আমাদের প্রতিদিনের রুটিন এখন অনেক বেশি ব্যস্ত। ক্লাস, পড়াশোনা, লেখালেখি আর পেশাগত কাজের ভিড়ে নিজের জন্য সময় বের করা বেশ কঠিন। তবে এই ব্যস্ততার মাঝেও মনকে সতেজ রাখতে এবং নতুন কিছু শিখতে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে বাস্তব জীবনের গল্প বা নন ফিকশন পড়ার অভ্যাস আমাদের চারপাশের পৃথিবী সম্পর্কে নতুন ধারণা দেয়। চলুন জেনে নিই প্রতিদিনের ব্যস্ত রুটিনে কীভাবে পড়ার অভ্যাস টিকিয়ে রাখা যায়।
একসাথে অনেকগুলো বই পড়ার বিশাল চিন্তা না করে ছোট ছোট লক্ষ্য স্থির করা ভালো। ধরুন, আপনি ঠিক করলেন এই বছর মোট ১২টি বই পড়বেন। অর্থাৎ মাসে মাত্র একটি বই পড়ার হিসাব। এই ছোট লক্ষ্যগুলো পূরণ করা সহজ হয় এবং পড়ার আগ্রহও ধরে রাখা যায়।
সারাদিন কাজের শেষে ক্লান্ত লাগাটাই স্বাভাবিক। তাই দিনের এমন একটা সময় বেছে নিন যখন আপনার চারপাশ শান্ত থাকে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর অথবা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অন্তত ২০ মিনিট বই পড়ার জন্য বরাদ্দ রাখতে পারেন।
একটানা একই বিষয়ের বই পড়লে অনেক সময় একঘেয়েমি চলে আসতে পারে। তাই পছন্দের বিষয়ের পাশাপাশি নতুন কোনো বিষয়ের বই পড়ার চেষ্টা করতে পারেন। সাংবাদিকতা, প্রকৃতি বা জীবনমুখী বইগুলো আমাদের চিন্তার জগতকে আরও বড় করতে সাহায্য করে।
বই পড়ার সময় মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপ দূরে রাখা সবচেয়ে জরুরি। স্ক্রিনের নোটিফিকেশন খুব সহজেই মনোযোগ নষ্ট করে দেয়। পড়ার জন্য নিরিবিলি পরিবেশ বেছে নিলে খুব দ্রুত বইয়ের মূল বিষয়ের সাথে যুক্ত হওয়া যায়।
আমাদের প্রতিদিনের রুটিন যাই হোক না কেন, একটু সদিচ্ছা থাকলে সেখানে বই পড়ার জায়গা করে নেওয়া যায় খুব সহজেই। একটি ভালো বই আমাদের দৈনন্দিন জীবনের ক্লান্তি দূর করে এবং নতুনভাবে ভাবতে শেখায়।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে