বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
The Dhaka News Bangla

নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিনে পদ্মা-মেঘনা ইলিশ অবতরণ কেন্দ্র দুটোই ফাঁকা

নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিনে পদ্মা-মেঘনা ইলিশ অবতরণ কেন্দ্র দুটোই ফাঁকা
নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিনে পদ্মা-মেঘনা ইলিশ অবতরণ কেন্দ্র ।

সাগর থেকে নদীতে আসা ইলিশ নিরাপদে ডিম ছাড়ার জন্য চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর ৭০ কিলোমিটার অভয়াশ্রমে সব ধরণের মাছ আহরণ নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে। প্রথম দিনে মেঘনা নদী ও মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র দুটোই ফাঁকা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বেলা ১১টায় শহরের তিন নদীর মোহনা বড় স্টেশন, টিলাবাড়ী ও লঞ্চঘাট এলাকায় গিয়ে দেখাগেছে পুরো নদী ফাঁকা। কোথাও কোন জেলে নৌকা দেখা মিলেনি। ট্রলার নিয়ে নদীতে মাইকিং করে জেলেদের সচেতন করতে দেখাগেছে জেলা মৎস্যজীবী দলের নেতাকর্মীদের।

অপরদিকে দেশের অন্যতম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র বড় স্টেশন মাছঘাটও ফাঁকা। যেখানে নিষেধাজ্ঞার আগে গতকাল বুধবার (৭ অক্টোবর) ছিলো কর্মচাঞ্চল্য। সকাল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত পাইকারি ও খুচরা ইলিশ কেনাবেচা। তবে এখন ভিন্ন চিত্র। অধিকাংশ আড়তের সামনে ফাঁকা। কিছু আড়তের সামনে লোক থাকলেও তার হিসেব-নিকেশ এবং পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ করছে।

জেলা ট্রাস্কফোর্সের পক্ষ থেকে ২২ দিনের জন্য শহরের যত বরফ কল রয়েছে, সবগুলো বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে দেশীয় জলাশয়ে চাষ করা মাছ বিক্রি করতে নিষেধাজ্ঞা নেই।

ঘাটের ইলিশ বিক্রেতা আকবর আলী বেপারী বলেন, প্রতিদিন সকাল হলে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে আড়তে থাকি। যে কারণে আজকেও ওই সময় এসে উপস্থিত হয়েছি। তবে তেমন কোন কাজ নেই। অনেকেই আড়ৎ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করছে।

এই ঘাটে ইলিশ ক্রয়-বিক্রির কাজে শতাধিক শ্রমিক কাজ করেন। তাদেরকে আড়ত ও বিভিন্ন স্থানে অবসর সময় কাটাতে দেখাগেছে।

শ্রমিক সোলায়মান ও আনিছুর রহমান বলেন, কাজ না থাকলেও বাসায় বসে থাকতে ভালো লাগে না। যে কারণে আড়তের পাশে বসে আড্ডা দিয়ে সময় পার করছি। ২২ দিন আমাদের অবসর থাকতে হবে। সবাই এই সময়ের জন্য বেকার হয়ে পড়েছে।

চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বলেন, অভয়াশ্রম এলাকার মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী পর্যন্ত জেলা টাস্কফোর্সের পাশাপাশি নৌ বাহিনী এবং কোস্টগার্ডসহ তিনটি দল অভিযান পরিচালনা করছে। নিষেধাজ্ঞার ২২ দিন ২৪ঘন্টা অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মা ইলিশের প্রজনন রক্ষায় ২২ দিনের অভিযান ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে ২৯ অক্টোবর রাত ১২টা পর্যন্ত। এ সময় পদ্মা-মেঘনায় ইলিশসহ সব ধরণের মাছ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও পরিবহণ নিষিদ্ধ। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে জেলা ও জরিমানার বিধান রয়েছে।

বিষয় : ইলিশ

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬


নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিনে পদ্মা-মেঘনা ইলিশ অবতরণ কেন্দ্র দুটোই ফাঁকা

প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
সাগর থেকে নদীতে আসা ইলিশ নিরাপদে ডিম ছাড়ার জন্য চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর ৭০ কিলোমিটার অভয়াশ্রমে সব ধরণের মাছ আহরণ নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে। প্রথম দিনে মেঘনা নদী ও মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র দুটোই ফাঁকা রয়েছে।বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বেলা ১১টায় শহরের তিন নদীর মোহনা বড় স্টেশন, টিলাবাড়ী ও লঞ্চঘাট এলাকায় গিয়ে দেখাগেছে পুরো নদী ফাঁকা। কোথাও কোন জেলে নৌকা দেখা মিলেনি। ট্রলার নিয়ে নদীতে মাইকিং করে জেলেদের সচেতন করতে দেখাগেছে জেলা মৎস্যজীবী দলের নেতাকর্মীদের।অপরদিকে দেশের অন্যতম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র বড় স্টেশন মাছঘাটও ফাঁকা। যেখানে নিষেধাজ্ঞার আগে গতকাল বুধবার (৭ অক্টোবর) ছিলো কর্মচাঞ্চল্য। সকাল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত পাইকারি ও খুচরা ইলিশ কেনাবেচা। তবে এখন ভিন্ন চিত্র। অধিকাংশ আড়তের সামনে ফাঁকা। কিছু আড়তের সামনে লোক থাকলেও তার হিসেব-নিকেশ এবং পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ করছে।জেলা ট্রাস্কফোর্সের পক্ষ থেকে ২২ দিনের জন্য শহরের যত বরফ কল রয়েছে, সবগুলো বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে দেশীয় জলাশয়ে চাষ করা মাছ বিক্রি করতে নিষেধাজ্ঞা নেই।ঘাটের ইলিশ বিক্রেতা আকবর আলী বেপারী বলেন, প্রতিদিন সকাল হলে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে আড়তে থাকি। যে কারণে আজকেও ওই সময় এসে উপস্থিত হয়েছি। তবে তেমন কোন কাজ নেই। অনেকেই আড়ৎ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করছে।এই ঘাটে ইলিশ ক্রয়-বিক্রির কাজে শতাধিক শ্রমিক কাজ করেন। তাদেরকে আড়ত ও বিভিন্ন স্থানে অবসর সময় কাটাতে দেখাগেছে।শ্রমিক সোলায়মান ও আনিছুর রহমান বলেন, কাজ না থাকলেও বাসায় বসে থাকতে ভালো লাগে না। যে কারণে আড়তের পাশে বসে আড্ডা দিয়ে সময় পার করছি। ২২ দিন আমাদের অবসর থাকতে হবে। সবাই এই সময়ের জন্য বেকার হয়ে পড়েছে।চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বলেন, অভয়াশ্রম এলাকার মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী পর্যন্ত জেলা টাস্কফোর্সের পাশাপাশি নৌ বাহিনী এবং কোস্টগার্ডসহ তিনটি দল অভিযান পরিচালনা করছে। নিষেধাজ্ঞার ২২ দিন ২৪ঘন্টা অভিযান অব্যাহত থাকবে।মা ইলিশের প্রজনন রক্ষায় ২২ দিনের অভিযান ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে ২৯ অক্টোবর রাত ১২টা পর্যন্ত। এ সময় পদ্মা-মেঘনায় ইলিশসহ সব ধরণের মাছ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও পরিবহণ নিষিদ্ধ। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে জেলা ও জরিমানার বিধান রয়েছে।

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত