ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে দেশটির সরঞ্জাম ও বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার ডজনখানেক ভিডিও প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।
ব্যবহৃত অনেক অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ‘বাংকার বাস্টার’ নামে পরিচিত দুই হাজার পাউন্ড ওজনের জিবিইউ-৩১-জেডিএএম।
বেশিরভাগ সময় এগুলো স্যাটেলাইট নির্দেশনার মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তুতে নিক্ষেপ করা হয়, তবে বুধবার রাতে প্রমাণ পাওয়া গেছে কীভাবে মার্কিন সামরিক বাহিনী লক্ষ্যবস্তুতে বোমা নিক্ষেপের জন্য লেজার ডেজিগনেশন ব্যবহার করছে।
আজ সকালে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) একটি বিমান ঘাঁটিতে ইরানি বিমানে হামলার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে।
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, লেজারটি লক্ষ্যবস্তুর ঠিক উপরে আঘাত করছে। এই লেজারটি হামলাকারী বিমানের একটি পডে থাকে এবং পাইলটরা এটিকে লক্ষ্যবস্তুর দিকে নিক্ষেপ করেন।
এই গোলাবারুদগুলো সম্ভবত জিবিইউ - ২৪ এবং জিবিইউ - ৫৪, যা হামলাকারী বিমান থেকে নিক্ষেপ করার পর অস্ত্রের ওপর থাকা কন্ট্রোল সারফেসে নড়াচড়া করে লেজার স্পটটি অনুসরণ করতে থাকে।
হাজার হাজার ফুট ওপর থেকে বোমা নিক্ষেপ করা হলেও এর নির্ভুলতা এক বা দুই মিটারের মধ্যে থাকে। চলন্ত লক্ষ্যবস্তু অনুসরণ করার জন্য লেজার ডেজিগেশন বেশ কার্যকর, তবে এটি সবসময় সেরা পদ্ধতি নয়।
মেঘ বা অন্যান্য বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থার কারণে লক্ষ্যভেদ করার কার্যকারিতা অনেকটাই কমে যেতে পারে, তাই এখানে জিপিএস গাইডের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়। কিছু অস্ত্রের মধ্যে লেজার এবং জিপিএস উভয় পদ্ধতি বিদ্যমান, যাতে পরিস্থিতির উপযোগী পদ্ধতি ব্যবহার করা যায়।

বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে