ডেস্ক নিউজ ||
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে এক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের এক ইউনিয়ন সমাজকর্মীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে ওই কর্মকর্তার একটি ভিডিও। পাশাপাশি, ভাতার কার্ড করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে অন্য এক নারীর কাছে অর্থ দাবি করার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।অভিযুক্ত কর্মকর্তার নাম মফিজুর রহমান। তিনি উপজেলার নরোত্তমপুর, ধানসিঁড়ি, সুন্দলপুর ও বাটইয়া ইউনিয়ন এবং কবিরহাট পৌরসভা এলাকায় সমাজকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রায় সাড়ে চার মিনিটের একটি ভিডিওতে মফিজুর রহমানকে এক নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা যায় বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, ফ্যামিলি কার্ড পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ওই নারীর সঙ্গে তিনি অনৈতিক সম্পর্কে জড়ান। তবে এ অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।অভিযোগ অস্বীকার করে মফিজুর রহমান দাবি করেছেন, ওই নারী তাঁর পূর্বপরিচিত। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, একদিন ওই নারী তাঁকে একটি কক্ষে নিয়ে শরবতের সঙ্গে চেতনানাশক কিছু মিশিয়ে পান করান। এরপর কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে তাঁর কোনো ধারণা নেই বলে দাবি করেন তিনি।অন্যদিকে, আরেক নারীকে ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে তিন হাজার টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগও উঠেছে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এ-সংক্রান্ত একটি অডিও কথোপকথন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে।কবিরহাট উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। অভিযোগ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক জেড এম মিজানুর রহমান খান জানান, অভিযোগ তদন্তে সহকারী পরিচালক (প্রশাসন, অর্থ ও প্রতিষ্ঠান শাখা) কে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও সুপারিশ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত