শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
The Dhaka News Bangla

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আগমনে ‘এক রাতের ভোল বদল’ সিলেট এমএজি ওসমানী কলেজ হাসপাতা

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আগমনে ‘এক রাতের ভোল বদল’ সিলেট এমএজি ওসমানী কলেজ হাসপাতা
ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের আগমনকে কেন্দ্র করে রাতারাতি চেহারা বদলে গেছে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের। চিরচেনা নোংরা ও বিশৃঙ্খল পরিবেশ দূর হয়ে হাসপাতাল জুড়ে এখন ঝকঝকে পরিচ্ছন্নতার ছাপ। তবে এই পরিবর্তন স্থায়ী কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা।

শুক্রবার (৪ জুলাই ) সকালে হাসপাতাল পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তাঁর সঙ্গে পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে প্রস্তুত রাখা হয়েছে একাধিক স্ট্রেচার। শুধু তাই নয়, প্রতিটি স্ট্রেচারে পেতে রাখা হয়েছে পরিষ্কার বেডশিট ও বালিশ , যা সাধারণ সময়ে হাসপাতালটিতে এক বিরল দৃশ্য। অথচ স্বাভাবিক সময়ে এখানে রোগীদের স্ট্রেচার পেতেই চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

যেসব ওয়ার্ডের শৌচাগারে দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে প্রবেশ করাই কঠিন হতো, শুক্রবার সকালে সেগুলোতে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। পরিচ্ছন্নতা-কর্মীরা নিয়মিত পানি দিয়ে মেঝে পরিষ্কার করছেন, কোথাও আবর্জনার স্তূপ চোখে পড়েনি। পরিদর্শনের ঠিক আগ-মুহূর্তেও শিশু ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন জায়গায় পরিচ্ছন্নতা-কর্মীদের তড়িঘড়ি করে কাজ করতে দেখা যায়।

মন্ত্রী আসার কারণে এদিন রোগীদের জন্য পরিবেশন করা খাবারের মানেও স্পষ্ট পরিবর্তন লক্ষ করা গেছে। রোগীদের দেওয়া হয় গরম ও উন্নতমানের খাবার। খাবার চেখে দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তবে এক রাতের এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ওয়ার্ডের বিছানা থেকে ছারপোকা দূর করা সম্ভব হয়নি। রোগীদের বিছানায় ছারপোকার উপস্থিতি দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন খোদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীও।

“চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজন জামাল আহমদ জানান, মন্ত্রী আসার কারণেই হাসপাতাল হঠাৎ এত পরিষ্কার দেখাচ্ছে। অন্য সময় সবসময় নোংরা অবস্থায় থাকে। নাসির হোসেন নামের আরেক স্বজন বলেন, মন্ত্রী আসায় খাবারের মান ও পরিবেশ সবই বদলে গেছে; ডাক্তার ও নার্সরাও নিয়মিত এসে রোগীর খোঁজখবর নিচ্ছেন।“

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনিরের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আগমনে ‘এক রাতের ভোল বদল’ সিলেট এমএজি ওসমানী কলেজ হাসপাতা

প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের আগমনকে কেন্দ্র করে রাতারাতি চেহারা বদলে গেছে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের। চিরচেনা নোংরা ও বিশৃঙ্খল পরিবেশ দূর হয়ে হাসপাতাল জুড়ে এখন ঝকঝকে পরিচ্ছন্নতার ছাপ। তবে এই পরিবর্তন স্থায়ী কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা।শুক্রবার (৪ জুলাই ) সকালে হাসপাতাল পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তাঁর সঙ্গে পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে প্রস্তুত রাখা হয়েছে একাধিক স্ট্রেচার। শুধু তাই নয়, প্রতিটি স্ট্রেচারে পেতে রাখা হয়েছে পরিষ্কার বেডশিট ও বালিশ , যা সাধারণ সময়ে হাসপাতালটিতে এক বিরল দৃশ্য। অথচ স্বাভাবিক সময়ে এখানে রোগীদের স্ট্রেচার পেতেই চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।যেসব ওয়ার্ডের শৌচাগারে দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে প্রবেশ করাই কঠিন হতো, শুক্রবার সকালে সেগুলোতে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। পরিচ্ছন্নতা-কর্মীরা নিয়মিত পানি দিয়ে মেঝে পরিষ্কার করছেন, কোথাও আবর্জনার স্তূপ চোখে পড়েনি। পরিদর্শনের ঠিক আগ-মুহূর্তেও শিশু ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন জায়গায় পরিচ্ছন্নতা-কর্মীদের তড়িঘড়ি করে কাজ করতে দেখা যায়।মন্ত্রী আসার কারণে এদিন রোগীদের জন্য পরিবেশন করা খাবারের মানেও স্পষ্ট পরিবর্তন লক্ষ করা গেছে। রোগীদের দেওয়া হয় গরম ও উন্নতমানের খাবার। খাবার চেখে দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তবে এক রাতের এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ওয়ার্ডের বিছানা থেকে ছারপোকা দূর করা সম্ভব হয়নি। রোগীদের বিছানায় ছারপোকার উপস্থিতি দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন খোদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীও।“চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজন জামাল আহমদ জানান, মন্ত্রী আসার কারণেই হাসপাতাল হঠাৎ এত পরিষ্কার দেখাচ্ছে। অন্য সময় সবসময় নোংরা অবস্থায় থাকে। নাসির হোসেন নামের আরেক স্বজন বলেন, মন্ত্রী আসায় খাবারের মান ও পরিবেশ সবই বদলে গেছে; ডাক্তার ও নার্সরাও নিয়মিত এসে রোগীর খোঁজখবর নিচ্ছেন।“এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনিরের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত