বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
The Dhaka News Bangla

‘আন্দোলনে যারা ছিল, তারাই হাট-ঘাট খাবে’

‘আন্দোলনে যারা ছিল, তারাই হাট-ঘাট খাবে’
ছবি সংগৃহীত

‘যারা আন্দোলনে ছিল, তারাই হাট-ঘাট খাবে। সে যে দলেরই হোক, তার অধিকার আছে খাওয়ার, আপনি খাবেন না? কারণ আপনি তো কোনো জায়গায় যাননি। আর যদি যান, তাহলে তাদের প্রতিহত করে অধিকার আদায় করে নিবে। কেউ যদি টাকার গরমে বাজার ডেকে আনে, ওই বাজারে ঢুকলে পিঠের চামড়া তুলে দেওয়া হবে। এই খাওয়ার অধিকার তোমাদের আছে, তোমরা খাবা। আমি তোমাদের সাথে আছি।’

এমন বক্তব্য দিয়েছেন কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রিপন হোসেন। ঘটনাটি গতকাল সোমবারের (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে কুমারখালী উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের চৌরঙ্গী বাজারে এক বক্তব্যে ছাত্র ও নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন রিপন। সেসময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

ইতোমধ্যে এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ জেলা জুড়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে আরও বলতে শোনা যায়, যখন আপনি ১০ টাকার জিনিস ৩০ টাকা দিয়ে কিনবেন, সেই সামর্থ এদের নেই (ছাত্র)। এরা খেতেও পারবে না। কিন্তু এই অধিকার আপনাদের কে দিছে? আপনারা যদি দেশের জন্য কাজ করতেন, আন্দোলন সংগ্রাম করতেন, রাজপথে যেতেন; বুঝতাম আপনাদের অধিকার আছে। যারা গিয়েছেন আপনারা পাবেন। আপনাদের বাদ দিয়ে এ সকল ছেলেরা খেতে চাইনি। আপনাদের সাথে করে রেখে খুব অল্প ইজারা দিয়ে এরা আপাতত জীবনটা বাঁচাবে।

তিনি আরও বলেন, আজকে যে সকল ছাত্র নির্যাতিত, যে সকল আন্দোলোনকারী ভাত পাচ্ছে না, আপনারা এ সকল দলপ্রেমী মানুষ তাদের দিকে লক্ষ্য রাখবেন।

ওই নেতা বলেন, এই বাজারে যারা দালাল হিসেবে কাজ করছেন, আপনারা যেন সহজেই এই ছেলেদের অধিকার হরণ না করেন। এই ক্ষুধার্ত ছেলেরা যদি বাজারে প্রবেশ করতে না পারে, তাহলে সরকার তাদের জন্য লিজ দেবে, এবং তারা বাবার কাছ থেকে ভিক্ষা নিয়ে হলেও বাজারের লিজ নেবে।

কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, আমি ভিডিওটি অল্প দেখেছি। একজন দায়িত্বশীল পদে থেকে এমন বক্তব্য দেওয়া উচিত নয়। দলের পক্ষ থেকে কখনোই তার দায় নেওয়া হবে না। আমরা সবসময় দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে। আমাদের চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনা আমরা সবসময় মেনে চলি।

তিনি আরও বলেন, আমি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য বলেছি। তিনি আসলে কেন এমন কথা বলেছেন, সেটা তিনিই ভালো জানেন।

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


‘আন্দোলনে যারা ছিল, তারাই হাট-ঘাট খাবে’

প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
‘যারা আন্দোলনে ছিল, তারাই হাট-ঘাট খাবে। সে যে দলেরই হোক, তার অধিকার আছে খাওয়ার, আপনি খাবেন না? কারণ আপনি তো কোনো জায়গায় যাননি। আর যদি যান, তাহলে তাদের প্রতিহত করে অধিকার আদায় করে নিবে। কেউ যদি টাকার গরমে বাজার ডেকে আনে, ওই বাজারে ঢুকলে পিঠের চামড়া তুলে দেওয়া হবে। এই খাওয়ার অধিকার তোমাদের আছে, তোমরা খাবা। আমি তোমাদের সাথে আছি।’এমন বক্তব্য দিয়েছেন কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রিপন হোসেন। ঘটনাটি গতকাল সোমবারের (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে কুমারখালী উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের চৌরঙ্গী বাজারে এক বক্তব্যে ছাত্র ও নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন রিপন। সেসময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।ইতোমধ্যে এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ জেলা জুড়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে আরও বলতে শোনা যায়, যখন আপনি ১০ টাকার জিনিস ৩০ টাকা দিয়ে কিনবেন, সেই সামর্থ এদের নেই (ছাত্র)। এরা খেতেও পারবে না। কিন্তু এই অধিকার আপনাদের কে দিছে? আপনারা যদি দেশের জন্য কাজ করতেন, আন্দোলন সংগ্রাম করতেন, রাজপথে যেতেন; বুঝতাম আপনাদের অধিকার আছে। যারা গিয়েছেন আপনারা পাবেন। আপনাদের বাদ দিয়ে এ সকল ছেলেরা খেতে চাইনি। আপনাদের সাথে করে রেখে খুব অল্প ইজারা দিয়ে এরা আপাতত জীবনটা বাঁচাবে।তিনি আরও বলেন, আজকে যে সকল ছাত্র নির্যাতিত, যে সকল আন্দোলোনকারী ভাত পাচ্ছে না, আপনারা এ সকল দলপ্রেমী মানুষ তাদের দিকে লক্ষ্য রাখবেন।ওই নেতা বলেন, এই বাজারে যারা দালাল হিসেবে কাজ করছেন, আপনারা যেন সহজেই এই ছেলেদের অধিকার হরণ না করেন। এই ক্ষুধার্ত ছেলেরা যদি বাজারে প্রবেশ করতে না পারে, তাহলে সরকার তাদের জন্য লিজ দেবে, এবং তারা বাবার কাছ থেকে ভিক্ষা নিয়ে হলেও বাজারের লিজ নেবে।কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, আমি ভিডিওটি অল্প দেখেছি। একজন দায়িত্বশীল পদে থেকে এমন বক্তব্য দেওয়া উচিত নয়। দলের পক্ষ থেকে কখনোই তার দায় নেওয়া হবে না। আমরা সবসময় দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে। আমাদের চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনা আমরা সবসময় মেনে চলি।তিনি আরও বলেন, আমি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য বলেছি। তিনি আসলে কেন এমন কথা বলেছেন, সেটা তিনিই ভালো জানেন।

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত