রোববার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
The Dhaka News Bangla

আসামের মহাসড়কে হঠাৎ মোদীর উড়োজাহাজের ‘জরুরি অবতরণ’

আসামের মহাসড়কে হঠাৎ মোদীর উড়োজাহাজের ‘জরুরি অবতরণ’
ছবি সংগৃহীত

জাতীয় সড়কে অবতরণ করলো ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বহনকারী উড়োজাহাজ।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভারতীয় বিমান বাহিনীর একটি সি-১৩০জে মডেলের প্লেনটি সবাইকে অবাক করে দিয়ে মোদীকে আসামের ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়কে অবতরণ করায়। তবে এটি কোনো সাধারণ জরুরি অবতরণ নয়। ভারতীয় বিমান বাহিনী এই ঘটনা ঘটিয়েছে ‘ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং ফেসিলিটি (ইএলএফ)’ হিসেবে তৈরি করা সড়কটির সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য।

জানা গেছে, মোরান বাইপাসের ৪.২ কিলোমিটার দীর্ঘ শক্তিশালী অংশটি এমনভাবে নির্মিত হয়েছে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে এটি বিকল্প রানওয়ে হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এর আগে মোদী এক্সে (সাবেক টুইটার) একটি পোস্টে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে এই জরুরি অবতরণের সুবিধা দুর্যোগ পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণ কার্য পরিচালনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।

প্রায় ১০০ কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত ইএলএফটি ভারতীয় বিমান বাহিনীর জন্য একটি কৌশলগত এবং বহুমুখী রানওয়ে হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। এই সুবিধাটি ৪০ টন ওজনের যুদ্ধবিমান এবং ৭৪ টন সর্বোচ্চ ওজনের পরিবহন বিমান অবতরণ করার জন্য উপযুক্ত। এটি সামরিক ও বেসামরিক উভয় উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতে পারে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দিঘরুগড় বিমানবন্দরের বিকল্প হিসেবেও কাজ করবে।

ভারতের প্রথম ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং ফ্যাসিলিটি ২০২১ সালে রাজস্থানের বার্মের জেলায় চালু হয়েছিল। আসামের এই নতুন ইএলএফ বিশেষত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ উত্তরপূর্ব অঞ্চলে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।

অবতরণের পর নরেন্দ্র মোদী প্রায় ৪০ মিনিটের এক বর্ণিল এয়ার শো উপভোগ করেন, যেখানে অংশ নেয় তেজস, সুখোই ও রাফালে যুদ্ধবিমান। 

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

রোববার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


আসামের মহাসড়কে হঠাৎ মোদীর উড়োজাহাজের ‘জরুরি অবতরণ’

প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
জাতীয় সড়কে অবতরণ করলো ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বহনকারী উড়োজাহাজ।শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভারতীয় বিমান বাহিনীর একটি সি-১৩০জে মডেলের প্লেনটি সবাইকে অবাক করে দিয়ে মোদীকে আসামের ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়কে অবতরণ করায়। তবে এটি কোনো সাধারণ জরুরি অবতরণ নয়। ভারতীয় বিমান বাহিনী এই ঘটনা ঘটিয়েছে ‘ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং ফেসিলিটি (ইএলএফ)’ হিসেবে তৈরি করা সড়কটির সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য।জানা গেছে, মোরান বাইপাসের ৪.২ কিলোমিটার দীর্ঘ শক্তিশালী অংশটি এমনভাবে নির্মিত হয়েছে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে এটি বিকল্প রানওয়ে হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এর আগে মোদী এক্সে (সাবেক টুইটার) একটি পোস্টে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে এই জরুরি অবতরণের সুবিধা দুর্যোগ পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণ কার্য পরিচালনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।প্রায় ১০০ কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত ইএলএফটি ভারতীয় বিমান বাহিনীর জন্য একটি কৌশলগত এবং বহুমুখী রানওয়ে হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। এই সুবিধাটি ৪০ টন ওজনের যুদ্ধবিমান এবং ৭৪ টন সর্বোচ্চ ওজনের পরিবহন বিমান অবতরণ করার জন্য উপযুক্ত। এটি সামরিক ও বেসামরিক উভয় উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতে পারে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দিঘরুগড় বিমানবন্দরের বিকল্প হিসেবেও কাজ করবে।ভারতের প্রথম ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং ফ্যাসিলিটি ২০২১ সালে রাজস্থানের বার্মের জেলায় চালু হয়েছিল। আসামের এই নতুন ইএলএফ বিশেষত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ উত্তরপূর্ব অঞ্চলে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।অবতরণের পর নরেন্দ্র মোদী প্রায় ৪০ মিনিটের এক বর্ণিল এয়ার শো উপভোগ করেন, যেখানে অংশ নেয় তেজস, সুখোই ও রাফালে যুদ্ধবিমান। 

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত