শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
The Dhaka News Bangla

লাল ফিতা কেটে বাঁশের সাঁকো উদ্বোধন করলেন বিএনপি নেতা

লাল ফিতা কেটে বাঁশের সাঁকো উদ্বোধন করলেন বিএনপি নেতা
ছবি: সংগৃহীত

বরিশালের উজিরপুর পৌরসভায় বাঁশ ও সুপারিগাছ দিয়ে নির্মিত প্রায় ২০০ ফুট দীর্ঘ একটি অস্থায়ী সাঁকো লাল ফিতা কেটে ও বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে উদ্বোধনের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উজিরপুর পৌরসভার ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যবর্তী স্থানে স্থানীয়দের অর্থায়নে বাঁশ ও সুপারিগাছ দিয়ে সাঁকোটি নির্মাণ করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে সাঁকোটির উদ্বোধন করেন উজিরপুর পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম খান।

উদ্বোধন উপলক্ষে সাঁকোটি ফুল ও বেলুন দিয়ে সাজানো হয়। আয়োজনের অংশ হিসেবে লাল ফিতা কাটার পাশাপাশি ঢোল-বাদ্য ও বয়াতিদের গান পরিবেশনের ব্যবস্থা করা হয়। পরে উপস্থিত নারী-পুরুষের মধ্যে মিষ্টিও বিতরণ করা হয়।

সাঁকো উদ্বোধনের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ এটিকে ‘উন্নয়নের নামে লোকদেখানো প্রদর্শনী’ বলে মন্তব্য করেছেন। তাদের প্রশ্ন, যোগাযোগের মতো মৌলিক সমস্যার স্থায়ী সমাধান না করে একটি অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো নির্মাণে স্থানীয়দের দুর্ভোগ কতটা কমবে।

অন্যদিকে, অনেকে স্থানীয়দের উদ্যোগে নিজেদের অর্থায়নে সাঁকো নির্মাণ ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিনের চলাচলের সমস্যায় স্থানীয়দের স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগটি অন্তত সাময়িকভাবে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করেছে।

এ বিষয়ে উজিরপুর পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম খান বলেন, সাঁকোটি উদ্বোধনের জন্য আগে থেকে কোনো প্রস্তুতি বা আয়োজনের কথা তাঁর জানা ছিল না। স্থানীয় নারী-পুরুষ ও শিক্ষার্থীরা চলাচলে চরম ভোগান্তিতে থাকায় এলাকাবাসী নিজেরাই সুপারিগাছ ও বাঁশ দিয়ে সাঁকোটি নির্মাণ করেন।

তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয়রা জড়ো হয়ে আমাকে সেখানে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে উপস্থিত দেড় থেকে দুই শত মানুষ লাল ফিতা ধরে আমাকে কাটার অনুরোধ জানালে আমি তা কাটি। এর মধ্যেই গান-বাজনা ও মিষ্টি বিতরণের আয়োজন করা হয়। এটি সম্পূর্ণ এলাকাবাসীর উৎসাহে ঘটেছে।’

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সাঁকোটি নির্মাণের ফলে আপাতত দুই ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের চলাচলে কিছুটা সুবিধা হয়েছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে ওই স্থানে একটি স্থায়ী ও নিরাপদ যোগাযোগব্যবস্থা নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

বিষয় : বিএনপি নেতা

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬


লাল ফিতা কেটে বাঁশের সাঁকো উদ্বোধন করলেন বিএনপি নেতা

প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image
বরিশালের উজিরপুর পৌরসভায় বাঁশ ও সুপারিগাছ দিয়ে নির্মিত প্রায় ২০০ ফুট দীর্ঘ একটি অস্থায়ী সাঁকো লাল ফিতা কেটে ও বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে উদ্বোধনের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উজিরপুর পৌরসভার ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যবর্তী স্থানে স্থানীয়দের অর্থায়নে বাঁশ ও সুপারিগাছ দিয়ে সাঁকোটি নির্মাণ করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে সাঁকোটির উদ্বোধন করেন উজিরপুর পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম খান।উদ্বোধন উপলক্ষে সাঁকোটি ফুল ও বেলুন দিয়ে সাজানো হয়। আয়োজনের অংশ হিসেবে লাল ফিতা কাটার পাশাপাশি ঢোল-বাদ্য ও বয়াতিদের গান পরিবেশনের ব্যবস্থা করা হয়। পরে উপস্থিত নারী-পুরুষের মধ্যে মিষ্টিও বিতরণ করা হয়।সাঁকো উদ্বোধনের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ এটিকে ‘উন্নয়নের নামে লোকদেখানো প্রদর্শনী’ বলে মন্তব্য করেছেন। তাদের প্রশ্ন, যোগাযোগের মতো মৌলিক সমস্যার স্থায়ী সমাধান না করে একটি অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো নির্মাণে স্থানীয়দের দুর্ভোগ কতটা কমবে।অন্যদিকে, অনেকে স্থানীয়দের উদ্যোগে নিজেদের অর্থায়নে সাঁকো নির্মাণ ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিনের চলাচলের সমস্যায় স্থানীয়দের স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগটি অন্তত সাময়িকভাবে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করেছে।এ বিষয়ে উজিরপুর পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম খান বলেন, সাঁকোটি উদ্বোধনের জন্য আগে থেকে কোনো প্রস্তুতি বা আয়োজনের কথা তাঁর জানা ছিল না। স্থানীয় নারী-পুরুষ ও শিক্ষার্থীরা চলাচলে চরম ভোগান্তিতে থাকায় এলাকাবাসী নিজেরাই সুপারিগাছ ও বাঁশ দিয়ে সাঁকোটি নির্মাণ করেন।তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয়রা জড়ো হয়ে আমাকে সেখানে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে উপস্থিত দেড় থেকে দুই শত মানুষ লাল ফিতা ধরে আমাকে কাটার অনুরোধ জানালে আমি তা কাটি। এর মধ্যেই গান-বাজনা ও মিষ্টি বিতরণের আয়োজন করা হয়। এটি সম্পূর্ণ এলাকাবাসীর উৎসাহে ঘটেছে।’স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সাঁকোটি নির্মাণের ফলে আপাতত দুই ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের চলাচলে কিছুটা সুবিধা হয়েছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে ওই স্থানে একটি স্থায়ী ও নিরাপদ যোগাযোগব্যবস্থা নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত