মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
The Dhaka News Bangla

চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে ৩৬ প্রার্থীর ২৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত

চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে ৩৬ প্রার্থীর ২৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত
চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে ৩৬ প্রার্থীর ২৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি সংসদীয় আসনে ৩৬ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন একজন নারী প্রার্থীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ২৫ প্রার্থী। নির্বাচনের বিধি অনুযায়ি, কোনো সংসদীয় আসনে প্রার্থী বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগ বা কমপক্ষে ১২ শতাংশ ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায়, ৩৫ প্রার্থীর মধ্যে ২৫ জন নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে পারেননি। যার ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এমনও প্রার্থী আছেন যারা ১ হাজার ভোটও পাননি। 

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৪ প্রার্থীর পাশাপাশি ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল সৈয়দ মোহাম্মদ মাহাদুর শাহ্ও জামানত হারিয়েছেন। একসময় সরকারে থাকা প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টি ৪টি আসনে অংশ নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৪৬ ভোট। আর গণফোরাম তিনটি আসনে পেয়েছেন ৮৭৬ ভোট।

নির্বাচন কমিশনের হালনাগাদ তথ্যে জেলায় ভোটার ২৩ লাখ ৩১হাজার ১৯৫। এবারের নির্বাচনে ভোট দিয়ছেন ৫৩.০৫ভাগ।

এদিকে জামায়াতের সাথে জোটে যাওয়া নিয়ে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বে জড়ানো ইসলামী আন্দোলন ৪টি আসনে ভোট পেয়েছে ৩৮ হাজার ৬শ ৩০ ভোট। ২০০৪ সালে আ. লীগের সাথে জোট হওয়া বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্ট মোমবাতি প্রতিক তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পেয়েছে ৭ হাজার ১৫৪ ভোট। শুধু তাই নয়, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ বাহদুর শাহ চেয়ার প্রতিকে চাঁদপুর-৫ আসন থেকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ১৭৮ ভোট। তিনিও হারিয়েছেন জামানত। 

অন্যদের মধ্যে জামানত হারিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতিকের ৩ প্রার্থী মো. জাকির হোসেন, মো. এনায়েত হোসেন ও মো. গোলাফ হোসেন। এছাড়া স্বতন্ত্র ঘুড়ি প্রতিকের জাকির হোসেন, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতিকের মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতিকের জাকির হোসেন প্রধানিয়া, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের আপেল প্রতিকের মো. মাহমুদুল হাসান নয়ন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির আনারস প্রতিকের নাসিমা নাজনিন সরকার, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির হাতি প্রতিকের মো. ফয়জুন্নুর ও নাগরিক ঐক্যের কেটলি প্রতিকের মো. এনামুল হক।

চাঁদপুর-১ (কচুয়া): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ১৩লাখ ৩হাজার ৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতের প্রার্থী আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমেদ পেয়েছেন ৭০হাজার ৩৬৮ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে গণফোরামের মোহাম্মদ আজাদ হোসেন ৩২৯, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন ৪ হাজার ৩৭১, গণঅধিকার পরিষদের মো. এনায়েত হোসেন ২১৭ ও জাতীয় পার্টির হাবিব খান ৬৫২ ভোট পেয়েছন।

চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিন ১লাখ ৭২হাজার ৫০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি এলডিপির ছাতা প্রতিকের প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৪৭৩ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশ লেবার পার্টির নাসিমা নাজনিন সরকার ২৮৩, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি মো. ফয়জুন্নর ৫০৯, গণঅধিকার পরিষদের মো. গোলাপ হোসেন ৩১৫, নাগরিক ঐক্য মো. এনামুল হক ১৪৩, ইসলামী আন্দোলনের মানসুর ১২হাজার ৩০৭, জাতীয় পার্টির এমরান হোসেন মিয়া ১হাজার ৩২৮ ভোট।

চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ ১লাখ ৬৫ হাজার ৪০৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শাহজাহান মিয়া দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে পেয়েছেন ১লাখ ৮৬৫ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এ. এইচ.এম. আহসান উল্লাহ ২হাজার ২৭৪, ইসলামী আন্দোলনের মো. জয়নাল আবদিন শেখ ১৪ হাজার ১৮১, গণঅধিকার পরিষদের মো. জাকির হোসেন ১৩২, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ৬৭৬, গণফোরামের সেলিম আকবর ৩০৭ ভোট।

চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) : এই আসনে স্বতন্ত্র চিংড়ি প্রতিকের প্রার্থী এম এ হান্নান ৭৪হাজার ১৭৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী বিএনপির ধানের শীষ প্রতিকের মো. হারুনুর রশিদ ৬৯ হাজার ১৫৫ ভোট এবং জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী পেয়েছেন ৬৬হাজার ৬৯২ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র জাকির হোসেন ১৮৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের মকবুল হোসাইন ৫হাজার ২৬১, জাতীয় পার্টির মাহমুদুর হাসান ২৭৭ ভোট, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. আবদুল মালেক ৫০৯, গণফোরামের মো. মুনীর চৌধুরী ২৪০ ভোট পেয়েছেন।

চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী মো. মমিনুল হক ১ লাখ ৮৫হাজার ৪০৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি এলডিপির ছাতা প্রতিকের প্রার্থী মো. নেয়ামুল বশির পেয়েছেন ৭৫হাজার ৬৬০ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে জাতীয় পার্টির মির্জা গিয়াস উদ্দিন ১হাজার ৫১৬, ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আলী পাটওয়াারি ৬হাজার ৬৮১, স্বতন্ত্র মো. জাকির হোসেন প্রধানিয়া ২৬৮, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. মাহমুদুল হাসান নয়ন ২৫৬, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের সৈয়দ বাহাদুর শাহ্ মুজাদ্দেদী ১৩হাজার ১৭৮ ভোট পেয়েছেন।

চাঁদপুর-৩ আসনের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থী এ এইচ এম আহসান উল্লাহ বলেন, জামানত হারানো প্রার্থীদের নিজ দলের তৃণমূল সাংগঠনিকভাবে দুর্বল। তাই নির্বাচনে ভালো করা কঠিন। তার মতে সাংগঠনিক কার্যক্রম সক্রিয় করা প্রয়োজন।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চাঁদপুরের সভাপতি অধ্যক্ষ মোশারেফ হোসেন বলেন, আসলে নিজেকে পরিচিতির জন্য এমন নির্বাচনে অনেকে প্রার্থী হয়। আবার নির্বাচন কমিশনের শর্ত পূরণের জন্যও প্রার্থী দিয়ে নিয়ম রক্ষা করেন। এছাড়াও ছোট দলগুলোর জয় পরাজয় বা জামানত বাজেয়াপ্ত তাদের বড় বিষয় নয়, দলকে টিকিয়ে রাখতে নির্বাচনে অংশ গ্রহন নিশ্চিত করতে হয়।

বিষয় : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে ৩৬ প্রার্থীর ২৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত

প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি সংসদীয় আসনে ৩৬ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন একজন নারী প্রার্থীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ২৫ প্রার্থী। নির্বাচনের বিধি অনুযায়ি, কোনো সংসদীয় আসনে প্রার্থী বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগ বা কমপক্ষে ১২ শতাংশ ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায়, ৩৫ প্রার্থীর মধ্যে ২৫ জন নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে পারেননি। যার ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এমনও প্রার্থী আছেন যারা ১ হাজার ভোটও পাননি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৪ প্রার্থীর পাশাপাশি ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল সৈয়দ মোহাম্মদ মাহাদুর শাহ্ও জামানত হারিয়েছেন। একসময় সরকারে থাকা প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টি ৪টি আসনে অংশ নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৪৬ ভোট। আর গণফোরাম তিনটি আসনে পেয়েছেন ৮৭৬ ভোট।নির্বাচন কমিশনের হালনাগাদ তথ্যে জেলায় ভোটার ২৩ লাখ ৩১হাজার ১৯৫। এবারের নির্বাচনে ভোট দিয়ছেন ৫৩.০৫ভাগ।এদিকে জামায়াতের সাথে জোটে যাওয়া নিয়ে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বে জড়ানো ইসলামী আন্দোলন ৪টি আসনে ভোট পেয়েছে ৩৮ হাজার ৬শ ৩০ ভোট। ২০০৪ সালে আ. লীগের সাথে জোট হওয়া বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্ট মোমবাতি প্রতিক তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পেয়েছে ৭ হাজার ১৫৪ ভোট। শুধু তাই নয়, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ বাহদুর শাহ চেয়ার প্রতিকে চাঁদপুর-৫ আসন থেকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ১৭৮ ভোট। তিনিও হারিয়েছেন জামানত। অন্যদের মধ্যে জামানত হারিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতিকের ৩ প্রার্থী মো. জাকির হোসেন, মো. এনায়েত হোসেন ও মো. গোলাফ হোসেন। এছাড়া স্বতন্ত্র ঘুড়ি প্রতিকের জাকির হোসেন, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতিকের মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতিকের জাকির হোসেন প্রধানিয়া, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের আপেল প্রতিকের মো. মাহমুদুল হাসান নয়ন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির আনারস প্রতিকের নাসিমা নাজনিন সরকার, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির হাতি প্রতিকের মো. ফয়জুন্নুর ও নাগরিক ঐক্যের কেটলি প্রতিকের মো. এনামুল হক।চাঁদপুর-১ (কচুয়া): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ১৩লাখ ৩হাজার ৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতের প্রার্থী আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমেদ পেয়েছেন ৭০হাজার ৩৬৮ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে গণফোরামের মোহাম্মদ আজাদ হোসেন ৩২৯, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন ৪ হাজার ৩৭১, গণঅধিকার পরিষদের মো. এনায়েত হোসেন ২১৭ ও জাতীয় পার্টির হাবিব খান ৬৫২ ভোট পেয়েছন।চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিন ১লাখ ৭২হাজার ৫০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি এলডিপির ছাতা প্রতিকের প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৪৭৩ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশ লেবার পার্টির নাসিমা নাজনিন সরকার ২৮৩, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি মো. ফয়জুন্নর ৫০৯, গণঅধিকার পরিষদের মো. গোলাপ হোসেন ৩১৫, নাগরিক ঐক্য মো. এনামুল হক ১৪৩, ইসলামী আন্দোলনের মানসুর ১২হাজার ৩০৭, জাতীয় পার্টির এমরান হোসেন মিয়া ১হাজার ৩২৮ ভোট।চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ ১লাখ ৬৫ হাজার ৪০৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শাহজাহান মিয়া দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে পেয়েছেন ১লাখ ৮৬৫ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এ. এইচ.এম. আহসান উল্লাহ ২হাজার ২৭৪, ইসলামী আন্দোলনের মো. জয়নাল আবদিন শেখ ১৪ হাজার ১৮১, গণঅধিকার পরিষদের মো. জাকির হোসেন ১৩২, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ৬৭৬, গণফোরামের সেলিম আকবর ৩০৭ ভোট।চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) : এই আসনে স্বতন্ত্র চিংড়ি প্রতিকের প্রার্থী এম এ হান্নান ৭৪হাজার ১৭৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী বিএনপির ধানের শীষ প্রতিকের মো. হারুনুর রশিদ ৬৯ হাজার ১৫৫ ভোট এবং জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী পেয়েছেন ৬৬হাজার ৬৯২ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র জাকির হোসেন ১৮৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের মকবুল হোসাইন ৫হাজার ২৬১, জাতীয় পার্টির মাহমুদুর হাসান ২৭৭ ভোট, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. আবদুল মালেক ৫০৯, গণফোরামের মো. মুনীর চৌধুরী ২৪০ ভোট পেয়েছেন।চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি): এই আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী মো. মমিনুল হক ১ লাখ ৮৫হাজার ৪০৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি এলডিপির ছাতা প্রতিকের প্রার্থী মো. নেয়ামুল বশির পেয়েছেন ৭৫হাজার ৬৬০ ভোট। জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে জাতীয় পার্টির মির্জা গিয়াস উদ্দিন ১হাজার ৫১৬, ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আলী পাটওয়াারি ৬হাজার ৬৮১, স্বতন্ত্র মো. জাকির হোসেন প্রধানিয়া ২৬৮, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. মাহমুদুল হাসান নয়ন ২৫৬, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের সৈয়দ বাহাদুর শাহ্ মুজাদ্দেদী ১৩হাজার ১৭৮ ভোট পেয়েছেন।চাঁদপুর-৩ আসনের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থী এ এইচ এম আহসান উল্লাহ বলেন, জামানত হারানো প্রার্থীদের নিজ দলের তৃণমূল সাংগঠনিকভাবে দুর্বল। তাই নির্বাচনে ভালো করা কঠিন। তার মতে সাংগঠনিক কার্যক্রম সক্রিয় করা প্রয়োজন।সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চাঁদপুরের সভাপতি অধ্যক্ষ মোশারেফ হোসেন বলেন, আসলে নিজেকে পরিচিতির জন্য এমন নির্বাচনে অনেকে প্রার্থী হয়। আবার নির্বাচন কমিশনের শর্ত পূরণের জন্যও প্রার্থী দিয়ে নিয়ম রক্ষা করেন। এছাড়াও ছোট দলগুলোর জয় পরাজয় বা জামানত বাজেয়াপ্ত তাদের বড় বিষয় নয়, দলকে টিকিয়ে রাখতে নির্বাচনে অংশ গ্রহন নিশ্চিত করতে হয়।

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত