সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
The Dhaka News Bangla

সামাজিক অবক্ষয় রোধে ইসলাম

সামাজিক অবক্ষয় রোধে ইসলাম
গনপিটুনী

সামাজিক অবক্ষয় রোধে ইসলাম মানুষের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত জীবনে নৈতিকতা, আত্মশুদ্ধি এবং আল্লাহর প্রতি পরিপূর্ণ আনুগত্যের শিক্ষা দেয়। কুরআন ও হাদিস এই সমস্যা সমাধানের জন্য বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে।

সামাজিক অবক্ষয় রোধে ইসলামের প্রধান পদক্ষেপগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো:

আল্লাহভীতি (তাক্বওয়া) সৃষ্টি: মানুষের মধ্যে সৎ কাজের অনুপ্রেরণা এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত থাকার একটি শক্তিশালী অনুভূতি হলো তাক্বওয়া বা আল্লাহভীতি। এই অনুভূতি মানুষকে অপরাধ থেকে দূরে রাখে।

নৈতিক ও চারিত্রিক শিক্ষা: ইসলাম সততা, দয়া, ধৈর্য, ন্যায়বিচার এবং জবাবদিহিতার মতো মৌলিক নৈতিক গুণাবলী অর্জনের নির্দেশনা দেয়। এই শিক্ষা দুর্নীতি ও অবিচারকে নিরুৎসাহিত করে এবং সমাজকে নিরাপদ ও সুসংগঠিত করে তোলে।

পারিবারিক অনুশাসন: পরিবার হলো নৈতিকতা শিক্ষার প্রথম কেন্দ্র। পিতামাতা এবং পরিবারের সদস্যদের সঠিক অনুশাসন সন্তানদের নৈতিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষাব্যবস্থায় নৈতিকতার অন্তর্ভুক্তি: জাগতিক শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামী ও নৈতিক শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া অপরিহার্য। এটি যুবসমাজকে সঠিক মূল্যবোধ ও আদর্শ শিখতে সাহায্য করে।

অশ্লীলতা ও মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকা: ইসলাম মদ, জুয়া, ব্যভিচার এবং সব ধরনের অশ্লীল ও অন্যায় কাজকে কঠোরভাবে নিষেধ করেছে। নামাজ অশ্লীলতা ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে, যা অন্তর সংস্কারের সর্বোত্তম মাধ্যম।

সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা: ইসলাম জাতি, ধর্ম বা সামাজিক মর্যাদা নির্বিশেষে সকলের অধিকার সমুন্নত রাখার কথা বলে। যাকাত ও সাদাকার (দান) মাধ্যমে সম্পদ পুনর্বণ্টন দরিদ্র ও প্রান্তিকদের সহায়তা করে এবং সামাজিক বৈষম্য হ্রাস করে।

বিবাহের গুরুত্ব: সঠিক সময়ে বিবাহের ব্যবস্থা করা হলে তা যৌন অবক্ষয় এবং ব্যভিচার রোধ করতে সহায়ক হতে পারে।

মূলত, সামাজিক অবক্ষয় রোধে ইসলাম মানুষের অন্তরের সংস্কার ও নৈতিক চেতনার উন্মেষ ঘটানোর মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনে জোর দেয়।

বিষয় : ধর্ম ও জীবন

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫


সামাজিক অবক্ষয় রোধে ইসলাম

প্রকাশের তারিখ : ১৯ নভেম্বর ২০২৫

featured Image
সামাজিক অবক্ষয় রোধে ইসলাম মানুষের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত জীবনে নৈতিকতা, আত্মশুদ্ধি এবং আল্লাহর প্রতি পরিপূর্ণ আনুগত্যের শিক্ষা দেয়। কুরআন ও হাদিস এই সমস্যা সমাধানের জন্য বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে। সামাজিক অবক্ষয় রোধে ইসলামের প্রধান পদক্ষেপগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো:আল্লাহভীতি (তাক্বওয়া) সৃষ্টি: মানুষের মধ্যে সৎ কাজের অনুপ্রেরণা এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত থাকার একটি শক্তিশালী অনুভূতি হলো তাক্বওয়া বা আল্লাহভীতি। এই অনুভূতি মানুষকে অপরাধ থেকে দূরে রাখে।নৈতিক ও চারিত্রিক শিক্ষা: ইসলাম সততা, দয়া, ধৈর্য, ন্যায়বিচার এবং জবাবদিহিতার মতো মৌলিক নৈতিক গুণাবলী অর্জনের নির্দেশনা দেয়। এই শিক্ষা দুর্নীতি ও অবিচারকে নিরুৎসাহিত করে এবং সমাজকে নিরাপদ ও সুসংগঠিত করে তোলে।পারিবারিক অনুশাসন: পরিবার হলো নৈতিকতা শিক্ষার প্রথম কেন্দ্র। পিতামাতা এবং পরিবারের সদস্যদের সঠিক অনুশাসন সন্তানদের নৈতিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।শিক্ষাব্যবস্থায় নৈতিকতার অন্তর্ভুক্তি: জাগতিক শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামী ও নৈতিক শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া অপরিহার্য। এটি যুবসমাজকে সঠিক মূল্যবোধ ও আদর্শ শিখতে সাহায্য করে।অশ্লীলতা ও মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকা: ইসলাম মদ, জুয়া, ব্যভিচার এবং সব ধরনের অশ্লীল ও অন্যায় কাজকে কঠোরভাবে নিষেধ করেছে। নামাজ অশ্লীলতা ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে, যা অন্তর সংস্কারের সর্বোত্তম মাধ্যম।সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা: ইসলাম জাতি, ধর্ম বা সামাজিক মর্যাদা নির্বিশেষে সকলের অধিকার সমুন্নত রাখার কথা বলে। যাকাত ও সাদাকার (দান) মাধ্যমে সম্পদ পুনর্বণ্টন দরিদ্র ও প্রান্তিকদের সহায়তা করে এবং সামাজিক বৈষম্য হ্রাস করে।বিবাহের গুরুত্ব: সঠিক সময়ে বিবাহের ব্যবস্থা করা হলে তা যৌন অবক্ষয় এবং ব্যভিচার রোধ করতে সহায়ক হতে পারে। মূলত, সামাজিক অবক্ষয় রোধে ইসলাম মানুষের অন্তরের সংস্কার ও নৈতিক চেতনার উন্মেষ ঘটানোর মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনে জোর দেয়।

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৫ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত