মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
The Dhaka News Bangla

চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কে দু শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কে দু শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে সড়ক ও জনপদ।

যানজট নিরসন, সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করা এবং মহাসড়কে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। চাঁদপুর সড়ক বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে শুরু হওয়া এ অভিযান লালমাই এলাকার আগ পর্যন্ত তিন দিন চলবে। অভিযানের প্রথম দিনেই মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চাঁদপুর শহরের ওয়ারলেস এলাকা থেকে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে চাঁদপুর-কুমিল্লা-ফরিদগঞ্জ মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অভিযান চালানো হয়। এ সময় সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গা দখল করে নির্মাণ করা দোকান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে দেওয়া হয়।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চাঁদপুর-কুমিল্লা-ফরিদগঞ্জ মহাসড়কের খাজুরিয়া থেকে বর্ডার বাজার পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে ছয় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব স্থাপনা গড়ে ওঠায় মহাসড়কের প্রশস্ততা কমে যাওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ বাজার ও জনবহুল এলাকায় অবৈধ স্থাপনার কারণে নিয়মিত যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

সওজ চাঁদপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহা. ইউনুস আলী বলেন, মহাসড়কের দুই পাশে অবৈধভাবে দখল করে থাকা স্থাপনা সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট দখলদারদের আগেই নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নোটিশের পরও অনেকেই স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ায় নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযানের অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। আপাতত তিন দিন অভিযান চলবে। প্রথম দিনে প্রায় দুই শতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে চিহ্নিত সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

তিনি বলেন, উচ্ছেদের পর উদ্ধার হওয়া সরকারি জায়গা যাতে পুনরায় দখল না হয়, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারের পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দখলমুক্ত জায়গাগুলোতে বৃক্ষরোপণ করা হবে।

নির্বাহী প্রকৌশলী আরও বলেন, বাবুরহাট এলাকায় প্রায়ই তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। উচ্ছেদের পর সেখানে উদ্ধার হওয়া জায়গা সড়কের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। এতে সড়কের জায়গা আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে এবং যানবাহন চলাচলে স্বাভাবিক গতি ফিরে আসবে। পাশাপাশি ওই এলাকায় যানজটও অনেকটা কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদ রানা বলেন, সড়ক বিভাগের দখলকৃত জায়গা উদ্ধারে জেলা প্রশাসন ও সড়ক বিভাগ যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করছে। অভিযানে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।

বিষয় : চাঁদপুর

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬


চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কে দু শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image
যানজট নিরসন, সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করা এবং মহাসড়কে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। চাঁদপুর সড়ক বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে শুরু হওয়া এ অভিযান লালমাই এলাকার আগ পর্যন্ত তিন দিন চলবে। অভিযানের প্রথম দিনেই মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চাঁদপুর শহরের ওয়ারলেস এলাকা থেকে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে চাঁদপুর-কুমিল্লা-ফরিদগঞ্জ মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অভিযান চালানো হয়। এ সময় সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গা দখল করে নির্মাণ করা দোকান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে দেওয়া হয়।সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চাঁদপুর-কুমিল্লা-ফরিদগঞ্জ মহাসড়কের খাজুরিয়া থেকে বর্ডার বাজার পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে ছয় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব স্থাপনা গড়ে ওঠায় মহাসড়কের প্রশস্ততা কমে যাওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ বাজার ও জনবহুল এলাকায় অবৈধ স্থাপনার কারণে নিয়মিত যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।সওজ চাঁদপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহা. ইউনুস আলী বলেন, মহাসড়কের দুই পাশে অবৈধভাবে দখল করে থাকা স্থাপনা সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট দখলদারদের আগেই নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নোটিশের পরও অনেকেই স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ায় নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযানের অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। আপাতত তিন দিন অভিযান চলবে। প্রথম দিনে প্রায় দুই শতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে চিহ্নিত সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।তিনি বলেন, উচ্ছেদের পর উদ্ধার হওয়া সরকারি জায়গা যাতে পুনরায় দখল না হয়, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারের পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দখলমুক্ত জায়গাগুলোতে বৃক্ষরোপণ করা হবে।নির্বাহী প্রকৌশলী আরও বলেন, বাবুরহাট এলাকায় প্রায়ই তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। উচ্ছেদের পর সেখানে উদ্ধার হওয়া জায়গা সড়কের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। এতে সড়কের জায়গা আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে এবং যানবাহন চলাচলে স্বাভাবিক গতি ফিরে আসবে। পাশাপাশি ওই এলাকায় যানজটও অনেকটা কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদ রানা বলেন, সড়ক বিভাগের দখলকৃত জায়গা উদ্ধারে জেলা প্রশাসন ও সড়ক বিভাগ যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করছে। অভিযানে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত