২০২৬ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে নজর কেড়েছে মিসর। বিতর্কিত এক ম্যাচে হেরে বিশ্বকাপ যাত্রার সমাপ্তি ঘটলেও, এবারের আসর থেকে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ পাচ্ছে আফ্রিকার দেশটি। ফিফার প্রাইজমানি কাঠামো অনুযায়ী মিসর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ) মোট ১৮.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পেতে যাচ্ছে।
এবারের বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়েছে ‘ফারাও’রা। প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলোতে জায়গা করে নেয় দলটি। অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে অর্জিত সেই জয়টি ছিল বিশ্বকাপের নকআউটে মিসরের প্রথম সাফল্য। একই সঙ্গে এক আসরে সর্বোচ্চ পাঁচটি ম্যাচ খেলার কীর্তিও গড়ে দলটি।
পুরো টুর্নামেন্টে আট গোল করে নিজেদের সর্বোচ্চ গোল করার রেকর্ডও নতুন করে লেখে মিসর। বেলজিয়াম, ইরান ও নিউজিল্যান্ডকে নিয়ে গঠিত কঠিন গ্রুপ থেকে রানার্সআপ হয়ে নকআউটে ওঠা দলটি দুই জয়, দুই ড্র এবং মাত্র এক হার নিয়ে নিজেদের অভিযান শেষ করে।
ফিফার নির্ধারিত পুরস্কার কাঠামো অনুযায়ী, বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ও সংশ্লিষ্ট ব্যয় বাবদ মিসর পাচ্ছে ২.৫ মিলিয়ন ডলার। মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জনের জন্য বরাদ্দ রয়েছে আরও ১০ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া শেষ ষোলো নিশ্চিত করায় প্রাইজমানিতে যুক্ত হয়েছে অতিরিক্ত ৬ মিলিয়ন ডলার।
সব মিলিয়ে এবারের বিশ্বকাপ থেকে মিসর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১৮.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক আসর থেকে দেশটির সর্বোচ্চ আর্থিক প্রাপ্তি
।

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে