মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
The Dhaka News Bangla

জাবিপ্রবিতে ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নতুন মৎস্য উৎপাদন শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত

জাবিপ্রবিতে ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নতুন মৎস্য উৎপাদন শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত

জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবিপ্রবি) ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নতুন মৎস্য উৎপাদনের উন্নয়ন শীর্ষক একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে ৷ 

আজ সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১১টায় ফিসারিজ বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সভাকক্ষে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়৷ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: আমির হোসেন। 

ফিসারিজ বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাদীকুর রহমানেরর সভাপতিত্বে সেমিনারে  বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মৎস্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান, ফ্রান্সের ইউনিভার্সিটি অব লরেইনের সহযোগী অধ্যাপক ড. থমাস লেকক (Thomas Lecocq) এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ার ইন অ্যানিম্যাল এক্সপেরিমেন্টেশন ড. ইয়ানিক লেডোরে (Yannick Ledore)৷ 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: আমির হোসেন বলেন, বর্তমান বিশ্বে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পুষ্টির চাহিদা পূরণে মৎস্য খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। জলবায়ু পরিবর্তন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপের প্রেক্ষাপটে টেকসই মৎস্য উৎপাদন ও নতুন মাছভিত্তিক পণ্য উদ্ভাবনের বিকল্প নেই। তিনি এ খাতে গবেষণা, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বক্তারা বলেন, ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শুধু প্রচলিত মৎস্য উৎপাদন পদ্ধতির ওপর নির্ভর করলে চলবে না; বরং মূল্য সংযোজনভিত্তিক মাছের নতুন পণ্য উন্নয়ন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ভোক্তাদের পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ গবেষণাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। একই সঙ্গে নিরাপদ ও পুষ্টিকর মাছজাত পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের অবদান আরও বাড়ানো সম্ভব।

ফ্রান্সের ইউনিভার্সিটি অব লরেইনের অতিথি বক্তারা আন্তর্জাতিক গবেষণা অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময় ভবিষ্যৎ গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। বিশেষ করে প্রাণিজ খাদ্য নিরাপত্তা, টেকসই উৎপাদন এবং উদ্ভাবনী মৎস্য পণ্য উন্নয়নে বহুমাত্রিক গবেষণার সুযোগ রয়েছে।

সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, গবেষক, সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন, নতুন মাছভিত্তিক পণ্য উন্নয়ন এবং টেকসই মৎস্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আগামী দিনের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের একাডেমিক উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


জাবিপ্রবিতে ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নতুন মৎস্য উৎপাদন শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬

featured Image
জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবিপ্রবি) ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নতুন মৎস্য উৎপাদনের উন্নয়ন শীর্ষক একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে ৷ আজ সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১১টায় ফিসারিজ বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সভাকক্ষে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়৷ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: আমির হোসেন। ফিসারিজ বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাদীকুর রহমানেরর সভাপতিত্বে সেমিনারে  বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মৎস্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান, ফ্রান্সের ইউনিভার্সিটি অব লরেইনের সহযোগী অধ্যাপক ড. থমাস লেকক (Thomas Lecocq) এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ার ইন অ্যানিম্যাল এক্সপেরিমেন্টেশন ড. ইয়ানিক লেডোরে (Yannick Ledore)৷ প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: আমির হোসেন বলেন, বর্তমান বিশ্বে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পুষ্টির চাহিদা পূরণে মৎস্য খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। জলবায়ু পরিবর্তন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপের প্রেক্ষাপটে টেকসই মৎস্য উৎপাদন ও নতুন মাছভিত্তিক পণ্য উদ্ভাবনের বিকল্প নেই। তিনি এ খাতে গবেষণা, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।বক্তারা বলেন, ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শুধু প্রচলিত মৎস্য উৎপাদন পদ্ধতির ওপর নির্ভর করলে চলবে না; বরং মূল্য সংযোজনভিত্তিক মাছের নতুন পণ্য উন্নয়ন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ভোক্তাদের পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ গবেষণাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। একই সঙ্গে নিরাপদ ও পুষ্টিকর মাছজাত পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের অবদান আরও বাড়ানো সম্ভব।ফ্রান্সের ইউনিভার্সিটি অব লরেইনের অতিথি বক্তারা আন্তর্জাতিক গবেষণা অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময় ভবিষ্যৎ গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। বিশেষ করে প্রাণিজ খাদ্য নিরাপত্তা, টেকসই উৎপাদন এবং উদ্ভাবনী মৎস্য পণ্য উন্নয়নে বহুমাত্রিক গবেষণার সুযোগ রয়েছে।সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, গবেষক, সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন, নতুন মাছভিত্তিক পণ্য উন্নয়ন এবং টেকসই মৎস্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আগামী দিনের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের একাডেমিক উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত