ডেস্ক নিউজ ||
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ শেষে নিউইয়র্ক সফর সমাপ্ত করে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সকালে তাঁকে বহনকারী এমিরেটসের একটি ফ্লাইট ঢাকায় অবতরণ করে।প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপুল বাসসকে জানান, প্রধানমন্ত্রী, তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গীদের নিয়ে এমিরেটসের ইকে-৫৮২ ফ্লাইটটি সকাল ৮টা ২১ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তারসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।ছবি: পিএমওএর আগে স্থানীয় সময় ২৫ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ৩০ মিনিটে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটটি। দুবাইয়ে যাত্রাবিরতির পর স্থানীয় সময় রাত ২টা ১৫ মিনিটে সেখানকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে পুনরায় উড্ডয়ন করে বিমানটি।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীজাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্কে অবস্থানকালে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান ও অগ্রাধিকার তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর আলোচনায় শান্তি প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্র, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, মানবিক সংকট এবং টেকসই উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।চার দিনের নিউইয়র্ক সফরে প্রধানমন্ত্রী মোট ৩০টি সরকারি কর্মসূচিতে অংশ নেন। এসব কর্মসূচির মধ্যে ১১টি দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ছিল বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।ঢাকায় ফেরার আগে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মাহদী আমিন বলেন, দ্বিপক্ষীয় আলোচনাগুলোতে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জনশক্তি রপ্তানি, জ্বালানি নিরাপত্তা, আঞ্চলিক সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সংকট, স্বাস্থ্য খাত, জলবায়ু পরিবর্তন এবং আন্তর্জাতিক শান্তির মতো বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে।তিনি আরও জানান, সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সংশ্লিষ্ট আটটি কর্মসূচি, অধিবেশনের সাইডলাইনে আয়োজিত চারটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠান এবং ১১টি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন। পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গেও তাঁর আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রীর অংশগ্রহণনিউইয়র্ক সফরে প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানও বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সফরকালে তিনি মোট আটটি কর্মসূচিতে যোগ দেন এবং এর মধ্যে চারটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।তাঁর অংশ নেওয়া উল্লেখযোগ্য আয়োজনের মধ্যে ছিল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্ল্যাটফর্ম অব উইমেন লিডার্স, ফার্স্ট স্পাউসেস’ ডায়ালগ এবং মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য ও মিডওয়াইফারি বিষয়ক একটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠান।
কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত