নেহালের এই ফলাফল অনেকের কাছেই বিস্ময়কর। কারণ, এত ভালো ফল করবে—এমন প্রত্যাশা বা আলোচনা আগে খুব একটা ছিল না। নীরবে পড়াশোনা করে যাওয়া এই শিক্ষার্থী ফলাফলের দিন নিজের সক্ষমতার জানান দিয়েছে।
নেহাল একটি সাধারণ পরিবারের সন্তান। তার বাবা মঞ্জুরুল আলম চট্টগ্রামে মৎস্য ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। মা নাছিমা বেগম গৃহিণী। বাবাকে কাজের প্রয়োজনে চট্টগ্রামে থাকতে হলেও সন্তানদের পড়াশোনার প্রতি নিবিড় নজর রেখেছেন মা।
নেহালের মা জানান, সন্তানদের কাউকেই ব্যক্তিগত মোবাইল দেওয়া হয়নি। পড়াশোনার খোঁজখবর রাখা, স্কুলের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সন্তানদের সময়ের প্রতি নজর—সবকিছুতেই ছিল তার সচেতনতা।
নেহালের গ্রামের বাড়ি হাইমচর উপজেলার দক্ষিণ আলগী গ্রামে। বর্তমানে পরিবার নিয়ে চাঁদপুর শহরের জোড়পুকুর পাড় এলাকায় বসবাস করছে তারা।
নিজের সাফল্যের জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে নেহাল। পাশাপাশি মা-বাবা ও শিক্ষকদের অবদানের কথাও স্মরণ করেছে সে।
তবে ১২০২ নম্বরেই থেমে থাকতে চায় না নেহাল। সামনে তার আরও বড় স্বপ্ন কম্পিউটার বিজ্ঞান নিয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে একজন দক্ষ প্রকৌশলী হওয়া।
নেহালের গল্প তাই শুধু ভালো ফলাফলের গল্প নয়; এটি নীরবে পরিশ্রম করে একদিন সবাইকে চমকে দেওয়ার গল্প। আজ চাঁদপুরের দ্বিতীয়, আগামী দিনের লক্ষ্য প্রকৌশলী হওয়া।
বিষয় : মেধাবী শিক্ষার্থী

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে