জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবিপ্রবি) ব্যবস্থাপনা বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আতিকুর রহমান। আগামী তিন বছরের জন্য তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ নূর হোসেন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এই নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
আদেশে বলা হয়েছে, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইনের প্রথম সংবিধির ৪ ধারার উপধারা (২) এবং (২) (ক) অনুযায়ী সহকারী অধ্যাপক আতিকুর রহমানকে আগামী তিন বছরের জন্য বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো। তাঁর যোগদানের তারিখ থেকেই এই আদেশ কার্যকর ধরা হবে এবং দায়িত্ব পালনকালে তিনি বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত ভাতাদিসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
একই আদেশে নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানকে বিদায়ী চেয়ারম্যান মো. এনামুল হকের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার বুঝে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রয়োজনে যেকোনো সময় এই আদেশ বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। উল্লেখ্য, মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই শিক্ষা ছুটিতে যাওয়ায় মো: এনামুল হকের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন আতিকুর রহমান।
দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় নবনিযুক্ত এই চেয়ারম্যান বলেন, ‘বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর আমার অগ্রাধিকার থাকবে একাডেমিক মানোন্নয়ন, টিমওয়ার্ক, শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা। একটি ইতিবাচক শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করতে, শিক্ষাদান ও গবেষণার মান বাড়াতে এবং কার্যকর যোগাযোগ নিশ্চিত করতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্টাফদের সঙ্গে নিয়ে আমি ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাব। আমি সহযোগিতামূলক নেতৃত্বে বিশ্বাসী, যেখানে প্রত্যেকের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিষ্ঠা, জবাবদিহিতা এবং নিরন্তর উন্নতির মাধ্যমে বিভাগের লক্ষ্য অর্জনে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ যাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবার সার্বিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।’
শিক্ষকতার পাশাপাশি প্রশাসনিক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমেও সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে আতিকুর রহমানের। তিনি বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় ২৪ হলের হাউস টিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং পরিবহন পরিচালনা কমিটিরও সদস্য।
শিক্ষার্থীবান্ধব এই শিক্ষক ডিবেটিং সোসাইটি'সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গেও সম্পৃক্ত। এর আগে ব্যতিক্রমী শিক্ষণ পদ্ধতির জন্য তিনি আলোচনায় এসেছিলেন—শিক্ষার্থীদের গাছ লাগানোর অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া এবং হাতে-কলমে ব্যবসা শেখাতে মেলা বা উৎসবের মতো বাস্তবভিত্তিক শিক্ষণ পদ্ধতি চালু করার মাধ্যমে তিনি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাড়া ফেলেছিলেন।

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে