রুপ-জে: আর্জেন্টিনা, আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া ও জর্ডান১৬ জুন- অস্ট্রিয়া বনাম জর্ডান, সানফ্রান্সিসকো বে এরিয়া (সকাল ১০টা)১৭ জুন- আর্জেন্টিনা বনাম আলজেরিয়া, কানসাস সিটি (সকাল ৭টা)২২ জুন- আর্জেন্টিনা বনাম অস্ট্রিয়া, ডালাস (রাত ১১টা)২৩ জুন- জর্ডান বনাম আলজেরিয়া, সানফ্রান্সিসকো বে এরিয়া (সকাল ৯টা)২৮ জুন- জর্ডান বনাম আর্জেন্টিনা, ডালাস (সকাল ৮টা)২৮ জুন- আলজেরিয়া বনাম অস্ট্রিয়া, কানসাস সিটি (সকাল ৮টা)গ্রুপ-কে: পর্তুগাল, ডিআর কঙ্গো, উজবেকিস্তান, কলম্বিয়া১৭ জুন- পর্তুগাল বনাম ডিআর কঙ্গো, হিউস্টোন (রাত ১১টা)১৮ জুন- উজবেকিস্তান বনাম কলম্বিয়া, মেক্সিকো সিটি (সকাল ৮টা)২৩ জুন- পর্তুগাল বনাম উজবেকিস্তান- হিউস্টোন (রাত ১১টা)২৪ জুন- কলম্বিয়া বনাম ডিআর কঙ্গো, গুয়াদালাজারা (সকাল ৮টা)২৮ জুন- কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল, মায়ামি (ভোর সাড়ে ৫টা)২৮ জুন- ডিআর কঙ্গো বনাম উজবেকিস্তান, আটলান্টা (ভোর সাড়ে ৫টা)গ্রুপ-এল: ইংল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া, ঘানা, পানামা১৭ জুন- ইংল্যান্ড বনাম ক্রোয়েশিয়া- ডালাস (রাত ২টা)১৮ জুন- ঘানা বনাম পানামা, টরোন্টো (ভোর ৫টা)২৩ জুন- ইংল্যান্ড বনাম ঘানা, বোস্টন (রাত ২টা)২৪ জুন- পানামা বনাম ক্রোয়েশিয়া, টরোন্টো (ভোর ৫টা)২৭ জুন- পানামা বনাম ইংল্যান্ড, নিউইয়র্ক নিউজার্সি (রাত ৩টা)২৭ জুন- ক্রোয়েশিয়া বনাম ঘানা- ফিলাডেলফিয়া (রাত ৩টা)শেষ ৩২ (দ্বিতীয় রাউন্ড)২৮ জুন- ম্যাচ ৭৩ - এ২ বনাম বি২, লস অ্যাঞ্জেলস (রাত ৩টা)২৯ জুন- ম্যাচ ৭৬ - সি১ বনাম এফ২, হিউস্টোন (রাত ১১টা)২৯ জুন- ম্যাচ ৭৪ - ই১ বনাম এ/বি/সি/ডি/এফ-৩, বোস্টন (রাত ২.৩০ মি.)৩০ জুন- ম্যাচ ৭৫ - এফ১ বনাম সি২, মন্টেরে (সকাল ৭টা)৩০ জুন- ম্যাচ ৭৮ - ই২ বনাম আই২, ডালাস (রাত ১১টা)৩০ জুন- ম্যাচ ৭৭ - আই১ বনাম সি/ডি/এফ/জি/এইচ-৩, নিউইয়র্ক-নিউজার্সি (রাত ৩টা)১ জুলাই- ম্যাচ ৭৯ - এ১ বনাম সি/ই/এফ/এইচ/আই-৩, মেক্সিকো সিটি (সকাল ৭টা)১ জুলাই- ম্যাচ ৮০ - এল১ বনাম ই/এফ/এইচ/আই/জে/কে-৩, আটালান্টা (রাত ১০টা)১ জুলাই- ম্যাচ ৮২ - জি১ বনাম এ/ই/এইচ/আই/জে-৩, সিয়াটল (রাত ২টা)২ জুলাই- ম্যাচ ৮১ - ডি১ বনাম বি/ই/এফ/আই/জে-৩, সান ফ্রান্সিসকো (সকাল ৬টা)২ জুলাই - ম্যাচ ৮৪ - এইচ১ বনাম জে২, লস অ্যাঞ্জেলেস (রাত ১টা)৩ জুলাই- ম্যাচ ৮৩ - কে২ বনাম এল২, টরন্টো (ভোর ৫টা)৩ জুলাই- ম্যাচ ৮৫ - বি১ বনাম ই/এফ/জি/আই/জে-৩, ভ্যাঙ্কুভার (সকাল ৯টা)৩ জুলাই- ম্যাচ ৮৮ - ডি২ বনাম জি২, ডালাস (রাত ১২টা)৪ জুলাই- ম্যাচ ৮৬ - জে১ বনাম এইচ২, মায়ামি (ভোর ৪টা)৪ জুলাই- ম্যাচ ৮৭ - কে১ বনাম ডি/ই/আই/জে/এল-৩, কানসাস সিটি (সকাল ৭.৩০ মি.)শেষ ১৬ (তৃতীয় রাউন্ড):৪ জুলাই- ম্যাচ ৯০ - ৭৩ ম্যাচ জয়ী বনাম ৭৫ ম্যাচ জয়ী, হিউস্টোন (রাত ১১টা)৪ জুলাই- ম্যাচ ৮৯ - ৭৮ ম্যাচ জয়ী বনাম ৭৭ ম্যাচ জয়ী, ফিলাডেলফিয়া (রাত ৩টা)৫ জুলাই- ম্যাচ ৯১ - ৭৬ ম্যাচ জয়ী বনাম ৭৮ ম্যাচ জয়ী, নিউইয়র্ক-নিউজার্সি (রাত ২টা)৬ জুলাই- ম্যাচ ৯২ - ৭৯ ম্যাচ জয়ী বনাম ৮০ ম্যাচ জয়ী, মেক্সিকো সিটি (সকাল ৬টা)৬ জুলাই- ম্যাচ ৯৩ - ৮৩ ম্যাচ জয়ী বনাম ৮৪ ম্যাচ জয়ী, ডালাস (রাত ১টা)৭ জুলাই- ম্যাচ ৯৪ - ৮১ ম্যাচ জয়ী বনাম ৮২ ম্যাচ জয়ী, সিয়াটল (সকাল ৬টা)৭ জুলাই- ম্যাচ ৯৫ - ৮৬ ম্যাচ জয়ী বনাম ৮৮ ম্যাচ জয়ী, আটলান্টা (রাত ১০টা)৭ জুলাই- ম্যাচ ৯৬ - ৮৫ ম্যাচ জয়ী বনাম ৮৭ ম্যাচ জয়ী, ভ্যাঙ্কুভার (রাত ২টা)কোয়ার্টার ফাইনাল:৯ জুলাই- ম্যাচ ৯৭ - ৮৯ ম্যাচ জয়ী বনাম ৯০ ম্যাচ জয়ী, বোস্টন (রাত ২টা)১০ জুলাই- ম্যাচ ৯৮ - ৯৩ ম্যাচ জয়ী বনাম ৯৪ ম্যাচ জয়ী, লস অ্যাঞ্জেলস (রাত ১১টা)১১ জুলাই- ম্যাচ ৯৯ - ৯১ ম্যাচ জয়ী বনাম ৯২ ম্যাচ জয়ী, মায়ামি (রাত ৩টা)১২ জুলাই- ম্যাচ ১০০ - ৯৫ ম্যাচ জয়ী বনাম ৯৬ ম্যাচ জয়ী, কানসাস (সকাল ৭টা)সেমিফাইনাল:১৪ জুলাই- ম্যাচ ১০১ - ৯৭ ম্যাচ জয়ী বনাম ৯৮ ম্যাচ জয়ী, ডালাস (রাত ১টা)১৫ জুলাই- ম্যাচ ১০২ - ৯৯ ম্যাচ জয়ী বনাম ১০০ ম্যাচ জয়ী, আটালান্টা (রাত ১টা)তৃতীয় স্থান নির্ধারণী:১৮ জুলাই- তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, মায়ামি (রাত ৩টা)ফাইনাল:১৯ জুলাই- ফাইনাল- নিউইয়র্ক-নিউজার্সি (রাত ১টা)
১৪ ঘন্টা আগে
আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক

ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৭ জন

ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৭ জন

ফিলিপাইনে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭ জনে।এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও প্রায় দেড় শতাধিক মানুষ। দেশটির সকসারজেন অঞ্চলেই ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৩১ জনের মরদেহ।এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অনেক। দেশটির সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এছাড়া প্রায় ১০ হাজারেরও বেশি বাসিন্দা তাদের বসতবাড়ি হারিয়েছে।গতকাল সোমবার (৮ ,জুন ২০২৬) স্থানীয় সময় সকালে দক্ষিণ ফিলিপাইনের মিনদানাও দ্বীপে ব্যাপক আঘাত হানে ভূমিকম্পটি। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র সাড়ে ৬ মাইল গভীরে। ভূমিকম্পের পর আশপাশের অঞ্চলে এক থেকে ছয় মাত্রার প্রায় ১৪০টি আফটারশক অনুভূত হয়।এ ঘটনার পর ফিলিপাইনসহ এশিয়ার কয়েকটি দেশে সাময়িকভাবে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। ফিলিপাইনের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ মিনদানাওতে আনুমানিক আড়াই কোটি মানুষের বসবাস।
০৯ জুন ২০২৬
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

আবহাওয়া

আবহাওয়া

রাতেই ঢাকাসহ ১৮ জেলায় ৬০ কি.মি. বেগে ঝড়ের শঙ্কা

রাতেই ঢাকাসহ ১৮ জেলায় ৬০ কি.মি. বেগে ঝড়ের শঙ্কা

দেশজুড়ে বিচ্ছিন্ন বৃষ্টিপাতের ফলে গরমের হাঁসফাঁস অবস্থা কিছুটা কমলেও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা এখনও রয়েছে ৩৬ ডিগ্রির ঘরে। এরই মধ্যে রবিবার (৭ জুন, ২০২৬ ) অর্থাৎ আজ রাতের মধ্যেই দেশের ১৮ জেলায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা বলেন, রবিবার রাত ১টার মধ্যে ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেটের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
১৯ মে ২০২৬
রাতেই ১২ অঞ্চলে দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা

রাতেই ১২ অঞ্চলে দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা

১৯ মে ২০২৬
ক্রিকেট

ক্রিকেট

২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

ব্যাটার-বোলারদের দুর্দান্ত পারফরমেন্সে দীর্ঘ ২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে ক্রিকেটে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে আজ বৃষ্টি আইনে বাংলাদেশ ৮৬ রানে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে। ২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম হারের লজ্জা দিয়েছিল টাইগাররা। ঐ ম্যাচ ৫ উইকেটে জয়ের পর অসিদের বিপক্ষে ওয়ানডেতে আর কখনও জিততে পারেনি বাংলাদেশ। এখন পর্যন্ত টেস্টে একবার ও টি-টোয়েন্টিতে চারবার অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে টাইগাররা। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ১০ রানের জুটি গড়ে বিচ্ছিন্ন হন দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান। অস্ট্রেলিয়া পেসার নাথান এলিসের শিকার হয়ে ৫ রানে ফেরেন সাইফ।দ্বিতীয় উইকেটে দারুণ জুটিতে বাংলাদেশের স্কোর শতরানে নেন তানজিদ ও তিন নম্বরে নামা নাজমুল হোসেন শান্ত। জুটিতে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সপ্তম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে থামেন তানজিদ। এলিসের দ্বিতীয় শিকার হবার আগে ৭টি চার ও ১টি ছক্কায় ৪৪ বলে ৫৪ রান করেন তিনি। এ বছর ৭ ওয়ানডে খেলে চতুর্থ অর্ধশতকের দেখা পেলেন তানজিদ।দলীয় ১০৬ রানে তানজিদ ফেরার পর ক্রিজে আসেন লিটন দাস। তার সাথে ১৯ রানের জুটিতে ওয়ানডেতে ১২তম অর্ধশতকের দেখা পান শান্ত। চার নম্বরে নেমে সুবিধা করতে পারেননি লিটন। মাত্র ৭ রানে অস্ট্রেলিয়া স্পিনার ম্যাট রেনশর বলে আউট হন তিনি। হাফ-সেঞ্চুরির পর ইনিংস বড় করার চেষ্টায় ছিলেন শান্ত। কিন্তু বেশি দূর যেতে পারেননি তিনি। রেনশর দ্বিতীয় শিকার হওয়ার আগে ৯টি চার ও ১টি ছক্কায় ৮৬ বলে ৬৭ রানে থামেন শান্ত। দলীয় ১৪০ রানে চতুর্থ উইকেট পতনের পর বাংলাদেশের রানের চাকা ঘুরিয়েছেন তাওহিদ হৃদয় ও সাড়ে তিন বছর পর ওয়ানডে খেলতে নামা মোসাদ্দেক। ৯০ বলে ৭৫ রানের জুটি গড়ে বিচ্ছিন্ন হন তারা। ৫১ বলে ৩১ রানে বিদায় নেন হৃদয়। তবে অন্য প্রান্তে ৪৯ বলে ওয়ানডে চতুর্থ হাফ-সেঞ্চুরির দেখা পান ব্যক্তিগত ২২ রানে ক্যাচ দিয়ে জীবন পাওয়া মোসাদ্দেক। মোসাদ্দেকের হাফ-সেঞ্চুরির পর অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ ৩ ও তানভীর ইসলাম ৫ রানে আউট হলে ৪৫তম ওভারে ২৩৯ রানে সপ্তম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর অষ্টম উইকেটে তাসকিন আহমেদকে নিয়ে ৩৩ বলে ৪৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে বাংলাদেশকে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৮৪ রানের সংগ্রহ এনে দেন মোসাদ্দেক।৭টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৭০ বলে অপরাজিত ৮৬ রান করেন ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলা মোসাদ্দেক। ২ চার ও ১ ছক্কায় ১৬ বলে ২০ রানে আউট হন তাসকিন। অস্ট্রেলিয়ার এলিস ৩টি, লিয়াম স্কট ও রেনশ ২টি করে উইকেট নেন। জবাব দিতে নেমে ইনিংসের প্রথম ডেলিভারিতেই উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশ পেসার তাসকিন আহমেদের বলে বোল্ড হন ম্যাথু শর্ট। পরের ওভারে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। মার্নাস লাবুশেনকে ১ রানে থামিয়ে দেন ফিজ।তৃতীয় উইকেটে ৪৯ রানের জুটিতে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন কুপার কনোলি ও অধিনায়ক জশ ইংলিশ। ১১তম ওভারে ইংলিশকে ব্যক্তিগত ১৯ রানে থামিয়ে জুটি ভাঙেন বাংলাদেশ পেসার নাহিদ রানা। ৫১ রানে তৃতীয় উইকেট পতনের পর জুটি গড়ার চেষ্টা করেছিলেন কনোলি ও অ্যালেক্স ক্যারি। ৪০ রান যোগ করে বিচ্ছিন্ন হন তারা। ৩৫ রান করা কনোলিকে বোল্ড করেন স্পিনার মোসাদ্দেক। কনোলি ফেরার পর পেসার নাহিদ রানার তোপ ও মোসাদ্দেকের ঘূর্ণিতে ১৫৬ রানে নবম উইকেট হারিয়ে বড় হারের লজ্জার মুখে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। তবে নবম উইকেটে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন ক্যামেরুন গ্রিন ও এডাম জাম্পা। জুটি ৩৪ বলে ৩৫ রান তোলার পর বজ্র ও বৃষ্টিতে বন্ধ হয় খেলা। এ সময় অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ছিল ৪২ দশমিক ২ ওভারে ৯ উইকেট ১৯১ রান। পরবর্তীতে বৃষ্টি না থামলে এক ঘণ্টা পর বৃষ্টি আইনে ৮৬ রানে জয় পায় বাংলাদেশ। ব্যাট হাতে অনবদ্য ৮৬ রান ও বল হাতে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হন মোসাদ্দেক।আগামী ১১ জুন মিরপুরে দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলতে নামবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া। 
০৯ জুন ২০২৬
সারাদেশ

সারাদেশ

কুমিল্লার দুই আসনের দায়ীত্ব পেলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস‍্য চাঁদপুরের রাশেদা বেগম হীরা

কুমিল্লার দুই আসনের দায়ীত্ব পেলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস‍্য চাঁদপুরের রাশেদা বেগম হীরা

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস‍্য রাশেদা বেগম হীরা কুমিল্লা-৪ দেবীদ্বার আসনের  সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দক্ষিনাঞ্চলের মূখ‍্য সংগঠক মো. আবুল হাসনাত (হাসনাত আব্দুল্লাহ)’র আসন এবং কুমিল্লা-১১ চৌদ্দগ্রাম আসনের সংসদ সদস‍্য এ জামায়েত ইসলামীর নায়েবে আমির ডাঃ সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এর আসনে দায়ীত্ব পেয়েছেন। বুধবার (১০ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দল কুমিল্লা উত্তর জেলার সভাপতি সুফিয়া বেগম। তিনি আরো জানান, সংরক্ষিত নারী আসনে কুমিল্লা জেলার ১১টি আসনে ৩০ জন সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন পেতে ফরম টানলেও ইন্টারভিউ বোর্ডে ২৯ জন অংশ নিলেও আমি (সুফিয়া বেগম) সহ কেহই মনোনয়ন পাননি।এর আগে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক রাশেদা বেগম হীরা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ  নির্বাচনে তৃতীয়বারের মতো চাঁদপুরের সংরক্ষিত নারী  আসনের সংসদ সদস্য পদে মনোনীত হয়েছেন।গত ২০ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ৩৬ জন প্রার্থীর চূড়ান্ত তালিকা ঘোষণা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ঘোষিত তালিকায় আবারও ঠাঁই পেয়েছেন দুইবারের সাবেক মহিলা সাংসদ বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক রাশেদা বেগম হীরা।এমপি রাশেদা বেগম হীরার পৈতৃক বাড়ি চাঁদপুর জেলায় সদর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের আলগী গ্রামে। তার স্বামী মরহুম মো. রফিকুল ইসলাম মজুমদার চট্টগ্রাম বিভাগীয় খাদ্য কর্মকর্তা ছিলেন। তার পিতার নাম অলিউল্লাহ।রাশেদা বেগম হীরা বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক। এছাড়া দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, কেন্দ্রীয় মহিলা দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দল চাঁদপুর জেলা শাখার সভানেত্রী ছিলেন। তিনি দির্ঘ কারা নির্যাতিত নেত্রী ছিলেন।তিনি ১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ও ১৯৯০ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন ১৯৭৯ সাল থেকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সামসুন্নাহার হলের ভি.পি. ও জি.এস. পদে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ছাত্রনেত্রী হিসেবে তিনি ১৯৮১ সালে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সাথে রাষ্ট্রীয় সফরে নেপাল ভ্রমণ করেন এবং টেলেন্ট স্টুডেন্ট হিসেবে তিনি হিজবুল বাহার সফর ও বঙ্গভবনে আমন্ত্রিত হন। ১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় যেমন অল্ফাম, সেভ-দি-চিলড্রেন, ভিএসওতে জেন্ডার বিশেষজ্ঞ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন, পাশাপাশি রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন।১৯৯০ সালে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনসহ এ যাবৎ দলের সকল রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তিনি একজন লড়াকু সৈনিক। তিনি (২০০১ সালের) ৮ম ও (২০০৮ সালের) ৯ম জাতীয় সংসদে তিনি দলের মনোনয়নে সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন।
১৯ মে ২০২৬
মতামত

মতামত

সভ্যতার শেষ নোঙর: উদ্ভিদের বিপন্নতা ও মানুষের অস্তিত্বের ভবিষ্যৎ

সভ্যতার শেষ নোঙর: উদ্ভিদের বিপন্নতা ও মানুষের অস্তিত্বের ভবিষ্যৎ

মহাবিশ্বের বিশালতায় পৃথিবী নামক এই নীল গ্রহে মানুষের আগমন কোটি কোটি বছরের বিবর্তন ইতিহাসের এক সাম্প্রতিক ঘটনা মাত্র। অথচ মানুষ প্রায়শই নিজেকে এই নাট্যমঞ্চের একমাত্র কেন্দ্রীয় চরিত্র বা মহাপ্রধান ভাবিতে পছন্দ করে। রাষ্ট্রনীতি, অর্থনীতি, আকাশচুম্বী প্রযুক্তি আর সভ্যতার চাকচিক্য, সবকিছুর কেন্দ্রে মানুষ নিজেকেই স্থাপন করিয়াছে। কিন্তু প্রকৃতির আদিম এবং নৈর্ব্যক্তিক দৃষ্টিতে এই অহংকার কেবলই এক মরীচিকা। মানুষের বহু পূর্বে এই ধরণী ছিল অরণ্যের, শৈবালের, ঘাসের আর লতাগুল্মের। আজ মানুষ তাহার যাপিত জীবনে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, জীবনদায়ী ওষুধ, অক্সিজেন, এমনকি ভারী শিল্পোন্নয়নের যে বিপুল কাঁচামাল ভোগ করিতেছে, তাহার প্রতিটির উৎস প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই উদ্ভিদজগৎ। ফলে, সেই আদিম সবুজ যদি সংকুচিত হইতে থাকে, তবে মানুষের তৈরি এই জাঁকজমকপূর্ণ সভ্যতার ভিত্তি কাচের প্রাসাদের মতোই চূর্ণবিচূর্ণ হইতে বাধ্য।সম্প্রতি বিশ্ববিশ্রুত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘সায়েন্স’-এ প্রকাশিত একটি গবেষণা বিশ্ববাসীর আত্মতৃপ্তির দেয়ালে এক তীব্র চপেটাঘাত করিয়াছে। গবেষকগণ প্রায় ৬৭ হাজারেরও অধিক উদ্ভিদ প্রজাতির ভবিষ্যৎ গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করিয়া এক ভয়ানক চিত্র তুলিয়া ধরিয়াছেন। তাঁহাদের पूर्वानुमान অনুযায়ী, চলতি শতাব্দীর শেষ নাগাদ পৃথিবীর ৭ হইতে ১৬ শতাংশ উদ্ভিদ প্রজাতি তাহাদের বর্তমান চারণভূমি বা আবাসস্থলের ৯০ শতাংশেরও বেশি হারাইতে পারে। সহজ কথায়, বিপুলসংখ্যক উদ্ভিদ প্রজাতি চিরতরে বিলুপ্তির অতল গহ্বরে তলাইয়া যাইবার চরম ঝুঁকিতে রহিয়াছে। এই সতর্কবার্তা কেবল কিছু গাছের হারিয়ে যাওয়ার সংবাদ নহে, ইহা মূলত মানবজাতির আত্মহননের এক বৈজ্ঞানিক দলিল।আমরা প্রায়শই জলবায়ু পরিবর্তন বলিলে কেবল বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা গরম বাড়িয়া যাওয়াকেই বুঝি। কিন্তু প্রকৃতার্থে জলবায়ু পরিবর্তন এক জটিল, বহুমাত্রিক ও আপাত-অদৃশ্য বাস্তুতান্ত্রিক বিপর্যয়। ইহা কেবল থার্মোমিটারের পারদ চড়ায় না; বরং বৃষ্টিপাতের ধরন, মাটির রাসায়নিক ও ভৌত গুণাগুণ, বাতাসের আর্দ্রতা, বনের ছায়া এবং দাবদাহ বা অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকিকে আমূল ওলটপালট করিয়া দেয়। একটি উদ্ভিদের অস্তিত্ব কেবল মাটির গভীরে শিকড় চলাইয়া দাঁড়াইয়া থাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ নহে। তাহার বাঁচিয়া থাকা নির্ভর করে আলো, বাতাস, মাটি ও পানির এক অতি সূক্ষ্ম এবং সংবেদনশীল ভারসাম্যময় শর্তের ওপর। আধুনিক জলবায়ু বিপর্যয় সেই প্রাচীন শর্তগুলিকেই ভেঙে চুরমার করিয়া দিতেছে, যার ফলে উদ্ভিদের জন্য এই চেনা পৃথিবী ক্রমেই অচেনা ও সংকুচিত হইয়া পড়িতেছে।মানুষের মতো উদ্ভিদের পা নাই যে জলবায়ুর প্রতিকূলতা দেখিয়া সে দ্রুত স্থান পরিবর্তন করিবে। উদ্ভিদের বংশবিস্তার ও নতুন অঞ্চলে ছড়াইয়া পড়া অত্যন্ত ধীরগতির একটি প্রক্রিয়া। বাতাস, পানি, পাখি, কীটপতঙ্গ কিংবা অভিকর্ষ বলের ওপর নির্ভর করিয়া বীজ ও রেণুর মাধ্যমে তাহারা এক প্রজন্ম হইতে অন্য প্রজন্মে ধাবিত হয়। এই প্রাকৃতিক অভিবাসনে বহু শতাব্দী সময় কাটিয়া যায়। কিন্তু বর্তমান মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের গতি এতই তীব্র ও উন্মত্ত যে, বহু উদ্ভিদ প্রজাতি সেই পরিবর্তনের গতির সহিত প্রতিযোগিতায় টিকিয়া থাকিতে পারিতেছে না। নতুন কোনো নিরাপদ অঞ্চলে বীজ ছড়াইয়া দিবার পূর্বেই, বর্তমান আবাসস্থলের চরম আবহাওয়ায় তাহারা অকালে প্রাণ হারাইতেছে।উদ্ভিদজগতের এই মহাবিপর্যয় কেবল প্রকৃতির বাহ্যিক সৌন্দর্যহানি ঘটাইবে না; ইহা সমগ্র গ্রহের ফুসফুসকে অচল করিয়া দিবে। উদ্ভিদ কেবল প্রকৃতির অলংকার নহে, বরং স্থলভাগের সমস্ত বাস্তুতন্ত্রের প্রাণভোমরা। পৃথিবীর বিশাল বনভূমি ও উদ্ভিদরাজি প্রতিমুহূর্তে বায়ুমণ্ডল হইতে কোটি কোটি টন কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করিয়া পরিবেশকে শীতল রাখিতেছে। তাহারা মাটির ক্ষয় রোধ করে, বন্যপ্রাণীর আশ্রয় জোগায় এবং মেঘের আনাগোনা নিয়ন্ত্রণ করিয়া বৃষ্টিপাত ঘটায়। যখন এই উদ্ভিদের সংখ্যা ও বৈচিত্র্য আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পাইবে, তখন প্রকৃতির স্বাভাবিক কার্বনচক্র সম্পূর্ণ বিকল হইয়া পড়িবে। উদ্ভিদ কার্বন শোষণ করিতে না পারিলে বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ জ্যামিতিক হারে বাড়িবে, যাহা বৈশ্বিক উষ্ণতাকে আরও ত্বরান্বিত করিবে। অর্থাৎ, আমরা এক ভয়ানক এবং মরণঘাতী প্রতিক্রিয়ামূলক চক্রের মুখোমুখি দাঁড়াব, যেখানে জলবায়ু পরিবর্তন উদ্ভিদের বিনাশ ঘটাইবে, আবার উদ্ভিদের বিনাশ জলবায়ু পরিবর্তনকে আরও কয়েক গুণ তীব্র করিয়া তুলিবে। এই চক্রের শেষ প্রান্তে অপেক্ষা করিতেছে এক মহাশূন্যতা।‘সায়েন্স’ সাময়িকীর এই বৈশ্বিক গবেষণাটি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এক জ্বলন্ত অগ্নিসংকেত। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের অগ্রবর্তী রণক্ষেত্র। নদীভাঙন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততার আগ্রাসন, উত্তরাঞ্চলের খরা এবং আকস্মিক বন্যা ও তীব্র তাপপ্রবাহ আমাদের নিত্যসঙ্গী। এই ভঙ্গুর পরিস্থিতিতে যদি দেশের উদ্ভিদ ও বনজ সম্পদের ওপর বাড়তি জলবায়ুগত চাপ তৈরি হয়, তবে আমাদের কৃষি উৎপাদন, জীববৈচিত্র্য এবং সামগ্রিক খাদ্যনিরাপত্তা এক অভূতপূর্ব সংকটের মুখে পতিত হইবে। বিশেষ করিয়া, পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের মতো সংবেদনশীল ও অনন্য বাস্তুতন্ত্রের ভবিষ্যৎ লইয়া গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়াছে। সমুদ্রের নোনা পানির উচ্চতা বৃদ্ধি এবং উজান হইতে মিষ্টি পানির প্রবাহ কমিয়া যাওয়ার কারণে সুন্দরবনের সুন্দরীসহ বহু প্রধান বৃক্ষ ইতিমধ্যে আগামরা রোগে আক্রান্ত হইতেছে। যদি এই বনের উদ্ভিদ-বৈচিত্র্য ভাঙিয়া পড়ে, তবে উপকূলীয় অঞ্চলের কোটি কোটি মানুষের প্রাকৃতিক বর্মটি চিরতরে খুলিয়া যাইবে।যদিও আলোচ্য গবেষণায় বলা হইয়াছে যে, পৃথিবীর কোনো কোনো অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে স্থানীয় উদ্ভিদ-বৈচিত্র্য বাড়িতে পারে এবং কিছু নতুন প্রজাতি নতুন পরিবেশে বিস্তার লাভ করিতে পারে। কিন্তু এই আংশিক বা সাময়িক লাভ সামগ্রিক মহাপতনের ক্ষতিপূরণ করিতে পারিবে না। কারণ, নতুন উদ্ভিদসমাজের আকস্মিক উত্থান মানেই প্রকৃতির চিরন্তন ও প্রাচীন ভারসাম্যের চাকাটি উপড়িয়া যাওয়া। ইতিহাসে যে সমস্ত প্রজাতি কখনো পাশাপাশি বসবাস করে নাই, পরিবর্তিত জলবায়ুর তাড়নায় তাহারা যখন একত্রে বাস করিতে শুরু করিবে, তখন তাহাদের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব ও দীর্ঘমেয়াদি বাস্তুতান্ত্রিক প্রভাব কী হইবে—তা আধুনিক বিজ্ঞানেরও সম্পূর্ণ অজানা।সভ্যতার ঊষালগ্ন হইতেই মানুষ প্রযুক্তি আর পেশী শক্তির জোরে বারবার প্রকৃতিকে জয় করিবার দম্ভোক্তি করিয়াছে। পাহাড় কাটিয়া, নদী শাসন করিয়া আর অরণ্য উজাড় করিয়া মানুষ ভাবিয়াছে সে বুঝি বিজয়ী। কিন্তু নির্মম সত্য হইল, মানুষ প্রকৃতির প্রভু নহে, বরং প্রকৃতির এক অতি ক্ষুদ্র ও নির্ভরশীল অংশমাত্র। গাছপালা, অরণ্য আর জীববৈচিত্র্যকে ধ্বংসের মুখে ঠেলিয়া দিয়া মানুষ কোনোদিনই নিজের জন্য একটি নিরাপদ ও আধুনিক ভবিষ্যৎ গড়িয়া তুলিতে পারিবে না। গাছের পৃথিবী সংকুচিত হওয়া মানে প্রকারান্তরে মানুষের নিজেরই নিরাপত্তার পরিধি সংকুচিত হইয়া আসা। অতএব, উদ্ভিদ-বৈচিত্র্য রক্ষা করা কেবল পরিবেশবাদী বা বৃক্ষপ্রেমিকদের কোনো রোমান্টিক আবেগের বিষয় নহে; ইহা এই গ্রহে মানবসভ্যতার টিকে থাকা না-থাকার তথা আমাদের নিজেদেরই অস্তিত্ব রক্ষার এক চরম ও পরম লড়াই। সময় ফুরিয়ে যাওয়ার পূর্বেই যদি আমরা এই সবুজ সুরক্ষাবলয়কে রক্ষা করিতে না পারি, তবে প্রকৃতির ইতিহাস হইতে মানুষ নামক অহংকারী চরিত্রটির বিদায় হইবে কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।
ওসমান গনি