বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
The Dhaka News Bangla

বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে আপত্তিকর ভিডিও, দুই শিক্ষক বরখাস্ত

বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে আপত্তিকর ভিডিও, দুই শিক্ষক বরখাস্ত
নোয়াখালীতে বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে আপত্তিকর ভিডিও, দুই শিক্ষক বরখাস্ত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুজনের একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও এক সহকারী শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) ইশরাত নাসিমা হাবীব। এর আগে গত রোববার পৃথক দুটি আদেশে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকরা হলেন, বেগমগঞ্জের মীরওয়ারিশপুর ইউনিয়নের ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এবিএম সাইফুল ইসলাম ও বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষিকা জেসমিন আক্তার।

বরখাস্তের আদেশে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তদের নৈতিক স্খলন এবং তাদের অশালীন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ায় প্রাথমিক শিক্ষার ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৩৯(১) ধারা অনুযায়ী তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন বিধি মোতাবেক তারা খোরপোশ ভাতা প্রাপ্য হবেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালে ওই দুই শিক্ষকের অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে তদন্ত করা হয়। পরে তাদের নিজ কর্মস্থল ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে এবিএম সাইফুল ইসলামকে দূরবর্তী বালুচরা সমাজ কল্যান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও জেসমিন আক্তারকে ডহরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংযুক্তি দেওয়া হয়। যদিও কাগজপত্রে তাদের কর্মস্থল ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ২০২৬ সালের আগস্টের শেষের দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের একটি আপত্তিকর ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। এরপর তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে একটি বিভাগীয় মামলাও করা হয়েছে, যা বর্তমানে চলমান রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ধারণ করা হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয় চলাকালে বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষেই ওই দুই শিক্ষক অবস্থান করছিলেন। ওই সময় ভিডিওটি ধারণ করা হয়।

এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) ইশরাত নাসিমা হাবীব বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় এবং বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষার ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করায় সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিষয় : নোয়াখালী শিক্ষক অপরাধ নারী

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে আপত্তিকর ভিডিও, দুই শিক্ষক বরখাস্ত

প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুজনের একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও এক সহকারী শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) ইশরাত নাসিমা হাবীব। এর আগে গত রোববার পৃথক দুটি আদেশে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।সাময়িক বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকরা হলেন, বেগমগঞ্জের মীরওয়ারিশপুর ইউনিয়নের ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এবিএম সাইফুল ইসলাম ও বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষিকা জেসমিন আক্তার।বরখাস্তের আদেশে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তদের নৈতিক স্খলন এবং তাদের অশালীন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ায় প্রাথমিক শিক্ষার ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৩৯(১) ধারা অনুযায়ী তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন বিধি মোতাবেক তারা খোরপোশ ভাতা প্রাপ্য হবেন।জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালে ওই দুই শিক্ষকের অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে তদন্ত করা হয়। পরে তাদের নিজ কর্মস্থল ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে এবিএম সাইফুল ইসলামকে দূরবর্তী বালুচরা সমাজ কল্যান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও জেসমিন আক্তারকে ডহরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংযুক্তি দেওয়া হয়। যদিও কাগজপত্রে তাদের কর্মস্থল ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ২০২৬ সালের আগস্টের শেষের দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের একটি আপত্তিকর ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। এরপর তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে একটি বিভাগীয় মামলাও করা হয়েছে, যা বর্তমানে চলমান রয়েছে।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ধারণ করা হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয় চলাকালে বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষেই ওই দুই শিক্ষক অবস্থান করছিলেন। ওই সময় ভিডিওটি ধারণ করা হয়।এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) ইশরাত নাসিমা হাবীব বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় এবং বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষার ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করায় সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত