বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
The Dhaka News Bangla

তিস্তার পানি বাড়ছে, বন্যার শঙ্কা

তিস্তার পানি বাড়ছে, বন্যার শঙ্কা

উজানের ঢল এবং টানা বৃষ্টির ফলে তিস্তা নদীর পানি হঠাৎ করে বেড়ে গেছে, যা বন্যার আশঙ্কা তৈরি করেছে।

রোববার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায় লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা উপজেলার ডালিয়া ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার মাত্র ৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টে পানির স্তর ছিল ৫২.০৮ মিটার, যা বিপদসীমা ৫২.১৫ মিটার থেকে কিছুটা নিচে। সকাল ৯টায় পানি বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পানি ৮ সেন্টিমিটার বেড়ে যাওয়ায় নদী তীরবর্তী এলাকায় বন্যার আশঙ্কা বাড়ছে। তিস্তার পানির দ্রুত বৃদ্ধি নদী তীরবর্তী হাতিবান্ধা, আদিতমারী ও সদর উপজেলার নিম্নাঞ্চলগুলোতে পানি ঢুকে পড়তে শুরু করেছে

জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়নের বাসিন্দা রবিউল হাসান বলেন, সকালে টানা বৃষ্টি হয়েছে। এখন উজান থেকেও প্রচুর পানি আসছে। ইতোমধ্যে নিচু এলাকায় পানি ঢুকতে শুরু করেছে। আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের চন্ডিমারী ও গোবরধন এলাকায়ও একই চিত্র।

ওই এলাকার বাসিন্দা রিপন মিয়া বলেন, “নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে রাতে বাড়িঘরেও পানি ঢুকবে।”

ডালিয়া ব্যারাজ পয়েন্টের লেভেল পরিমাপক নুরুল ইসলাম জানান, পানি বেড়ে যাওয়ায় ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে রাখা হয়েছে। শুক্রবার রাত থেকে পানি বাড়তে শুরু করেছেবর্তমানে তা বিপদসীমার মাত্রসেন্টিমিটার নিচ দিয়ে বইছে

পানি উন্নয়ন বোর্ড লালমনিরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার বলেন, “উজান থেকে পানি আসার পাশাপাশি সকালেও বৃষ্টিপাত হয়েছে। যার ফলে নদীর পানি বাড়ছে এবং নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে । পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে আমরা সার্বক্ষণিক নজর রাখছি।”

বিষয় : তিস্তা

যুক্ত থাকুন দ্যা ঢাকা নিউজের সাথে

The Dhaka News Bangla

বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬


তিস্তার পানি বাড়ছে, বন্যার শঙ্কা

প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৫

featured Image
উজানের ঢল এবং টানা বৃষ্টির ফলে তিস্তা নদীর পানি হঠাৎ করে বেড়ে গেছে, যা বন্যার আশঙ্কা তৈরি করেছে।রোববার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায় লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা উপজেলার ডালিয়া ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার মাত্র ৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টে পানির স্তর ছিল ৫২.০৮ মিটার, যা বিপদসীমা ৫২.১৫ মিটার থেকে কিছুটা নিচে। সকাল ৯টায় পানি বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পানি ৮ সেন্টিমিটার বেড়ে যাওয়ায় নদী তীরবর্তী এলাকায় বন্যার আশঙ্কা বাড়ছে। তিস্তার পানির দ্রুত বৃদ্ধি নদী তীরবর্তী হাতিবান্ধা, আদিতমারী ও সদর উপজেলার নিম্নাঞ্চলগুলোতে পানি ঢুকে পড়তে শুরু করেছে।জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়নের বাসিন্দা রবিউল হাসান বলেন, সকালে টানা বৃষ্টি হয়েছে। এখন উজান থেকেও প্রচুর পানি আসছে। ইতোমধ্যে নিচু এলাকায় পানি ঢুকতে শুরু করেছে। আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের চন্ডিমারী ও গোবরধন এলাকায়ও একই চিত্র।ওই এলাকার বাসিন্দা রিপন মিয়া বলেন, “নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে রাতে বাড়িঘরেও পানি ঢুকবে।”ডালিয়া ব্যারাজ পয়েন্টের লেভেল পরিমাপক নুরুল ইসলাম জানান, পানি বেড়ে যাওয়ায় ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে রাখা হয়েছে। শুক্রবার রাত থেকে পানি বাড়তে শুরু করেছে। বর্তমানে তা বিপদসীমার মাত্র ৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে বইছে।পানি উন্নয়ন বোর্ড লালমনিরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার বলেন, “উজান থেকে পানি আসার পাশাপাশি সকালেও বৃষ্টিপাত হয়েছে। যার ফলে নদীর পানি বাড়ছে এবং নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে । পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে আমরা সার্বক্ষণিক নজর রাখছি।”

The Dhaka News Bangla

সম্পাদক: তাসকিন আহমেদ রিয়াদ 

কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত