বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
The Dhaka News Bangla

লক্ষ্মীপুর জেলায় হাঁস পার্টির বসন্ত

লক্ষ্মীপুর জেলায় হাঁস পার্টির বসন্ত
ছবি সংগৃহীত

নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলার মানুষের জীবনযাপনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে ঋতুভিত্তিক কিছু নিজস্ব রেওয়াজ। তার মধ্যে শীত এলেই যে আয়োজনটি সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে, তা হলো-হাঁস খাওয়ার উৎসব, বা বর্তমান প্রজন্মের ভাষায় ‘হাঁস পার্টি’।

শীতকালে হাঁস পরিপুষ্ট হয়। ফলে এ সময় হাঁসের মাংস যেমন বেশি সুস্বাদু, তেমনি পুষ্টিগুণেও ভরপুর। শরীর গরম রাখার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় শক্তি জোগাতে হাঁসের মাংসের জুড়ি মেলা ভার। তাই বহুদিন ধরেই এ অঞ্চলের মানুষ শীতকালকেই হাঁস খাওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হিসেবে বিবেচনা করে আসছেন।

একসময় হাঁস রান্না ছিল মূলত পারিবারিক আয়োজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তবে গত কয়েক বছরে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের তরুণদের মধ্যে দলবেঁধে হাঁস খাওয়ার এক নতুন সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। বন্ধুদের নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা, আলাদা আয়োজন, হাসি-আড্ডা আর ভরপুর খাবার-এই মিলনমেলার নামই এখন ‘হাঁস পার্টি’। শীত মৌসুম এলেই জেলার গ্রাম থেকে শহর- সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে এই উৎসবের আমেজ।

হাঁস পার্টি কেবল খাবারের আয়োজন নয়, এটি বন্ধুত্বেরও এক অনন্য উপলক্ষ। একসাথে হাঁস রান্না করা, একসাথে বসে খাওয়া-সব মিলিয়ে বন্ধুবান্ধবের মাঝে তৈরি হয় গভীর সম্পর্ক আর আন্তরিকতা। শীতকালে হাঁস খাওয়ার মাধ্যমে যেমন শরীরে বাড়তি শক্তি সঞ্চিত হয়, তেমনি মানসিক প্রশান্তি ও সামাজিক বন্ধনও আরও দৃঢ় হয়।

শীতের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলায় হাঁস খাওয়ার ধুম লেগেই থাকে। বাজারে ভালো হাঁসের পাশাপাশি কেনা হয় নানা রকম মসলা, তৈরি হয় নিজস্ব রেসিপি। কারও বাড়িতে, কারও খোলা মাঠে কিংবা কোনো বন্ধুর উঠোনে-যেখানেই হোক, হাঁস পার্টি মানেই আলাদা এক আনন্দ।

শীতের নিস্তেজ সময়ে হাঁসের মাংসের গরম গরম স্বাদ যেন শরীর ও মন-দুটোকেই চাঙা করে তোলে। তাই তো দূরে কোথাও দীর্ঘমেয়াদি কাজে যাওয়ার আগেও অনেকেই হাঁস খেয়ে নেন। এভাবেই নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুরের শীতকাল মানেই হাঁস পার্টির বসন্ত-স্বাদ, শক্তি আর সম্পর্কের এক অনন্য উৎসব।

বিষয় : হাঁস পার্টি

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬


লক্ষ্মীপুর জেলায় হাঁস পার্টির বসন্ত

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলার মানুষের জীবনযাপনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে ঋতুভিত্তিক কিছু নিজস্ব রেওয়াজ। তার মধ্যে শীত এলেই যে আয়োজনটি সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে, তা হলো-হাঁস খাওয়ার উৎসব, বা বর্তমান প্রজন্মের ভাষায় ‘হাঁস পার্টি’।শীতকালে হাঁস পরিপুষ্ট হয়। ফলে এ সময় হাঁসের মাংস যেমন বেশি সুস্বাদু, তেমনি পুষ্টিগুণেও ভরপুর। শরীর গরম রাখার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় শক্তি জোগাতে হাঁসের মাংসের জুড়ি মেলা ভার। তাই বহুদিন ধরেই এ অঞ্চলের মানুষ শীতকালকেই হাঁস খাওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হিসেবে বিবেচনা করে আসছেন।একসময় হাঁস রান্না ছিল মূলত পারিবারিক আয়োজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তবে গত কয়েক বছরে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের তরুণদের মধ্যে দলবেঁধে হাঁস খাওয়ার এক নতুন সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। বন্ধুদের নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা, আলাদা আয়োজন, হাসি-আড্ডা আর ভরপুর খাবার-এই মিলনমেলার নামই এখন ‘হাঁস পার্টি’। শীত মৌসুম এলেই জেলার গ্রাম থেকে শহর- সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে এই উৎসবের আমেজ।হাঁস পার্টি কেবল খাবারের আয়োজন নয়, এটি বন্ধুত্বেরও এক অনন্য উপলক্ষ। একসাথে হাঁস রান্না করা, একসাথে বসে খাওয়া-সব মিলিয়ে বন্ধুবান্ধবের মাঝে তৈরি হয় গভীর সম্পর্ক আর আন্তরিকতা। শীতকালে হাঁস খাওয়ার মাধ্যমে যেমন শরীরে বাড়তি শক্তি সঞ্চিত হয়, তেমনি মানসিক প্রশান্তি ও সামাজিক বন্ধনও আরও দৃঢ় হয়।শীতের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলায় হাঁস খাওয়ার ধুম লেগেই থাকে। বাজারে ভালো হাঁসের পাশাপাশি কেনা হয় নানা রকম মসলা, তৈরি হয় নিজস্ব রেসিপি। কারও বাড়িতে, কারও খোলা মাঠে কিংবা কোনো বন্ধুর উঠোনে-যেখানেই হোক, হাঁস পার্টি মানেই আলাদা এক আনন্দ।শীতের নিস্তেজ সময়ে হাঁসের মাংসের গরম গরম স্বাদ যেন শরীর ও মন-দুটোকেই চাঙা করে তোলে। তাই তো দূরে কোথাও দীর্ঘমেয়াদি কাজে যাওয়ার আগেও অনেকেই হাঁস খেয়ে নেন। এভাবেই নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুরের শীতকাল মানেই হাঁস পার্টির বসন্ত-স্বাদ, শক্তি আর সম্পর্কের এক অনন্য উৎসব।

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত