সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
The Dhaka News Bangla

হাতিয়ায় মেঘনা নদীতে ফেলে আ.লীগ নেতাকে হত্যার চেষ্টা

হাতিয়ায় মেঘনা নদীতে ফেলে আ.লীগ নেতাকে হত্যার চেষ্টা
হাতিয়া উপজেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং হাতিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ছাইফউদ্দিন আহাম্মদ

নোয়াখালীর হাতিয়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতাকে মেঘনা নদীতে ফেলে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় জেলে ও ঘাটে উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় তিনি প্রাণে রক্ষা পান।

ভুক্তভোগী আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট ছাইফউদ্দিন আহাম্মদ। তিনি হাতিয়া উপজেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং হাতিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি।

শনিবার (৬ জুন) রাত পৌনে ১২টার দিকে তিনি নিজেই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। এর আগে শুক্রবার রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার চেয়ারম্যান ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার রাতে অ্যাডভোকেট ছাইফউদ্দিন আহাম্মদ জেলার বসুরহাট পৌরসভা এলাকায় তার ছেলের শ্বশুরবাড়িতে দাওয়াত খেয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চেয়ারম্যান ঘাটে আসেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেরি চলাচল সংক্রান্ত একটি পোস্ট দেখে তারা সেখানে পৌঁছান। পরে জানতে পারেন, রাতের জন্য ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এরপর হাতিয়ায় ফেরার জন্য একটি ট্রলার ভাড়া করা হয়। পরিবারের সদস্যদের ট্রলারে তুলে দেওয়ার পর তিনি নিজে ট্রলারে ওঠতে উদ্যত হন। এ সময় পেছন থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে ধাক্কা দিলে তিনি মেঘনা নদীতে পড়ে যান। আকস্মিক এ ঘটনায় ঘাট এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে কয়েকজন ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে ও হৈ-হুল্লোড় করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নদীতে পড়ে যাওয়ার পর তিনি কিছুক্ষণ ভেসে থাকার চেষ্টা করেন। এ সময় উপস্থিত একজন ব্যক্তি তাকে একটি গামছা ছুড়ে দিলে সেটি ধরে তিনি পানিতে টিকে থাকেন। পরে স্থানীয় জেলে ও ঘাটে থাকা লোকজন তাকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন।

অ্যাডভোকেট ছাইফউদ্দিন আহাম্মদ দাবি করেন, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে ট্রলারে ওঠার সময় পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় মানুষের সহায়তায় তিনি প্রাণে বেঁচে গেছেন বলেও জানান। ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছি। তবে সত্য-মিথ্যা জানিনা। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিষয় : নোয়াখালী আওয়ামী লীগ হত্যা হাতিয়া

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬


হাতিয়ায় মেঘনা নদীতে ফেলে আ.লীগ নেতাকে হত্যার চেষ্টা

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬

featured Image
নোয়াখালীর হাতিয়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতাকে মেঘনা নদীতে ফেলে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় জেলে ও ঘাটে উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় তিনি প্রাণে রক্ষা পান।ভুক্তভোগী আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট ছাইফউদ্দিন আহাম্মদ। তিনি হাতিয়া উপজেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং হাতিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি।শনিবার (৬ জুন) রাত পৌনে ১২টার দিকে তিনি নিজেই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। এর আগে শুক্রবার রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার চেয়ারম্যান ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার রাতে অ্যাডভোকেট ছাইফউদ্দিন আহাম্মদ জেলার বসুরহাট পৌরসভা এলাকায় তার ছেলের শ্বশুরবাড়িতে দাওয়াত খেয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চেয়ারম্যান ঘাটে আসেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেরি চলাচল সংক্রান্ত একটি পোস্ট দেখে তারা সেখানে পৌঁছান। পরে জানতে পারেন, রাতের জন্য ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এরপর হাতিয়ায় ফেরার জন্য একটি ট্রলার ভাড়া করা হয়। পরিবারের সদস্যদের ট্রলারে তুলে দেওয়ার পর তিনি নিজে ট্রলারে ওঠতে উদ্যত হন। এ সময় পেছন থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে ধাক্কা দিলে তিনি মেঘনা নদীতে পড়ে যান। আকস্মিক এ ঘটনায় ঘাট এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে কয়েকজন ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে ও হৈ-হুল্লোড় করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে জানা গেছে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নদীতে পড়ে যাওয়ার পর তিনি কিছুক্ষণ ভেসে থাকার চেষ্টা করেন। এ সময় উপস্থিত একজন ব্যক্তি তাকে একটি গামছা ছুড়ে দিলে সেটি ধরে তিনি পানিতে টিকে থাকেন। পরে স্থানীয় জেলে ও ঘাটে থাকা লোকজন তাকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন।অ্যাডভোকেট ছাইফউদ্দিন আহাম্মদ দাবি করেন, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে ট্রলারে ওঠার সময় পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় মানুষের সহায়তায় তিনি প্রাণে বেঁচে গেছেন বলেও জানান। ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে তিনি অভিযোগ করেন।এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছি। তবে সত্য-মিথ্যা জানিনা। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত