বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
The Dhaka News Bangla

হান্নান মাসউদকে হত্যার হুমকি দেওয়া আসামিকে গ্রেফতারের পর হ্যান্ডকাফসহ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

হান্নান মাসউদকে হত্যার হুমকি দেওয়া আসামিকে গ্রেফতারের পর হ্যান্ডকাফসহ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
হান্নান মাসউদকে হত্যার হুমকি দেওয়া আসামিকে গ্রেফতারের পর হ্যান্ডকাফসহ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

জাতীয় নাগরিক পার্টির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও হাতিয়া আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদকে হত্যার হুমকি দেওয়ার মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতারের পর হ্যান্ডকাফসহ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করা হয়েছে। এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা ঘটনার ভিন্ন বর্ণনা দিয়েছেন।

গত রবিবার (১৫ মার্চ) রাতে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার চরইশ্বর ইউনিয়নের ভেরারোড় বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ছিনিয়ে নেওয়া আসামি রুপক নন্দী চরইশ্বর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কান্তি লালের ছেলে। তিনি সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়ার মামলার প্রধান আসামি বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে হাতিয়া থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রবিবার সন্ধ্যার দিকে চরইশ্বর এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব গামছাখালী একটি দোকান থেকে সিভিল পোশাকে থাকা এক এসআইসহ তিনজন পুলিশ সদস্য রুপক নন্দীকে গ্রেফতার করেন। পরে তাকে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে ভেরারোড় বাজারের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ সময় স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি পুলিশ সদস্যদের কাছে আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানান। পুলিশ সদস্যরা তাদের দাবি প্রত্যাখ্যান করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয় এবং একপর্যায়ে কয়েকজন ব্যক্তি জোরপূর্বক হ্যান্ডকাফ পরা অবস্থায় রুপক নন্দীকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম আজাদের ছেলে অমি, তার ভাগিনা ওছমান, তাদের সহযোগী নাহেদ, সজীব, শফিউল্লাহসহ কয়েকজনের নেতৃত্বে রুপক নন্দীকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের তর্ক-বিতর্ক ও ধস্তাধস্তির মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যরা সংখ্যায় কম থাকায় তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। পরে তারা নিরুপায় হয়ে সেখান থেকে চলে আসেন।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই প্রকাশ্যে হ্যান্ডকাফ পরা আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে রুপক নন্দী জানান, সেদিন পুলিশ দেখে তিনি আগেই সরে গিয়েছেন, হ্যান্ডকাফ নিয়ে পালাননি।

তবে এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। আমাদের পোশাক পরিহিত পুলিশ ছাড়া কোন অভিযান হয়না। এমন তথ্য আমি শুনেছি, তবে তা নিশ্চত হতে পারিনি।

বিষয় : নোয়াখালী গ্রেপ্তার হাতিয়া

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬


হান্নান মাসউদকে হত্যার হুমকি দেওয়া আসামিকে গ্রেফতারের পর হ্যান্ডকাফসহ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬

featured Image
জাতীয় নাগরিক পার্টির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও হাতিয়া আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদকে হত্যার হুমকি দেওয়ার মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতারের পর হ্যান্ডকাফসহ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করা হয়েছে। এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা ঘটনার ভিন্ন বর্ণনা দিয়েছেন।গত রবিবার (১৫ মার্চ) রাতে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার চরইশ্বর ইউনিয়নের ভেরারোড় বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।ছিনিয়ে নেওয়া আসামি রুপক নন্দী চরইশ্বর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কান্তি লালের ছেলে। তিনি সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়ার মামলার প্রধান আসামি বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে হাতিয়া থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রবিবার সন্ধ্যার দিকে চরইশ্বর এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব গামছাখালী একটি দোকান থেকে সিভিল পোশাকে থাকা এক এসআইসহ তিনজন পুলিশ সদস্য রুপক নন্দীকে গ্রেফতার করেন। পরে তাকে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে ভেরারোড় বাজারের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।এ সময় স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি পুলিশ সদস্যদের কাছে আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানান। পুলিশ সদস্যরা তাদের দাবি প্রত্যাখ্যান করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয় এবং একপর্যায়ে কয়েকজন ব্যক্তি জোরপূর্বক হ্যান্ডকাফ পরা অবস্থায় রুপক নন্দীকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম আজাদের ছেলে অমি, তার ভাগিনা ওছমান, তাদের সহযোগী নাহেদ, সজীব, শফিউল্লাহসহ কয়েকজনের নেতৃত্বে রুপক নন্দীকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের তর্ক-বিতর্ক ও ধস্তাধস্তির মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যরা সংখ্যায় কম থাকায় তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। পরে তারা নিরুপায় হয়ে সেখান থেকে চলে আসেন।এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই প্রকাশ্যে হ্যান্ডকাফ পরা আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে রুপক নন্দী জানান, সেদিন পুলিশ দেখে তিনি আগেই সরে গিয়েছেন, হ্যান্ডকাফ নিয়ে পালাননি।তবে এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। আমাদের পোশাক পরিহিত পুলিশ ছাড়া কোন অভিযান হয়না। এমন তথ্য আমি শুনেছি, তবে তা নিশ্চত হতে পারিনি।

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত