বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
The Dhaka News Bangla

সৌদির পর এবার ‘আল্লাহু আকবার’ খচিত ইরাকের পতাকাও মাটিতে রাখেনি ফিফা

সৌদি আরবের পর এবার ইরাকের জাতীয় পতাকাকেও মাটি স্পর্শ করতে দেয়নি বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। ধর্মীয় অনুভূতি ও জাতীয় ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান দেখিয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে এমন সিদ্ধান্ত প্রশংসা কুড়াচ্ছে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে।সাধারণত বিশ্বকাপের ম্যাচ শুরুর আগে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর জাতীয় পতাকা মাঠে বিছিয়ে প্রদর্শন করা হয়। তবে সৌদি আরব ও ইরাকের ক্ষেত্রে সেই প্রচলিত নিয়মে ব্যতিক্রম দেখা গেছে।সৌদি আরবের জাতীয় পতাকায় ইসলামের পবিত্র কালিমা খচিত রয়েছে। অন্যদিকে ইরাকের পতাকায় আরবি ভাষায় লেখা রয়েছে ‘আল্লাহু আকবার’। এ কারণে ধর্মীয় শব্দসম্বলিত পতাকা মাটিতে না রাখার অনুরোধ জানানো হয়।প্রথমদিকে অতিরিক্ত ওজনের কারণে মাঠের ক্ষতির আশঙ্কা দেখিয়ে অনুরোধটি নাকচ করা হলেও, প্রাক-ম্যাচ অনুষ্ঠানে দেখা যায় ইরাকের জাতীয় পতাকাকে উঁচিয়ে প্রদর্শন করেছে ফিফা। তবে কেবল একটি দেশের পতাকা উঁচিয়ে রাখলে পক্ষপাত বা অসম্মানের বিতর্ক তৈরি হতে পারত। সেই বিতর্ক এড়াতে ফিফা নেয় একটি ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত। ইরাকের পাশাপাশি প্রতিপক্ষ নরওয়ের জাতীয় পতাকাও একই উচ্চতায় পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে প্রদর্শন করা হয়।ফলে মাঠে সৃষ্টি হয় সাম্য, পারস্পরিক সম্মান ও সৌহার্দ্যের এক অনন্য উদাহরণ।
৩ ঘন্টা আগে

বিদ্যালয়ে প্রেম নিবেদন, থানায় ৩ কিশোর, বহিষ্কার ২ ছাত্রী

নোয়াখালীর সেনবাগে একটি বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে দুই ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে তিন কিশোরকে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। একই ঘটনায় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে দুই ছাত্রীকে বহিষ্কার করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।বুধবার (১৭ জুন) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কাদরা ইউনিয়নের চাঁদপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।থানায় সোপর্দ করা তিন কিশোর হলেন, কাদরা ইউনিয়নের খলিফা পাড়ার মো.সোলেমানের ছেলে মেহেদী হাসান দুলাল (১৮), একই এলাকার নুরুজ্জামানের ছেলে আবু ইউসুফ ফাহিম (১৮) এবং সেনবাগ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাতানিয়া মিজি বাড়ির শহীদুল ইসলামের ছেলে মাহফুজুল ইসলাম (১৮)। অপরদিকে বহিষ্কৃত দুই ছাত্রী হলেন, চাঁদপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সমিতা ইসলাম (১৪) ও সুমাইয়া আক্তার প্রীতি (১৪)।বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল পৌনে ১০টার দিকে বহিরাগত দুলাল, ফাহিম ও মাহফুজুল বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা অষ্টম শ্রেণির দুই ছাত্রীর কাছে চকলেট দেন, যার গায়ে ‘আই লাভ ইউ’ লেখা ছিল। বিষয়টি বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের নজরে এলে তারা তিন কিশোর ও দুই ছাত্রীকে আটক করে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে নিয়ে যায়। পরে প্রধান শিক্ষক তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য মোবাইল নম্বর চাইলে তারা তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। একপর্যায়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তিন কিশোরকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে এবং দুই ছাত্রীকে বহিষ্কার করে।চাঁদপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুক্তার হোসেন ইকবাল বলেন, শিক্ষার্থীরা তাদের আটক করে আমার অফিসে নিয়ে আসে। আমি অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তারা অভিভাবকদের নম্বর দিতে রাজি হয়নি। পরে বহিরাগত তিনজনকে থানায় সোপর্দ করা হয়। এছাড়া শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে দুই ছাত্রীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে এলাকার অনেক শিক্ষার্থী সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানে আড্ডা দেয় এবং কেউ কেউ মাদকের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ছে। এ বিষয়ে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন।সেনবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুস সালাম বলেন, বিদ্যালয়ে তাদের আটক করা হয়েছিল। খবর পেয়ে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে আসে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত আছেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৬ ঘন্টা আগে

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০ ফুট পতাকা নিয়ে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের র‍্যালি

ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে ২০০ ফুট দীর্ঘ আর্জেন্টিনার পতাকা নিয়ে আনন্দ মিছিল করেছেন দেশটির সমর্থকরা। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে অনুষ্ঠিত এ মিছিলে প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী, সমর্থক ও ফুটবলপ্রেমী অংশ নেন।আয়োজক সূত্রে জানা যায়, বিদ্রোহী হল থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জয়ধ্বনি মঞ্চের সামনে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলের সামনের সারিতে বহন করা হয় প্রায় ২০০ ফুট দীর্ঘ আর্জেন্টিনার পতাকা, যা উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ ও উচ্ছ্বাসের জন্ম দেয়।মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের হাতে ছিল আর্জেন্টিনার পতাকা, জার্সি ও বিভিন্ন ব্যানার। আয়োজনকে আরও বর্ণিল করে তুলতে ব্যবহার করা হয় পার্টি স্প্রে, স্মোক ফ্লেয়ার, বাঁশি, সাউন্ড বক্স, হ্যান্ড মাইক, আতশবাজি এবং বাইক শোডাউনের মতো নানা উপকরণ। এতে পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।মিছিল চলাকালে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বিভিন্ন স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস। বিশেষ করে ব্রাজিল সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া ‘সেভেন আপ, সেভেন আপ’ এবং ‘আই ব্রাজিল দেইখা যা, আইছে তোদের বাপেরা’ স্লোগান শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। তবে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ব্রাজিল সমর্থকদের খোঁজ করা হলেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সমর্থকের উপস্থিতি দেখা যায়নি।অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্বকাপকে ঘিরে প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ এবং ক্যাম্পাসে ফুটবল উৎসবের আবহ আরও প্রাণবন্ত করতেই এ আয়োজন করা হয়েছে। তারা আসন্ন বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার সাফল্য কামনা করেন এবং বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের শিরোপা ধরে রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। মিছিল শেষে সমর্থকদের মধ্যে ছবি তোলা, আড্ডা ও বিশ্বকাপ নিয়ে আলোচনা চলতে থাকে। ফলে বিকেলের শেষভাগটি আর্জেন্টিনা সমর্থকদের এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত হয়।
১৬ জুন ২০২৬
মেসিকে জড়িয়ে আবেগে ভাসলেন স্কালোনি, বললেন ‘তোমাকে অনেক ভালোবাসি’

মেসিকে জড়িয়ে আবেগে ভাসলেন স্কালোনি, বললেন ‘তোমাকে অনেক ভালোবাসি’

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হয়েছে দারুণ এক জয়ে। কানসাস সিটিতে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শুভসূচনা করেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের সবচেয়ে বড় নায়ক ছিলেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি, যিনি দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করে দলকে এনে দেন স্বস্তিদায়ক জয়।তবে ম্যাচের ফলের চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে কোচ লিওনেল স্কালোনি ও মেসির আবেগঘন একটি মুহূর্ত। ম্যাচের ৮০তম মিনিটে মেসিকে তুলে নিয়ে তরুণ মিডফিল্ডার নিকো পাজকে মাঠে নামান স্কালোনি। মাঠ ছাড়ার পর ডাগআউটে ফিরতেই মেসিকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেন আর্জেন্টিনা কোচ। সেই সময় আবেগে আপ্লুত হয়ে তার চোখে জলও দেখা যায়।ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সেই মুহূর্তের কথা স্মরণ করে স্কালোনি বলেন, “ওকে জড়িয়ে ধরেছি,  এবং  বলেছি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। এর বাইরে আর কিছু বলার ছিল না। এমন একজন ফুটবলারের সঙ্গে এত বছর কাজ করতে পারা সত্যিই বিশেষ কিছু।”মেসির ভবিষ্যৎ নিয়েও আবেগঘন মন্তব্য করেন বিশ্বকাপজয়ী এই কোচ। তার ভাষায়, “যেদিন মেসি ফুটবল থেকে বিদায় নেবে, সেদিন আমরা তাকে ভীষণভাবে অনুভব করব। তাই যতদিন সে মাঠে আছে, আমাদের উচিত তার প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করা।”এদিকে হ্যাটট্রিকের পর নিজের প্রথম গোল উদযাপনের সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মেসিও। ক্যামেরায় ধরা পড়ে তার চোখের জল। পরে এর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক জানান, সাম্প্রতিক কিছু ব্যক্তিগত কারণ তাকে মানসিকভাবে কঠিন সময়ের মধ্যে ফেলেছিল।মেসি বলেন, “গত কয়েকটা দিন আমার জন্য সহজ ছিল না। তবে দলের সবাই সব সময় আমার পাশে ছিল। তাদের সমর্থন ও ভালোবাসাই আমাকে শক্তি দিয়েছে। আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞ।”বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই হ্যাটট্রিকের মাধ্যমে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন মেসি। আর সেই পারফরম্যান্সের পর কোচ স্কালোনির আবেগঘন প্রতিক্রিয়া যেন আরও একবার মনে করিয়ে দিল মেসি শুধু একজন ফুটবলার নন, তিনি আর্জেন্টিনা দলের হৃদয়েরও নাম।
২ ঘন্টা আগে
সারাদেশ

সারাদেশ

জাতীয়

জাতীয়

রাজধানীর ৪টি বাস টার্মিনাল দ্রুত স্থানান্তরের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

রাজধানীর ৪টি বাস টার্মিনাল দ্রুত স্থানান্তরের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জনপ্রশাসন কক্ষে অনুষ্ঠিত রাজধানীর যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন বিষয়ক এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু।তিনি জানান, রাজধানীর যানজট কমাতে চারটি প্রধান আন্তঃনগর বাস টার্মিনালকে পর্যায়ক্রমে শহরের বাইরে সরিয়ে নেওয়া হবে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফুলবাড়িয়া-গুলিস্তান বাস টার্মিনাল স্থানান্তর করা হবে কেরানীগঞ্জ-এ। মহাখালী বাস টার্মিনাল প্রথমে রাজধানীর পূর্বাঞ্চলে অস্থায়ীভাবে সরিয়ে নেওয়া হবে এবং পরে স্থায়ীভাবে টঙ্গির কাছে স্থানান্তর করা হবে।এছাড়া গাবতলী আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল স্থানান্তর করা হবে হেমায়েতপুর-এ এবং সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী বাস টার্মিনাল সরিয়ে নেওয়া হবে কাঁচপুর এলাকায়।সভায় প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে থাকা বাস কাউন্টারগুলোও দ্রুত অপসারণ করে নির্ধারিত স্থানে স্থানান্তরের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর ক্যামেরা স্থাপনের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।সভায় রাজধানীর ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা উন্নয়ন, এআই ক্যামেরার ব্যবহার বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উল্লেখ্য, রাজধানীর যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে এটি প্রধানমন্ত্রীর তৃতীয় বৈঠক।প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১৬ জুন ২০২৬
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

মেসিকে জড়িয়ে আবেগে ভাসলেন স্কালোনি, বললেন ‘তোমাকে অনেক ভালোবাসি’

মেসিকে জড়িয়ে আবেগে ভাসলেন স্কালোনি, বললেন ‘তোমাকে অনেক ভালোবাসি’

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হয়েছে দারুণ এক জয়ে। কানসাস সিটিতে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শুভসূচনা করেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের সবচেয়ে বড় নায়ক ছিলেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি, যিনি দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করে দলকে এনে দেন স্বস্তিদায়ক জয়।তবে ম্যাচের ফলের চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে কোচ লিওনেল স্কালোনি ও মেসির আবেগঘন একটি মুহূর্ত। ম্যাচের ৮০তম মিনিটে মেসিকে তুলে নিয়ে তরুণ মিডফিল্ডার নিকো পাজকে মাঠে নামান স্কালোনি। মাঠ ছাড়ার পর ডাগআউটে ফিরতেই মেসিকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেন আর্জেন্টিনা কোচ। সেই সময় আবেগে আপ্লুত হয়ে তার চোখে জলও দেখা যায়।ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সেই মুহূর্তের কথা স্মরণ করে স্কালোনি বলেন, “ওকে জড়িয়ে ধরেছি,  এবং  বলেছি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। এর বাইরে আর কিছু বলার ছিল না। এমন একজন ফুটবলারের সঙ্গে এত বছর কাজ করতে পারা সত্যিই বিশেষ কিছু।”মেসির ভবিষ্যৎ নিয়েও আবেগঘন মন্তব্য করেন বিশ্বকাপজয়ী এই কোচ। তার ভাষায়, “যেদিন মেসি ফুটবল থেকে বিদায় নেবে, সেদিন আমরা তাকে ভীষণভাবে অনুভব করব। তাই যতদিন সে মাঠে আছে, আমাদের উচিত তার প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করা।”এদিকে হ্যাটট্রিকের পর নিজের প্রথম গোল উদযাপনের সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মেসিও। ক্যামেরায় ধরা পড়ে তার চোখের জল। পরে এর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক জানান, সাম্প্রতিক কিছু ব্যক্তিগত কারণ তাকে মানসিকভাবে কঠিন সময়ের মধ্যে ফেলেছিল।মেসি বলেন, “গত কয়েকটা দিন আমার জন্য সহজ ছিল না। তবে দলের সবাই সব সময় আমার পাশে ছিল। তাদের সমর্থন ও ভালোবাসাই আমাকে শক্তি দিয়েছে। আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞ।”বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই হ্যাটট্রিকের মাধ্যমে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন মেসি। আর সেই পারফরম্যান্সের পর কোচ স্কালোনির আবেগঘন প্রতিক্রিয়া যেন আরও একবার মনে করিয়ে দিল মেসি শুধু একজন ফুটবলার নন, তিনি আর্জেন্টিনা দলের হৃদয়েরও নাম।
২ ঘন্টা আগে
আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক

রুশ হামলায় জ্বলল কিয়েভের ঐতিহাসিক ক্যাথেড্রাল, নিহত ১১

রুশ হামলায় জ্বলল কিয়েভের ঐতিহাসিক ক্যাথেড্রাল, নিহত ১১

ইউক্রেনের কয়েকটি বড় শহরে সোমবার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। আগুন লেগেছে অর্থোডক্স খ্রিস্টানদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাসনালয়েও।এএফপির সাংবাদিকরা জানান, হামলার পুরো সময়জুড়ে কিয়েভের বাসিন্দাদের আশ্রয়ের খোঁজে রাস্তায় ছুটতে দেখা গেছে। আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করা হচ্ছিল। অন্ধকার শহরের বিভিন্ন স্থানে জ্বলন্ত ধ্বংসাবশেষও পড়ে। কিয়েভ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।এ হামলার পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেওয়া নেতাদের প্রতি মস্কোর ওপর আরও চাপ বাড়ানোর আহ্বান জানান।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির বিষয়টিও ওই সম্মেলনের আলোচনায় প্রাধান্য পাওয়ার কথা।হামলায় রাজধানী কিয়েভে ৫ জন নিহত ও ৩৪ জন আহত হয়েছেন। ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান কিয়েভ-পেচেরস্ক লাভরার প্রাঙ্গণে আগুন লাগে। এতে এর ডরমিশন ক্যাথেড্রালের ছাদে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, খ্রিস্টীয় সংস্কৃতির বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত রাশিয়ার সবচেয়ে গুরুতর অপরাধগুলোর এটি একটি। একাদশ শতকে প্রতিষ্ঠিত এই ধর্মীয় স্থাপনাটি ইউক্রেন ও রাশিয়া উভয় দেশের অর্থোডক্স বিশ্বাসীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।রাশিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা কিয়েভ, খারকিভ ও দনিপ্রো অঞ্চলের সামরিক স্থাপনায় ‘বৃহৎ আকারের হামলা’ চালিয়েছে। তবে লাভরায় হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে মস্কো দাবি করেছে, একটি পুরোনো মার্কিন প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র সেখানে আঘাত হেনেছে।ইউক্রেনের বিমান বাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়া ৭০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬১১টি ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। এর প্রধান লক্ষ্য ছিল রাজধানী কিয়েভ। এর মধ্যে ৫০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ৫৮২টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। সকালে কিয়েভে এএফপির এক প্রতিবেদক দেখেন, ক্যাথাড্রেল এলাকায় উদ্ধারকর্মীরা সতর্কতার সঙ্গে ধ্বংসস্তূপ সরাচ্ছেন। এ সময় গির্জার ঘণ্টায় ইউক্রেনের জাতীয় সংগীতের সুর বাজে। জেলেনস্কি ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের নেতাদের প্রতি হামলার ‘দৃঢ় ও কার্যকর’ জবাব দেওয়ার আহ্বান জানান।তিনি বলেন, আগ্রাসনকারীর ওপর আরও চাপ প্রয়োগ করতে হবে এবং ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য আরও সহায়তা প্রয়োজন, বিশেষ করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ সক্ষমতা বাড়াতে হবে।ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন্ডার লিয়েন বলেন, জি-৭ নেতারা রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়ানোর পরবর্তী পদক্ষেপ, রুশ প্রেসিডেন্ট  ভ্লাদিমির পুতিনকে আলোচনার টেবিলে আনা ও এই অর্থহীন হত্যাযজ্ঞ বন্ধের উপায় নিয়ে আলোচনা করবেন।হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন কিয়েভের জাদুঘরকর্মী নাটালিয়া কোরোল।৫২ বছর বয়সী এই নারী এএফপিকে বলেন, ‘এটি একটি পবিত্র স্থান। তারাও বলে এটি তাদের পবিত্র স্থান। পবিত্র স্থাপনায় হামলা করা যায় না।’ সোনালি গম্বুজখচিত কিয়েভ-পেচেরস্ক লাভরা মঠকে রুশ ও ইউক্রেনীয়Ñ উভয় অর্থোডক্স চার্চই তাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করে। উপাসনালয়টির বিস্তৃত গুহা নেটওয়ার্কে উভয় চার্চের শ্রদ্ধেয় বহু সাধুর স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষিত রয়েছে।রাতের হামলায় আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ডরমিশন ক্যাথেড্রাল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। পরে ১৯৯০-এর দশকে এটি পুনর্নির্মাণ করা হয়।শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে রুশ অর্থোডক্স চার্চের ইউক্রেনীয় শাখা এই ধর্মীয় স্থাপনাটি পরিচালনা করত। তবে ২০২২-২৩ সালে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগে মস্কোপন্থী ইউক্রেনীয় চার্চের সন্ন্যাসীদের মঠ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘আমাদের এই সার্বজনীন ঐতিহ্যের ওপর হামলার কোনো যৌক্তিকতা নেই।’ ইউক্রেনের জরুরি সেবা বিভাগ জানায়, রাজধানীর মিস্তেতস্কি আর্সেনাল জাতীয় শিল্প ও জাদুঘর কমপ্লেক্সের একটি ভবনেও আগুন লেগেছে।
১৫ জুন ২০২৬
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

আবহাওয়া

আবহাওয়া

রাতেই ঢাকাসহ ১৮ জেলায় ৬০ কি.মি. বেগে ঝড়ের শঙ্কা

রাতেই ঢাকাসহ ১৮ জেলায় ৬০ কি.মি. বেগে ঝড়ের শঙ্কা

দেশজুড়ে বিচ্ছিন্ন বৃষ্টিপাতের ফলে গরমের হাঁসফাঁস অবস্থা কিছুটা কমলেও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা এখনও রয়েছে ৩৬ ডিগ্রির ঘরে। এরই মধ্যে রবিবার (৭ জুন, ২০২৬ ) অর্থাৎ আজ রাতের মধ্যেই দেশের ১৮ জেলায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা বলেন, রবিবার রাত ১টার মধ্যে ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেটের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
০৪ জুন ২০২৬
রাতেই ১২ অঞ্চলে দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা

রাতেই ১২ অঞ্চলে দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা

০৪ জুন ২০২৬
ক্রিকেট

ক্রিকেট

২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

ব্যাটার-বোলারদের দুর্দান্ত পারফরমেন্সে দীর্ঘ ২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে ক্রিকেটে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে আজ বৃষ্টি আইনে বাংলাদেশ ৮৬ রানে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে। ২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম হারের লজ্জা দিয়েছিল টাইগাররা। ঐ ম্যাচ ৫ উইকেটে জয়ের পর অসিদের বিপক্ষে ওয়ানডেতে আর কখনও জিততে পারেনি বাংলাদেশ। এখন পর্যন্ত টেস্টে একবার ও টি-টোয়েন্টিতে চারবার অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে টাইগাররা। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ১০ রানের জুটি গড়ে বিচ্ছিন্ন হন দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান। অস্ট্রেলিয়া পেসার নাথান এলিসের শিকার হয়ে ৫ রানে ফেরেন সাইফ।দ্বিতীয় উইকেটে দারুণ জুটিতে বাংলাদেশের স্কোর শতরানে নেন তানজিদ ও তিন নম্বরে নামা নাজমুল হোসেন শান্ত। জুটিতে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সপ্তম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে থামেন তানজিদ। এলিসের দ্বিতীয় শিকার হবার আগে ৭টি চার ও ১টি ছক্কায় ৪৪ বলে ৫৪ রান করেন তিনি। এ বছর ৭ ওয়ানডে খেলে চতুর্থ অর্ধশতকের দেখা পেলেন তানজিদ।দলীয় ১০৬ রানে তানজিদ ফেরার পর ক্রিজে আসেন লিটন দাস। তার সাথে ১৯ রানের জুটিতে ওয়ানডেতে ১২তম অর্ধশতকের দেখা পান শান্ত। চার নম্বরে নেমে সুবিধা করতে পারেননি লিটন। মাত্র ৭ রানে অস্ট্রেলিয়া স্পিনার ম্যাট রেনশর বলে আউট হন তিনি। হাফ-সেঞ্চুরির পর ইনিংস বড় করার চেষ্টায় ছিলেন শান্ত। কিন্তু বেশি দূর যেতে পারেননি তিনি। রেনশর দ্বিতীয় শিকার হওয়ার আগে ৯টি চার ও ১টি ছক্কায় ৮৬ বলে ৬৭ রানে থামেন শান্ত। দলীয় ১৪০ রানে চতুর্থ উইকেট পতনের পর বাংলাদেশের রানের চাকা ঘুরিয়েছেন তাওহিদ হৃদয় ও সাড়ে তিন বছর পর ওয়ানডে খেলতে নামা মোসাদ্দেক। ৯০ বলে ৭৫ রানের জুটি গড়ে বিচ্ছিন্ন হন তারা। ৫১ বলে ৩১ রানে বিদায় নেন হৃদয়। তবে অন্য প্রান্তে ৪৯ বলে ওয়ানডে চতুর্থ হাফ-সেঞ্চুরির দেখা পান ব্যক্তিগত ২২ রানে ক্যাচ দিয়ে জীবন পাওয়া মোসাদ্দেক। মোসাদ্দেকের হাফ-সেঞ্চুরির পর অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ ৩ ও তানভীর ইসলাম ৫ রানে আউট হলে ৪৫তম ওভারে ২৩৯ রানে সপ্তম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর অষ্টম উইকেটে তাসকিন আহমেদকে নিয়ে ৩৩ বলে ৪৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে বাংলাদেশকে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৮৪ রানের সংগ্রহ এনে দেন মোসাদ্দেক।৭টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৭০ বলে অপরাজিত ৮৬ রান করেন ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলা মোসাদ্দেক। ২ চার ও ১ ছক্কায় ১৬ বলে ২০ রানে আউট হন তাসকিন। অস্ট্রেলিয়ার এলিস ৩টি, লিয়াম স্কট ও রেনশ ২টি করে উইকেট নেন। জবাব দিতে নেমে ইনিংসের প্রথম ডেলিভারিতেই উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশ পেসার তাসকিন আহমেদের বলে বোল্ড হন ম্যাথু শর্ট। পরের ওভারে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। মার্নাস লাবুশেনকে ১ রানে থামিয়ে দেন ফিজ।তৃতীয় উইকেটে ৪৯ রানের জুটিতে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন কুপার কনোলি ও অধিনায়ক জশ ইংলিশ। ১১তম ওভারে ইংলিশকে ব্যক্তিগত ১৯ রানে থামিয়ে জুটি ভাঙেন বাংলাদেশ পেসার নাহিদ রানা। ৫১ রানে তৃতীয় উইকেট পতনের পর জুটি গড়ার চেষ্টা করেছিলেন কনোলি ও অ্যালেক্স ক্যারি। ৪০ রান যোগ করে বিচ্ছিন্ন হন তারা। ৩৫ রান করা কনোলিকে বোল্ড করেন স্পিনার মোসাদ্দেক। কনোলি ফেরার পর পেসার নাহিদ রানার তোপ ও মোসাদ্দেকের ঘূর্ণিতে ১৫৬ রানে নবম উইকেট হারিয়ে বড় হারের লজ্জার মুখে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। তবে নবম উইকেটে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন ক্যামেরুন গ্রিন ও এডাম জাম্পা। জুটি ৩৪ বলে ৩৫ রান তোলার পর বজ্র ও বৃষ্টিতে বন্ধ হয় খেলা। এ সময় অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ছিল ৪২ দশমিক ২ ওভারে ৯ উইকেট ১৯১ রান। পরবর্তীতে বৃষ্টি না থামলে এক ঘণ্টা পর বৃষ্টি আইনে ৮৬ রানে জয় পায় বাংলাদেশ। ব্যাট হাতে অনবদ্য ৮৬ রান ও বল হাতে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হন মোসাদ্দেক।আগামী ১১ জুন মিরপুরে দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলতে নামবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া। 
০৯ জুন ২০২৬
সারাদেশ

সারাদেশ

বাসের ধাক্কায় হাতিয়ার সাবেক ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির মৃত্যু, মাহবুবের রহমান শামীমের শোক

বাসের ধাক্কায় হাতিয়ার সাবেক ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির মৃত্যু, মাহবুবের রহমান শামীমের শোক

নোয়াখালীর হাতিয়ায় বাসের ধাক্কায় মো. সোহেল মাহমুদ (৪৫) নামে বিএনপির এক নেতার মৃত্যু হয়েছে।বুধবার (১৭ জুন) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার হরণী ইউনিয়নের সুবর্ণচর-চেয়ারম্যানঘাট সড়কের বয়ারচর মানিক কাউন্টার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত সোহেল মাহমুদ চানন্দী ইউনিয়ন পশ্চিম শাখা বিএনপির সাবেক সভাপতি ছিলেন। তিনি ওই ইউনিয়নের বাসিন্দা সিরাজ উদ্দিনের ছেলে এবং তিন সন্তানের জনক।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেঘনা নদীর ভাঙনের কারণে সোহেল মাহমুদের পরিবার বর্তমানে সুবর্ণচর উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের ফরেস্ট সিরাজ এলাকায় বসবাস করছে। বুধবার সকালে তিনি মোটরসাইকেলে করে সুবর্ণচরের বাসা থেকে হাতিয়ার চানন্দী ইউনিয়নের নিজ গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। পথিমধ্যে হরণী ইউনিয়নের বয়ারচর মানিক কাউন্টার এলাকায় পৌঁছালে একটি সুবর্ণ বাস তার মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে যান এবং পেট, হাত ও পায়ে আঘাত পান। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, প্রাথমিকভাবে তার আঘাত গুরুতর মনে হয়নি এবং তিনি নিজেই উঠে দাঁড়িয়েছিলেন।পরে তাকে চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই দুপুর সোয়া ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।সোহেল মাহমুদের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে শোকের আবহ বিরাজ করছে।এদিকে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম এক শোকবার্তায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, ঘটনার বিষয়ে শুনেছি। তবে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো থানায় কোনো অভিযোগ বা আনুষ্ঠানিক তথ্য জানানো হয়নি।
০৪ জুন ২০২৬
মতামত

মতামত

সভ্যতার শেষ নোঙর: উদ্ভিদের বিপন্নতা ও মানুষের অস্তিত্বের ভবিষ্যৎ

সভ্যতার শেষ নোঙর: উদ্ভিদের বিপন্নতা ও মানুষের অস্তিত্বের ভবিষ্যৎ

মহাবিশ্বের বিশালতায় পৃথিবী নামক এই নীল গ্রহে মানুষের আগমন কোটি কোটি বছরের বিবর্তন ইতিহাসের এক সাম্প্রতিক ঘটনা মাত্র। অথচ মানুষ প্রায়শই নিজেকে এই নাট্যমঞ্চের একমাত্র কেন্দ্রীয় চরিত্র বা মহাপ্রধান ভাবিতে পছন্দ করে। রাষ্ট্রনীতি, অর্থনীতি, আকাশচুম্বী প্রযুক্তি আর সভ্যতার চাকচিক্য, সবকিছুর কেন্দ্রে মানুষ নিজেকেই স্থাপন করিয়াছে। কিন্তু প্রকৃতির আদিম এবং নৈর্ব্যক্তিক দৃষ্টিতে এই অহংকার কেবলই এক মরীচিকা। মানুষের বহু পূর্বে এই ধরণী ছিল অরণ্যের, শৈবালের, ঘাসের আর লতাগুল্মের। আজ মানুষ তাহার যাপিত জীবনে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, জীবনদায়ী ওষুধ, অক্সিজেন, এমনকি ভারী শিল্পোন্নয়নের যে বিপুল কাঁচামাল ভোগ করিতেছে, তাহার প্রতিটির উৎস প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই উদ্ভিদজগৎ। ফলে, সেই আদিম সবুজ যদি সংকুচিত হইতে থাকে, তবে মানুষের তৈরি এই জাঁকজমকপূর্ণ সভ্যতার ভিত্তি কাচের প্রাসাদের মতোই চূর্ণবিচূর্ণ হইতে বাধ্য।সম্প্রতি বিশ্ববিশ্রুত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘সায়েন্স’-এ প্রকাশিত একটি গবেষণা বিশ্ববাসীর আত্মতৃপ্তির দেয়ালে এক তীব্র চপেটাঘাত করিয়াছে। গবেষকগণ প্রায় ৬৭ হাজারেরও অধিক উদ্ভিদ প্রজাতির ভবিষ্যৎ গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করিয়া এক ভয়ানক চিত্র তুলিয়া ধরিয়াছেন। তাঁহাদের पूर्वानुमान অনুযায়ী, চলতি শতাব্দীর শেষ নাগাদ পৃথিবীর ৭ হইতে ১৬ শতাংশ উদ্ভিদ প্রজাতি তাহাদের বর্তমান চারণভূমি বা আবাসস্থলের ৯০ শতাংশেরও বেশি হারাইতে পারে। সহজ কথায়, বিপুলসংখ্যক উদ্ভিদ প্রজাতি চিরতরে বিলুপ্তির অতল গহ্বরে তলাইয়া যাইবার চরম ঝুঁকিতে রহিয়াছে। এই সতর্কবার্তা কেবল কিছু গাছের হারিয়ে যাওয়ার সংবাদ নহে, ইহা মূলত মানবজাতির আত্মহননের এক বৈজ্ঞানিক দলিল।আমরা প্রায়শই জলবায়ু পরিবর্তন বলিলে কেবল বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা গরম বাড়িয়া যাওয়াকেই বুঝি। কিন্তু প্রকৃতার্থে জলবায়ু পরিবর্তন এক জটিল, বহুমাত্রিক ও আপাত-অদৃশ্য বাস্তুতান্ত্রিক বিপর্যয়। ইহা কেবল থার্মোমিটারের পারদ চড়ায় না; বরং বৃষ্টিপাতের ধরন, মাটির রাসায়নিক ও ভৌত গুণাগুণ, বাতাসের আর্দ্রতা, বনের ছায়া এবং দাবদাহ বা অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকিকে আমূল ওলটপালট করিয়া দেয়। একটি উদ্ভিদের অস্তিত্ব কেবল মাটির গভীরে শিকড় চলাইয়া দাঁড়াইয়া থাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ নহে। তাহার বাঁচিয়া থাকা নির্ভর করে আলো, বাতাস, মাটি ও পানির এক অতি সূক্ষ্ম এবং সংবেদনশীল ভারসাম্যময় শর্তের ওপর। আধুনিক জলবায়ু বিপর্যয় সেই প্রাচীন শর্তগুলিকেই ভেঙে চুরমার করিয়া দিতেছে, যার ফলে উদ্ভিদের জন্য এই চেনা পৃথিবী ক্রমেই অচেনা ও সংকুচিত হইয়া পড়িতেছে।মানুষের মতো উদ্ভিদের পা নাই যে জলবায়ুর প্রতিকূলতা দেখিয়া সে দ্রুত স্থান পরিবর্তন করিবে। উদ্ভিদের বংশবিস্তার ও নতুন অঞ্চলে ছড়াইয়া পড়া অত্যন্ত ধীরগতির একটি প্রক্রিয়া। বাতাস, পানি, পাখি, কীটপতঙ্গ কিংবা অভিকর্ষ বলের ওপর নির্ভর করিয়া বীজ ও রেণুর মাধ্যমে তাহারা এক প্রজন্ম হইতে অন্য প্রজন্মে ধাবিত হয়। এই প্রাকৃতিক অভিবাসনে বহু শতাব্দী সময় কাটিয়া যায়। কিন্তু বর্তমান মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের গতি এতই তীব্র ও উন্মত্ত যে, বহু উদ্ভিদ প্রজাতি সেই পরিবর্তনের গতির সহিত প্রতিযোগিতায় টিকিয়া থাকিতে পারিতেছে না। নতুন কোনো নিরাপদ অঞ্চলে বীজ ছড়াইয়া দিবার পূর্বেই, বর্তমান আবাসস্থলের চরম আবহাওয়ায় তাহারা অকালে প্রাণ হারাইতেছে।উদ্ভিদজগতের এই মহাবিপর্যয় কেবল প্রকৃতির বাহ্যিক সৌন্দর্যহানি ঘটাইবে না; ইহা সমগ্র গ্রহের ফুসফুসকে অচল করিয়া দিবে। উদ্ভিদ কেবল প্রকৃতির অলংকার নহে, বরং স্থলভাগের সমস্ত বাস্তুতন্ত্রের প্রাণভোমরা। পৃথিবীর বিশাল বনভূমি ও উদ্ভিদরাজি প্রতিমুহূর্তে বায়ুমণ্ডল হইতে কোটি কোটি টন কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করিয়া পরিবেশকে শীতল রাখিতেছে। তাহারা মাটির ক্ষয় রোধ করে, বন্যপ্রাণীর আশ্রয় জোগায় এবং মেঘের আনাগোনা নিয়ন্ত্রণ করিয়া বৃষ্টিপাত ঘটায়। যখন এই উদ্ভিদের সংখ্যা ও বৈচিত্র্য আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পাইবে, তখন প্রকৃতির স্বাভাবিক কার্বনচক্র সম্পূর্ণ বিকল হইয়া পড়িবে। উদ্ভিদ কার্বন শোষণ করিতে না পারিলে বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ জ্যামিতিক হারে বাড়িবে, যাহা বৈশ্বিক উষ্ণতাকে আরও ত্বরান্বিত করিবে। অর্থাৎ, আমরা এক ভয়ানক এবং মরণঘাতী প্রতিক্রিয়ামূলক চক্রের মুখোমুখি দাঁড়াব, যেখানে জলবায়ু পরিবর্তন উদ্ভিদের বিনাশ ঘটাইবে, আবার উদ্ভিদের বিনাশ জলবায়ু পরিবর্তনকে আরও কয়েক গুণ তীব্র করিয়া তুলিবে। এই চক্রের শেষ প্রান্তে অপেক্ষা করিতেছে এক মহাশূন্যতা।‘সায়েন্স’ সাময়িকীর এই বৈশ্বিক গবেষণাটি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এক জ্বলন্ত অগ্নিসংকেত। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের অগ্রবর্তী রণক্ষেত্র। নদীভাঙন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততার আগ্রাসন, উত্তরাঞ্চলের খরা এবং আকস্মিক বন্যা ও তীব্র তাপপ্রবাহ আমাদের নিত্যসঙ্গী। এই ভঙ্গুর পরিস্থিতিতে যদি দেশের উদ্ভিদ ও বনজ সম্পদের ওপর বাড়তি জলবায়ুগত চাপ তৈরি হয়, তবে আমাদের কৃষি উৎপাদন, জীববৈচিত্র্য এবং সামগ্রিক খাদ্যনিরাপত্তা এক অভূতপূর্ব সংকটের মুখে পতিত হইবে। বিশেষ করিয়া, পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের মতো সংবেদনশীল ও অনন্য বাস্তুতন্ত্রের ভবিষ্যৎ লইয়া গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়াছে। সমুদ্রের নোনা পানির উচ্চতা বৃদ্ধি এবং উজান হইতে মিষ্টি পানির প্রবাহ কমিয়া যাওয়ার কারণে সুন্দরবনের সুন্দরীসহ বহু প্রধান বৃক্ষ ইতিমধ্যে আগামরা রোগে আক্রান্ত হইতেছে। যদি এই বনের উদ্ভিদ-বৈচিত্র্য ভাঙিয়া পড়ে, তবে উপকূলীয় অঞ্চলের কোটি কোটি মানুষের প্রাকৃতিক বর্মটি চিরতরে খুলিয়া যাইবে।যদিও আলোচ্য গবেষণায় বলা হইয়াছে যে, পৃথিবীর কোনো কোনো অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে স্থানীয় উদ্ভিদ-বৈচিত্র্য বাড়িতে পারে এবং কিছু নতুন প্রজাতি নতুন পরিবেশে বিস্তার লাভ করিতে পারে। কিন্তু এই আংশিক বা সাময়িক লাভ সামগ্রিক মহাপতনের ক্ষতিপূরণ করিতে পারিবে না। কারণ, নতুন উদ্ভিদসমাজের আকস্মিক উত্থান মানেই প্রকৃতির চিরন্তন ও প্রাচীন ভারসাম্যের চাকাটি উপড়িয়া যাওয়া। ইতিহাসে যে সমস্ত প্রজাতি কখনো পাশাপাশি বসবাস করে নাই, পরিবর্তিত জলবায়ুর তাড়নায় তাহারা যখন একত্রে বাস করিতে শুরু করিবে, তখন তাহাদের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব ও দীর্ঘমেয়াদি বাস্তুতান্ত্রিক প্রভাব কী হইবে—তা আধুনিক বিজ্ঞানেরও সম্পূর্ণ অজানা।সভ্যতার ঊষালগ্ন হইতেই মানুষ প্রযুক্তি আর পেশী শক্তির জোরে বারবার প্রকৃতিকে জয় করিবার দম্ভোক্তি করিয়াছে। পাহাড় কাটিয়া, নদী শাসন করিয়া আর অরণ্য উজাড় করিয়া মানুষ ভাবিয়াছে সে বুঝি বিজয়ী। কিন্তু নির্মম সত্য হইল, মানুষ প্রকৃতির প্রভু নহে, বরং প্রকৃতির এক অতি ক্ষুদ্র ও নির্ভরশীল অংশমাত্র। গাছপালা, অরণ্য আর জীববৈচিত্র্যকে ধ্বংসের মুখে ঠেলিয়া দিয়া মানুষ কোনোদিনই নিজের জন্য একটি নিরাপদ ও আধুনিক ভবিষ্যৎ গড়িয়া তুলিতে পারিবে না। গাছের পৃথিবী সংকুচিত হওয়া মানে প্রকারান্তরে মানুষের নিজেরই নিরাপত্তার পরিধি সংকুচিত হইয়া আসা। অতএব, উদ্ভিদ-বৈচিত্র্য রক্ষা করা কেবল পরিবেশবাদী বা বৃক্ষপ্রেমিকদের কোনো রোমান্টিক আবেগের বিষয় নহে; ইহা এই গ্রহে মানবসভ্যতার টিকে থাকা না-থাকার তথা আমাদের নিজেদেরই অস্তিত্ব রক্ষার এক চরম ও পরম লড়াই। সময় ফুরিয়ে যাওয়ার পূর্বেই যদি আমরা এই সবুজ সুরক্ষাবলয়কে রক্ষা করিতে না পারি, তবে প্রকৃতির ইতিহাস হইতে মানুষ নামক অহংকারী চরিত্রটির বিদায় হইবে কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।
ওসমান গনি