সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
The Dhaka News Bangla

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল অলি

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল অলি
এলডিপির প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম | ফাইল ছবি

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমের নাম ঘোষণা করেছে। তিনি ১১ দলীয় ঐক্যের শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট।

রোববার রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে কর্নেল অলির নাম চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে জোটের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে কর্নেল অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে সব দলের পক্ষ থেকে সম্মতি দেওয়া হয়েছে।

জামায়াত আমির শফিকুর রহমান বলেন, “আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোত্তম ব্যক্তিকে আমরা প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন দিয়েছি। তার জন্য সবাই দোয়া করবেন।”

কর্নেল অলির রাজনৈতিক জীবন

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত কর্নেল অলি আহমদ বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিলেন। জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সরকারে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। খালেদা জিয়ার প্রথম সরকারেও মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন কর্নেল অলি।

২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি চট্টগ্রাম-১৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে একই নির্বাচনে তৎকালীন চট্টগ্রাম-১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীর কাছে পরাজিত হন তিনি। ওই নির্বাচনে সারাদেশে বিএনপি-জামায়াত জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করলেও চট্টগ্রাম-১৪ আসনটি উভয় দলের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছিল। ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও কর্নেল অলি খালেদা জিয়ার সরকারের মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।

২০০৬ সালে বিএনপি থেকে বেরিয়ে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) গঠন করেন কর্নেল অলি। সে সময় তাঁর সঙ্গে বিএনপির ৩২ জন সংসদ সদস্যও দলটি ছেড়ে এলডিপিতে যোগ দেন। এটিকে বিএনপির ইতিহাসে অন্যতম বড় ভাঙন হিসেবে দেখা হয়।

২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এলডিপি এককভাবে অংশ নিয়ে নির্বাচনে জয়ী হন কর্নেল অলি। পরে ২০১২ সালে খালেদা জিয়ার আহ্বানে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেয় এলডিপি।

আসন নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেয় কর্নেল অলির নেতৃত্বাধীন এলডিপি। এবার সেই ১১ দলীয় ঐক্যই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাদের প্রার্থী হিসেবে কর্নেল অলি আহমদের নাম ঘোষণা করেছে।

বিষয় : রাষ্ট্রপতি কর্নেল অলি ১১ দলীয় জোট

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬


রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল অলি

প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমের নাম ঘোষণা করেছে। তিনি ১১ দলীয় ঐক্যের শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট।রোববার রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে কর্নেল অলির নাম চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন।সংবাদ সম্মেলনে জোটের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে কর্নেল অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে সব দলের পক্ষ থেকে সম্মতি দেওয়া হয়েছে।জামায়াত আমির শফিকুর রহমান বলেন, “আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোত্তম ব্যক্তিকে আমরা প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন দিয়েছি। তার জন্য সবাই দোয়া করবেন।” কর্নেল অলির রাজনৈতিক জীবনপ্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত কর্নেল অলি আহমদ বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিলেন। জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সরকারে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। খালেদা জিয়ার প্রথম সরকারেও মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন কর্নেল অলি।২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি চট্টগ্রাম-১৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে একই নির্বাচনে তৎকালীন চট্টগ্রাম-১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীর কাছে পরাজিত হন তিনি। ওই নির্বাচনে সারাদেশে বিএনপি-জামায়াত জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করলেও চট্টগ্রাম-১৪ আসনটি উভয় দলের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছিল। ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও কর্নেল অলি খালেদা জিয়ার সরকারের মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।২০০৬ সালে বিএনপি থেকে বেরিয়ে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) গঠন করেন কর্নেল অলি। সে সময় তাঁর সঙ্গে বিএনপির ৩২ জন সংসদ সদস্যও দলটি ছেড়ে এলডিপিতে যোগ দেন। এটিকে বিএনপির ইতিহাসে অন্যতম বড় ভাঙন হিসেবে দেখা হয়।২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এলডিপি এককভাবে অংশ নিয়ে নির্বাচনে জয়ী হন কর্নেল অলি। পরে ২০১২ সালে খালেদা জিয়ার আহ্বানে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেয় এলডিপি।আসন নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেয় কর্নেল অলির নেতৃত্বাধীন এলডিপি। এবার সেই ১১ দলীয় ঐক্যই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাদের প্রার্থী হিসেবে কর্নেল অলি আহমদের নাম ঘোষণা করেছে।

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত