সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
The Dhaka News Bangla

বিমানবন্দর থেকে উধাও ৭১ মালয়েশিয়াগামী যাত্রী

বিমানবন্দর থেকে উধাও ৭১ মালয়েশিয়াগামী যাত্রী
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর | ছবি: সংগ্রহীত

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়াগামী একটি ফ্লাইটকে ঘিরে রহস্যজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বোর্ডিং পাস সংগ্রহ ও ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার পরও শেষ মুহূর্তে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ওঠেননি ৭১ জন যাত্রী। বোর্ডিং গেটে পাঁচজন যাত্রীর জাল ই-ভিসা শনাক্ত হওয়ার পরই এ ঘটনা সামনে আসে।

ঢাকা পোস্টের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার (৪ জুলাই, ২০২৬) রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-মালয়েশিয়া রুটের বিজি-৩৮৬ ফ্লাইটটি বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যায়। ফ্লাইটটিতে মোট ২৪৫ জন যাত্রীর ভ্রমণের কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত ৭৬ জন যাত্রী বিমানে আরোহন করেননি।

বিমানবন্দর-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বোর্ডিং গেটে পাঁচজন যাত্রীর ই-ভিসা জাল বলে শনাক্ত হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বোর্ডিং লাইনে থাকা আরও কয়েকজন যাত্রী সরে যান। পরে তাদের অনেকেই ইমিগ্রেশনের প্রস্থান সিল বাতিল করে আবার দেশে প্রবেশ করেন। সব মিলিয়ে ৭১ জন যাত্রী স্বেচ্ছায় বিমানে না ওঠার সিদ্ধান্ত নেন।

সূত্রের দাবি, বিমানে না ওঠা ৭৬ জন যাত্রীর ভিসা যথাযথভাবে যাচাই ছাড়াই চেক-ইন কাউন্টার থেকে “ভেরিফায়েড” হিসেবে গ্রহণ করা হয় এবং তাদের বোর্ডিং পাস ইস্যু করা হয়। পরবর্তীতে ইমিগ্রেশনও বিদেশযাত্রার অনুমতি দেয়। তবে বোর্ডিং গেটে পৌঁছানোর পর পাঁচজনের জাল ই-ভিসা ধরা পড়ে।

এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে, ভিসা যাচাইয়ের একাধিক ধাপ অতিক্রম করার পরও কীভাবে সন্দেহভাজন জাল ভিসাধারীরা চেক-ইন ও ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে বোর্ডিং গেট পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হলেন।

বিমানবন্দর-সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য, বিমানে না ওঠা ৭৬ জনই ট্যুরিস্ট ভিসায় মালয়েশিয়া যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। তবে একটি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে দেশটিতে গিয়ে থেকে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কর্তৃপক্ষ এখনো নিশ্চিত বক্তব্য দেয়নি।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের একজন জানান, বোর্ডিং চলাকালে কয়েকজন যাত্রীকে আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাদের ভিসায় অসঙ্গতির বিষয়টি প্রকাশ পেলে লাইনে থাকা আরও কয়েকজন যাত্রী সরে যান। কিছুক্ষণ পর কয়েকজনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অফলোড করা হলে বোর্ডিং গেট এলাকায় উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করেও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

বিষয় : হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬


বিমানবন্দর থেকে উধাও ৭১ মালয়েশিয়াগামী যাত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬

featured Image
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়াগামী একটি ফ্লাইটকে ঘিরে রহস্যজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বোর্ডিং পাস সংগ্রহ ও ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার পরও শেষ মুহূর্তে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ওঠেননি ৭১ জন যাত্রী। বোর্ডিং গেটে পাঁচজন যাত্রীর জাল ই-ভিসা শনাক্ত হওয়ার পরই এ ঘটনা সামনে আসে।ঢাকা পোস্টের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার (৪ জুলাই, ২০২৬) রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-মালয়েশিয়া রুটের বিজি-৩৮৬ ফ্লাইটটি বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যায়। ফ্লাইটটিতে মোট ২৪৫ জন যাত্রীর ভ্রমণের কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত ৭৬ জন যাত্রী বিমানে আরোহন করেননি।বিমানবন্দর-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বোর্ডিং গেটে পাঁচজন যাত্রীর ই-ভিসা জাল বলে শনাক্ত হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বোর্ডিং লাইনে থাকা আরও কয়েকজন যাত্রী সরে যান। পরে তাদের অনেকেই ইমিগ্রেশনের প্রস্থান সিল বাতিল করে আবার দেশে প্রবেশ করেন। সব মিলিয়ে ৭১ জন যাত্রী স্বেচ্ছায় বিমানে না ওঠার সিদ্ধান্ত নেন।সূত্রের দাবি, বিমানে না ওঠা ৭৬ জন যাত্রীর ভিসা যথাযথভাবে যাচাই ছাড়াই চেক-ইন কাউন্টার থেকে “ভেরিফায়েড” হিসেবে গ্রহণ করা হয় এবং তাদের বোর্ডিং পাস ইস্যু করা হয়। পরবর্তীতে ইমিগ্রেশনও বিদেশযাত্রার অনুমতি দেয়। তবে বোর্ডিং গেটে পৌঁছানোর পর পাঁচজনের জাল ই-ভিসা ধরা পড়ে।এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে, ভিসা যাচাইয়ের একাধিক ধাপ অতিক্রম করার পরও কীভাবে সন্দেহভাজন জাল ভিসাধারীরা চেক-ইন ও ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে বোর্ডিং গেট পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হলেন।বিমানবন্দর-সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য, বিমানে না ওঠা ৭৬ জনই ট্যুরিস্ট ভিসায় মালয়েশিয়া যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। তবে একটি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে দেশটিতে গিয়ে থেকে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কর্তৃপক্ষ এখনো নিশ্চিত বক্তব্য দেয়নি।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের একজন জানান, বোর্ডিং চলাকালে কয়েকজন যাত্রীকে আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাদের ভিসায় অসঙ্গতির বিষয়টি প্রকাশ পেলে লাইনে থাকা আরও কয়েকজন যাত্রী সরে যান। কিছুক্ষণ পর কয়েকজনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অফলোড করা হলে বোর্ডিং গেট এলাকায় উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করেও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত