রোববার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
The Dhaka News Bangla

কুয়াশামুক্ত প্রকৃতিতে মুকুলে ছেয়ে গেছে চান্দিনার আম বাগান

কুয়াশামুক্ত প্রকৃতিতে মুকুলে ছেয়ে গেছে চান্দিনার আম বাগান
মুকুলে ভরপুর চান্দিনার আমগাছ

শীতের বিদায় আর বসন্তের আগমনে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার প্রতিটি গ্রাম ও পাড়া-মহল্লায় এখন আমের মুকুলের মৌ মৌ গন্ধ। চারদিকে তাকালেই দেখা যাচ্ছে আম গাছের ডালে ডালে সোনালী মুকুলের সমারোহ। এবার ঘন কুয়াশার দাপট কম থাকা এবং অনুকূল আবহাওয়ার কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই বাগানগুলোতে মুকুলের প্রাচুর্য দেখা দিয়েছে যা গত কয়েক বছরের তুলনায় অনেক বেশি।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ছোট-বড় সব ধরনের আম গাছ এখন মুকুলে ভরপুর। বিশেষ করে বাড়ির আঙিনা থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক বাগানগুলোতে মুকুলের ভারে নুইয়ে পড়ছে গাছের ডাল। স্থানীয় বাগান মালিক ও কৃষকরা জানান, এ বছর শীতের স্থায়িত্ব কম ছিল এবং মুকুল আসার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কুয়াশা না থাকায় মুকুলের কোনো ক্ষতি হয়নি। বাতাসে ভেসে আসা মুকুলের ঘ্রাণে প্রকৃতিতে যেমন ভিন্ন আমেজ সৃষ্টি হয়েছে, তেমনি বাম্পার ফলনের আশায় কৃষকদের চোখেমুখেও দেখা যাচ্ছে হাসির ঝিলিক।

কৃষি সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, যদি বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা ঝোড়ো হাওয়া না হয়, তবে এবার চান্দিনায় আমের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন হবে। বর্তমানে মুকুল আসা বাগানগুলোতে পোকা দমনে এবং মুকুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় চাষিরা পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রকৃতির এই শুভক্ষণে বাগানগুলোতে এখন শুধু মৌমাছির গুঞ্জন আর সোনালী স্বপ্নের হাতছানি।

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

রোববার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


কুয়াশামুক্ত প্রকৃতিতে মুকুলে ছেয়ে গেছে চান্দিনার আম বাগান

প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
শীতের বিদায় আর বসন্তের আগমনে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার প্রতিটি গ্রাম ও পাড়া-মহল্লায় এখন আমের মুকুলের মৌ মৌ গন্ধ। চারদিকে তাকালেই দেখা যাচ্ছে আম গাছের ডালে ডালে সোনালী মুকুলের সমারোহ। এবার ঘন কুয়াশার দাপট কম থাকা এবং অনুকূল আবহাওয়ার কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই বাগানগুলোতে মুকুলের প্রাচুর্য দেখা দিয়েছে যা গত কয়েক বছরের তুলনায় অনেক বেশি।উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ছোট-বড় সব ধরনের আম গাছ এখন মুকুলে ভরপুর। বিশেষ করে বাড়ির আঙিনা থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক বাগানগুলোতে মুকুলের ভারে নুইয়ে পড়ছে গাছের ডাল। স্থানীয় বাগান মালিক ও কৃষকরা জানান, এ বছর শীতের স্থায়িত্ব কম ছিল এবং মুকুল আসার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কুয়াশা না থাকায় মুকুলের কোনো ক্ষতি হয়নি। বাতাসে ভেসে আসা মুকুলের ঘ্রাণে প্রকৃতিতে যেমন ভিন্ন আমেজ সৃষ্টি হয়েছে, তেমনি বাম্পার ফলনের আশায় কৃষকদের চোখেমুখেও দেখা যাচ্ছে হাসির ঝিলিক।কৃষি সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, যদি বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা ঝোড়ো হাওয়া না হয়, তবে এবার চান্দিনায় আমের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন হবে। বর্তমানে মুকুল আসা বাগানগুলোতে পোকা দমনে এবং মুকুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় চাষিরা পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রকৃতির এই শুভক্ষণে বাগানগুলোতে এখন শুধু মৌমাছির গুঞ্জন আর সোনালী স্বপ্নের হাতছানি।

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত