ডেস্ক নিউজ ||
আমাদের তরুণ বন্ধুদের দ্বারা গঠিত এনসিপির কিছু সাংগঠনিক কার্যক্রম ‘মদের বারে’ হচ্ছে শুনে ভালো লাগলো বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক (গণধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক) বর্তমান বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।শনিবার (২০ জুন) সকাল ১০টার দিকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।পোস্টে রাশেদ খাঁন লিখেছেন, ‘সংগঠনের আন্তর্জাতিক মান রক্ষায় এছাড়া উপায় আছে? এনসিপিতে বিদেশ থেকে পড়াশোনা করে আসা বা আন্তর্জাতিক এনজিওর কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত বেশ কয়েকজন নেতা আছেন। ওইসব দেশে ‘মদের বারে’ আড্ডার ছলে কাজ করা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। ‘এনসিপির ধর্মভীরু, হিজাবি নারীদের পক্ষে মদের বারে সাংগঠনিক কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া হয়তো কঠিন। এনসিপির পক্ষেও আন্তর্জাতিক এনজিও কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত সুজাউদ্দিনের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়তো আরও কঠিন। তাই নিজ সংগঠনের নারী নেত্রী হওয়া সত্ত্বেও এখনো কোনো প্রতিকার পাননি ভুক্তভোগী নারী। উল্টো বলা হচ্ছে, সুজাউদ্দিনের রাজনৈতিক অবস্থান নষ্ট করার জন্য ওই নারী ষড়যন্ত্র করেছেন। কিন্তু ৫ আগস্টের পরে রাজনীতিতে আসা একজন নেতার আসলে রাজনৈতিক অবস্থানটাই বা কী?’তিনি আরও লেখেন, ‘এনসিপি যদি এসব সুবিধাবাদীদের দ্বারা গঠিত না হয়ে রাজপথের প্রকৃত কর্মী বা জুলাই যোদ্ধাদের দ্বারা গঠিত হতো, তাহলে আজ এনসিপিকে জামায়াতের সঙ্গে নয়, বরং জামায়াতসহ বহু দল বা ব্যক্তি এনসিপির সঙ্গে যেত। কিন্তু এনসিপির কতিপয় শীর্ষ নেতৃত্ব শুরুতেই মনে করলেন, বেশি যোগ্য ও রাজপথের পরিচিত মানুষকে সংগঠনে একীভূত করলে হয়তো তারা ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবেন। তাই কোনো দিন রাজপথে না নামা সুজাউদ্দিনদের মতো ব্যক্তিদের ফেক বিপ্লবী বানিয়েছেন নাহিদ ইসলামরা। মানে, এনসিপিতে যুক্ত হলেই আপনি বিশাল বিপ্লবী! প্রকৃতপক্ষে, এনসিপিতে আসল বিপ্লবী বা জুলাই যোদ্ধার সংখ্যা এখন সীমিত। বরং ৫ আগস্ট-পরবর্তী বিপ্লবীদের দ্বারা এখন এনসিপিতে বসন্ত চলছে।’রাশেদ খাঁন আরও লেখেন, ‘কেন বিপ্লবীরা এনসিপি করে না, এই প্রশ্নের উত্তর এনসিপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের খোঁজা উচিত। তাহলে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া বহু জুলাই যোদ্ধা আবারও এনসিপিতে যুক্ত হয়ে চলমান রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণে ভূমিকা রাখতে পারেন বলে আমার ধারণা।’
কপিরাইট © ২০২৬ The Dhaka News Bangla । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত