মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
The Dhaka News Bangla

কমেছে দাম, সবজির বাজারে স্বস্তি

কমেছে দাম, সবজির বাজারে স্বস্তি
ছবি সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানীর কাঁচাবাজারে টানা ছুটির প্রভাব পড়েছে। যদিও জোগান রয়েছে, ক্রেতাদের সংখ্যা কম থাকায় সবজির দামেও প্রভাব পড়েছে। রোজার সময়ের তুলনায় এখন সবজির দাম কমতে শুরু করেছে। বাজারে লেবু ছাড়া অন্যান্য পণ্যের দাম কেজি প্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে। মানভেদে প্রতি হালি লেবুর দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত হাঁকা হচ্ছে।

সোমবার (২৩ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে।

মালিবাগ রেলগেট কাঁচাবাজারে ব্যবসায়ী মাহবুবুল আলম জানান, এখন দোকানে যা আছে সব ঈদের আগে কেনা। নতুন করে পণ্য আনা হয়নি। অনেক সবজি কেনা দামের চেয়ে কমে বিক্রি করছেন বলে জানান তিনি। এর মধ্যে সালাদ সামগ্রী শসা ও টমেটো লসে বিক্রি করছেন। শসা কেনা ৬০ টাকা, বিক্রি করছেন ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে। টমেটো মিলছে ৪০ টাকায়। ১২০ টাকার নিচেই মিলছে এক কেজি কাঁচামরিচ।

বাজারে দেশি শিম মিলছে ৬০ টাকা কেজিতে, বেগুনের দাম ১০০ থেকে কমে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

রমজান মাসজুড়ে শতকের ঘর ছাড়িয়ে যাওয়া পটল, করলা, বরবটিসহ বেশিরভাগ সবজির দাম নেমে এসেছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়।

আমদানি করা এক কেজি রসুন কিনতে দিতে হবে ২২০ টাকা। আর ১৮০ টাকা কেজিতে অপরিবর্তিত আছে আদা।

পেঁয়াজের খুচরা বাজারেও দাম কমেছে। এই বাজারের ক্রেতা হান্নান বলেন, রমজানের শুরুতে ৩ কেজি পেঁয়াজ ২০০ টাকায় কিনেছিলাম, আজ ১২০ টাকায় কিনলাম। খুচরা বিক্রেতারা জানান, ৬০-৭০ টাকার পেঁয়াজ এখন ৩৫-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আলুর দামও কেজিপ্রতি ২০-২৫ টাকা থেকে কমে ১৫-২০ টাকায় নেমেছে।

অন্যান্য সবজির মধ্যে গাজর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। গত সপ্তাহেও দাম ছিল ৮০ টাকা কেজি। শাকের দামও তুলনামূলক কম পাওয়া যাচ্ছে, ২০ টাকা আঁটিতে।

নতুন সবজির মধ্যে সজনে ১২০ টাকায়, কচুর লতি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঢেঁড়শের দাম ৮০ টাকা এবং পটল ৫০-৭০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচকলা ১০০ টাকা হালি। ধুন্দল ও ঝিঙ্গার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে, যা ৮০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। সবজির মধ্যে সবচেয়ে সস্তা কাঁচা পেঁপে ২৫ টাকা কেজি। এছাড়া চাল কুমড়া ৬০ টাকা পিস এবং লাউ ৫০ টাকা পিস দরে বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি সাইজের বাঁধাকপি ও ফুলকপি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা জানান, সবজির নতুন সরবরাহ বাড়ছে, কিন্তু ক্রেতার সংখ্যা কম, তাই দাম কমছে। অতিরিক্ত দাম বাড়া যেমন ভালো নয়, তেমনি দ্রুত দাম কমে যাওয়াও কৃষকদের জন্য ক্ষতিকর। একটি ন্যায্যমূল্য থাকা উচিত।

সবজি বিক্রেতা আলমগীর বলেন, রমজানের শুরুতে চাহিদা বেশি থাকায় দাম বাড়ে, পরে কমে যায়। তবে এবার পেঁয়াজ, টমেটো ও আলুর দাম বেশি কমেছে। কাঁচামরিচ, শসা ও বেগুনের দামও কমেছে।

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬


কমেছে দাম, সবজির বাজারে স্বস্তি

প্রকাশের তারিখ : ২৩ মার্চ ২০২৬

featured Image
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানীর কাঁচাবাজারে টানা ছুটির প্রভাব পড়েছে। যদিও জোগান রয়েছে, ক্রেতাদের সংখ্যা কম থাকায় সবজির দামেও প্রভাব পড়েছে। রোজার সময়ের তুলনায় এখন সবজির দাম কমতে শুরু করেছে। বাজারে লেবু ছাড়া অন্যান্য পণ্যের দাম কেজি প্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে। মানভেদে প্রতি হালি লেবুর দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত হাঁকা হচ্ছে।সোমবার (২৩ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে।মালিবাগ রেলগেট কাঁচাবাজারে ব্যবসায়ী মাহবুবুল আলম জানান, এখন দোকানে যা আছে সব ঈদের আগে কেনা। নতুন করে পণ্য আনা হয়নি। অনেক সবজি কেনা দামের চেয়ে কমে বিক্রি করছেন বলে জানান তিনি। এর মধ্যে সালাদ সামগ্রী শসা ও টমেটো লসে বিক্রি করছেন। শসা কেনা ৬০ টাকা, বিক্রি করছেন ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে। টমেটো মিলছে ৪০ টাকায়। ১২০ টাকার নিচেই মিলছে এক কেজি কাঁচামরিচ।বাজারে দেশি শিম মিলছে ৬০ টাকা কেজিতে, বেগুনের দাম ১০০ থেকে কমে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।রমজান মাসজুড়ে শতকের ঘর ছাড়িয়ে যাওয়া পটল, করলা, বরবটিসহ বেশিরভাগ সবজির দাম নেমে এসেছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়।আমদানি করা এক কেজি রসুন কিনতে দিতে হবে ২২০ টাকা। আর ১৮০ টাকা কেজিতে অপরিবর্তিত আছে আদা।পেঁয়াজের খুচরা বাজারেও দাম কমেছে। এই বাজারের ক্রেতা হান্নান বলেন, রমজানের শুরুতে ৩ কেজি পেঁয়াজ ২০০ টাকায় কিনেছিলাম, আজ ১২০ টাকায় কিনলাম। খুচরা বিক্রেতারা জানান, ৬০-৭০ টাকার পেঁয়াজ এখন ৩৫-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আলুর দামও কেজিপ্রতি ২০-২৫ টাকা থেকে কমে ১৫-২০ টাকায় নেমেছে।অন্যান্য সবজির মধ্যে গাজর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। গত সপ্তাহেও দাম ছিল ৮০ টাকা কেজি। শাকের দামও তুলনামূলক কম পাওয়া যাচ্ছে, ২০ টাকা আঁটিতে।নতুন সবজির মধ্যে সজনে ১২০ টাকায়, কচুর লতি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঢেঁড়শের দাম ৮০ টাকা এবং পটল ৫০-৭০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচকলা ১০০ টাকা হালি। ধুন্দল ও ঝিঙ্গার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে, যা ৮০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। সবজির মধ্যে সবচেয়ে সস্তা কাঁচা পেঁপে ২৫ টাকা কেজি। এছাড়া চাল কুমড়া ৬০ টাকা পিস এবং লাউ ৫০ টাকা পিস দরে বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি সাইজের বাঁধাকপি ও ফুলকপি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।বিক্রেতারা জানান, সবজির নতুন সরবরাহ বাড়ছে, কিন্তু ক্রেতার সংখ্যা কম, তাই দাম কমছে। অতিরিক্ত দাম বাড়া যেমন ভালো নয়, তেমনি দ্রুত দাম কমে যাওয়াও কৃষকদের জন্য ক্ষতিকর। একটি ন্যায্যমূল্য থাকা উচিত।সবজি বিক্রেতা আলমগীর বলেন, রমজানের শুরুতে চাহিদা বেশি থাকায় দাম বাড়ে, পরে কমে যায়। তবে এবার পেঁয়াজ, টমেটো ও আলুর দাম বেশি কমেছে। কাঁচামরিচ, শসা ও বেগুনের দামও কমেছে।

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত