মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
The Dhaka News Bangla

কেনাকাটা

ঈদকে ঘিরে জমজমাট আলগীবাজার,কেনাকাটায় ব্যস্ত হাইমচরের মানুষ

চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার প্রান-কেন্দ্র আলগী-বাজারে পবিত্র "ঈদুল ফিতর" কে সামনে রেখে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বাজারজুড়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ব্যস্ততা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নতুন পোশাক, জুতা ও বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী কিনতে ভিড় করছেন নারী, পুরুষ ও শিশু। তবে নারীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয় বাজার ঘুরে দেখা যায়, কাপড়ের দোকানগুলোতে সবচেয়ে বেশি ভিড়। কেউ নিজের জন্য, আবার কেউ পরিবারের সদস্যদের জন্য  কিনছেন নতুন পোশাক। অনেকেই জানালেন, দাম কিছুটা বেশি হলেও ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে কেনাকাটা করতেই হচ্ছে।একজন নারী ক্রেতা জানান, ঈদের কেনাকাটার জন্য বাজারে এসেছেন। এখনও পছন্দসই কিছু খুঁজছেন, তবে যা ভালো লাগবে সেটাই কিনবেন। ঈদকে সামনে রেখে কেনাকাটা করতে এসে তার ভালো লাগছে বলেও জানান তিনি।একজন পুরুষ ক্রেতা বলেন, নিজের জন্য একটি প্যান্ট কিনেছেন এবং পরিবারের সদস্যদের জন্যও কিছু পোশাক নিয়েছেন। তবে বাজারে বেশ ভিড় থাকায় কেনাকাটা করতে কিছুটা অসুবিধা হচ্ছে বলে জানান তিনি। বাজার কর্তৃপক্ষ ভিড় নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগ নিলে ক্রেতাদের জন্য সুবিধা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি ছোটবেলার ঈদের স্মৃতির কথা উল্লেখ করে বলেন, তখন নতুন পোশাক বাঁশি বেলুন পেলেই অনেক আনন্দ লাগত। এখন বড় হয়ে পরিবারের ভাই-বোনদের জন্য কিছু কিনতে পারলে বেশি আনন্দ হয়।অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, ঈদকে সামনে রেখে বেচাকেনা আগের তুলনায় বেড়েছে। বিশেষ করে পুরুষের জন্য পাঞ্জাবির চাহিদা বেশি রয়েছে। এক বিক্রেতা জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর বেচাকেনা কিছুটা ভালো। তবে ভালো মানের পণ্যের দাম একটু বেশি হওয়ায় অনেক ক্রেতার কাছে তা বেশি মনে হচ্ছে।পোষাকের দোকান গুলোর পাশাপাশি জুতা ও কসমেটিক দোকান গুলোতে ব্যাপক ভীড় লক্ষ্য করা যায়আরেক বিক্রেতা জানান, দুপুরের সময় বেচাকেনা তুলনামূলক বেশি হয়। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এবং দুপুরের পর বিকাল পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় থাকে।সন্ধ্যার পর কাষ্টমার থাকেনা বলেই চলে। মহিলাদের পোশাকের মধ্যে সারারা ও ঘারারা পোশাকের চাহিদা বেশি বলেও জানান তিনি।ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে বাজারের ব্যস্ততা।কেনা বেচা-কেনায় এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা।

ঈদকে ঘিরে জমজমাট আলগীবাজার,কেনাকাটায় ব্যস্ত হাইমচরের মানুষ