মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
The Dhaka News Bangla

নোয়াখালীতে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় কৃষক দল নেতা গ্রেপ্তার

নোয়াখালীতে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় কৃষক দল নেতা গ্রেপ্তার
নোয়াখালীতে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় কৃষক দল নেতা গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় দেলোয়ার হোসেন নামে কৃষক দলের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। তিনি উপজেলার ২ নং চরবাটা ইউনিয়ন কৃষক দলের সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক। পরিবারের দাবি, দেলোয়ার বিএনপির দুঃসময়ের কর্মী এবং বর্তমানে যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত। 

দেলোয়ার হোসেন সুবর্ণচর উপজেলার ২ নং  চরবাটা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মৃত ছায়েদল হকের ছেলে। তিনি ওই এলাকার ছাদু মাষ্টার বাড়ির বাসিন্দা।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৩ জুলাই তাকে ২ নম্বর চরবাটা ইউনিয়ন কৃষক দলের সমাজসেবা সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। সুবর্ণচর উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক অনুমোদিত কমিটিতে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক বলেন, 'দেলোয়ার আমাদের দলের লোক। তিনি সত্যিকার অর্থেই বিএনপির রাজনীতি করেন। দলের দুঃসময়ে কমিটি দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি যে সন্ত্রাসবিরোধী মামলার আসামি, সে বিষয়ে আমাদের কেউ অবগত করেনি।'

উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন বলেন, 'তিনি আমাদের কৃষক দলের লোক। কীভাবে তাকে সন্ত্রাসবিরোধী মামলার আসামি করা হলো, সে বিষয়ে আমরা কিছুই জানতাম না। আপনাদের মাধ্যমেই বিষয়টি জানতে পেরেছি।'

সাবেক সুবর্ণচর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহাব উদ্দিন অনিক বলেন, 'দেলোয়ার আমার ছাত্রদলের কর্মী। সে আমার সঙ্গে রাজনীতি করেছে। তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। বর্তমানে সে যুবদলের সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তাকে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যা এই সময়ে কাম্য নয়।'

সুবর্ণচর উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম বাবরও দেলোয়ারকে দলের সক্রিয় কর্মী দাবি করে বলেন, 'সে বিএনপির রাজনীতি করে। দলের দুঃসময়ে আমাদের সঙ্গে ছিল, এখনো আছে। তাকে রাজনৈতিকভাবে ফাঁসানো হয়েছে বলে আমরা মনে করি।'

পরিবারের দাবি, ২০১১ সালের দিকে তৎকালীন সৈকত কলেজে (বর্তমানে সৈকত সরকারি কলেজ) ক্লাস কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন দেলোয়ার। সে সময় থেকেই সাহাব উদ্দিন অনিকের সঙ্গে তার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ছিল। এ ছাড়া নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ মোহাম্মদ শাহজাহানের বিভিন্ন নির্বাচনী কর্মসূচি ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের ছবি রয়েছে বলে দাবি পরিবারের। সুবর্ণচর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক বেলাল হোসেন সুমনের সঙ্গেও তার একাধিক ছবি রয়েছে।

গত ২৬ অক্টোবর বিকেলে মাইজদী বড় মসজিদ এলাকা থেকে দেলোয়ারকে গ্রেপ্তার করা হয়। চর জব্বার থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় (মামলা নং-১) আইনের ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২ ও ১৩ ধারায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

এদিকে দেলোয়ারের গ্রেপ্তারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে গত ২৯ অক্টোবর দুপুরে সুবর্ণচর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন তার পরিবারের সদস্যরা।

 দেলোয়ারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার মিম অভিযোগ করে বলেন, 'আমার স্বামী আদালত থেকে ফেরার পথে একদল দুর্বৃত্ত তাকে ধরে নির্জন স্থানে নিয়ে মারধর করে। পরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। আমার স্বামী বিএনপির দুঃসময়ের কর্মী। এখনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। একটি পক্ষের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ থাকায় তারা আমার স্বামীকে এই মামলায় ফাঁসিয়েছে।'

তিনি আরও বলেন, দেলোয়ার নোয়াখালী ল' কলেজের শিক্ষার্থী। চলতি মাসের ৬ তারিখে তার এলএলবি প্রথম বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া তার অস্ত্র ট্রেডিং প্রশিক্ষণ ও ভূমি সার্ভেয়ার প্রশিক্ষণের সনদ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

পরিবারের অভিযোগ, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে একটি পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছে। গত ২৯ অক্টোবর কয়েকজন লোক নিয়ে তাদের জায়গা দখলের চেষ্টাও করা হয়েছে। এ ঘটনায় সুবর্ণচর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে আবুল কালাম আজাদ (কাজল), একরামুল হক মিন্টু, ভুট্টো মেম্বার, মো. খোকন ও হাজী গোলাম মাওলাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন পরিবারের সদস্যরা।

অভিযোগের বিষয়ে আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি জানতে চাওয়ার পর তিনি কল কেটে দেন। পরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অন্য দিকে বাকীদের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান  এই বিষয়ে তারা  অবগত নয়,তারা আগে এই বিষয়ে শালিসের বিষয়ে কথা বলছেন এটা জায়গায় জমি সংক্রান্ত বিষয় তাদের। এবং মামলার বিষয়ে আমারা অবগত নয়,সে বিএনপি করে এটা জানি।

এ বিষয়ে নোয়াখালী জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব জি এস হারুন বলেন, 'বিষয়টি আজ আমাদের সুবর্ণচর উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক জানিয়েছেন। আমরা বিষয়টি দেখছি। মালেকের কাছ থেকে যতটুকু জেনেছি, দেলোয়ার আমাদের কৃষক দলের সক্রিয় কর্মী।'

অন্যদিকে চর জব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান মুঠোফোনে বলেন, 'তাকে গত ২৬ অক্টোবর বিএনপির লোকজন আটক করে সুধারাম থানায় সোপর্দ করেছে। তার বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।'

পরিবারের দাবি, দেলোয়ারের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করা হোক। একই সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হয়রানির অভিযোগও তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

বিষয় : নোয়াখালী গ্রেপ্তার রাজনৈতিক দল বিএনপি নেতা কৃষক

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


নোয়াখালীতে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় কৃষক দল নেতা গ্রেপ্তার

প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬

featured Image
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় দেলোয়ার হোসেন নামে কৃষক দলের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। তিনি উপজেলার ২ নং চরবাটা ইউনিয়ন কৃষক দলের সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক। পরিবারের দাবি, দেলোয়ার বিএনপির দুঃসময়ের কর্মী এবং বর্তমানে যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত। দেলোয়ার হোসেন সুবর্ণচর উপজেলার ২ নং  চরবাটা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মৃত ছায়েদল হকের ছেলে। তিনি ওই এলাকার ছাদু মাষ্টার বাড়ির বাসিন্দা।দলীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৩ জুলাই তাকে ২ নম্বর চরবাটা ইউনিয়ন কৃষক দলের সমাজসেবা সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। সুবর্ণচর উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক অনুমোদিত কমিটিতে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক বলেন, 'দেলোয়ার আমাদের দলের লোক। তিনি সত্যিকার অর্থেই বিএনপির রাজনীতি করেন। দলের দুঃসময়ে কমিটি দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি যে সন্ত্রাসবিরোধী মামলার আসামি, সে বিষয়ে আমাদের কেউ অবগত করেনি।'উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন বলেন, 'তিনি আমাদের কৃষক দলের লোক। কীভাবে তাকে সন্ত্রাসবিরোধী মামলার আসামি করা হলো, সে বিষয়ে আমরা কিছুই জানতাম না। আপনাদের মাধ্যমেই বিষয়টি জানতে পেরেছি।'সাবেক সুবর্ণচর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহাব উদ্দিন অনিক বলেন, 'দেলোয়ার আমার ছাত্রদলের কর্মী। সে আমার সঙ্গে রাজনীতি করেছে। তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। বর্তমানে সে যুবদলের সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তাকে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যা এই সময়ে কাম্য নয়।'সুবর্ণচর উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম বাবরও দেলোয়ারকে দলের সক্রিয় কর্মী দাবি করে বলেন, 'সে বিএনপির রাজনীতি করে। দলের দুঃসময়ে আমাদের সঙ্গে ছিল, এখনো আছে। তাকে রাজনৈতিকভাবে ফাঁসানো হয়েছে বলে আমরা মনে করি।'পরিবারের দাবি, ২০১১ সালের দিকে তৎকালীন সৈকত কলেজে (বর্তমানে সৈকত সরকারি কলেজ) ক্লাস কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন দেলোয়ার। সে সময় থেকেই সাহাব উদ্দিন অনিকের সঙ্গে তার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ছিল। এ ছাড়া নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ মোহাম্মদ শাহজাহানের বিভিন্ন নির্বাচনী কর্মসূচি ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের ছবি রয়েছে বলে দাবি পরিবারের। সুবর্ণচর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক বেলাল হোসেন সুমনের সঙ্গেও তার একাধিক ছবি রয়েছে।গত ২৬ অক্টোবর বিকেলে মাইজদী বড় মসজিদ এলাকা থেকে দেলোয়ারকে গ্রেপ্তার করা হয়। চর জব্বার থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় (মামলা নং-১) আইনের ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২ ও ১৩ ধারায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।এদিকে দেলোয়ারের গ্রেপ্তারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে গত ২৯ অক্টোবর দুপুরে সুবর্ণচর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন তার পরিবারের সদস্যরা। দেলোয়ারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার মিম অভিযোগ করে বলেন, 'আমার স্বামী আদালত থেকে ফেরার পথে একদল দুর্বৃত্ত তাকে ধরে নির্জন স্থানে নিয়ে মারধর করে। পরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। আমার স্বামী বিএনপির দুঃসময়ের কর্মী। এখনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। একটি পক্ষের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ থাকায় তারা আমার স্বামীকে এই মামলায় ফাঁসিয়েছে।'তিনি আরও বলেন, দেলোয়ার নোয়াখালী ল' কলেজের শিক্ষার্থী। চলতি মাসের ৬ তারিখে তার এলএলবি প্রথম বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া তার অস্ত্র ট্রেডিং প্রশিক্ষণ ও ভূমি সার্ভেয়ার প্রশিক্ষণের সনদ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।পরিবারের অভিযোগ, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে একটি পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছে। গত ২৯ অক্টোবর কয়েকজন লোক নিয়ে তাদের জায়গা দখলের চেষ্টাও করা হয়েছে। এ ঘটনায় সুবর্ণচর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে আবুল কালাম আজাদ (কাজল), একরামুল হক মিন্টু, ভুট্টো মেম্বার, মো. খোকন ও হাজী গোলাম মাওলাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন পরিবারের সদস্যরা।অভিযোগের বিষয়ে আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি জানতে চাওয়ার পর তিনি কল কেটে দেন। পরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অন্য দিকে বাকীদের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান  এই বিষয়ে তারা  অবগত নয়,তারা আগে এই বিষয়ে শালিসের বিষয়ে কথা বলছেন এটা জায়গায় জমি সংক্রান্ত বিষয় তাদের। এবং মামলার বিষয়ে আমারা অবগত নয়,সে বিএনপি করে এটা জানি।এ বিষয়ে নোয়াখালী জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব জি এস হারুন বলেন, 'বিষয়টি আজ আমাদের সুবর্ণচর উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক জানিয়েছেন। আমরা বিষয়টি দেখছি। মালেকের কাছ থেকে যতটুকু জেনেছি, দেলোয়ার আমাদের কৃষক দলের সক্রিয় কর্মী।'অন্যদিকে চর জব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান মুঠোফোনে বলেন, 'তাকে গত ২৬ অক্টোবর বিএনপির লোকজন আটক করে সুধারাম থানায় সোপর্দ করেছে। তার বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।'পরিবারের দাবি, দেলোয়ারের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করা হোক। একই সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হয়রানির অভিযোগও তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত