বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
The Dhaka News Bangla

চাঁদপুরে ৪০০ একর কৃষিজমিতে ৪০টির বেশি ঝিল; উচ্ছেদ অভিযানে জব্দ ভেকু

চাঁদপুরে ৪০০ একর কৃষিজমিতে ৪০টির বেশি ঝিল; উচ্ছেদ অভিযানে জব্দ ভেকু
ঝিল কেটে নদীতে মাছ অবমুক্ত করা হয়।

চাঁদপুর সদর উপজেলার ইব্রাহীমপুর ইউনিয়নের মুখদ্দি ও তালতাতলী এলাকায় প্রায় ৪০০ একর কৃষিজমিতে মাটি কেটে ৪০ থেকে ৫০টি ঝিল তৈরির অভিযোগে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। মাছ চাষের আড়ালে কৃষিজমি ও সরকারি খাসজমি দখল এবং জমির উপরিভাগের উর্বর মাটি (টপ সয়েল) বিভিন্ন ইটভাটায় বিক্রির অভিযোগে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক। এ সময় একটি ভেকু জব্দ করা হয় এবং ঝিলে চাষ করা মাছ নদীতে অবমুক্ত করা হয়।

স্থানীয় জমির মালিকদের অভিযোগ, একটি প্রভাবশালী চক্র তাদের পৈতৃক সম্পত্তিসহ কৃষিজমি অবৈধভাবে দখল করে মাটি কেটে বিক্রি করেছে। জমি দখল ও মাটি কাটার কাজে বাধা দিতে গেলে তাদের হুমকি ও মারধরের শিকার হতে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম এন জামিউল হিকমা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রত্যয় হাশেম, জেলা বিএনপির সহসভাপতি খলিলুর রহমান গাজী ও ডি এম শাহজাহান, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহজালাল মিশন, সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী ঢালী, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন খান আকাশসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্য ও দলীয় নেতাকর্মীরা। 

স্থানীয় জমির মালিক মো. নুরুল ইসলাম রাঢ়ী বলেন, “এখানে আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি রয়েছে। এসব জমিতে আমাদের বাপ-দাদারা বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষ করতেন। কিন্তু কিছু লোক ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে হুমকি-ধমকি দিয়ে জমি দখল করেছে। মাছের ঝিল তৈরির নামে ফসলি জমির মাটি কেটে বিভিন্ন ইটভাটায় বিক্রি করেছে।”

আরেক জমির মালিক ইদ্রিস আলী জানান, ইব্রাহীমপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মুখদ্দি এলাকায় তাঁর পৈতৃক ২২ একর সম্পত্তি রয়েছে। একটি চক্র ওই জমি দখল করে মাটি কাটা শুরু করলে তাঁরা বাধা দেন। এ সময় তাঁদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযানের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ইদ্রিস আলী বলেন, সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক যে উদ্যোগ নিয়েছেন, এ জন্য তাঁরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ এবং তাঁর জন্য দোয়া করবেন।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম এন জামিউল হিকমা বলেন, “এই চরে প্রায় ৪০০ একর জমি রয়েছে। একটি চক্র পুকুর খনন করে আসছিল। খননের সময় বিভিন্ন পর্যায়ে আমরা বাধা দিয়েছি। প্রায় ৪০ বার অভিযান চালিয়ে ভেকু বিনষ্ট করা হলেও তারা কার্যক্রম বন্ধ করেনি।”

তিনি বলেন, দুর্গম এলাকা হওয়ায় নদী উত্তাল থাকলে সেখানে যাতায়াত কঠিন হয়ে পড়ে। এই সুযোগে চক্রটি আবারও মাটি কাটার কাজ শুরু করে। বৃহস্পতিবারের অভিযানে ঝিলের মাছ নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে।

ইউএনও আরও জানান, সরকারি আইন অনুযায়ী স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে তিনটি মামলা করা হয়েছে। মামলাগুলোতে প্রায় ৪৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান ও অনুসন্ধান চলছে। অভিযুক্তদের মধ্যে অনেকে স্থানীয় নন; বিভিন্ন জেলা থেকে এসে তাঁরা এ কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছেন বলে তিনি জানান।

সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক বলেন, একটি চক্র নদীর ওপার থেকে এসে ইব্রাহীমপুর ইউনিয়নের আবাদি জমি ও সরকারি খাসজমিতে অবৈধ কার্যক্রম চালাচ্ছে। এসব জমিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। প্রশাসন এর আগেও বহুবার অভিযান চালিয়েছে। কিন্তু অভিযান শেষ হলে চক্রটি আবারও একই কার্যক্রম শুরু করে।

তিনি বলেন, “ইউএনও সাহেবের সঙ্গে সরেজমিনে পরিস্থিতি দেখতে এসে ভয়াবহ অবস্থা দেখতে পেয়েছি। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে আমাদের আবাদি জমির পরিমাণ কমে যাবে।”

ইব্রাহীমপুরে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে সংসদ সদস্য বলেন, সরকার সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চেষ্টা করছে। ইব্রাহীমপুরে বিপুল পরিমাণ জমি রয়েছে। পরিকল্পিতভাবে সেখানে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করা গেলে কৃষক ও দেশ—উভয়ই উপকৃত হতে পারে।

জমির মালিকানা ও বন্দোবস্ত প্রসঙ্গে শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক বলেন, এসব জমির মালিক সরকার। সরকারি বিধিবিধান ও গেজেট অনুযায়ী জমির বন্দোবস্ত হতে হবে। সদর উপজেলা প্রশাসন জমির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুসরণ করে এলাকার ভূমিহীনদের মধ্যে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা করবেন বলেও জানান তিনি।

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে সংসদ সদস্য বলেন, “যারা এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না সে যে-ই হোক।”

তিনি আরও বলেন, দুর্গম এ এলাকায় যাতায়াত অত্যন্ত কঠিন। গত চার মাস নদী উত্তাল থাকায় প্রশাসনের পক্ষে সেখানে যাওয়া কঠিন ছিল। এই সুযোগে চক্রটি কার্যক্রম চালিয়েছে। জড়িত সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের একাধিক অভিযান সত্ত্বেও কৃষিজমি দখল ও মাটি কাটার কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করা যায়নি। এখন কৃষিজমি রক্ষা, অবৈধভাবে দখল করা জমির প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণ এবং সরকারি বিধি অনুসারে বন্দোবস্ত নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিষয় : অভিযান

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬


চাঁদপুরে ৪০০ একর কৃষিজমিতে ৪০টির বেশি ঝিল; উচ্ছেদ অভিযানে জব্দ ভেকু

প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
চাঁদপুর সদর উপজেলার ইব্রাহীমপুর ইউনিয়নের মুখদ্দি ও তালতাতলী এলাকায় প্রায় ৪০০ একর কৃষিজমিতে মাটি কেটে ৪০ থেকে ৫০টি ঝিল তৈরির অভিযোগে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। মাছ চাষের আড়ালে কৃষিজমি ও সরকারি খাসজমি দখল এবং জমির উপরিভাগের উর্বর মাটি (টপ সয়েল) বিভিন্ন ইটভাটায় বিক্রির অভিযোগে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক। এ সময় একটি ভেকু জব্দ করা হয় এবং ঝিলে চাষ করা মাছ নদীতে অবমুক্ত করা হয়।স্থানীয় জমির মালিকদের অভিযোগ, একটি প্রভাবশালী চক্র তাদের পৈতৃক সম্পত্তিসহ কৃষিজমি অবৈধভাবে দখল করে মাটি কেটে বিক্রি করেছে। জমি দখল ও মাটি কাটার কাজে বাধা দিতে গেলে তাদের হুমকি ও মারধরের শিকার হতে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম এন জামিউল হিকমা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রত্যয় হাশেম, জেলা বিএনপির সহসভাপতি খলিলুর রহমান গাজী ও ডি এম শাহজাহান, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহজালাল মিশন, সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী ঢালী, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন খান আকাশসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্য ও দলীয় নেতাকর্মীরা। স্থানীয় জমির মালিক মো. নুরুল ইসলাম রাঢ়ী বলেন, “এখানে আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি রয়েছে। এসব জমিতে আমাদের বাপ-দাদারা বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষ করতেন। কিন্তু কিছু লোক ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে হুমকি-ধমকি দিয়ে জমি দখল করেছে। মাছের ঝিল তৈরির নামে ফসলি জমির মাটি কেটে বিভিন্ন ইটভাটায় বিক্রি করেছে।”আরেক জমির মালিক ইদ্রিস আলী জানান, ইব্রাহীমপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মুখদ্দি এলাকায় তাঁর পৈতৃক ২২ একর সম্পত্তি রয়েছে। একটি চক্র ওই জমি দখল করে মাটি কাটা শুরু করলে তাঁরা বাধা দেন। এ সময় তাঁদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।অভিযানের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ইদ্রিস আলী বলেন, সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক যে উদ্যোগ নিয়েছেন, এ জন্য তাঁরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ এবং তাঁর জন্য দোয়া করবেন।সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম এন জামিউল হিকমা বলেন, “এই চরে প্রায় ৪০০ একর জমি রয়েছে। একটি চক্র পুকুর খনন করে আসছিল। খননের সময় বিভিন্ন পর্যায়ে আমরা বাধা দিয়েছি। প্রায় ৪০ বার অভিযান চালিয়ে ভেকু বিনষ্ট করা হলেও তারা কার্যক্রম বন্ধ করেনি।”তিনি বলেন, দুর্গম এলাকা হওয়ায় নদী উত্তাল থাকলে সেখানে যাতায়াত কঠিন হয়ে পড়ে। এই সুযোগে চক্রটি আবারও মাটি কাটার কাজ শুরু করে। বৃহস্পতিবারের অভিযানে ঝিলের মাছ নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে।ইউএনও আরও জানান, সরকারি আইন অনুযায়ী স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে তিনটি মামলা করা হয়েছে। মামলাগুলোতে প্রায় ৪৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান ও অনুসন্ধান চলছে। অভিযুক্তদের মধ্যে অনেকে স্থানীয় নন; বিভিন্ন জেলা থেকে এসে তাঁরা এ কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছেন বলে তিনি জানান।সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক বলেন, একটি চক্র নদীর ওপার থেকে এসে ইব্রাহীমপুর ইউনিয়নের আবাদি জমি ও সরকারি খাসজমিতে অবৈধ কার্যক্রম চালাচ্ছে। এসব জমিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। প্রশাসন এর আগেও বহুবার অভিযান চালিয়েছে। কিন্তু অভিযান শেষ হলে চক্রটি আবারও একই কার্যক্রম শুরু করে।তিনি বলেন, “ইউএনও সাহেবের সঙ্গে সরেজমিনে পরিস্থিতি দেখতে এসে ভয়াবহ অবস্থা দেখতে পেয়েছি। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে আমাদের আবাদি জমির পরিমাণ কমে যাবে।”ইব্রাহীমপুরে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে সংসদ সদস্য বলেন, সরকার সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চেষ্টা করছে। ইব্রাহীমপুরে বিপুল পরিমাণ জমি রয়েছে। পরিকল্পিতভাবে সেখানে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করা গেলে কৃষক ও দেশ—উভয়ই উপকৃত হতে পারে।জমির মালিকানা ও বন্দোবস্ত প্রসঙ্গে শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক বলেন, এসব জমির মালিক সরকার। সরকারি বিধিবিধান ও গেজেট অনুযায়ী জমির বন্দোবস্ত হতে হবে। সদর উপজেলা প্রশাসন জমির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুসরণ করে এলাকার ভূমিহীনদের মধ্যে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা করবেন বলেও জানান তিনি।অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে সংসদ সদস্য বলেন, “যারা এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না সে যে-ই হোক।”তিনি আরও বলেন, দুর্গম এ এলাকায় যাতায়াত অত্যন্ত কঠিন। গত চার মাস নদী উত্তাল থাকায় প্রশাসনের পক্ষে সেখানে যাওয়া কঠিন ছিল। এই সুযোগে চক্রটি কার্যক্রম চালিয়েছে। জড়িত সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের একাধিক অভিযান সত্ত্বেও কৃষিজমি দখল ও মাটি কাটার কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করা যায়নি। এখন কৃষিজমি রক্ষা, অবৈধভাবে দখল করা জমির প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণ এবং সরকারি বিধি অনুসারে বন্দোবস্ত নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত