বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
The Dhaka News Bangla

বিএনপি কে জামায়াতে ইসলামী এমন ভাবে সহযোগিতা করেছে সারা জীবন বললেও শেষ হবে না-জেলা জামায়াত সেক্রেটারি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার ৩নং দক্ষিণ  আলগী ইউনিয়নের উদ্যোগে ২১ আগস্ট সকাল ৬ টায় থেকে ৯ পর্যন্ত বাছাইকৃত কর্মীদের নিয়ে প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছেঅনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ও সাবেক সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী চাঁদপুর-০৩  এড. মোঃ শাহাজান মিয়াবিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমির মাওঃ মোঃ আবুল হোসাইন  উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওঃ মোঃ জাফর সাদেক অনুষ্ঠানে দারসুল কোরআন পেশ করেন মাওলানা মোঃ এমদাদ হোসাইনঅনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা মোঃ হাফিজুর রহমানঅনুষ্ঠানে বক্তারা, দিন দুনিয়ার এবং আমলের বিষয়গুলো নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন,এবং বাংলাদেশে আগামী দিনের সৎ যোগ্য নেতৃত্ব নেওয়ার জন্য যোগ্য মানুষকে ক্ষমতায় নিতে হবে,তার জন্য নীতি নৈতিকতার সম্পন্ন মানুষ যিনি আল্লাহকে ভয় করেন এমন মানুষকে  নির্বাচিত করতে হবে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শাহাজান মিয়া কর্ম পদ্ধতি আলোচনার মাঝে বলেন, সরকার গঠনে সুযোগ জামায়াত ইসলামী বিএনপিকে এই সুযোগ না দিতো বাংলাদেশের ভাগ্য ভিন্ন রকম হতে পারতো। কিন্তু এর বদলতে জামায়াত ইসলামী কিচ্ছু গ্রহণ করেনি তবে সংবাদ সম্মেলন করে বলেছে, আমরা আপনাদের নিঃস্বার্থভাবে সমর্থন জানাইলাম সরকার গঠনে। আপনারা যতক্ষণ জনগণের পক্ষে থাকবেন ইসলামের পক্ষে থাকবেন ততক্ষণ আপনাদের সাথে আছি আর যখন জনগণের বিপক্ষে যাবেন আপনাদের সাথে নাই।  ক্ষমতায় কোনোভাবে সুযোগ পেয়ে যাওয়া আর যেনো-তেনো ভাবে গিয়ে কিছু করা এটা জামায়াত ইসলামীর কোন লক্ষ্য না বরং জামায়াত ইসলামীর লক্ষ্য স্থায়ীভাবে মন মগজে পরিবর্তন চিন্তার পরিবর্তন মানুষের আমলের পরিবর্তন এর মাধ্যমে বিশুদ্ধ মানুষ তৈরি করা যেভাবে হযরত মুহাম্মদ (সঃ) লোক তৈরি করেছেন। তিনি আরো বলেন,বিএনপি'র বন্ধুরা বলে জামায়াত ইসলামীকে আমরা এমনভাবে সহযোগিতা করেছি এটা ঠিকি,আবার  বিএনপিকে জামায়াত ইসলামী এমনভাবে সহযোগিতা করেছে সারা জীবন বললেও শেষ হবেনা। কারন বিএনপিকে ১৯৯১ সালে সরকার গঠনে নিঃস্বার্থভাবে জামায়াত ইসলামী সুযোগ করে দিয়েছিল। এটা তো পৃথিবী এমন কোন নজির নাই বাংলাদেশের রাজনীতিতে ও এমন কোন নজির নাই। অনুষ্ঠানের সভাপতি তার বক্তব্যে  কর্মীদের কাজ ও প্রশিক্ষণ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী হওয়ার জন্য যে কাজ এবং স্বত্ব গুলো রয়েছে তা নিয়ে  আলোচনা করেন। এবং তিনি বলেন,আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী।এখনো আমাদের আশে পাশে পাশে যে সকল ভাইয়েরা জামায়াতে ইসলামীর দাওয়াত পায়নি,ইসলামী আন্দোলনের দাওয়াত পায় নাই, আল্লাহর এ জমিনে আল্লাহ দ্বীন প্রতিষ্ঠার দাওয়াত পায় নাই সে সকল ভাইদের আমাদের দাওয়াত পোঁছে দিতে হবে।তিনি আরো বলেন, সমাজের মানুষের পাশে আমাদের দাড়াতে হবে, কারন আমরা দেখছি এ সমাজে যারা প্রতিনিধিত্ব করছে যারা মেম্বার চেয়ারম্যান হচ্ছেন এ গুলো সব গুলো গাজা খোর,মদ খোর,বে-নামাজি। আল্লাহ  আইন তারা চায় না। এ জমিনে সমাজ কে  পরিবর্তন করতে চাই সমাজের মানুষের জন্য কল্যানকর কিছু করতে চাই। রিলিফের মাল যারা নিজেরা ভোগ করে এ রকম প্রতিনিধিদের পিছনে ফেলে সৎ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চাই। তাহলে প্রত্যেক টা ওয়ার্ড মেম্বার কে আমানতদার  তৈরি করতে হবে এবং চেয়ারম্যান কে আমানতদার তৈরি করতে হবে। সামনে স্থানীয় নির্বাচনে আমাদের ইউনিয়নের প্রত্যেক টা ওর্য়াডে ন্যায় ও আমানতদার প্রার্থী দিতে চাই। পাশাপাশি এদের দেখার জন্য একজন যোগ্য আমানতদার খোদাভীরু চেয়্যারমান দিতে চাই।অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোঃ আবু হানিফসবশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যামে অনুষ্ঠানটি সম্পূর্ণ হয়।

বিএনপি কে জামায়াতে ইসলামী এমন ভাবে সহযোগিতা করেছে সারা জীবন বললেও শেষ হবে না-জেলা জামায়াত সেক্রেটারি