গত বছরের ৩০ নভেম্বর সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন চান্দিনা উপজেলার মহারং গ্রামের বাসিন্দা রাসেল মুন্সি। পরিবারের সদস্যরা তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পেয়ে সম্ভাব্য সব জায়গায় সন্ধান চালিয়েও ব্যর্থ হন। এরপর রাসেলের ছোট ভাই মাসুদ রানা থানায় সাধারণ ডায়েরি করলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং পরে এটি অপহরণ মামলায় রূপ নেয়। তদন্তের এক পর্যায়ে বুড়িচংয়ের নির্জন এক পরিত্যক্ত ঘরে রাসেলের ব্যাগ ও আতরসহ রক্তের দাগ খুঁজে পায় পুলিশ। উদ্ধারকৃত আলামতগুলো সিআইডির মাধ্যমে ল্যাবে পাঠানো হলে চলতি মাসের শুরুতে রাসেলের মা-বাবার ডিএনএ-র সঙ্গে সেগুলোর সাদৃশ্য পাওয়ার প্রতিবেদন হাতে আসে।
পুলিশ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এ পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিলেও এখন পর্যন্ত হত্যার রহস্য বা মরদেহের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। চাঞ্চল্যকর এই মামলায় দুইজন আসামি জামিনে মুক্ত হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাসেলের স্বজনরা। রাসেলের স্ত্রী রুমা আক্তারের অভিযোগ, শুরু থেকেই তারা হত্যার আশঙ্কা করলেও দীর্ঘ পাঁচ মাসেও হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ কিংবা মরদেহ উদ্ধার করতে পারেনি প্রশাসন। বর্তমানে ডিএনএ রিপোর্টের মাধ্যমে হত্যার বিষয়টি অনেকটা নিশ্চিত হওয়ায় দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন শোকার্ত পরিবার ও এলাকাবাসী। অন্যদিকে তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আসামিরা মুখ না খুললেও বিজ্ঞানসম্মত প্রমাণের ভিত্তিতে রহস্য উদঘাটনে জোরালো চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে