রোববার, ০৮ মার্চ ২০২৬
The Dhaka News Bangla

জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই : জ্বালানিমন্ত্রী

জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই : জ্বালানিমন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত

জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই, এমনটাই জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেন, আগামী ৯ তারিখে আরও ২টি জাহাজ আসছে। শনিবার (৭ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

তিনি আরও বলেন, যদি কেউ অসাধু উপায়ে তেলের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আগামীকাল থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা করা হবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, যা অযৌক্তিক।

তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নাই, বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছে সরকার।

এদিকে রাজধানীর বেশিরভাগ পাম্পেই দেখা গেছে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। তেলের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্রাহকদের।

পাম্প-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার যারাই পাম্পে এসেছেন, তারা অকটেন আর পেট্রল দিয়ে গাড়ির ট্যাংক পূর্ণ করে নিয়েছেন। এ কারণেই সরবরাহব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।

শুক্রবার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ফিলিং স্টেশন থেকে যানবাহনে দৈনন্দিন তেল সরবরাহের জন্য নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করেছে। উদাহরণস্বরূপ, ব্যক্তিগত মোটরসাইকেলে দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন এবং ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য দিনে ১০ লিটার তেল নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

রোববার, ০৮ মার্চ ২০২৬


জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই : জ্বালানিমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬

featured Image
জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই, এমনটাই জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেন, আগামী ৯ তারিখে আরও ২টি জাহাজ আসছে। শনিবার (৭ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।তিনি আরও বলেন, যদি কেউ অসাধু উপায়ে তেলের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আগামীকাল থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা করা হবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, যা অযৌক্তিক।তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নাই, বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছে সরকার।এদিকে রাজধানীর বেশিরভাগ পাম্পেই দেখা গেছে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। তেলের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্রাহকদের।পাম্প-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার যারাই পাম্পে এসেছেন, তারা অকটেন আর পেট্রল দিয়ে গাড়ির ট্যাংক পূর্ণ করে নিয়েছেন। এ কারণেই সরবরাহব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।শুক্রবার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ফিলিং স্টেশন থেকে যানবাহনে দৈনন্দিন তেল সরবরাহের জন্য নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করেছে। উদাহরণস্বরূপ, ব্যক্তিগত মোটরসাইকেলে দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন এবং ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য দিনে ১০ লিটার তেল নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত