শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
The Dhaka News Bangla

আটকের ৮ ঘণ্টা পর আ.লীগের চেয়ারম্যানকে ছেড়ে দিল পুলিশ

আটকের ৮ ঘণ্টা পর আ.লীগের চেয়ারম্যানকে ছেড়ে দিল পুলিশ
ছবি সংগৃহীত

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার ২ নং বেলগাছা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল মালেককে আটকের প্রায় আট ঘণ্টা পর থানা থেকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে ইসলামপুর থানার পুলিশ তাকে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করে। এর আগে দুপুরে বেলগাছা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের কাছে স্থানীয়দের মাধ্যমে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

এদিকে, থানায় আটকের পর তাকে মুক্তি দেওয়ার খবরে জুলাই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক দীর্ঘদিন পর ইউনিয়ন পরিষদে গেলে কিছু লোক তাকে আটক করে মারধর করে এবং পরে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। পরে বিকেল ৩টা থেকে রাত পর্যন্ত তাকে থানায় রাখা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত সময়ে চেয়ারম্যান আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে স্বেচ্ছাচারিতা, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগ উল্লেখ করে স্থানীয়রা দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগও দেন।

পাশাপাশি এলাকায় প্রভাব বিস্তার, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে মদদ দেওয়া এবং মাদক সংশ্লিষ্টদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগও বিভিন্ন সময় সামনে আসে। এসব অভিযোগকে কেন্দ্র করে অতীতে বেলগাছা ইউনিয়নের ছাত্রজনতা ও জুলাই আন্দোলনের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ তাকে পশ্চিম অঞ্চলের ডাকাত সর্দার, দুর্নীতিবাজ ও মাদক সিন্ডিকেটের গডফাদার আখ্যা দিয়ে চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবিতে উপজেলায় একাধিক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচিও পালন করেন।

জুলাই আন্দোলনের কয়েকজন শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগ করেছেন যে, আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এই চেয়ারম্যান আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। তারা মন্তব্য করেন, এমন একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে আটক করার পরও ছেড়ে দেওয়া জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।

এ বিষয়ে ইসলামপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. কামাল জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে মারধরের ঘটনায় তাকে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। পরিস্থিতি বিবেচনায় পরে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


আটকের ৮ ঘণ্টা পর আ.লীগের চেয়ারম্যানকে ছেড়ে দিল পুলিশ

প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার ২ নং বেলগাছা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল মালেককে আটকের প্রায় আট ঘণ্টা পর থানা থেকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে ইসলামপুর থানার পুলিশ তাকে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করে। এর আগে দুপুরে বেলগাছা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের কাছে স্থানীয়দের মাধ্যমে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।এদিকে, থানায় আটকের পর তাকে মুক্তি দেওয়ার খবরে জুলাই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক দীর্ঘদিন পর ইউনিয়ন পরিষদে গেলে কিছু লোক তাকে আটক করে মারধর করে এবং পরে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। পরে বিকেল ৩টা থেকে রাত পর্যন্ত তাকে থানায় রাখা হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত সময়ে চেয়ারম্যান আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে স্বেচ্ছাচারিতা, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগ উল্লেখ করে স্থানীয়রা দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগও দেন।পাশাপাশি এলাকায় প্রভাব বিস্তার, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে মদদ দেওয়া এবং মাদক সংশ্লিষ্টদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগও বিভিন্ন সময় সামনে আসে। এসব অভিযোগকে কেন্দ্র করে অতীতে বেলগাছা ইউনিয়নের ছাত্রজনতা ও জুলাই আন্দোলনের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ তাকে পশ্চিম অঞ্চলের ডাকাত সর্দার, দুর্নীতিবাজ ও মাদক সিন্ডিকেটের গডফাদার আখ্যা দিয়ে চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবিতে উপজেলায় একাধিক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচিও পালন করেন।জুলাই আন্দোলনের কয়েকজন শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগ করেছেন যে, আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এই চেয়ারম্যান আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। তারা মন্তব্য করেন, এমন একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে আটক করার পরও ছেড়ে দেওয়া জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।এ বিষয়ে ইসলামপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. কামাল জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে মারধরের ঘটনায় তাকে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। পরিস্থিতি বিবেচনায় পরে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত