সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
The Dhaka News Bangla

খালেদা জিয়ার সর্বোচ্চ চিকিৎসা অব্যাহত আছে: ডা. জাহিদ

মেডিকেল বোর্ড পরামর্শ দিলে বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া হবে। তবে, হাসপাতালের সিসিইউতে ডাক্তাররা যে চিকিৎসা দিচ্ছেন, তা বেগম খালেদা জিয়া নিতে পারছেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডাক্তার এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি জানান, সর্বোচ্চ চিকিৎসা অব্যাহত আছে এবং দেশের মানুষের দোয়ায় বেগম খালেদা জিয়া দ্রুত সুস্থ হয়ে যাবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন।গত রবিবার শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত বেগম খালেদা জিয়াকে নেওয়া হয় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে। পরে শুক্রবার রাতে তার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন বিএনপি নেতারা। বর্তমানে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসা চলছে। শনিবার (২০ নভেম্বর) রাত নয়টার পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সর্বশেষ তথ্য জানান।তিনি জানান, মেডিকেল বোর্ড পরামর্শ দিলেই বেগম খালেদা জিয়াকে বাইরে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হবে। সর্বোচ্চ চিকিৎসা অব্যাহত আছে, থাকবে। এসময় খালেদা জিয়ার সুস্থতায় দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন তিনি। মানুষের দোয়ায় বেগম খালেদা জিয়া সুস্থ্য হয়ে যাবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে, বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
১৮ ঘন্টা আগে

নির্বাচনের মাধ্যমে পিসফুল ট্রানজিশন বড় চ্যালেঞ্জ: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, নির্বাচনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ পরিবর্তন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশের জাতীয় ঐক্য এবং স্থিতিশীলতা যদি নিশ্চিত করা যায়, তবে সেটি নির্বাচনের মাধ্যমেই সম্ভব।শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনীতি সম্মেলন ২০২৫’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।নাহিদ ইসলাম বলেন, আগামী যে নির্বাচন হতে যাচ্ছে সে নির্বাচনের মাধ্যমে কিন্তু মানুষ এবং পুরো বিশ্ব এই সিগন্যালটা পাবে যে দেশ আসলে স্থিতিশীল হবে কি না। দেশে একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ট্রানজিশনটা পিসফুল ওয়েতে হচ্ছে কি না। আমাদের জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে নির্বাচনটা খুবই পিসফুলি এই ট্রানজিশনটা ঘটানো। যদি আমরা এটা পিসফুলি করতে না পারি অস্থিতিশীলতা কিন্তু থেকে যাবে। আমাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে আগাতে হবে। গত ১৬ বছর যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, অর্থনৈতিক খাতে আমরা রাতারাতি সেটা পরিবর্তন করতে পারবো না। সেটা করার চেষ্টাও করা উচিত না। আমার কাছে মনে হয় না সেটা এক বছর, দেড় বছর বা ১৮ মাসে কোনো ধরনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি বা এ ধরনের পরিবর্তন সম্ভব। এটার জন্য আমাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা লাগবে। কিন্তু সমাজে সিগন্যালটা দিতে হবে যে আমরা সেটার জন্য পজিটিভ ওয়েতে আগাচ্ছি। কর্মসংস্থানের জন্য আমাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে, দক্ষতা ভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা যদি গড়তে পারি তাহলে তারুণ্যের যে কর্মসংস্থান সেটার সমাধান সম্ভব।তিনি বলেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পেছনে জনগণ, বিশেষ করে তরুণদের রাজপথে নেমে আসার কারণ কী ছিল? তাদের কি কোন অর্থনৈতিক অনুপ্রেরণা, আকাঙ্ক্ষা বা লক্ষ্য ছিল? যদি আমরা এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে বের করতে পারি এবং সেই সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারি, তাহলে বাংলাদেশে আমাদের অর্থনৈতিক সংস্কারের কাজ সম্পন্ন করতে পারবো। গণঅভ্যুত্থানের অর্থনৈতিক আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আলোচনা করতে হলে, আমাদের আগে ফ্যাসিবাদী সময়ের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কথা বলতে হবে। যদিও আমরা ইতোমধ্যে এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি। গত এক দেড় বছরে আমাদের ফ্যাসিবাদী সময়ের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, যা আমরা লুটপাটের অর্থনীতি বলে অভিহিত করতে পারি, সেটি নিয়ে চিন্তা করতে হবে। আমাদের দেশের টাকা বিদেশে পাচার এবং ব্যাংক লুটের অর্থনীতি নিয়েও আলোচনা করা প্রয়োজন।নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, আমরা যখন কোটা সংস্কার আন্দোলনটা শুরু করি, তখন আমাদের কাছে এটা স্পষ্ট ছিল যে এই আন্দোলনটা কোটা সংস্কারের দাবিতে হলেও এর পেছনে একটা ব্যাকগ্রাউন্ড আছে। আমরা খুবই সচেতনভাবেই আমাদের আন্দোলনের নাম দিয়েছিলাম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। কারণ এই আন্দোলনটাকে সমাজের বৃহত্তর মানুষের সঙ্গে কানেক্ট করতে হলে আমাদের একটা নৈতিক জায়গায় এই আন্দোলনটাকে নিয়ে যেতে হবে। শুধুমাত্র গোষ্ঠী স্বার্থের আন্দোলনে করলে এটাকে আমরা বেশি দূর আগাতে পারবো না। ফলে চাকরির আন্দোলন হয়তো আমাদের প্রধান দাবি ছিল, কিন্তু আমাদের ব্যানারের নাম ছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। আপনাদের মনে থাকার কথা সেই সময় কিন্তু শ্রমিকের মজুরির দাবিতে আন্দোলন হচ্ছিল, দ্রব্যমূল্যের অনেক ঊর্ধগতি, কর্মসংস্থানের দাবি ইত্যাদি দাবিগুলো ছিল। ফলে সমাজের এই বৃহত্তর দাবিগুলোকে কানেক্ট করার জন্যই আমরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ব্যানার বা এই স্লোগানে শুরু করি, যেটা পরবর্তীতে রাজনৈতিক দাবির দিকে চলে যায়। ফ্যাসিবাদী সময়ে যে অর্থনৈতিক বন্দোবস্ত যেটা সমাজে বৈষম্য তৈরি করেছে, যেটা সমাজের অলিগার্ক মাফিয়া শ্রেণি তৈরি করেছে এবং সমাজের যে বিশেষত তরুণ সমাজ তারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আপনি যদি আরও পেছনে যান গত এক দশকে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি ছাত্র আন্দোলন হয়েছে। প্রথমটি হচ্ছে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাটবিরোধী আন্দোলন, দ্বিতীয়ত হচ্ছে ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং নিরাপদ সড়ক আন্দোলন। এই তিনটি আন্দোলনও এই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটের সঙ্গে জড়িত। তিনটি আন্দোলনের সঙ্গে অর্থনৈতিক আকাঙ্ক্ষা জড়িত বলে দাবি করেন এনসিপির আহ্বায়ক।
২৯ নভেম্বর ২০২৫

খালেদা জিয়াকে জেলবন্দী অবস্থায় স্লো পয়জনিং করা হয়েছে: মির্জা আব্বাস

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস অভিযোগ করেছেন যে, পতিত সরকারের আমলে বেগম খালেদা জিয়াকে জেলবন্দী অবস্থায় ধীরে ধীরে বিষাক্ত করা হয়েছে।শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর পুরানা পল্টনে ফটো জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে রূপসী বাংলা আলোকচিত্রী প্রদর্শনী ও প্রতিযোগীতা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। এসময়ে তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগকেই ছাড়াই আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দেশের বাইরে থেকে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হবে না বলেও জানান তিনি। খালেদা জিয়ার অসুস্থতা স্বাভাবিক অসুস্থতা নয় উল্লেখ করে দেশবাসীর কাছে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে দোয়া চান তিনি।
২৯ নভেম্বর ২০২৫
সংখ্যালঘুরা জুলুমের শিকার হলে পাশে থাকবে এনসিপি: সারজিস

সংখ্যালঘুরা জুলুমের শিকার হলে পাশে থাকবে এনসিপি: সারজিস

পঞ্চগড়ে জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, যারা সংখ্যালঘু বা সংখ্যায় কম, তারা যদি কোনো ব্যক্তি, নেতা বা রাজনৈতিক দলের দ্বারা হুমকি, হয়রানি বা জুলুমের শিকার হন, তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আমরা আপনাদের পাশে থাকবো।শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাতে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় কমিটি প্রকাশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।এসময় তিনি তার নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা কোনোদিন কারো পায়ে লাগতে যাবো না। কেউ যদি পায়ে পাড়া দিয়ে লাগতে আসে আমরা তাদের ছাড়ও দিবো না। অন্য যে কোনো দলের যারা ভালো কাজ করবে, সে যেই দলই হোক না কেন, আপনারা তাদেরকে সমর্থন করবেন, সহযোগিতা করবেন। ভালোটাকে ভালো না বললে ভালো কাজে মানুষ উৎসাহ পাবে না।আবার একইভাবে, সে যেকোনো দলেরই হোক না কেন, যত বড় ব্যক্তিই হোক না কেন— যে কেউ যদি কোনো অপকর্মের সাথে জড়িত হয়, মানুষের ওপর হয়রানি করে, জুলুম করে, ওর বিপক্ষে আপনাদের রুখে দাঁড়াতে হবে।আলোচনা শেষে বোদা উপজেলা দশটি ইউনিয়নের এবং একটি পৌরসভার কমিটির নাম ঘোষণা করেন সারজিস। এর আগে, অনুষ্ঠানের শুরুতেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন। এসময় পঞ্চগড় জেলা পাঁচ উপজেলার এনসিপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
১৮ ঘন্টা আগে
জাতীয়

জাতীয়

শেখ হাসিনাকে ১০০ কোটি টাকা ঘুষ ট্রান্সকম সিইওর অনুসন্ধানে দুদক

শেখ হাসিনাকে ১০০ কোটি টাকা ঘুষ ট্রান্সকম সিইওর অনুসন্ধানে দুদক

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সিমিন রহমানের বিরুদ্ধে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘১০০ কোটি টাকা ঘুষ’ দেয়ার অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে।সম্প্রতি সংস্থাটির উপ-পরিচালক এ কে এম মাহবুবুর রহমানকে এই অভিযোগ অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে দুদক অনুসন্ধানও শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা। দুদকের অভিযোগে বলা হয়, ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও এর বিরুদ্ধে ‘হত্যা, শেয়ার জালিয়াতি ও প্রতারণার’ একাধিক মামলা ধামাচাপা দিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘১০০ কোটি টাকা ঘুষ’ দেন। চিঠিতে অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে কোনো ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা বা সম্পদ জব্দ করার প্রয়োজন হলে, তা লিখিতভাবে জানাতেও বলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে। এর আগে, ব্যবসায়ী গোষ্ঠী ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমানের বিরুদ্ধে ভাইকে হত্যার অভিযোগ আনেন তার ছোট বোন শাযরেহ হক। পরবর্তীতে, ঢাকার গুলশান থানায় ২০২৪ সালের ২১ মার্চ করা মামলায় বড় বোন সিমিন রহমান ও তার ছেলে- ট্রান্সকম গ্রুপের হেড অব ট্রান্সফরেশন যারাইফ আয়াত হোসেনসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়। তখন মামলাটি তদন্ত শুরু করার কথা জানিয়েছিলেন ওই সময়ে গুলশান থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম। পরে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই)।উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১৬ জুন ঢাকার গুলশানের বাসায় নিজের শোয়ার ঘরে মৃত অবস্থায় আরশাদ ওয়ালিউর রহমানকে পাওয়া যায়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে বলে জানান। হাইকোর্ট এ মামলায় ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ সিমিন রহমানসহ তিনজনকে দেশে ফেরার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিলেন।
৯ ঘন্টা আগে
আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশে সাজা হলে যুক্তরাজ্যে যে পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন টিউলিপ

বাংলাদেশে সাজা হলে যুক্তরাজ্যে যে পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন টিউলিপ

পূর্বাচলের নতুন শহর প্রকল্পে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্লট নেওয়ার অভিযোগে সাবেক স্বৈরাচার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহেনা এবং হাসিনার ভাগ্নি টিউলিপসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।আগামীকাল সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুর্নীতির এ মামলার রায় হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্রিটিশ এমপি ও সাবেক সিটি মিনিস্টার টিউলিপ সিদ্দিকের ১০ বছরের সাজা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।৪৩ বছর বয়সী টিউলিপের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি তার মা, ভাই ও বোনকে শেখ হাসিনার মাধ্যমে প্লট পাইয়ে দিয়েছেন।রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প থেকে ৪ বিলিয়ন পাউন্ড আত্মসাতের অভিযোগে টিউলিপের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। এ নিয়ে খবর প্রকাশ করে সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল। এরপর সিটি মিনিস্টারের পদ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি।সংবাদমাধ্যমটি আজ রোববার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যদি টিউলিপ দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত এবং দীর্ঘ সাজাপ্রাপ্ত হন তাহলে ব্রিটিশ এমপির পদ ছাড়ার চাপে পড়বেন তিনি।গত ডিসেম্বরে রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসার পরেও তিনি একই রকম চাপের মধ্যে ছিলেন। তবে সেবার তিনি মন্ত্রিত্ব ছাড়তে পারেননি। টিউলিপ যুক্তরাজ্যের হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড হাইগেটের এমপি।রূপপুরের দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যেই সামনে আসে যুক্তরাজ্যে একটি ফ্ল্যাট নিয়ে মিথ্যাচার করেছেন টিউলিপ। তিনি বলেছিলেন, বাবা-মায়ের থেকে ফ্ল্যাটটি পেয়েছেন। কিন্তু আসলে আওয়ামীপন্থি এক নেতার কাছ থেকে ফ্ল্যাট উপহার নিয়েছিলেন তিনি। ঘুষ হিসেবে তিনি এটি নিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। যদিও এরপর ব্রিটিশ সরকারের এক অভ্যন্তরীণ তদন্ত জানায়, টিউলিপ ফ্ল্যাট নিয়ে মিথ্যাচার করে মন্ত্রিত্বের কোনো ধারা লঙ্ঘন করেননি।এদিকে বাংলাদেশে টিউলিপের মামলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কয়েকজন ব্রিটিশ আইনজীবী। তারা বলেছেন, এ মামলা স্বচ্ছ হচ্ছে না। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের কাছে একটি চিঠিও দিয়েছেন তারা।
১১ ঘন্টা আগে
ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস

জাককাবইবি ক্যারিয়ার ক্লাবের পাবলিক স্পিকিং প্রতিযোগীতায় সেরা তিনে আশকা, মুকিত, তাবাসসুম

জাককাবইবি ক্যারিয়ার ক্লাবের পাবলিক স্পিকিং প্রতিযোগীতায় সেরা তিনে আশকা, মুকিত, তাবাসসুম

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যারিয়ার ক্লাবের উদ্যোগে দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত ময়মনসিংহ বিভাগের সবচেয়ে বড় পাবলিক স্পিকিং প্রতিযোগিতা ‘The Voice of JKKNIU’–এর গ্রান্ড ফিনালে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত এই বর্ণিল আয়োজনে সেরা বক্তার মুকুট জিতেছেন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় দর্শন বিভাগের ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আশকা আলম।এছাড়াও প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার আপ হয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মুকিত (২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষ) এবং দ্বিতীয় রানার আপ হয়েছেন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন ও সরকার পরিচালনা বিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী তাবাসসুম মেহনাজ (২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষ)।গ্রান্ড ফিনালে মোট ১৪ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীরা এসেছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, আনন্দ মোহন কলেজ, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে।বিজয়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ১৫ হাজার টাকা ক্যাশ পুরস্কার, ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট এবং ৩০ হাজার টাকার সমমূল্যের উপহার সামগ্রী।চূড়ান্ত পর্বে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রেকিট বেঙ্কিজার (বাংলাদেশ) পিএলসি–এর সিনিয়র টেরিটরি সেলস ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল রাহাত এবং ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের কাস্টমার বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ফাংশনের সিনিয়র টেরিটরি ম্যানেজার মোহাম্মদ মেহেদী হাসান রাব্বী।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্যারিয়ার ক্লাবের উপদেষ্টা ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জনি।ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি আবুল আবছার বাপ্পি বলেন, “The Voice of JKKNIU শুধুমাত্র একটি প্রতিযোগিতা নয়, এটি তরুণদের আত্মবিশ্বাস তৈরি, বক্তৃতা দক্ষতা উন্নয়ন এবং নিজের ভেতরের সম্ভাবনাকে চিনে নেওয়ার একটি প্ল্যাটফর্ম। দ্বিতীয়বারের মতো এ আয়োজন সফল করতে পেরে আমরা আনন্দিত। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে, আরও সৃজনশীলভাবে এ প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে চাই।”আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘The Voice of JKKNIU’ তরুণদের যোগাযোগ দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ এবং আত্মপ্রকাশের চর্চা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
২৯ নভেম্বর ২০২৫
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

নির্বাচন

নির্বাচন

দীর্ঘ জল্পনার অবসান, জামাতের হয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে ড. ফয়জুল হক

দীর্ঘ জল্পনার অবসান, জামাতের হয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে ড. ফয়জুল হক

ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঠালিয়া) আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রার্থী হিসেবে ড. ফয়জুল হককে মনোনয়ন দিয়েছে।বিস্তারিত আসছে....
১৬ নভেম্বর ২০২৫
নির্বাচন পুরোপুরি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়: প্রেস সচিব

নির্বাচন পুরোপুরি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়: প্রেস সচিব

১৬ নভেম্বর ২০২৫
ক্রিকেট

ক্রিকেট

মুক্তার আলী: “শান্ত কি সবকিছু করে? নির্বাচকদের দায়িত্ব কোথায়?

মুক্তার আলী: “শান্ত কি সবকিছু করে? নির্বাচকদের দায়িত্ব কোথায়?

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) টি-টোয়েন্টি রাজশাহী বিভাগের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে, এবারের দলে সুযোগ পাননি পেস অলরাউন্ডার মুক্তার আলী।এই পরিস্থিতিতে, রাজশাহী দলের নির্বাচক হান্নান সরকার মুক্তারকে অধিনায়ক শান্তর সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন। তবে, মুক্তার আলীর প্রতিক্রিয়া ছিল তীব্র ও প্রশ্নবোধক। তিনি বলেন, “শান্তই কি সবকিছু? ও কি টিমের সবকিছু করে? খেলার জন্য ওর সাথে যোগাযোগ করতে হবে এমন দিন চলে এসেছে ভাই? তার সাথে কেন কথা বলতে হবে? আপনারা তো নির্বাচক, আপনাদের তো একটা দায়িত্ব আছে।”মুক্তার আলী ১৯৮৯ সালের ১০ অক্টোবর রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ডানহাতি ব্যাটসম্যান ও ডানহাতি মিডিয়াম ফাস্ট বোলার হিসেবে খেলেন। ২০০৬-০৭ মৌসুমে বরিশাল বিভাগের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। জাতীয় ক্রিকেট লিগে তার সর্বাধিক ১৬৮ রানের ইনিংস ও ৫ উইকেটের সেরা বোলিং পারফরম্যান্স উল্লেখযোগ্য। ২০১৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে অভিষেক হলেও, পরবর্তীতে তাকে জাতীয় দলে আর দেখা যায়নি। বর্তমানে ঘরোয়া ক্রিকেটে তার পারফরম্যান্স এখনও প্রশংসনীয়।রাজশাহী দলের নির্বাচক হান্নান সরকার মুক্তারকে অধিনায়ক শান্তর সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দিলেও, মুক্তার তার প্রতিক্রিয়ায় দলের নির্বাচকদের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।মুক্তার আলীর এই প্রতিক্রিয়া রাজশাহীর ক্রিকেটের অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক ও নির্বাচক প্রক্রিয়ার প্রতি প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। এটি নির্দেশ করছে যে, রাজশাহীর ক্রিকেট দলের মধ্যে সমন্বয়হীনতা এবং অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ বিরাজ করছে, যা শুধুমাত্র দলীয় মনোবল নয় বরং ভবিষ্যতে দলের পারফরম্যান্সেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। স্থানীয় ক্রিকেট বোর্ড এবং নির্বাচকদের আরও দায়িত্বশীল এবং সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন, যেন প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের সুযোগ সঠিকভাবে নিশ্চিত করা যায় এবং রাজশাহীর ক্রিকেটে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন সম্ভব হয়।
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
সারাদেশ

সারাদেশ

হাতিয়ায় খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও বিতরণ

হাতিয়ায় খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও বিতরণ

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা, দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনায় কোরআন বিতরণ, খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।  রোববার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার ওছখালীতে জেলা বিএনপির সদস্য প্রকৌশলী তানভীর উদ্দিন রাজিবের বাসভবনে এ কোরআন বিতরণ, খতমে কুরআন ও দোয়া মাহাফিলের আয়োজন করা হয়। হাতিয়া উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপি, অঙ্গসংগঠনের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।  কুরআন বিতরণ অনুষ্ঠানে হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য প্রকৌশলী তানভীর উদ্দিন রাজিব।খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিলে অংশ নেন, হাতিয়া পৌরসভা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব কাজী মাওলানা আব্দুর রহিম সাহেব, হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মোছলেহ উদ্দিন নিজাম চৌধুরী, হাতিয়া পৌরসভা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলা উদ্দিন আলো, হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল উদ্দিন রাশেদ, হাতিয়া পৌরসভা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কাশেমসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।  দোয়া মাহাফিলে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী তানভীর উদ্দিন রাজিবে বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সারাজীবন দেশ এবং দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। দেশের গণতন্ত্রের প্রতীক তিনি। আজকে তিনি অসুস্থ। তার সুস্থতা দেশের সর্বস্তরের মানুষের প্রত্যাশা। তাই তার দ্রুত আরোগ্য কামনায় এ দোয়া মাহাফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
১৬ নভেম্বর ২০২৫
মতামত

মতামত

রাষ্ট্র ও সাধারণ মানুষের প্রতি ভাবনা: আমাদের পথচলার প্রয়োজনীয়তা

রাষ্ট্র ও সাধারণ মানুষের প্রতি ভাবনা: আমাদের পথচলার প্রয়োজনীয়তা

রাষ্ট্র আসলে কার জন্য? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আমরা দেখতে পাই, রাষ্ট্রের অস্তিত্বের মূল ভিত্তি হলো সাধারণ মানুষ। জনগণই রাষ্ট্রকে বাঁচিয়ে রাখে, আর জনগণের প্রয়োজন, নিরাপত্তা ও স্বপ্নের প্রতিফলন ঘটানোই রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব।আজকের বাংলাদেশে সাধারণ মানুষ নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ন্যায়বিচার, কর্মসংস্থান কিংবা নিরাপত্তা প্রতিটি ক্ষেত্রেই মানুষের প্রত্যাশা অনেক, কিন্তু প্রাপ্তি সব সময় সেই মানের হয় না। এখানেই রাষ্ট্রের করণীয় সবচেয়ে বেশি।রাষ্ট্রের উচিত মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা, যেন কেউ ক্ষুধার কষ্টে, চিকিৎসার অভাবে বা অন্যায়ের শিকার হয়ে অসহায় না হয়। একইসঙ্গে ন্যায়বিচার ব্যবস্থাকে এমনভাবে শক্তিশালী করতে হবে, যাতে কোনো নাগরিক আইন ও প্রশাসনের কাছে ভরসা হারিয়ে না ফেলে।আমরা যদি রাষ্ট্রকে মানুষের জন্য একটি নিরাপদ ছাতা হিসেবে কল্পনা করি, তবে সেই ছাতার নিচে প্রত্যেকে সমান মর্যাদা ও সুযোগ নিয়ে দাঁড়াতে পারবে। এজন্য দরকার স্বচ্ছ প্রশাসন, জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব এবং মানুষের প্রতি আন্তরিক দায়িত্ববোধ।আমার বিশ্বাস, একটি রাষ্ট্র তখনই প্রকৃত অর্থে শক্তিশালী হয়, যখন সাধারণ মানুষ তার ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখতে পারে, নিরাপদে বাঁচতে পারে এবং সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার অধিকার অনুভব করতে পারে।রাষ্ট্রের প্রতি এই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করলেই আমরা গড়ে তুলতে পারব একটি সুন্দর, নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ।
সম্পাদকীয়