শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
The Dhaka News Bangla

পুলিশি হেফাজতে আসামীর মৃত্যু-পরিবারের দাবি অপবাদ ও মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরেই তার মৃত্যু হয়েছে

পুলিশি হেফাজতে আসামীর মৃত্যু-পরিবারের দাবি অপবাদ ও মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরেই তার মৃত্যু হয়েছে
পুলিশি হেফাজতে মারা যান মিজানুর রহমান (৫৫)

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় সাত বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় গ্রেপ্তারের পর পুলিশি হেফাজতে মিজানুর রহমান (৫৫) নামে এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে তাকে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত মিজানুর রহমান উপজেলার কৈড়াতলী গ্রামের বাবুর বাড়ির বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, কয়েকদিন আগে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। ওই মামলায় বৃহস্পতিবার সকালে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। থানায় নেওয়ার পথে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান জুয়েল বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই মিজানুর রহমানের মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরে কোনো আঘাত বা জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, গ্রেপ্তারের পর থানায় নেওয়ার পথে আসামি অসুস্থতা অনুভব করলে পুলিশ দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে, মিজানুর রহমানের মৃত্যুকে ঘিরে ভিন্ন দাবি করেছে তার পরিবার। নিহতের স্বজন মামুন পাটোয়ারী অভিযোগ করেন, কয়েকদিন ধরে কৈড়াতলী গ্রামের মোশফিকুর রহমান ঈমু, আসিফ ভুঁইয়া ও কালু মিয়ার একটি চক্র মিজানুর রহমানের কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। তাদের যোগসাজশে পুলিশ কোনো তদন্ত ছাড়াই তাকে গ্রেপ্তার করে মানসিকভাবে নির্যাতন করেছে। পরিবারের দাবি, ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগের অপবাদ ও মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরেই তার মৃত্যু হয়েছে।

ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বিষয় : মৃত্যু

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬


পুলিশি হেফাজতে আসামীর মৃত্যু-পরিবারের দাবি অপবাদ ও মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরেই তার মৃত্যু হয়েছে

প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬

featured Image
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় সাত বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় গ্রেপ্তারের পর পুলিশি হেফাজতে মিজানুর রহমান (৫৫) নামে এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে তাকে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।নিহত মিজানুর রহমান উপজেলার কৈড়াতলী গ্রামের বাবুর বাড়ির বাসিন্দা।পুলিশ জানায়, কয়েকদিন আগে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। ওই মামলায় বৃহস্পতিবার সকালে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। থানায় নেওয়ার পথে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান জুয়েল বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই মিজানুর রহমানের মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরে কোনো আঘাত বা জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, গ্রেপ্তারের পর থানায় নেওয়ার পথে আসামি অসুস্থতা অনুভব করলে পুলিশ দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।এদিকে, মিজানুর রহমানের মৃত্যুকে ঘিরে ভিন্ন দাবি করেছে তার পরিবার। নিহতের স্বজন মামুন পাটোয়ারী অভিযোগ করেন, কয়েকদিন ধরে কৈড়াতলী গ্রামের মোশফিকুর রহমান ঈমু, আসিফ ভুঁইয়া ও কালু মিয়ার একটি চক্র মিজানুর রহমানের কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। তাদের যোগসাজশে পুলিশ কোনো তদন্ত ছাড়াই তাকে গ্রেপ্তার করে মানসিকভাবে নির্যাতন করেছে। পরিবারের দাবি, ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগের অপবাদ ও মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরেই তার মৃত্যু হয়েছে।ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত