শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
The Dhaka News Bangla

চাঁদপুরে জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

চাঁদপুরে জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ
জেলেদের চাল ওজন দিয়ে পাওয়া গেছে ৭৪ কেজি ৮০০ গ্রাম।

চাঁদপুরে জেলে কার্ডধারীদের জন্য সরকার নির্ধারিত চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ৮০ কেজির স্থলে চাল কম দেওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়ন এলাকায় চাল বিতরণের সময় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৈশাদী ইউনিয়নে ২২২ জন জেলে কার্ডধারীর জন্য মোট ১৭,৭৬০ কেজি চাল সরকারিভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে বিতরণ তালিকায় ২২৫ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত থাকায় বরাদ্দকৃত চাল অতিরিক্ত তিনজনসহ ২২৫ জনের মধ্যে বণ্টন করা হয়। হিসাব অনুযায়ী এ ক্ষেত্রে প্রত্যেককে ৮০ কেজির পরিবর্তে ৭৮ কেজি চাল পাওয়ার কথা থাকলেও সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিতরণ করা হচ্ছে ৭৪ কেজি করে।

চাল গ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে বরাদ্দ কম হওয়ায় ৮০ কেজির পরিবর্তে ৭৬ কেজি করে চাল দেওয়া হবে। তবে বাস্তবে মেপে দেখা যায়, অনেকেই ৭৪ কেজি করে চাল পেয়েছেন।

এছাড়া একাধিক জেলে কার্ডধারী গণমাধ্যম কর্মীদের নিকট অভিযোগ করেন তালিকায় তাদের নাম থাকা সত্ত্বেও চাল দেওয়া হচ্ছে না। এমন অভিযোগের বিষয়টি ট্যাগ অফিসারের নিকট জানানো হলে তৎক্ষণাৎ তাদেরকে চাল দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। 

এ বিষয়ে ট্যাগ অফিসার রাকিবুল ইসলাম ভূইয়া বলেন, “আমাদের তালিকাভুক্ত জেলের সংখ্যা ২২৫ জন, কিন্তু খাদ্য বরাদ্দ এসেছে ২২২ জনের জন্য। তাই বরাদ্দকৃত ১৭,৭৬০ কেজি চাল ২২৫ জনের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে। সে হিসেবে ৮০ কেজির স্থলে ৭৮ কেজি করে দেওয়া হচ্ছে।”

তবে মাঠপর্যায়ে প্রাপ্ত চালের পরিমাণ নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় স্থানীয়দের দাবি, বরাদ্দ ও বিতরণের মধ্যে গরমিলের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত করা প্রয়োজন।

বিষয় : মৎস্যজীবী দল

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


চাঁদপুরে জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
চাঁদপুরে জেলে কার্ডধারীদের জন্য সরকার নির্ধারিত চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ৮০ কেজির স্থলে চাল কম দেওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়ন এলাকায় চাল বিতরণের সময় এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৈশাদী ইউনিয়নে ২২২ জন জেলে কার্ডধারীর জন্য মোট ১৭,৭৬০ কেজি চাল সরকারিভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে বিতরণ তালিকায় ২২৫ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত থাকায় বরাদ্দকৃত চাল অতিরিক্ত তিনজনসহ ২২৫ জনের মধ্যে বণ্টন করা হয়। হিসাব অনুযায়ী এ ক্ষেত্রে প্রত্যেককে ৮০ কেজির পরিবর্তে ৭৮ কেজি চাল পাওয়ার কথা থাকলেও সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিতরণ করা হচ্ছে ৭৪ কেজি করে।চাল গ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে বরাদ্দ কম হওয়ায় ৮০ কেজির পরিবর্তে ৭৬ কেজি করে চাল দেওয়া হবে। তবে বাস্তবে মেপে দেখা যায়, অনেকেই ৭৪ কেজি করে চাল পেয়েছেন।এছাড়া একাধিক জেলে কার্ডধারী গণমাধ্যম কর্মীদের নিকট অভিযোগ করেন তালিকায় তাদের নাম থাকা সত্ত্বেও চাল দেওয়া হচ্ছে না। এমন অভিযোগের বিষয়টি ট্যাগ অফিসারের নিকট জানানো হলে তৎক্ষণাৎ তাদেরকে চাল দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এ বিষয়ে ট্যাগ অফিসার রাকিবুল ইসলাম ভূইয়া বলেন, “আমাদের তালিকাভুক্ত জেলের সংখ্যা ২২৫ জন, কিন্তু খাদ্য বরাদ্দ এসেছে ২২২ জনের জন্য। তাই বরাদ্দকৃত ১৭,৭৬০ কেজি চাল ২২৫ জনের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে। সে হিসেবে ৮০ কেজির স্থলে ৭৮ কেজি করে দেওয়া হচ্ছে।”তবে মাঠপর্যায়ে প্রাপ্ত চালের পরিমাণ নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় স্থানীয়দের দাবি, বরাদ্দ ও বিতরণের মধ্যে গরমিলের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত করা প্রয়োজন।

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত